কুত্তার বাচ্চার দিনলিপি
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:২৯
নিজের কথাই কই। মানুষের বাচ্চার পরিচয় দিতে দিলে দাগা লাগে। তাই নিজেরে কুত্তার বাচ্চা হিসাবে পরিচয় করি। থাকি ক্যান্টেনমেন্টে। আমার ভাই ক্যান্টেনমেন্টের বড় লাট। সব ফ্রি তার। আর আমি তো ফিরির ওপর ফিরি। থাকা খাওয়া মুতা হাগা এমনকি ভাবী পর্যন্ত ফিরি। খালী চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে বেড়াই। নিজের কাগজপত্রের বুজোরুকি জাহির করবার চাই। ফিরি গাড়ী কইরা শাহবাগ আইয়া নামি। তারপর পলটনে এককান ইন্টারভিউ দিতে যামু। মামু দেখি কি রাস্তা বন্ধ। হাইকোর্টের কাছে বেরিকেড। অনেক কইরা কইলাম পুলিশ মামাগোরে পলটনে আমার ইন্টারভিউ আমি মিছিল করতে আসি নাই। আমার কোনো পাসপোর্ট নাই। তাই যেতে পারি নাই। আমি তো কোন ছার শত শত মানুষ কিলবিল করছে মুখে সবার অনিশ্চয়তা। কে কোন দিকে যাচ্ছে কোনো সিরিয়াল নাই। হাটা শুরু করসি বাংলা একাডেমীতে যামু। ওদিকে ও বেরিকেড। ভেতরে ঢুকা এক মহিলার ভাই ডাকে আমার ধ্যান ভাঙ্গে। অই দিকে যাওয়া যায়? মহিলা আমারে জিগায়। তার দুহাতে দুইটা বাচ্চা। আর মহিলা খুব সুন্দরীও। তার লগে কথা কইতে আমার ভালা লাগে। আপনি কই যাইবেন? আমি তারে জিগাই। পলটন সে কয়। দিলে মায়া লাগে। অইদিকে বেরিকেড? আমি বলি। কিভাবে যামু? হে আবার জিগায়। নিজের ভেতর হযরত ফিদেল ক্যষ্ট্রো জেগে উঠে। লন আমি তারে কই। পুলিশের লগে বচসা করলাম। হে বাড়ী যাইব। বাচ্ছাগোরে ইসকুল থেইকা আনতে গেসিল। আমি কই। পুলিশ আর বিডিয়ার মেয়েটার পাসপোর্ট দেখতে চায়। আমি গৃহবধু সে বলে। পুলিশের লগে আমি আরো কথা কাটাকাটি করি। আর মাইয়াটারে পার করি। খোদা মাইয়াটা পারলে অইখানে আমারে এককান চুমা দেয়। বলগের অনেকেই আমার নারী অনিহার কথা জানে। বঙ্গ ভবন, হাওয়াভবন, সুধাভবনের দেশে আমরা কারা?? আমার প্রশ্ন জাগে। নিজেকে সম্পুর্ণ বন্দী মনে হয়। বুঝতে পারি কোনো মানুষের দেশে এটা সম্ভব নয় কেননা আমরা মানুষের বাচ্ছা নই। সব আমার মতই। মানে কুত্তার বাচ্চা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
টাইম নাই!
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
নিজে কুত্তার বইলা পাবলিকরেও গালি দিবেন?
অতিথি বলেছেন:
ভাবী পর্যন্ত ফিরি!
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
জাহেদ ভাই ....ঢাকায় গিয়া কি পাঙ্কা হইয়া েগলো নাহি মাশা
অতিথি বলেছেন:
হাছা কইছেন
মাশা বলেছেন:
কি কন মিয়া। ঢাকায় আহেন। তারাতারি।
অতিথি বলেছেন:
আবালেরা থাম..!
মাশা বলেছেন:
কৌশিক কেমন আছেন??
অতিথি বলেছেন:
ভাল, থ্যাংস ফর আসকিং। আপনি ঢাকা কতদিন আছেন!
মাশা বলেছেন:
ঢাকায় আছি কিছুদিন। সন্ধ্যায় আজিজে আসেন নি?
অতিথি বলেছেন:
আসলে ঐরকম আড্ডা মারার সুসময় নেই। তবে যেহেতু কিছুদিন আছেন একদিন সবাই মিলে আড্ডা মারা যাবে!
মাশা বলেছেন:
আড্ডার সুসময় আর কি কৌশিক ভাই আমাদের আর দুঃসময় কি হতে পারে??
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
আইচ্ছা, আজিজে গেলে কি জাতে উঠা যায়?
মাশা বলেছেন:
না মফিজ যার যেখানে আড্ডা।
অতিথি বলেছেন:
ইচ্ছে থাকলেও এখন পারছিনাতো! সপ্তাহে একদিন কোনভাবে ম্যানেজ করা যায় দূরান্তে গমন। এমনিতেই আড্ডা হয় প্রতিদিনই, ওয়াকিং রেঞ্জে যারা থাকে তাদের সাথে।
আমার নাম মফিজ বলেছেন:
তাইলে যে হগ্গলে কয় আজিজে গেছিলাম আড্ডা মারতে। কেউ তো হালার কয় না নারায়নগনজের চিপায় গেছিলাম।
অতিথি বলেছেন:
ব্লগের প্রোফাইল টা আপডেট কর:বাবার নাম: টমি
মা র নাম: লাসি
ঠিকানাটাও তো ভুল : কক্সবাজারের পরিবর্তে ক্যান্টনমেন্ট হবে।
মাশা বলেছেন:
লাভার হা??
অতিথি বলেছেন:
ভুদাই
মাশা বলেছেন:
পথিক কই।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
এইখানে আমার কমেন্ট আছিল! কে খাইলোরে???
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














