somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... জুমলার জন্য 'স্টপ সোপা' রিবন প্লাগিন এখান থেকে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/29525429 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/29525429 2012-01-20 00:22:39
কিউবির জন্য কিছু সদুপদেশ এখানেএখানে টেকনিক্যালি সব অভিযোগ সত্য তা নয় তবে অভিযোগ এবং সাজেশন হিসাবে এভাবে কিউবি চিন্তা করতে পারে।

১. কাস্টমার কেয়ারে তিন ধরনের লোক থাকবে। এক, যাদের সাথে ফোন করে খেজুরা আলাপ করা যাবে যেমন "আচ্ছা আপনি কি রংয়ের আন্ডার ওয়্যার বা শাড়ি পরিহিত আছেন ?" দুই, যাদের কাছে ফোন করে কানেকশন এনাবল ডিজেবল করা যাবে, তিন, যাদের কাছে ফোন করে প্রকৃত সমস্যা বুঝানো যাবে এবং তারা তাদের কাস্টমার প্রতিনিধি আইডি গ্রাহককে বলবেন যাতে গ্রাহক পরিবর্তীতে ঐ প্রতিনিধির সাথে কথা বলে আগের সমস্যা নিয়ে পুনরায় ব্যাখ্যা না করে আলোচনা করতে পারেন এবং সেই সাথে কাস্টমার প্রতিনিধি প্রতিবার গ্রাহকের সাথে আলোচনার সারাংশ লগ রাখবেন যাতে অন্য কোন কাস্টমার প্রতিনিধি সেটা দেখে বুঝতে পারেন যে এর আগে গ্রাহক কোন সমস্যা নিয়ে ফোন করেছেন কিনা বা আগে পর্যন্ত তাকে কি সমাধান দেওয়া হয়েছে। মানে কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিদেরকে তিন বার চার ক্যাটাগরীতে ভাগ করা, প্রয়োজনে এক ধাপ থেকে অন্য ধাপে কল ফরোয়ার্ড করা। লাইভ চ্যাট এর অপশন থাকতে পারে লগড ইন ইউজার এর জন্য।

২. অনলাইন কোয়ারী বা টিকেট এর উত্তর সময় মতো দেওয়া

৩. ফেয়ার ইউজেস পলিশি সম্পর্কে সাদা কাগজে সাদা কালিতে না লিখে কালো কালিতে লিখে তাদের সাইটে টানায় রাখে। গ্রাহকরা যেন মিঃ শুভংকর এর ফাঁকিতে না পরে।

৪. কিউবি ব্যন্ড উইড ইউজেস হিসাব করার সময় প্রতি সেশনে রাউন্ড করে মানে ১০.৫ কে হিসাব করে ১১ কিন্তু এটা করা উচিৎ প্রতিসেশনের যোগফল বের করে সেটার রাউন্ড বের করা বা একদম কিছু না করা কারণ ডিজিটালি যেহেতু কাউন্ট হয় তাই অতিরিক্ত ইউজেস(লিমিটেড প্যাকেজ) বিল স্বাভাবিক ভাবেই করতে পারবে। এভাবে না করলে লিমিটেড প্যাকেজ যারা ব্যবহার করে তাদের ক্ষেত্রে মাস শেষে ১ জিবিও বেশি হতে পারে যা তারা ব্যবহার করছে না কারণ লিমিটেড প্যাকেজ এর গ্রাহকরা লিমিটেড ইউজেস এর কথা চিন্তা করে বেশি বেশি বার কানেক্ট করেন(টেকনিক্যালি কারন স্কাই প্যাকেজ আলারা সব সময় মডেম চালু রাখেন)

৫.স্ক্রীন সট সহ একটা নলেজ ডাটাবেজ বানাতে পারে যাতে স্বাভাবিক সমস্যাগুলো সাধারণ ইউজাররা স্টেপ বাই স্টেপ দেখে দেখে

৬. কাস্টমার কেয়ারে এমন প্রতিনিধি না রাখা যে আমার উপরের ৫টা টিপ্স পড়ে বুঝতে পারবে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/29418944 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/29418944 2011-07-24 11:59:27
মেইল বা মেসেজ পাঠাতে to,cc,bcc,reply,reply to all এর ব্যবহার হ্যাঁ, এই মুহূর্তে আমার মেজাজ খুব খারাপ, কারণ অনেকেই অনেক দিন ধরে মেইল ব্যবহার করেন কিংবা ফোরাম, ব্লগ বা ফেসবুকের মতো সোস্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে বার্তা আদান প্রদান করেন কিন্তু to, cc, bcc, reply, reply to all ইত্যাদি শব্দগুলো ভালো করে জানেন না বা জানার চেস্টা করেন না, মেইল সেন্ড করেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন কিংবা মুচকি হেসে গোঁফে তা দেন, আর আমার মতো পাগলা টাইপ লোক যখন এক গাদা মেইল আইডির সাথে নিজের মেইল আইডি to or cc ফিল্ডে দেখে তখন রেগে নিজের মাথার চুল নিজেই ছিড়েন, আর ইচরে পাকা মেইল থেকে গন্ধ বের করা শুরু হয় তখনই যখন ঐ to or cc ফিল্ডের অন্য মেইলগুলো থেকে একটার পর একটা রিপ্লাই টু অল(reply to all) মেইল আসতে থাকে। কারণ reply to all থাকতে পাবলিক কেন reply তে ক্লিক করবে, কম হয়ে যাবে না <img src=" style="border:0;" />

এখন আসি কাজের কথায়, mail or message আদান প্রদান এর জায়গায় to, cc, bcc ইত্যাদি ফিল্ডগুলো থাকে এবং সেগুলো ব্যবহার করার সময় সামান্য চিন্তা করা উচিৎ।

এক সাথে অনেককে মেইল পাঠাতে to ফিল্ড এ কমা দিয়ে মেইল এড্রেসগুলো লিখে দিলেই হয়ে যায়, আর এখনতো to ফিল্ড এ টাইপ করতে থাকলে auto complete ফিচার থাকার কারণে মেইল আইডি কাছাকাছি মিলে গেলেই সাজেস্টঁ চলে আসে। কিন্তু ব্যাপার হলো, অনেককে এক সাথে মেইল পাঠানোর জন্য আমরা ধুম করে To or CC ফিল্ডে লিখে দেবো না।

মেইল পাঠানোর আগে ও পরেঃ

To: সবাই সবাইকে দেখতে পারবে এবং রিপ্লাই দিতে পারবে

CC(carbon copy): To এর মতো কিন্তু To তে একজনের মেইল আইডি লিখে বাদ বাকী CC তে লিখা হয়। যেমন আমি ক ব্যক্তিকে মেইল পাঠাচ্ছি আর খ, গ ইত্যাদি ব্যক্তিকে এই মেইল এর ব্যাপারে জানিয়ে রাখছি যেখানে খ, গ এবং ক একে অপরকে চেনেন এবং এই মেইল এর ব্যাপারে তাদের সম্পৃক্ততা আছে

BCC(blind carbon copy): BCC আইডিগুলো To এবং CC আইডিগুলো দেখতে পারবে কিন্তু উল্টাটা হয় না, একাধিক BCC আইডি একে অপরকে দেখতে পারে না।



আসুন একটা উদাহরণ দেখিঃ
৫ জন,
কঃ একজন সাধারণ কর্মী
খঃ অন্য একজন সাধারণ কর্মী
গঃ একজন টিম লিড
ঘঃ একজন ম্যানেজার
ঞঃ একজন চিপ টেকনিক্যাল অফিসার

গ(একজন টিম লিড) ঘ(ম্যানেজার) কে মেইল করবে প্রজেক্ট এর স্ট্যাটাস জানিয়ে, তাহলে To ফিল্ডে দেবে ঘ এর মেইল আইডি, আর CC তে দেবে ক এবং খ এর মেইল আইডি। এখন ম্যানেজার যখন রিপ্লাই দেবে, তখন চাইলে রিপ্লাই দেবে reply or reply to all দিতে পারেন কারণ এখানে যাদের মেইল আইডি ব্যবহার করা সবাই সবাইকে চেনে. আবার ম্যানেজার রিপ্লাই দেওয়ার সময় BCC তে চিপ টেকনিক্যাল অফিসার এর আইডি দিতে পারেন। তাহলে ব্যবহার কি হবে ? টিম লিড বা অন্য সাধারণ কর্মী জানবে ম্যানেজার তদের রিপ্লাই দিয়েছে কিন্তু চিপ টেকনিক্যাল অফিসার যে একই রিপ্লাই পেয়েছে জানবে না। এটা অনেকটা প্রটোকল মেইনটেইন করা এবং cc, bcc এর বাস্তব ব্যবহার।

ধরুন , আপনার বিয়ে, মেইল খুলে সব বন্ধুদের মেইল আইডি To ফিল্ডে দিয়ে জানিয়ে দিলেন, দোস্তারা বিয়ে করছি অমুক দিন, একটা বড় গিফট সাথে করে এসে নির্দিষ্ট দিন এ খেয়ে যাস। ব্যাস সব ফ্রেন্ড মিলে রিপ্লাই টু অল দেয়া শুরু করবে। কিন্তু ধরি ক, খ, গ , ঘ আমার ভালো বন্ধু কিন্তু খ হয়তো ঘ কে চেনেই না। আবার খ হলো একটি মেয়ে বন্ধুর মেইল আইডি যে সহজে কারো সাথে মেইল আইডি শেয়ার করে না। এখন বলুন এভাবে গন মেইল করা কি ঠিক হলো। উচিৎ সব বন্ধুদের মেইল আইডি BCC তে দিয়ে মেইল করা।

মাঝে মাঝে দেখি অনেক সাইট থেকে বা অনেক বন্ধু দুই ঈদ, দূর্গা পুজা, বছরের বিশেষ জাতীয় দিবসে শুভেচ্ছা বানী পাঠিয়ে ধন্য করে এক সাথে গন মেইল করে আর কিছুক্ষন পর পর আবার কেউ না কেউ সেটার reply to all ঝেড়ে দেয়। হুম বলতে পারেন তাতে কি হয়েছে। আমার হয়। আমি প্রতিটি মেইল গুরুত্ব সহকারে পড়ি, উত্তর দেওয়ার চেস্টা করি কিন্তু যখন কাছের কারো কাছ থেকে এই ধরনের বোকামী দেখি মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। শুধু গালিটা দিতে পারি না কারণ ভালো দেখাবে না।

আজকেই ফেসবুকে শুকান্তি নামে এক বন্ধু মেসেজ দিছে সবাইরে যে, সে ব্যাচেলার লাইফ শ্যাষ করতে যাচ্ছে। ভালো কথা। গন মেসেজ ফেসবুকের সব বন্ধুদের, তো কোন সমস্যা নাই। ফেসবুকে এ ধরনের ক্ষেত্রে মেসেজের ডান ডিকে 'reply' বাটন থাকে, আর নিচে বড় করে থাকে reply to all. তো আজকে কিছুক্ষন পর পর সবাই শুকান্তির মেসেজের জবাব দিচ্ছে "reply to all" চেপে কারণ শুকান্তির মূল মেসেজের পাশে যে একটা reply বাটন আছে সেটার দিকে খেয়াল দিবে কে, এতো খানি চিন্তা করার সময় কার আছে।


অনেকেই এই cc or bcc এর বিষয়গুলো জানেন না, কেউ কেউ জানার ইচ্ছাও কোন দিন পোষন করেননি, তাই বক বক করলাম। কারণ কাছের মানুষদের মনে মনে গালি আমি ঠিকই দেই যখন কেউ 'গনমেইল' করে। ইচ্ছা হয় সামনে পেলে যদি চুল ছিড়ে দিতে পারতাম, ঘুসি দিয়ে নাক ভচকায় দিতে পারলে কি শান্তি হতো... আহ।

এছাড়াও,

ধরুন, আপনি কাউকে মেইল করেছেন একটা বিষয় নিয়ে। এখন আপনার আবারো সেই বিষয় নিয়ে মেইল করা দরকার। বেশির ভাগ লোক যা করে নতুন করে আবার একটা মেইল করে। মানে সে মেইল রিসিভ করছে তার মেইল বক্সে একই বিষয়ে একই সেন্ডার থেকে দুইটা মেইল। কিন্তু চাইলেই সেন্ডার প্রথম মেইলটা sent item বা sent mails থেকে পেয়ে যেতো আর ওটার রিপ্লাই হিসাবে ২য় মেইলটা দিতে পারো। এখন ইয়াহু, গুগল সবাই একই মেইল এর রিপ্লাই একই মেইল এ(মানে ইনবক্সে একটাই এন্ট্র থাকে) রাখে থ্রেডেড(পর পর) হিসাবে।

এবার আসা যাক, বিভিন্ন গ্রুপ এর মেইল এর বিষয়ে। গ্রুপ এর মেইল দেখা যায় রিপ্লাই হতে হতে অনেক বড় হয়ে যায়। সবাই যেটা করে রেপ্লাই এর সংখ্যা যতই হোক পুরা ধরে রিপ্লাই দেয়(top posting) যা ঠিক নয়। যে অংশ এর রিপ্লাই দিবেন শুধু সেটি কোট করুন। এটা ব্লগ বা ফোরাম এর জন্যও প্রযোজ্য।


নোটঃ উপরের লেখাতে আমার ভুল হলে অবশ্যই শুধরে দেবেন কারণ আমি চাই এই বিষয়ে সবাই সচেতন হোক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/29080737 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/29080737 2010-01-18 00:36:09
প্রথম আলো নিজেকে কবে বদলাবে ?
[মূলটপিকে ঢুকতে ৪র্থ প্যারা থেকে পড়ুন]

নিজেকে বদলাতে হবে আগে...হেন তেন এই রকম বানী প্রথম আলোতে প্রতিদিনই থাকে। অবশ্যই বিষয়টা ভালো। আমি সাপোর্ট করি... তবে এর সাথে মনে হয় আরো সামান্য যুক্ত করে দেওয়া উচিৎ যেমন,
"নিজেকে বদলাতে হবে আগে, তবে বলদের সাথে বদল হয়ো না"

প্রথম আলো কপিরাইট বিষয়টা নিয়ে অনেক লেখালেখি করে। বিষয়টা আমি আবারও সাপোর্ট করি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে কপিরাইটের প্রতিযত্নবান হতে হবে অবশ্যই। কিন্তু...হুম কিন্তু কি ?

মনে নাই মহানবীজীর সেই সত্যিকার গল্পটা, যেখানে একটা ছোট্ট বাচ্ছা ছেলে বেশি মিষ্টি খেতে নিষেধ করার আগে তিনি নিজেই মিষ্টি খাওয়া কমিয়েছিলেন (নাকি একেবারে ছেড়ে দিয়েছিলেন... তবে এই রকম কাছাকাছি কিছুই হবে)... হুম এর পর

আজকে প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন পাতায় দুইটা সাইট নিয়ে ফিচার লেখা হয়েছে যেখানে প্রচুর পাইরেটেড জিনিস পাতিতে ভরপুর... বাকীটা ছবি এবং নিচের লিঙ্ক থেকে পড়ে নিন।
Click This Link

ধন্যবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28953358 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28953358 2009-05-20 19:02:05
"বৃত্ত, রং এবং আমি"
বৃত্তের বাইরে বিন্দু থেকে অনেক দূরে
শিশুসূর্য ভোর কিংবা পড়ন্ত বিকালে,
সকল প্রার্থনা বিমূর্ত আর্তনাদ হয়ে আজ
অভুক্ত অনুভূতির মিছিলে শামিল।।

আমি বৃত্তের বাইরে যেতে চাই
আমি ফিরতে চাইনা কোন গল্প-কবিতায়।
আমি বিন্দু হতে মুক্ত হতে চাই
আমি ফিরতে চাই না কোন বিস্মৃত কবিতায়।।

আমার যত আর্তনাদ আর বৃত্তবন্ধী অনুভূতি
একদিন মেঘ হয়ে যাবে, প্রচন্ড অভিমান নিয়ে
চৈত্রের প্রথম দুপুরে শিলা বৃষ্টি হয়ে ঝড়ে পড়বে আর -
ভিজে যাবে তোমাদের সব জটিল অংকের বই।।

লন্ডভন্ড হয়ে গেলাম তবু খন্ড হলাম না।।

সরলরেখা দিয়ে বার বার আঘাত করে আমি-
ক্ষতিগ্রস্থ করবো বৃত্তের পরিধিকে।
হার মানাবো কোন বিশেষ রংয়ের রাজত্বকে,
গড়ে তুলবো এক পরিধি বিহীন বৃত্ত, যেখানে
বিন্দুগুলো হবে স্বাধীন আর তোমাদের হাতের জটিল-
অংকের বই দেখে নির্দিধায় ভেংচি কাটবে।।
০৯।০৪।০৯
উৎসর্গঃ বৃত্তবন্ধী সকল বিন্দুকে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28937991 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28937991 2009-04-14 11:47:44
মু হা হা ===========================================
বন্ধু আমার মতো ছটফটানি কি তোর হয় না?
বুকে হাত দিয়ে বল, সত্যি করে বল,
ভয়ংকর অস্থিরতা কি তোকে ছিন্নভিন্ন করে না ?
প্রিয় কোন গান শুনে কি মনে হয়না এটা তোরই গাওয়া কিংবা
হ্যাঁ ...গানের এই কথাগুলোইতো আমি...
আমি অনেক দিন ধরে লিখতে চেয়ে পারিনি।।

বন্ধু আরোও একটু ভেবে বল, বুকে হাত দিয়ে বল
সব দ্বিধার বাধা ভেঙে চুরে কি হারিয়ে যেতে ইচ্ছা করে না তোর কিংবা
নিশাচরের মতো সারা রাত জেগে জানালা দিয়ে...
ভোরের সূর্য ছুঁয়ে দেখার সাধ কি তো মনে জাগে না?

বুকে হাত দিয়ে বল, সত্যি করে বল,
প্রসব বেদনায় কি প্রতিদিন ছটফট করিস না??
প্রতিদিন মৃত্যুকে মাটি দিয়ে নতুন জীবনের সূচনায় আত্মমগ্ন...
কি নিজেকে বিশ্বাস করতেও কষ্ট হচ্ছে...হা হা হা।। মু হা হা।।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28914836 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28914836 2009-02-22 19:23:32
হারামজাদা সাদা কালোর পার্থক্য বুঝিস না ? --সাদা
এইটা কি রং ?
--কালো
হারামজাদা সাদাকালোর পার্থক্য চিনে রাখ!
--রাখলাম কিন্তু।

কিন্তু কি?
--ভালোবাসা দিয়ে একদিন সব কিছু বদলে ফেলবো সেইদিন তোমরা আমার গায়ে সাদা বা কালো রং লাগাতে ভুলে যাবা। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28914183 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28914183 2009-02-21 10:55:22
একদা একটা লেজের অভাব অনুভব করলাম মশারির বিশাল বিশাল ফাঁক গলে মশাগুলো ঢুকে পড়ে...।

একটা লেজের খুব অনুভব করছি,
অন্তত মশাগুলো তাড়াতে পারতাম।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28913697 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28913697 2009-02-20 06:38:24
কিছু স্মৃতির বয়স বাড়ে না
যাই হোক, খুনশুটি হতো আমার সাথে দিদি ভাইয়ের(আমি সবার ছোট) আর দিদিভাইয়ের সাথে দাদার(বড় ভাই)। প্রতিদিনই কিছু না কিছু নিয়ে আমাদের যে কোন একটা জুটিতে ঝগড়া হতোই সন্ধ্যাবেলা পড়তে বসলে। আর এই চিৎকার এক সময় রান্না ঘরে রান্নার কাজে ব্যস্ত মায়ের কানে পৌচ্ছে যেত। এক সময় শুরু হতো মার খড়ি(লাকড়ি) হাতে অপারেশন। মা চিৎকার করতে করতে আমাদের কাছে আসা মাত্রই আমি আর দাদা দে দৌড়। দিন কি রাত এক দৌড়ে কোথায় পালিয়ে যেতাম মায়ের হাতে লাঠি দেখে তার ঠিক নাই। কিন্তু দিদিভাই গোবেচারা আমাদের মতো এই কাজে পটু না। সে একা একা মায়ের হাতে মার খেত। মা পরে রাতে খাওয়ার সময় আপসোস করে বলতেন রাগের সময় মেয়েটা আমার একা একাই মার খেল।

দিদিভাই আর আমি কাছাকাছি বয়সের হওয়ার কারণে আমাদের ভেতর খুব বেঁধে যেতে। ক্লাস এইট পর্যন্ত খুব ঝগড়া করছি দিদির সাথে। এরপর কি মনে হলো আর কোন দিন দিদিভাইয়ের গায়ে হাত তুলি নাই। রাগ হলেও মেনে নিতাম ওর কথা। দিদিভাইকে তুই করে বলতাম কিন্তু এর পর থেকে তুমি করে বলতাম। বাবা যদি একটা সিংগারা নিয়ে আসতেন দিদিকে হয় পুরাটা ছেড়ে দিতাম।

ও তাইতো শুধু মার কথা লিখলাম। বাবাকে সব সময় কুল দেখে আসছি ছোট বেলা থেকে। কোন দিন আমাদের গায়ে হাত তোলেননি রাগ হলে। লাঠি এনে আশে পাশে মারতেন কিন্তু গায়ে মারতেন না। আর সব চেয়ে বড় ব্যাপার হলো বাবা এতোই কুল যে তিনি যদি একটু বকা দিয়েছেন তাতেই আমরা খুব ভয় পেয়ে যেতাম। বাবা আমাদের কোন আবদারকে না বলতেন না যদিও তার পক্ষে আমাদের বেশির ভাগ আবদার মেটানো সম্ভব ছিলো না (এক জন প্রাইমারী স্কুল শিক্ষকের বেতন কতই বা...)। বাবার কাছে কোন আবদার করলে বাবা বলতেন তুমি চিন্তা করে দেখো এটা করা উচিৎ কিনা বা এটা কেনা আমাদের সম্ভব কিনা। আমরাও বেশির ভাগ সময় শুধু প্রয়োজনীয় আবদার করতাম।

একদিনের মজার ঘটনা, একদিন আমি আর দিদি অনেক ঝগড়া করছি। বাবা বাড়িতে ছিলেন। আমাদের অনেক বার চুপ করার জন্য বোঝালেন। আমরা আমাদের ফাইট চালিয়ে যাচ্ছি। এক সময় মোটা একটা লাঠি নিয়ে আসলেন। কি ভাবছেন আমাদের ধোলাই দিলেন। মোটেও না। বাবা গায়ে হাত তুলবেন না, তুলেন নাই। আমাকে ল্যাংটা/<img src=" style="border:0;" /> করে বাড়ির সামনের রাস্তায় দাড় করিয়ে রাখলেন। তখন প্রাইমারীতে পড়ি তাই এটা কিছুটা লজ্জার ছিলো বৈকি।<img src=" style="border:0;" />

আমি প্রায় সন্ধ্যায় না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম। কিংবা দাদা অথবা দিদিভাই কেউ আমাকে মারলে যতখন বাবা না বাড়ি ফিরতেন ততখন আমার কান্না থামতো না। কারণ আমার শেষ জেতাটা চাই ই চাই। বাবা এসে ওদের বকা দেবে আর তাতেই আমার কান্না থেমে যাবে। এর পর বাবা কোলে নিয়ে দুধ ভাত মেখে নিজ হাতে খাইয়ে দিতেন। এই স্মৃতি আমার চোখে এখনও ভাসে।


নির্বাচনের গরমে আমার এই প্যাচাল কারো ভালো লাগবে না তাই আজ এই টুকুই।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28887787 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28887787 2008-12-25 15:46:04
প্রকাশিত হলো আমাদের প্রযুক্তি’র ই-সাময়িকী ‘প্রযুক্তি কথন’

প্রকাশিত হলো আমাদের প্রযুক্তির ই-সাময়িকী ‘প্রযুক্তি কথন’-এর প্রথম সংখ্যা এবং সফটওয়্যার স্বাধীনতা দিবস বিশেষ সংখ্যা।তাই এবারের সংখ্যা সাজানো হয়েছে উন্মুক্ত সোর্স বিষয়ক সকল লেখা দিয়ে।আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে বিভিন্ন সময় প্রকাশিত উন্মুক্ত সোর্স ও লিনাক্স বিষয়ক লেখার পাশাপাশি রয়েছে অন্যান্য ওপেন সোর্স বিষয়ক ওয়েব সাইট ও পত্রিকায় প্রকাশিত কিছু লেখাও। উন্মুক্ত সোর্স সম্পর্কে অনেকের মনে ভ্রান্ত ধারনা আছে। এখনও অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারীই মনে করেন উন্মুক্ত সোর্স মানেই বিনামূল্যের কিছু সফটওয়্যার। তাই লেখা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে লিনাক্স বিষয়ক টিপস এবং টিউটোরিয়ালের বদলে উন্মুক্ত সোর্স বিষয়ক সচেতনতামূলক লেখাকেই আমরা বেশি প্রাধান্য দিয়েছি যা উন্মুক্ত সোর্স সম্পর্কে পাঠককে সচেতন করে তোলার পাশাপাশি এ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবে। খুবই অল্প সময়ে প্রকাশ করায় অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও বেশ কিছু ভুল-ত্রুটি রয়েছে এই প্রকাশনায় যা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। এসব ভুল ত্রুটিকে পেছনে ফেলে আমরা চেষ্টা করবো ভবিষ্যতে আরোও সুন্দর এবং বিষয়ভিত্তিক ই-সাময়িকী উপহার দেয়ার। ই-সাময়িকীর ব্যাপারে সকলের গঠনমূলক মতামত ও পরামর্শ কামনা করছি।
সাময়িকীটি ডাউনলোডের জন্য এখানে দেখুন।
ধন্যবাদ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28845757 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28845757 2008-09-20 18:30:06
আমাদের প্রযুক্তি’র প্রথম জন্মদিন...পথচলার এক বছর ‘প্রযুক্তির সবকিছু চাই বাংলায়...’ এই লক্ষ্য নিয়ে আজ থেকে এক বছর আগে ৯ সেপ্টেম্বর অন্তর্জালে জন্ম হয়েছিলো আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্বের প্রথম অনলাইন ফোরাম ‘আমাদের প্রযুক্তি’। আমাদের প্রযুক্তি’র প্রথম জন্মদিনে আমাদের প্রযুক্তি’র সকল নিয়মিত সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।
------------আমাদের প্রযুক্তি টিম

বিঃদ্রঃ আমার ব্লগে কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে অফটপিক মন্তব্য করেন তাহলে তা মুছে ফেলা হবে এবং আইডি ব্লক করা হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28840534 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28840534 2008-09-09 01:25:13
অদৃশ্য হবার পোশাক তৈরি সম্ভব
আমরা কোন বস্তু কখন দেখতে পাই, যখন কোন বস্তুর উপর আলো এসে পড়ে এবং তা প্রতিফলিত হয়ে যদি আমাদের চোখে আসে। এখন যদি এখন কিছু করা হয় যে, আলো প্রতিফলিত হবে না বা প্রতিফলনের দিক এমন ভাবে নিয়ন্ত্রন করা হবে যা আমাদের থেকে ঐ বস্তকে অদৃশ্য করা রাখবে। বিজ্ঞানীদের দাবী, আগে টু ডাইমেনশনাল কিছু খুব বেশি পাতলা বস্তুকে এই রকম অদৃশ্য করে রাখা সম্ভব হয়েছে। এখন তারা এই প্রযুক্তিকে আরো উন্নত করে স্বাভাবিক যে কোন বস্তুকে অদৃশ্য করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। কোন বস্তুকে অদৃশ্য করে রাখার জন্য যা ব্যবহৃত হয় তার নাম মেটাম্যাটেরিয়ালস। ধরে নিতে পারেন একটা পোশাক বানানো হবে যা দিয়ে কোন কিছুকে অদৃশ্য করে রাখা হবে। মেটাম্যাটেরিয়ালস ধাতব পদার্থ, সিরামিক, টেফলন ও ফাইবার দিয়ে তৈরি করা হয় এবং এটা এমন ভাবে তৈরি করা হয় যে, কোন দৃশ্যমান আলোকে একটু অন্য ভাবে ঘুরিয় দেয় যা সাধারন বস্তু পারে না। এর ফলে এই সব বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হবে না বা কোন ছায়া পড়বে। রুপকথার যাদুর পোশাক মনে হয় বাস্তবে চলে আসবে আর কিছুদিন পরেই।

----লেখাটি গুগল নিউজ অবলম্বনে নিজের মতো করে লেখা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28829829 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28829829 2008-08-11 21:07:43
ফেসবুক আসছে নতুন চেহারায়
কিছুদিনের ভেতর ফেসবুক নতুন ডিজাইন নিয়ে আসছে। আমি যদিও ফেসবুকের খুব বেশি ফ্যান না তবুও নতুন ডিজাইনটা আমার বেশ ভালো লেগেছে। কেউ চাইলে দেখে নিতে পারেন।
http://www.new.facebook.com । নতুন ডিজাইনে আপনার প্রোফাইল পেজে মিনিফিডের লিস্ট পাবেন। আর উপরের দিকে আছে ট্যাব আকারে অনেক কিছু। চাইলে নিজের ইচ্ছে মতো নতুন ট্যাবও যুক্ত করতে পারবেন। আমার কাছে আগের থেকে আরো লাইটওয়েট মনে হচ্ছে লোডিং এর দিক থেকে। আশা করি ফেসবুক ফ্যানদের জন্য এটা বেশ ভালো একটা চমক হবে। আর হ্যাঁ আমাকে ফেসবুকে পাবেন এখানে যদিও বেশি একটা যাই না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28820679 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28820679 2008-07-15 22:02:44
ডিএনএস ক্যাশিং, সুবিধা, অসুবিধা
ডিএনএস, নেম ডাটাবেজ, আইপি প্রতিটি নিয়ে অনেক কিছু বলা যায় কিন্তু আমি শুধু পার্টিকুলার কিছু জিনিস বলবো।

নেম সার্ভার বা ডিএনএস সার্ভারঃ
আমরা যখন ব্রাউজার লিখি google.com এবং এক খানা এন্টার চাপ দিয়ে দিই আর গুগলের সার্চ পেজ চলে আসে কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক কিছু ঘটে যায়। যাক সব কিছু আলোচনার বিষয় না। যা হয় ব্যাপারটা তা হলো এই রকম যে আমাদের যারা ইন্টারনেট দেয়(আইএসপি বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আরো সহজ করে ইন্টারনেট কানেকশন না থাকলে যাদের আগে গালি দেয়) তাদের এক বা একাধিক নেম সার্ভার বা ডিএনএস সার্ভার থাকে যে সকল কম্পিউটারে ডাটাবেজে এই গুগল.কম কে গুগলের আইপি এড্রেসে পরিবর্তন করে দিতে সাহায্য করে। মোদ্দা কথা হলো আমরা লিখি গুগল ডট কম কিন্তু কিছু ব্রাউজার কিছুক্ষন পরে বুঝতে পারে একটা আইপি। এটাকেই নেম ট্রানশ্লেশন বলে। যদি ধরেন আইএসপির সার্ভার বেশি বিজি থাকে তাহলে কিন্তু আপনার ব্রাউজার এই আইপি এড্রেস নাও পেতে পারে। আর এক্ষেত্রেও আপনি পেক নয় ফাউন্ড বা এই ধরনের মেসেজ পেতে পারেন। দেখা যায় বার বার ট্রাই করার পর সাইট চলে আসে।

ডিএনএস ক্যাশিং কিঃ
এই যে আমরা গুগল ডট কম লিখে এন্টার দেয় আর সাইট চলে আসে, এর মাঝে অনেক কিছু সাথে নেম ট আইপি ট্রানশ্লেশন হয়ে যাচ্ছে, এটা যেন বার বার না করতে হয় সেই জন্য অপারেটিং সিস্টেম আইপি এড্রেসগুলো সাইট নেমের বিপরীতে ক্যাশ করে রাখে। এই ক্যাশিং টাইম ২৪ ঘন্টার মতো। তবে অপারেটিং সিস্টেম ভেদে ব্যাপারটা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। আমি উইন্ডোজকে টার্গেট করে লিখছি।

ডিএন এস ক্যাশিং এর সমস্যাঃ
ধরুন আপনি কোন সাইট ওপেন করার চেস্টা করলে কিন্তু আসলো না। এক্ষেত্রে ঘটনা অনেক রকম হতে পারে। যেমন ক্যাশেতে যে আইপি এড্রেস ছিলো তা এখন পরিবর্তন হয়ে গেছে(এটার সম্ভাবনা খুব কম তবে হতে পারে) । অন্য কারন হতে পারে হোস্টিং সার্ভার ডাউন বা ঐ সাইটে হেবি ট্রাফিক বা ডিএনএস সার্ভার বেশি বিজি যে আপনাকে সার্ভ করতে পারলো না অথবা নেট কানেকশনের সমস্যা। এখন পজিটিভ রেসপন্স মানে নেম থেকে আইপিতে পরিবর্তন করে যেমন ক্যাশেতে রাখে তেমন নেগেটিভ রেসপন্সও ক্যাশেতে জমা হয়। এই ডাটা ডিএনএস ক্যাশেতে থাকে ৩০০ সে বা ৫ মিনিট। এই পাঁচ মিনিট ঐ পিসিতে সাইট আসার সম্ভাবনা কম। নেগেটিভ রেসপন্সও অনেক কারনে হতে পারে তা আর আলোচনা নাই করলাম।

আপাতত এই টুকু বুঝা যাচ্ছে যে এই ক্যাশিং যেমন সুবিধা দেয় মানে বার বার নেম ট্রানশ্লেশন করতে হয় তেমন আবার অসবুধাও আছে যেমন আজকে আমার অনেক একটা দুইটা সাইট আসছিলো না।

কিভাবে এই সমস্যা দূর করবেন?
হুম আমি অন্তত উইন্ডোজের জন্য বলতে পারবো কারন আমি একটু আগে এটা ঠিক করলাম। উইন্ডোজে একটা কমান্ড আছে যা দিয়ে আপনি নিমিষেই ডিএনএস ক্যাশ ক্লিয়ার করে দিতে পারেন।
রান থেকে লিখুনঃ ipconfig /flushdns
ধরুন যদি দেখতে চান ক্যাশেতে এই মুহূর্তে কি আছে তা দেখতে তাহলে নিচের কমান্ড চালানঃ
ipconfig /displaydns
ডিএনএস ক্যাশিং সার্ভিস বন্ধ করতে লিখুনঃ
net stop dnscache অথবা ফরম্যাট এই রকমঃ sc servername stop dnscache

উইন্ডোজে রেজিস্ট্রি এডিট করেও এটা করা যায় তবে যারা আমার মতো বিপদের কথা মাথায় রেখে অবশ্যই রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ রেখে দেবেন। কিভাবে রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ ও রিস্টোর করতে হবে তা এখানে আছে।

রেজিস্ট্রি এডিট করে ডিএনএস ক্যাশিং টাইম নিয়ন্ত্রনঃ
রেজিস্ট্রি সম্পাদনা করে নেম টু আইপি ট্রানশ্লেশন এর নেগেটিভ বা পজিটিভ রেসপন্স ক্যাশেতে রাখার সময়(TTL বা টাইম টু লিভ) নিয়ন্ত্রন করা যায়। এখন দেখি কিভাবে তা করবো। আগেই বলে রেখেছি রেজিস্ট্রিতে আচঁড় দেওয়ার আগে ব্যাকআপ রাখতে ভুলবেন না অথবা যদি বিশেষ দরকারী কাজ পিসিতে হয় তাহলে এই গেমে অংশ নেবেন না।
পজেটিভ রেসপন্স সেইভ থাকেঃ MaxCacheTtl কি ভ্যালুতে
নেগেটিভ '' '' থাকেঃ MaxNegativeCacheTtl কি ভ্যালুতে

যদি রান থেকে regedit লিখে এই লোকেশানে যান এবং
HKEY_LOCAL_MACHINESYSTEMCurrentControlSetServicesDNSCacheParameters
এখন দুইটি নতুন ভ্যালু সেট করতে হবে।
Parameters সিলেক্ট থাকা অবস্থায়-
On the Edit menu, point to New , click DWORD Value, and then add the following registry values:

Value name: MaxCacheTtl
Data type: REG_DWORD
Default value: 86400 seconds
Value data: If you lower the Maximum TTL value in the client's DNS cache to 1 second, this gives the appearance that the client-side DNS cache has been disabled.

Value name: MaxNegativeCacheTtl
Data type: REG_DWORD
Default: 900 seconds
Value data: Set the value to 0 if you do not want negative responses to be cached.

উল্লেখ্য যে,
The default TTL for positive responses is 86,400 seconds (1 day).
এবং
The default TTL for negative responses is 900 seconds (15 minutes).
তাই যা যেভাবে সুবিধা হয় ভ্যালু সেট করে নেবেন।

বহিঃসংযোগঃ
মাইক্রসফট এর সাপোর্ট সাইট থেকে
কম্পিউটার এডুকেশন সাইট
এবং গুগল কাকু

বানান ভুল ছাড়া টেকনিল্যাক কোন ভুল পেলে সুধরে দিতে ভুলবেন না।
ধন্যবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28804687 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28804687 2008-05-31 03:33:54
ধ্যাৎ ------পথিক-৪
এরপর কিছুক্ষন উদাশ ভংগিতে পথিকে তাকিয়ে ছিলো আকাশের দিকে...
হুম...পৃথিবীর দীর্ঘতম দীর্ঘশ্বাস ফেলে পথিক আবারো পথে হাঁটা শুরু করলো।
হে হে... থেমে গেলেতো চলবে না। হেরে যাবার জন্যতো পথিক পথ হাঁটা শুরু করেনি।

প্রচন্ড সূর্যের তাপ নেই, পথে নেই কাঁদা কিংবা শীতের তান্ডবহীন প্রকৃতি।।
পথের কর্কশ ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়ে পথিকের দৃষ্টিভ্রম হয়...।।

-------------------------------------------একটি অ(সম্পূর্ণ) মানচুকাব্য:-?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28782527 http://www.somewhereinblog.net/blog/manchu_maharablog/28782527 2008-03-26 02:34:47