somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অগ্রগতরি ৪শ্' বছর

০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
রাজধানী হিসেবে ঢাকার ৪শ্' বছরের অভিযাত্রা
(১৬০৮ থেকে ২০০৮ )


রূপকথার ফনিক্সি পাখরি বারবার বেঁচে ওঠার অলৌককি গল্পের মতো ইতিহাসের পাতায় বারেবারে উঠে এসেছে ঢাকা। স্থান করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। কখনো মসলিনের নগরী হিসেবে, কখনো বানিজ্যিক নগরী হিসেবে, কখনো রাজধানী হিসেবে,ঢাকার উত্থান ঘটছে বারবার। কালের পরক্রিমায় ঢাকা আজ বাংলাদশেরে রাজধানী। আর রাজধানী হিসেবে এ শহররে প্রথম অভিষেক হয়েছিল ১৬০৮ সালে, ইসলাম খাঁর আমলে। ইতিহাসের ধাপে ধাপে অগ্রগতরি পথে ঢাকা আজ ৪শ্' বছরের ঐতিহ্য সমৃদ্ধ বিশ্বের এক প্রাচীন নগরী।
ইতিহাসের পাতায় ‌‌‌‌ডবাক রাজ্য নামে যার উল্লখে পাওয়া যায়- ইতিহাস গবেষক যতীন্দ্র মোহন রায় তাকেই ঢাকার আদি নাম ও অবস্থান হিসেবে উল্লখে করছেনে। এছাড়া স্বাধীন সুলতানী আমলে, মোগল আমলে কিংবা ব্রিটিশ আমলের শেষপাদে ঢাকার বহুমাত্রকি বর্ণনা পাওয়া যায়।
পদ্মা, মঘেনা ও যমুনার জল-নিরাপত্তা বলয়রে ভৌগলকি অবস্থান এবং জল ও স্থলপথে নিবিড় যোগাযোগব্যবস্থা বুড়িগঙ্গা নদী তীরবর্তী ঢাকা নগরীকে দিয়েছে অপরূপ এক প্রাকৃতিক । সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্যর কারণে ঢাকা নগরীর প্রতি বণিক ও দশেী-বদিশেী রাজন্যবর্গরে ছলি এক দুর্বার আকর্ষণ। ফলে ঢাকা লুণ্ঠন ও আক্রমণরে শকিার হয়ছেে বারবার। মর্যাদার আসনেও অধষ্ঠিতি হয়ছেে বারবার।
ঢাকা প্রথম রাজধানী শহররে মর্যাদা লাভ করে ১৬০৮ সালে মোগল আমলে। ইসলাম খাঁ চশিতী সুবাহ বাংলা বা ভারতরে পূর্বঞ্চলরে প্রাদশেকি সুবাদাররে দায়ত্বি নয়িে ঢাকায় প্রথম পদার্পণ করনে ১৬০৮ সালরে জুলাই মাসে। ইতহিাসরে দনিলপিতিে ঢাকায় পদার্পনরে সঠকি কোন দনি-তারখি উল্লখে নেই। তবে তার সফর সঙ্গীর দনিলপিতিে ( মর্জিা নাথানরে বাহারস্তিানে গায়বেী) জানা যায়, ঢাকার উদ্দশ্যেে নৌপথে যাত্রা করে ইসলাম খাঁ ৫জুলাই ইছামতি পর্যন্ত পৌঁছছেলিনে। সমেতে অনুমান করা হয় ১৫ থকেে ১৬ জুলাইর মধ্যে তনিি ঢাকায় পদার্পন করনে। সেই থকেে রাজধানী শহর হসিবেে শুরু হয় ঢাকার গৌরবময় পথ চলা। কারণ ঢাকা বজিয়রে পর ইসলাম খাঁ বাংলা-বহিার উড়ষ্যিার তৎকালীন রাজধানী রাজমহলে আর ফরিে যাননি। বরং ঢাকা থকেেই তনিি প্রশাসন পরচিালনা শুরু করনে। কার্যত এভাবেই শুরু হয় রাজমহল থকেে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর প্রক্রয়িা।
ইসলাম খাঁ এসময় ঢাকার নতুন নামকরণ করনে জাহাঙ্গীর নগর। এতে সন্তুষ্ট হয়ে ১৬১০ সালরে ১৬ জুলাই দল্লিী সম্রাট জাহাঙ্গীর রাজধানী হসিবেে ঢাকার ¯^xK…wZ দয়িে এক রাজকীয় ফরমান জারি করনে। তারপর প্রায় ১শ্থ বছর ঢাকা ছলি সুখ্যাতি ও শৌর্য-বীর্যরে শীর্ষে। অবশ্য মাঝখানে শাহ সুজা সুবদোর নযিুক্ত হয়ে ১৬৫০ সালে ঢাকা থকেে রাজমহলে রাজধানী স্থানান্তর করছেলিনে। ১৬৬০ সালে মীর জুমলা বাংলার সুবাদার নযিুক্ত হয়ে রাজধানী আবার ঢাকায় ফরিয়িে আননে। নজিরে আবাস হসিবেে তনিি বড়কাটরকে বছেে ননে । দু্থটি সুবশিাল কামান দ্বারা সজ্জতি করনে বড়কাটরার প্রবশেদ্বার। এসময় ঢাকা কামান ও রণতরী নমিার্ণে সুখ্যাতি অর্জন করে। গোলা-বারুদ ও সমরাস্ত্র সংরক্ষণরে জন্য স্থাপতি হয় তোপখানা, সনোবাহনিীর জন্য স্থাপতি হয় কল্লো, হাতবিহররে জন্য স্থাপতি হয় পলিখানা, নর্মিতি হয় ঢাকা গটে। ঢাকা গটেরে অদূরে স্থাপতি হয় ক্যারাভান বাজার ( আজকরে কাওরান বাজার) প্রভৃতি।
এরপর ১৭১৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা ছলি এ গৌরবকে পুনঃ মসলিপ্তি করনে নবাব মুর্শদি কুলি খাঁ। তিনি ১৭১৭ সালে ঢাকা থেকে রাজধানী মুর্শিদাবাদে নিয়ে যান। নতুন রাজধানী হিসেবে মুর্শদিাবাদকে গড়ে তুলতে গিয়ে তখন ঢাকার বাণজ্যিকি গুরুত্ব ব্যাপকভাবে হ্রাস করা হয়ছেলি। নানাভাবে বণকিদরে প্রলুব্ধ করা হয়ছেলি মুর্শদিাবাদে যতেে। এতে ঢাকার ব্যবসা-বাণজ্যি চরমভাবে ক্ষতগ্রিস্থ হয়ছেলি। তদুপরি মাত্র ৪০ বছররে মধ্যে সে রাজধানীর পতন এ অঞ্চলরে জনগণরে ভাগ্যবপির্যয়রে কারণ ঘটছেলি। কারণ ১৭৫৭ সালে ইংরজে বণকিদরে কাছে মুর্শদিাবাদরে পতন ও সরিাজ-উদ- দৌলার পরাজয় ঢাকার ওলান্দাজ, ফরাসী, পর্তুগীজ ও আর্মনেীয় বণকিদরে ব্রটিশি নপিীড়নরে মুখে ঠলেে দিয়েছিল। তারা ঢাকা থেকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল। ফলে পলাশীর পরাজয় শুধু মুর্শিদাবাদের পতন ও তার রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব হারানোর মধ্যে সীমিত থাকেনি; এ পরাজয় ঢাকার অবশিষ্ট বাণিজ্যিক মহিমাকে নিঃশেষ করে দিয়েছিল। আর কালের পরিক্রমায় ঠিক ঐ সময় বিকশিত হতে শুরু করে কলকাতা। কারণ ১৬৯২ সালেই ঢাকা থেকে লিজিসূত্রে ইংরেজরা এ নগর পত্তনের ডিক্রি পেয়েছিল। তাই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পর ইংরেজরা বাংলার রাজধানী হিসেবে কলকাতাকেই বেছে নেয়। তবে ঢাকায় তারা রেখে দেয় রাজস্ব আদায়ে নায়েবে নিজামের দপ্তর, যা পরবর্তীতে কালেক্টর অফিস ইত্যাদিতে রূপান্তরিত হয়।
তৎকালীন ঢাকার প্রাচীন কীর্তি হিসেবে এখনো টিকে আছে লালবাগ কেল্লা, বাদশাহী প্রাসাদ (বর্তমান কেন্দ্রীয় জেল খানার অভ্যন্তরে), বাদশাহী মসজিদসহ বহু প্রাচীন মসজিদ, ঢাকা গেট, বড়কাটরা ও ছোট কাটরার ধ্বংসাবশেষ, ইদ্রাকপুর দুর্গের ধ্বংসাবশেষ প্রভৃতি। স্থান হিসেবে টিকে আছে চকবাজার, বেগমবাজার, বাংলাবাজার, চকমোগলটুলি, মাহুতটুলি, পাটুয়াটুলি, পোস্তাগোলা, ফরাশগঞ্জ প্রভৃতি ঐতিহাসিক স্থান। হারিয়ে গেছে পোস্তাগোলার সুরম্য রাজপ্রাসাদ, জিঞ্জিরা প্রাসাদ, পাগলার পুল, টঙ্গীর পুল প্রভৃতি স্থাপনা।
এ প্রসঙ্গে এখানে ১৮২৪-২৫ সালের একটি বর্ণনা উল্লেখ করা যায়। ইংরেজ ধর্মযাজক বিশপ হেবার ব্রিটিশ শাসনের স্বর্ণযুগে ন্যারেটিভ অব এ জার্নি’* গ্রন্থে তার ঢাকা সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে লিখেছেন, “ঢাকা বর্তমানে এর বিশালতার এক ধ্বংসসতূপ মাত্র। নগরটির ব্যবসা-বাণিজ্য অতীতের ষোল ভাগের এক ভাগে এসে দাঁড়িয়েছে এবং এর অপূর্ব সুন্দর অট্রালিকাগুলি, এ নগরীর প্রতিষ্ঠাতার দুর্গটি, তাঁর নির্মিত চমৎকার মসজিদটি, বিগত নবাবদের প্রাসাদগুলি, ওলন্দাজ, ফরাসী এবং পর্তুগীজদের কারখানা ও গীর্জা-সবই ধ্বংসসতূপে পরিণত হয়েছে আর বন-জঙ্গলে ঢেকে গেছে।”
আর এভাবেই প্রায় নিঃশ্চিহ্ন হয়ে যেতে যেতেও এক ঐতিহাসিক নগরী হিসেবে ঢাকার এই টিকে যাওয়া বা টিকে থাকার কারণ হিসেবে ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, শহরটির ভৌগলিক অবস্থান, সমৃদ্ধ পশ্চাদভূমি এবং এর নিজস্ব বাণিজ্যিক ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ঢাকা নগরীকে যেমন টিকিয়ে রেখেছে, তেমনই বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছে।
সে কারণেই কলকাতায় রাজধানী স্থাপন করেও ব্রিটিশ শাসকেরা শেষ পর্যন্ত ঢাকা উপেক্ষা করে থাকতে পারেনি। বরং রাজস্ব আদায়ের সুবিদার্থে ১৮৬৪ সালে ঢাকাকে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। ১৮৭৪ সালে ঢাকায় আধুনিক পানি সরবরাহব্যবস্থা চালু করা হয়। ১৮৭৮ সালে ঢাকার রাজপথে জ্বলে ওঠে প্রথম বৈদ্যুতিক আলো। ১৮৮৫ সালে ঢাকা যুক্ত হয় আধুনকি রেল যোগাযোগব্যবস্থার সাথে। এরআগে ১৮২৫ সালে কোম্পানীর কালেক্টর চার্লস দাউস (Charles Dawes) ঢাকায় এসে রমনায় চালু করেন ঘোড়দৌড়ের খেলা এবং তিনি কিছু প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবন নিমার্ণ ও সংস্কার করেন। ব্রিটিশ সংস্কারের সর্বশেষ সংযোজন ছিল প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে ঢাকার পূর্ণমূল্যায়ন। ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে ‘বঙ্গীয়-আসাম প্রদেশ’ গঠন করে এবং প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে আবার ঢাকার পুনরুজ্জীবন ঘটায়। তবে ‘বঙ্গীয়-আসাম’ নামে ভারতের নতুন এ প্রদেশকে মেনে নেয়া হয়নি। বরং একে ‘ভারত-বিভাজন’ হিসেবে উল্লেখ করে তখন ‘বঙ্গভঙ্গ রদ’ আন্দোলন গড়ে উঠেছিল এবং তীব্র আন্দোলনের মুখে সরকার ‘বঙ্গভঙ্গ রদ’ কার্যকর করে। ফলে ১৯১২ সালে ঢাকা রাজধানী হিসেবে আবার তার মর্যাদা হারিয়ে ফেলে।
১৯২১ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্ববাংলার জনগণের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
এরপর ১৯৪৭ সাল। এ সময় ব্রিটিশরা ভারতকে আবার বিভাজিত করে। এ বিভাজন নিয়ে কোন আপত্তি ওঠেনি। ফলে ঢাকা আবার প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা ফিরে পায়। ঢাকা হয় পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী।
তারপর ঢাকা ইতিহাস গড়েছে ১৯৫২ সালে মহান ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় অভিষিক্ত করে। ইতিহাসের নানা বাঁকে এ ভূ-খন্ডের সুবিধা বঞ্চিত জনগণকে শোষনের নাগপাশ থেকে মুক্ত করতে ঢাকা আবির্ভূত হয়েছে ত্রাণকর্তার ভূমিকায়। ১৯৫৪’র যুক্তফ্রন্ট গঠনে, ৬২’র শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলনে, জাতীয় মুক্তি সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা ও ১১ দফা কর্মসূচীর রূপায়নে, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থান সংঘটনের মাধ্যমে ঢাকা এ দেশের জনঘণকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে বারেবারে।
এরপর ঢাকা রক্তে রঞ্জিত হয়েছে একাত্তরে। পাকি-বাহিনীর গণহত্যার বর্বরতায় হতবাক ও নিপীড়নে বিক্ষুব্ধ জনগণ হাতে তুলে নেয় অস্ত্র, ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। একনদী রক্ত পেরিয়ে ঢাকা হয় gy³-¯^vaxb| বিশ্বমানচিত্রে অভ্যূদয় ঘটে ¯^vaxb সার্বভৌম বাংলাদেশের। ঢাকা এবার অধিষ্ঠিত হয় ¯^vaxb সার্বভৌম বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ রাজধানীর মর্যাদায়।
১৬০৮ থেকে ২০০৮ রাজধানী হিসেবে ঢাকার এ অভূতপূর্ব অভিযাত্রায় আমরা আজ ৪শ’ বছরের মাইল ফলক ছুঁয়েছি। এ এক অন্যন্য গৌরবগাঁথা। অসামান্য অর্জন। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন নগরীর গর্বিত নাগরিক হিসেবে আসুন আজ এ অর্জনকে আমরা স্বাগত জানাই। মেতেউঠি ইতিহাসের নন্দিত অধ্যায় অবগাহনে;
গেয়েউঠি ‘চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে..।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×