আমার প্রিয় পোস্ট

ভস্মীভূত স্বজনের ধ্বংসস্তুপ আর মায়ের লাশের উপর শকুনের নৃত্য!!

০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫৭

শেয়ারঃ
0 6 0

মা এমনই একজন, যাঁর সাথে সম্পর্ক এই পৃথিবীর আলো দেখার অনেক আগে থেকেই। মার শরীরের নির্যাস তিল তিল করে শুষে আমাদের এই রক্ত মাংশের শরীর, এই অস্তিত্বের সৃষ্টি।

ছোট বড় সকলের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অস্তিত্ব, অনুভূতি আর ভালোবাসার নাম মা। যে মায়ের কাছ থেকে শুধু বছর নয়, বরং সপ্তাহ বা মাস কালের বিচ্ছেদও দুঃসহ কষ্টের মনে হয়, তাঁর মৃত্যু কতোখানি যন্ত্রণার হতে পারে তা মানুষ মাত্রই বুঝতে পারে।

যে মেয়েটি বধুর সাজ নিয়ে ফিরে দেখে হাতের মেহেদীর রং কে ম্লান করে জ্বাজল্যমান অগ্নিকুন্ড গ্রাস করেছে তার পরিবার, সজন এমনকি জন্মদাত্রী মাকেও.. সেই বধুর সাজ তার জন্য কতোখানি কষ্টের তা অনুধাবনের জন্য কোন অসাধারণ বা সুক্ষবোধের প্রয়োজন পড়েনা। যে ছেলেটির ঘর সাজাবার স্বপ্ন চোখে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে তার মা অঙ্গার হয়ে ফিরে, সেই ছেলেটির কি তখন বিয়ের সাজে সাজার মতো মানসিকতা থাকে? ভাগ্নের বিয়ের আয়োজনে প্রথম অনুষ্ঠানে গিয়ে ভস্ম হয়ে ফিরে খালা, ফুপু আর তাঁদের ছোট শিশু সন্তান! সজন হারানোর কষ্ট, মাকে হারানোর কষ্টের কাছে ম্লান হয়ে যায় পৃথিবীর আর যতো উৎসব, আয়োজন।

ঘৃনা প্রকাশের যে সীমা থাকে তা আজ যেভাবে বুঝতে পারছি, এমন করে আর কখনও হয়নি..


মানুষ লোভ, নোংরামী আর স্বস্তা প্রচারের কারনে কতো নীচে নামতে পারে, এক ভয়াল রাতের অগ্নিকুন্ড ১২২ টি নীরিহ প্রাণ কেড়ে আর ৩৭ জনকে অগ্নিদগ্ধের তীব্রযন্ত্রণায় আক্রান্ত করে আমাদের জানিয়ে দিয়েছে। সেই অগ্নিকুন্ড আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছে সে যতো না পোড়ায় তার চেয়ে ঢের বেশি দগ্ধ করে, ছারখার করে আমাদের নর্দমার কীট রাজনীতিবিদেরা...


হতদরিদ্র দেশে এক আবেগ কে সম্বল করেই আমাদের অধিকাংশের বেঁচে থাকা, আমরা নিজেদের দায়িত্ব কর্তব্য ও সচেতনতা থেকে পলায়নপর মনোভাবের কারণেই যেন বোধবুদ্ধি বিসর্জন দিয়ে এই আবেগে ডুবিয়ে চোখ বুজে থাকি! সাধারণ মনুষত্ববোধও যে আমরা হারিয়ে ফেলছি তা অনুধাবনের বোধটুকু আজ আমাদের নেই।



বিয়ে মানে নতুন জীবনের শুরু, চোখ ভরা স্বপ্ন আর বুক ভরা আশা নিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনার আনন্দময় উদযাপন...বিয়ে তথা, নতুন জীবন গড়ার সময়টি মানুষ শুধু আনন্দ আর সুন্দর স্বপ্ন দিয়ে উপভোগ করতে চায়, দুঃস্বপ্নের চেয়ে ভয়াল বাস্তবতা আর শোকের মাতমের মাঝে নয়।দীর্ঘদিন পূর্বে কারো বিয়ের দিনধার্য থাকা সত্ত্বেও সেই সময়ের কিছু আাগে কারো বাবা মা, এমনকি ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের মৃত্যু হলেও সেই শোকেরে মাঝে উদযাপন না করে পূর্বনির্ধারিত দিনটি পিছিয়ে দেয়া হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রে।

যেখানে সজনের লাশের পোড়া গন্ধে এখনও বাতাসে ভেসে বেড়ায়, ঘড়ের দেয়ালে আজও চক চক করে এঁটে আছে মৃত মায়ের বিচ্ছিন্ন মাংশপিন্ড, বাঁচার আকুতি নিয়ে অসহায় ভাবে গগনবিদারী আর্তনাদ করেছিলো কিছু আগেও আনন্দে মুখর এক ঝাঁক মানুষ, একটু কান পেতে শুনলে তার প্রতিধ্বনিটি হয়তো এখনও কানে বাজে- এমন সময় উৎসবের ভাবনা শুধু মানসিক বিকারগ্রস্থ উন্মাদের পক্ষেই সম্ভব। সজনহারা পরিজন বিশেষ করে মাতৃহারা সন্তানের জন্য এসময়টা বিভীষিকাময়। পৃথিবীর কোন সুন্দর এসময় দৃষ্টিনন্দন নয়, কোন আনন্দ এসময় হাসি ফোটাতে পারেনা, উৎসবের আয়োজন এসময় নরক যন্ত্রণার মতো মনে হয়...

অথচ.. এমন দূর্ভাগ্য আমাদের!
সদ্য সজনহারা দুটি এতীম মেয়ে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতির নোংরা খেলা! এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা!
নিজেকে মহৎ বা মহতী প্রমাণের এই মোক্ষম সুযোগটি হাত ছাড়া করত চাইছেনা নষ্ট নেতৃবৃন্দ, দেশের ভাগ্য চাকা হাতে নিয়ে জনগনকে বানিয়েছে ক্রীড়ানক বানিয়ে খেলছে এরা! এই সুযোগ লাভের আনন্দে এরা এতোটাই আত্মহারা যে এটা কতোখানি বিভৎস ভাবনা ও বিকৃত রুচীর প্রকাশ তা অনুধাবনের বোধটুকু এদের নেই।
আর বিবেকবুদ্ধি হারিয়ে দিনে দিনে মানসিক ভাবে শিখন্ডী হয়ে উঠা আমরা এই উৎসব দেখে যাই বোবা জড় পদার্থের মতো!

অগ্নকিান্ডে এতীম হয়ে যাওয়া ছোট্ট শিশুদের মাথার উপর আশ্রয়ের ছায়া নয়, অগ্বিদগ্ধ হয়ে স্ত্রী, সন্তান, ভাতৃবধু আর ভাইয়ের সন্তান হারা, আবাস আর জীবিকা হারানো অসহায় মানুষটির পাশে নয়, শরীরে অঙ্গার ধারন করে মরণযন্ত্রণায় ছটফট করা রুগীটির পাশে নয়.... ভয়াবহ এক অগ্নিকান্ডে সদ্য মাতৃহারা, সজন হারানো ছেলেমেয়েদের বিয়ের বাদ্য বাজিয়ে সেই তালে বোধশক্তিহীন জাতিকে নাচানোর এক বিকৃত খেলায় মত্ত তারা। শোকাতুর পুত্র কন্যাদের কাছে এই মুহুর্তে বিয়ের সানাই যে মৃত্যুর ডংকার মতোই ভয়ংকর, তা বোঝার মতো বোধটুকু এদের নেই!
শ্যাওলাপড়া বিবেকের অধিকারী এসব ক্রীড়াবিদদের ঘিরে থাকে জেলীফিশের পাল, এসব মেরুদন্ডহীনেরা তাদের তোষামোদের গান গেয়ে প্রচার করছে এ কতো মহতী উদ্যোগ, এসব বিকৃত খেলার দুর্গন্ধকে মহত্ত্বের সুবাতাস হিসেবে প্রমাণ করতে চাইছে এই নরাধমের দল।

ক্ষমতা আর প্রভাবের নগ্ন প্রকাশের কাছে শোকাতুর তিনটি প্রাণের অসহায় আত্মসমর্পন।
আমার জানা নেই আজ তাঁরা তাঁদের এই বেঁচে যাওয়াকে অভিসম্পাৎ করছেন কিনা! এভাবে ক্ষমতার হাতের পুতুল হয়ে সজন হারানোর শোক পালনের অধিকারটুকু তাঁদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে, এর চেয়ে হয়তো পরিবার পরিজনদের সাথে ভস্মীভূত হলেও কষ্ট কম হতো.. এমন ভাবনা তাঁদের কাতর করে কিনা তা কখনও জানা হবেনা!!
অক্ষম মেরুদন্ডহীন নপুংসক জাতির হয়ে এই তিনটি প্রাণের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাই.... তাঁদের এমন দূর্ভাগ্য, অসহায়ত্বের জন্য নীরব দর্শক আমরা দায়ী।

এই অমানবিকতা আর বিভৎস ভাবনার প্রচারলোভী মানুষ রূপী হায়নাদের প্রতি ঘৃনা জানাতেও কুন্ঠা হয় কারণ ঘৃণা প্রকাশেরও সীমা আছে! এদের এধরনের নির্মমতা ও বিকৃত আনন্দের প্রতি ঘৃনা জানাবার ভাষা জানা নেই.. শুধু অভিসম্পাৎ করতে ইচ্ছে করে এই কুলাঙ্গারদের যারা মানুষের শোকের মাতম, মানুষের সর্বনাশ নিয়ে রাজনীতির হোলী খেলা খেলে!!

শৈশবে বড়দের কেউ মজা করে আকাশে ছুটে যাওয়া রকেট বা চাঁদের বুড়ি দেখানোর ছলে বলতেন, “দেখো ‌ঐইই..........ই যে দূরে দেখা যায়!!” কেউ যেন বোকা মনে না করে তাই খেলার সাথীদের কেউ কেউ তাতে সন্মতি দিয়ে বিজ্ঞের মতো মাথা নেড়ে সায় দিতো; “ ঐ যে.. দেখছি” তাদের কেউ শুধু চাঁদের বুড়ি নয়, তার হাতের চড়কা এমনকি ফোকলা দাঁতের হাসিটিও স্পষ্ট দেখতে পেতো.. আমি শুধু বোকা মেয়েটির মতো অসহায় ভাবে প্রশ্ন করে যেতাম; “কোথায় রকেট? কোথায় চাঁদের বুড়ি?”
কয়েক দশক পেড়িয়ে আজও নিজেকে সেই অসহায় বোকা মেয়েটির স্থানে খুঁজে পাই! এই আয়োজনে মানবতাকে খুঁজে ফিরি, তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তার সন্ধান মিলেনা! আজও কেউ কেউ বলে উঠে; "ঐ যে দেখা যায় মানবতা!"
আমি দেখি, শুধু মায়ের পোড়া লাশ, সজনের ভস্মীভূত ধ্বংশ স্তুপে শকুনের নৃত্য, সেখানে শোনা যায় হায়নার পালের বিকৃত উল্লাস!!

ধিক!! শত সহস্র ধিক এই হায়নার পালের প্রতি!!

ইতিহাস একদিন এই বিভৎস উৎসবের প্রতিশোধ নিবে!!

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবদুল মুনেয়ম সৈকত ।

২. ০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৩
ধীবর বলেছেন: মানবি, যে কথাগুলি আপনি লিখলেন, সেটা মেরুদন্ডহীন বংশবদ অন্ধ স্তাবকদের মুখে ঝাটা পেটার মতই। সেটা একদিকে যেমন সময়োপযোগি, তেমনি হাজারো মানুষের মনের কথাও বটে! এই সাহসিকতার জন্য আপনার প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম। +++
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: কিছু দিন পূর্বে যখন জামাত যখন এই উদ্যোগের কথা বলেছিলো, তাদেরকেও এমনই বলেছিলাম, আজ তাদের বিপক্ষ দল একই কাজ করছে আমার অনুভূতিটিও অভিন্ন।

আমাদের মনুষত্বহীণতা কোন পর্যায়ে নেমে গেছে তা দেখে শিউরে উঠি! আতংকিত হই!

আপনাকে ধন্যবাদ ধীবর।

৩. ০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: সবকিছুতে রাজনীতি বের করাটা বাঙ্গালীর একটা চিরপূরাতন অভ্যাস। যাদের স্বজন হারিয়েছে একবছর পরে তাদের বিয়ে হলেও তারা অন্তত এই বিয়ের সময় আনন্দ পেতেন না এই ভয়াবহ স্মৃতিকে মনে করে। আর সেটা মনে পড়তো অবশ্যই।

কুসংস্কারচ্ছন্ন এই দেশে প্রধানমন্ত্রী সঠিক কাজটিই করেছেন, তবে আড়ম্বর আপাতত পরিহার করা যেতো। পরে কোন একসময় আলাদা করে অনুষ্ঠান করা যেতো।

আপাতত আপনাকে মাইনাস দিলাম।
৪. ০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:২০
তুষারকনা বলেছেন: আজকে পত্রিকায় মেয়েদুটোর গায়েহলুদের ছবি দেয়া হয়েছে.....মনে হচ্ছে দুইটা কাঠপুতুল বসে আছে...এমন দূর্ভাগ্য যেনো আর কারো না হয়.... এতোগুলো মানুষ মারা গেলো...অথচ একটু কাঁদারও অধিকার নেই এদের....
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: কাঠের পুতুলও হয়তো এঁদের চেয়ে ভাগ্যবতী, পুতুলদের শোক নেই, কষ্ট নেই।

সজনহারা বিশেষ করে মাতৃহারাদের কি ভীষণ কষ্ট তা কেবল মানুষ নয়, পশুও বুঝতে পারে। শুধু হায়নার পাল আর তাদের মগজধোলাইকৃত মেরুদ্ন্ডহীণ ক্রীতদাস ছাড়া। ঘৃনা তাদের সকলের প্রতি।

অনেক ধন্যবাদ তুষারকনা।

৫. ০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:২৬
সাইফুল আলম সারোয়ার বলেছেন: একদম মনের কথা গুলোই বলেছেন।
কিন্তু যারা এই নোংরামী করছে তাদের কাছে কি এসব কথা পৌছাবে ?
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: পৌঁছে কোন লাভ নেই, মনুষত্ববোধটা উবে গেলে কিছু করার থাকেনা। আর তাদের কাছে পৌঁছানো উদ্দেশ্য নয়, নিজের বিবেকের দংশন আর কষ্টটা লেখায় বেঁধে রাখা মাত্র।


আপনার ভাবনার সাথে মিলে গেছে জেনে ভালো লাগলো।
আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অণৃণ্য।

৭. ০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৩৮
লাল দরজা বলেছেন: একদম এক্ষুনি এই মুহুর্র্তে এমন হৈ চৈ করার কি ছিল বুঝতে পারি না। অবাক হয়েছিলাম শুনে! এর ভেতর যে স্টান্ট মারার চেষ্টা আছে এনাদের হম্বিতম্বিতে মনে করতে বাধ্য হচ্ছিলাম। আবার ভাবছিলাম প্রধান মন্ত্রী নিশ্চয় আন্তরিক ভাবেই মেয়ে দুটিকে দুঃখ ভোলাতে চেয়েছিলেন। তবে টিভি অলাদের অতি উৎসাহ আর তৈলবাজদের চাটুকারিতায় সৎ উদ্দেশ্য মাঠেমারা যেতে বাধ্য।

মেয়ে দুটির দুঃখ লাঘবই যদি উদ্দেশ্য হয়, তাহলে সম্পূর্ণ ব্যাপারটি নিরবেই ঘটতে পারত। প্রধান মন্ত্রী মেয়ে দুটিকে নিরবে আশ্রয় দিয়ে আগলে রাখতে পারতেন। উদ্দেশ্য তো ওদের কষ্ট লাঘব, সেটার জন্য কি এমন রয়েল বেঙ্গল সার্কাসের আয়োজনের কোন মানে আছে!

এই বিয়ের সংবাদটি কমশঃই তামাশার মত লাগছিল। বরাবরই এ কয়দিন এসব দেখতে হবে বলে এড়িয়ে গেছি, কিছু আর ভাবতে ইচ্ছে করছিল না। আপনি সেটা মানতে পারেন নাই বুঝছি। কিছু কথা নির্মম ভাবে বলে দিয়েছেন।

স্যালুট।
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: বিকৃত উল্লাসের এই তান্ডব অসহনীয় মনে হয়েছে... সেই সাথে বিবেক বর্জিত ক্রীতদাসদের অন্ধ প্রভূভক্তি আর ইনিয়ে বিনিয়ে বন্দনা!! তাই লেখার আশ্রয় নেয়া..

আমারও মনে হয়েছে মেয়ে দুজনকে কিছু দিন কাছে রেখে যৌক্তিক সময় পর এই আয়োজন হলে সাধুবাদ দেয়া যেতো.. যদিও তাঁদের কাছে বিয়ে নামের অনুষ্ঠানটি আড়ম্বরপূর্ণ উৎসব হতে অনেক কাল সময় নিবে। তাড়া করে ফিরবে নীমতলীর সেই দুঃস্বপ্নের মতো বাস্তব, এখন থেকে হয়তো তাড়া করে ফিরবে আজকের প্রহসনের এই দুঃস্বপ্ন!

মজার ব্যাপার হলো দুটি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দল এই ইস্যুতে একই সুরে মানবতার জয়গান গেয়েছে!!
মায়ের মৃত্যু, সজনের আহাজারী, ঝলসে যাওয়া শরীরের আর্তনাদ আজ আমাদের রাজনীতির মন্চে নাটকের স্ক্রীপ্টের চরিত্র মাত্র।

আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

৮. ০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
রেজোওয়ানা বলেছেন: আজ খবরের কাগজে (মনে হু ইত্তেফাক) দেখলাম জনৈক মন্ত্রী দু'বোনের বিয়ের জন্য গয়না কিনছেন দোকান থেকে সেই ছবির স্বাড়ম্বর প্রকাশ। আর বিস্তারিত খবরের মধ্যে মূখ্য বিষয় হলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোন কোন ব্যাক্তি বিয়ের কেনাকাটা আর অনান্য কাজ করবে তার বিবরণ।

ব্যাপারটা তামাশার শেষ পর্যায়ে নিয়ে এরা.........
০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: ‌একসময় ভাবছিলাম এই তিনজনের কষ্ট বুঝতে কি নারী হতে হয়? উপরে কয়েকজন বিবেকবানের মন্তব্য পড়ে জানলাম.. শুধু মানুষ হলেই হয়।


মৃত্যুকে, শোকের মাতমকে কিভাবে তামাশা বানাতে হয়, আমাদের দেশের নষ্ট রাজনীতিবিদেরা সে বিষয়ে পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে!

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

০৯ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।

১০. ০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০০
সুরঞ্জনা বলেছেন: মানবী তোমার বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। ঘৃনা জানাবার ভাষা আমার নেই। এদেশের রাজনীতিকদের আমি ঘৃনা করি, ঘৃনা করি নিজেকেও, মানুষ হয়ে জন্ম নিয়েও মানুষের জন্য কিছু না করতে পারা, অন্যায় দেখেও মুখ বুঁজে থাকার জন্য নিজেকেই ধিক্কার দেই। ধিক্কার দেই আমার জন্মকে। চারিদিকে বিকৃত রুচির মানুষ রুপি পশুদের উল্লাস, মনে হয় এক টুকরো মাংস নিয়ে জন্তুদের কামড়াকামড়ি। অনুভুতির প্রকাশের জন্য তোমায় অনেক ধন্যবাদ মানবী।
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: শুধু রাজনীতিকদের কেনো, তাদের অন্ধ সমর্থক তোষামোদকারীদের প্রতিও তীব্র ঘৃনা ও ধিক্কার!! এই কুলাঙ্গারের পালের কারনে ক্ষমতার অতি উঁচু আসনে বসে থাকা এসব নেত্রীদের মনে বিভ্রমের সৃষ্টি হয়। এই চাটার দল এসব নেতা নেত্রীদের অন্যায় "হ্যাঁ"তে সুর মিলিয়ে প্রচারে মেতে উঠে, সাধারনের মাঝে মিশে থেকে নষ্ট রাজনীতির বিষ বাস্প ছড়ায়।।

নিজেকে কেনো ধিক্কার দিবেন আপু? ঘৃনা এই কুলাঙ্গারের পালের প্রতি।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১১. ০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩০
গোল্ড ফিশ বলেছেন: আমি আপনার মতো এত গভীর ও ব্যাপক চিন্তা করি নি...কিন্তু খবরটা পড়ে আমার খুব অবাক লেগেছে...আমি কিছুটা সময় স্তম্ভিত হয়ে বসে ছিলাম...আমি অনেক পজেতিভ ভাবে চিন্তা করতে চেষ্টা করেছি কিন্তু মন থেকে সায় মেলেনি...আমি অনেক ব্যাপারেই আপনার সাথে এক্মত...তবে আর একটা অপশন হতে পারতো যে বিবাহের অনুষ্ঠান টা পরে করতে পারতো...জা হোক এভাবেই চলেছে।।আর সামনের দিন গুলোতেও হয়তো এভাবেই চলবে... :(
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন: এই পোস্টে উদ্যোগটি সম্পর্কে প্রথম জানারপর থেকে আমিও এর মাঝে মানবতার অস্তিত্বের সন্ধান করে গেছি!! সময়ের সাথে খেলোয়ার পাল্টেছে, বিকৃত খেলাটি অভিন্ন আছে!!

ধ্বংসস্তুপ আর লাশের উপর শকুনের পাল মানবতার বোল তুলে তান্ডব করে যায়, আর সাধারণ জনতা এর মাঝে মানবতার সন্ধান করে ফিরে বার বার ব্যর্থ হয়।

অব্যক্ত ঘৃনা আর ধিক্কার ধারন করে গুমড়ে মরে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১২. ০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৮
জুল ভার্ন বলেছেন: শকুনিরা যা করছে-তা নিতান্তই আই ওয়াশ! মিডিয়া গড়ম করার অপচেস্টা। একটা মানুষ কতটা হিপোক্রাট হলে কতোটা অমানুষ হলে মা সহ দুই পরিবারের ৪১ জন স্বজনের লাশের উপড় দাঁড়িয়ে "কণ্যাদান" করে "মহৎ" হবার বাসনা পোষন করেন, ভবিষ্যত ভোটের রাজনীতি মসৃন করতে স্বপ্ন দেখতে পারে-ওদের প্রতি শুধু করুনা, শুধু অভিসম্পাত! ঐসব "শিয়াল পন্ডিত"দের কুম্ভীরাশ্রু দেখে যারা উল্লাশ করে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে। শত ধিক এই ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের।

+
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: দূর্ভাগ্যজনক হলো এটা আসলে মানুষের কাজ নয়, একপাল মানুষের কাজ। কয়েকদিন আগে আরকেটি দল এমন উদ্যোগ নিয়েছিলো জেনে নিন্দা জানিয়েছিলাম, ভাবতে পারিনি এমন একটি স্বস্তা তামাশার ক্রেডিট নেবার জন্য প্রতিযোগতিা হবে।

অপ্রিয় হলেও সত্য্ এর জন্য আবেগসর্বস্ব বাঙালী জাতি অনেকাংশে দায়ী। সেই দলের উদ্যোগকে বাহাবা দেবার মতো লোকের অভাব ছিলোনা, এই দলের উদ্যোগকে সঠিক মনে করার মতো লোকের অভাব নেই।

আমরা বিবেকবোধ বন্ধক দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বন্দনা করি, দায় তো শুধু তাদের একার নয়।

অনেক ধন্যবাদ জুল ভার্ন।

১৩. ০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৮
মিথুন-১ বলেছেন:
আমাদের মনুষত্বহীণতা কোন পর্যায়ে নেমে গেছে তা দেখে শিউরে উঠি! আতংকিত হই!
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: এই শিউরে ওঠা আর আতংক আমাদের অসহায়ত্বের কাছে সমর্পিত হয়ে অবোধ কান্নার রূপ নেয়!!

আমরা বড় অসহায় জাতি।

ধন্যবাদ মিথুন-১।।

১৪. ০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৯
অণৃণ্য বলেছেন:
“দেখো ‌ঐইই..........ই যে দূরে দেখা যায়!!” কেউ যেন বোকা মনে না করে তাই খেলার সাথীদের কেউ কেউ তাতে সন্মতি দিয়ে বিজ্ঞের মতো মাথা নেড়ে সায় দিতো;... একদম ছোট বেলার কথা মনে পড়ে যায়। এসব ভুলে গেছিলাম।


০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: ‌আপনি তখন 'বোকার' দলে না 'বিজ্ঞের' দলে ছিলেন জানতে ইচ্ছে করছে! :-)

আমি তখন এবং আজও বোকার দলেই নিজেকে খুঁজে পাই!!

ভালো থাকুন।

১৫. ০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৩
শাকালাকা বুম বলেছেন: সঠিক জিনিসটি তুলে এনেছেন।
আমরা এমনই দুর্ভাগা জাতি, আমাদের দু:খ-কষ্ট নিয়েও রাজনীতি করতে আমাদের নেতা রা পিছপা হননা।
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: ‌আমাদের দূর্ভোগ আমরা নিজেরাই ডেকে এনেছি.. নিজের বিবেববোধ বিসর্জন দিয়ে আমাদেরই কেউ কেউ এসব নষ্টরাজনীতিবিদদের পদলেহনে আত্মতৃপ্তি লাভ করে বলেই সাধরাণ মানুষের দুঃখ কষ্ট নিয়ে এরা তামাশা করার স্পর্ধা পায়।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৭. ০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৯
সুচিন্তিত মতবাদ বলেছেন: ধিক!! শত সহস্র ধিক এই অপ রাজনীতির সুযোগ সন্ধানী হোতার প্রতি!! +
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধিক!! শত সহস্র ধিক এই অপ রাজনীতির সুযোগ সন্ধানী হোতার প্রতি!


আন্তরিক ধন্যবাদ সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য।

১৮. ০৯ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
শ্রীমান বলেছেন:

১৬ ভরি গহনা কম না...বর্তমান বাজারে দাম প্রায়...৫৭৬,০০০/=
আনুষাঙ্গিক আরো উপহার এবং অন্যান্য খরচ প্রায়-- ২৫,০০,০০০/= কার পকেট থিকা আসছে?

আমি শুনি.. জয় বাংলা, জয় বাকশাল...স্বাগতম রক্ষীবাহিনী...

০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: কার পকেট থেকে আসছে জরুরী প্রশ্ন তবে তার চেয়েও জরুরী প্রশ্ন
"শোকার্ত অসহায় কয়েকজন ছেলে মেয়ের জীবন নিয়ে এই প্রহসন কি খুব জরুরী ছিলো?

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯. ০৯ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
অণৃণ্য বলেছেন: বলতে একটু দ্বিধা লাগলেও আপনি বলেই স্বিকার করছি,ঈদের চাঁদ খোঁজার সময় আমিই অধিকাংশ সময় ঐ মেঘটার পাশে ,শিরিষ গাছের ফাঁকে দেখা যায় বলে সম বয়সীদের বিভ্রান্ত করতাম।(:))
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: ‌আচ্ছা! আপন তাহলে বরাবরই বিজ্ঞজন!! :-)

ধন্যবাদ অণৃণ্য।

২০. ০৯ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: একটা তথ্য জানালে বাধিত হবো- প্রধানমন্ত্রী কি জোর করে বিয়ে দিচ্ছেন?
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: তথ্যটি জানিয়ে আপনাকে বাধিত করার আগ্রহবোধ করছিনা বলে দুঃখিত!


একদিন চরম মূল্য দিয়ে এর জবাব আপনি নিজেই খুঁজে পাবেন(নির্মম হলেও সত্য যে সকলেই তেমনটি পায়), সেদিন এই প্রশ্নের কথা আপনার মনে থাকবে কিনা তা জানা নেই।

২১. ০৯ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৫
গডফাদার০২ বলেছেন: @ দুরন্ত স্বপ্নচারী : এই হতভাগা তিনটি প্রানীর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনার পর না বলার কোন অপশন ছিলো কিনা, সেটা নিয়ে আমর যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

এখন মিডিয়ার বাড়াবাড়ি দেখলেই বোঝাযায়, এটা যতটা না সাহায্য, তার চেয়ে বেশি লোকদেখানো.. ফাকতালে তিনটা এতিম প্রানী (মানুষ বললাম না, কারন তাদেরকে ন্যুনতম মানবীকতা দেখানো হয়নি) সাফার করছে এবং সাফার করবে।

মাঝে মাঝে ভাবি, যদি জামাতের ঐ হারামজাদাগুলো এই বিয়ের খরচ দেয়ার ঘোষনাটা না দিতো, তাহলে আজ আমাদেরকে এই বিভৎস উৎসব দেখতে হতো না।
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।

ভালো সুন্দর কাজে তাদের প্রতিযোগিতা নেই, লোক দেখানো প্রহসন আর নির্মম খেলায় এদের যতো উৎসাহ!


ধিক্! এসব ঘৃন্য রাজনীতিবিদদের, ধিক তাদের অন্ধ সমর্থক, সুপারিশকারীদের।

২২. ০৯ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২১
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: @ গডফাদার০২:

খুবই দূঃখজনক ব্যাপার। প্রধানমন্ত্রী গনভবনে এতিম প্রাণীগুলোকে আটকে রেখেছেন। এবং জোর করে বিয়ে দিচ্ছেন। তীব্র প্রতিবাদ জানাই এই ফ্যাসিবাদের।

ইতিহাস একদিন এই বিভৎস উৎসবের প্রতিশোধ নিবে!!
২৩. ০৯ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৯
নৈশচারী বলেছেন: ঠিক এই কথাটাই মনে হচ্ছিল কাল থেকে এবং আজ পত্রিকায় মেয়ে দুটোর ছবি দেখার পর আরো বেশি করে! একজন মানুষের পক্ষে মায়ের এমন অকস্মাৎ মর্মান্তিক মৃত্যু কোনো অবস্থাতেই দুদিনেই ভুলে গিয়ে এমন ব্যক্তিগত উত্সবে আনন্দের সাথে সামিল হওয়া সম্ভব নয়! অন্তত মানবিক দিক বিবেচনা করে হলেও তাদের কিছুটা সময় দেয়া উচিত ছিল! কিন্তু সেটা তো তখন যখন তাদেরকে রাজনীতি নামক পাশা খেলার ঘুটির চাল হিসেবে বিবেচনা না করে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে! মানুষ আর আমরা আছি কই?
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ‌আমরা সবাই তাদের স্বার্থসিদ্ধির উপলক্ষ্য মাত্র। কে যে কখন তাদের নির্মম পাশা খেলায় হাতের ঘুটি হয়ে যাই...

পুরো ঘটনাটি যেখানে মানবতা পরিপন্থী সেখানে মানবতা কথা বিবেবচনা করবে কিভাবে!! মানবিক বোধ থাকলে তবে তো এই বিবেচনার প্রশ্ন আসে।


ধন্যবাদ নৈশচারী।

০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০৫
লালসালু বলেছেন:
ধিক!! শত সহস্র ধিক এই হায়নার পালের প্রতি!!

ইতিহাস একদিন এই বিভৎস উৎসবের প্রতিশোধ নিবে!!
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: ধিক্কার জানাই এই নিষ্ঠুর প্রহসনের খেলোয়াড়দের প্রতি..

এই দুঃসহ স্মৃতি অতীত হয়ে সুন্দর হোক রুনা, রত্না, জামিলদের জীবন।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬. ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:০০
রোবোট বলেছেন: বিয়ে গুলো একমাস পরে দিলে কি হতো? রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনার উপর আসথা নাই, কিন্তু ব্যক্তি হাসিনা সম্পর্কে ভালো ধারণাই ছিলো।
১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: শেখ মুজিবের খুব ঘনিষ্ঠ বয়ঃজেষ্ঠ একজনকে বলতে শুনেছি; "শেখ সাহেবের মতো ভালো মানুষ হয়না। তাঁর একটিই দুর্বলতা ছিলো তোষামোদ পছন্দ করতেন, সেই তোষামোদকারীর দল তাকে শেষ করেছে"। ব্যক্তি হাসিনা হয়তো আজও তেমনই আছে, তাঁর তোষামোদকারীর দলই এধরনের বিকৃত উল্লাসের জন্য দায়ী।


খুব কাছের তোষামোদকারী নয়, চুনোপুটিদের বন্দনা সঙ্গীতেই কান পাতা দায়। কি ভীষণ যুক্তি এসব উর্বর ভাবনায়!
এক মাস পর বিয়ের কথা বলছেন, এদের সন্দেহ এই এক মাসে রুণা রত্নার হবু স্বামীরা মুখ ফিরিয়ে নিতো!!

হাসবো না কাঁদবো, তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের এমন যুক্তি শুনে!
প্রথমত: প্রধানমন্ত্রী এক মাস কেন, এক বছর পর বিয়ের আয়োজন করলে তা অস্বীকার করার সাহস তাদের আজ যেমন ছিলোনা, এক বছর পরও থাকবেনা।
-মোসাহেব হয়তো তেড়ে এসে জবাব দিবে, "প্রধানমন্ত্রীর কি আর কোন কাজ নেই যে এক মাস পরও এসব রুনা রত্নাদের কথা মনে রাখবে"!! স্তাবক বলে কথা!

আর সব চেয়ে বড় কথা, এই মেয়ে দুটি ধর্ষনের শিকার নয়, বিবাহ পূর্ব সম্পর্কের কারণে কুমারী মাতাও হতে চলছে না যে তাদের ঠিক এই পাত্রেরই দ্বারস্থ হতে হবে, পাত্রের যতোও অনীহা অনিচ্ছা এবং আপত্তি থাক! কি অদ্ভুত মানসিকতা। এরাই অন্য সময় আবার সমাজের অন্ধকার দূর করার কথা বলবে, মৌলবাদ আর কুসংস্কারের বিরূদ্ধে সোচ্চার হয়ে প্রগতীর বুলি আওড়াবে।

সত্যিই যদি এই অনাথ মেয়েদের ভবিষ্যত ভাবনা কারো মনে থাকতো, তাঁরা বিয়ে নয় বরং তাঁদের কর্মসংস্থানের জন্য একটি সন্মানজনক চাকুরীর ব্যবস্থা করতেন। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কারো গলায় জোর করে পরিয়ে দেয়া(স্তাবকদের সুচিন্তিত যুক্তি অনুসারে) মালা নয় বরং আত্মসন্মান নিয়ে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা হতো। প্রধানমন্ত্রী শুধু নয় অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সে ক্ষমতা আছে।
অবশ্য এতে ঢাকঢোল পিটিয়ে অনুষ্ঠান করে মহৎ সাজার সুযোগখানি নষ্ট হতো, স্তাবকরাও বন্চিত হতো তোষামোদ করার সুযোগ থেকে।

ধন্যবাদ রোবোট।

২৭. ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:০৯
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ১। ঢাকা মেডিক্যালে খোজ নিলে জানা যাবে , যতই বলা হোকনা কেন সব ফ্রি, কোন টাকা এলোকেট করা হয়নি, সুতরাং চাইলেই ঔষধ ফ্রি পাওয়া যাচ্ছেনা।

২। নবাবকাটরা এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থ দের তালিকা করার ক্ষেত্রেও শুরু হয়েছে নোঙ্গরা খেলা। দলীয় ... ... ...

৩। আপনার লেখাটার সাথে সম্পূর্ণ একমত আপু। বিয়েটা হয়ে যাওয়া এক হিসেবে উচিত ছিল, খুব কষ্ট পেতে থাকা সব হারানো মানুষ দুটো পাশা-পাশি থাকলো না হয়, কিন্তু তাই বলে গনভবনে আনন্দউতসব করে ???? এভাবে আর এই সময়ে ????
জামাতের ওই সভায় মির্যা জামিল উপস্থিত ছিল, তাকে বলা হয়েছিল সে রাজি থাকলে এই বিয়ের উদ্যেগ নেবে ওই দল... ... সেটা শুনে সহ্য হয়নি আরেকদলের!

এই উদাহরণ যদি সব সময় ঘটতো! যেমনঃ
বি এন পি ঘোষনা দেবে- আজকেই সমস্ত সন্ত্রাসীদের ধরতে চলেছি আমরা;
এই খবর পাওয়া মাত্র শেখ হাসিনা তার সমস্ত ফোর্স দিয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে (তথা নিজের দলের লোকদের ) নেমে পরলেন!

খালেদা জিয়া বললেনঃ আমরা ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে চাই! তাই আজকে থেকে ছাত্রদল বাদ।
সাথে সাথে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা!

জামাত ঘোষনা দিল- আমরাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো, আন্তর্জাতিক ট্রাইবুন্যালে ... ... ব্লা ব্লা
শোনা মাত্র সরকার ঝাপিয়ে পরলো ... ...

হায় !

১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: এক ও দুই নং তথ্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।

তবে জামাতের সেই সভার কথা শুনেই বিরক্ত হয়েছিলাম, এমন ঘোর সংকটে সব বাদ দিয়ে বিয়ের খরচের ভাবনা!! সদ্য মাতৃহারা এক জুটি মায়ের লাশ সামনে নিয়ে বাসর গড়ার স্বপ্ন দেখবে? মায়ের শরীরে ভস্মে হবে তাঁদের নতুন জীবনের সূচনা?

নিজ দলের প্রতি বিশ্বস্ততা আর অন্ধ আনুগত্য আমাদের মনুষত্ব কেড়ে নেয়। তা আবারও প্রমান পেলাম! যে লোক নিজের মায়ের অসুস্থততার কারণে সব কাজ বাদ দিয়ে ঘরে বসে থাকে, আরেকজনের সদ্য মৃত মায়ের লাশের পাশে নিজের বিয়ের সানাই বাজানোর ব্যবস্থায় সেও ধন্যবাদ জ্ঞাপনে মরিয়া হয়ে উঠেছে! অন্ধ সমর্থন বলে কথা!!

জামাত আর আওয়ামিলীগ বলুন অথবা বিএনপি, এসব রাজনীতিবিদদের স্বার্থান্বেষী ভাবনা অভিন্ন। মানবতার সেবার চেয়ে আত্মপ্রচার আর বাহাবা পাবার তৃষ্ণাটাই মূখ্য হয়ে উঠে!
জামাতের ফাঁদে পা ফেলে সরকার বড় একটি প্রহসনের জন্ম দিলো।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৮. ১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:১২
দাসত্ব বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন!
ভোটের আগে ভিক্ষুক রিকশাওয়ালাদের সাথে এমপি ক্যান্ডিডেট রা যেভাবে কোলাকুলি করে সেটার কথা মনে পড়ে গেলো!
জামাত সুযোগ নিতে চাইসিলো যুদ্ধাপরাধের বিচারের আগে ইমেজ তৈরী করার জন্য।
কালের কন্ঠ জানিয়ে দিলো সবাইকে,
ব্যস মহাহিংসুক হাসিনা ঘরপোড়া রুনা রত্না আসমা কে নিয়ে বিয়ে দেয়ার নামে আলু পোড়া খেলো!
থু থু ছিটিয়ে ঘৃণা জানানোর মত নির্লজ্জ রাজনৈতিক ভড়ং!
৫ দিনের ভুখাকে কাঙালী ভোজের একথালা পচা খিচূড়ী দেয়ার সময় ঠিক যেভাবে চামার মানসিকতার নেতারা ক্যামেরার সামনে পোজ দেয় ঠিক সে রকম!
৩ মাস পর তো এদেরকে গণভবনের দারোয়ান রাই দুর দূর করে তাড়িয়ে দেবে!
এই বিয়ে যদি খালেদাও দিতো তাও একই কথা বলতাম।
এতদিন ভাবতাম রাজনীতিবিদরা সবচেয়ে বড় অপরাধী!
এখন বুঝলাম দালাল বদমাইশ গণমাধ্যম ই সবচেয়ে বড় অপরাধী
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: এমন সংকটে বিয়ে নিয়ে জামাত অথবা আওয়ামিলীগ, কারো ঝাঁপিয়ে পড়াটা ভালো লাগেনি!

চ্যানেল ওয়ান, আমার দেশ এমনকি ফেসবুকের প্রতি খড়গ নেমে আসার পর এখন আর গণমাধ্যমকে দায়ী করা যায়না। এভাবে তামাশার প্রতিটি মুহুর্ত ঢালাও ভাবে প্রচার না করা হলে, কখন কোন গণমাধ্যম বন্ধ করে শত শত সাংবাদিকের রুজী বন্ধ হয়ে যেতো বলা যায়না।

রাজনীতিবিদরা অপরাধী, আরো বড় অপরাধী তাদের বিবেক বর্জিত মেরুদন্ডহীন তোষামোদকারীর দল।

ধন্যবাদ দাসত্ব।

২৯. ১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:৩৪
লাইট বলেছেন: jamayat er kono porikolpona chilona, oi doa mahfil e bor mirza jamal kotha bolte giye kede felle, sei doa mahfil er shovapoti rofikul islam tokhoni bolen, bor -kone raji thakle ei biyer daitto nebe jamat. sref ei bepar ta kaler kontho soh sob paper chapay, ei dekhe oi elakar mp sathe sathe PM er sathe kotha bole, jamat ke jeno shujog na dea hoy, othocho jamayat ekhuni ei biyer onushthan kortona, jokhon bor -kone raji hoto ar ato jomkalo utsob o kortona! jamat 65 poribar ke 10'000 kore taka diyeche , koyek bela khabar bitoron koreche , eta niye to rajniti holona !?
jaihok, biye dea ta kharap hoyni , kintu opochoy hoyeche, shoker majhe meye guloke show pz hote hoyeche. etai kharap hoise! lojja jonok hoyeche.

dhonnobad manobi , post ta bibek ke nara diyeche.
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: জামাতের ঘোষণাটি জেনে যখন নিন্দা জানিয়েছিলাম তখন একজন জামাত সমর্থক জানিয়েছিলেন, এভাবে প্রচারের উদ্দেশ্য তাদের উদ্যোগ শুনে অন্য দলগুলো উৎসাহিত হয়ে এমন মহৎ কর্মে এগিয়ে আসবে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে আওয়ামিলীগের এই সুযোগটি লুফে নেয়ায় জামাতের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সফল হয়েছে।

এমন সংকটময় মুহুর্তে বিয়ে প্রসঙ্গে আলোচনাটাই অনুচিত, সেখানে এই আড়ম্বর শুধু ঘৃনার উদ্রেক করে।


পোস্টটি বিবেককে নাড়া দিয়েছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ লাইট।

৩০. ১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:৪৬
'লেনিন' বলেছেন: আপনার কাকতালীয় পোস্টটিতে একারণেই পক্ষপাতের অভিযোগটি করেছিলাম।

মেয়ে তিনটির এই মুহূর্তে বিয়ের আয়োজন করাই একমাত্র সমাধান ছিলো। যদি না বুঝে থাকেন কেনো তাহলে দয়া করে Click This Link এই পোস্টটি পড়ুন এবং সেই পোস্টে আমি মন্তবে‍্য আরেকটি পোস্টে করা মন্তবে‍্যর লিংকও দিয়েছি।

অবশ‍্যই প্রধানমন্ত্রী আপনার অভিযোগকৃত অন‍্যান্য দায়-দায়িত্ব এড়ানোর জন‍্য এইটিকে একটি মোক্ষম সুযোগ হিসেবে নিয়েছে। কিন্তু এই'ই হয়ে থাকে, এরকমটাই হয়। তারপরও মেয়ে তিনটির বিয়ের আয়োজনের কোনো প্রকার বিকল্প ছিলোনা। আর 'টু আরলি' যুক্তিও আসলে এখানে প্রযোজ‍্য নয়। মৃতের সৎকার, আশ্রয়হীনের আশ্রয়, আহতদের চিকিৎসা ইত‍্যাদি যেমন অপরিহার্য তেমনি এই বিয়ের আয়োজনও আবশ‍্যকিয়। দয়া করে চিন্তা-ভাবনা করুন। নিজে যদি মেয়ে হয়ে থাকেন, তাহলে ঐ তিন এতিম মেয়ের অবস্থায় নিজেকে ভাবুন। এক্ষেত্রে আমি প্রধানমন্ত্রীকে কোনো ক্রেডিট দেবোনা। কারণ রাষ্ট্রযন্ত্রের অর্পিত প্রধান হিসেবে এটি তার দায়িত্ব ছিল এবং সেটি করেছেন। আরো যেসব দায়িত্ব আছে সেগুলো অতীত ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা থেকে জানি করবেন না বা লোক দেখানো করবেন।

এই অবশ‍্য করণীয় দায়িত্বটি পালনে প্রচার, বাহবা, জনপ্রিয়তা, অন‍্যসব ঢেকে দেয়ার সুযোগ আছে তাই তিনি লুফে নিয়েছেন ইত‍্যাদি বলে ছোট করতে চাইলে করতে পারি। কিন্তু তবুও করেছেন।

@সোহায়লা রিদওয়ান:
"জামাতের ওই সভায় মির্যা জামিল উপস্থিত ছিল, তাকে বলা হয়েছিল সে রাজি থাকলে এই বিয়ের উদ্যেগ নেবে ওই দল... ... সেটা শুনে সহ্য হয়নি আরেকদলের! "
জামায়াত নাহয় বলেছেই। তাই বলে তাদের করতে দিতে হবে এমন কোনো কথা আছে? স্বাধিনতাবিরোধীদের নিয়ে গঠিত একটি দল এই বিয়ের আয়োজন করেনি সেটাই তো বরং ভালো।
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ‌
আপনার জানাটাই সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে সঠিক এবং আপনার বক্তব্য পড়ে মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে, তাদের মত পরিবর্তন হবে- এধরনের বিভ্রমে আপনি বাস করে আত্মতৃপ্তি লাভ করলেও সাধারণের দৃষ্টিতে তা হাস্যকর!

আপনি যদি পুরুষ হয়ে থাকেন, তাহলে জামিলের স্থানে নিজেকে ভাবুন, আপনার মায়ের মৃত্যুর পাঁচদিনের মাথায় বিয়ে নিয়ে এমন তামাশায় আপনি কতোখানি আনন্দিত ও প্রসন্নবোধ করবেন! মানুষের প্রতি নুন্যতম সহমর্মিতাবোধ থাকলে, এমন ভীষণ কষ্টের সময় বিয়ে নামের এই প্রহসন কাউকে কতোখানি দগ্ধ করে তা অনুধাবন করা যায়।
আমি রত্না ও রুনার স্থানে নিজেক কল্পণা করেছি বলেই এই প্রহসনের প্রতি তীব্র ঘৃনাবোধ করছি। শুধু আমি নই যেকোন সুস্থ বুদ্ধির নারীই এমনটি ভেবেছেন তার প্রমান উপরেই আছে।




৩১. ১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:৫৬
'লেনিন' বলেছেন: "এক মাস পর বিয়ের কথা বলছেন, এদের সন্দেহ এই এক মাসে রুণা রত্নার হবু স্বামীরা মুখ ফিরিয়ে নিতো!!"

বাস্তবতা না বুঝলে এমনই বলা যায়। আপনি আসলে মেয়ে তো?
কূলটা, অপয়া, অলক্ষ্মী - তোদের বিয়ে দিতে গিয়ে পুরো ২০০লোক মরেছে। এই জাতীয় কথা বরপক্ষের মাথায় আসতেই পারতো। নিছক আকাশকুসুম কল্পনা নয়।
অপরদিকে ৪০জন অতি নিকটজনকে হারিয়ে এবং সেই সাথে সব সহায় সম্বলহীন হয়ে কীভাবে তাদের দিন যেতো?

কেউ বলছেন মাতম করার সুযোগ দেয়া হয়নি। মাতম, মার্সিয়া ইত‍্যাদি কোন সংস্কৃতিতে আছে? মুরুব্বিরা বলে থাকেন তিন দিনের মাথায় যদি শোক দূর না হয় তাহলে জোর করে হলেও হাসাতে হবে। গতস‍্য শোচনা নাস্তি হাউমাউ করে যতোই কাঁদেন মৃতরা আর ফিরে আসবেনা। আর সেই বিয়েরা রাতে সব হারানো মেয়েরা না খেয়ে, নিরাশ্রয়ে থাকলে কোনো মানবীর লেখা বের হবেনা।

পরিশেষে আবারও বলি, দুই দলের বাইরে কিছু ভাবতে শিখুন। যতো কলম বা সাহিত‍্যচর্চা করছেন সব তো দুই দলের পক্ষে আর বিপক্ষে ভেবে। আস্তাকূড়ের সাথে আর কতো? চিন্তাধারা এবং মননের গোলামি ছেড়ে একটু স্বাধীনভাবে ভাবতে শিখুন।
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: অত্যন্ত আক্রমনাত্ব মন্তব্য।

আপনার মতো মানসিকতায় নামতে পারলে হয়তো আমিও জবাব দিতাম "আপনি পুরুষ তো? পুঁথিগত শিক্ষা, সার্টিফিকেট আর টেকনিকাল প্রয়োগের বাইরে যে শিক্ষা, সেই শিক্ষায় শিক্ষিত তো? তা না হলে একটি অন্ধকার ভাবনা, একটি কুসংস্কার সামাজিক ব্যাধি কে সযত্নে লালনে এমন মরিয়া কেনো? একজন শিক্ষিত পুরুষ হয়ে যদি কেউ এভাবে হতভাগী মেয়েদের অলক্ষী, অপয়া বলে ছুঁড়ে ফেলার মানসিকতা ধারন না করেন, তাহলে বাংলাদেশের তাবৎ পুরুষকে এমন অন্ধকার মানসিকতার অধিকারী মনে করার কি কারন হতে পারে?
নাহ্, এভাবে বলার রুচীতে না নামাই ভালো।

বরং জানতে ইচ্ছে করছে আপনি সত্যই বাংলাদেশী কিনা! কারণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা সম্পর্কে নুন্যতম ধারনা থাকলে নিতান্ত নির্বোধ না হলে জানে, প্রধানমন্ত্রীর আদেশ অমান্য করে কুলটা, অপয়া বলে কাউকে ফিরিয়ে দেবার দুঃসাহস আজ যেমন কেউ করেনি, আগামী এক বছর পরও করবেনা।


এই অসহায় মেয়েদের জন্য সবচেয়ে ভালো সমাধান ছিলো তাঁদের আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে কোন সন্মানজনক চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেয়া। যা তাঁদের সামাজিক সন্মান ও আত্মবিশ্বাস দুটোই সুদৃঢ় করতে সহায়ক হতো, সেই সাথে তাঁদের বিয়ে করতে আগ্রহীর অভাব হতোনা(আপনার শংকা মতো যদি ধরেই নেই বর্তমান পাত্ররা তাঁদের কয়দিন পরই প্রত্যাখ্যান করতেন!!)

"কেউ বলছেন মাতম করার সুযোগ দেয়া হয়নি। মাতম, মার্সিয়া ইত‍্যাদি কোন সংস্কৃতিতে আছে?"
- এধরনের ভাবনা বা বক্তব্য আমার নয়, তাই এমন্তব্যটি এখানে অপ্রয়োজনীয়।

প্রথমত মানবীর ভাষাজ্ঞানে দুর্বলতা আছে, সাহিত্যগুনের ভীষণ অভাব তবে মানবী যে বাকসর্বস্ব মানব দরদী নয় এই সত্যটি আপনি না জানলেও এই ব্লগের অনেকেই জানেন। সব হারানো মেয়েরা না খেয়ে নিরাশ্রয়ে না থাকলে মানবী কি করতো তা আপনাকে জানাবার রুচীবোধ করছিনা, তবে এটা সত্য মানবীর লেখা বের না হলে 'লেনিন' কোথায় গিয়ে সবজান্তা ভাব নিয়ে আক্রমণাত্বক ভাষায় হাস্যকর সব উপদেশ বিতরণ করবে!!!

আরেকটি কথা, অতীতে কয়েক নর্দমার কীট আমাকে পক্ষপাত দুষ্ট বলায় আমি যেমন পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যাইনি, আজও তার প্রতিপক্ষ দলের তেমন কেউ বললে পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে যাবোনা।

পরিশেষে আমিও বলছি, দয়া করে আয়না দেখা অভ্যাস করুন। তাহলে যুদ্ধংদেহী হয়ে আরেকজনকে অন্যায় ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট বলে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে চোখে পড়বে আপনি কার পক্ষে সাফাই গাইতে লড়াই করছেন! কোন পক্ষের টানে অন্ধ হয়ে প্রলাপ বকছেন! আপনি নিজে কতোখানি পক্ষপাত দুষ্ট!!

আত্মগরীমার অন্ধকার কুয়ো থেকে বেরিয়ে অপরের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে জানলে, যাকে তাকে বিভিন্ন দলের সাথে ট্যাগিং করার, ও হাস্যকর সব উপদেশের প্রলাপ বকার ধৃষ্টতা অথবা বোকামীটা হতোনা।
আলোকিত হোন, শুভকামনা রইলো।

৩২. ১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৬:২০
লুৎফুল কাদের বলেছেন: কিছু বলার নাই, এই সব ভন্ডামি চলতে থাকবে.
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: তবু কিছু বলতে ইচ্ছে করে বিবেকের কাছে স্পষ্ট থাকার জন্য।

ধন্যবাদ।

৩৩. ১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৬:২৮
অ্যামাটার বলেছেন: দারুন।
শুরু থেকেই মনেহচ্ছিল এই মহা তামাশাযজ্ঞে সবাই মজে গেছে। কেউই কোনও প্রতিবাদ করেনি(সাহস পায়নি)।

রত্না-রুনা; তাদের কোনও উপাই ছিলনা আসলে। এমন একটা মুহুর্তে তাদের ক্রিড়ানক দাবার ঘুঁটি বানানো হয়েছে, আপত্তি জানানোর মত যথেষ্ট মানসিক জোর এখন এদের নাই হয়ত। এদের জন্য শুভ কামনা। আর যারা এদের নিয়ে খেলল, টাদের জন্য -শুভকামণা। এদের পরিণতি অশুভই হবে। ইতিহাস ভন্ডদের পক্ষে কথা বলে না।
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: শুরু থেকেই প্রতিবাদ করেছি তো!

রুনা রত্নার ভবিষ্যত জীবনটা যেন সুন্দর সুখে ও আনন্দের হয়, এই দুঃস্বপ্নের স্মৃতি তাঁদের তাড়া করে না ফিরে, প্রার্থণা রইলো।

ধন্যবাদ আ্যামাটার।

৩৪. ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:১০
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: @ লেনিনঃ করতে দিতে হবে কি হবেনা এটা এখন কোন কথা না! বিয়ে দেয়াটা বেঠিক হয়েছে এক্কেবারে, আমি সেটাও বলছিনা , তাই বলে প্রধানমন্ত্রী তার দায়ীত্ব পালন দেখাতে গিয়ে যা করেছেন , সেটা স্রেফ ভন্ডামীর মতই হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যালে গিয়ে দেখেন , কি অবস্থা।
সেখানে এই সেলিব্রেশনের মত করে কিছু করাটা নিষ্ঠুরতার পর্যায় ই পরে! কদিন আগেই যাদের পরিবার এমন বিপর্যয়ের র মুখে পরেছে, তারা সরকারের চাপে না হলে এমন ধুম ধাম আয়োজন কখনো হয়তো মেনে নিতোনা! প্রায় ই পেপারে খবর আসে , বরযাত্রী বাহী গাড়ীর একসিডেন্টে এতো জনের মৃত্যু। বাবা মা... কাছের আত্মীয় স্মজন। সেখানে কি প্রধানমন্ত্রী দায়ীত্ব নিতে যান ? কখনো এমন শোনা গিয়েছে ?? নাকি জামাত কখনো এমন রোড একসিডেন্টে বিপর্যস্থ পরিবারের বিয়ের দায়ীত্ব নিতে গিয়েছিল? আজকে এখানে এত্তো তারাহুরা করে বিয়ে দেয়ার একমাত্র এবং একমাত্র উদ্দেশ্য রাজনৈতিক। কৃচ্ছতা সাধন করা যেত, আয়োজন এ সামাজিক আচার থাকতো কিন্তু অতিমাত্রায় মিডিয়া মূখীতা না থাকতো , দেশব্যাপী প্রচার না করে সম্মানের সাথে দম্পতিদের কল্যান কামনা করে একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠান করা যেত। ঢাকা মেডীক্যালে যন্ত্রনায় ছটফট করা রোগীদের পাশে আরো দাঁড়ানো যেত বেঁচে যাওয়া টাকায় ,ফ্রী মেডিসিনের জন্য টাকা বরাদ্দ করা যেতো... ... ... দেশের রাস্ট্রপ্রধান আর পর্ষদ যদি প্রকৃত কল্যানকামী হতেন, ঘটনা অন্যরকম হতো। আপনি এই ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করতে পারেন। একবার পেপারে দেখেছিলাম, জামাত এর আয়োজনে একশ যৌতুকবিহীন বিয়ের অনুষ্ঠান, সময়টা মনে নেই! যুদ্ধাপরাধীরা কিন্তু তাদের মত করে কাজ করে যাচ্ছে , একটা এমন বিয়ে দেয়া থেকে তাদের বিরত রাখতে পেরে খুশী হয়ে যাবার কারণ নেই। হয়তো আরো একশ অসহায় ছেলে মেয়ের বিয়ের দায়ীত্ব তারা নিচ্ছে যার খবর আমাদের মিডিয়া রাখেনা। সুতোরাং বিরত রাখতে পেরে খুশী না হয়ে বিচার কার্য শুরু করিয়ে খুশী হন।
আমি নিজেও মেয়ে হয়েই এটা বলছি, মানবী আপার জেন্ডার নিয়ে কিভাবে সন্দেহ প্রকাশ করলেন আপনি ???
শোক মাথায় নিয়ে বঊ সেজে টিভি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে পোয দেয়া কোন সুখের আলাপ না! বরং একটা মসজিদে ওদের বিয়ে হতো! ওটা অনেক বেশী শান্তিময় হতো!
৩৫. ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
লেজী ফেলো বলেছেন: লেনিন' বলেছেন: "এক মাস পর বিয়ের কথা বলছেন, এদের সন্দেহ এই এক মাসে রুণা রত্নার হবু স্বামীরা মুখ ফিরিয়ে নিতো!!" বাস্তবতা না বুঝলে এমনই বলা যায়। আপনি আসলে মেয়ে তো? কূলটা, অপয়া, অলক্ষ্মী - তোদের বিয়ে দিতে গিয়ে পুরো ২০০লোক মরেছে। এই জাতীয় কথা বরপক্ষের মাথায় আসতেই পারতো। নিছক আকাশকুসুম কল্পনা নয়।

ভাল বাস্তবতা বুঝেছেন আপনি। এইসব অপবাদ এখন মেয়েদুটাকে শুনতে হবেনা, সে বিষয়ে আপনি মহাজ্ঞানী নিশ্চয়তা দচ্ছেন? সহায় সম্বলহীন মেয়েদের একমাত্র ভরসা বিয়ে? যে স্বামীর ১ মাসের এদিক সেদিক হলেই বিয়ে না করার সম্ভাবনা ছিল, সে স্বামী আজীবন এই স্ত্রী কে সুখী রাখবে?

আর বিয়ে দিতে গেলে যে এই হিন্দি সিনেমার মতো জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করতে হবে এই কথাই বা কে বলেছে? মেয়ে দুটার বিয়ে নিয়ে কারও অভিযোগ আছে বলে মনে হয় না। অভিযোগ এই অস্বাভাবিক দ্রুততা আর অপ্রয়োজনীয় জাকজমক এবং অবশ্যই নির্লজ্জ প্রচার এর বিরূদ্ধে।
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: ""মেয়ে দুটার বিয়ে নিয়ে কারও অভিযোগ আছে বলে মনে হয় না। অভিযোগ এই অস্বাভাবিক দ্রুততা আর অপ্রয়োজনীয় জাকজমক এবং অবশ্যই নির্লজ্জ প্রচার এর বিরূদ্ধে।"

-আমি যদি চোখ, কান বন্ধ করে শুধু চিৎকার করে নিজের মনগড়া কথায় আরেকজনকে দোষারোপ করায় মরিয়া হয়ে উঠি, তাহলে অপর পক্ষ আসলে কি বলছে তা দেখবো বা শুনবো কিভাবে? জানবো কিভাবে?


ধন্যবাদ লেজী ফেলো।
ভালো থাকুন।


৩৬. ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১১
সাফির বলেছেন: লুৎফুল কাদের বলেছেন: কিছু বলার নাই, এই সব ভন্ডামি চলতে থাকবে




একমত
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাফির।

৩৭. ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৯
নাজনীন১ বলেছেন: ভাগ্যিস! বাংলাদেশের টিভিগুলোর চলমান দৃশ্যগুলো এ মুহূর্তে আমাকে দেখতে হচ্ছে না, পত্রিকার ছবি দেখেই বুক কেঁপেছে। অস্থির লাগছে এখনো, কেমন করে সম্ভব এ সময়ে উল্লাস করা!
১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের টিভির চলমান দৃশ্য এমনকি পত্রিকার দৃশ্যও আমি দেখছিনা, শুধু এদের কর্মকান্ডের খবর জেনেই শিউরে উঠেছি। কি ভীষণ অমানবিক আর ঘৃন্যা কাজ করে এরা মানবতার জয়গান গাইছে!
আর আমরাও নিজের বিবেকবোধ বিসর্জন দিয়ে তাতে সুর মিলিয়ে যাই..!

ধন্যবাদ নাজনীন১।।

৩৮. ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫৬
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: প্রধানমন্ত্রীর অশ্লীল রাজনীতি......
১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের অশ্লীল রাজনীতি...

ধন্যবাদ জাতীয়তাবাদী শুভ।

৩৯. ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:২৬
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: বিয়েটা কিছুদিন পর হলে ভাল হত
১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: বক্তব্য এটাই...
এই মুহূর্তে বিয়েটা শুধু অপ্রয়োজনীয় নয় বরং নিষ্ঠুরতাও।

ধন্যবাদ শূণ্য উপত্যকা।

৪০. ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:৩২
সাজিদ বলেছেন: কিছু বলার নাই। যারা কিছুদিন আগে পরিবারের এতগুলো লোককে হারালো তাদের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হচ্ছে দেখি আর হিন্দি গান বাজছে। এর নির্মমতা বুঝার ক্ষমতা অনেকেরই নাই। এতদিন ১৫ই আগস্ট জন্মদিন পালনের বিরোধিতা করতাম। কিন্তু এরপর আর করবো না কারণ এটাই দেশের রাজনীতি। একটি পরিবারের এতগুলো মানুষ মারা যাবার এক সপ্তাহ না যেতেই যদি গান বাজনা করে বিয়ের আয়োজন করা জায়েজ হয়ে যায় শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য তাহলে ঐটাও বাংলাদেশের রাজনৈতিক কালচারের সাথে মানানসই।
১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: "যারা কিছুদিন আগে পরিবারের এতগুলো লোককে হারালো তাদের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হচ্ছে দেখি আর হিন্দি গান বাজছে। এর নির্মমতা বুঝার ক্ষমতা অনেকেরই নাই। "

- সহমত।
লোভ, প্রতিহিংসাপরায়নতা আর ক্ষমতার দম্ভ এদের অন্ধ করে দিয়েছে, এরা নির্মমতার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
এদের বিবেকবোধ শূণ্য মন নির্মমতাকে মানবতা ভেবে তৃপ্তির হাসি হাসছে যা আমাদের হায়নার হাসির কথা মনে করিয়ে দেয়।


ধন্যবাদ সাজিদ।।

৪১. ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৩
'লেনিন' বলেছেন: "না হলে জানে, প্রধানমন্ত্রীর আদেশ অমান্য করে কুলটা, অপয়া বলে কাউকে ফিরিয়ে দেবার দুঃসাহস আজ যেমন কেউ করেনি, আগামী এক বছর পরও করবেনা।"

বিয়ে, প্রেম, সম্পর্ক প্রধানমন্ত্রীর আদেশ-নির্দেশে হয়ে থাকেনা।

আমার স্বাভাবিক ভাষার বক্তব্যকে আপনার অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মনে হয়েছে। কারণ হচ্ছে বাস্তবতার নিরিখে যুক্তিনির্ভরতা এড়িয়ে যেতে চাইছেন। এর বেশি আর কি বলবো।
১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: "বিয়ে, প্রেম, সম্পর্ক প্রধানমন্ত্রীর আদেশ-নির্দেশে হয়ে থাকেনা।"

-চারপাশের এতো হৈ চৈ এর পরও আপনি যে কি ভীষণ বিভ্রমে বাস করছেন, শুধু এই একটি লাইনে তা প্রমান হয়।
বর্তমান বাংলাদেশে বাস্তবতা সম্পর্কে এতোটুকু জ্ঞান থাকলে এই মুহুর্তে কেউ বলবেনা "বিয়ে বিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আদেশ-নির্দেশে হয়ে থাকেনা।"

এই বক্তব্যের পর আপনার সাথে আলোচনা অর্থহীন। কেউ জেগে ঘুমালে তাকে জাগিয়ে তোলার ক্ষমতা কারো নেই, আমার মতো অধমের তো অবশ্যই নেই।

" কারণ হচ্ছে বাস্তবতার নিরিখে যুক্তিনির্ভরতা এড়িয়ে যেতে চাইছেন। এর বেশি আর কি বলবো।"

-জ্বী আচ্ছা, যেমনটা ভেবে আপনি আত্মতৃপ্তি লাভ করেন, তাই সঠিক। আপনার কথা ও ভাবনা আপনার কাছে আল্টিমেট ট্রুথ হয়েই থাক!

৪২. ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০০
'লেনিন' বলেছেন: @সোহায়লা রিদওয়ান: আপনার উত্তরের সাথে ৯৫% অংশের ব্যাপারেই একেবারে দ্বিমত নেই। আমার বক্তব্যে নিশ্চয়ই বুঝেছেন যে আমি সরকার সমর্থক নই একেবারেই।

ভণ্ডামির কথা যা যা বললেন তা তো আমার মন্তব্যেই বলেছি, যে এমনটাই ঘটে আসছে চিরকাল বাংলাদেশে। তাই অস্বাভাবিক নয়।

"একবার পেপারে দেখেছিলাম, জামাত এর আয়োজনে একশ যৌতুকবিহীন বিয়ের অনুষ্ঠান, সময়টা মনে নেই! যুদ্ধাপরাধীরা কিন্তু তাদের মত করে কাজ করে যাচ্ছে , একটা এমন বিয়ে দেয়া থেকে তাদের বিরত রাখতে পেরে খুশী হয়ে যাবার কারণ নেই। "

আপনি একটু দয়া করে বলবেন কি, কেনো ঘৃণিত একটি দলের ভালোকাজের দৃষ্টান্ত খুঁজছেন? এই প্রশ্নটি না করে পারছিনা।

আর পোস্টদাতা আপনার মতো নিজনামে লিখছেন না। এই ব্লগে অনেক অনেক জা.শি ব্লগার রয়েছে যারা মেয়ে নিকেই লিখে যাচ্ছে। আমি পয়েন্ট ধরে দেখিয়েছি কেনো আমার সন্দেহ হয়েছে। যাহোক, তিনি সত্যিই মানবী হয়ে থাকলে ভালো।

শোক তিন দিনের বেশি নয় এটা জানেন তো?

দুটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের একটি শুভকাজের ফলে বেদনার্ত হৃদয়গুলো যাতে শান্তি পেতে পারে নতুন সংসারে সেটাই কেবল কামনা। সহায়, আশ্রয়, অবলম্বন এবং অভিভাবকহীন মেয়েদের কে দায়িত্ব নিতো?


কৃচ্ছ্রসাধন কবে করেছে বাংলাদেশের রাজনীতিকরা? কবে সঠিকভাবে ত্রাণকার্য করেছে? আমি আমার মন্তব্যেই তো তাদের এইসব আশংকা এবং বাস্তবতার কথা বলেছি।


@মানবী: "এই অসহায় মেয়েদের জন্য সবচেয়ে ভালো সমাধান ছিলো তাঁদের আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে কোন সন্মানজনক চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেয়া। যা তাঁদের সামাজিক সন্মান ও আত্মবিশ্বাস দুটোই সুদৃঢ় করতে সহায়ক হতো, সেই সাথে তাঁদের বিয়ে করতে আগ্রহীর অভাব হতোনা"

এমন কোনো নজীর আছে? সম্মানজনক চাকুরির ব্যবস্থা করে দিয়ে এর আগে কয়জনকে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ দেয়া হয়েছে? এই দেশের দুর্নীতিবাজ সরকারগুলোর পক্ষে এই ধরণের কাজ অসম্ভব।

৪৩. ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৩
'লেনিন' বলেছেন: @লেখিকা: অপয়া, অলক্ষুণে ইত্যাদি আমার মনোভাবের বহিপ্রকাশ নয়। বরং বাস্তবতার বিচারে ঘটিতব্য অবস্থার অনুমান। যাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে এমন নিদারুণ দুর্ঘটনা ঘটলো তাদের প্রতি আমাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজে এধরণের পরিণতি একটি বাস্তবতা। চোখ বুজে না দেখতে চাইলে অন্যকথা।

আপনার জন্য বিপরীত মত কেমন গ্রহণীয় ব্যাখ্যা করবেন কি? আমি যদি সবজান্তা হই আপনি তার অন্যথা হন কী করে?

জাশি.কে গণনার যোগ্য মনে করিনা। কিন্তু অন্যদুটি দলের অন্ধসমর্থনের বাইরে কি চিন্তা করা সম্ভব নয়?

কারণ, "প্রধানমন্ত্রী বিয়ের আয়োজন করে খারাপ করেন নি" এই মতটি দেয়াতে আমাকে আক্রমণাত্মক মনে হচ্ছে কেন? আমি তো প্রধানমন্ত্রী বা তার দলের অন্যসব কর্মকাণ্ডের সমর্থন দেইনি। এটাও বলিনি তারা যা করছে ভালো কাজ করছে।
৪৪. ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৪৯
আকাশ অম্বর বলেছেন: শকুনের নৃত্য। হায়নার পাল।


বিবেকবুদ্ধি হারানো এক শিখন্ডী মন্তব্য করছে।
১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: বিবেক বুদ্ধিহীন শিখন্ডী তারা ভীষণ রকম ডিনায়ালের স্বীকার, এমনিভাবে সহজ স্বীকারোক্তি দেবার মতো মহত্ব বা উদার মানসিকতা নেই। বিভ্রমের এক সংকীর্ণ গন্ডীর মাঝে ঘুরপাক খেয়েই তারা আত্মপ্রসাদ লাভ করে।


ধন্যবাদ আকাশ অম্বর।

৪৫. ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:০৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: @ লেনিনঃ আমাকে আপনার জামাতের প্রচার সম্পাদিকা মাওলানা সোহায়লা রিদওয়ান ভাবার কারন নেই। বলতে চেয়েছি , আপনি যে বল্লেনঃ
জামায়াত নাহয় বলেছেই। তাই বলে তাদের করতে দিতে হবে এমন কোনো কথা আছে? স্বাধিনতাবিরোধীদের নিয়ে গঠিত একটি দল এই বিয়ের আয়োজন করেনি সেটাই তো বরং ভালো।
তাদের এবারে করতে না দিয়ে খুশি হয়ে গেলেন , তাতে বড় সর কোন ভালো কাজ হয়ে যায়নি! তাদের টিকে থাকলে তাদের এমন কাজের খবর বার বার শুনতে হবে। কেন স্বাধীনতা বিরোধীদের আমরা জাতির কল্যানে কাজ করতে দেব ???? তাদের এক্কেবারে বিরত করার ব্যাবস্থা করতে পারলেই আমাদের কি খুশী হওয়া উচিত না ??? :-)

সামহয়ারইনব্লগের মোটামুটি নতুন ব্লগার রা ছাড়া সবাই মানবী আপুকে খুব ভালো করেই চেনেন... ... আপনার মত সন্দেহ কখনো কারো হয়নি!

আপনাকে স্পষ্ট বলেছিঃ বিয়ে দিন, ভালো, আলহামদুলিল্লাহ...
তাই বলে আজকে ব্লগে কি হচ্ছে দেখেন, আজকেও একটা ঝলসে যাওয়া শিশু মারা গিয়েছে। সেখানে পারসোনাতে তাদের সাজানোর ছবি মিডিয়াতে ছড়ানো হচ্ছে। তাদের বিয়ের পরদিনের ছবি দিয়ে মিডিয়া কভার করা হচ্ছে। হলুদের অনুষ্ঠান ... ... গয়না কেনার ধুম, যেখানে ডিএমসি তে এলোকেট করা হয়নি ফ্রি ঔষধের টাকা !! এটা আমার নিজের অভিজ্ঞতা যে সেখানে অসহায় দের পাশে সরকারের মন্ত্রীরা হাত বুলিয়ে দিয়ে আসা পর্যন্ত !!! যত্তসব!
তারপরো আপনি এই নির্লজ্জ প্রচারের পক্ষে এক কোটি যুক্তি দিয়ে যান। মানা করবোনা ! আপনার জন্য আমার এক বন্ধুর ফেইসবুক স্ট্যাটাসঃ
দুনিয়ায় একদল আছে যা দেখে, যা শোনে, যা পড়ে তাতেই মুগ্ধ হয়; এদের মুগ্ধ হবার ক্ষমতা অপরিসীম।। মুষ্টিমেয় আরেকদল আছে এদের সব কাজই হয় মনোমুগ্ধকর...প্রথম দল ভারী না থাকলে দ্বিতীয় দলের অস্তিত্ব থাকতো কি না চিন্তা করি মাঝে মাঝে.... আমার দেশ-চ্যানেল ওয়ান-ফেসবুক-ছাত্রলীগ-লোডশেডিং-বেগুনবাড়ি-নিমতলী ঘটনায় সর্বরোগের চিকিৎসা হিসেবে এই বিয়ের কার্যকারিতা দেখে আমার মুগ্ধতা আকাশ স্পর্শ করলো...
Sohaila Ridwan কি জানি, আমি মুগ্ধ হতে পারিনা, ভীষণ লজ্জিত হয়ে যাই! টিভিতে বিয়ের জাকজমক দেখে আমি লজ্জিত হয়েছি, যেখানে আমাদের কিছু ছেলেমেয়ে ডি এম সি এর, কাজ করতে চেয়েছিল বার্ন ইউনিটে, ওখানে বলা হয়েছে ভল্যান্টারীর কিছু নাই বরং পারলে মেডীসিন ডোনেট করতে ! আমরা অবাক, সরকার চিকিতসা ফ্রি করে দেবার ঘোষনা দিয়েছে !!! তখন তারা জানালো, ঘোষনা দিলেও একটা টাকাও এলোকেট করেনি! সুতরাং টাকা বরাদ্দ না পেলে তারা ফ্রি মেডীসিন দিতে পারছেনা !!!! আমরা যখন মেডিসিন কালেক্ট এর কাজ শুরু করতে চাইলাম , তখন আমার ডিএমসি থেকে আমাদের জানালো হলো, মেডীসিন দিয়ে লাভ নেই , সেটা রোগীর কাছে পৌছানোর চান্স নেই কোন!
লুট হয়ে যাবে!

মহাশয়া আমাদের মুগ্ধ করতে চেয়েছেন! তিনি আপনার ক্ষেত্রে সফল লেনিন ভাই !

@মানবী আপুঃ আপনার পোস্টে বিতর্ক করছি, ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি !
১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: ক্ষমা চাইবার কিছু নেই আপু।

আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগে দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠে কেউ কেউ দিগ্বিদিক জ্ঞানশূণ্য হয়ে আবোলতাবোল প্রলাপ বকে, সেই প্রলাপকেই আবার তাদের মহাযুক্তি বলে বিভ্রম হয়।সংখ্যায় খুব বেশি না হলেও দু এক বছর পর পর এমন নমুনা ব্লগে উদয় হয়।

দীর্ঘদিন আগে, এক জন প্রিয় ব্লগারের একটি উক্তি মনে পড়ছে,"অন্ধকার কুয়োর ব্যঙ হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে আত্মতৃপ্তি লাভ করে"।

বেশ কয়েক বছর আগে এমন এক কুয়োর ব্যঙকে ঘোষণা দিয়ে ব্লক করেছিলাম, ভদ্রতার সীমা অতিক্রম করলে এখনও করবো। তার আগে পর্যন্ত যতোখুশি প্রলাপ বকে তাকে কঠিন যুক্তি ভেবে আত্মপ্রসাদ লাভ করুক, এখানে তর্কে আমার রুচি নেই।

কারো জন্য তা আক্রমণাত্বক না হলে আপনার যার সাথে ইচ্ছে আলোচনা করুন সোহায়লা।

ভালো থাকুন।

৪৬. ১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:২০
গরীবের কথা বলেছেন: লেখিকা, আপনাকে লেখারটার জন্য ধন্যবাদ। আমার মতে -

ভালো কাজঃ
জামাত বিয়ে দিতে চেয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বিয়ে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আসমার জামাইকে চাকুরী দিয়েছে।
মেয়েগুলো অভিভাবক পেয়েছে।

খারাপ কাজঃ
ঘটনার প্রচার হয়েছে বেশি।
বিএনপি কিছু করে নি।

খারাপ কাজের ভালো দিকঃ
জামাই বাবাজিরা জানে তাদের বিয়েগুলো গোটা দেশবাসী দেখলো। তাই কোন একটা মেয়েকে অলক্ষুণে/অপয়া অপবাদ দিয়ে সহজে তালাক দিতে যাবে না - কারন সেরকম কিছু হলে, সেটাও পেপারে আসবে। (ব্লগার ক্যামেরাম্যানের একটা পোস্টে একজন পাঠক ১৫দিনের মাথায় তালাক হয়ে যাবার একটা উদাহরণ দিয়েছিলেন)
---
সর্বশেষঃ মেয়েগুলো সুখী হোক- এটা জামাত-বিম্পি-লীগ-'নির্দলীয়' সবারই কামনা।
----
অফটপিকের বিতর্কে, লেলিন ভাইকে বলছিঃ যতদিন দেশে বস্তিবাসী দরিদ্ররা আধাবেলা/একবেলা খাবে, যতদিন সবার জন্য কোয়ালিটি চিকিৎসা নিশ্চিত না হবে, যতদিন ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়া বড়লোকদের গাড়িতে পথকলিরা ফুল বিক্রি করবে, ততদিন (আবার পড়ুন, ততদিন) তাদেরকে 'শর্তমুক্ত' সাহায্যের টাকা জামাত দিলো নাকি পাকিস্তান দিলো, সেটা যায় আসে না।
সরাসরি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকলে, সাধারণত মধ্যবিত্তের চেতনার বুলিগুলো থাকে উইকেন্ডের আড্ডায় বা বন্ধুর বাসায় 'বিশাল' একটা দাওয়াত শেষে জাবর কাটায়। অপুষ্টিতে শুকিয়ে যাওয়া মুখ বা কৃমিতে ফুলে থাকা পেট যাদের, সেই অসহায়রা 'চেতনা' খায় না গায়ে মাখে - সেটার থোরাই কেয়ার করে; আর তারাই দেশের সাইলেন্ট মেজোরিটি।
১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ‌আপনার মতামত স্পষ্ট ও সুন্দর করে জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

৪৭. ১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:৪৬
'লেনিন' বলেছেন: @গরীবের কথা: আপনার মন্তব্যে সারমর্ম এমনভাবেই এসেছে যে তাতে বিতর্ক করার একেবারেই অবকাশ নেই।

@লেখিকা এবং সোহায়লা রিদওয়ান:
তিন মেয়েকে বিয়ে দেয়ার ব্যাপার ছাড়া অন্য একটি বিষয়েও আমি সরকারের সমর্থন করিনা। এমনকি বিপক্ষদলেরও না। সুতরাং সেসব নিয়ে কথা বলারও প্রয়োজন নেই।

আর লেখিকা মানবীকে তিনি নারী কিনা তা প্রশ্ন করাকে আক্ষরিক অর্থে নিলে কি করা যাবে? ব্লগার হিসেবে সবাইকেই চিনতে হবে, এমন তো কোনো কথা নেই তাইনা? বরং লেখা দিয়ে চিনলেই তো হলো। আমি ব্লগিংয়ে একটিভ মাত্রই ২০০৮এ প্রথম আলো ব্লগ থেকে। তার আগে এই ব্লগের অনিবন্ধিত-অনিয়মিত পাঠক ছিলাম একেবারে শুরু অর্থাৎ ২০০৬ থেকেই।

@সোহায়লা আপনার আরো জ্ঞাতার্থে বলছি, যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে আমার অবস্থান গণস্বাক্ষরসংগ্রহ এরও বিপক্ষে। যুদ্ধাপরাধের বিচার কারো কাছে মিনতি বা পিটিশনের ব্যাপার নয়, এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়।

আর মুগ্ধতার ব্যাপারে: আরো স্পষ্ট করে বলার দরকার ছিলোনা যেখানে আমি লেখিকাকেই দুই দলের স্তূতি, নিন্দার বাইরে আসতে বলেছি। বুঝে নিন।
৪৮. ১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৪
অণৃণ্য বলেছেন:
আপনি ব্যান করতে চান আর কুয়োর ব্যাঙয়ে আলোর ঝলকানি বা যাই বলেন মানবী, সচেতনতামূলক নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডসহ ইত্যকার উদ্যোগের সুফল হলো আত্মবিশ্বাসী আহাম্মকের সংখ্যা কিন্তু অনেক কমে এসেছে।

'লেনিন' সাহেবের মন্তব্যগুলো পড়ে চমকে উঠলাম।মাশাল্লা রত্ন চিনতে দেরি হয়না । কি চমৎকার বেপরোয়া দৃঢ়তা,জড়তাহীন নির্লজ্জভাবে তর্ক অব্যাহত রাখা , ক্ষিপ্রতার সঙ্গে অযৌক্তিকসব প্রসঙ্গের অবতারনা!এমনটি আর দেখা যায় কই ? মন্তব্যগুলো পড়ে ভাল লাগলো।
১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: দীর্ঘদিন আপনার নতুন পোস্ট নেই অণৃণ্য?

নতুন নতুন খবর সবচেয়ে প্রথম আপনার কাছ থেকে আমরা একসময় জেনেছি।

ভালো থাকুন।

৪৯. ১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৩
মৃদু হাওয়া বলেছেন: মন্তব্য পড়ার পর প্রতিক্রিয়াঃ এত দেশপ্রেমিক আমাদের এই বাংলাদেশে তবুও এই দেশটার মানুষদের কেন তিনবেলা ভাত জ়ুটে না??????????
বর্গীরা আর দেয়না হানা নেইতো জমিদার তবু কেন এইদেশ জুড়ে নিত্য হাহাকার।

@ গরীবের কথাঃ
সরাসরি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকলে, সাধারণত মধ্যবিত্তের চেতনার বুলিগুলো থাকে উইকেন্ডের আড্ডায় বা বন্ধুর বাসায় 'বিশাল' একটা দাওয়াত শেষে জাবর কাটায়। অপুষ্টিতে শুকিয়ে যাওয়া মুখ বা কৃমিতে ফুলে থাকা পেট যাদের, সেই অসহায়রা 'চেতনা' খায় না গায়ে মাখে - সেটার থোরাই কেয়ার করে; আর তারাই দেশের সাইলেন্ট মেজোরিটি।
দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে হলে কি সরাসরি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রয়োজন? আর মধ্যবিত্ত শ্রেনী আছে বলেই অপুষ্টিতে শুকিয়ে যাওয়া মুখ বা কৃমিতে ফুলে থাকা পেট যাদের, সেই অসহায়রা আজও কিছুটা বেঁচে আছে কারন মধ্যবিত্তরাই চেষ্টা করে তাদের জন্য কিছু একটা করতে। মধ্যবিত্ত শ্রেণীরা আছে বলেই আজ বাংলাদেশ বেঁচে আছে। তাদের চেতনার কারনেই আজ স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি আমরা। প্লিজ মধ্যবিত্তদের চেতনাকে ছোট করে দেখবেন না।

লেখিকাকে ধন্যবাদ আবেগময়ী লেখার জন্য। মেয়েগুলোর বিয়ে হয়ে গেছে আসুন তাদের সুখের জন্য আমরা দুয়া করি দলমত নির্বিশেষে। আমরা কি এক হয়ে দেশের ভাল কিছু করতে এগিয়ে আসতে পারি না? কেন আমাদের এত রাজনৈতিক দল প্রিতি? আঃলীগ, বি.এন. পি বা জামাতকে বিখ্যাত বানিয়ে কি লাভ ?
১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: যাদের মন্তব্য পড়ে দেশ প্রেমিক মনে হয়েছে, তাঁরা হয়তো সাধ্য মতো চেষ্টা করেন। এই ব্লগে এমন অনেক ব্লগার আছেন, যাঁরা সাধ্য মতো, কখনও সাধ্যের বাইরে গিয়ে দেশের জন্য, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেন।

সঙ্গত কারণেই তা বাদ্য বাজিয়ে করেননা বলে মাঝে মাঝে এমন ব্যাঙ্গ তাঁদের সহ্য করতে হয়।

সজনহারা সকলের জন্যই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে দোয়া। পরমকরুণাময় তাঁদের ভালো রাখুন।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: ‌আপনার মন্তব্যের শেষাংশে রাজনৈতিক দল প্রীতিটা কার বুঝাতে চেয়েছেন বুঝতে পারছিনা!!! তবে, যদি দেশের বিভিন্ন দল সম্পর্কে আমার মনোভাব জানতে চান তাহলে এই পোস্ট দুটো পড়ে কিছুটা স্পষ্ট হবে।


আমাদের সমস্যা হলো, যখন কারো সমালোচনা করি, তখন সেই দল বিরোধী দলের সমর্থক অপবাদ দিয়ে তেড়ে আসে। এদেশের মানুষ যে স্বাধীন ভাবে ভাবতে পারে তা এদের ধোলাইকৃত মগজে প্রবেশ করেনা।
জামাতের সমালোচনা করলে আওয়ামিলীগ, আওয়ামিলীগের সমালোচনা করলে বিএনপি.. এই সংকীর্ণ ভাবনার উর্ধ্বে ওঠা অনেকের পক্ষে অসম্ভব।

আপনাকে ধন্যবাদ।

৫০. ১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৯
সে।হ।গ বলেছেন: বিয়ে দেয়া ভাল হয়েছে।তিন কাপল মানসিক ভাবে ভাল আছে। আশা করি আরো ভাল থাকবে।
১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সো হা গ।

৫১. ১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯
গরীবের কথা বলেছেন: অফ-টপিক কন্টিনিউডঃ
@ ৪৯ নম্বরে মৃদু হাওয়াঃ আপনার অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য দুঃখিত। নিজের লেখা নিজে কয়েকবার পড়লাম, কি কি মানে হতে পারে খুঁজলাম, শেষে বুঝলাম -আমি ঠিকমত ভাব প্রকাশ করতে পারি নাই। শেষ প্যারায় 'চেতনা' খুব জেনেরিক হয়ে গেছে।
অট'তে কথা হচ্ছিল জামাতের সাহায্য/'সোশ্যাল কন্ট্রিবিউশন' নিয়ে, বলতে চাচ্ছিলাম লেলিন ভাইয়ের পয়েন্টের ব্যাপারে। তাই শেষ প্যারা না দিলেও হত। আর দিলেও স্পেসিফিক চেতনার কথা বলা উচিত ছিল।
একজন অভুক্ত মানুষ যখন খেতে পারে কারো বদন্যতায়, কে দিলো সেটা তার কাছে মূখ্য নয়।
৫২. ১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৪
মৃদু হাওয়া বলেছেন: যাদের মন্তব্য পড়ে দেশ প্রেমিক মনে হয়েছে, তাঁরা হয়তো সাধ্য মতো চেষ্টা করেন। এই ব্লগে এমন অনেক ব্লগার আছেন, যাঁরা সাধ্য মতো, কখনও সাধ্যের বাইরে গিয়ে দেশের জন্য, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। সঙ্গত কারণেই তা বাদ্য বাজিয়ে করেননা বলে মাঝে মাঝে এমন ব্যাঙ্গ তাঁদের সহ্য করতে হয়।

তাদের প্রতি শ্রদ্ধা। কিন্তু অনুরোধ তারা যেন কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষপাত দুষ্টে দুষ্ট না হন। আমাদের দেশের রাজনৈতিক কোন দলই দেশপ্রেমিক দল নয়।


মানবতা বাদ্য বাজিয়ে দেখিয়ে করার জিনিস নয়। মানবতার কল্যানে উজ্জিবিত হউক আমার আপনার সবার হৃদয়।
১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: কাকতালীয় বর্তমান!!! :)
এক্ষুনি আপনার জন্য আরেকটি জবাব আগের মন্তব্যের সাথে করেছি :-)

মন্তব্যে লিংক দেয়া একটু ঝামেলার, তাই এখানে নতুন করে লিখছিনা। ৪৯ নং মন্তব্যে জবাবটি আছে।

ভালো থাকুন।

৫৩. ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৫৫
অলস ছেলে বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। প্রতিটা লাইন চিন্তাকে নাড়া দেয়।

উনার অভিনয়প্রতিভা, উচ্ছল চপলতা আর নিষ্ঠুরতা নিয়ে বলার কিছু নেই। সিন্দাবাদের ভুতকে ঘাড়ে তুলে নিলে কিইবা আর করার আছে। মানুষে মানুষে চিন্তার পার্থক্য থাকবেই, একেকজন একেক দৃষ্টি থেকে দেখবে স্বাভাবিক। কিন্তু সবার উপরে তিনি সত্য, তিনি ধ্রুব, তিনি আমাদের গর্ব, তিনি আমাদের লক্ষ কোটি বছরের অর্জন।
১২ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন। :-)

সজনহারা মেয়েদের স্থানে নিজেকে ভেবে ভীষণ ঘৃনাবোধ করছিলাম এধরনের নিষ্ঠুরতা দেখে। এরা মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করে, আর শুধু তাদের অন্ধ সমর্থক নন- সাধারণ মানুষের অনেকেই সেই খেলায় বিভ্রান্ত হয়।

আরেকটি পোস্টে আমার আশাবাদী মানসিকতা দেখে একজন খুব করে বুঝাতে চেয়েছিলেন, এদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব নয়।
এই প্রহসনকে অন্ধ ক্রীতদাসদের প্রচারণায় প্রভাবিত হয়ে যখন সাধারণ মানুষের একটি অংশকেও বিভ্রান্ত হতে দেখলাম.. বুঝতে পারছি পরিবর্তন সম্ভব হলেও সহজ নয়।
তার যতোখানি কারণ এই নষ্ট রাজনীতিবিদগণ তার চেয়ে বড় কারণ এদের অন্যায় তামাশার কাছে আমাদের সহজ নতি স্বীকার!!

অনেক ধন্যবাদ অলস ছেলে।

৫৪. ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৬:৫১
মানবী বলেছেন: 'লেনিন', ‌আপনার একটি ব্লগ আছে সেখানে যতো খুশি আস্ফালন করুন, আবর্জনা ফেলুন, কান্নাকাটি করে আমার সম্পর্কে অভিযোগ করুন(আরেকজন ব্লগার সম্পর্কেও যেমন করেছেন ব্লকড হয়ে); মাইনাস দেয়া তো দূরের কথা আমি ক্লিক করে পড়তে যাবোনা।

আমার ব্লগ দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে চাই বিধায় এই পোস্টের ৫৪ নং মন্তব্যের ঘরে আপনার প্রলাপটি মুছে আপনাকে ব্লক করছি।

হ্যাপী ব্লগিং।
৫৫. ১২ ই জুন, ২০১০ সকাল ৮:২৩
rubel rahman5 বলেছেন: স্বজনহারা তিন জুটিকে তড়িঘড়ি ঘটা করে বিয়ে দেয়াটা আমারও চোখে লাগছিলো। কিন্তু কিছুই করার নেই বিধায় চুপ রইলাম। আর বাংগালী যে আবেগী জাতী এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতেও সাহস পাইনি! ব্যক্তিগতভাবে মিডিয়া বর্জন করেছিলাম। আপনার লেখা পড়ে ভারমুক্ত হলাম। সুস্হ চিন্তার জন্য আপনাকে +++। প্রিয়তে নিলাম ।
১২ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ‌এই আবেগকে পুঁজি করেই তারা আমাদের ক্রীড়ানক করে খেলছে বছরের পর বছর- কখনও এই দল, কখনও সেই দল। তাদের হাত বদল হয়, আমাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়না।

তার কারণ, কোন নির্মমতা, নিষ্ঠুরতাকে তারা আমাদের মানবতা বলে মানতে বলে, আমরা নত মস্তকে তা মেনে নেই। অন্যায়ের প্রতিবাদ, অপরাধীর বিচার চাইবার সাহস করিনা।

আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকুন।

৫৬. ১২ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৪৫
অণৃণ্য বলেছেন:
অনেকে আছেন আগে জানিয়ে দেন বলে আমার আর জানানো হয় না।:)
১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: সব সময়ই আরো অনেকে ছিলেন জানানোর জন্য তবে অণৃণ্য ছিলেন সর্বপ্রথম সংবাদদাতা :-)

তাজা খবর ব্লগে সবচেয়ে প্রথম পৌঁছে যায় বলে অনেকেই অণৃণ্য'র ব্লগটিতে নজর রাখতেন, এখনও রাখেন হয়তো তবে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়।

৫৭. ১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪৩
চিকনমিয়া বলেছেন: আফা, রাজনীতিবিদেরাতো রাজনীতিই করবো, তয় মেয়ে৩ জনের বিবাহ তাড়াতাড়ি দিচে, এইডা আমার কাছে ভালা লাগচে, তাগো আপাতত কেউ নাই, যত তাড়াতাড়ি সঙ্গী পাইবো এইডাই ভালা হইচে,
১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: :-)

আপনার মতামের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

৫৮. ১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪৩
কালপুরুষ বলেছেন: হায়রে রাজনীতি! মা-বাবা ও স্বজনহারা মেয়েগুলো তাদের মা বাবা ও আত্মীয়স্বজনের কুলখানি বা চল্লিশা করার সুযোগটুকুও পেলনা। রাজনীতিবিদদের হাতে ক্রীড়ানক হয়ে বিবাহের মঞ্চে বাবা-মায়ের সাদা কাফনের পাশে কালো শাড়ীতে শোক নয়- লাল বেনারসীতে আনন্দযজ্ঞে শরীক হতে হয়েছে ধুরন্ধর রাজনীতির খেলাতে। শকুনীদের উল্লাস যেন নরমাংশ ভোজনের উৎসবে। ছিঃ! ঘেন্না লাগে এসব নোংরা মানসিকতা নিয়েই যেন তারা দেশের জনগণের ভাগ্য বিধাতা হয়ে রাজনীতির মাঠে নেমেছে।

ভাল লিখেছেন। এতেও কি তাদের বোধদয় হবে?
১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: ‌আমরা অনেকে বেঁচে থাকার খাতিরে বোধবুদ্ধি বিসর্জন দিয়েছি, কেউ বোধের সাথে আপোষ করেছি.. এত সহজে কি বোধদয় ঘটে?

শুধু কয়েক জনের হতচ্ছাড়া বোধ কোন ভাবে আপশে রাজী নয়.. এই তৃতীয় পক্ষ নিয়ে যতো সমস্যা!!

মানবতার ছাঁচে পাশবিকতাকে সাজিয়ে এঁদের মুগ্ধ করা যায়না, চোখে আড়ম্বরের রঙ বেরঙ এর ধুলো ছিটিয়েও এদের দৃষ্টি ফেরানো যায়না... তাই এরা ঘৃনাবোধ, কষ্ট আর ক্ষোভ প্রকাশ করে যায়। হিংস্র শকুণের মোসাহেবদের আবোলতাবোল প্রলাপ , মিথ্যে অপবাদ আর অন্যায় আক্রমণ সত্ত্বেও এরা পিছু হটেনা।

নিজের ঘৃনা আর ক্ষোভটাকে লেখায় রূপ দিয়েছি মাত্র! আপনার ভালো লেগেছে জেনে সন্মানিত হলাম।
ঘৃনা এই ভাগ্যের বিধাতা সাজা ভন্ডদের প্রতি, এই আমরা যারা সহজে এদের রঙ্গমন্চের নাটক দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি, তাদের বন্দনায় মেতে উঠি.. দায়টা তাদেরও।

আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৯. ১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪৪
চিকনমিয়া বলেছেন: তয় আপনের লেখাডা পইড়া মনডা উদাস হইচে :(
১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ে যাঁরা পরাজিত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।
যাঁরা অগ্নদগ্ধ হয়ে ভীষণ যন্ত্রণায় ছটফট করছেন, তাঁদের দ্রুত আরোগ্য লাভের প্রার্থণা করি।

মেয়ে তিনজন ভালো থাকে যেন। স্বজন হারানো, ক্ষতিগ্রস্থ সকলের জন্য দোয়া।

ভালো থাকুন ভাইয়া।

৬০. ১৪ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৭
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: এক, সরকারী দলের সমর্থকেরা যে পার্টি দিয়ে গান গাওয়া শুরু করেছে তা কুৎসিত। আমি এর সমর্থন করি না।

দুই, এটা বাংলাদেশ।

তিন, রাতারাতি সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়।

চার, আমাদের সমাজ এ মেয়েগুলোকে ছিড়েখুড়ে খেত। এরা আত্মহত্যা করলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। আমি মাঝে মাঝে কুকুরকে মানুষের থেকে বেশী ভালবাসি। আমার চেনা আছে।

পাচ, নাই মামার থেকে কানা মামা ভাল।

ছয়, বিনা কমিশনে যেখানে একটা ফাইল নড়ে না, সেখানে কোন ফায়দা ছাড়া এত টাকা খরচ করে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠান করবেন, এটা সম্ভব নয়।

সাত, অন্তত তিনটা মানুষ ভবিষ্যত কষ্ট থেকে বাচল ( সম্ভবত )। তিনজনের তো গতি হল। অন্যের বিপদে মুখ ফিরিয়ে নেয়া এ সমাজে এই বা কম কি!

আট, যা হয়েছে ভাল হয়েছে। সব ভাল তার শেষ ভাল যার। শেষটা ভাল হলেই হয়।

১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: সঙ্গত কারনেই সকল পয়েন্টের সাথে সহমত নই, আপনার মতামত শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।


সেদিন মৃত সকলের ও হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ে যাঁরা পরাজিত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।
যাঁরা অগ্নদগ্ধ হয়ে ভীষণ যন্ত্রণায় ছটফট করছেন, তাঁদের দ্রুত আরোগ্য লাভের প্রার্থণা করি। জামিল, রুনা, রত্না, আসমা সহ সজন হারা সকলে যেন শোক কাটিয়ে সুস্থ সুখী জীবন ফিরে পায়, এই প্রার্থণা।

ভালো থাকুন ভাইয়া।

৬১. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৯
আবু সালেহ বলেছেন:
সময় উপযোগী পোস্ট....শত ধিক তাদের প্রতি......

সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ....

+++++++++++++++
২০ শে জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো।

পড়ার ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

২০ শে জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিক।

৬৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫৮
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: এতগুলো কমেন্ট পড়ে নতুন কিছু বলার নাই।

ব্লগার লাল দরজার কমেন্টটি প্রতিধ্বনি করছি-

লাল দরজা বলেছেন: একদম এক্ষুনি এই মুহুর্র্তে এমন হৈ চৈ করার কি ছিল বুঝতে পারি না। অবাক হয়েছিলাম শুনে! এর ভেতর যে স্টান্ট মারার চেষ্টা আছে এনাদের হম্বিতম্বিতে মনে করতে বাধ্য হচ্ছিলাম। আবার ভাবছিলাম প্রধান মন্ত্রী নিশ্চয় আন্তরিক ভাবেই মেয়ে দুটিকে দুঃখ ভোলাতে চেয়েছিলেন। তবে টিভি অলাদের অতি উৎসাহ আর তৈলবাজদের চাটুকারিতায় সৎ উদ্দেশ্য মাঠেমারা যেতে বাধ্য।

মেয়ে দুটির দুঃখ লাঘবই যদি উদ্দেশ্য হয়, তাহলে সম্পূর্ণ ব্যাপারটি নিরবেই ঘটতে পারত। প্রধান মন্ত্রী মেয়ে দুটিকে নিরবে আশ্রয় দিয়ে আগলে রাখতে পারতেন। উদ্দেশ্য তো ওদের কষ্ট লাঘব, সেটার জন্য কি এমন রয়েল বেঙ্গল সার্কাসের আয়োজনের কোন মানে আছে!

এই বিয়ের সংবাদটি কমশঃই তামাশার মত লাগছিল। বরাবরই এ কয়দিন এসব দেখতে হবে বলে এড়িয়ে গেছি, কিছু আর ভাবতে ইচ্ছে করছিল না। আপনি সেটা মানতে পারেন নাই বুঝছি। কিছু কথা নির্মম ভাবে বলে দিয়েছেন।

স্যালুট।
২০ শে জুন, ২০১০ রাত ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: কেনো?

৬৫. ২৮ শে জুন, ২০১০ রাত ১:০৬
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ এবং মন্তব্যের জবাব ।


ভালো লাগলো আপনার রাজনীতি জ্ঞান দেখে।

ভালো থাকা হোক
২৮ শে জুন, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: রাজনীতি জ্ঞান :-*
আমার তো ধারনা বাংলাদেশের যে বিষয়টিতে নুন্যতম জ্ঞানের প্রয়োজন নেই, তা হলো এদেশের রাজনীতি!!! ঠিক যেমন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সদস্য হতে ছাত্র হবার প্রয়োজন নেই :-)


আপনিও অনেক ভালো থাকুন।

৩০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: :-)


ধন্যবাদ।

৩০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: সময় করে পড়ার ইচ্ছে রইলো।

ধন্যবাদ।

৬৮. ৩০ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:৩৪
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: থাইল্যান্ড ভ্রমনের উপর সামুতে আমার লেখা ব্লগটি কাল ভোরের কাগজের বেড়ানো পাতায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। বিস্তারিত এখানে দেখুনঃ
Click This Link
১০ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক অভিনন্দন আপনাকে!

১০ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ :-)

৭০. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:২২
চতুষ্কোণ বলেছেন: বিকৃত উল্লাসকে সবসময়ই ঘৃণা করি। লেখাটা ভালো লেগেছে।
১০ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো, অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫০৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই