পৃথিবীতে কতই না প্রাণী। এতো বড় থেকে শুরু করে চোখে দেখা যায় না এমন প্রাণীও রয়েছে। তবে আমাদের পৃথিবীতে ৯৫% প্রাণীই একটা মুরগীর ডিমের চেয়েও ছোট।
সাপ দেখলে ভয় লাগে না এমন মানুষ আছে নাকি? যেকোন সাপ দেখলেই তো ভয়ে আত্মারাম খাচাছাড়া হতে চায়। আর যদি বিষধর কোনো সাপ হয় তাহলে তো কথাই নেই। আর এমন একটা বিষয় যে পৃথিবীর সব জায়গাতেই সাপ রয়েছে। তবে হ্যা যারা সাপ ভয় পাও তাদের জন্য একটা সুখবর আছে। সাপের ভয় এড়াতে অ্যান্টার্কটিকায় যেতে পারো‘। পৃথিবীতে অ্যান্টার্কটিকাই একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনো সাপ বা সরীসৃপ নেই!
গোল্ডফিস দেখতে কেমন লাগে? এ্যাকুরিয়ামের মধ্যে সুন্দর সাঁতরে বেড়ায় যে সোনালী রঙের মাছটা। কতো সুন্দর তার গায়ের রঙ, তাই না? কিন্তু মজার কথা কি জানো! যদি একটা গোল্ডফিস কে অন্ধকার ঘরে রেখে দেয়া হয় তবে এর রঙ কিন্তু সাদা হয়ে যাবে।
রাতের বেলায় বেজায় কিচ কিচ শব্দ করে ছুটে চলে ছুঁচো। দেখতে ইঁদুরের মতোই। কিন্তু এরা রাতে ছাড়া বেরই হয় না। যেনো সব কাজ তাদের রাতের বেলাতেই। এই ছুঁচো কিন্তু আবার মহা করিৎকর্মা প্রাণী। এক রাতেই এরা প্রায় ৩০০ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ খুঁড়তে পারে। বিরাট ব্যাপার, তাই না!
উটপাখি তো সবাই চেনো। ঐ যে যে পাখি উড়তে পারে না তবে দারুণ জোরে ছুটতে পারে। সেই উটপাখির মগজ কিন্তু খুবই ছোট। এদের মগজ তাদের চোখের চেয়েও ছোট। ভাবা যায়!
পৃথিবীতে সকল স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বাচ্চারাই লাফালাফি করে থাকে। কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু হাতিদের বেলাতে। কারণ হচ্ছে, শুধু হাতিরাই লাফাতে পারে না। বেচারা হাতি! ওরা কোনদিন বুঝতেও পারবে না লাফঝাঁপ দেয়ার কি মজা।
গন্ডারের শিং তো আমরা সবাই দেখেছি। ঐ যে যেটা দিয়ে গুঁতোতে আসে! জানো তো এই শিং কি দিয়ে তৈরি? এটা কিন্তু চুল দিয়ে তৈরী। খুব ঘন আর পাশাপাশি থাকা চুলগুলো একত্রিত হয়েই এই শিংটি তৈরি হয়। মজার তাই না!
পৃথিবীর সবচে ছোট পাখিটির নাম কি জানো? সবাই জানে এর উত্তর। হ্যাঁ, হামিং বার্ড। সবচে ছোট পাখির ওজন যে সবচে কম হবে এটাইতো স্বাভাবিক। তাই বলে কতো কম হতে পারে আন্দাজ করো তো! বিশ্বাস করো আর নাই করো, একটি হামিং বার্ডের ওজন এক টাকার একটি কয়েনের চেয়েও কম।
জলহস্তী দেখেছো তো সবাই তাই না? কি পরিমাণ বড় হা করে সেটা দেখেছো? আন্দাজ করো তো ওদের হা কতো বড়ো হতে পারে! এদের হা এতো বড় হয় যে সেখানে ৪ ফুট লম্বা কোন মানুষ দিব্যি শুয়ে বসে থাকতে পারবে।
জেলী ফিশ দেখেছো তো তোমরা, তাই না? তোমরা কি জানো যে জেলি ফিশের শরীর শুধু পানি দিয়েই তৈরি। বিশ্বাস হচ্ছে নাতো? সত্যি সত্যি কিন্তু জেলি ফিশের শরীরের ৯৫ ভাগই পানি। এখন তোমরাই ঠিক করো যে একে আর জেলি ফিশ বলবে নাকি পানি মাছ বলবে!
আমরা আমাদের কান কি দিয়ে পরিস্কার করি? কটন বাড দিয়ে, তাই তো? কিন্তু জিরাফ কিন্তু এর কোনো কিছুরই ধার ধারে না! সে তার কান পরিস্কার করে নিজের জিভ দিয়ে। কারণ কি জানো? জিরাফের আছে লম্বা একটা জিভ। জিরাফের জিভ প্রায় ২১ ইঞ্চি লম্বা। আর তাই কষ্ট করে ওকে আর কোন কিছুরই ধার ধারতে হয় না।
পৃথিবীতে একটি প্রাণীর নাম বলো তো, যার কোনো মগজ বা মস্তিস্ক অর্থাৎ ব্রেইন নেই? ভাবছো যাহ, মগজ ছাড়া প্রাণী তা আবার হয় নাকি? আরে সত্যিই তাই! স্টার ফিশ নামের একধরনের সামুদ্রিক মাছের নাকি কোনো মগজই নেই। মগজের বদলে এক ধরনের স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমেই তারা তাদের যাবতীয় কাজ করে থাকে। প্রশ্ন করতেই পারো যে তাদেরকে কেনোই বা মাছ বলা হয়? তাহলে শোনো, তারা আসলে মাছ নয়। পানির নিচে থাকে বলেই তাদেরকে তারা মাছ বা স্টার ফিস বলে ডাকা হয়।
আমরা যেমন খাবার মুখে দিয়ে জিহ্বা দিয়ে নেড়ে চেড়ে, দাঁত দিয়ে চিবিয়ে খাই; কুমিররা কিন্তু তা করেনা। খাবার সময় ওরা জিহ্বা তো নাড়াতে পারেই না এমনকি খাবারও চিবুতে পারেনা। তাহলে ওরা খায় কিভাবে? খাবার হজম করার জন্য একধরণের জারক রস ওদের মুখে জমা হয়। এই জারক রসের কারণেই খাবার নরম হয়ে হজম হয়ে যায়। এই রসের এতোই ক্ষমতা যে, স্টিল পর্যন্ত এটা হজম করে ফেলে!
মানুষের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগামী সাঁতারু ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৬ মাইল পর্যন্ত সাঁতরাতে পারে। আর স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগামী সাঁতারু হলো- ডলফিন। ওরা ঘন্টায় কতো মাইল পর্যন্ত সাঁতরে যেতে পারে জানো? ৩৫ মাইল!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



