প্রসঙ্গ: যুদ্ধাপরাধ ও স্বাধীনতার বিরোধীতা
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
২৬শে মার্চ ২০০৯ সাল। বাংলাদেশের ৩৮তম স্বাধীনতা দিবস। আটত্রিশ বছর একটি জাতির জীবনে কম সময় নয়। ফেলে আসা দিনগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অনেক বিষয়ে আমরা সমৃদ্ধি অর্জন করেছি ঠিকই, কিন্তু ব্যর্থতাও রয়েছে রাশি-রাশি। বর্তমান সময়ের দাবী ছিলো ব্যর্থতাকে সফলতায় রূপান্তরিত করার জন্য সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করে পনেরো কোটি বাংলাদেশীদের ঐক্য ও সংহতির দেয়াল গড়ে ক্রমাগত সমৃদ্ধি ও সফলতার পথে অগ্রগামী হওয়া। কিন্তু এই মূল পরিকল্পনা পাশ কাটিয়ে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আজ মাঠ গরম করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে জাতির মধ্যে সৃষ্টি করা হচ্ছে ঘৃণা, হানাহানি সন্দেহ আর অনৈক্যের দেয়াল। প্রসঙ্গটি যুদ্ধাপরাধ ও স্বাধীনতার বিরোধীতা সাম্প্রতিক সময়ে ঝড় তোলা এই বিষয়টি বিস্তারিত আলোচিত হওয়া দরকার।
যুদ্ধাপরাধ কী? দু'টি বিবাদমান জাতি কিংবা দেশের পারস্পরিক সংঘর্ষে যে মানবতা লঙ্ঘিত হয়। তথা- খুন, ধর্ষণ, লুন্ঠন, অগ্নি সংযোগের মতো যতো সব অমানবিক কর্মকান্ড ঘটে, ইহাই যুদ্ধাপরাধ। আর যে এ ধরনের হীন কাজ করে সে যুদ্ধাপরাধী। পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য যুদ্ধাপরাধ হচ্ছে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাস্তিানীদের যুদ্ধাপরাধ, ভিয়েতনামে আমেরিকানদের যুদ্ধাপরাধ, বসনিয়ায় সার্বীয়দের যুদ্ধাপরাধ, চেচনিয়ায় রুশদের যুদ্ধাপরাধ, কাশ্মীরে ভারতের যুদ্ধপারাধ, ইরাক-আফগানিস্তানে আমেরিকানদের যুদ্ধাপরাধ ও ফিলিস্তিন-লেবাননে ইসরাঈলীদের যুদ্ধাপরাধ উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে যুদ্ধাপারধ: পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী পাকিস্তান রাষ্ট্রটি পরিচালনা করতে শুরু থেকেই অদুরদর্শিতার পরিচয় দিচ্ছিলো। তাদের এই অদুরদর্শিতার চরম পরিণতি লাভ করে ১৯৭০ সালে। আর ৭০'র নির্বাচনে বিজয়ী দলকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার মাধ্যমে। ক্ষমতা না দিয়ে উল্টো তারা পঁচিশে মার্চের কালো রাত্রিতে নিরীহ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের উপর সসস্ত্রভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু করে নির্বিচার গণহত্যা। মানুষরূপী এই হায়নাদের ন'মাস ব্যাপী আগ্রাসনে পূর্বপাকিস্তানে চরম মানবিক বিপর্যয় তথা যুদ্ধাপরাধ ঘটে। প্রচলিত হিসেবে ওই আগ্রাসনে ত্রিশলক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। প্রায় তিন লক্ষ নারী নিজেদের সম্ভ্রম হারায়। এতে ঘর-বাড়ি ভৌত অবকাঠামো, জীব-জন্তু, পরিবেশ নষ্ট হয় বেশুমার। ইহাই বাংলাদেশে প্রচলিত যুদ্ধাপরাধ।
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক স্রোতধারা:
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে দু'টি রাজনৈতিক স্রোতধারা বিদ্যমান ছিলো। একটি ইসলামী। অন্যটি সেক্যুলার ও কমিউনিষ্ট। পূর্ব পাকিস্তান আক্রান্ত হলে এদের বৃহৎ অংশ পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নেয়। পূর্ব থেকে তারা ওই দেশ ও একটি পরাশক্তির মদদ পুষ্ট ছিলো। প্রাথমিক পর্যায়ে তারা পাকিস্তানের স্বাধীনতায় উদ্ভোদ্ধ হয়। পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ জনগণ মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী দেশের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় বাংলাদেশ নামে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হলে আশ্রয় প্রার্থীরা ফিরে এসে স্বাধীন দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করে। এভাবেই তারা হয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধের মূল শক্তি ও স্বাধীনতার পক্ষ শক্তির পুরোধা। অপর দিকে পাকিস্তানে নামধারী মুসলিম সরকার ক্ষমতাসীন থাকলেও প্রকৃত ইসলামী ধারার রাজনীতির সাথে সরকারের সম্পর্ক ছিলোনা। কারণ, এই গ্রুপ পাকিস্তানের অখন্ডতায় বিশ্বাসী ছিলেন কিন্তু সরকারের অন্যায় ও অ-গণতান্ত্রিক আচরণের সমর্থক ছিলেন না। এ জন্য ইসলাম পন্থিরা বিভিন্ন সময়ে মুসলিম নামধারী সরকারের পক্ষ থেকে জেল, যুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এরা ঘোষণা দিয়ে সংঘঠিতভাবে মক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারেন নি। আর এই থেকেই তারা হয়ে গেলেন স্বাধীনতা বিরোধী।
যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধী ধুম্রজাল: আজ মিডিয়া ও স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজসে যুদ্ধাপরাধ ও স্বাধীনতার বিরোধীতাকে একই সমান্তরালে নিয়ে আসা হয়েছে। অথচ যুদ্ধাপরাধ করা স্বাধীনতার বিরোধীতা করা এক কাজ নয়। যুদ্ধাপরাধের সংগা ইতিমধ্যে আমরা আলোচনা করেছি। বাকী রইল স্বাধীনতার বিরোধীতা। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ইসলাম পন্থিরা পাকিস্তানের অখন্ডতায় বিশ্বাসী ছিলেন, তারা চাচ্ছিলেন পাকিস্তান এক থাকুক।
তাদের যুক্তি ছিলো। (১) মুসলমানদের স্বপ্নের দেশ ছিলো পাকিস্তান। অনেক ত্যাগ কুরবানীর বিনিময়ে পাকিস্তান অর্জিত হয়েছিলো। যাতে বাঙালী মুসলমানদের অবদান ছিলো শীর্ষে। তাই, তারা শাসকগোষ্ঠীর অন্যায়, অ-গণতান্ত্রিক আচরণের কারণে নিজেদের স্বপ্নের দেশ পাকিস্তান ভাঙতে তারা চাননি। তারা চাইছিলেন, দেশ ভাগ না করে যুলুমবাজ শাসকগোষ্ঠী থেকে মুক্তি। (২) পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশ ভৌগলিক অবস্থান এমন যে, তিন দিক থেকে একটি আগ্রাসী দেশ কর্তৃক ঘেরাওকৃত আর একদিকে বঙ্গপসাগর। এ ভাবে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শত্রু দেশের পেটের ভেতর দুর্বল মুসলিম দেশের যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি। এই দৃষ্টিকোন থেকেই তারা তাদের তৎকালীন দেশ পাকিস্তানের অখন্ডতায় বিশ্বাসী ছিলেন। কিন্তু, তারা কোন প্রকার যুদ্ধাপরাধ করেননি। তারা দেশ প্রেমের অংশ হিসেবেই পাকিস্তানের অখন্ডতায় বিশ্বাসী ছিলেন।
পৃথিবীর বহু দেশে এমন নজির রয়েছে, যারা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেন নি, কিন্তু স্বাধীনতার পর ওই দেশের নাগরিক হিসেবে বসবাস করছেন। তাদেরকে স্বাধীনতা বিরোধী খেতাব বইতে হচ্ছে না। ব্যতীক্রম বাংলাদেশ। নিজেদের জন্মভূমি পূর্ব পাকিস্তান বাংলাদেশ নামে স্বাধীন অস্তিত্ব লাভ করলে, ইসলাম পন্থিরা এর আনুগত্য স্বীকার করে নেয়। এমন কি দেশ স্বাধীনের পর অদ্যাবধি এমন কোনো অনুপরিমাণ স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকান্ড তাদের মাঝে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে স্বাধীন দেশের দেশ প্রেমের প্রশ্নে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে ইসলাম পন্থিদের স্বাধীনতা বিরোধী বলা এবং আরও একধাপ বাড়িয়ে যুদ্ধাপরাধী আখ্যায়িত করা যৌক্তিকতা কোথায়.....?
ইসলাম পন্থিরা যুদ্ধাপরাধ করতে পারে না। ইসলাম পন্থিরা ইসলামী অনুশাসনে বিশ্বাসী। তাদের কর্মকান্ড পরিচালিত হয় আল্লাহর সন্তোষ-অসন্তোষকে কেন্দ্র করে। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে অন্যায়ভাবে একজন মানুষ হত্যাকে সমগ্র মানব সমাজকে হত্যার সমতুল্য ঘোষণা করেছেন। যেনা করা তো দূরে থাক, এর ধারে কাছ যেতেও কুরআন নিষেধ করেছে। যুদ্ধাপরাধ যেখানে মানুষ হত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নি সংযোগ, লুটতরাজ ইত্যাদী অনৈতিক হারাম কাজ। এমন কি সংখ্যালঘুদের উপরও অন্যায় অত্যাচার ইসলাম কর্তৃক নিষিদ্ধ। এ জন্যই যারা ইসলাম অনুসরণ করেন তাদের দ্বারা উপরোক্ত হারাম কাজ সংগঠিত হওয়া কস্মিন কালেও সম্ভব যোগ্য নয়, হতে পারে না। উপরোন্ত ইসলাম পন্থিরা অখন্ড পাকিস্তানের পক্ষে থাকায় তারা পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যেতে হয়নি। তাদের দ্বারা অনেক বিপন্ন পরিবার উপকৃত হয়েছে। অনেক সংখ্যালঘু পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে। এর অসংখ্য নজির রয়েছে। কিন্তু এদের দ্বারা কেউ হত্যা হয়েছে, কোনো নারী ইজ্জত হারিয়েছে, কারো বাড়ি লুণ্ঠিত হয়েছে, কারো ঘরে আগুন লাগিয়েছে এমন একটি প্রমাণ আজ পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি। আমার বাড়ি লুন্ঠিত হবে, আমার বাপ-ভাইকে আমার সামনে হত্যা করা হবে, অথচ ইসলাম পন্থি কোন নেতা বা কর্মী এই কাজ করেছে আমি তা বলতে পারবো না, এ কেমন কথা.? সুনির্দিষ্টভাবে অপরাধী চিহ্নিত না করে , ইসলাম পন্থিরা দেশ স্বাধীন হোক তা চাননি, এই অজুহাতে তাদেরকে যুদ্ধাপরাধী সাবস্থ্য করা সত্যের অপলাপ মাত্র।
প্রিয় পাঠক! আল্লাহ তো আমাদের জ্ঞান, চক্ষু, বিবেক দিয়েছেন। আমরা বিবেকের তাড়নায় বিষয়টি ফয়সালা করতে পারি।
কার পাপের জোয়াল কার কাঁধে..? বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধে যে যুদ্ধাপরাধ হয়েছে তা কারা করেছে.? এর জবাব; তা করেছে পাকিস্তানী আর্মিরা ও এ দেশীয় কিছু সুবিধাবাদী কুলাঙ্গাররা। তিরানব্বই হাজার বন্দী পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীকে আমরা ছেড়ে দিলাম। এদের বিচার না করে কেনো কার ইশারায় এদের ছেড়ে দেয়া হলো এই প্রশ্নটি স্বাধীন বাংলাদেশের দেশ প্রেমিক কোনো নাগরিকের মনে কি আসে না? অপর দিকে সুবিধাভোগী দেশীয় কুলাঙ্গাররা যুদ্ধ কিংবা শান্তি দেশের সব পরিস্থিতিতে, সময় ও স্থানের ফ্রেমে তারা বাধা থাকে না। এরা সব পরিবেশে সব সময় সবভাবে সক্রিয় থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীন বাংলাদেশে অন্যায় যুলুমের মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছে, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে ছাই করে দেয়।
স্যাটালাইট টিভিতে আজ রায়ের বাজারে বুদ্ধিজীবি নিধনের চিত্র দেখানো হয়, মানুষের হাড্ডি, কংকাল দেখানো হয়, যা দেখে আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। যুদ্ধাপরাধীদের বিরোদ্ধে মন প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। কিন্তু, এই চিত্রের সাথেই দেখানো হয় ইসলাম পন্থি নেতাদের ছবি। যেনো এরাই অমানবিক কাজের হোতা! মিডিয়ার এই কারসাজি কি মূল অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা নয়.? কেনো পাকিস্তানী আর্মি আর দেশীয় কুলাঙ্গারদের পাপের জোয়াল ইসলাম পন্থিদের কাঁধে চেপে দেয়ার অপচেষ্টা হচ্ছে...?
আটত্রিশ বছর পর: যে লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশ স্বাধীন করা হয়েছিলো, জনগণের সে অর্থনৈতিক মুক্তি আজও অর্জিত হয়নি। মানুষ আজও না খেয়ে মরছে, বেকার সমস্যা বেড়েই চলছে, জনজীবনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে না। এই সব মৌলিক সমস্যা পাশ কাটিয়ে একটি বিশেষ মহল আজ প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে ব্যস্ত। তিন যুগ পর আজও মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা যুদ্ধকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের পূঁজি হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা নিজেদের পক্ষের লোক হলে রাজাকার কিংবা স্বাধীনতার বিরোধীকে মুক্তিযোদ্ধা বানাচ্ছে। আবার খাঁটি মুক্তিযোদ্ধাকে শুধু মাত্র ইসলাম অনুসরণের কারণে স্বাধীনতা বিরোধী বানাচ্ছে। উদাহরণ: কবি শামসুর রহমান কোনো মুক্তিযুদ্ধ করেননি। পাকিস্তানের শেষ দিন পর্যন্ত তার প্রিয় দেশ পাকিস্তানের আনুগত্যশীল ছিলেন। তিনি স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বনে যান। তেমনি স্বাধীনতা বিরোধী মাওলানা নূরুল ইসলাম সপ্তম জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির প্রতিমন্ত্রী বনতে কোনো সমস্যা হয়নি। অপর দিকে মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) আঃ জলিল ইসলাম অনুসরণের কারণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দাবীদারদের কাছ থেকে “রাজাকার” গালি শুনেছিলেন। তেমনি কবি আল-মাহমুদ একজন প্রথম সারির মুক্তিযুদ্ধা। এই কবি, ইসলাম অনুসরণের কারণে তাঁকে বলা হচ্ছে; মৌলবাদী, স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষের শক্তি। ইহা কেমন হীন মানষিকতা ? আর এই হীন মানষিকতার উত্তরাধীকার বহন করছে এক শ্রেণীর প্রিন্ট ও ইকেট্রনিক মিডিয়া। তারা যে কাউকে স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী বানাচ্ছে। কিন্তু অভিযুক্তদের মিডিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। কবি শামসুর রহমান যদি পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা অবলম্বন করে স্বাধীনতা বিরোধী না হন, তাহলে ইসলাম পন্থিরা পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্যশীল থাকায় ইসলাম অনুসরণ করে স্বাধীনতা বিরোধী হবেন কেন..? তাহলে কি আমরা ধরে নেবো না তাদের ইসলাম অনুসরণই মূল কারণ।
পরিশেষে বলবো, স্বাধীনতার ৩৮ বছর কিংবা ১০০ বছর পরও যুদ্ধাপরাধী নরপশুদের বিচার করা হোক, তাতে কোন দেশ প্রেমিক নাগরিকের আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু, এই বাহানায় প্রকৃত অপরাধীদের মাথায় ছাতা ধরে সেক্যুলার মতাদর্শের আদর্শিক শত্র“ ইসলাম পন্থিদের নির্মূলের চেষ্টা-প্রচেষ্টা কারো জন্যে কোন কল্যাণ বয়ে আনবে না।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।