আমার প্রিয় পোস্ট

এই মহৌষধ আমি কীরূপে পাই লাম

১১ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩৬

শেয়ারঃ
0 0 0

আমাকে ব্লগাব্লগি করতে পরামর্শ দেবার লোক আশপাশে প্রায় হালিখানেক হয়ে গেছেন এখন। এদের মধ্যে নিপাট ব্লগার আছেন। আবার আছেন যাঁরা প্রাক-ব্লগ যুগেই লেখক/কবি হিসেবে লোকজনের মধ্যে হিংসাত্মক, আই মীন হিংসুটে মনোভাব আনতে-সক্ষম লোক। ফলে এভাবে ভাবা আমার একদমই ঠিক হবে না যে ল্যাজ-কাটা শেয়ালের মতো তাঁরা আমাকে ব্লগাতে বলেন। তাঁদের পরামর্শকে এভাবে দেখা যেতে পারে: আমার মুদ্রণ-সাহিত্যজীবনের পরিণতি তাঁরা দেখে ফেলেছেন এবং ব্লগিংয়ের রাজ্য চিনিয়ে দিয়ে তাঁরা আমাকে দু:খ না-করতে বলছেন।

আমি কেন ব্লগিংয়ে ছিলাম না সেই কাহিনী অত্যন্ত করুণ। এমনকি হাস্যকর। আবার হাস্যকরভাবে করুণ। আমার কম্পুমেশিন এন্তেকাল করবার জন্য গত বহুদিন আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে। এখনো যে করেনি সেটা আমার কম্পুমেশিন কিনবার
[অ]ক্ষমতার প্রতি এটার দয়া হিসেবেই দেখতে হবে। যে-কোনোদিন এন্তেকাল করবে এমন একটা কম্পুমেশিনের যা-যা করণীয় তা সবই এটা করে। প্রায়শ:ই এটা কমান্ড খেয়াল করে না। বা যে কমান্ড যখন দিই তখন খেয়াল করে না। অন্যসময় সেটা মনে করে তামিল করার চেষ্টা করে। আমি তো আর আর্মি না যে লাত্থি দিয়ে কাজ করাব। ভুলে যাওয়া কমান্ড তামিল করবার সময়ে এটা ঝিম মেরে থাকে। সেটা দেখাও এই জমানার একটা মানুষ হিসেবে আমার জন্য কষ্টের। কম্পু্টার নির্যাতন বিরোধী কোনো এনজিও থাকলে আমাকে ধরে নিয়ে যাবে। কিন্তু ঝিম মেরেই এটা থেমে থাকে না। এতক্ষণ ঝিম মেরে থাকার ক্লান্তিতে এরপর এটা ঘুমিয়ে পড়ে। বলাই বাহুল্য এর আগে হয়ে থাকা কাজগুলো বেবাক ভুলে গিয়ে। এরকম একটা পরিস্থিতিতে নয়া মাধ্যমে এটাকে অভ্যস্ত করতে কার সাহসে কুলাবে?!

এই কাহিনীর অধিকন্তু আরও কাহিনী আছে। দৈনিকে লেখালেখি কেউ কখনো চান না আমার কাছে। অথচ আমার নিজেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লেখক ভাবার অভ্যাস। এতটাই যে আর ক'দিন পরেই দৈনিকে লেখার ব্যস্ততা হবে এই দুর্ভাবনায় সময় বাঁচিয়ে রাখতে হয় আমাকে। এভাবে ভাবতে ভাবতে ব্লগে লেখার সময় আর হয়েই ওঠে না। তারপরও উৎসাহী একজনকে আমি বলেছিলাম যে আমাকে ব্লগে লেখাতে হলে জাতীয় বা বিজাতীয় কোনো দৈনিকে বিজ্ঞাপন দিয়ে সেই খবর প্রচার করতে হবে। সেই উৎসাহী লোক সত্যি সত্যি সেই উদ্যোগও নিয়েছিলেন। ভয়ে আমার রক্ত হিম হবার দশা।

এদিকে আমার হাতে রুজি অরুজি মেলারকম কাজ জমে গেছে। প্রতিদিন রাতের শেষের দিকে আমি ঘুমোবার সময়ে পরদিন সেটা করব বলে প্রতিজ্ঞা করি। এটা প্রায় রুটিনের মতোই হয়ে গেছে। রুটিনটা আমি আর ভাঙি না। রুটিনটা না-ভাঙার স্বার্থে প্রতিদিনই আমার কোনো-না-কোনো অকাজ বের করতেই হয় যাতে ওইদিন মধ্যরাত পর্যন্ত আমি ব্যাতিব্যস্ত থাকতে পারি। আজ সেভাবেই ব্লগের কাছে আসা।

উসিলা তাহমিমা আনাম .. অমিতাভ ঘোষ .. আসলে রাইসু।

এ বড় যন্ত্রণা! কার জায়গা, কীভাবে পাই, কেন মাঙনা জায়গা ডিজিটালি লোকজন দেয় সেসব রহস্য ভেদ না-করেই ইয়াহু! হয়ে রইলাম এতদিন। আবার লোকজনের উস্কানিতে নতুন এক ডিজিটাল জমি মাঙনা নিয়ে বাংলা লেখা শুরু করলাম। কে জানে! হয়তো অজ্ঞাত ও রহস্যময় এইসব মাঙনা জমিতেই আমার লেখকজীবন সমাধিস্থ হবে!

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ২:১৪
ইফতেখার ইনান বলেছেন: স্যার শেষ পর্যন্ত আপনিও আসলেন তাহলে... :).. স্বাগতম... এই ডিজিটাল ভূমিখানা কিন্তু খুব একটা অজ্ঞাত নয়.. নিকট ভবিষ্যতে শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠারও বেশ সম্ভাবনা আছে...
২. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
মানস চৌধুরী বলেছেন: আমি তো তা নিয়ে সংশয় করিনি, আসলে সম্ভাব্য শক্তিমত্তা নিয়ে কোনো আমোদও করিনি।

কিন্তু ‍অজ্ঞাত ও রহস্যময় এইসব মাঙনা জমি বলতে আমি জমিটার অস্তিত্ব অজ্ঞাত বোঝাইনি; বরং মাঙনা থাকবার মাজেজা, কে বা কারা এগুলো বিলিবণ্টন করতে চান, কেন করতে চান, বিলিবণ্টনের পর জমিদারেরা কী কী উপায়ে পরিতোষ লাভ করে থাকেন -- ইত্যাদি বিষয়ে বলছিলাম। বলতে গেলে তালিকাটা লম্বাই হবে। তবে হতে পারে আপনাদের এসব কৌতূহল নিবৃত্ত আর আমারটা আবৃত্ত।

তাহলে বরং আমার কৌতূহল মেটান .. ! কেমন আছেন?
৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫১
কৌশিক বলেছেন: এ এমন জমি, মাঙনা দিলে লাভ। আপনি হয়ে পড়বেন তুরুপের টাস, বিক্রি হবেন, টের পাবেন না। পাঁচমাস পরে স্বাগতম বলার মত বোকামী করতে চাই না। অনেক পুরানা।
৫. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: স্যার,
ইহা ছাপা পৃষ্ঠার অধিক সাশ্রয়ী ও টেকসই। ইহা ব্যবহার করুন।

পরিশেষে, আপনার কম্পিউটারের জন্য সমবেদনা। দুঃখ, এখনও নির্যাতিত কম্পিউটার বাঁচানোর কোনো এনজিও হইলো না।
৬. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
আরিফ জেবতিক বলেছেন: স্বাগতম আপাতঃ এ মাঙনা ভূমে ।
৭. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
যীশূ বলেছেন: হায়রে এইটা আপনার প্রথম ব্লগিয় লেখা নাকি?

যাইহোক, এই ডিজিটাল খাতা আপনার পদচারনায় মুখর হবে নিশ্চয়ই!
৮. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে....
৯. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
মানস চৌধুরী বলেছেন: কৌশিক ৫মাস পরেও স্বাগতম বলতে পারেন। আমার এক পরিচিত ২২বার সিগারেট ছেড়েছিলেন। প্রতিবারই তিনি লোকজনকে খাওয়াতেন এই খুশিতে এবং লোকজনও তাঁকে খাওয়াতেন। ২২বারের পরও তিনি ছেড়ে চলেছেন কিনা আমি আর জানি না।

মাহবুব, কম্প্যুটারের জন্য সমবেদনা জানালেই চলবে না। একটা চাঁদা তুলে কিনে দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। বা চুরি করে। একটা পেয়ে গেলে কোত্থেকে এল এ নিয়ে আমার অনেক ভেদজ্ঞান থাকবে না।

আরিফ ... মাঙনা ভূমে মাঙনা স্বাগতম! কী আর করা! ধন্যবাদ (মাঙনা)

যীশু, জ্বি ভাই। এর আগে বার দুই আমি মন্তব্য করেছিলাম। মাহবুব বা রাইসুর কথামালায়। ভুলে গেছি। কিন্তু এই প্রথম নিজেই ডিম পাড়লাম।

শরৎ ... এত আনন্দ শুধু আমি এলাম বলেই? বলেন কী? ব্লগাব্লগিতে কি আকাল পড়ল লোকজনের? আচ্ছা আমি থাকার চেষ্টা করি বরং এখানে .....

১০. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:০৬
কৌশিক বলেছেন: যদি আমার বাইশ বার স্বাগতম বলা লাগে!
১১. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:০৮
স্রোত বলেছেন: কাআলকা পড়ুম নে।
প্রিয়তে লইয়া গেলাম
১২. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:০৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চলে আসেন , কম্প্যুমেশিন ব্লগরব্লগর ঝড়ে পড়ে দেখেন কেমন ঝাড়া দিয়ে উঠবে ।
১৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
ফাহমিদুল হক বলেছেন: আমি আপনার পরে রেজ্রিস্ট্রার করেছি। কিন্তু লিখেছি অনেক। সেহিসেবে আমি আপনার চাইতে পুরানা।
লেখা ভালো লাগলো।
জানেন কি, আপনার দুইটা লেখা আমার ব্লগে বিরাজিত রয়েছে। দুটাই যোগাযোগ-এ মুদ্রিত হয়েছিল। সম্পাদক হবার কারণে লেখকের কাছ থেকে অনুমতি নেবার প্রয়োজন বোধ করিনি।
Click This Link
Click This Link
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: সম্পাদক হিসেবে ন্যায্য কাজ করেছেন। এর চাইতে বেশি বিনয় দেখালে আখেরাতে কাজ পাকিয়ে যাবে। বরং এভাবে আমি মার্কেটেড হবার কারণে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।

আমি রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম মাস ছয়েক আগে কার যেন লেখায় মন্তব্য করার জন্য। ওই একবারই অনুপ্রবেশ। :-)

১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: কিন্তু আপনাকে যে চেনা চেনা লাগবে সেই উপায় তো রাখেননি ভাই। এরকম গোপনে থাকা মানুষ দেখলে কেমন গা শিরশির করে -- এমনকি ডিজিটাল দুনিয়ায়ও।

১৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: ব্লগভুমে স্বাগত।
মিজাইল,কামান,লাউড স্পিকার,রেডিও সবই পাবেন এইখানে।
ঢাল তলোয়ার নিয়ে রেডি হইয়া যান।
আপনার লেখা পড়ি অনেক জায়গাতেই, অনেকগুলা বুঝি, অনেকগুলা বুঝি না। ভালোও লাগে।
১৪ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন। কিন্তু আমার লেখা তো অনেক বেরোয় না ... দেখবেন কীভাবে!

১৭. ১৪ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:০৩
ফেলুদা বলেছেন: স্যার আপনাদের ক্যাম্পাসে একটা ঘটনা পড়লাম। আপনি জানেন কিছু?
Click This Link
১৪ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:১৯

লেখক বলেছেন: তোপসেকে সাথে নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন ফেলুদা ঘটনা উদ্ধার করতে। অশ্রুকেও তো অতীব মেধাবী মনে হলো ফলে ওকেও নিতে পারেন। অবশ্য ওরই বর্ণনা করা ঘটনা বোধহয় ও গোয়েন্দাগিরি করতে চাইবেন না। ...এমনিতে পাছার দিক থেকে দেখলে পাঁঠা আর গাধাতেও তো বিশেষ প্রভেদ করা যায় না। তাই বলে মাংস খাবেন না? অশ্রু খুবই নরম প্রকৃতির মানুষ বোধহয়। কষ্ট পেয়েছেন।

১৫ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: ৬টা রসগোল্লা? কেন ... খুব খারাপ কিছু করেছি?

১৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২২
মিরাজ বলেছেন: স্বাগতম ।

কম্পুমেশিন এন্তেকাল করার আগে হাসপাতালে নিয়ে যান । গা ঝাড়া দিয়ে উঠতেও পারে!
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কিন্তু এটা হাসপাতাল-প্রুফ হয়ে গেছে। গত ৬ মাসে অন্ততঃ ৩বার গেছে। এটাকে বিদায় বলার সময় হয়েছে। সুযোগ হচ্ছে না।

২০. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: নাম দেখে ঢু মেরেছি। এমন নাম তো যে কেউ লিখতে পারে ডিজিটাল খাতায়।

আপনার ছবি দেখে চিনতে পারি নি। লেখার স্টাইল দেখেই চিনতে হল।

আপনি কি দেশে আছেন?
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা লেখার স্টাইল যে ছবির থেকে শক্তিশালী এটা প্রতিষ্ঠা করতে পারলে ক্যামেরা কোম্পানিগুলো লাটে উঠবে। এক্ষেত্রে ক্যানন বুঝি।

আমি বাংলা"দেশে" আছি!

আচ্ছা ছবিতো আপনারটা দেখেও কিছু চেনা যায় না ... কিন্তু আপনার এই মন্তব্য বলে আমরা চিনি পরস্পর .... একটু যদি ...

২১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৪
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: চেনাটা এক পাক্ষিক। আপনার সাথে কথাও হয়নি কখনও। দেখা হয়েছে অনেক। আপনার লেখা দেখলেই পড়ি ১বার ২বার ৩বার বোঝার চেষ্টা করি। যেহেতু আমি আলস্যরাশি তাই অনেক লেখাই খুঁজে খুঁজে উদ্ধার করতে পারি নি। 'দাড়ি কামানোর দিনক্ষণ(?)' গল্পটির স্বাদ এখনও কল্পনায় লেগে আছে।

ঢাকা কলেজে বাংলায় পড়ি। শামীম রেজার ছাত্র, আড্ডার সঙ্গি।

কবিতা লিখি। নৈরাজ্য ঘুঙুর নামে একটি পুস্তিকা আছে। আপনাকে দেবার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলাম।

আর আমার ছবি? ঐ ছায়ামাত্রের মধ্যই আছি।

এই ডিজিটাল খাতা শেষ পর্যন্ত আমাদের কী-বোর্ডের আঙুল নাচে সম্পর্কিত করল।
২২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২১
মানস চৌধুরী বলেছেন: জাহিদ, যেভাবে খুটিয়ে আমাকে আবিষ্কার করার খবর জানালেন, সেই সঙ্গে "দাড়ি কামাবার ..." গল্পের স্মৃতিচারণ করলেন তাতে আমি গর্বিত ও শারমিন্দা বোধ করছি।

নৈরাজ্য ঘুঙুর কীভাবে পেতে পারি?

এই মাঙনা সাম-ইনে তো আমার রচনাসম্ভার পুরোটাই উজাড় করে দেয়া সম্ভব। ফলে আর খুজতে হবে না।

২৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: ২/১ দিন পর মেশিন বাংলা লেখা শিখবে। তখন আমার ব্লগে নৈরাজ্যসহ আরো কিছু লেখা যুক্ত করে দিতে পারি।

সে.রে.নিউটন এবং আপনার মিডিয়া নিয়ে লেখালেখি আমাকে 'মিডিয়া-মিথ' থেকে বাঁচিয়েছে। সিপিবি'র একতা করে পিজি'র সাইকো থেরাপির দরবারে আসন নেবার ব্যবস্থা হয়েছিল।

আপনার সব লেখা এখানে পেলে আপনার ছাত্র হওয়া বা মুখোমুখি হওয়ার আকাংখা থেকেও মুক্ত হতে পারি।

আশা করি তা হয়ত অসম্ভব হবে না।
২৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:১১
মানস চৌধুরী বলেছেন: হা হা হা ... আমার ছাত্র না হওয়াই ভাল। তাঁদের অনেকেরই অভিমত আমি একদম গাইচ্ছা শয়তান মাস্টার। কিন্তু মুখোমুখি যাতে আর না হতে হয় সেজন্যই তো এইসব ডিজিটাল পরিমণ্ডল উপহার দেয়া হচ্ছে। ফলে আমরা লয়্যাল হয়ে রক্তমাংশের মানুষ পরিহার করি। কী আর করা!

সেলিম রেজা নিউটন, রেহনুমা আহমেদ, আবদুল্লাহ আল মামুন, এবং ফাহমিদুল হক ভিন্ন ভিন্ন (কিংবা স্বতন্ত্র) ভাবে আমার জন্য মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ চিন্তক। সঙ্গে গীতিআরা নাসরিন-এর নামও যুক্ত করব। কিন্তু আমার ওই দু' খানা লেখাও যে আপনি খেয়াল করেছেন তাতে কৃতজ্ঞ এবং আপনার মনোযোগ নিয়ে কৌতূহল বোধ করছি।
২৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:১৮
জামাল ভাস্কর বলেছেন: আপনেরে গাইচ্ছা শয়তান মাস্টার কয় নাকি পোলাপাইনে?
২৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৫
মানস চৌধুরী বলেছেন: ভাস্কর শেষমেশ এইখানেই ভবি নিয়ে আসল ... মুলাকাত শুভ হোক।

যা যা বলে তাতে এইটা দিয়েই চলে। কিছু খুবই পরস্পরবিরোধী। মনে করে কয়েকটা বলা যায়:
১। শরীফ ছাতা .. রোদ বৃষ্টি মাফ নাই
২। সহজ সরল উত্তর নাই (আমি সরল প্রকৃতির নাও আসলে)
৩। জিন্দেগিতে পরীক্ষা পিছাবে না (এটা ঠিক সত্য না)
৪। ঘাউড়া
৫। বইয়ের থেকে পড়ায় না
৬। প্রাইমারি স্কুলের মতো বানান দেখে
৭। ঘুমানো যায় না এর জ্বালায় (সকাল সাড়ে ৮ এর ক্লাস ছিল একদা .. এবং ক্লাসে ঝিমালে হাসিমুখে ঘুরে আসতে বলি)
... তালিকাটা আরও বড় ..
২৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩৯
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: সেটা জানি খ্রিস্টপূর্ব ৪৭০ সালের পর থেকেই। মুখস্ত এবং নোটখাতাপত্রপাশকরানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থায় মানস চৌধুরীর মত একজন শিক্ষকের কোন প্রয়োজন নেই সেটা আমি জানি।

সম্ভবত সরকার দয়া করে আপনাকে বেতন দিচ্ছে। নইলে রাস্তায় রাস্তয় ছুরি দেখাতেন?
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: যা বেতন দিচ্ছে জাহিদ তাতে, গুষ্টিহীন মাস্টার হিসেবে, ছুরির অপশনটা এক্ষুনি বাদ দিতে বলবেন না প্লিজ। গুষ্টি প্রপার হলে অদৃশ্য (যেটাকে হার্ড বলে) য়্যাসেট দিয়ে সামাল দেয়া যায় ...

৩০. ২৭ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: মানস্দারে অনেগ্দিন দেখি না

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৬৩৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার প্রফাইলের পুরাটাই বৃত্ত। অন্ত নাই।
(নিবন্ধন করার পর সামহোয়্যারে আমি শীতনিদ্রায় ছিলাম ৬মাস। আবার কখনো ঘুম এলে ...প্রতিটি জন্ম একবার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ