গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসন বলেছেন, "জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্রের মালিকের ক্ষমতা খর্ব করতে পারেন না। যদি খর্ব করার বৈধতা দেয়া হয়- তাহলে সাংবিধানিক আইনই মিথ্যা হয়ে যায়। " সংবিধানে জনগণকে সকল ক্ষমতার উৎস' বলার পাশাপাশি মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বললে রাষ্ট্রদ্রোহিতা গণ্য করার বিধানটি 'পরস্পরবিরোধী' বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবিধানে একইসঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রধর্ম থাকার বিষয়টিও 'স্ববিরোধী'।
বুধবার সুপ্রিমকোর্টে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি সুপ্রিমকোর্ট শাখার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সংবিধানের ৭ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এর সঙ্গে ৭ (ক) ও (খ) উপধারা যুক্ত করা হয়েছে।
৭ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এই সংবিধান বা ইহার কোনো বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা করিবার উদ্যোগ নিলে বা ষড়যন্ত্র করিলে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে।
এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে প্রচলিত আইনের 'সর্বোচ্চ দণ্ডের' কথা উল্লেখ করা হয়েছে একই অনুচ্ছেদে। তিনি বলেন, এটা পরস্পরবিরোধী।
সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে চার মূলনীতিতে রাখার পাশাপাশি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম রাখার বিধানকেও 'স্ববিরোধী' হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশের মূল সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ড. কামাল হোসেন।উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই এক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর সংবিধানের সংশোধনী ছুঁড়ে ফেলা হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় পরদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার এ বক্তব্য অশালীন ও অপ্রত্যাশিত। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, খালেদার বক্তব্য 'দ্বায়িত্বজ্ঞানহীন, অসৌজন্যমূলক ও রাষ্ট্রদ্রোহের সামিল'।
গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসন বলেছেন, "জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্রের মালিকের ক্ষমতা খর্ব করতে পারেন না। যদি খর্ব করার বৈধতা দেয়া হয়- তাহলে সাংবিধানিক আইনই মিথ্যা হয়ে যায়। " সংবিধানে জনগণকে সকল ক্ষমতার উৎস' বলার পাশাপাশি মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বললে রাষ্ট্রদ্রোহিতা গণ্য করার বিধানটি 'পরস্পরবিরোধী' বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবিধানে একইসঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রধর্ম থাকার বিষয়টিও 'স্ববিরোধী'।
বুধবার সুপ্রিমকোর্টে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি সুপ্রিমকোর্ট শাখার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সংবিধানের ৭ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এর সঙ্গে ৭ (ক) ও (খ) উপধারা যুক্ত করা হয়েছে।
৭ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এই সংবিধান বা ইহার কোনো বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা করিবার উদ্যোগ নিলে বা ষড়যন্ত্র করিলে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে।
এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে প্রচলিত আইনের 'সর্বোচ্চ দণ্ডের' কথা উল্লেখ করা হয়েছে একই অনুচ্ছেদে। তিনি বলেন, এটা পরস্পরবিরোধী।
সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে চার মূলনীতিতে রাখার পাশাপাশি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম রাখার বিধানকেও 'স্ববিরোধী' হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশের মূল সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ড. কামাল হোসেন।উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই এক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর সংবিধানের সংশোধনী ছুঁড়ে ফেলা হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় পরদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার এ বক্তব্য অশালীন ও অপ্রত্যাশিত। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, খালেদার বক্তব্য 'দ্বায়িত্বজ্ঞানহীন, অসৌজন্যমূলক ও রাষ্ট্রদ্রোহের সামিল'।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



