মৌলবাদ শব্দ বাংলা মূল হতে সৃষ্ট। এর অর্থ মৌল বা মৌলিক। আর বাদ শব্দের অর্থ কথা, মৌলবাদ অর্থ মূলকথা, আবার অনেক সময় ‘বাদ’ বিশেষ ক্ষেত্রে মতবাদ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। মূল আসল সৃষ্টির ভিত্তি। মূল বা মৌল হল সত্য অকৃত্রিম সকল সত্যের ও সৃষ্টির জন্য প্রয়োজন মৌলিক উপাদান। এজগতের সমুদয় সৃষ্টির মূলেই সেই সব মৌল উপাদান বিদ্যমান, যা বদলায় না। যেমন- আকাশ, বাতাস, আগুন ,পানি, মাটি ইত্যাতি। বিজ্ঞজনেরাও বলেন; মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আমরা সকলেই আমাদের মূল সত্তায় ফিরে যাব। অতএব সকল বস্তু ও জীবনের বৃদ্ধি-স্থিতি -বিনাশ তথা শেষ পরিণতি মৌল নির্ভর। মৌলতাই আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি।
মৌলবাদ এমন একটি পরিভাষা, যা কোন ধর্মীয় ব্যবস্থার মূল ভিত্তি ও মৌলনীতির সত্যায়ন ও এসবের অনুবর্তী থাকার প্রচেষ্টাকে বুঝায়। অন্য কথায় কোন ধর্মের মূল বিষয়ের প্রতি দৃঢ় আনুগত্যকেই মৌলবাদ বলা হয়। অপর দিকে ধর্মভিত্তিক শাসন ব্যবস্থায় বিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে বর্তমান বিশ্বে মৌলবাদ, ফান্ডামেন্টালিস্ট, ধর্মান্ধ ইত্যাদি পারিভাষিক গালিসমূহ প্রচার করা হচ্ছে। শব্দটিকে তারা গালি অর্থে ব্যবহার করলেও ধাতুগত বিচারে এটি অর্থ সূচক নয়। ফান্ডামেন্টালিস্ট শব্দের প্রকৃত অর্থ হল মৌলিক নীতিমালার অনুসারী ব্যক্তি। যদিও বা তাদের ভাষায় মৌলবাদ একটি গালি। এখন স্বভাবতই প্রশ্ন আসে, মূল নির্ভর এই মৌলবাদ কথাটি এ পৃথিবীতে খারাপ হয়ে গেল, গালির বস্তু হয়ে গেল কেমন করে? অপর দিকে যে কোন বাদ মতবাদ মৌলই হওয়া দরকার। মৌলিকত্বই মানুষের কাম্য। কারণ আজও এ পৃথিবীতে মিথ্যা খারাপ বলে চিহ্নিত। মিথ্যা ভাল, সত্য মন্দ; একথা বলার দুঃসাহস আজও পৃথিবীতে কেউ দেখায়নি। মৌলবাদ, যদি সত্যবাদই হয়, তাহলে মৌলিক খারাপ হয় কেমন করে? আজ আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবী মৌলবাদীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে বসেছে। এদ্বারা তাহলে তারা কি জীবনে মিথ্যেবাদকেই প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
মৌলবাদ শব্দটা শুনতেই মনে হয় কেউ যেন গাল ছুঁড়ে মেরেছে, আসলে কি তাই.? না মোটেও না। লোকে বলে মন্দ লোকের মধুর মধুর ভাষা, শুনে হাসে মূর্খ চাষা। অর্থাৎ যারা মৌলবাদকে গাল-মন্দ হিসেবে ছুড়দে চায় তারা কন্তিু অনেক বড় বুদ্ধিজীবী, তদুপরিও এই মৌলবাদ শব্দের অর্থ তাদের জানা নেই। মৌলবাদ শব্দের অর্থ পূর্বে আলোচনা করেছি; এখানেই আরো একটি অর্থ আপনাদের সামনে পেশ করছি; যদি মৌলবাদ শব্দটি সন্ধিচ্যুত করা হয় তবে তার অর্থ হচ্ছে এই; মূল+আবাদ= মৌলবাদ। অর্থাৎ যারা মূল আবাদ করে, তাদেরকে বলা হয় মৌলবাদ। ইসলামের মূল হচ্ছে, কালিমা, নামাজ, রোজা যাকাত ও হজ্ব। এই পাঁটি জিনিস আবাদ করা প্রতিটি নর-নারীর উপর ফরজ। তাদের মানে ইসলামের ভিত্তির উপর চলা অর্থাৎ মৌলবাদ হওয়া প্রত্যেকের উপর ফরজ। এর একটিও যদি কেউ অস্বীকার করে তবে তার নাম কাফিরের তালিকায় পড়বে। সতরাং কথা বলতে সাবধান হওয়া উচিত। নচেত ভয়াবহ জাহান্নাম অপেক্ষামান রয়েছে। যেখানে থাকতে হবে অনন্তকাল। যার আছে শেষ নেই, জীবন আছে মরণ নেই। জাহান্নামের কঠিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে শতবার মৃত্যু চাইলেও ওখান থেকে মুক্তি দেওয়া হবে না। তাই আামদের উচিত হবে মরণের পূর্বেই পরকালকে সাজিয়ে নেওয়া। পরকাল সাজানোর জায়গা এই দুনিয়াই। কারণ দুনিয়া হচ্ছে আখেরাতের ক্ষেত্রফল। তাই সময় থাকতে নেক আমলের চাষাবাদ করা উচিত। নচেত মৃত্যুর পর হাজারো আফসোস করে হাত চোষে খেয়ে ফেললেও নেক আমল করার সুযোগ দেওয়া হবে না। আমার তাদের জন্য দুঃখ হয় যারা আমাদেরকে মৌলবাদী বলে অথচ তারা কেন মৌলবাদী হয় না? তারা মৃত্যুর পর কোন মুখে সৃষ্টিকর্তার সামনে দাড়াবে.? নাকি তারা মরণে অবিশ্বাসী! তারা কি পরকালকে বিশ্বাস করে না.? তারা কি দেখে না তাদের বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষ মৃত্যুর আপন হয়ে গেছে। সুতরাং মৃত্যুর পূর্বেই সকলকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত।
মৌলবাদ শব্দটি ব্যবহারের প্রচলনঃ
খ্রীষ্টান জগতে যখন গীর্জা থেকে রাষ্ট্রকে আলাদা করে সেক্যুলারিজমের জন্ম দেয়া হয়, তখন ধর্ম বিপন্ন হয়ে পড়ে। ঐ অবস্থায় একদল লোক মূল ধর্মে ফিরে আসার জন্য যে আন্দোলন করে, সেই আন্দোলনকারীদের মৌলবাদ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল। মূলতঃ এটাই ইউরোপে খ্রীষ্টানদের তৈরী টার্ম। এই টার্ম ব্যবহার করা হতো মূল খ্রীস্ট ধর্মে ফিরে আসা আন্দোলনকারী খ্রীষ্টানদের বিরুদ্ধে। এখন এ টার্মটি ব্যবহার করা হচ্ছে মুসলমানদের বিরুদ্ধে। (সূত্র: দৈনিক ইনকেলা-১৯ মার্চ ২০০১)
মৌলবাদ পৃথিবীর সকল বাদ বাদিতার মধ্যে আপন সত্তায় অম্লান। তথাকথিত প্রগতিবাদীরা যে মূর্খ, বুদ্ধিহীন তা ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। কারণ এ মতবাতে বিশ্বাসীরা হাওয়ার তালে তালে নৃত্য করতে করতে অভ্যস্ত। বিচার-বিবেক ছাড়া গলাবাজী হল তাদের ধর্ম। পর গাছার মত অন্যের দেওয়া বুলি আওড়িয়ে বুদ্ধিজীবী সেজে ফায়দা হাসিল তাদের জীবনের মূল লক্ষ্য। তাতে আল্লাহ্ রাসূল, পরকাল যাক আর থাক, তাতে তাদের কিছু আসে যায় না। বুদ্ধিমান ঈমানদারগণ জানে মিথ্যা বিলুপ্ত হবেই। তাই মিথ্যা ডারা গ্রহণ করে তারা হল সর্বহারা। ঈমানদার বুদ্ধিমানরা তাই সর্বাস্থায় থাকেন আল্লাহর বিধানের উপর অটল, দৃঢ়, স্থির ও শান্ত।
স্রষ্টার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ সত্যিই মূর্খতা। সকলেই জানেন, জড়বাদ মূলত হল বানরবাদ। যারা শিম্পাঞ্জীর বংশধর বলে নিজেকে মনে করে, লেজ ছিল বলে তাদের বিশ্বাস। মাঝে মধ্যে নিজের পাছায় হাত দিয়ে সত্যতা যাচাই করতেও এরা কসুর করে না।
মুসলমান হলো আল্লাহর খলীফা। ভাল কাজের জন্য বেহেশ্ত, মন্দ কাজের শাস্তি হল জাহান্নাম। এজন্য ধর্ম নামক মৌল ছাড়া মুসলমান মনের দাস হয়ে আবদ্ধ থাকতে পারে না। ইসলাম জীবনের সকল সমস্যার সমাধান দেয় বলেই জীবন বাদ দিয়ে ধর্ম এখানে অচল। অন্যান্য তথাকথিত ধর্মের সাথে ইসলামের পার্থক্য এখানেই। অন্যান্য ধর্মীয় বিধান হল মানুষের হাতের তৈরী; যার মধ্যে সার্ব জনীনকল্যাণের পথ পরিত্যাগ করে তৈরী করা হয়েছে । তা হল গোষ্ঠী স্বার্থের ধারক ও রক্ষক বিধান। ধর্ম সম্পর্কে মানুষকে অন্ধ ও মূর্খ রাখাই এদের মূল পলিসি।
মৌলবাদ শব্দের ব্যাখ্যা পাঠক মহলে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো; এ শব্দের মূল অর্থ বাদ দিয়ে দ্বিতীয় একটি অর্থে ব্যবহার কারা করছে.? কারা এর জন্মদাতা? কখন থেকে এর দ্বিতীয় অর্থের জন্ম? এর উত্তর হলো; এ শব্দের জন্ম, বর্ধন ও পুষ্টি সাধন হয়েছে খ্রীষ্টান পরিবার ও খ্রীষ্টীয় সমাজে। ১৯২০ সালে আমেরিকায় এ শব্দের উদ্ভব হয়।
বাংলাদেশে ইসলামের প্রতি নিষ্ঠাবানদের বিরুদ্ধে মৌলবাদ শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু হয় আশির দশকে। সে কালে কিছু সাংবাদিক ও তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা ইসলাম প্রিয় লোকদেরকে গালি হিসেবে মৌলবাদ শব্দটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। এ সকল তথাকথিত সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের খেয়াল হলো; ইসলামকে জীবনের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠার কথা যে-ই বলবে সেই মৌলবাদী। ধর্মকে তারা মসজিদ, মন্দির, ও গীর্জায় সীমাবদ্ধ রাখতে বদ্ধপরিকর। তাদের বক্তব্য হলো ধর্ম পবিত্র জিনিস। সুতরাং ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কোন কর্মকান্ডের সাথে ধর্মকে জড়িত করা ঠিক হবে না। কারণ এসকল কর্মকান্ডের সাথে ধর্মকে জড়িত করলে ধর্ম নাপাক হয়ে যাবে। মূলত এরা ব্যক্তিগত জীবনে কয়েকটি আচার-আচরণের মধ্যে ধর্মকে সীমাবদ্ধ রাখতে চায়। ১৯৭২ সাল হতে এ চিন্তা প্রসার লাভ করে ব্যাপকভাবে। মৌলবাদের সফল আমদানি ও তখন থেকে শুরু হয়। এ শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীরা ইসলামের পূণর্জাগরণ ঠেকানোর জন্য বাংলাদেশে মৌলবাদ নামক গালি প্রবর্তন ও প্রচলন করে। তাদের দৃষ্টিতে ধর্মের কথা বললে মৌলবাদী, আর যারা রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা খাঁটি মৌলবাদী।
এখন প্রশ্ন হলো, এই গালি দ্বারা কি বস্তুর মূল সত্তাকে নষ্ট করা যায়? উত্তরে বলা যাবে; গালি যত কঠিন ভাষায় দেওয়া হোক না কেন, তা বস্তুর মূল সত্তাকে বিনষ্ট করতে পারে না। যেমন কোন মানুষকে কেউ ছাগল, গাধা, শূকরের বাচ্চা বলে গালি দিলে সে কি সত্যিই ছাগল, গাধা, শূকর হয়ে যায়? এমতাবস্থায় গালিদাতার মুখও সম্মান নষ্ট হয়। এক কথায় বলা যায়, গালি দিলে কোন ভাল মানুষ যেমন খারাপ হয় না, অনুরূপ গালির ফলে কোন ভাল মানুষ লক্ষ্যচ্যুতও হয় না। বরং যে গালি দেয় সেই হয় প্রত্যাখ্যাত ও নিন্দিত। প্রয়োজনে গালিকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করা হয়, গালিদাতাকে শাস্তি দেওয়া হয়।
এবারে আমাদেরকে যে কারণে মৌলবাদী বলা হয়, ঐ মূলগুলো আমাদের জেনে রাখা দরকার। ইসলাম শব্দটির আভিধানিক অর্থ অনুগত হওয়া বা আনুগত্য স্বীকার করা। বিনয় ও নতি স্বীকার অর্থেও শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। পবিত্র কুরআনে নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর প্রচারিত দ্বীনকে ইসলাম বলা হয়েছে। আর ইসলাম ধর্মের মূল হলো; “কালিমা তাইয়্যেবা- লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ
এই কালিমা হচ্ছে ইসলামের বুনিয়াদ বা ভিত্তি। এই কালিমার বুনিয়াদ বা ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাঁচটির বিশ্বাসের উপরঃ-
১. আল্লাহ তাআলার উপর ঈমান।
২. আল্লাহ তাআলার নূরানী ফেরেশ্তাদের উপর ঈমান।
৩. আল্লাহর কিতাব সমূহ, বিশেষ করে কুরআনের উপর ঈমান।
৪. আল্লাহর রাসূলগণ বিশেষ করে আখেরী নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর ঈমান।
৫. পরকালের উপর ঈমান।
উপরোল্লিখিত পাঁচ মূলনীতির উপর ঈমান আনলে মুসলমানদের দলভুক্ত হওয়া যায়। কিন্তু পুরো মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিতে গেলে আরো পাঁচটি জিনিসের উপর আমল করা প্রয়োজন। যথা;
১. কালিমার উপর দৃঢ় বিশ্বাসী হয়ে মুখে তা উচ্চারণ ও কাজে কর্মে বাস্তবায়ন।
২. নামায প্রতিষ্ঠা করা।
৩. রমজান মাসের রোযা রাখা।
৪. ধনী হলে যাকাত আদায় করা।
৫. হজ্বব্রত পালন করা যদি ফরজ হয়।
আলোচিত ব্লগ
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।