আমার প্রিয় পোস্ট
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- গল্পঃ মুখোমুখি, বেড়ালের পাশে বসে - মোস্তাফিজ রিপন
- কেউ নই শূন্য মাতাল - রেটিং
- সান্ধ্য-মৌনতা ও ছায়া-অন্ধকার জটিলতা - সুতরাং
- পাবেলা নেরুদা: জীবন ও বাস্তবতা পেরিয়ে ১০৪.... - রহমান মাসুদ
- জল প্রিজমের গান - মৃদুল মাহবুব
- চার পাঁচ হাজার পিঁপড়ার দুঃখ - সরকার আমিন ১৯৬৭
- কঙ্কাল - মাজুল হাসান এর তাগাদায় পোষ্টাইলাম - সারওয়ার জামান চন্দন
- অচেনা বন্দরের প্রতি প্রেম হলো আবিষ্কারেচ্ছার জনয়িত্রী - মুজিব মেহদী
- বিবাহিত প্রেমের কবিতা - সরকার আমিন ১৯৬৭
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- মির্জা গালিব : : গালিবের একটি চিঠি - ইমরুলকায়েস
জাকির তালুকদারের গল্প: একটু আলোকপাত
১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৮
জাকির তালুকদারের গল্প নিয়ে একটা বিশাল লেখা ছাপা হয়েছিল বাবুই প্রথম সংখ্যায়। শিরোনাম ছিল: জাকির তালুকদারের ছোটগল্প : হোঁচট খাওয়া স্বপ্নযাত্রায় রিফিউজির আর্তনাদ। সেই বড় লেখাটার চুম্বক অংশ ব্লগে দিচ্ছি। সে সময় পর্যন্ত প্রকাশিত জাকিরের ৪টি (শ্রেষ্ট গল্পসহ) গল্প গ্রন্থর উপর ভিত্তি করে আলোচনাটা করেছিলাম আমি নিজেই।
প্রারম্ভিকা :
বর্তমানে ‘ছায়া’ বা বিম্ব এবং ‘বস্তু¯’ দুটি পৃথক জীবন্ত সত্তায় পর্যবসিত। আশলে, ছায়া আর বস্তুর অনুগামী নেই, মুখ এবং মুখোশ দুটোই সমান শক্তিশালী। শেষ হইয়াও হইল না শেষ—রবীন্দ্রনাথের লাইন কোড করা ছোটোগল্পের সংজ্ঞা এখন আর মানা হচ্ছে না, মানা যাচ্ছে না। এই যখন পরিস্থিতি তখন জাকির তালুকদারের ছোটোগল্পও এগিয়ে চলেছে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে। নব্বইয়ের গল্পকারদের মধ্যে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য দেখা যাচ্ছে—মিথের ভাঙচুর।
জাকিরের কারবারও মিথ নিয়ে। কারণ, তিনি প্রাচ্যকে দেখেছেন “প্রাচ্যের চোখে”। প্রাচ্যের আচার আচরণ, ধর্ম-বিশ্বাস-সিদ্ধি-মুক্তি- এসবের মধ্যে গোঁড়ামি বা অন্ধ বিশ্বাসের শেকড় রয়েছে কি না এতদ্বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত তিনি দিতে যাননি। মিথগুলোকে তিনি ঠুনকো বলে উড়িয়ে দেননি। তিনি তার গল্পে সন্ধান দিতে চান স্বপ্নযাত্রার অথবা উদ্বাস্তু পুরাণের; বলেন, প্রাচীন জলকন্যাদের পুনরাবিষ্কারের কথা (কন্যাও জলকন্যারা, কন্যা ও জলকন্যারা)। এক্ষেত্রে তিনি নিষ্ক্রিয় মৌন ফটোগ্রাফের দায়িত্ব পালন করেন, চলেন ''লাইন অব কন্ট্রোল'' ধরে ভাবখানা এমন পাঠক খুঁজে নেবেন নিজের পপাত, আবাসভূমি।
ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায়ের হাত থেকে মানবজাতিকে রার জন্য সোলেমান পয়গম্বর তৈরি করেন এক প্রকাণ্ড বিভাজনকারী দেয়াল। কিন্তু মানব জাতির মধ্যে লুকিয়ে থাকা আত্মঘাতী সুবিধাভোগী লোভী কিছু লোক সেই দেয়াল ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে শত্রুদের। ফলে একদিন দৈব দেয়াল ভেঙে পড়ে। বর্বর মাজুজরা বেরিয়ে পড়ে লোকালয়ে (সোলেমান পয়গম্বরের দেয়াল,স্বপ্নযাত্রা কিংবা উদ্বাস্তু পুরাণ)। এ যেন বর্তমান সময়ের কথা!
জাকির আমাদের জানান আসহাবে ক্কাহাফ—সেই সাত ধর্মপ্রাণ যুবক এবং একটি কুকুরের কথা, যারা অত্যাচারী বিধর্মী শাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন। কোনো পর্বতের গুহায় সৃষ্টিকর্তা তাদের ঘুম পাড়িয়ে রাখেন। জাকির তাদের ঘুম ভাঙিয়ে লোকালয়ে নিয়ে আসেন। কিন্তু হায়! তারা তো আরো বেশি বঞ্চনা ও নিগ্রহের শিকার হচ্ছে—তাদের হতে হচ্ছে উদ্বাস্তু। ভিটেমাটি সহায় সম্পত্তি হারিয়ে আসহাবে ক্কাহাফের মতো সাতজন হিন্দু নারী যখন দেশত্যাগী হতে বাধ্য হয় তখন সেই অতি পরিচিত মিথটি নতুন মাত্রা পায়। (স্বপ্নযাত্রা কিংবা উদ্বাস্তু পুরাণ / স্বপ্নযাত্রা কিংবা উদ্বাস্তু পুরাণ)
না খায়া মরার চে মেথর হওয়া ভালো
জাকির আমাদের শোনান মঙ্গার কথা; যখন ষাটোর্ধ আজগর আলী নিজেকে আবার শ্রমবাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। সেখানেও বাজারের দরকষাকষি—মানুষও পণ্য (আজগর আলীর হিসাব বিজ্ঞান/)। আজগর আলীরা হরতাল বোঝে না...। মিছিল বলতে তারা বোঝে ভোটের মিছিল; “নৌকা—ধানের শিষ—লাঙ্গলের মিছিল”। কিন্তু দিনের পর দিন কামলা খেটেই ধাঁধা দেখতে হয় আজগর আলীদের। আবার মঙ্গায় বারেকের ছেলে নান্না ড্যাব-ড্যাব করে তাকিয়ে থাকে (দাস পরম্পরা)। ছেলের কান্নার হাত থেকে বাঁচতে ... বারেক কান্দ খোঁজার নাম করে পালিয়ে থাকে। পাঁতিপাড়ার শামছু মিয়া পেটের জ্বালায় মরা কুচো-সাপ খায়। সেই ক্ষুধার জ্বালায় বারেকের নিজের ছেলেকে পাচারকারীর হাতে তুলে দেয়া। জাকির আমাদের জানান সেই মহিলার কথা-- “তুমি হামাক তিন অক্ত ভাত দিবান তো’’ এই ছিল স্বামী ঘরত্যাগী সেই যুবতীর শেষ আর্তি।
তাই বলে জাকির তালুকদারের গল্পে আবার হাস্যপরিহাসের উপাদানও কম নেই। “এ গায়ে মুনছের তিনজন”— সাদামাটা কথার মধ্য দিয়ে যে গল্পের শুরু সেখানে গল্প (মণ্ত্র উপাখ্যাণ) এগিয়ে চলে হাসি তামাশায়। সেখানে নাম নিয়ে তিন শ্রেনীর তনি মুনসের কাহিনী হাস্য খোরাক জোগায়। কিন্তু শেষে যখন গুখোর মুনসেরের বৌ আকলিমা চলে যায় ‘‘বণিক’’ মুনছেরের দখলে তখন অসহায়ত্ব মন্ত্রতন্ত্রের মতো ভেক বিষয়কে আকড়ে ধরার চেষ্টা করে। মুনছের শেষপর্যন্ত স্বপ্ন দেখে আবেদ আলীর মন্ত্র পড়া তেল ছিটিয়ে আকলিমাকে আবার আপন করে পাবার। তখন মন্ত্রের মত ভেক জিনিসও হয়ে ওঠে মর্মস্পর্শী আবেগের বহিঃপ্রকাশ।
এবার কতক মুদ্রাপৃষ্ঠ পরিভ্রমণ :
জাকিরের গল্পের নারী চরিত্রগুলো অবলিষ্ঠ, কখনো কখনো প্রতিবাদী, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভঙ্গুর, শোষিত ফলত: মার পরীক্ষা দিতে আগ্রহী। কর্মজীবী তবে কলুর বদলের মতো ভারবাহী। ক্ষুধা তৃষ্ণায় কাতর, প্রেয়সীমনা কখনো কখনো কুলত্যাগী; গৃহত্যাগী হলেও সন্তানের মায়ায় ফিরে আসতে চায় বন্দী খাঁচায়। ‘কন্যা ও জলকন্যারা’ গল্পে জনৈক গ্রাম্যবধূ শেষপর্যন্ত চলন বিলের কাছ থেকে সান্ত্বনা নিয়ে স্বামীগৃহের অগ্নিকুণ্ডে ফিরে যেতে চায়। “ছায়া পরকীয়া” গল্পে প্রেম করে বিয়ে করা রুহি কবিতা লেখা ছেড়ে দেয়া স্বামীর মধ্যে পুরোনো ‘কবি প্রেমিক’কে খুঁজে চলে। রুহি নিজে যেন স্থির! নারী কেবল আপে করে - “তুমি বদলে যাচ্ছো না! তুমি হারিয়ে যেওনা”! মঙ্গার জ্বালায় বটকা ওরফে বারেক নিজের ছেলেকে শিশু পাচারকারীর হাতে তুলে দিলে নুরবানু কেবল আর্তনাদই করে। আবার বিধবা কুড়ানি কেবল আশ্রয় খোঁজে, নিবাস খোঁজে, সংসার খোঁজে[পাচার/ বিশ্বাসের আগুন]
আবার, সর্বহারাদের সঙ্গে বিবাদের জের হিসেবে পাঁচজন নারী ধর্ষিতা নাম পরিচয় গোপন রাখার প্রতীজ্ঞা (রাজনৈতিক ভাবে) গ্রামের সমস্ত নারীরা জোটবদ্ধ হয়েও... কিন্তু যে রাতে পুরুষেরা বুকে টেনে নেয়, তাদের রমণীদের শীৎকার-উৎসব সে রাতে মুখরিত হয়ে ওঠে গাঁয়ের বাতাস, মিলনের সোহাগে আপুত হয়ে পাঁচজন বাদে প্রত্যেক রমণীই তার পুরুষকে বলে দেয় ধর্ষিতা পাঁচ রমণীর নাম।
আমরা দেখি, মেয়ের রোজগারে পালিত বাবা তার মেয়ের নামে মিথ্যে রটনা দিয়ে বরপকে চিঠি পাঠিয়ে বিয়ে ভেঙ্গে দেন (দিনযাপন কিংবা মৃত সুন্দরীর গল্প)। ফিরোজা জানতে পেরেও কেবল বুক ভাসা কণ্ঠে বলে বাবা! বাবা! এই চিঠি ক্যান লিখলে মনোয়ারের কাছে? দ্রোহী হয়ে ওঠে না ফিরোজা। প্রাচ্য সংস্কৃতির উত্তরাধিকার লাগাম টেনে ধরে। লেখক এখানে কেবল পুরূষতান্ত্রিকতার বিভৎষতার কথা উচ্চারণ করেন অনুচ্চস্বরে। তাই স্বভাবত-ই প্রশ্ন জাগে ...জাকির যেখানে ধর্ম ও ধর্মান্ধ ইউনিটগুলোকে আঘাত করেছেন, সেখানে তার নারী চরিত্রগুলোর কোনটিই দ্রোহের দাবানলে রূপান্তরিত হয়নি কেনো?
সব থাববে রাজনীতি থাকবে না... এ কী করে হয়?
‘পিতৃপরিচয়’ গল্পটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-উত্তর রাজনৈতিক-সামাজিক প্রোপটে রচিত। এক বীরাঙ্গনার সন্তান দুলালের গ্রামের চেয়ারম্যান কালাম ও তার ছেলে তথা রাষ্ট্রযন্ত্র দ্বারা নিগৃহীত হবার কাহিনি পিতৃপরিচয়। বঙ্গবন্ধুকে “জাতির পিতা” হিসেবে চিহ্নিত করাই গল্পটি ফাঁদবার মূল প্রেরণা বলে মনে হয়। আপাতদৃশ্যে ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ” বিশ্বাসী একটি বিশেষ আদর্শভুক্ত মনে হলেও আমার মনে হয় জাকির তালুকদারের রাজনৈতিক দর্শনের পরিচয় পাওয়া যাবে তার আতশপাখি গল্পটিতে। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের অনেক স্বপ্ন ও গভীর চিত্র ফুটে উঠলেও গল্পের “ইনটেনশন”-এ প্রবল তাত্ত্বিক ও মতাদর্শিক ‘কচকচি’ থাকায় এবং পূনরাবৃত্তির কারণে ‘আতশপাখি’ ও ‘পিতৃপরিচয়’ গল্প দুটির শিল্পমান ও মানবিক আবেদন ক্ষুন্ন হয়েছে। (তবে মনে রাখতে হবে এগুলো জাকিরের প্রথম দিককার লেখা গল্প)।
এদিক দিয়ে বিবেচনা করলে জাকির তালুকদারের রাজনীতি সচেতন দুটি শ্রেষ্ঠ গল্প হতে পারে “১৯৯২” এবং “ভবসিন্ধু বলেন”—দুটি গল্পই তীব্রভাবে রাজনৈতিক প্রোপটে রচিত। “ভবসিন্ধু বলেন” গল্পটিতেও রাজনীতি খুবই প্রবল। কিন্তু রাজনৈতিক প্রোপটে অনেক ভারী ভারী তত্ত্ব কথার মাঝেও কীভাবে একটি নিটোল প্রেমের কাহিনি সৃষ্টি হতে পারে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত “ভবসিন্ধু বলেন,” গল্পটি। এ গল্পগ্রন্থের আরেকটি গল্প “অন্ত্যেষ্টিযাত্রা''”। গল্পটি রাজনৈতিক। এ গল্পে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দেউলিয়াপনার পষ্টা-পষ্টি পরিচয় মেলে যখন মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর উরুতে গুলির জখমের দাগ আছে কিনা নিশ্চিত হবার জন্য তার কাফনের কাপড় সরিয়ে ফেলা হয়!!! এখানে এসে জাকিরের বাঁক পরিবর্তন ল করি।
এক আকাশ সমান আশা রইল তোলা
যদিও সাহিত্যে লেবেল দেবার ঘোরতর বিরোধী আমি, তবুও একটা তুলনামূলক আলোচনা তো হতেই পারে। জাকির তালুকদারের প্রথম এই “স্বপ্নযাত্রা কিংবা উদ্বাস্তুপুরাণ” থেকে শুরু করে একে একে “বিশ্বাসের আগুন” “কন্যা ও জলকন্যারা” এবং সর্বশেষ কলকাতা থেকে প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ গল্পগ্রন্থগুলোর মধ্যে তুলনা করলে আমি এগিয়ে রাখব “কন্যা এবং জলকন্যারা”কে। কারণ এখানে এসে জাকিরের গল্পভাষা আরো পোক্ত হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার বদলে গল্পচ্ছলে কাঙ্খিত ম্যাসেজটি পৌঁছে দেয়ায় তিনি পটুত্ব অর্জন করেছেন। কিন্তু “বিশ্বাসের আগুন” গল্পগ্রন্থের গল্পের বিষয়বস্তুর নতুনত্ব, (একেকটি গল্প একেক রকম) এবং পরিশীলিত পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে শ্রদ্ধা করতেই হবে। বিশেষত: বিশ্বাসের আগুন শিরোনামের গল্পটির কথা আমাদের দীর্ঘ দিন মনে রাখতে হবে। “বিশ্বাসের আগুন”কে আমি বলব নব্বই দশকের সবচেয়ে দুঃসাহসিক গল্প!! একজন লোক কুরআন পুড়িয়ে ফেলছে (তা হোক অজ্ঞানে, কুরআন আগুনে পোড়ে না... এই সশ্রদ্ধ বিশ্বাসে)—ক্ষুধার বেসুরো হাপিত্যেশের কাছে পরাস্ত হচ্ছে সকল ঐশী কীর্তন!! আমাদের মতো মিশ্র সংস্কৃতিমনা “আধো শিক্ষিত” দেশে তা প্রকাশ করতে বুকের পাটা লাগে, প্রয়োজন পরিশীলিত বোধ। এরকম বিশ্বাসের আগুনে পোড়া ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে জখম মেখে বেরোনো অসহায় উদ্বাস্তুগুলোর নানামাত্রিক চিন্তন-বীক্ষণ আত্মস্থ করে তাদের মর্মস্পর্শী আখ্যান দক্ষ হাতে তুলে ধরাতে বরাবর-ই আগ্রহী জাকির। সেই স্বপ্নযাত্রা কিংবা রিফিউজিনামা এবার সবাইকে দ্রোহী করে তুলবে এবং জাকির সেই মন্ত্রণা ছড়াবেন আগামীতেও... আমরা সেই আশা করতেই পারি।
নিহন বলেছেন:
না খায়া মরার চে মেথর হওয়া ভালো
মাজুল হাসান বলেছেন:
জাকির ভাইতো তাই বলছেন।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: উহ্
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মেইল চেক করছি এখনি।
আকাশচুরি বলেছেন:
+প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: নব্বইয়ের গল্পকারদের গল্প নিয়ে প্রায় ১০-১১ জনের উপর
আলোচনা বেরিয়েছিলো বাবুই প্রথম সংখ্যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অনেক লেখাই বড়। কাটছাট করে লেখকদের অনুমতি নিয়ে একে একে সব ব্লগে দিবো।
কেমন হবে?
লেখক বলেছেন: সন্দেহ নেই।
রাশেদ বলেছেন:
হুমম...
লেখক বলেছেন: ওওওওও!!!
লেখক বলেছেন: আপনার কথায় ভরসা পেলাম।
কেমন আছেন, আপনার ব্লগের রাজনীতি নিয়ে নব্বইয়ের পটভূমিতে লেখাটা বিশদ ও বিশ্লেষণধমী হইছে।
ভাল আছেন?
সুতরাং বলেছেন:
দোস্ত, পুরো লেখাটাই দাও। প্রয়োজনে ২ কিস্তিতে দাও।
লেখক বলেছেন: এইটা আর বাড়াবো না।
নব্বইয়ের অন্যান্য গল্পকারের ওপর বিভিন্ন জনের আলোচনা ছিল বাবুই প্রথম সংখ্যায়। সেই লেখাগুলাই না হয় দেবো। আনকাট!!!
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, অনেকের আরো বই বের হয়ে গেছে, সেগুলোর আলোচনাও জরুরী।
জাকির তালুকদারের কোনো বই পাওয়ার সুযোগ হয় নি। তবে ক'বছর ধরেই পত্রিকায় ম্যাগাজিনে তার গল্প পেলেই পড়ে ফেলি। হাত পাকা লেখক। বুনন প্রাঞ্জল।
আপনার এই লেখা থেকে তার লেখা সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য পেলাম।
আলোচনা বস্তুনিষ্ঠ হয়েছে মনে হলো।
'সাহিত্যে লেবেল দেবার ঘোরতর বিরোধী আমি'- আপনার এই কথাটা খুব পছন্দ হলো।
+
মাজুল হাসান বলেছেন:
যা বুঝছিলাম আই লিখছিলাম।আর জাকির ভাইয়ের সব লেখা যে ভালো লাগছে তাও না। তবে তার গল্পের জায়গাটা স্ট্রং!
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
জাকির তালুকদার একজন পাকা লেখক। তথ্যপূর্ন লেখার জন্য ধন্যবাদ
নববর্ষর শুভেচ্ছা রইল
লেখক বলেছেন: আপনাকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপনার ভালো ঘুমের জন্য শুভ কামনা করছি।
আপনার ঘুমবিষয়ক জটিলতাগুলো কি কমেছে?
কমার তো কথা নয়।
তারপরেও ভালো থাকুন।
মাজুল হাসান বলেছেন:
না অই গল্পটা পড়ার পর বললাম। ঘুমতে যাবার...সব চেষ্টা ব্যর্থ হবার পর।

















1.jpg)
