somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কলেজ ছাত্র সুমন চাকমা

১৫ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পর্যটন বিকাশের বদৌলতে সাজেকের পরিচিতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়লেও সেই পাহাড়ি জনপদের শিক্ষার অবস্থা একেবারেই নাজুক। সাজেকের সুউচ্চ রুইলুই (লুসাই) পাহাড়ের নিচে ঝরনাপাড়া এলাকায় কিছুটা উপরে-নিচে ১১টি দরিদ্র চাকমা পরিবারের বসবাস। সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে তাদের প্রত্যেকের রয়েছে অদম্য আগ্রহ। সেসব পরিবারের ২৩ শিশুর জন্য কলেজপড়ূয়া সুনম চাকমা চালু করেছেন ব্যতিক্রমী এক বিদ্যালয়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, সাজেক যাওয়ার মূল সড়কের পাশে চওড়া একটি জায়গায় বেড়ার ঘরের খিড়কির (জানালা) মতো খোপ দিয়ে উঁকি মারছে অনেক শিশু। ছোট কক্ষটির ভেতরে তিন পাশে বসে আছে ২৩টি ছেলেমেয়ে।


সুনম চাকমা জানান, ২০১৬ সালে বাঘাইহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর ভর্তি হন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজে। কিন্তু জুমজীবী মা-বাবার পক্ষে কলেজে যাওয়ার প্রতিদিনকার গাড়ি ভাড়াও দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। দুই বছর আগে এখানে এসে দেখেন এখানকার শিশুরা বছরে ছয় মাসেও বিদ্যালয়ে যায় না। সুনম সিদ্ধান্ত নিলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে পড়ানোর চেয়ে পরিবারের প্রতিটি শিশুকে নির্ধারিত একটি স্থানে জড়ো করে নিয়মিত পাঠ দেওয়া হলে শিশুদের শিক্ষা জীবনে কোনো ছেদ পড়বে না। বানানো হয় স্বেচ্ছাশ্রমে একটি ঘর।

স্থানীয় দোকানি জগদীশ চাকমা বলেন, ১১ পরিবার সুনমের বার্ষিক খোরাকি বাবদ সোয়া ২৭ কেজি করে চাল দেয়। তবে বাড়তি চাল বিক্রি করেই শিক্ষক সুনমের লেখাপড়া-পোশাক পরিচ্ছদসহ অন্যান্য খরচ তিনি তার মতো চালান। অভিভাবক ইন্দু কুমার চাকমা বলেন, সাজেকের সৌন্দর্য দেখতে কত লোকজন আসেন। গাড়ির চাপে শিশুরা রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারে না। অতিষ্ঠ হয়ে নিজেদের খরচে স্কুল চালু করতে বাধ্য হয়েছি।

সুনম চাকমা বলেন, গত দুই বছরে শিশুরা 'ডাবআদাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়'-এর নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভালো ফল করছে। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পাঠ দেওয়া হয় তাদের।

তথ্য ও ছবি - ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:২৪
১৭টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ পরাজিত

লিখেছেন অপু তানভীর, ২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ১:১৬

অফিসের রিসিপশন থেকে আমার কাছে খুব একটা ফোন আসে না । এই শহরে কেবল আমি একাই থাকি । যে বন্ধু বান্ধব আছে তারা আসলে আমাকে আগে ফোন দিয়েই আসে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাতে আঁকা কিছু ছবি-৩

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪২


আরও নতুন কিছু ছবি আঁকা হয়েছে। ছবিগুলো দেখুন মতামত দিন-

১।



তুমি সুন্দরও আমার অন্তরও তুমি যে আমার.....................।

২।



কার বেদনায় কৃষ্ণচূড়া লালে লাল হলো। বল তুমি বল।

৩।



ভালবাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাইবা এখন কোথায় যাবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫৭



গতকাল সুরভিকে নিয়ে ইফতারী করতে বুমারসে গিয়েছিলাম। প্রচুর মানুষ দাঁড়িয়ে আছে, বসার জায়গা নেই । যাই হোক, আমাদের টেবিলে এক পিচ্চিকে বসিয়ে পিচ্চির মা গিয়েছে ইফতারী আনতে। পিচ্চির... ...বাকিটুকু পড়ুন

কম ক্ষতিকারক মাদকের বৈধতাই মাদক সমস্যা নিয়ন্ত্রণের কার্যকরী উপায়! নির্মূল অসম্ভব!

লিখেছেন পাঠক লাল গোলদার, ২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:০৭

আমি ইন্দোনেশিয়ায় দেখেছি বিয়ারকে তারা মাদক মনে করে না। প্রথমে মনে করেছিলাম এটা মনে হয় শুধু জাকার্তার ব্যাপার। পরে গ্রামে গিয়ে দেখেছি একই চিত্র। গ্রামের মোড়ের দোকানটায়ও বিয়ারের একটা আলাদা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগারদের মাঝে মনোমালিন্য, খুবই স্বাভাবিক বিষয় :) (হাবিজাবি৩)

লিখেছেন প্রান্তর পাতা, ২৭ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬



(১) সামহোয়ার ইন ব্লগে আমরা যারা নিয়মিত আসি, তাদের কাছে এটা একটা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু আমরা সবাই এখানে anonymous. কেউ কাউকে সেভাবে চিনি না। এটা ব্লগারদের একটা অলিখিত নীতি।

(২)... ...বাকিটুকু পড়ুন

×