আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন এর গল্প অােছ বািক অল্প

নতুন জীবনের হাতছানি

২১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:১৩

শেয়ারঃ
0 0 0

রাজশাহী ব্যুরো
১৯৯৭ সালে পিতৃহত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদ হয় নাটোরের সিংড়া উপজেলার বাবুল হোসেনের। ১৩ বছর কারা প্রকোষ্ঠে থাকার পর তিনি বেরিয়ে আসেন মুক্ত হাওয়ায়। কারাগারে যাওয়ার আগে তিনি কৃষিকাজ করতেন। এখন তিনি দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান। কারাগারের ভেতরে অর্জন করা কর্মদক্ষতা তিনি মুক্তজীবনে কাজে লাগাতে চান। সরকারের সাধারণ ক্ষমায় গতকাল শুক্রবার সকালে কারা প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্ত হাওয়ায় ৬০ জন বেরিয়ে এসেছেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে আসা বাবুল হোসেনকে নিতে এসেছিলেন তার মামি নুরজাহান বেওয়া। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেছিলেন কারাফটকের সামনে। তিনি জানান, বাবার হত্যাকারী হিসেবে সৎমা তাকে ফাঁসিয়ে দেয়। তিনি মামলায় সাজা খেটে ১৩ বছর পর বের হয়ে এলেন বাবুল। বাবুল জানান, কারাগারে সে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ শিখেছেন। এখন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হিসেবে নতুন কর্মজীবন শুরু করতে চান।
সরকারের সাধারণ ক্ষমায় এদিন অন্যদের সঙ্গে বেরিয়ে আসেন জয়পুরহাটের ছামেনা বেগম, হাসিনা, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কবেজান ও মোহনপুরের মাজেদা বেগম। কারাগার থেকে বেরিয়ে আসা জয়পুরহাটের হাসিনা জানান, তাকে একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদ দেওয়া হয়। ১২ বছর পর তিনি মুক্ত হলেন। তিনি আরও জানান, কারাগারের ভেতর শিখেছেন হাতের কাজ। হাতের কাজ করে বাকি জীবনটা কাটাতে চান তিনি। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার পার্থ গোপাল বণিক সমকালকে জানান, ক্ষমা পাওয়া কয়েদিদের মুক্তির আদেশ পাওয়ার পর গতকাল আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভোর থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া শুরু হয়। যারা মুক্তি পেয়েছেন তারা প্রত্যেকে কারাগারের ভেতরে ভালো আচরণ করেছেন। অনেকে কারাগারে কাজ করে দক্ষ হয়েছেন। বাস্তব জীবনে তাদের এ দক্ষতা কাজে লাগবে।

View this link

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:১৮
সীমানা পেরিয়ে বলেছেন:

পিতৃহত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদ হয় নাটোরের সিংড়া উপজেলার বাবুল হোসেনের।


এ কিভাবে সাধারন ক্ষমা পায়!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
২. ২১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৩৩
clingb বলেছেন: আমিও তো বুঝলাম না ওই লোক কি করে ক্ষমা পেলো। এবার তো সে বাকি সবাইরে খুনের প্ল্যান নিবে।
৩. ২১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৫৫
মানবী বলেছেন: বাবুল হোসাইনের বাবা মারা যাবার সময় তাঁর বয়স কতো ছিলো বুঝতে পারছিনা.. তাঁর বক্তব্যও সত্য হতে পারে।

রাজশাহী কারাগারের কয়েদীদের হস্তশিল্প দেখেছি.. অসাধারণ সুন্দর কাজ!! বেত ও নানান রঙ এর প্লাস্টিক দিয়ে চমৎকার সব আসবাব তৈরী করেছিলনে তাঁরা। এমন সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমেও হয়তো একজন মানুষের সংশোধন সম্ভব(একজন সত্যিকারের খুনী বা ধর্ষকের সংশোধন সম্ভব কিনা জানা নেই)।

ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
একখান জব্বর আইডিয়া
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই