কালের কন্ঠে একটা ফিচার দেখলাম আজকে । স্বচ্ছ প্রাণীর কেচ্ছা। জানার আগ্রহ হল। পড়তে গিয়ে দেখলাম অনেক ছবি ওখানে দেয় নি। গুগুল ঘেটে তাদের ছবিগুলোই বের করলাম। আর উইকিপিডিয়া সহ অন্যান্য সাইট থেকে বের করলাম তাদের আরো কিছু হাল্কা পাতলা বিববরণ।
গ্লাস ফ্রগ/কাচ ব্যাঙঃ এটি ভেনেজুয়েলার স্থানীয় প্রজাতির ব্যাঙ। হালকা সবুজ রঙের চামড়া। ভেতরের সব কিছুই স্বচ্ছ। এটার হৃদপিন্ড পাকস্থলী তো আপনি বাইরে থেকে দেখতে পারবেন ই। বাড়তি হিসেবে আপনি এটার হার্টবিট টাও বাইরে থেকে দেখতে পারবেন।


গ্লাসউইং বাটারফ্লাইঃ সেন্ট্রাল আমেরিকা, মেক্সিকো, পানামাতেই প্রধানত এদের পাওয়া যায়। এদের পাখার ভেতর দিয়ে এপাশ থেকে ওপাশ পর্যন্ত দেখতে পাবেন। এদের পাখার ভেইন (নালিকা) গুলোও ট্রান্সপারেন্ট। এটার স্প্যানিশ নাম হল "espejitos" যার অর্থ দাড়ায় "ছোট্ট আয়না"।



গ্লাস স্কুইডঃ দক্ষিণ গোলার্ধে, নিউজিল্যান্ডের গভীর সমুদ্রে এদের পাওয়া যায়। এছাড়া আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগরেও পাওয়া যায় । এরা এদের আলোক সংবেদি চোখ কে বলের মতো ঘুরাতে পারে ।



ট্রান্সপারেন্ট জেব্রাফিশঃ এটি স্বচ্ছ এবং অস্বচ্ছ দুটি প্রকারেই পাওয়া যায়। স্বাদু পানির মাছ। হিমালয় অঞ্চল, বাংলাদেশ, মায়ানমার, পাকিস্তান এবং ইন্ডিয়ার পূর্বাংশে পাওয়া যায়। জেনেটিক স্টাডিজে বহুল ব্যবহৃত
বিস্তারিত এখানে

আইস ফিশঃ আইস ফিশ বিজ্ঞানিদের জানামতে একমাত্র ভার্টিব্রেট (মেরুদন্ডী প্রাণী) যাদের রক্তে হিমোগ্লোবিন নেই। তাই রক্ত স্বচ্ছ্ব। অ্যান্টারকটিকা আর দক্ষিণ আমেরিকার হিমশীতল সাগরে এদের পাওয়া যায়। পাঁচটি প্রজাতিতে মিথোগ্লোবিন জিন নেই। তাই এ সকল প্রজাতিতে হৃদপিন্ডের রং হয় সাদা।


![]()
ফ্রোনিমাঃ চিংড়ির সাথে অনেক টাই মিল পাবেন । দেহটা এতটাই স্বচ্ছ যে এদের প্রায় দেখাই যায় না।


বেরেলিঃ গভীর জলের মাছ। মাথাটা স্বচ্ছ। সবুজাভ। মাথার উপরে খাবার খুজলে এদের চোখ থাকে উপরে, খাওয়ার সময় থাকে নিচে। এদের চোখের মতো অংশটি কিন্তু আদপেই কোনো চোখ নয়। এটি মানুষের অলফ্যাক্টরি অর্গান বা ঘাণেন্দ্রিয় (নাক) এর মতো কাজ করে।

সি কিউকাম্বারঃ শসার মতো দেখতে এই প্রাণীটি। একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণী। ছোট ছোট প্লাংকটন, শ্যাওলা খেয়ে বাচে।

এটা ট্রান্সপারেন্ট না । তবু দেখতে ভালো লাগল তাই শেয়ার করলাম।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

