আমার প্রিয় পোস্ট
- রাহেলার মায়ায় জামসিং'র টেউটিতে - ফয়সল নোই
- ভুনা মাংসে পাল্টে যাওয়া জীবন - নাঈম আহমেদ
- মিশন শাহসাবের বিরিয়ানী এবং শাহসাব বাড়ি বাজারের মতি মিয়ার বিখ্যাত ফালুদা(একটি ভোজন সংক্রান্ত পোস্ট) - শিশির সিন্ধু
- নারী নির্যাতন, আমাদের সমাজ, আর শত-সহস্র রুমানা - আম-আঁটির ভেঁপু
- জলহস্তী - অতন্দ্র তওসিফ
- কম করে ৫০টি ইভটিজিং করে আমি ৫০টি কিশোরীর লাশের মিছিল দেখতে চাই ;আমি শ'খানেক খুন করার আগে মরতে চাইনা - চলমান কলম
- অসীম সাহসী ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - আরিফুল শাকিল
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- ব্লগার মাহবুব মতিনের মৃত্যু; ও বন্ধু আমার! - ফয়সল নোই
- মার বদি আলম মার,তোরে মারলে তু্ইও মার না পারলে পাত্তর মার কিংবা চন্দ্রিমা উদ্যানের সেই বেশ্যা(?) - সত্য সন্ধানী আমি
- তাজহাট প্যালেস, নয়নাভিরাম এক মিউজিয়াম....... - রেজোওয়ানা
- পোড়া গলিতে, পোড়া চোখে, পোড়ো মনে - অন্যমনস্ক শরৎ
- রাজনীতিবিদরা ব্লগে এলে যা যা ঘটতে পারে... - ফিউশন ফাইভ
- জন্ম স্তুতি - আকাশ অম্বর
- রাহেলা বিষয়ক দু'টো তথ্য - ফয়সল নোই
- রাহেলার মৃত্যুকালীন ঘোষণা - ফয়সল নোই
- রাহেলা হত্যা মামলার নিখোঁজ আলামত ও অন্যান্য দলিল - ফয়সল নোই
- আলামত সংরক্ষিত নেই বলে রাহেলার খুনিরা পার পেয়ে যাচ্ছে... - ফয়সল নোই
- চৌদ্দগ্রাম শাখা ব্র্যাক অফিসে খুন রিক্সা চালক আব্দুর রশিদের সন্তানদের মুখ - অণৃণ্য
- আমাকে তুমি অশেষ করেছো - সোহায়লা রিদওয়ান
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- এক , দুই বা পাঁচ টাকার অর্থহীন গল্প - মেহরাব শাহরিয়ার
- সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ....! - মানবী
- মোনাজাত উদ্দীন - আমাদের চারণ সাংবাদিক - আপনার জন্য ভালবাসা - মোস্তফা আমিন
- "গণহত্যা": এ্যান্থনি মাসকারেনহাসের অবশ্যপাঠ্য প্রতিবেদন (বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৩০) - ফাহমিদুল হক
- একটি পংক্তির জন্য - প্রণব আচার্য্য
- অনেক দিন পর আবার active হচ্ছি... - মুতাসিম
- যায় না পোড়ানো ভালোবাসা - শেখ জলিল
- আবার আসিলাম ফিরিয়া
- নাদান
- প্রিয় কবিতা-৪// পূর্ণেন্দু পত্রী (বাসরঘরে ঢোকার সময় যাকে ফেলে এসেছিলে পোড়া ধূপের পাশে ) - শফিউল আলম ইমন
- গণহত্যার ছবি : নূরুল উলা - হাসিব
- ফিনিক্সের জীবন! - মানবী
- আফ্রিকার পাহাড়ী অরণ্য আর কালো মানুষের কথা (পর্ব-১) - আশিক হাসান
- কষ্টও রঙ বদলায় - মৃন্ময় আহমেদ
- মায়াবতীকে...... - মাহবুবা আখতার
- মা..! আমার মা..!(উত্সর্গ- মানবী ! আপনার জন্য পুনঃ পোষ্ট)! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সে আসে সে যায় - কালপুরুষ
- মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ - অমি রহমান পিয়াল
- আদল - কালপুরুষ
- ব্যবধানে ব্যবধান - এহেছান লেনিন
- প্রণমী তোমায় - কালপুরুষ
- স্থিরচিত্র - ফয়সল
- ১৯৭১ :: কিভাবে দেখে পাকিস্তানী তরুন-তরুনীরা - অরূপ
আমরা অন্ধ হবো কেন!
২২ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২২
দলীয় নেত্রীকে গ্রেফ্তারের (?)প্রতিবাদে কিছুদিন আগে কয়েকজন একটি ক্যাব আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছে। ব্যক্তিগত স্বার্থে অন্ধ এসব কর্মীদের মানসিক বন্ধাত্ব এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছে যে ঐ ক্যাবের চালক বা মালিকের যে এই গ্রেফতারে কোন হাত নেই তা অনুধাবনের শক্তি নেই, আর থাকলেও এই কাজটি যে ঘৃণ্য তা বুঝার ক্ষমতা নেই। সরকারের কোন কাজের (!)প্রতিবাদ করতে গিয়ে সাধারন মানুষের ধন সম্পদ, ঘর বাড়ি ধ্বংসের যে অসুস্থ, অমানবিক চর্চা দীর্ঘদিন ধরে চলছে তার সমাপ্তি কবে, কিভাবে জানিনা!
কিছুদিন আগে খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনা দুজনেরই অত্যন্ত সুন্দর একটি বক্তব্য দলমত নির্বিশেষে সবার মন ছুঁয়েছে। তাঁরা বলেছেন, "আমার বিরুদ্ধে যে কোন অভিযোগ আনলে আমি তা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত, দেশের মাটিতে বিচার করে যা শাস্তি হবে মাথা পেতে নিবো তবে আমাকে দেশ থেকে করে দিবে বা দেশে ফিরতে দিবেনা তা মানবোনা।" আমরা সবাই তাঁদের সাথে গলা মিলিয়ে একই দাবী তুলেছি, সরকার তার নিজের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। একটি ন্যয্যদাবী সমর্থনে বাংলাদেশের মানুষের কখনও কোন কার্পণ্য নেই।
আজ যখন তাঁদের সেই সুযোগ এসেছে নিজেদের নিদোর্ষ প্রমান করার, তখন কিছু মানুষ জল ঘোলা করতে চাইছে। আমাদের দেশের সাবেক দুই নেত্রী শুধু দেশবাসী নয় বিশ্ব নেত্রীবৃন্দের কাছে বড় মুখ করা যা বলেছেন, তাঁদের সেই কথার মর্যাদা রাখার সময় এবং সুযোগ যখন এসেছে তখন এসব স্বার্থান্বেসী মানুষের মায়া কান্না কতোটুকু যৌক্তিক! খালেদা জিয়া শেখ হাসিনা দুজনেরই ভালো মন্দ দোষগুন আছে। তাঁরা ক্ষমতাসীন ছিলেন মানে এই নয় যে তাঁরা সকল আইন বিচার, জবাবদিহিতার উর্দ্ধে।
সেই বাবা যিনি সন্তানের মুখে দুবেলা খাবারের নিশ্চয়তা দিতে, শত প্রতিকুলতার মাঝেও চাকুরী রক্ষার্থে হরতালের কারণে পায়ে হেঁটে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার অপরাধে তাঁর কাপড় খুলে উলঙ্গ করা হয়েছিলো, আমি তার বিচার চাই।
প্রাইভেটে কারের বিলাসিতা করতে অক্ষম যে মানুষগুলো জিবীকার প্রয়োজনে, অর্থের অভাবে সেদিন বাসে উঠে পেট্রল বোমা হামলার স্বীকার হয়েছিলেন, আমি তার বিচার চাই
যে সকল অসুস্থ বাবা মা হরতালের কারণে সময় মতো হাসপাতালে পৌছুঁতে না পারায় বিনা চিকিৎসায় প্রাণ হারিয়েছেন, আমি তার বিচার চাই, আমি স্বচক্ষে তাঁদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেছি।
রংপুর দিনাজপুর সহ বিভিন্ন স্থানে আশ্বিন কার্তিক মাসে ভয়াবহ মঙ্গায় বছরের পর বছর আমার মা বাবা ভাই বোন যখন না খেয়ে অমানবিক কষ্ট করেছেন, প্রান হারিয়েছেন আর ঠিক সে সময় ক্ষমতায় বসে আমার কষ্টার্জিত অর্থে যারা নিজেদের ভারী পকেট কে আরো ভারী করার বিকৃত নেশায় লিপ্ত ছিলেন, দেশের অসহায় মানুষকে অভুক্ত রেখে তাদের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন, আমি তাদের বিচার চাই।
তীব্র শীতের প্রকোপে দরিদ্র মানুষ শীত বস্ত্রের অভাবে যখন নির্মম কষ্ট করেছেন, প্রান হারিয়েছেন, তখন এই দরিদ্র জনগনের অর্থে যারা দামী স্যুট পড়ে দামী প্রাসাদ গড়েছে, আমি তাদের বিচার চাই।
রাজনীতি করা মানে দাসখত লিখে দেয়া নয়, রাজনীতি করা মানে দলের প্রতি অন্ধ সমর্থন নয়। আমরা যখন কোন দলকে সমর্থন করতে গিয়ে নিজের বিবেক বিসর্জন দিয়ে অন্ধ ভাবে তাদের তোষামোদে, পক্ষপাতিত্বে লিপ্ত হই তখন তা রাজনীতি করা বলে না, হয়ে যায় দাসত্ব।
রাজনীতি করতে পথে নামবো আমি, তোমাদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে অহত হবো আমি, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় আমার বাবার বহুকষ্টার্জিত পয়সায় কেনা কলম ছিনিয়ে আমার হাতে তুলে দেবে অস্ত্র, মিছিলে মারমারিতে রক্তাক্ত হয়েছি আমি, তোমাদের ক্ষমতার নিশ্চয়তা রক্ষায় মিটিংএ মারা মারি করে পঙ্গু হয়েছি আমি, তোমাদের সমর্থনের অপরাধে প্রতিপক্ষের আঘাতে মাথায় আঘাত পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে আমার ভাই, আর আজ যখন সময় এলো, তখন ক্ষমতার শীর্ষে অধিষ্ঠিত হবে দুধে ভাতে বড় হওয়া তোমার অযোগ্য সন্তান? এ যদি হতো কোন রাজতন্ত্র, যেখানে নীল রক্তের জয় যুগে যুগে তাও মানা যেত। কিন্তু আমাদের লড়াই গনতন্ত্রের জন্য, এখানে তোমাদের রক্ত তো নীল নয়, আমার রক্তের মতোই লাল!
আমাদের চোখে ঘষা কাঁচের চশমা পরিয়ে অসচ্ছ করা হয় দৃষ্টি, আমরা সেই ঝাপসা চোখে শুধু অন্ধের মতো গেয়ে যাই নির্দিষ্ট দলের বন্দনা সঙ্গীত। আমরা যারা সাধারণ মানুষ চশমাটি পড়তে অস্বীকরা করি তাদের ঘাড়ে নেমে আসে যতো অপবাদ। কারো বিরুদ্ধে কথা বললে হয়ে যাই "ভারতের দালাল", একটি দলের সমালোচনা করলে নাম দেয় "রাজাকার" আর আরেকজনের সাথে সহমত না হলে চোখ রাঙিয়ে ঘোষনা করে "মুরতাদ"। আমরা গত ৩৭ বছর ধরে শুধু ক্ষমতা বদলের যাঁতা কলে পরে একটির পর একটি অপবাদ কাঁধে নিয়ে জিন্মি হয়েছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাতে, অন্যায় ভাবে শোষিত হয়ে এসেছি।
দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীদের দেবদেবীর আসনে বসিয়ে তাদের উপাসনায় লিপ্ত, তাদেরকে সকল দোষত্রুটির উর্দ্ধে মনে করেন। তাদের দেয়া শাস্তি কে প্রসাদ মনে করেন, আশির্বাদ ভেবে নিজেকে ধন্য মনে করেন। এসব অন্ধ তোষামোদকারীরা বুঝতে অক্ষম যে তাদের ঠিকানাবিহীন পশুর মতো মৃত্যু বরণ করার জন্য মিছিলে এগিয়ে দিয়ে নেতা নেত্রীরা আড়ালে নিজেদের মধ্যে হাত মিলাচ্ছেন। এরা সামান্য কিছু আর্থিক সুবিধার লোভে মেনে নেয় দলীয় নেতার সকল কুকর্ম, অন্যায় ভাবে প্রতিপক্ষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাশবিক আঘাত হানতে দ্বিধা বোধ করেনা, অতি সহজে বিকিয়ে দেয় নিজের বিবেক, নিজের আত্মা।
২৮ শে অক্টোবরের মিছিলে লগী বৈঠা হাতে কেন সজিব ওয়াজেদ ছিলোনা? লগী বৈঠার জবাব যারা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দিয়েছিলো, তাদের মাঝে কেন গোলাম আযম বা নিজামীর সন্তানেরা ছিলোনা? হিরক রাজার দেশের সেই প্রজাদের মতো মগজধোলাই করা এদের বন্ধ্যা মস্তিষ্কে এসব ভাবনা আসেনা। এসব নেতা নেত্রীদের পুজো করেই এই অন্ধ পূজারীরা আত্মতৃপ্তি লাভ করে।পথের কুকুরের দিকে উচ্ছিষ্ট রুটি ছুঁড়ে দেয়ার মতো, এসব নেতা নেত্রীরা এদের দিকে দুই পয়সার অন্যায় সুবিধা, সামান্য কটি কালোটাকা, অথবা সীমিত কিছু ক্ষমতা ছুঁড়ে এদের কৃতদাস বানিয়ে নেয়।
এই যে দাসত্ব. এই যে বিশ্বস্ততা, তারপরও দলীয় সর্বোচ্চ পদটি কখনও তাদের নয়, সেটি বরাদ্দ পরিবারের কোন সদস্যের জন্য। একে গনতন্ত্র বলে? গনতন্ত্রের নামে এমন অনাচার চলবে, এই স্বপ্ন বুকে নিয়ে ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ মানুষ দেশের জন্য শহীদ হয়েছিলেন?
এই অন্ধ কৃতদাসেরা এমন কান্ডজ্ঞান শুন্য হয়ে পড়ে যে নিজের বিবেক, রুচীর সাথে সাথে মনুষত্ব হারিয়ে ফেলে। রাজনৈতিক ভাবে যে দলেরই সমর্থক হোক, বাংলাদেশি হলে এই দেশের মাটি ও মানুষের জন্য শেখ মুজিবর রহমান ও জিয়াউর রহমানের অবদান অস্বীকার করা যাবেনা। গত ৩৭ বছরের ইতিহাসে আমাদের এই ছোট্ট গরীব দেশটি কোন রাষ্ট্র প্রধানের সত্যিকারের ভালোবাসা পেলে তা পেয়েছে এই দুজনের কাছ থেকে। রাজনৈতিক দোষ হয়ত তাঁদের কিছু ছিলো তবে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁদের ছিলো নিখাদ ভালোবাসা, গভীর মমতায় তাঁরা এই দেশটিকে বুকে ধারন করেছিলেন সেকথা সত্যবাদী মাত্রই স্বীকার করবে।
এই দুজন দেশ প্রেমিককে অকালে নির্মমভাবে এই পৃথিবী থেকে বিদায় করেই ক্ষ্যান্ত দেয়নি অনেকে, সুযোগ পেলেই নির্মম ভাবে এই মৃত মানুষদের চরিত্র আঘাতে আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করে। ভাবখানা এমন, যেন এক জনের সম্পর্কে ভালো কিছু বললেই আরেকজন কে হেয় করা হয়। এরা ভুলে যায় জীবিত অবস্থায় তাঁদের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কথা, ভুলে যায় তাঁরা এক আরেকজনকে সন্মান করেছেন অপমান করেননি কখনও সেকথা। এক জনকে ভালো, মহান প্রমান করতে আরেকজন কে ছোট করতে হবে কেন?
খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ত্রুটি করে থাকলে তাঁদের সমালোচনা হতেই পারে। তবে প্রতিহিংসাপরায়ন অন্ধ সমর্থকেরা ছিনিমিনি খেলে প্রতিপক্ষের ব্যক্তি জীবন নিয়ে। কারো সন্তান নিয়ে, চরিত্র নিয়ে কুৎসিত ঈঙ্গিত করে অশ্লীল অপবাদ দিতে এদের নোংরা রুচিতে বাঁধেনা। তাঁদের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করে।
স্বামী স্ত্রী হাত ধরে রিক্সা ভ্রমনের অপরাধে স্বামীটিকে কান ধরে উঠবসা করানো যেমন একটি অন্যায় ধৃষ্টতা, নিজের মাকে গ্রেফতারে দেশের কিছু মানুষ আনন্দিত হলে তাঁদের "রাজাকার" সম্বোধন করাও তেমনি একটি ঘৃণ্য স্পর্ধা, ধৃষ্টতা। একটি অন্যায়ের সমালোচনা করতে গিয়ে আমরা অনেকেই আরেকটি অন্যায় কে সমর্থন করছি কেন?
আমাদের মাঝে ব্যতিক্রম আছেন, কেউ কেউ অবশ্যই অন্ধত্ব থেকে দুরে এসে নিজ দলের সমালোচনা করতে জানেন। এই ব্লগেই দেখেছি, একটি নির্দিষ্ট দলের সমর্থক অথচ সেই দলের নেতৃ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে দুর্নিতীর অভিযোগ এলে, "অপরাধ করলে এদের অবশ্যই শাস্তি দেয়া উচিৎ" বলার মতো সৎ সাহস রেখেছেন। দলের সমর্ধক হওয়ায় সেই দলের সাতখুন মাফ মনে করছেননা।
প্রতিটি রাজনৈতিক দলে সৎ, নিষ্ঠাবান নেতা কর্মী আছেন বলে আমার বিশ্বাস। তাঁরা সাদা কে সাদা আর কালো কে কালো বলতে জানেন, আত্মসমালোচনা, নিজের দলের সমালোচনা করতে ভীত নন।
জ্ঞানে অথবা অবচেতন মনে করা "দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যক্তি" এই অসুস্থ মতবাদের অন্ধ চর্চা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে হবে। সবার উপরে দেশ, আমাদের বাংলাদেশের স্বার্থের উপরে ব্যক্তি বা দল শুধু নয়, প্রয়োজনে নিজের পরিবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা কেউ আইন বিচারের উর্দ্ধে নই। দেশের মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে সবাইকে বিচারের সন্মুখীন হতে হবে। খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, নিজামীদের অন্যায়ের যেমন বিচার হবে, বর্তমান সরকার অন্যায় করলে তাঁদেরও বিচার হবে। ১৯৯০-২০০৬ এদের বিচার হয়নি আজ হচ্ছে, তেমনি অন্যদেরও হবে, কখনও কোন এক সময়। আর তাই বর্তমানের সমালোচনায় অন্ধ হয়ে আমরা অতীতের অপরাধীদের ক্ষমা করতে পারিনা।
রাজনীতি করতেই পারি, কোন দলকে সমর্থন জানাতেই পারি, তাই বলে আমরা অন্ধ হবো কেন!
*** এই লেখাটি কোন নির্দিষ্ট দল সম্পর্কে নয়***
***জানানোর প্রয়োজন মনে করছি, শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার উপর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিযোগ সত্বেও ব্যক্তি হিসেবে তাঁদের সৎগুনগুলো পছন্দ করি। তাঁদের সম্পর্কে বা কারো সম্পর্কে আক্রমন করে এখানে মন্তব্য না করার অনুরোধ রইলো ***
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মদন বলেছেন:
লেখার প্রতি সম্মান
আন্ধার রাত বলেছেন:
সম্মানের জন্য লেখা।
কোপা সামছু বলেছেন:
যারা গনতন্ত্র চর্চার নামে মুখে ফেনা তুলে বক্তব্য রাখেন তারাই হরতালের সময় নিজেরা গাড়ী চড়ে মিছিলে এসে যোগ দেন আর রাস্তায় গাড়ি চলাচল করলে পুড়িয়ে দিতে কমীদের উৎসাহিত করেন।তখন উনাদের মনে থাকে না যে, হরতালের মধ্য গাড়ি চালকের গাড়ি চালানো তার মৌলিক গনতান্ত্রিক অধিকার। সেটাতে কেউ বাধা দিতে পারেন না।
নেতার চোখের সামনে গাড়ি পোড়ায় নেতা কিছু বলেন না... রাতে আরো পুরষ্কিত করেন।
এই রকম হীনমনষ্ক্য নেতাদের কাছ থেকে আর ভাল কি আশা করা যায়। যে নেত্রী ক্ষমতায় থাকা কালে বলে "বিরোধীদলে গেলেও হরতাল ডাকব না" আর বিরোধী দলে গিয়ে হরতার ডাকে। আর বলেন, আমার তো শর্তছিল, অন্যায় হলে ঠিকই হরতাল ডাকব। প্রশ্ন করতে ইচ্ছা হয়, তখনে তো বলেন নাই "আমার এই ঘোষনা শর্তসাপেক্ষে।"
যে কোন কথার একটা সাধারন অর্থ থাকে, কিন্তু নেত্রী সে সকল সাধারন অর্থ বাদ দিয়ে লুকানো কিছু শর্ত সাপেক্ষে কথা বলেন, যে শর্তগুলো পরবর্ততে প্রকাশ করেন।
সেই দিন বেশী দূরে নাই যে দিন জনগনও এই রকম লুকানো শর্ত সাপেক্ষে নির্বাচনের আগে উনার জনসভায় যোগ দিবে আর ব্যালটে সিল মারবে অন্য মার্কায়।
দেশের মানুষরা সেই ভুলটাই করছে। তারা বুঝতেছেনা যে রাজনৈতিক কর্মকান্ডের নামে নেতারা সাধারণ জনগনের ভবিষ্যত্ত কে ধ্বংশ করছে।
শেখ হাসিনা এ খালেদা জিয়া উভয়েই অপরাধি। এদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। তারা বিভিন্ন ধ্বংশ যজ্ঞের পিছনে প্রত্যেক্য ভাবে না হলেও পরোক্ষ ভাবে জরিত। তাই তাদের বিচার হওয়া চাই।
প্রাগৈতিহাসিক বলেছেন:
অসাধারণ একটি লেখা দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে খালেদা ও হাসিনা ধোয়া তুলসিপাতা না যে, তাদের কিছু বলা যাবে না। হাসিনা দেশে থাকলে মায়াকান্না কাদে যেন দেশ অন্তপ্রাণ, অথচ দেশের বাইরে গেলে এর বিরুদ্ধে কথা বলে যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল।
মানবী বলেছেন:
লেখার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ মদন।অনুরোধ রক্ষা ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাস্কর চৌধুরী।
ধন্যবাদ আন্ধার রাত।
জনগন তো এমন করছেন মনে হয় অতীতে :-)। ধন্যবাদ কোপা সামছু।
দেশের সাধারন জনগন আর রাজনৈতিক কর্মী/অন্ধ সর্মথকদের মানসিকতা মনে হয় এক নয়। ধন্যবাদ নাজিরুল হক।
ভালো বলেছেন প্রাৈগতিহািসক, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
পড়ার ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ কালপুরুষ।
রাজু বলেছেন:
শিহরিত হলাম। চমৎকার একটা লেখা। এই প্রথম কোন লেখাকে আমার প্রিয় পোস্টের তালিকায় নিলাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
"....ব্যক্তি হিসেবে তাঁদের সৎগুনগুলো ..."
এখনও খুঁজে পাইনি।
মানবী বলেছেন:
গর্বিত বোধ করছি, ধন্যবাদ রাজু।আছে, ওনাদেরও সৎগুন আছে, তবে যেহেতু দেশের ভালমন্দ রক্ষার বিশাল একটি দায়িত্ব তাঁরা সফল ভাবে পালন করতে পারেননি, তাই সৎগুন গুলো গৌণ হয়ে পড়ে।
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন:
লেখাটি টপলিস্টে জায়গা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। .
তবে এটা সামহোয়্যারইন ... এটাও একটা বিবেচ্য বিষয় ... ... হয়তো কোন বিধিমালা ভঙ্গের দোষে উল্টা ডিলিট/ব্যান ইত্যাদিও খাইতে পারে।
মানবী বলেছেন:
"সামহোয়্যার..." এ যেহেতু লিখেছি, অবশ্যই তাদের নীতিমালা মেনে লেখা, ডিলিট করবে কেন? :-)পড়ার ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন।
নতুন বলেছেন:
ধন্যবাদ মানবী... চমতকার লেখা...পড়লাম .. আমাদের মনের কথা বলেছেন আপনি...
রবিনহুড বলেছেন:
মানুষ হিসাবে আমাদের অনেক ভূল ভ্রান্তি আছে, তবে আমাদের মাঝে এটার মাত্রা অন্ধ ভাবে কাজ করে।যার দরুন আমরা ভূল দেখেও নিজের দলের ভূল নিয়ে কথা বলি না... ভূলটাকে ভূল বলে স্বীকার করি না...
যার পরিনতি আজ আমরাই ভোগ করছি...
মোন্নাফ বলেছেন:
ধন্যবাদ। ৫
আহমেদ ফারুক বলেছেন:
আমরা অন্ধ নই। আমাদের অন্ধ বানানো হয়। একদিকে ঘরোয়া রাজনীতি বন্ধ। অন্য দিকে নতুন দল ঘোষনা করা হয়। অদ্ভূত নিয়মের দেশ। আমরা দেখি, শুনি , বুঝি_ তবুও অন্ধ। আমরা নাচের পুতুল। যেমন নাচাচ্ছে তেমনি নাচছি।
নতুন বলেছেন:
মানবী সাধারন মানুষ আসলে দেশের কথা ভাবে... keep up your writting... one day our small voice will make other understand abt this change..
মামু বলেছেন:
যারা হরতালের নামে জ্বালও পোড়াও করে ওই গুলারে অগুনে পুইড়া মাইরা ফেলা দরকার...দিব্যি চোখ থাকা মানুষকে কিভাবে অন্ধ বানিয়ে রাখা যায়...? নিজের বিবেব বুদ্ধি বলে কিছু থাকা দরকার...
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ মোন্নাফ।ক্ষমতা বদলের সাথে সাথে পুতুল নাচের রিমোট কন্ট্রোলটির হাত বদল হচ্ছে ৩৭ বছর ধরে, নতুন কিছু নয়। পড়ার জন্য ধন্যবাদ আহমেদ ফারুক।
উৎসাহ দেবার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ নতুন। I appreciate it.
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মামু।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
খুব সুন্দর ও আবেগময় কিন্তু বাস্তব অনুভুতি প্রকাশ। যত্ন করে লেখার জন্য ধন্যবাদ। আপনার লেখাটা কপি করে আমার ব্লগে রাখা যাবে ?( আপনার নাম থাকবে লেখক হিসেবে অবশ্যই)
রাজু বলেছেন:
মানবী,আপনার লেখাটা প্রজন্ম ফোরামেও প্রকাশ করতে চাই। আপনি নিজেই লিখলে ভাল। আর না হলে বলুন আমিই তা সেখানে আপনার নামে প্রকাশ করব।
ঠিকানা: http://forum.projanmo.com
মানবী বলেছেন:
আপনার ব্লগে লেখাটি রাখতে পারেন। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মাহবুব সুমন।প্রজন্ম ফোরামে আপনি প্রকাশ করতে পারেন রাজু, ধন্যবাদ।
মানবী বলেছেন:
যদিও আমি রেটিং নিয়ে তেমন বিচলিত নই তারপরও "৫" না দিয়েই ঘোষনা করার কারণুঝতে পারিনা!ধন্যবাদ আশেক ইব্রাহীম ।
মানবী বলেছেন:
কারণুঝতে = কারণ বুঝতে
প্রকৃতি প্রেমিক বলেছেন:
এই ব্লগের একটা বড় সমস্যা হল অধিকাংশ পোস্টই খাজুরে (সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি।) প্রথম পাতায় স্রোতের মত পোস্ট আসে। সেই স্রোতের মধ্যে পড়ে হারিয়ে যায় ভাল ভাল সময়পোযোগী লেখাগুলো। আজ প্রজন্ম ফোরামে না পড়লে হয়তো এই লেখা আমার চোখেই পড়তনা। আর টপরেটেড পোস্টে তো এই লেখা আদৌ আসবে কী না...টপরেটেড করার মত কোন টীম তো দেখিনা।
মানবী, আপনি অতি সাধারণ কথাগুলো এত সুন্দর করে লিখেছেন যেন হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে। খুবই ভাল লেগেছে।
মানবী বলেছেন:
আপনার চমৎকার মন্তব্যটি আমার মন ছুঁয়ে গেছে, অনেক ধন্যবাদ প্রকৃতি প্রেমিক।
কালপুরুষ বলেছেন:
এই মেয়ে তুই কী করে লিখিস এতো ভালো,কেমন করে অন্ধকারে দেখাস আশার আলো?
কাঁচা হাতের নয় সে লেখা দাগগুলো বেশ গাঢ়,
মনের ভেতর কষ্ট হাজার জমতে থাকে আরো?
মানবী বলেছেন:
মন্তব্যের মাধ্যমে হলেও বেশ কিছুদিন পর কবি কালপুরুষের নতুন কবিতা! সুন্দর লিখেছেন, ধন্যবাদ।
ধুসর গোধুলী বলেছেন:
ভাইরে, আমরা এতো কিছু বুঝলেতো নেত্রীর গ্রেফতার হওয়াই লাগতো না।
মানবী বলেছেন:
আপনার সুন্দর মন্তব্যটি "৫" এর চেয়ে অনেক বেশি রেটিং দিয়েছে, ধন্যবাদ বিজ্ঞানী।ধন্যবাদ ধুসর গোধুলী।
রাশেদ বলেছেন:
৫। খুব সুন্দর লিখেছেন।
তাসমান বলেছেন:
মানবী,ভালো লিখেছেন ।আমিও হরতালের বিরুদ্ধে।হরতাল নামক বিষফোড়ার কারনে আমাদের দেশের কত হাজার কোটি টাকা লস হয়েছে এবং আমরা কতো স্বজন হারা হয়েছি এই হিসেব করায় গন্ডায় হরতাল যারা করেছে তাদের দিতে হবে।আমরা সাধারন জনগন কেনো অসুস্থ রাজনীতির স্বীকার হবো?কার স্বার্থে আমাদের বাবা,আর ফুলের মত ভাইগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে?রাজনীতিবীদদের ছেলেমেয়েরা কোথায় থাকে?কেনো ওরা আসে না হরতাল করতে?কেনো ওরা আসে না রাজপথে মিছিল করতে?বুলেটের মোখে,বোমার নীচে নীজের বুকপেতে দিতে হলে কারা দেয়?আজ সময় এসেছে এসব প্রশ্নের উত্তর খোজার।আমরা আর পিছনে ফিরতে চাই না।অসুস্থ রাজনীতির মোহে আমাদের আর ফেলানো যাবে না।আমরা আর অন্ধ থাকবো না।আলো চাই আলো,যে আলোয় পথকরে নিয়ে এগিয়ে যাবো।ধন্যবাদ মানবী সুন্দর লিখার জন্য।
তাসমান বলেছেন:
ও ভুলে গেছি,৫ দিলাম।
পথের মানুষ বলেছেন:
মানবী, আমার তো মনে হয় প্রতিটি দলে সৎ কর্মী আছে, নেতা নেই।অসম্ভব সুন্দর একটি লেখার জন্যে সীমাহীন শ্রদ্ধা।
আপনার সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ
সোনার বাংলা বলেছেন:
মানবী দিদি,কি বলবো অসাধারন লিখেছেন,যার জন্য অনেক
অনেক ধন্যবাদ। আর হাসিনা খালেদা যে বলেছে
শাস্তি মাথা পেতে নিবে, তা কোন দিন তারা নিবে
কি না আমার সন্দেহ আছে।হাসিনা খালেদা জীবনে
অনেক কথা বলেছে এই দেশের মানুষ শুনেছে।কিন্তু
কথা কথাই থেকে গেছে।হাসিনা খালেদা মানুষ তবে
সে অধম মানুষ যাদের কথা যুগে যুগে মহা মানবেরা
বলে গেছে।
শাওন খান বলেছেন:
লেখায় ধার আছে। আপনার চিন্তা-ভাবনার কিছুটাও যদি দুই-বেগমের ঘটে থাকতো।
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ রাশেদ।চমৎকার মন্তব্য, ধন্যবাদ তাসমান।
আপনাকে ধন্যবাদ পথের মানুষ।
সুন্দর বলেছেন সময়ের প্রান্তরে, ধন্যবাদ।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সোনার বাংলা।
আপনার ছড়া/কবিতাতেও বেশ ধার আছে, ধন্যবাদ শাওন খান।
মৃধা শাহরিয়াজ মাসুদ বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর লেখা এবং নিঃসন্দেহে ৫। সময়োপযুগী লেখা।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
'অসাধারণ'-এর চেয়ে অসাধারণ কোনো শব্দ যদি থাকতো !নেত্রী এবং দলের জন্য অন্ধ বিবেক,বন্ধ বিবেক !
প্রিয় পোষ্টে যুক্ত হলো ।
সূফি বলেছেন:
বিপ্লব দিলাম।
আল ইমরান রবিন বলেছেন:
শক্তিশালী মতামত।
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ মৃধা শাহরিয়াজ মাসুদ।ভালো বলেছেন, ধন্যবাদ আবদুর রাজ্জাক শিপন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ@ অজানা একজন, সূফি, আল ইমরান রবিন, ত্রিভুজ।
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন:
বিপ্লব।
রিজভী বলেছেন:
৫।
বকলম বলেছেন:
ব্যাস্ততা আমাকে দেয় না অবসর, তাই বলে ভেবো না আমায় স্বার্থপর 
পড়ব পড়ব করে ব্যাস্ততার কারনে পড়তে দেরী হয়ে গেল। একদম মনের কথা লিখেছেন। আমার ধারণা এটা আপনার আমার মতো দেশে সাধারণ জনগনের মনের কথা। সাধারণ জনগনের একটাই প্রতিবন্ধকতা, তা হলো একতাবদ্ধ ভাবে কিছু বলার ষ্ট্রাকচার বা দল না থাকা। এটা খুবই পরিতাপের বিষয় যে, আমাদের দেশের কোন রাজনৈতিক দলই জনগনের এই মতকে প্রতিফলিত করে না।
তারা জনগনের দোহাই দিয়ে আমাদেরকে বাধ্য করে হরতাল পালন করতে, ছাত্র ধর্মঘটকে গনতন্ত্র রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে মানতে। আমাদের একটা ভোটকে তার বিবেচনা করে স্বেচ্ছাচারিতার হাতিয়ার হিসেবে। এই অবস্থার অবশ্যই পরিবর্তণ হওয়া দরকার।
অন্ধকার বলেছেন:
সহমত@ মানবী। আমার ধারণা দেশের আপামর জনতার ৯০% একমত হবে আপনার বক্তব্যের সাথে। ভালো থাকবেন।
শরীফ আবদুল্লাহ বলেছেন:
অনেকদিন পর ব্লগে এসে অনেক ভাল লাগল আপনার লেখাটি পড়ে। ধন্যবাদ ।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
চমৎকার লেখা।তবে অনুরোধ ভাঙছি বোধহয়। আমি এই দুই নেত্রী(?!)র কোনো সৎগুণ দেখি না।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
তাদের(=দু নেত্রী!) বানানে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহারের চরম বিরোধিতা করছি।
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ @ মুকুল, হোসেইন-দ্য এ টিম, রিজভী।বকলম যে একজন কবি জানলাম! আপনার সুন্দর মন্তব্যের সাথে সহমত, ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা এবং চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ অন্ধকার।
ধন্যবাদ নিঃসঙ্গ।
খুব ভালো লেগেছে জেনে, ধন্যবাদ শরীফ আবদুল্লাহ ।
কবি মৃন্ময় আহমেদ তীব্র প্রতিবাদ করলে খুব দুঃখের কথা! আপনার ক্ষোভের কারণ বুঝতে পারছি তবে ওনারা দুজনই যেহেতু বয়সে আমার চেয়ে অনেক বড়, সেকারনেই না হয় চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার এমন ভেবে নিন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
I deny... বয়সে বড়ো ক'জনের ক্ষেত্রে চন্দ্রঁবিন্দুর ব্যবহার করা হয়? বা করেন?
দুঃখিত রাগ প্রকাশের জন্য। তবে আমার মনে যা আসে তা এখানে বলবো না তো কোথায় বলবো!
মানবী বলেছেন:
I accept that but...[/Bswjkযাঁদের সাথে আমার সামাজিক বা পারিবারিক ভাবে ইন্টারেকশন হয়েছে বা সম্পর্ক আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যবহার করি(এই বিষয়ে আর কিছু বলতে চাইছি না :-)
অনিক বলেছেন:
রেটিং টা বাড়ানো দরকার। তাই এলাম। মানবী'র মান বাড়াতে এর চেয়ে বেশী আর কিইবা করতে পারি? কাঁচা হাতে এমন আরও লেখা আসুক।
ঘোড়ার ডিম বলেছেন:
হুমমমম
গিয়াস আহমেদ বলেছেন:
ভালো আছেন? ভালো লেখা কিন্তু অনেক বড়। এত সময় পান...! গুড।
বাতায়ন বলেছেন:
পড়ে ভাল লাগলো। জেনে, বুঝে, অনুভব করে লেখা পোস্ট খুব বিরল এখন। আমার মতে, এই রকম লেখাগুলো রেখে ঝগড়াটে লেখাগুলো মূলপাতা থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। আমরা সবাইই সমান বিরক্ত ঝগড়াঝাটিতে।দড়ি ধরে মারো টান, ...
বড় ভাবী বলেছেন:
অন্ধ হয়েই আছেন- আবার জিজ্ঞাসা করছেন আমরা অন্ধ হবো কেন?দুই নেত্রী না থাকলে এবং পরিবারতন্ত্র না থাকলে হয়তো বা দেশটা এতোদিনে সোনার পাকিস্তান কিংবা সত্যিকারের সোনার বাংলা হয়ে যেতে পারতো।
যে চোর সে সবসময়ই চোর, ভালো কথা বললে ও চোর, খারাপ কথা বললেও চোর- সৎগুন থাকলেও চোর।
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ অনিক।ঠিক, ঘোড়ার ডিম
জানলাম আপনি ব্যস্ত মানুষ। সৌজন্য ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ গিয়াস আহমেদ।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ বাতায়ন।
অন্ধত্বের কথা জানিয়ে যাবার জন্য ধন্যবাদ বড় ভাবীকে।
শেখ জলিল বলেছেন:
৫ দিলাম।
িবষাক্ত বলেছেন:
............PROSHONGSHA..........
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ শেখ জলিল এবং িবষাক্তকে।
ফয়সল নোই বলেছেন:
অনেক দিন পর লেখাটা চোখে পড়লো।মন্তব্য না করে পারছি না!বিশেষতঃ লেখকের ব্যক্তি সচেতনতার যে পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে তা বিরল।এই পরিচয়,লেখকের প্রতি অনেককে শ্রদ্ধা সম্মান প্রদর্শনে উৎসাহিত করবে নিঃসন্ধেহে।আমারও ওধরনের বোধ জাগতে জাগতে কয়েকটি প্রশ্ন মনে এসেছে।প্রশ্ন জেগেছে মানে,লেখাটি থেকে কয়েকটি প্রসঙ্গ বাদ পড়েছে বলে মনে হলো।
ক.১৯৮১-৯০ পর্যন্ত দেশে কোন দুর্নীতি হয়নি?লেখক কী যুক্তিতে বলছেন...
'আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা কেউ আইন বিচারের উর্দ্ধে নই। দেশের মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে সবাইকে বিচারের সন্মুখীন হতে হবে। খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, নিজামীদের অন্যায়ের যেমন বিচার হবে, বর্তমান সরকার অন্যায় করলে তাঁদেরও বিচার হবে। ১৯৯০-২০০৬ এদের বিচার হয়নি আজ হচ্ছে, তেমনি অন্যদেরও হবে, কখনও কোন এক সময়। আর তাই বর্তমানের সমালোচনায় অন্ধ হয়ে আমরা অতীতের অপরাধীদের ক্ষমা করতে পারিনা। '
৮১-৯০ বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলে পরের প্রশ্নটা না করলেও হতো।তা হচ্ছে:
খ.লেখক যখন বলেন...'এই যে দাসত্ব. এই যে বিশ্বস্ততা, তারপরও দলীয় সর্বোচ্চ পদটি কখনও তাদের নয়, সেটি বরাদ্দ পরিবারের কোন সদস্যের জন্য। একে গনতন্ত্র বলে? গনতন্ত্রের নামে এমন অনাচার চলবে, এই স্বপ্ন বুকে নিয়ে ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ মানুষ দেশের জন্য শহীদ হয়েছিলেন?
এই অন্ধ কৃতদাসেরা এমন কান্ডজ্ঞান শুন্য হয়ে পড়ে যে নিজের বিবেক, রুচীর সাথে সাথে মনুষত্ব হারিয়ে ফেলে। রাজনৈতিক ভাবে যে দলেরই সমর্থক হোক, বাংলাদেশি হলে এই দেশের মাটি ও মানুষের জন্য শেখ মুজিবর রহমান ও জিয়াউর রহমানের অবদান অস্বীকার করা যাবেনা। গত ৩৭ বছরের ইতিহাসে আমাদের এই ছোট্ট গরীব দেশটি কোন রাষ্ট্র প্রধানের সত্যিকারের ভালোবাসা পেলে তা পেয়েছে এই দুজনের কাছ থেকে। রাজনৈতিক দোষ হয়ত তাঁদের কিছু ছিলো তবে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁদের ছিলো নিখাদ ভালোবাসা, গভীর মমতায় তাঁরা এই দেশটিকে বুকে ধারন করেছিলেন সেকথা সত্যবাদী মাত্রই স্বীকার করবে। '
...এখানে দুইটা প্রশ্ন জাগে মনে,লেখককি আদৌ গণতন্ত্রকামী?দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হাসিনা -খালেদার কোন ভূমিকা কী স্বীকার করেন লেখক?তার উল্লেখ কোথায়?আর মানুষের মিছিলে যাওয়া,আন্দোলনে শরিক হওয়া,কারো নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া মানে কী শুধুই-
...'২৮ শে অক্টোবরের মিছিলে লগী বৈঠা হাতে কেন সজিব ওয়াজেদ ছিলোনা? লগী বৈঠার জবাব যারা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দিয়েছিলো, তাদের মাঝে কেন গোলাম আযম বা নিজামীর সন্তানেরা ছিলোনা? 'হিরক রাজার দেশের সেই প্রজাদের মতো মগজধোলাই করা এদের বন্ধ্যা মস্তিষ্কে এসব ভাবনা আসেনা। এসব নেতা নেত্রীদের পুজো করেই এই অন্ধ পূজারীরা আত্মতৃপ্তি লাভ করে।পথের কুকুরের দিকে উচ্ছিষ্ট রুটি ছুঁড়ে দেয়ার মতো, এসব নেতা নেত্রীরা এদের দিকে দুই পয়সার অন্যায় সুবিধা, সামান্য কটি কালোটাকা, অথবা সীমিত কিছু ক্ষমতা ছুঁড়ে এদের কৃতদাস বানিয়ে নেয়। '...এই বক্তব্যের মাধ্যমে এঁকে ফেলা সম্ভব?আমার মনে হয়না!
(লেখক রাজনীতির সঙ্গে গণতন্ত্র,দুনীর্তিবাজ নেতা গুলিয়ে দেশের জন্য প্রকৃত রাজনীতিবিদদের অবদানের কথা ভুলে গেছেন,বা এড়িয়ে গেছেন।কিংবা অধিকার আদায়ের জন্য মিছিলে নামা সব মানুষই পথের কুকুর বা কুড়ানো রুটি পেতে আসে !?)এধরনের আলোচনায় গড়ে কথা বললে তথাকথিত রাজনীতিবিদদের মতোই গড়ম বক্তব্য দেয়া যায়! জনপ্রিয় কথা বলা যায়, যা জন সচেতনতায় হয়তো কাজে আসে,কিন্তু সমাধানের পথ কমই বাতলায়! এই লেখাটিতে লেখক ধরেই নিয়েছেন,তিনি চূড়ান্ত সঠিক কথাটি বলে দিচ্ছেন।যার বিরুদ্ধ মত থাকা অসম্ভব!(গণতন্ত্রের মর্ম মর্মে না জাগলে এটা হয় বোধ হয়।)
কিন্তু প্রতিটি ঘটনারই পৃথক প্রেক্ষাপট থাকে,সূত্র থাকে মানে কার্যকারণ থাকে যার সমাধান সব সময়ই মোটা দাগে বলে ফেলা অসম্ভব হবে। এই তুমুল সংবর্ধিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার সোয়া বছরে সব সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে!?তাদের আন্তরিকতা নিয়েত প্রশ্ন অনেকেই করেন না!
গ.এই লেখাটায় সুযোগ সন্ধানী রাজনীতিবিদদের ক্ষতিকারক ভূমিকার কথা আসলেও সমাজের একটা শ্রেণীর কথা আসেনি,তা হলো স্বার্থপর সেই যুব শ্রণীর কথা,শিক্ষিত,রুচিবান,দুরদর্শী,বুদ্ধিমান।কিন্তু এই কিছু দিয়ে শুধু নিজেরটাই বুঝতে পারেন তিনি!দেশ ও দশে তার বড়ই অরুচি!মিছিল-শ্লোগান তাকে খুবই বিরক্ত করে!ওসব দেখলে তার বাঁকা হাসি খেলে যায় ঠোঁটের কোনে!!!
আমার কখনো মনে হয়,দেশের ক্ষতি এই দায়িত্ব এড়ানো,স্বার্থপররাই করেছে!তারাই সুযোগ করে দিয়েছে দেশের এই সর্বনাশ করার!!!
লেখক বলেছেন: ![]()
ক. "১৯৮১-৯০ পর্যন্ত দেশে কোন দুর্নীতি হয়নি?লেখক কী যুক্তিতে বলছেন..."
- কোন যুক্তিতেই লেখক এমন বলেননি। দুর্নীতির বিচার প্রসঙ্গে পোস্টে সময়ের উল্লেখ এসেছে, দুর্নীতি হওয়া না হওয়া প্রসঙ্গে নয়।
খ. পোস্টের মূল বক্তব্য যে আক্ষেপ থেকে মন্তব্যের এই অঙশটি আবারো তা তুলে ধরেছে। জিয়াউর রহমান আর শেখ মুজিবর রহমানের নাম এলে, বা তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ আসা জরুরী হবে কেন। তাঁরা তাঁদের অবস্থানে আছেন। বাংলাদেশের গণত্নত্রে তাঁদের অবদান কোনভাবে অস্বীকার করাহয়নি :-)
গ. মিছিল শ্লোগানে অরুচি হলে তাঁদের কি খুব দোষ দেয়া যায় ফয়সল নোই?
কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার এবং মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
মুছে ফেলুন
ফয়সল নোই বলেছেন:
আরো একটা প্রশ্ন বাদ পরে গেছে তা হলো, রাজনীতিবিদরা যেহুতু এতোই খারাপ,তাহলে দেশ চালানো উচিত কার?আপনি এই বিষয়ে কিছু বলেন নি।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আপনার পোস্ট পড়া শুরু করেছি। সবগুলোই শেস করব। কোন কোনটিতে হয়ত কমেন্ট করব না।
আমার একটি সিরিজের প্রথম পর্ব এখানে । বাকীগুলোর লিঙ্ক প্রতিটি পর্বেই রয়েছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















