#১।The Tiananmen Square Guy:
১৯৮৯,এপ্রিল।চীন উত্তাল গনতন্ত্রের জন্য।যেটাকে বলা হয় "The protests for democracy"।যা শেষ হয় জুনে।জর্মানও অস্থির বার্লিন প্রাচীর ভাংগার অপেক্ষায়।
জুন মাসের প্রথম দিকের ঘটনা।মুখোমুখী সাধারন জনতা এবং সেনাবাহিনী।এক সকালে সেনাবাহিনীর বিশাল ট্যাংকের বহর আসতে থাকে Tiananmen Square এর দিকে।সবাইকে হতবাক করে দিয়ে ট্যাংক বহরের সামনে দাড়িয়ে ট্যাংকের গতি রুখে দেয় এক সাহসী লোক।হাতে তার বাজারের ব্যাগ।তারপর উঠে পড়ে ট্যংকের উপরে,তর্ক করতে থাকে ট্যাংক চালক সৈন্যের সাথে।এর মধ্যে কিছু লোক তাকে সরিয়ে নেয় ট্যাংকের উপর থেকে।
একটা সময় থেমে যায় সবকিছু,কিন্তু থেকে যায় দুনিয়া কাপানো একটি ছবি।হয়ে যায় প্রতিবাদের অবিনস্মর স্মৃতি হিসেবে।
অনেক চেষ্টা করা হয়েছে লোকটার পরিচয় বের করার,কিন্তু হদিস মেলেনি তার।কারো কারো মতে হত্যা করা হয় তাকে।যদিও হত্যা করা হয়েও থাকে হত্যা করা যাবেনা তার প্রতিবাদের সাহসটাকে।
#২।The Kissers on V-J Day in Times Square
V-J Day অর্থ্যাৎ Victory over Japan Day,বয়ে নিয়ে আসে সারা দুনিয়ায় খুশীর জোয়ার ১৯৪৫ সালে। এটা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের প্রথম ধাপ। টাইমস স্কোয়ারে তখন আনন্দের বন্যা।ঠিক তখনই Alfred Eisenstaedt তার ক্যামেরার ফ্রমে বন্দী করে এক অসামান্য মুহুর্ত।একজন সেইলার কিস করছে একজন নার্সকে।ছবিটা যদিও ১৯৪৫ সালে তোলা কিন্তু এখনও পর্যন্ত এটি একটি সেরা আইকনিক ছবি হিসেবে বিবেচিত।কিনতু মজার ঘটনা হচ্ছে ছবিটা যতই সেরা হোক ছবির মানুষ দুইজনকে কিন্তু কখনই আর সনাক্ত করা যায়নি।অন্তত ডজন খানিক মানুষ ছবিটা তার দাবী করলেও আসলে কার ছবি তা নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্ক। ছবিটা নিয়ে করা ভস্কর্য:
#৩।The Zodiac Killer :
১৯৬০ এর শেষের দিকে ক্যালিফোর্নিয়া দুইটা বিষয় নিয়ে খুবই ভীত এবং অস্থির ছিল,তা হল হিপ্পী এবং দি জুডিয়াক কিলার।"দি জুডিয়াক কিলার" ১৯৬৮'র ডিসেম্বর থেকে ১৯৬৯ এর অক্টোবারের মধ্যে খুন করে ৪জন পুরুষ এবং ৩ জন মহিলাকে।তার বৈশিষ্ঠ ছিল খুনের পর থানায় চিঠি পাঠিয়ে খুনের কথা স্বীকার করত।সে ডজন খানেক খুনের কথা স্বীকার করেছিল।
তার কথা শুধু আমেরিকায় নয় সারা দুনিয়ায় হৈচৈ ফেলে দেয়।সারা আমেরিকার বিভিন্ন বাহিনী উঠে পড়ে লাগে তাকে ধরার জন্য কিন্তু তা কখনই সম্ভব হয়নি।দি জুডিয়াক কিলার হিসেবে অনেককেই ধরা হয়েছে কিন্তু প্রমান করা যায়নি কে আসলে দি জুডিয়াক কিলার।এখনও তার বিরদ্ধে কেস ওপেন করা আছে।
#৪।The Woman Who Could Prove or Disprove all JFK Conspiracy Theories:
জন,এফ,কেনেডী আমেরিকার সাবেক প্রসিডেন্ট এবং সারা দুনিয়ায় আলোচিত ব্যক্তিত্ব।খুন হন ডালাস, টেক্সাসে নভেম্বর ১৯৬৩ সালে।খুন করে Lee Harvey Oswald নামের একজন।কারো কারু মতে খুনী একজন নয় খুনী ছিল দুইজন।একজন ছিল Lee Harvey Oswald এবং আরেকজন ছিল একজন মহিলা।যাকে বলা হয় Babushka Lady,সে ছিল কেনেডীর খুব কাছাকাছি এবং সে খুনের অনেকগুলি ছবিও তোলে।যেহেতু সে ছিল খুব কাছে এবং তার কাছে ছিল খুনের সময়কার ছবি,এফ.বি.আই উঠে পড়ে লাগে মহিলাকে সনাক্ত করতে ।কিন্তু খুজে পাওয়া যায়নি তাকে,যদিও তার একটা পরিস্কার ছবিও অন্যেকজনের ক্যামেরায় পাওয়া যায়।
১৯৭০ সালে একজনকে পাওয়া যায় যে নিজেকে সেই Babushka Lady হিসেবে দাবী করে।তার নাম ছিল Beverly Oliver,পেশায় একজন নাইট ক্লাবের ড্যান্সার।
সে দাবী করে সে খুনী নয় এবং তার ছবি গুলি কিছু পুলিশ সদস্য নিয়ে যায় কিন্তু আর ফেরত দেয়নি।কিন্ত তার যুক্তি ধোপে টেকেনি।আজও তাই এক অবাক পরিচয়হীন চরিত্র Babushka Lady
#৫।The Killer of Sweden's Prime Minister :
১৯৮৬ সালে সুইডেনের জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী Olof Palme খুন হন স্ত্রীকে নিয়ে সিনেমা দেখে বাড়ী ফেরার পথে।অন্ধকার থেকে একজন হাতে ছুট একটি পিস্তল নিয়ে বেড়িয়ে আসে এবং গুলি করে চলে যায়।
সুইডেনে আমাদের দেশের মত প্রধানমন্তীর মত বিশাল কোন বডিগার্ড নিয়ে ঘোরেনা।সুইডেন একটি শান্তির শহর তাই প্রধানমন্ত্রী Olof Palme বডিগার্ড পছন্দ করত না।সারা সুইডেন শোকে মু্হ্যমান হয়ে পড়ে।সবার একটাই প্রশ্ন খুনী কে ? কিন্তু আজও বের করা যায়নি কে খুন করেছিল Olof Palme কে।আজও খুনী রয়ে গেছে নাম পরিচয়হীন এক রহস্যমানব হিসেবে।
#৬ Jack the Ripper:
যখন "serial killer" এবং "Victorian era" শব্দদুটি একসাথে আসে তখন একটা নামই সামনে চলে আসে তা হল Jack the Ripper।১৮৮৮ সালে একে একে খুন হয় পাচজন পতিতা।শুধু খুন নয় খুনী কেটে নিয়ে যা্য় মৃতদেহের বিভিন্ন অংশ।আতংকে অস্থির হয়ে যা্য় পুরো লন্ডন।পুলিশ তন্ন তন্ন করে গেলে দে্য় সারা লন্ডন।কিন্তু অধরা রয়ে যা্য় খুনী।হত্যাকান্ডের ১০০ বছরের উপর হয়ে গেলেও আজও এক রহস্যমানব সেই খুনী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


