somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আরো একটা ওয়েবলগ বা বেশি ভেতরে ঢোকার শাস্তি
কেউই বুঝতে পারেনি - কেউ না। আমি ফিরে আসিনি। কিছু প্রাপ্তিস্বীকার বাকি ছিল - তাই করতেই এসেছিলাম।

আমার লেখালিখিকে ঘিরে এক ধরণের প্রত্যাশা তৈরী হয়েছে - তা বুঝতে পেরেছি বহু দিন আগেই। দু' মাস ব্লগে ছিলাম না - আমার ব্লগের হিট এখনো সর্বোচ্চ। রসগ্রাহীদের বলছি, আর কোনো কিছুর জন্যে, কারো জন্যে অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। নতুন পোস্ট ছিল গোটা পঞ্চাশেক, পুরোনো লেখা ছিল একশ'র মতো, ঐ দেড়শতাধিক লেখা আসলেই মুছে ফেলা হয়েছে।

এতো দিন অব্ধি সাহিত্য ও কবিতাই ছিল আমার ব্লগের মূল উপাদান - এখন এই যাওয়ার বেলায় অতি সযত্নে সরিয়ে রাখা ব্যক্তিগত বিষাদের বারমাস্যা বর্ণন করলে বোধ হয় খুব একটা মহাভারত অশুদ্ধ হবে না।

খুউব খুউব অভিমানী একটা ছেলে, শৈশবে পিতৃহীন, যার বয়সটা এখনো দশেই আটকে আছে - অ-নে-ক অ-নে-ক আশা নিয়ে এখানে এসেছিল। কতোটুকু চাওয়া ছিল তার?

না, এমন কেউ আসবে তার জীবনে যে তার শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছিয়ে দেবে, রাখী আর ভাইফোঁটায় ফোন করে খোঁজ খবর নেবে - আশীর্বাদ করবে।

আর তার সাথে গোটা কয়েক পিচ্চি বোন হলেই বা মন্দ কি!

আজ, এক বছর পরে যখন বুঝতে পারলাম আমার বোনেরা আমায় মন থেকে দাদা বলে মেনে নেয়নি, তার পরেও ওদের বিরূদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই - স্নেহ স্বভাবতই নিম্নগামী।

এদের মধ্যে দু' জন উজ্জল ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে, এক জন ব্লগ ছেড়ে দিয়েছে অনেক আগেই, এই জায়গাটা যে সিন্থেটিক আবেগের অশ্লীল পেজ থ্রি ছাড়া আর কিছুই না - খালি আমারই সেটা বুঝে উঠতে বছর খানেক দেরি হলো যা!

এই তো সেদিন বিজয়ার শুভেচ্ছা পাঠালো শর্ট মেসেজ সার্ভিসে।

আরেক জন তার প্যাল্ট্রি পকেট-মানি থেকে আমায় ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছে। চো চুইট নাহ!! তোমাদের এই দাদাভাই কোনো দিন ভুলবে না এসব কথা, সুযোগ পেলে হলদিরামের কাজু-পিস্তা দেওয়া বরফি খাওয়াবে, আর যা যা খেতে চাও - ব্যাস্কিন রবিন্স থেকে জিঞ্জার এল। যা মন চায় তাই খাওয়াবো - প্রমিস।

আর যে সব বোনেরা আমাকে স্কুটারে চাপিয়ে সারা ঢাকা ঘুরিয়ে দেখাবে বলেছিল, বলেছিল নিজের হাতে মাংস রেঁধে খাওয়াবে, আমাকে আপ্রাণ স্বান্তনা দেওয়ার সেই ছেলেমানুষিতে আমি কিচ্ছুটি মনে করিনি - নোপ। মন থেকে না মানুক - মুখে অন্তত: দাদা বলে তো ডাকত।

যারা আমায় ভালোবাসে আর যারা বাসে না, আসলে আমার সওব বোনকে আমি যে মেয়ের মতোও ভালোবাসি, আগামী তিরিশে অক্টোবরের জন্যে অনেক অনেক আশীর্বাদ রেখে যাচ্ছি - পূণ্যতিথি ভাতৃদ্বিতীয়ায় পূর্ণ হয়ে উঠুক তোমাদের জীবন সুখ ও সমৃদ্ধিতে।

আর তিরিশে জুলাইয়ের জন্যে ঘৃণা।

ঠিক যতোটুকু ঘৃণা কোনো মানুষ ইশ্বরের ভেকধারী শয়তানকে চোখের সামনে দেখলে করে।

কার জন্যে? যাকে ভুল করে ঈশ্বরের আসনে বসিয়ে এতো দিন পুজো করে এসেছি। নিজের কোনো দিদি নাই বা থাকুক - আমাদের সুপ্রাচীন ঐতিহ্য বড়ো বোনকে মায়ের চোখে দেখতেই শিখিয়েছে।

কিন্তু কি দোষে আমি এই শাস্তি পেলাম?

আমি হিন্দু বলে - না কি ভারতীয় বলে।

মাত্র কয়েক জন স্নব বাংলাদেসি ( ভদ্র? ) মহিলার অসভ্যতামি দেখে পুরো একটা জাতির ওপরে বিশ্বাস হারানো উচিত নয়, আমি এই বিশ্বাস নিয়েই যাচ্ছি যে ভার্চুয়াল জগতে না হোক, বাস্তবের পৃথিবীতে অন্তত: এক জন বাঙলাদেসি দিদি পাবো - যে আমায় আদর করে কাছে টেনে নিয়ে সব দু:খ ভুলিয়ে দেবে।

যে কোনো সম্পর্কের মুলে থাকে পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও স্বচ্ছতা, রেসিপ্রোকেশন আর এম্প্যাথি, কিন্তু আস্তে আস্তে যখন একটার পর একটা মিথ্যা কথা বলে আর বিনা প্ররোচনায় গালাগালি করে সেই শ্রদ্ধার জায়গাটা সে নিজেই নষ্ট করে দেয় - তখন তার মতো কষ্টের আর কিছু থাকে না।

সমস্ত ভালোবাসা নিয়ে নতজানু হয়ে প্রতারিত হওয়ার কষ্ট - যাকে সহোদরা-মাতা-আত্মজা রূপে কামনা করেছিলাম।

পুরুষ যে রূপেই তাদের কাছে আসুক না কেন - তাকে খেলার বস্তু ছাড়া আর কিছু মনে করে না এই সব শয়তানি মনেরা।

সারা জীবন যা মনে-প্রাণে ঘৃণা করে এসেছি, পার্সোনাল লেভেলে হিপক্রিসি, ব্লগে এসে যখন ঠিক তারই মুখোমুখি হতে হলো - লজ্জায় ব্লগ ছেড়ে চলে গেছি।

ঘৃণায় ব্লগ ছেড়ে চলে গেছি, সেই কুতসিত অসুস্থ মানসিকতা দেখে, যে কেবল অন্যকে ব্যবহার করে নিজের প্রয়োজনে - নিজের দোষ স্বীকারের সামান্যতম সত সাহসও যার নেই।

এই IT-র বান্দা সব কিছু প্রমাণের ক্ষমতা রাখে। ঠিক কি কি মিথ্যের বড়ি তাকে গেলানো হয়েছিল এক বছর ধরে, কোন কোন চিঠিই বা পড়া স্বত্তেও উত্তর না দিয়ে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছিল, সেটাই স্বাভাবিক - কারো কাছে নিজের পাপকার্যের আর শঠতার কোনো ব্যাখ্যা থাকলে তবে তো সে ফিরতি ‌উত্তর দেবে।

কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে, আমি জেনেছি, এইটেই ঢের - আর নতুন করে প্রমাণের প্রয়োজন দেখিনে। তাছাড়া এটা তো একটা এন্ডনোট, ব্যক্তিআক্রমণ নয়, যতোটুকু পারিবারিক শিক্ষা পেয়েছি - আমি মরে গেলেও কখনোই মুখ ফুটে বলবো না কিভাবে বারে বারে বারণ করা স্বত্তেও আমাকে একাধিক বার ফোনে আর এসেমেসে গালিবাজির সম্মুখীন হতে হয়েছে।

আর ঠিক এখানেই আমার যতো বিস্ময় - কোনো মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে কিভাবে এই প্রাথমিক সহবত শিক্ষাটুকুর থেকে বঞ্চিত থাকে?

সবাইকে আরেক বার আশ্বস্ত করছি, আমাকে-ডেকো-না-ফেরানো-যাবে-না জাতীয় কোনো তৃতীয় শ্রেণীর নাটক নয় এটা, তাই প্রথম পাতায় দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করিনি - সবার নজর এড়িয়ে চুপি চুপি লিখে যাচ্ছি নিজের রক্তাক্ত হওয়ার আখ্যান আর খারাপ লাগাটুকু।

আমার অতীত ইতিহাস এখানে বলার প্রয়োজন মনে করিনা।

তবে একটা কথা বলি, যে অগ্নিপথ পেরিয়ে এসেছে, দিয়াশলাকায় তার কি হয়?

সবাই যখন কাঁদে - তখন বিদূষক হাসে।

আর বিদূষক যখন কাঁদে তার দু:খে স্বয়ং ঈশ্বরও কাঁদেন।

দিন আর রাতকে একাকার হয়ে মিলেমিশে যেতে দেখেছি, এক পা দূরে দাঁড়িয়ে নিজের অবশ্যম্ভাবী মৃত্যুকে, নিজের বাঁচামরা নিয়ে বাজি ধরার বন্দোবস্ত থাকলে আমি নির্ঘাত হেরে ভূত হতুম আজকের দিনে - যদি মরবোতে টাকা লাগাতুম!

Oh sleep! It is a gentle thing. কোলরিজের সেই কবিতাটার কথা মনে আছে তো? পা টিপে টিপে এতোটাই কাছে এসে গেছিল সে।

বারে বারে নিজেকে ভেঙেছি, নতুন করে গড়ার জন্যে, দেখেছি স্মার্টনেস থেকে আরম্ভ করে যে কোনো কোয়ালিটিই জাস্ট অ্যাডাপ্টিভ।

আজ আনন্দকে আলাদা করে খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। TCS...CTS...যে নামই বলি...সব জায়গাতেই তারা আছে।

ঘড়িই যাদের সাথে নিজেকে মিলিয়ে নেয়, সমস্ত সমস্যার সমাধান তাদের কাছে থাকে, তাই তাদের প্রফেশনাল শত্রুও কম নয় কর্পোরেটে - শাদীডটকমের পোস্টার বয় এই অপু-থেকে-আলফামেলরা।

টিকে থাকার জন্যে জুতোয় পা গলিয়ে নেওয়ার মতো করে এই পরিচয়টুকুই রোজ এক বার করে পরে নিতে হয়।

আমার প্রোফাইলের দুটো ছবিই নেট থেকে নেওয়া, তার অপাপবিদ্ধ ভালোবাসাকে যারা অপমান করেছে, তাদের কাউকেই নিজের ছবি দেখার অধিকার আনন্দ দেয়নি।

আনন্দে অবগাহন করার, তাকে আবিষ্কার করার অধিকার শুধু তাদেরই আছে, যারা আনন্দকে সত্যি সত্যি ভালোবাসে।

আনন্দের একটিই নিক, যা কিছু রেটিং এসেছে তার থেকেই, সেটুকু সতসাহস আনন্দের সব সময়ই ছিল।

তামাশা কম দেখলুম নে এই এক বছরে, আমোদ হলো বিস্তর, বাঙলা ভাষা নিয়ে কয়েক জনের কুম্ভীরাশ্রু বর্জনের প্রতিযোগীতা সত্যিই চরমভাবে উপভোগ্য - নাসিরাবাদ বয়েজ স্কুলের স্টুডেন্ট টার্ন্ড ইস্ট-ওয়েস্টের এমবিএ-শিক্ষার্থী আর টরেন্টোয় বসে শোনপাঁপড়ি খেতে খেতে হেঁচকি তোলা বরফ-গুহাবাসী ব্যক্তির পেশাদারী পার্ফর্ম্যান্স লা-জওয়াব!

আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করিনি, যেদিন দেখলাম লিস্টে একজনও প্রকৃত বন্ধু নেই, সেদিন যখন মানসিক যণ্ত্রণায় মরো মরো হয়ে গেছিলাম - একটু ভুল বললাম।

পাঁচ জন সত মানুষের দেখা অবশ্যই পেয়েছি, এদের মধ্যে এক জনের বন্ধুত্বকে, আর দু' জনের ব্যবহারে অনুজের প্রতি অগ্রজের যে স্নেহ দেখেছি - এসবই অ্যাকনলেজ করতে আমার সাময়িকভাবে ফিরে আসা। চতুর্থ জনকে কোনো লেখা উতসর্গ করার দু:সাহস করিনি - এতোটাই ম্যাচিওর ওর শৈলী যে ওর পোস্ট পড়ে আমি ভাবতুম ও বুঝি আমার চে' বড়ো! ওর নামটা অন্যমনস্ক না হয়ে প্রাপ্তমনস্ক কেন যে হলো না তাই ভাবি!! পঞ্চম জনটি আমার মতোই ব্লগীয় ভন্ডামি সহ্য করতে না পেরে এই পঙ্কিল-ক্লেদ ত্যাগ করে চলে গেছে অনেক আগেই, স্বপ্নেরা যে বড়ো নিষ্পাপ, বড়ো উদাসী।

যারা আনন্দকে কষ্ট দিতে চেয়েছে অকারণে, বিষ প্রয়োগে করতে চেয়েছে নষ্ট, নিজের বইয়ের রয়ালিটি থেকে প্রাপ্ত টাকার পাহাড়ে বসে থেকে নিজেকে দারিদ্রসীমার নিচে ও সেই সাথে শিশুবতসল দেখাতে সদাব্যস্ত সেই সব মেকি মনকে বলি, আনন্দরা এতো সহজে মরে না - আত্মার মতো তারা অবিনশ্বর। নীলকন্ঠের দেশের মানুষ যে সে - জীবনকে হাতের তালুতে নিয়ে ঘোরে আজ।

শরীর রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসে পঙ্গুপ্রায়, স্যালারি পাঁচ থেকে বেড়ে পঞ্চাশ হাজার বাঙলাদেসি টাকা হয়, তবু অর্থের কি উলঙ্গ লালসা এই লোভী মনদের - এরা এটা কিভাবে ভুলে যায় যে যখন কবরে যাবে তখন তো খালি হাতেই যেতে হবে!

সেদিন মন থেকে বিশ্বাস করতাম বলেই মাথার ওপরে লিখে রেখেছিলেম - ঈশ্বরের অনেক রূপের একটি হলো আপা।

অতি সাধারণ তৃতীয় শ্রেণীর কবিতা বা পোস্ট লেখা এই সব ব্লগীয় আপুদের পাব্লিক রিলেশন মেন্টেন করার দক্ষতা অতুলনীয়। কেউ স্যালারি ইনক্রিমেন্ট হওয়ার পরে বেছে বেছে দাওয়াত দেন ঢাকায়, কেউ অস্ট্রেলিয়ায় বসে স্মৃতির হাবিজাবি লিখে প্রচার করেন নিজের পরবাসী দু:খগাথা, কেউ আমেরিকা থেকেই লাবণী পয়েন্ট কি লিচুর জন্যে ভেউ ভেউ করে কাঁদেন - কেউ বা সুদূর ক্যানাডা থেকে অশ্রুসিক্ত সোপ অপেরার করেন নির্মান। আবার কেউ
নিজের অ-মানবি-ক স্বত্তাকে আড়াল করতে ঠিক তার উল্টো নাম নেন, কেউ বা শৈলেন দত্তের মিতুল নামে পুতুলটি সেজে নিষ্পাপ থাকতে চান, কেউ স্নেহের সুশীতল তরু হিসেবেই নিজেকে দেখাতে পছন্দ করেন! যতো ক্ষণ পর্যন্ত তুমি ব্লগে এসে এদের হ্যাঁয়ে হ্যাঁ মেলাবে, ততো ক্ষণ এরা তোমায় বাবা-বাছা বলে গায়ে-মাথায় হাত বুলুবে, আর যেই একটু চিঠি চালাচালি করবে - অমনি তাদের হিংস্র উন্নাসিক চেহারাটা নগ্ন হয়ে যাবে। ব্লগের
পাব্লিককে হাতে রাখতে এরা ওস্তাদ - ফলে এদের অন্যা‌য়ের বিরূদ্ধে কেউ কিছু বললেই হার্মাদ-বাহিনীর সাঁড়াশী আক্রমণ নেমে আসে নির্দ্বিধায়!!!!!

আজ দু:খ শুধু এক জায়গাতেই, আমার পবিত্র সাধনবিদ্যা কিনা এক শয়তানকে রোগমুক্ত করতে ব্যবহার করলাম, যখন সে কার-অ্যাক্সিডেন্টে শয্যাশায়ী ছিল।

ক্ষোভ শুধু একটা জায়গাতেই, ঈশ্বর ভেবে যে পূজার ফুল পাঠিয়েছিলেম, তা শেষ পর্যন্ত কথায় কথায় আল্লার দিব্যি কাটা নরকের কীটস্য কীট এক শয়তানের কাছে গিয়ে পড়ল - সে পঁয়ত্রিশ ডলার যেদিন সেই শয়তানের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে কোনো চাইল্ড রিলিফ ফান্ডে ডোনেট করতে পারবো সেই দিন আমার ভুলের প্রায়শ্চিত্য হবে।

প্রভু, তুমি ঘৃণাদেরকে এতোটাই শক্তিশালী করে দাও, তারা যেন সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে নেদারল্যান্ডে লুকিয়ে থাকা শয়তানকে শেষ করে দেয় - একেবারে শেষ।

মানুষের মন নিয়ে খেলা করা, ভাইবোনের পবিত্র সম্পর্ককে কলুষিত করা, এই সব ভন্ডামি মনরা যতো তাড়াতাড়ি মরবে - ততোই ধরিত্রীমাতার বুক থেকে পাপ কমবে।

আচ্ছা - এই লেখাটার নাম বেশি ভেতরে ঢোকার শাস্তি দিলুম কেন?

কারণ, বেশি ভেতরে ঢুকতে যে আমি কোনো দিনই চাইনি, জানতাম যে এমন একটা দিন আসবে যখন আমার বিশ্বাস নৃশংসভাবে ধর্ষিত হবে।

বিন্দু থেকে বৃত্তের খোঁজ
আছে কারো ভালোবাসারই গরজ?
বিশ্বাস বিষাইলে হয় নষ্টপ্রণয়,
এখন নীলাদ্রি-নির্বাসন - আগুন ও আনন্দেরই অক্ষয় প্রেম
কেটে গেছে ভ্রম, মুছে গেছে ক্ষোভ, জতুগৃহ তো ঘর নয়।
ল্যাজকাটা বুকফাঁসা ঘুড়িটা সাথে নিয়ে
ঠিক চলে গেছে বছরের সেই শেষ দিন,
লুকিয়ে চুরিয়ে ভেতর পুড়িয়ে
আশাদের তুষতাপে নয়া ফিনিক্স-জীবন।
কার্তিক-ক্রোড়ে ত্রিংশ দিবসে উঠিবে যবে দ্বিতীয়ারই চাঁদ
আমার ললাটভূমি থাকিবে পতিত হইবে না আবাদ!
তবু নেই কোনো অভিযোগ না কি ভুল করে বলে ফেলা আব্দার
আজ গানভঙ্গ, রাগমোচন, শুধু ঘৃণাই তোমার প্রাপ্য - হে ধর্ষকামী ঈশ্বর।

একটা ছেলে, ভীষণ একা, ভীষণ বোকা - মুখ আর মুখোশের তফাত আজো বুঝে উঠতে পারলো না!






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28853635 http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28853635 2008-10-12 01:39:32
হিম-ঘুম-ঘুম বিকেলে বনে যেতে যেতে মন কেমন হুম! মনে পড়েছে এই বার,
ও অবশ্য দেখবে না আমাকে -
কেমন করে বরফ ঢেকে দিচ্ছে গাছগুলোকে।
ধুর! এইখানে থামার কি দরকার?
ভাবছে আমার ছোট্টো ঘোড়া,
তাচ্চেয়ে পা চালিয়ে এসো না তাড়াতাড়ি -
দেখছো না - কাছেপিঠে নেই একটাও খামারবাড়ি।
এভাবে থুম মেরে গেলে কেন বলোতো?
হিম হয়ে যেতে যাও নাকি পাশের হ্রদটার মতো??
বাব্বা! আমি শিওর - এটাই বছরের সবচে' ঠান্ডা সন্দ্যে
টিং টিং! শুনতে পাচ্ছো না আমার ঘন্টি?
এখনো পড়ে আছো ধন্দে??
শোঁ শো করে অই দ্যাখো হাওয়া দিচ্চে ভাইটি!
গুঁড়ি গুঁড়ি বরফে ভিজে যাচ্চি যে।
জেগে থাকে অরণ্য গহিন,
ঘনিষ্ঠ, সুন্দর - আর যতো প্রতিশ্রুতি এখনো হয়নি পূরণ;
আরো অনেকটা পথ হাঁটা বাকি
আরো কিছু কথা রাখা বাকি।





( Stopping by Woods on a Snowy Evening - Robert Lee Frost )





কামালদাকে



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28849128 http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28849128 2008-09-29 01:41:59
পাতালপুরীতে আনন্দ - সামনে দাঁড়ানো কলেজকন্যার অসতর্ক বন্ধনী লজ্জা পেয়ে প্রজাপতি হয়ে পালাতে চায় তা দেখে। ত্রিশ হতে আরো কয়েক মাস বাকি, ঊণত্রিশেই চিনি ছেড়ে শুগার্ফ্রি ধরেছে আনন্দ, বরাবরের গুড বয় সে। চতুরঙ্গে চিনি ব্যবহার করবে না য়্যাস্প্যার্টেম পেলেট, তাই নিয়ে ভাবনায় পড়ে যায় সে, বিভাজিকা ও জিহ্বার সঠিক অংশীদারিত্ব ছাড়া ইতিহর্ষ একেবারেই অসম্ভব। হঠাৎ কোত্থেকে একটা বাচ্চা ছেলে, যার বুক-পাঁজরের খোঁজ রাখলে ওরা নাওমির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে দিত সঙ্গে সঙ্গে, নেস্ক্যাফের কেয়স্কে গিয়ে সটান হাতের পাতাটা বাড়িয়ে দেয়।

একটু চিনি দাও না গো মাসি!




মুজিবদাকে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28849067 http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28849067 2008-09-28 23:03:56
অগ্রীম শুভ জন্মদিন কৌশিক ম্যায়, তুম, অওর হামারা aglianico del vulture!

তৃতীয় বান্ধব শকুনিকে সাকুরায় না পাওয়া গেলেও শেরাটনে পাওয়া যাবে এই আশা রাখি। তার সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব ও ব্যয়ভার একান্তই আমার। আমি মূলত: মনগেইমস মানুষ অর্থাত বিশেষ কিছু লেইব্লের প্রতি যে অনুরক্ত। যখন সিগারেট খেতুম তখন ক্ল্যাসেক মেন্থল ছাড়া ছুঁতুম না। যেদিন প্রথম তোমার সঙ্গে দেখা হবে, সেই দিনটা তোমার নামে লিখে দিতে কসুর করবো না, চব্বিশ ঘন্টার জন্যে তুমিই হবে বাংলাদেশের বাদশা - মুকুটহীন সম্রাট। এখন আমি পিয়েস্পি আর পিয়েস্থ্রিতে খেলা করি একা একা, হোম থিয়েট্রে আর আয়পড টাচে গান শুনি একা একা, ব্লুপ্লেয়ারে মুভি দেখি একা একা, প্ল্যাজম্যায় দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গেলে ব্র্যাভেয়্যাটা চালিয়ে দেই, সবই একা একা, আমার এন৯৬, ক্যানন পাওয়ার্শট জি৯, ক্যানন এইচভি৩০, ভাইয়ো - এসবের মাঝে রোজ তোমাকে অনেক বার করে মিস করি। তখন নিজের প্রতিজ্ঞার কথা মনে পড়ে যায়, এক মাত্র প্রিয়তম বন্ধুর জন্যে হারুণ-অল-রশিদ হবো আমি যখন ঢাকা যাবো।

ইতনি শিদ্দত সে ম্যায়নে তুমে পানে কি কৌশিস কি হ্যায় - কি হর জররে নে মুঝে তুমসে মিলানে কি সাজিশ কি হ্যায়।

বিশ্বাস করো, খুউব খুউব চেষ্টা করলুম, একুশে অক্টোবর উপলক্ষে শেষ একটা কবিতা লিখে দিতে - কিন্তু ফরমায়েসী জিনিস যে কোনোদিনই আমার হাতে তয়ের হয়নে।

শুধু মাত্র তোমার জন্যেই এই নড়কে কিছুক্ষণের জন্যে হলেও ফিরে আসা যায় - জানি যে আমার ইষ্টিকুটুম অপছন্দকে তুমি বার্ডে গিফ্ট হিসেবে গ্রহণ করবে হাসিমুখে।





বৃত্তাল্পতা

বিন্দু থেকে বৃত্তের খোঁজ
আছে কারো ভালোবাসারই গরজ?
বিশ্বাস বিষাইলে হয় নষ্টপ্রণয়,
এখন নীলাদ্রি-নির্বাসন - আগুন ও আনন্দেরই অক্ষয় প্রেম
কেটে গেছে ভ্রম, মুছে গেছে ক্ষোভ, জতুগৃহ তো ঘর নয়।
ল্যাজকাটা বুকফাঁসা ঘুড়িটা সাথে নিয়ে
ঠিক চলে গেছে বছরের সেই শেষ দিন,
লুকিয়ে চুরিয়ে ভেতর পুড়িয়ে
আশাদের তুষতাপে নয়া ফিনিক্স-জীবন।
কার্তিক-ক্রোড়ে ত্রিংশ দিবসে উঠিবে যবে দ্বিতীয়ারই চাঁদ
আমার ললাটভূমি থাকিবে পতিত হইবে না আবাদ!
তবু নেই কোনো অভিযোগ না কি ভুল করে বলে ফেলা আব্দার
আজ গানভঙ্গ, রাগমোচন, শুধু ঘৃণাই তোমার প্রাপ্য - হে ধর্ষকামী ঈশ্বর।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28847943 http://www.somewhereinblog.net/blog/maithunanandoblog/28847943 2008-09-25 23:42:05