আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহোয়্যারের সর্বকালের সেরা ১০টি গায়েবি পোস্ট! - ফিউশন ফাইভ
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- আড্ডা রিভিউ : বুয়েটিয়ান ব্লগারদের স্মরণী্য় একটি সন্ধ্যা - মেহরাব শাহরিয়ার
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- ইসলাম অবমাননা আর কতিপয় পর্যবেক্ষণ। - হ্যারি সেলডন
- অপ্রকাশিত চিঠি ৫......... - সুলতানা শিরীন সাজি
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- পিটার কাস্টার্স : এক রহস্যময় বিদেশীর গল্প - অমি রহমান পিয়াল
- প্রাচীন ফিনিসিয় জাতি। - ইমন জুবায়ের
- সামহোয়্যারইন ব্লগে আমার তিনটি বছর - সাঈফ শেরিফ
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- বড়দের সেরা ২০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত) - মেহরাব শাহরিয়ার
- স্ক্রীপ্ট রাইটিং পর্ব-এক - রন্টি চৌধুরী
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- বুনো পশ্চিমের কাহিনী- পর্ব ২ - জানজাবিদ
- একটি আধুনিক রূপকথা - হিমু
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- রাজনীতি, সংঘাত ও আর কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে পছন্দের কিছু ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- প্রথম আলোর ক্রীড়া সাম্বাদিক উট-পাল শুভ্রের দিনলিপি - ফারহান দাউদ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- সমকামীতা বিষয়ক : পাপ বনাম লব্ধজ্ঞান - শূন্য আরণ্যক
- Windows xp-র মজার কিছু ব্যপার - তুষারপাত
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- মুভি ব্লগ: তিন ভাষার তিন ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) - লাল দরজা
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগ নাস্তিকদের প্রতি আহবান ...... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কৌতূহল: প্রিয় ব্লগারদের প্রথম লিখিত পোস্টটি কী রকম ছিল...! - ভাঙ্গন
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- এনামুল আজিমঃ অকালে ঝরে পড়া একটি প্রতিভা - পারভেজ
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- আদমচরিত 012 - মুখফোড়
- প্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন - মেহেরুল হাসান সুজন
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আসুনতো বাংলায় প্যালিনড্রোম বানাই! - মনজু মজুমদার
- কেনো বলি রাজাকার? - অমি রহমান পিয়াল
- Google এর আরো কিছু রসময় গুপ্ত (Easter Egg)
- নাফিস ইফতেখার
- কিছু অতি পরিচিত সফটওয়্যারের Easter Egg - নাফিস ইফতেখার
- মোহামেডানরে গাইল দিলে দোষখে যাইবা - অমি রহমান পিয়াল
- বন্ধু তুমি - ঋভু অনিকেত
- একটি ছোট গল্প : নতুন বাসা - অপরিচিত_আবির
আমার বই পড়া - জ্যাক লন্ডনের "The Sea-Wolf"
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৮
দা সি উল্ফ
![]()
হোয়াইট ফ্যাং পড়েছিলাম সেই ছোটবেলায়। তখন থেকেই জ্যাক লন্ডনের লেখার ভক্ত আমি। এরপর কল অফ দা ওয়াইল্ড পড়ে তাঁর ভক্ত হওয়ার ঝামেলাটা শেষ করলাম মাত্র। এরপর ডায়াবল - এ ডগ পড়া যখন শেষ করেছি তখন মনে হতে লাগল এই ভদ্রলোক মনে হয় পশুপাখি ছাড়া আর কিছু নিয়ে কখনো গল্প ফাঁদতে পারেন না। ঠিক তখনি আমার হাতে এল "সি উল্ফ" নামের বইটা। বইটার ফ্ল্যাপে কাহিনী দেখে আশান্বিত হলাম - যাক এবার আর কোন ঘোড়া বা নেকড়েবাঘের কাহিনী আর নয়। কিন্তু পরদিন যখন বইটা শেষ করে বিমূঢ় হয়ে বসেছিলাম তখন বুঝতে পারলাম যে আমার ধারণাটা কতটা ভূল ছিল। আরো একবার একটা পশুর জীবনকথা নিয়ে একটা দারুণ উপন্যাস লিখলেন জ্যাক লন্ডন। তবে এক্ষেত্রে পশুটির নাম মানুষ।
সি উল্ফ উপন্যাসের নায়ক হলেন উল্ফ লারসেন নামের এক বাঘা নাবিক। কুখ্যাত "দা গোস্ট" নামক সীলশিকারী জাহাজের ক্যাপ্টেন। তার বুদ্ধিমত্তা যেমন তীব্র তেমনি ভয়ংকর তাঁর নৃশংসতা এবং অত্যাচারের আখ্যান। জ্যাক লন্ডন এই চরিত্রটিকে বইয়ে এমনভাবে তুলে ধরেছেন যে বইটা পড়লে আপনার মনে হবে যে উল্ফ লারসেন যদি সত্যিকারের কোন চরিত্র হতো তবে হয়তো সে আজ স্থান নিতো কোন জাদুঘরের সংরক্ষণাগারে। ক্ষণে ক্ষণে চরম মেধাবী আর শাণিত মেধার ঝলক আবার পরক্ষণেই অধস্তনদের প্রতি প্রবল হিংস্র আর বৈরী মনোভাব। শরীরী শক্তির এক অদম্য গর্ব সেইসাথে স্বশিক্ষায় প্রখর হওয়া দর্শনশাস্ত্রের জ্ঞান - সবমিলিয়ে লারসেনের মতো চরিত্র সাহিত্যে খূঁজে পাওয়া ভার।
পুরো কাহিনীটি বর্ণিত হয়েছে হামফ্রে ভ্যান উইডেন নামক অকর্মার ধাড়ি, বিলাসবহুল, জীবন সম্পর্কে ধারণাহীন এক যুবকের জবানিতে। বিলাস ভ্যমণরত এই যুবক এক দুর্ঘটনার কারণে গিয়ে পৌছে বাঘ আর গরুকে এক ঘাটে জল খাওয়ানো পাবলিক লারসেনের জাহাজে। এই অনাকাঙ্খিত অ্যাডভেঞ্চারে উইডেন দেখতে পায় প্রকৃতি এবং মানুষের ভয়ংর রুদ্র রূপ। বইয়ের বিশেষ কিছু মুহূর্ত আসলেই ভয়ংকর - বিশেষ করে যখন লারসেন বিদ্রোহকারী নাবিকদের পানিতে রেখেই জাহাজ ছেড়ে দেয় - তারা কোনমতে নৌকা বেয়ে কিছুদূর এগোয়, কারণ লারসের সামনেই জাহাজ থামিয়েছে। আবার তারা কাছে আসতেই লারসেন জাহাজের গতি বাড়ায়। অন্য সকল সহযাত্রীর সামনে ধূঁকিয়ে ধূঁিকয়ে তাদের মেরে ফেলে লারসেন দেখিয়ে দেয় বিদ্রোহ কিভাবে দমন করতে হয়। তাছাড়া নাবিক লীচ আর জনসনের ওপর তার নির্যাতন আর মেটের মৃত্যুতে ভাবলেশহীনতাও আপনার অন্তরকে কাঁপিয়ে দেবে। কাহিনীর শেষটা যেমন হয়েছৈ সেভাবে অবশ্য আমি আশা করিনি। তবে এটাও যে আমার পড়া সেরা বইয়ের লিস্টিতে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। স্মৃতিতে থাকবে এই বইটি পড়ার আনন্দ - স্মৃতিথে থাকবে বাঘা লারসেন।
আগের লেখার লিংক -
আমার বই পড়া - হোসে সারামাগোর "ব্লাইন্ডনেস"
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বই পড়া ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বই পড়া বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফারহান ভাই - না সি উলফ পড়ার জন্য না। ঐ ধন্যবাদ লন্ডন সাহেব দিবেন। আমি আমার পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ দিলাম।
সি উলফ -- কত বার পড়সি -- তার কোন হিসাব নাই । বাকি জীবনেও আরও অনেক বার পড়মু সিওর ।
জ্যাক লন্ডন অন্যতম প্রিয় লেখক ।
নানান পেশায় কাজ করতে করতে - আর বিভিন্ন বৈচিত্র্য পূর্ন অভিজ্ঞতার কারনে তার লেখনি "র" জিনিস উঠে আসে ।
~~~~~~~~~~~~~~~~
এই বইটাতে বেশ কিছু ইন্টারেষ্টিং সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার আছে । যেমন -- উলফ লারসেনের ভাই এর সাথে তার অমিল ।
হামফ্রে এর রুপান্তর ।
মানুষের সব ধরনের চাহিদার নগ্ন প্রকাশ ।
শেষে অসহায়ের মতো পরাক্রমশালী লারসেনের মৃত্যু ।
জ্যাক লন্ডনের খুব মমতা দিয়ে চরিত্রটা একেছেন ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
হামফ্রে তো লেখক ছিলো --"অকর্মার ধাড়ি, বিলাসবহুল"
না মনে হয় । জীবন সম্পর্কে ধারনাহীন -- সেতো লারসেন এর মতে ।
বলা যায় জীবনের রুঢ় দিকটা সম্পর্কে কোন অভিজ্ঞতা ছিলো না ।
পোষ্টটা প্রিয়তে নিলাম ।
আর খেয়াল হইলো আরে আমিও তো কল অফ দ্য ওয়াইল্ড নিয়ে পোষ্টাইতে পারি ।
লেখক বলেছেন: জীবনের প্রতি লন্ডনের দৃষ্টিভঙ্গিই অন্যরকম। হয়তো সেজন্যই এতটা ভালো লাগ তাঁর লেখনী।
উলফ লারসেনের ভাইয়ের উপস্থিতি বইতে পুরোপুরি অদৃশ্য হলেও কিভাবে যেন একটা ছাপ রয়ে গেছে। হামফ্রের রূপান্তর আর লারসেনের জীবনদর্শন - কারো কাছে হার না মানার প্রতিজ্ঞা সবসময়ই আমাকে অভিভূত করেছে।
লেখক হয়তো সেটাই দেখাতে চেয়েছেন যে বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়া একজন লেখক জীবনের রূঢ় সত্যগুলির মুখোমুখি হলে, জীবনের কদর্যতার মাঝে পতিত হলে তার রূপান্তর কিভাবে হয়।
কল অফ দা ওয়াইল্ড সবাই পড়ে ফেলেছে বলে ওটা নিয়ে দিতে চাই নাই। আপনি দিয়ে দেন। পড়া বই নিয়ে সবাই মিলে আলোচনা করলেও অনেক অজানা জিনিস বের হয়ে আসে।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আমিও এমুন পোস্ট দিতে চাই। এও বই পড়ি নাইক্কা। যেগুলি পড়ছি, ওগুলি নিয়া দিমু। আপনি আরও দিতে থাকেন, একটা না একটা টাইমে ত মিলবেই।
লেখক বলেছেন: রিভিউ কমন ফেলাইলে তো চলবে না। পারলে আরো বই পড়ে বই কমন ফেলানোর চেষ্টা করো।
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ বলেছেন:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে এইটার আনুবাদ পরসিলাম । জটিল কাহিনি । বিশেষ করে হামফ্রে-এর রুপান্তর । যে চোখের সামনে এক নাবিককে সামান্য ঘুষি খেতে দেখে বমি করে ফেলছিলো প্রায় সেই আবার বাবূর্চিকে মারার জন্য তার সামনে বসে বসে ছুরি শান দেয় । তবে শেষের দিকে নারী চরিত্রটা নিয়ে আসা আর হামফ্রের হিরো হয়ে উঠার ব্যাপারটাকে বিরক্ত লেগেছিল । বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে জ্যাক লন্ডনের ছোট গল্পের আনুবাদ ও বের হয়েছিল , সেটাও জটিল ।
লেখক বলেছেন: ছোটগল্পের অনুবাদটা আমিও পড়সিলাম। কিন্তু সি উলফের অনুবাদটা কে করেছিল?
হাসান মাহবুব বলেছেন:
বইটা আমার কাছে আছে, কিন্তু দুঃখজনক এবং লজ্জাজনক ব্যাপার হচ্ছে এখনও পড়া হয়নাই। সব এই ব্লগিং এর দোষ চমৎকার রিভিউয়ের জন্যে +
লেখক বলেছেন: আমারও একই অবস্থা। বন্ধে বাসায় যাওয়ার আগে এক গাদা বই কিনে নিয়ে যাই। তখনি ঐ বই শেষ করি কারণ হলে ফেরত আসলে ওগুলো পড়া হয় না।
বাংলায় এই বইটা পড়ছিলাম, 'সমুদ্রের স্বাদ' নাম ছিল মনে হয়।
আরেকটা বই ছিল সেবা থেকে, ' কল অফ দ্য ওয়াইল্ড', হোয়াইট ফ্যাংয়ের মতই কাহিনী।
রিসেন্টলী পড়ছি 'আয়রণ হিল', আমেরিকান সোশ্যালিস্ট পার্টি নিয়ে লেখা।
লেখক বলেছেন: সমুদ্রের স্বাদ আমি কোন দোকানে দেখেছিলাম মনে হচ্ছে - খুব সম্ভবত কবীর চৌধূরীর অনুবাদ - তাই নয় কি??
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
সবাই এক্টু ওয়েইট খান। একখান সিনেমা দেখতাসি - শেস কইরা জবাব দিমু হগ্গলের।
লেখক বলেছেন: এখনো মুভিই দেইখা যাচ্ছি ... আফসুস ....
ঘুমরাজ বলেছেন:
চমৎকার রিভিউ . ++ বইটা পড়া হয় নাই,ইনশাল্লাহ পড়ে ফেল্ববো। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অবশ্যই বই পড়বেন।
লেখক বলেছেন: ঠিক ঠিক। ধন্যবাদ ফেরত নিলাম ![]()
অদ্রোহ বলেছেন:
্লন্ডনের পড়া প্রথম বই হোয়াইট ফ্যাং,এরপর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে বের হওয়া লন্ডনের গল্পগুচ্ছ পড়েছিলাম,এবং বলাই বাহুল্য চরম লেগেছিল।
লেখক বলেছেন: লন্ডনের গল্পগুচ্ছটা কিনে ভালো করেছিলি।
নকীবুল বারী বলেছেন:
চরম প্রিয় একটা বই। এরিক মারিয়া রেমার্ক-এর থ্রি কমরেডস নিয়া পারলে একটা পোস্ট দাও। আমার পড়া অসাধারন একটা বই।ব্লগ লিখতে ইদানিং আলেসমী লাগতেছে।
লেখক বলেছেন: রেমার্কের বই নিয়েই রিভিউ দিমু তবে থ্রি কমরেডস না টাইম টু লিভ অ্যান্ড এ টাইম টু ডাই হবে সে নিয়ে চিন্তায় আছি।
আলসেমী কইরেন না, হাড়ে ঘুন ধরে যাবে আমার মতো।
আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
বস ইংরেজিতে অসংখ্য ভালো বই পাওয়া যায় সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। গল্পের পাশাপাশি ডকুমেন্টারি বইও আমার বেশ পছন্দ। কিন্তু মনটা চরম খারাপ হয় যখন পুরো বই শেষ করেও কিছুই বুঝি না।গুগল বুকসে এ যাবৎ প্রচুর বই পড়েছি। কিন্তু তার একটারও পুরোপুরি মানে বা অর্থ বুঝতে পারিনি।
ইংরেজি বই পড়তে না পেরে অসহায় অসহায় লাগে।
লেখক বলেছেন: কিন্তু কিছু বই সবসময় থাকেই যা শেস না করেও কিছুটা মজা পাওয়া যাবে। সি উল্ফ প্রথম যখন আমি পড়েছিলাম তখন আমি কেবল অস্টম শ্রেণীর ইঁচড়ে পাকা বালকমাত্র, তখন এই বইয়ের ভেতরের অথ হয়তো কিছুই বুঝিনি তবে অ্যাডভেঞ্চারের পুরো রসটা নিংড়ে নিয়েছিলাম কাজেই কি বুঝলেন বা বুঝলেন না সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। সবসময় মনে রাখবেন পাঠক একটা বই পড়ে তৎক্ষণাত যেটা বুঝে সেটাই ঐ বইয়ের আসল অর্থ।
আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
আমি কিচ্ছুই বুঝি না। সো, এইটা কোনো অর্থ হতে পারে না। হয়তো ভবিষ্যতে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু, সহ্য হয় না। লেখক বলেছেন: ব্যাপার্স না।
কোরাল আহ্মেদ বলেছেন:
অসাধারন একটা বই ,আমি প্রথম পড়ি ক্লাস ফোর -ফাইভ এ থাকতে ,তখন শুধু অ্যাডভেঞ্চারের মজাই নিয়েছিলাম ,পরে দশম শ্রেনীতে আবার পরেছি ।অবশ্য দুইটা বই দুই অনুবাদকের ছিল।
এস এম শাহাদাত হোসেন বলেছেন:
আমার জীবনে চরম প্রভাববিস্তারকারী শীর্ষ ২টি বইয়ের একটি জ্যাক লন্ডনের 'সমুদ্রের স্বাদ', অন্যটি সরদার ফজলুল করিমের 'দর্শন কোষ'।জ্যাক লন্ডনের কথা তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














