একজন সাধারন ব্লগারের (অ)সাধারন আত্মকাহিনী

২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

শেয়ারঃ
0 0 0



হাফ এ লাইফঃ আধখানা আপেল


নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের বিখ্যাত একটা উপন্যাস হাফ এ লাইফ..., জীবনের আধেক, অর্থাৎ আধা জীবনের কাহিনী... যে কারো মনে হতেই পারে, কোন আত্মজীবনীর নাম হিসাবে- এটা একটা আইডিয়াল, মীনিংফুল নাম হতে পারে! কারন আত্মজীবনী মানেই তো হাফ এ লাইফ।

নিজের জীবন কাহিনী যারা লিখতে চান, তারা আসলে নিজের জীবনের খুব বেশি হলে, সর্বোচ্চ-- অর্ধেক অংশের কথা লিখতে পারেন। তাদের জীবন কাহিনী হয়ে ওঠে বড় জোর, তাদের অর্ধেক জীবনের কাহিনী..... জীবনের বাকী অংশের কথা তার অব্যক্তই রয়ে যায়। কারো পক্ষেই সম্ভব হয়ে উঠে না—সমগ্র জীবন কাহিনী ব্যাক্ত করার।

এই বিষয়টা আমি প্রথম খেয়াল করি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নিজের জীবন কাহিনী অর্ধেক জীবন পড়তে গিয়ে। নাইপলের বইটার প্রসঙ্গও ছিল, সুনীলের লিখা সেই বইএর ভূমিকায়। যারা সুনীল পড়েছেন, তারা সবাই জানেন—সুনীলের প্রথম জীবনের যাবতীয় রচনার সিংহ ভাগই ছিল তার নিজের ও কাছের বন্ধুদের জীবন যাপনের টুকরা টুকরা কাহিনী নিয়ে। এক হিসাবে তার নিজস্ব জীবনের গল্পকেই সুনীল ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তার বিভিন্ন লেখায় এনেছেন।

সে ক্ষেত্রে অর্ধেক জীবন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রথম রচনা, যা তার অফিশিয়াল জীবন কাহিনী হিসাবে চিহ্নিত করা যায়। শৈশব থেকে শুরু করে তার পরিনত বয়সের যাবতীয় কথিত অকথিত কাহিনীর বিন্যাস। প্রায় সারা জীবন ধরে লিখালিখির সাথে যুক্ত, আর এখন প্রায় সত্তর বছর বয়সের পড়ন্ত বেলায় এসে সুনীল আমাদের জানাচ্ছেন তার জীবন কাহিনী!!

আমি আসলে ভাবছিলাম, জীবনের কত বছর পার হয়ে এলে- মানুষ তার জীবনী লিখার কথা ভাবে...

জীবনী লিখার জন্য কি কোন নির্দিষ্ট বয়স আছে? এ ক্ষেত্রে রুল অফ গেমসটা কি? আর- কোন সে জীবন, যা নিয়ে কাহিনী রচনার যোগ্য, মানুষ হিসাবে কতটা গ্রেট হলে কেউ একজন তার জীবন-কথা লিখার ছাড়পত্র পায়, আর তাদের জীবন কাহিনী পাঠক আগ্রহ নিয়ে পড়ে? আমাদের মতো লিখিয়ে যারা সাহিত্য-জগত তথা সৃজনশীল জগতের সাথে সম্পুর্ণ সম্পর্কবিহীন, অজ্ঞাত কুলশীল- তারা কি জীবনী লিখার অধিকার রাখেন?

সাধারন আর অসাধারনের মাঝে ফারাক ক্রমশঃ ঘুচে যাওয়ার এই কাল পর্বে—ব্যক্তিগত ব্লগে মানুষ আজকাল লিখছে তাদের নিজ নিজ কাহিনী। সামহোয়ার এর মতো ব্লগ সাইটগুলোর পেজের পরে পেজ ভরে থাকে, তাদের ছোটখাট সুখ-দুঃখ, তুচ্ছ-সামান্যের, আনন্দ-বেদনার পালাগানে। প্রশ্ন হলো-নিজ নিজ জীবনী কি তাতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে?

আমাদের মতো সাধারন ব্লগারদের জীবন কাহিনী কি ব্লগের বিষয়বস্তু হতে পারে?

আজ থেকে ঠিক ৭বছর কয়েক মাস আগে আমি আমার মধ্য-বয়স, পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে এসেছি। পেছনে ফেলে আমার প্রায় অর্ধ শতাব্দীর যাপিত জীবনের ভাঙ্গাচুড়া সব টুকরা। এর প্রতিটা দিনের প্রতিটা মুহুর্ত আমার কাছে, আমার নিজের অস্তিত্বের এক একটা টুকরার মতো, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। মাঝে মাঝে এক একটা টুকরা খাপছাড়া ভাবে হাতে তুলে নেই, আলোক ঝলকানোর মত পুরানো স্মৃতি- লাফ দিয়ে এসে সামনে দাড়ায়। ব্যাকুল স্বরে প্রশ্ন করে- মনে আছে? আমায় তোমার মনে আছে?

দিন যাপনের অমোঘ টানে সময় গড়িয়ে চলে, আমাদের কিছুতেই পুরানো হতে না চাওয়া জীবনের হাত ধরে।

সামহোয়ার ব্লগে এসেছি মাত্র কয়েক মাস, অথচ এই ক’দিনে আমার নিজস্ব ব্লগ সাইটটার প্রতি এত মায়া পড়ে গেছে। খুব ইচ্ছা করে ব্লগটাকে সুন্দর সুন্দর পোষ্ট দিয়ে ভরিয়ে রাখি, তরুন ব্লগার বন্ধু, আমার ভালবাসার- শ্রদ্ধার প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা- যেন একবার করে আমার ব্লগ ঘুরে যায়। আমার ব্লগ সাইটটা যেন তাদের কাছে আকর্ষনের বিষয় হয়ে দাড়ায়। কিন্ত আমার ক্ষমতা কতটুকু, যা দিয়ে আমি তাদের বেঁধে রাখতে পারি? তাদের কৌতুহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারি? সবচেয়ে বড় সমস্যা মনে হয়—গড় ব্লগারদের সাথে আমার বয়সের ব্যবধান। কারও কারও সাথে এই ব্যবধান তো প্রজন্মান্তরের। আমার সামহোয়ারের বন্ধুরা যথেষ্ট বন্ধু বৎসল, আমি যে কোন সময় তাদের সাইটে গিয়ে আমার ব্লগ ভিজিট করার দাওয়াত দিয়ে আসতে পারি, আমি নিশ্চিত তারা আমার ব্লগে আসবেন, মন্তব্য করবেন, কিন্ত ইদানিং আমার খুব ইচ্ছা হয়, তাদের মুগ্ধ করতে, তাদের আগ্রহের একটা জায়গা তৈরী করতে। নিজের ব্লগটাকে জনপ্রিয় করে তুলতে।

কিন্ত হায়! আমার সক্ষমতা নিয়ে আমি নিজেই নিশ্চিত হতে পারিনা!!! এর মাঝেই এক ধরনের দ্বিধাগ্রস্ততা আমাকে ঘিরে ফেলে, আমার আত্মবিশ্বাসের পারদটাকে হটাৎ করেই একটানে নিচে নামিয়ে দিয়ে। ব্লগে লিখি কম, মন্তব্যও করা হয় তুলনায় অনেক কম। কিন্ত ঘুরে ঘুরে পড়ি প্রচুর। পড়তেই বেশি ভাল লাগে নানা ধরনের বিষয়বস্তু, বিচিত্র ধরনের আলোচনা আর বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্যের যুক্তি। প্রথম যৌবনের তারুন্যের সাবলীল সৌন্দর্য্যে ভরা এক একটা ব্লগ- কি বন্ধু বাৎসল্যে আর আন্তরিকতায় সবাইকে কাছে টেনে নেয়, আনন্দ আর খুশি ভাগাভাগি করে মেতে উঠে সবাই একক প্রাণের হুল্লোড়ে। সময় পেলেই আমি ঘুরে আসি ব্লগার শূন্য আরণ্যক, আন্দালিব, রোডায়া, আশরাফ মাহমুদ বা ছন্নছাড়ার ব্লগে। কাব্যময়তার এক অচিনপুর, বোধের অতীত এক অনুভুতি- মোহাবিষ্ট করে রাখে আমাকে।

মনজুরুল হক, মোহাম্মদ আরজু, পারভেজ, ফারহান দাউদ, বাফড়া বা জ্বিনের বাদশাদের ব্লগ থেকে ভাবনার খোরাক খুঁজি। প্রাঞ্জল ভাষায় তাদের যুক্তির উপস্থাপন নতুন নতুন দেখার দৃষ্টিভঙ্গী জোগায়। তরতাজা যৌবনের কলকাকলি শুনতে পাই আমি একলব্যের পুনর্জন্ম, অক্ষর, রোবোট, তনুজা বা উদাসী স্বপ্নের ব্লগে গিয়ে। একেকটা পোষ্ট আসে আর তাকে ঘিরে জমে ওঠে দুষ্টু দুষ্টু মন্তব্যের খুনশুটি, কখনও সে আসরে যোগ দেয়- চাঙ্কু অথবা জেরী। আর আফসুস, বেয়াদ্দপ পুলাপানদের শায়েস্তা করতে তাদের উপর নাজেল হন নুশেরা তাজরীন বা কঁাকনরা, পুলাপানের উপর মুরুব্বিয়ানা(!)ফলাতে।( নুশেরা তাজরীন এর গদ্য পড়ে হিংসায় আমার বুক পুড়ে যায়—এমন সাবলীল গদ্য কিভাবে লেখেন?)

আমি দূর থেকে তাদের এই নির্মল আনন্দে ভাগ বসাই, নিজের অস্তিত্বের জানান না দিয়ে। সংকোচ আমাকে আটকে রাখে—তাদের প্রাণের এই উৎসবে সামিল হতে। সন্দেহ হয়, মনটা হয়তো আগের মতো সবুজ নাই। আমার এই তরুন ব্লগ বন্ধুদের ভদ্রতা বোধ এবং আন্তরিকতা নিয়ে আমি কোন ধরনের সন্দেহে ভুগি না, তাদের অমলিন উদারতা দিয়ে আমাকে তারা কাছে টেনে নেবেই-আমি নিশ্চিত। কিন্ত তাদের ঝলমলে জমাটি আসরটা পন্ড করে ফেলি কিনা, এই ভাবনা আমাকে বিহবল করে তোলে।

ব্লগে আমার এই সব তরুন বন্ধুদের যে কোন বিষয়েই মতামত বা অবস্থান খুব স্পষ্ট। তাদের সে সব মতামত খোলাখুলি প্রকাশ করতেও তারা কুন্ঠাহীন। ভাবতে অবাক লাগে—এখনকার তরুনরা কত বেশি জানে... কত বেশি খোঁজখবর রাখে। কত ধরনের বিষয়ে যে তাদের দখল এবং কর্তৃত্ব, এসব আমাকে বাকরুদ্ধ করে দেয়। আমার বয়স আরও কম হলে তাদের এই অসাধারন ক্ষমতা নিশ্চয় আমার বুকে ঈর্ষার আগুন জ্বেলে দিত- তার বদলে মুগ্ধ বিস্ময়ে তাদের লিখা আমি পড়ে যাই। কয়েকজনের কথা এখানে বলাই উচিত- রিফাত হাসান, ইমন জুবায়ের, ম্যাভেরিক, রাগিব। আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ি শওকত হোসেন মাসুম, নাফিস ইফতেখার আর কৌশিকের ব্লগ। ভাষার স্টাইল আর শব্দ ব্যবহারের ক্ষমতা চুরি করতে ইচ্ছা করে সুমন রহমান আর আহমেদ মোস্তফা কামালদের ব্লগ থেকে। দ্বান্দ্বিকতার ছোঁয়া পাই অন্যমনস্ক শরৎ, জামাল ভাস্কর আর খারেজির পোষ্ট থেকে।

আর এ সব ভাবনাই আমার দ্বিধাগ্রস্ততাকে বাড়িয়ে তোলে, আমার আত্মবিশ্বাসের পারদটাকে কোন চেষ্টাতেই উপরে তুলে আনতে পারি না। বেশ বুঝতে পারি, আমার এতসব প্রতিভাবান আর সেইসাথে হৃদয়বান তরুন বন্ধুদের আমার ব্লগে নিয়ে আসা আর তাদের নিয়ত মুগ্ধ করে রাখার মতো ক্ষমতা আমার কখনই ছিল না। সচ্ছলতার সংসারে রাশি রাশি শব্দ আর সুঠাম বাক্যজালের ঠাসবুনোটে বোনা মায়াচাদরে ঢেকে থাকা যে জীবন...

সে আমার নয়......। অন্ততঃ এ জনমে নয়!!!

প্রথম পর্ব সমাপ্ত হইল। এই আত্মজৈবনিক আপাতত চলিতে থাকিবে, অনির্দিষ্ট কাল ধরিয়া। ধারাবাহিক এই কাহিনী পাঠ করিয়া বিপুল ভাবে আমোদিত হউন...

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আত্ম-জৈবনিক ;
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৭
রিফাত হোসেন বলেছেন: হুম পড়লাম ।

ব্লগে লেখার বিষয়বস্তুর অভাব নাই ।

মাঝে মাঝে লেখা খুজেই পাই না, আবার মাঝে মাজে মাথায় গিজ গিজ করে ।
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: নেক্সটটাইম যখনই মাথায় গিজ গিজ করবে তখনই তা গ্রেফতার করে ফেলবেন...

২. ২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
কৌশিক বলেছেন: মার্ক যুবায়ের এখন অনেকেরই প্রিয় ব্লগার...আমার তো বটেই...
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: কৌশিক ভাই, আপনার কথা আমার খুব বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করতেছে...

৩. ২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
কামালআবু বলেছেন: চেষ্টা করুন, সবাইকে ছাড়িয়ে যাবেন নিশ্চয়।
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: সবাইকে ছাড়ানো না, আপাততঃ আপনাদের আনন্দ দিতে পারলেই খুশি।

৪. ২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
জুল ভার্ন বলেছেন: চমতকার লিখেছেন।
প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: কৃ্তজ্ঞতা জানাচ্ছি, ভাল থাকবেন...

৫. ২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: কী কন ? আপনের লেখা কী খারাপ নাকি ?
বয়সে কি আসে যায় ? আমরা তো আর আপনার বয়স মাপছি না, আপনার লেখা পড়ছি। লেখা ভালো হল কি না সেটাই বিবেচ্য বিষয়।
আপনার দ্বিধা করার কোন কারণই দেখি না। জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করুন। জনপ্রিয়তার চূড়ান্তে পৌঁছে যাবেন সে কামনা করি।
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: শামীম ভাই, কি যে বলেন... এখনকার ছেলে মেয়েরা কত চমৎকার লিখে...

তাদের সামনে আমার লিখা......?

৬. ২০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
বলাক০৪ বলেছেন: চমৎকার বলেছেন। এটাই মনে হয় ব্লগের ইউনিক বৈশিষ্ট্য যে বয়সের পার্থক্য, লিংগের পার্থক্য যা বাইরের জীবনে আমাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখে সেইগুলি ঝেড়ে ফেলে আমরা ব্লগে ঢুকতে পারি। কত নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হয়, একটু একটু ঝগড়াও হয়। কেউ ফুল ফল সম্পর্কে আমাদের জানান, কেউ স্রষ্টা আছেন কি নেই এটা নিয়ে ঝড় তোলেন, কেউ বা মজার রান্নার রেসিপিও দ্যান। সবারই কিছু না কিছু বলার আছে। আর আমরা যারা বাইরে রাম গরুরের ছানা সেজে থাকি, তারা এখানে এসে একটু হাঁফ ছাড়তে পারি।
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ...

৭. ২১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:০১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মাত্র কয়েকমাস হয় ব্লগে আসছেন :) ???
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: রন্টি ভাই... আমার মন বলছে, আপনার আরো কিছু বলার ছিল, :) :)

বাংলা শব্দে অনুবাদ করে ফেলেন--আপনার ভাবনাগুলো...

৮. ২১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৮
কঁাকন বলেছেন: চলুক

আপ্নার পোষ্ট বা মন্তব্য পড়ে কখনোই মনে হয়নি আপনি ৫০+ বরং আমি তো আপনাকে ২৫ এর আসেপাসেই ভেবেছি।

ভালো থাকুন

২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: কঁাকনভাই, ছলনাময়ী এ মন আমার, আপনার কথার প্রতিটি অক্ষর বিশ্বাস করতে চাইতেছে...

কিন্ত আমি আসলে কোন ঝুকি নিতে চাই না... পরের পর্বে চোখ রাখেন।

৯. ২১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

চিরসবুজ মনটাই আমাদের চাই, আর সেটা থাকলে বয়সের হিসেব শিকেয় তোলা থাক :)


ঠিক আপনার জায়গা থেকে এ লেখাকে অনুভব করা হয়তো আমার পক্ষে সম্ভব নয়, যতদূর গভীরে যেতে পেরেছি মনে হলো প্রতিটা লাইন অনেক যত্নে, এমনকি শব্দের পর শব্দ বুনেছেন পরম মমতায় ।

আপনার আধেক কিম্বা পুরো জীবন গল্পের সঙ্গে থাকতে চাই, অন্তত চেষ্টা থাকবে এটুকু জানিয়ে যায় । পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় ।


সুস্থ থাকুন ।
২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: আ রা শি, আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

১০. ২১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
জটিল বলেছেন: :) অনেক ভাল লাগল ভ্রাতা , আসলেও এই ব্লগে অনেক গুণী এবং জ্ঞানীজনের সমাহার যা দেখে প্রতিনিয়তই মুগ্ধ হতে হয় ।
আপনার লেখনীও ভাললাগল ...
২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, জটিল ভাই, ভাল থাকবেন...

১১. ২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার ব্লগীয় অমনিবাস।
২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ, ব্লগীয় অমনিবাস!!!

ভালই বলেছেন।

১২. ২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
কৌশিক বলেছেন: বস, আপেটলটা অশ্লীল লাগতেছে..
২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: কৌশিক ভাই, আপনার মনে পাপ বাসা বেঁধেছে... দূর করার জন্য পড়তে থাকেনঃ আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম।

প্রভূ আমাকে শয়তানের আছর হইতে রক্ষা কর।

১৩. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২০
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: আপনি কি আপনার জিবনী লিখছেন নাকি কোন গল্পের পটভূমির অবতারনা করেছে???? চমৎকার।।

কোন লেখা পাঠককে ধরে রাখে একজন লেখকের লেখার ঢং।
আপনার এ লেখা আমার মত পাঠককে আকৃষ্ট করছে এবং আমার মধ্যে আগ্রহ তৈরী করছে পরবর্তি পর্ব পড়ার জন্য।

আমি এখন ২য় পর্বে যাব। দেখি কি চমক ওখানে অপেক্ষা করছে।
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: হ রে বোন, জীবনীই লেকপার গেছিলাম...

কিন্ত একবার শুরু করার পর হাবুডুবু খাইতেছি, আমার কি সে এলেম আছে?

দেখি পেশাদার কারও সাহায্য পাওয়া যায় কিনা!!!

১৪. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৮
রোবোট বলেছেন: লেখক: তরতাজা যৌবনের কলকাকলি শুনতে পাই আমি একলব্যের পুনর্জন্ম, অক্ষর, রোবোট, তনুজা বা উদাসী স্বপ্নের ব্লগে গিয়ে

কমেন্টক: আমি তো বলগে নানা। যৌবনের কলকাকলি কেমনে শুনেন? আমি তো মনের দিকেও বুড়া।

লেখক: আজ থেকে ঠিক ৭বছর কয়েক মাস আগে আমি আমার মধ্য-বয়স, পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে এসেছি।

কমেন্টক: তার মানে আপনে ৫৭? কিতা কয়? কাকনার সাথে পুরাই একমত।




ম্যাভেরিক আর নাফিস দুইজন পুরা উলটা দুইদিকে বস। আপনার পোস্ট বেশী পড়িনি, আপনার কমেন্ট ভালো পাই।
১৫. ২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫১
মার্ক জুবাবের বলেছেন: আপনি কি ব্লগে নানা নাকি? মাশাল্লহাহ আপ্নে যৌবন কেমতে যে ধইরা রাখেন?
১৬. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:২৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: ????? আমার অনুমান ক্ষমতা ভাল ভাবতাম,আপনার বেলায় ধরা খেয়ে গেছি,আপনি ৫৭:) এই বয়সেও এই মন নিয়ে চলার ক্ষমতা খুব বেশি মানুষের হয় না,আপনাকে অভিনন্দন,এবং যখন ৫৭ হবে,আপনার কথা মনে করবো।
২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: ফারহান, আপনি আমার পছন্দের ব্লগার, আমি এখনও জানি বিশ্বাস করি, আপনার অনুমান ক্ষমতা অসাধারন। আপনি মোটেও ধরা খান নাই...

১৭. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৩২
তনুজা বলেছেন: বারে ! বানের জলের মত কমেন্ট না আসলে আপনি কলকাকলী শুনতেন কিভাবে

পোস্ট জটিল লাগছে +++
২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: কোথায় বানের জল, আর কোথায় কলকাকলী...... :( :( :(

হে কবি, কলকাকলী বানের জলে ভেসে আসে না, বিলিভ মী......... ;) ;)

১৮. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হাফ আ লাইফ - ভি এস নাইপলে বই মাথায় উপ্রে দিয়া যায় ।

আগে একবার পড়ে গিয়েছিলাম

আপনার বয়স সম্পর্কে একটা আইডিয়া ছিলো যেহেতু স্মিতা পাতিলকে যেভাবে বিচার করেছেন

সেখান থেকেই আন্দাজ করেছি তবে ভেবেছিলাম ৪৫+ এমন কিছু ।
আমার বাবা মা দুজনেই স্মিতার ভক্ত - তাদের সুবাদে আমিও ভক্ত ।
আমি অবশ্য আপনার হাফ বয়েসী ।

কিন্তু ব্যাপারটা কি জানেন - আমি ও পোলাপাইনদের সাথে মিশি
মনমানসিকতা এক হলে বয়স কোনো ব্যাপার না ।
~~~~~~~~~~~~~~~

আগের বার মন খারাপ ছিলো আমারে পাত্তা দেন দেখে
মানে আমার নাম নেন নাই দেখে .. হাহাহা

তাড়াতাড়ি পড়েছি তাই আগের প্যারা তে দেখিনি ।

নিজের নাম আরেকজনের ব্লগে দেখতে ব্যাপক লাগে :)

থ্যাংকস ।
২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল চরিত্রের বয়স মাপবেন কেমতে? আজ আমার নাম বুনায়েল শাফাত, আমার বয়স সাতাশ, (আমার তৃতীয় পর্ব পড়েন), অথচ গতকাল আমি ছিলাম মার্ক জুবাবের এর ভুমিকায়, তখন বয়স ৫৭। হাঃ হাঃ হাঃ ... আমি আসলে নিজের নামে ছদ্ম একটা গল্প শুনাতে চাইতেছি, তাই একেক সময় একেক রকম নাম বয়েস...

তবে আমার জেনুইন বয়েস আপনার আপনার অনুমানের প্রায় কাছকাছি।।

আর সবশেষে আমার পছন্দের ব্লগারদের নাম লিখতে গেলে শূন্য'র নাম তো আসবেই... :) :)

১৯. ২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: ভালো লাগলো। আরো লিখবেন আশা রাখি।
২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: মেঘদূত, আরও দুই পর্ব লিখা হয়েছে, ২য় এবং ৩য় পর্ব।

আশা করি পড়বেন...

২০. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অসাধারন আপনার ব্লগীয় পাঁচালী।
আপনার সবলেখাগুলোই পড়লাম.........
একটার পর একটা..............

শুভেচ্ছা ।এমন করে লিখতে সবাই পারেনা......।
ভালো থাকবেন।
২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন সাজি? আপনার প্রশংসা পেয়ে খুব ভাল লাগলো। ভালো থাকবেন...

২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

২২. ২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
দেশী পোলা বলেছেন: হুমম, রেসিডেন্টের ফেভারিট হওয়ার জন্য আপেল ঘুষ দেয়াকে মাইনাস জানাই
২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: রেসিডেন্ট আগে থেকেই আমার ফেভারিট...
মাইনাসের ঘুষ সাদরে গৃহীত হইলো। ;) ;)

২৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮
নুশেরা বলেছেন: আপনার লেখার ঢঙে একটা আচ্ছন্ন করে রাখার মতো ব্যাপার আছে; পাঠককে একটানে টেনে নিয়ে যায় শেষ পর্যন্ত। কিন্তু আমি ধাক্কা খেলাম। আধখানা আপেলের মাঝামাঝিতে এসে বিরাট ঝাঁকি। পুলাপানের উপর নাজিল হওয়াটা ঠিকই ধরেছেন কিন্তু বাকীটা! ব্যাপক লজ্জায় ফেললেন! (ইমোটা যেন কীভাবে দেয়)
০২ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: হায় হায়রে আমার কপাল! এত দিন পরে নুশেরা এল আমার ব্লগে,এই দুঃখ, এই অভিমান আমি কোথায় রাখি?? :( :(

২৪. ১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
জানা বলেছেন:


আপনার প্রায় সব লেখাই সুযোগ পেলে পড়ি। এই লেখাটাও আগেই পড়েছি আর একবার পড়া হয়ে গেল। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়ে যাওয়া অসাধারণ এই প্রকাশ ভঙ্গি নিয়ে কিছু বলা হয়নি আগে; অকারণেই কিংবা গুছিয়ে বলতে পারি না তাই। এই সীমাবদ্ধতা বুঝি রয়েই যাবে আমার।

আনন্দে থাকুন, কৈশর-যৌবনেই থাকুন আজীবন প্রিয় মর্াক যুবায়ের।



১১ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য বিলম্বে চোখে পড়ার জন্য দুঃখিত, জানা।

আপনাকে পাঠক হিসাবে পেয়ে ভাল লাগছে, আপনার মন্তব্য সাংঘাতিক উদ্দীপক...

ভাল থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৯৬৮১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিজের সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নাই, অন্যদের কথা বেশী শুনতে চাই- অনেক কিছু শিখতে চাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই