আজকে রিক্সাওয়ালারে ভাড়া দিতে যাইয়া দেখি সবই ৫০ পয়সা ২৫ পয়সা। এটা আমারই দোষ ছিলো। আজকে বাবার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথা একদমই মনে ছিলো না। তো প্লাস্টিকের সেই মাথা ভাঙ্গা ব্যাংক থিক্কা অনেক গুলা পয়সা নিলাম। তখন ঠিক গোনার মত সময় ছিলো না। রাস্তায় নামলাম, দেখি অবিকল এই রকম চেহারার এক রিক্সাচালক। কথা সত্যি... উঠলাম। ভাড়া ঠিক করসি ৬ টাকা। স্কুলের সামনে এসে নামলাম। পয়সা গুলা সব আওয়াজ করতেসিলো। ঝুন ঝুন... পয়সা গুলা সব ব্যাটার হাতে দিয়া কইলাম, ভাই গনেন তো কত আসে। তিন চার সেকেন্ড পর মাধা উঠাইয়া কয় সাড়ে পাঁচ টাকা। আমি ব্যাটার দিকে তাকাইয়া আসি, ব্যাটা আমার দিকে তাকাইয়া আসে। আরো তিন চার সেকেন্ডের এক অপলক দৃশ্য। পরে ব্যাটা এমুন একখান হাসি দিলো। কয় কি, আমার এই জীবনে প্রথম কেউ আমারে সাড়ে পাঁচ টাকা ভাড়া দিলো। হাসি হাসি মুখে আমি আস্তে কইরা পল্টি মারলাম। বন্ধুদের কে এই কাহিনী বলসি, ওরা হাসতে হাসতে শেষ। আজকাল কার রিক্সাওয়ালা চরম স্মার্ট। আমি আর আরন (ব্লগার আরন) সেদিন স্কুল থেকে একই রিক্সা করে আসতেসিলাম, তো আমি আরনকে বলতেসি আরন, আমার বাসায় তো নেট নাই, কথা হবে না আজকে। বৃষ্টি হইসিলো ঐ দিন। রিক্সাওয়ালায় ঘাড়টা ঘুরাইয়া কয় "ওয়ারিদ নেট ইউজ করো"। আরন আর আমি তো অবাক গেলাম। তারপর বলে কি বাংলালিঙ্কের কি নেট সার্ভিস আসে? এই রকম কত স্মার্ট রিক্সাওয়ালা দেখলাম। কেউ বাংলা গান গায়, কেউ হিন্দি আজব ব্যাপার ইংরেজী গানও গায়। এই জন্যই বলি বাংলাদেশ চরম সম্ভাবনাময় একটা দেশ।
কালকে কৃষি-বিজ্ঞান পরীক্ষা। হুদা মিসা ও পড়তে ইচ্ছা করতেসে না। তাই একটু লিখলাম। মাথাটা একটু হালকা এখন, যাই একটু পড়ি। আমার এখন ইচ্ছা করতেসে কোন বন্ধুর সাথে ফোনে যদি জাক্কাস একটা আড্ডা দিতে পারতাম। কৃষি-বিজ্ঞান বিষয়টা আমারে পড়াইয়া কি লাভ এই বিষয় নিয়া একটু কথা বলতে ইচ্ছা করতেসে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

