আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহোয়্যারের সর্বকালের সেরা ১০টি গায়েবি পোস্ট! - ফিউশন ফাইভ
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- আড্ডা রিভিউ : বুয়েটিয়ান ব্লগারদের স্মরণী্য় একটি সন্ধ্যা - মেহরাব শাহরিয়ার
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- ইসলাম অবমাননা আর কতিপয় পর্যবেক্ষণ। - হ্যারি সেলডন
- অপ্রকাশিত চিঠি ৫......... - সুলতানা শিরীন সাজি
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- পিটার কাস্টার্স : এক রহস্যময় বিদেশীর গল্প - অমি রহমান পিয়াল
- প্রাচীন ফিনিসিয় জাতি। - ইমন জুবায়ের
- সামহোয়্যারইন ব্লগে আমার তিনটি বছর - সাঈফ শেরিফ
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- বড়দের সেরা ২০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত) - মেহরাব শাহরিয়ার
- স্ক্রীপ্ট রাইটিং পর্ব-এক - রন্টি চৌধুরী
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- বুনো পশ্চিমের কাহিনী- পর্ব ২ - জানজাবিদ
- একটি আধুনিক রূপকথা - হিমু
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- রাজনীতি, সংঘাত ও আর কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে পছন্দের কিছু ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- প্রথম আলোর ক্রীড়া সাম্বাদিক উট-পাল শুভ্রের দিনলিপি - ফারহান দাউদ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- সমকামীতা বিষয়ক : পাপ বনাম লব্ধজ্ঞান - শূন্য আরণ্যক
- Windows xp-র মজার কিছু ব্যপার - তুষারপাত
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- মুভি ব্লগ: তিন ভাষার তিন ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) - লাল দরজা
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগ নাস্তিকদের প্রতি আহবান ...... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কৌতূহল: প্রিয় ব্লগারদের প্রথম লিখিত পোস্টটি কী রকম ছিল...! - ভাঙ্গন
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- এনামুল আজিমঃ অকালে ঝরে পড়া একটি প্রতিভা - পারভেজ
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- আদমচরিত 012 - মুখফোড়
- প্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন - মেহেরুল হাসান সুজন
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আসুনতো বাংলায় প্যালিনড্রোম বানাই! - মনজু মজুমদার
- কেনো বলি রাজাকার? - অমি রহমান পিয়াল
- Google এর আরো কিছু রসময় গুপ্ত (Easter Egg)
- নাফিস ইফতেখার
- কিছু অতি পরিচিত সফটওয়্যারের Easter Egg - নাফিস ইফতেখার
- মোহামেডানরে গাইল দিলে দোষখে যাইবা - অমি রহমান পিয়াল
- বন্ধু তুমি - ঋভু অনিকেত
- একটি ছোট গল্প : নতুন বাসা - অপরিচিত_আবির
একটি গল্প
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৬
“লোকটার নাম গন্ধরাজ।”
“অ্যা! ফাজলামি নাকি? ব্যাটাচ্ছেলের নাম কখনো ফূলের নামে হয় নাকি?”
সৌরভ একরাশ বিরক্তি নিয়ে এনামের দিকে তাকাল। আমাদের বন্ধুমহলের নতুন সংযোজন হওয়ায় সৌরভ জানে না যে এনামটা একটা আজন্ম মর্কট। হয়তো জন্মের আগে আগে এনামের আম্মার কোন অনিয়ম বা ছেলেবেলায় আয়োডিনের অভাব – সঠিক কারণ কোনটা সেটা আজো আমাদের গবেষণার বিষয় তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার বুদ্ধিশুদ্ধি যে জ্যামিতিক হারে লোপ পাচ্ছে এ বিষয়ে তর্কের কোন অবকাশ নেই।
“আব্বেএএএ হালা” জড়ানো কন্ঠ্যে সুমন রামধমক লাগাল, গাজা খেলে সবসময় তার মেজাজ চড়া থাকে ”তুই আরেকবার গল্পের মাঝে বাগড়া দিবি তো ঐ মজনুর দোকানের শিকে ঝুলিয়ে রাখবো তোকে হুঃ।” বলে আবারো গাছের গুড়ির সাথে হেলান দিলো ”আরে তুই আবার থামলি কেন সৌরভ? চালিয়ে যা তোর ঐ হাস্নাহেনা না চামেলীর গল্প।”
“গন্ধরাজ।” হাসান শুধরে দিল, ক্লাসের গুডি বয় সে – ভুল শুধরে দেবার লোভ কখনোই সে সামলাতে পারে না।
“হ্যা গন্ধরাজ।” বিরক্তি ঝেড়ে ফেলে সৌরভ আবার শুরু করল “ তাকে নিয়েই কাহিনী।”
ঈদের ছুটিতে সন্ধ্যাবেলায় সবসময়কারমতো মজনুর দোকানের সামনে গাছতলায় বসে গপ্পো করছি। সৌরভ আমার ভার্সিটির বন্ধু, এ আড্ডার নতুন সংযোজন – বাকিরা সবাই পুরনো বন্ধু। এর মাঝে আমি আর হাসানই কেবল এ্কই ভার্সিটিতে পড়ছি বাকিরা আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। এই ছমছমে সন্ধ্যাবেলায় গাজার আবেশেই কিনা জানি না সুমন হঠাৎ গোঁ ধরেছে আজ গল্পের আসর হবে। সৌরভ নতুন হয়েও অতি উৎসাহে আগ বাড়িয়ে সবার আগে শুরু করেছে। মজনুর দোকান থেকে গরম গরম তেলেভাজার সুবাস আসছে যা দিয়ে খানিক বাদে আমাদের উদরপূর্তি হবে। চারদিক অন্ধকার, রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা – মোটামুটি গল্প শোনার জন্য আদর্শ পরিবেশ।
“তবে গন্ধরাজ তার পিতৃপ্রদত্ত নাম নয়, এটা তার উপাধি।” সৌরভ বলে চলল “ছোটবেলা থেকেই তার ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের প্রখরতা দেখে বিস্মিত হয়ে এলাকাবাসী আদর করে তাকে এ নাম দেয়। তার আসল নাম জাকিউল ইসলাম তালুকদার। নামে তালুকদার হলেও ছোটখাটো কোন জমি কেন, তার পিতা ছমিরুল তালুকদারের বসতভিটা মায় পরণের লুঙ্গিটাও বোধকরি মহাজনের কাছে বন্ধক ছিল। কাজেই ছেলেকে ভাঙিয়ে পয়সা রোজগারের ধান্ধা করায় এলাকাবাসী এবং পরবর্তীতে বড় হয়ে গন্ধরাজ মহাশয় নিজেও তাঁর পরলোকগত পিতাকে কোন দোষারোপ করেন নি। তো কিভাবে খেল দেখাতো ছোট্ট গন্ধরাজ? ব্যাপারটা বেশ মজার। একটা বেশ লম্বা চোঙের মতো ডিব্বা থাকতো গন্ধরাজের কয়েকহাত সামনে, ডিব্বার মাঝে দর্শনার্থীরা কিছু একটা রেখে দিতো আগে থেকেই। আর হাতখানেক দূরে রাখা ডিব্বার ভেতরের বস্তুটি থেকে ভেসে আসা গন্ধ শুকেই সে বলে দিতে পারতো ভেতরে সাপ কি ব্যাঙ কি মিছরির দানা বা নতুন একশ টাকার নোট আছে।”
“দ্রুতই গন্ধরাজের সুনাম ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে। এই সুনামে শুনে তাকে দেখতে এলেন ঐ এলাকার বিখ্যাত কবিরাজ জয়দেব। ছোট ছেলেটির ক্ষমতার নমুনা দেখে স্তম্ভিত জয়দেব বুঝলেন একে হাতছাড়া করা চলবে না। ছমিরুলের কাছ থেকে একরকম কিনেই নিলেন তিনি শিশু গন্ধরাজকে, তারপর তাকে বগলদাবা করে নিয়ে চললেন নিজের আস্তানার দিকে। যাত্রাপথে যত ওষধি গাছপালা চোখে পড়ল সেগুলোর গুণাগুণ ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করতে করতেই পথ কেটে যেতে লাগল। গন্ধরাজেরও খুব মজা লাগছিল, কারণ এই প্রথমবারের মতো তাকে একবেলার খাবারের জন্য পুলিশের কুকুরের মতো বসে বসে গন্ধ শুকতে হচ্ছে না। আর খ্যাপাটে বুড়োটাকেও তার মন্দ লাগছে না, সত্যি বলতে কি বাপকে ফেলে চলে আসার ব্যাপারে সে মোটেও দুঃখিত নয়। সে জানে মা’র মরণের পর থেকেই তার বাপ আরেকটা বিয়ের ধান্ধায় ছিল, এখন জয়দেবের দেওয়া টাকাটা খাটিয়ে ঘরে নতুন বউ আনবে। সৎমায়ের ঝাঁটার বাড়ি খাবার আগেই কেটে পড়তে পারছে এই খুশীতেই সে বাপকে ত্যাজ্য করে দিয়েছে সহজেই।”
“জয়দেবের আস্তানায় পৌছেতো গন্ধরাজ অবাক। বিশাল উঁচু উঁচু শেল্ফে হাজারো রকমের লতাপাতা। হাজারো গন্ধের ভিড়, এর অল্প কয়েকটিই কেবল তার চেনা। ঐদিন থেকেই জয়দেবের শিষ্যগিরি শুরু হল তার। একনিষ্ঠ ছাত্র পেয়ে জয়দেবও মহাউৎসাহে তার সকল অভিজ্ঞতার ঝাপিঁ মেলে ধরলেন ছোট্ট ছেলেটির সামনে। তার স্মরণশক্তিও ছিল ঘ্রাণের মতোই প্রখর তাই গন্ধরাজ খুব দ্রুতই শিখতে লাগল। চিকিৎসাও করতে লাগল জোরেশোরে, তার অব্যর্থ রোগনির্ণয় এবং ওষুধপ্রদানের কথা ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে। শিষ্যের এ সুনাম বেশিদিন দেখবার সুযোগ হল না জয়দেবের। গন্ধরাজ প্রাণপণ চেষ্টা করেও গুরুকে বঁাচিয়ে রাখতে পারল না। সন্তানহীন জয়দেব তার সমস্ত কিছু পুত্রসম শিষ্যটিকে দিয়ে গিয়েছিলেন। মৃত্যুশয্যায় শায়িত জয়দেব তার প্রিয় শিষ্যকে কাছে ডেকে বললেন, তুই আমার থেকেও বড় কবিরাজ হয়ে গিয়েছিস রে ব্যাটা। একজন গুরুর কাছে এর থেকে বেশি আর কি চাওয়ার থাকতে পারে? শান্ত গলায় গন্ধরাজ বলল, গুরু আমি গন্ধ পাই, আমি রোগির গায়ের গন্ধ থেকে তার রোগ বুঝতে পারি এটাই আমার বিশেষ গুণ যা আমি আপনাকে কখনো বলি নি।”
“আর এই ইতিহাস বলেই গন্ধরাজ তার প্রতিটি রোগীর সাথে তার কথাবার্তার শুরু করে। এবং সেদিনকার রোগী পাবনার শংকর কুন্ডুর বেলাতেও তার ব্যতিক্রম হলো না।”
“অ্যা অ্যা! গল্প তাইলে কেবল শুরু হইল! আমিতো আরো ভাবলাম একটু মুতে আসবো।” সুমনের সতর্কবাণী সত্ত্বেও বোকা এনামটা চ্যাঁ চ্যাঁ করে উঠল।
“তুই যা না, তোকে কেউ ধরে রেখেছে নাকি?” এবার আমিই ধমক দিলাম “হ্যা, সৌরভ তুই বল, বেশ লাগছে।”
“হ্যা তো এভাবেই ইতিহাস দিয়ে গন্ধরাজ শংকরের সাথে বাতচিৎ শুরু করলেন, বুঝলে হে শংকর, এতো বয়স হয়েছে কিন্তু নাক ঠিক সেই ছেলেবেলার মতোই কাজ করছে। এই যে তুমি ঘরে ঢুকবামাত্রই বলে দিলাম তোমার ধাতুদৌর্বল্যের কথা সেটা কি তোমার ঐ ডিগ্রী ধারী ডাক্তাররা হাজারখানেক টেস্ট ছাড়া বলতে পারতো? কক্ষণোই না। এই কবিরাজি জীবন শুরু করবার পর একজন রোগীও আমার সামনে মরে নি। আর দিনে দিনে আমার এই ক্ষমতাটা আরো বাড়ছে প্রতিদিনই যেন আরো নতুন নতুন গন্ধ পাচ্ছি বুঝেছ হে। আরে আরেকবারতো কি হয়েছিল বুঝেছো – বলেই তিনি শুরু করলেন আরেক রোমহর্ষক কাহিনী – আন্দোলনের সময় কিভাবে পেছনে ধেয়ে আসা বুলেটের গন্ধ পেয়ে তিনি লম্ফ দিয়ে নিজের পিতৃদত্ত জীবনখানা রক্ষা করেছিলেন। কথা বলতে বলতেই নিপুণ হাতে তিনি এখান ওখান, এই বোতল ঐ শিশি থেকে একটা পাতা কি শিকড় নিয়ে হামানদিস্তায় পিষে একটা পুরিয়া বানিয়ে ফেললেন। তারপর পুরিয়া খাবার নিয়মকানুন বুঝিয়ে অন্য সকলরোগীর মতোই গন্ধরাজের মহিমায় বিমোহিত শংকরকে বিদায় করে চেয়ারে বসলেন। খানিকটা চিন্তিত। কারণ প্রতিদিন নতুন গন্ধ পাবার বিষয়টা সত্যি। এখন তিনি এমন এমন সব জিনিসের গন্ধ পাচ্ছেন যা জনসমক্ষে বললে লোকে তাকে পাগল ঠাউরে গারদে পুরবে। তিনি এখন রাগের গন্ধ পান, পান অভিমানের গন্ধ, ঘৃণা, অপমান, প্রতারণার গন্ধ। স্ত্রী আর একমাত্র ছেলে ছাড়া কাউকেই তিনি এ নতুন ক্ষমতার কথা বলেন নি। তাঁর স্ত্রী সরলমনে সব কথা বিশ্বাস করলেও বিজ্ঞানপড়ুয়া ছেলে মেনে নেয় নি। সে বলেছিল, বাবা আর লোক হাসিও না। তোমার এসব উদ্ভট কথাবার্তা দিয়ে গ্রামের অশিক্ষিত লোকদের মাথা ভাঙিয়ে খেলেও আমি মানছি না। আমার তো ধারণা তোমার গন্ধ পাবার পুরো ব্যাপারটাই বুজরুকি, একটা প্রথম শ্রেণীর ভন্ডামী। আমি নিজেই তো সবসময় তোমার গা থেকে ভন্ডামীর গন্ধ পাই।
ছেলের কথা মনে হতেই গন্ধরাজের কষ্ট হল। ছেলেটা সবসময়ই তাকে ঘৃণা করেছে, এবং সেটা কথাবার্তা থেকে নয় গন্ধ থেকেই তিনি বুঝতে পারতেন – কেন এ ঘৃণা কে জানে। কিন্তু এটা সত্যি যে তার ছেলে যখন ড্রাগ নেওয়া শুরু করল তখন ড্রাগসের গন্ধ থেকে নয় মিথ্যার গন্ধ থেকেই তিনি প্রথম ধরতে পারেন। বকাঝকা করে কোন লাভ হয় নি, ড্রাগ নেবার হার দিনে দিনে বাড়তে থাকে। আর তিনি চোখের সামনে নিজের ছেলেকে ধ্বংস হতে দেখেন – এখন তাঁর আদেশে ছেলেকে একটা ছোট কামরায় শিকল দিয়ে বেধে রাখা হয়। ছেলেটা এখন বদ্ধ উন্মাদ, তবে বাবার প্রতি ঘৃণা এখনো অটুট আছে। বাবাকে কাছে আসতেই দেয় না, চীৎকার চেঁচামেচি করে একাকার করে। একবারতো ছুটে গিয়ে বটি নিয়ে বাপকে কোপ দিয়ে বসেছিল – ভাগ্যে গন্ধরাজের স্ত্রী ধাক্কা দিয়েছিলেন নয়তো ঐদিনই তাঁর ভবলীলা সাঙ্গ হতো। ঐদিনই তিনি দুটো গন্ধ পেয়েছিলেন। এরমাঝে একটা গন্ধ হলো বিপদের ... যেটা তিনি আগেই সনাক্ত করেছেন। প্রথম বিপদের গন্ধ পেয়েছিলেন জয়দেবের বাড়িতে বিশাল গোখরো সাপের মুখোমুখি পড়ে। কিন্তু অন্য গন্ধটা চিনতেই পারেন নি, একেবারেই যে অজানা তাও না কিন্তু এর আগে কখন সেই গন্ধটা পেয়েছেন তা মনে করতে পারছেন না গন্ধরাজ। বয়সের সাথে ঘ্রাণশক্তি অবিকৃত থাকলেও স্মরণশক্তি ঠিকই ক্ষয় হয়ে গেছে।
কিন্তু আজ তিনি চিন্তিত কেন? কারণ আজ সকাল থেকেই তিনি বিপদের গন্ধ পাচ্ছেন। সময়ের সাথে তা তীব্র হচ্ছে। ফোন ব্যবহার করেন না বলে বাসার খবরও নিতে পারছেন না। কঠোর নিয়মের অনুসারী গন্ধরাজ সন্ধ্যার আগে চেম্বার ছেড়ে বের হন না, তাই প্রাণ ছটফট করলেও ঠায় বসে রইলেন, রোগীও দেখলেন দু চারটে। শেষমেষ মাগরিবের আজান দেওয়ামাত্রই তড়িঘড়ি করে চেম্বারে তালা দিয়ে ঘরের দিকে ছুটলেন। ঘরের যতই কাছে আসছেন আর বিপদের গন্ধের তীব্রতা বাড়ছে, নিসন্দেহে ঘরেই কিছু না কিছু হয়েছে। তার বাড়ির গলিতে পৌছতেই কারেন্ট চলে গেল। দূরের স্ট্রীটলাইটের ক্ষীণ আলোতেই কোনমতে খানাখন্দ এড়িয়ে দু পা ফেলতেই থমকে দাঁড়ালেন। কারণ একটা পরিচিত শরীরের গন্ধ পাচ্ছেন তিনি, কিন্তু সে কিভাবে ছাড়া পেল? সামনে ঠাহর করতে একটা ছায়ামূর্তির আদল স্পষ্ট হল।
তিনি জোর করে গলার স্বর শান্ত রেখে ডাকলেন, কিরে বাসায় সব ঠিক তো?
মূর্তিটি এক পা এগিয়ে এল, এবার বোঝা গেল তার হাতে কিছু একটা রয়েছে। সে জিনিসটার গন্ধ গন্ধরাজের নাকে আসতেই তিনি শিউরে উঠলেন, তিনি বস্তুটা চিনতে পেরেছেন – বাবা, ওটা হাতে কেন? ওটা ফেলে দে – তিনি মিনতি করলেন।
তার ছেলে আরো এক পা এগিয়ে এল। এবার তিনি আরো একটি গন্ধ পেলেন। সেই অচেনা গন্ধটি। তার ছেলের উন্মত্ততার সময় একবার পেয়েছিলেন, কিন্তু এরও আগে যে কোথায় গন্ধটা পেয়েছেন ...
তার ছেলে এবার হাতের ধারালো অস্ত্রটি উঁচু করল। গন্ধরাজ নড়তেও পারছেন না, তার শরীর শক্ত হয়ে গেছে। আর মন প্রাণপণে গন্ধটা চেনার চেষ্টা করছে ...
ছেলে কোপ দেবার জন্য প্রস্তুত, এবার আর ঠেকাবার কেউ নেই। আর তখনি গন্ধরাজের মনে পড়ল কোথায় গন্ধটা পেয়েছিলেন ... তাঁর গুরু জয়দেবের মৃত্যুশয্যায় ...
আর তাই বাবা চেঁচিয়ে উঠলেন, মনে পড়েছেরে সৌর! ওটা মরণের গন্ধ!
ওটাই ছিল গন্ধরাজের শেষ কথা। ”
“স্যার আফনাদের চা আর নাস্তা।” মজনুর দোকানের ছোট ছেলেটি আমাদের ঘোর কাটিয়ে দিল। এনাম আর সুমন দুটোই ঘুমিয়ে পড়েছে – একটা গাজার প্রভাবে আরেকটা ঘিলুর অভাবে। দুটোকেই ডেকে উঠিয়ে সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া সেরে বিদায় নিলাম। আমার আর হাসানের বাসা কাছাকাছি হওয়ায় একসাথে এগোলাম।
অনেক্ষণ কারো কোন কথা নেই, তারপর হাসান বলে উঠল,
“এনাম আর সুমন বোধহয় কিছুই খেয়াল করে নি তাই না?”
“আমিরুল তালুকদার।” আমি হঠাৎ বললাম।
“কি?”
“সৌরভ। সৌরভের ভালো নাম আমিরুল তালুকদার।”
হাসানের মুখ বোয়াল মাছের মতো হাঁ হয়ে গেল, সে খাবি খেতে খেতে বলল
“একটু খোঁজ নিলেই হবে। ওর হলের রেজিস্টারের কাছে গিয়ে ওর বাবার নাম আর ঠিকানা জিজ্ঞেস করে-”
“কোন দরকার নেই।”
“মানে? কি বলছিস তুই, দরকার নেই মানে?”
“একটা ভালো গল্পকে নষ্ট করবার কোন মানে আছে কি?” বলে হতভম্ব হাসানকে ফেলে আমি এগিয়ে গেলাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আশা করি পড়া শেস করে জানাবেন।
লেখক বলেছেন: আসলেই কিন্তু পারফিউমের একটা গন্ধ গন্ধ ভাব আছে নইলে কি আর ছবি দেই ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধইন্যা নেন।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
জোস লিখসো!
লেখক বলেছেন: ![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
গল্প আসলে এমনই হওয়া উচিৎ....... পাঠককে ধোকা দেয়া, এই ব্যাপারটাই গল্পের মেইন অবজেকটিভ লাগে..................গল্পে পারফিউম মুভিটা নিয়ে আসায় গল্পের বুনিয়াদ আরও মজবুত হয়েছে, অনেকটা পারফিউম মুভিটাকে দেশের প্রেক্ষাপটে রেপ্লিকা বানানোর মত ।।। তবে গল্পে পারফিউম মুভিটার সার্থকতা এখানে নয়; মূল সার্থকতা হচ্ছে, যারা সৌরভের মুখে গল্প শুনছে, তাদের ধারণা হবে হানিফ সংকেত যেমন হিন্দি গানের সুর নকল করে বাংলা গান বানিয়ে ইত্যাদিতে দেখায়, তেমনিভাবে সৌরভও পারফিউম মুভির থিম নকল করে মনগড়া কাহিনী শোনাচ্ছে।।। আর , যারা মুভিটা দেখেনি তাদের প্রতিক্রিয়া হবে "ফাজলামি নাকি? ব্যাটাচ্ছেলের নাম কখনো ফূলের নামে হয় নাকি?” এমন।। ফলে মূল ব্যাপারটি আড়ালেই থেকে যাবে।।। এই গল্পে একই সাথে দুটো শ্রেণীকে ঘোল খাওয়ানোর প্রয়াস ছিল- ১. পাঠককে ২. গল্পের ভেতরের আরেক দল গল্প শ্রোতাকে.......দুটোই উতরে গেছ মনে হয়।।।
লেখা শার্প হচ্ছে।।।।
লেখক বলেছেন: ভালো সমালোচকের প্রশংসা পাওয়া - আমার আর কি লাগে! অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: ইয়ে ... মানে ... এই আর কি ....
দ্রোহি বলেছেন:
ভাল লাগল। আরও আশা করছি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
দারুণ। গল্পটা মোটামুটি এমন ছিল যে, শেষ হয়ে গেল। এ ধরণের গল্প সাধারণত পড়ার পরে আর খেয়াল থাকে না তেমন। কিন্তু আপনার গল্পটা আপনি শেষ করে দেবার পরেও শেষ মুহূর্তের কথোপকথনে আটকে রেখেছেন। তাই গল্প শেষ হলেও গল্পের রেশটা মাথায় রয়ে যায়। স্টাইলটা ভালু। আর, তাছাড়া ফ্যান্টাসী বলে পড়ার পরেও খেয়াল একটু বেশিই থাকে।
লেখক বলেছেন: হুমমমম ....![]()
জেরী বলেছেন:
প্লাস
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আছে মানে ... টম টাইকওয়ারের সেরা ছবি ... রান লোলা্ও অবশ্য কম্পিট করতে পারে ... তবে পারফিউমের কোন জুড়ি হবে না
লেখক বলেছেন: চিন্তা নাই আমিও নিয়মিতই অনিয়মিত ![]()
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
অদ্রোহ বলেছেন: বেশ একটা পারফিউম পারফিউম গন্ধ পেলাম ,তয়স শেষে আইসা থ্রিলারের গন্ধও পাইলাম!
লেখক বলেছেন: পারফিউম কি থ্রিলার না?????
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
ক্ষোভ: আমার সাম্প্রতিক পোস্টগুলায় আপনাদের কমেন্টের অস্তিত্ব পাইলাম না আপনাদের = আপনি + অদ্রোহ ভাই
লেখক বলেছেন: দিলাম
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
অন্যরকম এন্ডিং । ++
লেখক বলেছেন: লেখার সময় আমারও তাই মনে হইসিল ![]()
গুহামানব বলেছেন:
আরো আরো আরো চাই
লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নাই, এইবারের রেজাল্ট দেখে ফেলার পর পড়াশোনাকে খরচের খাতায় লিখে ফেলেছি।
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
জটিল লিখছেন তো!!!! পারফিউম মুভির প্রেক্ষাপট টেনে অন্য রকম একটা মাত্রা দিলেন, একই সাথে পারফিউম, আর গল্পের আস্বাদ দুইটাই পাইলাম... লেখক বলেছেন: চলবে
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন:
দারুন। আমিও প্রথম প্রথম পারফিউম পারফিউম গন্ধ পাইছিলাম কিন্তু শেষে আইসা বেকুব হইয়া গেছি।তোর গল্পগুলার আলাদা স্টাইল আছে আরো লেখ।
লেখক বলেছেন: লিখব
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
দারুণ লেখছস ! যদিও শিরোনামে কেইচা ফেলছস। শিরোনাম আরো ভাল হইতে পারতো। গল্পটা অনেক ভাল হইছে।
লেখক বলেছেন: শিরোনাম খুজে পাচ্ছিলাম না বলেই এইটা
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ বলেছেন:
শুরু করলা পারফিউম দিয়া।। কিন্তু মাঝখান থেকে শেষে গিয়া অনেকটা সত্যজিতের ছোটগল্পের স্টাইল হয়ে গেলো । ভালো
লেখক বলেছেন: হাজ্জাজ ভাই অ্যানিমে নিয়ে একখান লেখা ছাড়ের না কেন?
কঁাকন বলেছেন:
দারুন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দিদি, অনেকদিন পরে আমার লেখায় কমেন্ট করলেন।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
পছন্দ হইছে!
লেখক বলেছেন: আরাফাত ভাইকে বিশাল থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন: মেহরাবভাই, কিপ্টামি এখনো গেল না? ![]()
আমি কমেন্টের রিপ্লাই চেক করার আগে , হঠাৎ একটা কথা মাথায় আসল ............... "আচ্ছা আবিরই না আমার কিপ্টোমো মার্কা কমেন্টের ব্যাপারে একবার ....." , খাইসে , এইবার মনে হয় আবার বলবে ...
এসে দেখি ঠিক তাই ।
হক্ক কথা , খুব কিপটামি করি কমেন্টের বেলায় , এমনকি ১০ টা পোস্ট পড়ে ১ টায় কমেন্ট করি
তবে , আবির এই লেখাটা সিরিয়াস রকমের ভাল হয়েছে । সিরিয়াস মানে সেইরকম ভাল । সবচেয়ে ভাল লাগে , গল্পের শেষে দারুণ একটা টুইস্ট থাকলে । যদিও গল্পের পড়ার সময় টুইস্টের আশা নিয়ে শুরু করি না , সেক্ষেত্রে টুইস্ট না পেলেই গল্প বিনে পড়ে যায় । কাজটা অন্যায় ।
যাই হোক , গল্পের আলোচনা করে , আব-জাব কথাই বলে যাচ্ছি । আসল কথাটা হল , এই গল্পের শেষ চমকটা যেমন অনন্য , চমকটা ছাড়াও গল্পটা এগিয়ে যাচ্ছিল দারুণ উপভোগ্য সুরে । সব মিলিয়ে ....... একটাই কথা
চরম +
লেখক বলেছেন: এইবার শাইলক এর সুমতি হল, অনেক অনেক ধন্যবাদ মেহরাব ভাই।
লেখক বলেছেন: ![]()
প্লট ধার না করলেও চলে মনে হয় ।
গল্পে গল্পেই অসাধারন গল্প জন্ম নিবে ।
+++
লেখক বলেছেন: ধার করি নাইতো। লেখার পর সবার কমেন্ট দেখে মনে হল আসলেইতো কোথা থেকে কি চলে আসছে! বেশি মুভি দেখার ফল এইটা, কিছু চিন্তা করলেই কোন না কোন দিক থেকে ছায়া চলে আসে।
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
এই মরণের গন্ধ ব্যাপারটা হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্পে পড়েছিলাম। গল্পতো ভালো হয়েছে ভ্রাতা, কিন্তু কেমন যেন একটু তাড়াহুড়ার গন্ধ পাওয়া গেলো। গল্পটা আরও সুন্দর হত যদি টুকটাক কিছু অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে মূল কাহিনীটাকেই আরও গুছিয়ে আরও একটু রহস্য রহস্য ভাব আনা যেত। ব্যাপার না, নিয়মিত লিখতে থাকো, ঠিক হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: পরামর্শের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু, সবে মাত্র গল্প লেখার প্রথম পাঠ নিচ্ছি, একগাদা ভূলত্রুটি যা আছে সেগুলো খুঁজে বের করতে করতেই জান যায় যায়। গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করবো সামনে।
উপরের আর সবার মতই বলি- চমক বলতে অণুগল্পের, একেবারে আদর্শটাই মেরেছেন!
ভালো লাগলো।
ভালো থাকুন, আর বেঁচে থাকার আমার কাছে একটাই যে আনন্দ-
দিয়ে যান, আপনারই মত করে-এভাবেও!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ উৎসাহ দেবার জন্য।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
খুবই ভালো হয়েছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই।
দুরের পাখি বলেছেন:
সর্বোনাশ ! গল্প পইড়া আমি থ । ধোঁকা খাইছি ।
লেখক বলেছেন: তাইলেতো গল্পটা ভালই হইসে বলতে হয় ![]()
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
আমি ব্লগে নিয়মিত না বইলাই হয়তো এই পোস্ট টা আগে পড়া হয় নাই। হিমেল আমারে রেফারেন্স করছিলো পোস্ট টা। সো জানতাম ভালো হবে। এক্ষেত্রে এক্সপেকটেশন ছাড়াইতে পারছে গল্পে অতএব হলদে তারা।আর হ্যা গল্পের একটা লাইনে কিন্তু আমি মহা বিরক্ত, "ব্যাটাচ্ছেলের নাম কখনো ফূলের নামে হয় নাকি?”
ইয়ে মানে আমার ডাকনাম তো শিমুল তাই।
লেখক বলেছেন: আসলেইতো খেয়াল করি নাই!! অন্তত আপনার প্রোফাইল পিকটা দেখা উচিত ছিল!!
হাসান মাহবুব বলেছেন:
হেই ম্যান.....খালি উকিঝুকি মাইরা যাও, কিছু কওনা ক্যান? এইটা তোমার পাওয়া ১৯০০ তম কমেন্ট
লেখক বলেছেন: খাইসে আপনে খেয়াল করেন কেমনে এতকিছু!!
আর কমু কি, কোবতে এখনো মাথায় ঢুকাইতে পারলাম নাতো! গপ্পো টপ্পো ছাড়েন বা দুই একখানা সিনেমার পোস্ট দেখেন কেমনে কমেন্টাই ![]()
লেখক বলেছেন: আর এইটা আমার করা ২২৫০তম কমেন্ট!!
লেখক বলেছেন: নাম বদলায়ে দিলেন!!
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: যা বলেচেন দিদিমণি!
লেখক বলেছেন: ব্যাপক, আপনার আর হিমালয় ভাইয়ের প্রশংসা পাইলেই ব্যাপক আনন্দ হয়।
অবাঞ্চিত বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















আগাম ধন্যবাদ।