somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... দীনেশ দাসের দুই ঘাতক: আবু হাসান শাহরিয়ার ও ট্রাক কাজ করতে গিয়ে দেখলাম মানুষ হিসাবে সরল। ব্যক্তিত্ববান হওয়া স্বত্বেও হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না। তার বয়সে ছোট অনেক ছোকরাও দীনেশ দাকে বকাঝকা করত। পত্রিকার সম্পাদক গোষ্ঠীর সাথে খাতিরের সূত্রে। তাও দীনেশ অপরাধীর মতই মাথা নত করে মেনে নিতেন। আদতে তিনি এগুলোকে প্রশ্রয় দিতেন মনে হয়। কারো বিরুদ্ধে কোনোদিন কোনো অভিযোগ করতে দীনেশ দাসকে কেউ দেখেছে কিনা জানিনা আমি দেখি নাই।
সত্যি বলতে কি দীনেশ দাকে অতি সরলতার জন্য ঘৃণা করতাম। সবকিছু চুপচাপ মেনে নেয়া একজন ঋষি টাইপের অচল মানুষ। যে ধরনের মানুষের ওপর ইদুর চামচিকাও তাদের ব্যক্তিত্বগিরি ফলায়। তাদেরকে তো বর্তমান সময়ে অচলমানুষই বলা যায় নাকি।
যাইহোক দীনেশ দা নিহত হয়েছেন। তাই আজ বাধ্য হয়ে কিছু কথা বলছি। দীনেশ দাকে ট্রাক চাপা দিয়েছে তিনি মরেছেন কিন্তু তারও আগে তিনি মরেছিলেন আবু হাসান শাহরিয়ারের হাতে, হয়তো সেই মৃত্যু চিন্তার কারণেও তিনি ট্রাকের তলায় চলে যেতে পারেন। যখন তিনি ট্রাকের তলায় চলে যাচ্ছেন তখন হয়তো আবু হাসান শাহরিয়ারকেই ভাবছিলেন। এরকম হয়, শাহরিয়ার যখন বিভিন্ন ছল ছাতুরিরর মাধ্যমে আমার চাকরি খায়। আমারও এরকম হয়েছিল। হারানো প্রথম প্রেমিকার মতই তাকে ভেবেছি আমি। কারণ বাসাভাড়া না দিতে পেরে বাড়ীওয়ালার গালাগালি শুনলেই শাহরিয়ারের কথা মনে পড়ে, দুধ না পেয়ে বাচ্চা কাঁদলেই শাহরিয়ারের কথা মনে পড়ে। চাকরি যাওয়া শূন্য হাতে সমস্ত প্রতিবন্ধকতার সামনে যেন শাহরিয়ারই আমাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দিনের পর দিন বেকার জীবন অতিবাহিত করাকালে আমি একবার স্বপ্নে দেখি পরিবারের সবাই মিলে শাহরিয়ারের সুস্বাদু মাংশ খাচ্ছি। দীনেশ এখন মরেছেন ট্রাকে আগে মরেছিলেন আবু হাসান শাহরিয়ারে ছলনায়, ষড়যন্ত্রে। আবু হাসান শাহরিয়ারকে মিডিয়া চাকুরি করা প্রায় মানুষ চিনে। তিনি একসময় ছড়া লিখতেন।অনেকগুলো পর্ণ বইয়ের প্রকাশক ছিলেন, বাংলাবানান নিয়ে প্রায় মানুষকে উপদেশ দিয়ে থাকেন। কারণ বাংলা একাডেমির ডিকশনারী তার মুখস্থ,এটাই তার একমাত্র যোগ্যতা।যদিও প্রায় সময় তিনি প্রলাপ বকেন তিনি কোন এক নেতার নাতি। তার মর্যাদাও শেখ মুজিবের নাতি জয়ের মত হওয়া উচিত। শাহরিয়ারের সাথে কাজ করা মানুষ মাত্রই জানেন। ।
শাহরিয়ারকে হত্যাকারী হিসাবে চিহিৃত করতে হলে সামান্য অনুষঙ্গ দরকার হবে তাই খানিক পিছনে ফিরে তাকাতে হবে আমাদের। সালটা ঠিক মনে নাই। তিনি তখন তৎকালীন বেক্সিমকোর মুক্তকণ্ঠে ‘খোলাজানালা’ নামে একটা সাহিত্য পাতার সাংবাদিক ছিলেন। তখন তার সহকারী ছিলেন স্বনামধন্য কবি টোকন ঠাকুর। চলচ্চিত্র বিষয়ক আমার দুইটা লেখা ছাপা হয়েছিল সেখানে। সেই সূত্রে তৃতীয়বার আমি আরেকটা লেখা নিয়ে গিয়েছিলাম। স্পষ্ট মনে পড়েনা অই ঘরে তখন অন্য কে কে ছিল। অতর্কিতে তিনি আমাকে বলেছিলেন, তুমি তো খুব গদার-মদার নিয়া লিখছো। এই বাংলায় কত গদার-ফদার আছে তা কি দেখতে পাও?
আমি অবাক ও বিব্রত হয়েছিলাম তার এই ধরনের আচরণে কারণ এর আগে শাহরিয়ারের সাথে আমার কোনো কথা হয় নাই। বিশ্ময় কাটিয়ে বলেছিলাম, কারা.. শাহরিয়ার ভাই.. এই বাংলার গদার..।
শাহরিয়ারকে যারা চিনে তারা জানে ক্ষমতাহীন শাহরিয়ার যত মমত্ববানের অভিনয় করতে জানে। ক্ষমতাবান শাহরিয়ার তত নিষ্ঠুর আচরণ করে। তিনি গলা সপ্তমে চড়িয়ে বললেন, আবুহাসান শাহরিয়ার- টোকন ঠাকুর কি বাল ছিড়ে বাংলা কবিতায়!!! বলাবাহুল্য এরপর শাহরিয়ারের পাশ দিয়েও যাইনি। কিন্তু শাহরিয়ার কিছুই ভুলে না। বুঝতে পারলাম যখন অহেতুক বিভিন্ন কারণে তিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা শুরু করেন।এক পর্যায়ে মানসিক সঙ্কটে ফেলেন আমাকে। শেষে বাধ্য করেন চাকরি ছাড়তে।

একটা পত্রিকার মালিকানা হস্তান্তরের পর যে ভয়ংকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয় তা অনেক কৌশলে সামলাতে দেখি নাঈমুল ইসলাম খানকে। কোথাও কোনো ভারসাম্যহীনতা নাই। উনি ভরসা দিলেন এবং তা বাস্তবায়ন করলেন যে কারো চাকরি যাবে না। কারণ এই পত্রিকার সব সাংবাদিকরাই নাঈমুল ইসলাম খানয়ের পারিবারিক সদস্যের মতই। কিন্তু নিজে সম্পাদক হওয়া স্বত্তেও যে কাজটা মানবিক কারণে নাঈমুল ইসলাম খান করতে পারেন নাই। তা অবলীলায় করতে দেখি আবু হাসান শাহরিয়ারকে।
যোগদানের পর দু’একদিন হাসি হাসি মুখে সবার খোঁজখবর করলেন। ভালবাসার ভান করলেন। গল্পগুজবে হাসি তামাশায় মেতে ওঠলেন। কিছু স্তাবকদের নিয়োগ করলেন। তার মধ্যে শাহরিয়ারকে কবি প্রমাণ করার জন্য আস্ত বই লিখেছে এই রকম লোকও আছে। এবং খুব দ্রুত পত্রিকার দুর্বল কিন্তু খল চরিত্রের কিছু লোক নিজের দলে টেনে নিলেন, স্তাবকগিরি ছাড়া যাদের কোনো মেরুদণ্ডতো নাই, কোনো যোগ্যতাও নাই। পত্রিকার পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে খুব দ্রুত নিজের আখের গোচানোর জন্য শাহরিয়ার কর্পোরেট হাউজের দালালে পরিণত হন । এবং তার মূর্খ স্তাবকগুলো যার তার সাথে হম্বিতম্বি করতে থাকে। নাঈমুল ইসলাম খান যা করতে পারেন নাই। মালিকের পক্ষ হয়ে যা করতে না পারার কারণে অধিনায়ক থেকে আসা মঞ্জু ভাইও নির্জীব তাই অবলীলায় করার জন্য শার্টের হাতা গোটালেন শাহরিয়ার। বিনাদোষে বা সামান্য কারণ দর্শিয়ে আমাদের সময়ের জন্ম থেকে জড়িত সাংবাদিকদের একের পর এক চাকরি খাওয়া শুরু করলেন।

এই রকমই এক পরিস্থিতির শিকার আজ নিহত দীনেশ দাস। অতর্কিতে চাকরি যাওয়া কী মর্মান্তিক তা ভূক্তভোগী মাত্রই জ্ঞাত। মৃত্যুর আগে দীনেশ দাসের কী মর্মান্তিক অবস্থা হয়েছিল তা ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি। তিনমাসের বাসাভাড়া বাকী। পকেটে ২০ টাকা আছে।সম্পর্কের সূত্রে এই কথা তিনি আমাকেও বলেছিলেন একদিন। লোন চেয়েছিলেন। কিন্তু তখন আমার পকেটে ২০ টাকাও ছিল না।'অ আপনারও এই অবস্থা' বলে চলে যাওয়া দীনেশের দিকে তাকিয়েছিলাম অনেক্ষণ। এখনো আমাদের সময়ে শাহরিয়ার যাদের চাকরি খেয়েছে অনেকেই যারা কোথাও চাকরি পায়নি। তাদের অবস্থা দীনেশের চাইতেও ভয়াবহ।
হয়তো শাহরিয়ারের হত্যা করার ধরণ আলাদা। শাহরিয়ার আমাদের সময়ের অজস্র সাংবাদিকের জীবিকা কেড়ে নেবার পরও কেউ তাকে দোষীও করতে পারে নাই। কারণ কী এক অজানা কারণে শাহরিয়ার বাংলাদেশে ক্ষমতাবান মানুষ। কারণ তিনি গালবাজ, চাপাবাজ। তার মুখ বিদ্যুতের মত।তিনি মুহূর্তের মধ্যে সার্কাসের সঙের মত ডিগবাজি খেতে জানে। এরাইতো এই যুগের পীর।শাহরিয়ারের হীনমন্যতার সামান্য নজির দিলে মনে হয় বাহুল্য হবে না। আমাদের সময়ে আমরা বেশ কয়েকজন নিয়মিত কলাম লিখতাম। তাদের মধ্যে অনেকে বিদেশেও থাকেন। আবিদ রহমান, আহমেদ শরীফ শুভ, ড. কালাম আজাদ, মিল্টন হাসনাৎ, আকিদুল ইসলাম সহ অনেকে। এই কলামিস্টরা কোনো বিলের তোয়াক্কা করতেন না। নিজের কথা বলতে গেলে আমি লিখতাম। নাঈমুল ইসলাম খান লেখার কোনো অংশ সংশোধন করতেন না, এবং যথাযোগ্য সম্মানের সাথে লেখা ছাপতেন। কলাম গুলো প্রায়শই প্রথম পাতায় জ্বলজ্বল করতো। শাহরিয়ার যোগ দেয়ার পর কলামগুলো স্থান পেল এমন জায়গায় তা আর কলাম বলে চেনা যেতনা।এটা একেবারেই ইর্ষা থেকেই তিনি করতেন। আমার একটা লেখা সম্পাদক সেন্টারপিস মার্ক করে দেয়ার পর লেখাটা তিনি এতই গুরুত্বহীন করে দিলেন। যেন লেখাটা কেউ দেখতে না পায়। একই পাতায় আবার তার নিজের একটা দালালি মার্কা লেখাকে পত্রিকার মেইন স্টোরি করে দিলেন। প্রায় সময় বলতেন আবিদ রহমান মূর্খ, আকিদুল ইসলাম মূর্খ, রাজাকার ইত্যাদি। কারণ এই দু'জনের লেখাই বেশি ছাপা হতো আমাদের সময়ে। তার স্তাবকদের কারণে তার মলমূত্রও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যেত ছাপার পর।সবাই খুব তৃপ্তি পাওয়ার ভান করতো, আর তাদের বেতন বাড়িয়ে দেয়া হত।
পেশাদার হত্যাকারীরা একজনকে হত্যা করে, শাহরিয়ার হত্যা করে একটি পরিবার। ধীরে ধীরে। সেটা মৃত্যুর আগে দীনেশও বহুবার বহুজনকে বলে গেছেন প্রকাশ্যে। তাই দীনেশের মৃত্যু নিয়ে কথা বলার আগে শাহরিয়ারে বিচারের কথাও তুলতে হবে।। এরকম খুনীরা আমাদের ভেতর বেঁচে আছে বিভিন্ন ছদ্মবেশে, আমাদের পরিত্রাতার পোষাকে। যারা আজ শাহরিয়ারকে ছিড়ে টুকরো করার স্বপ্ন দেখে, দাঁতে ছিন্নভিন্ন করার স্বপ্ন দেখে দীনেশের হত্যাকারীরূপে এই শালিসকে রাষ্ট্রের কাছে নিয়ে যাওয়াই তাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।আর ছড়াকার, পর্ণ বইয়ের প্রকাশক, বা বানান মুখস্থকারী হিসাবে আখ্যায়িত করার আগে চিহিৃত করতে হবে আবু হাসান শাহরিয়ারকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী, এক নীরব সিরিয়াল কিলার হিসাবে।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29523240 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29523240 2012-01-16 12:30:51
ছাত্র-হত্যা: একটি জাতির অধপতনের শনাক্তকরণ চিহৃ আহা সময় এখন বদলে গেছে। ছয়জন নিরপরাধ ছাত্রকে স্বজাতিরাই কোনোরকম বিবেচনাহীন গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করলো। তাও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সামনে। আবার সেই লাশের বিরুদ্ধে মামলা করলো বাহিনীরা। এরপরও কী আমরা এই বিচারের নামে আন্দোলন করবো। বিচারের আবেদন নিয়ে যাবো এইরকম একটা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কাছে। এরপরও আমরা শুনবো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বক্তব্য বিষটি দ্রুত তদন্ত হবে। খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রাণালয়ের মননেও আজ গভীর অসুখ। আর দেশের বৈদেশ ফেরত বুদ্ধিজীবীরা আজ কলম ধরেন গভীর রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আতঙ্ককে আমলে নিয়ে। যেন তার লেখায় কারও প্রতি আক্রমণ না থাকে। রাষ্ট্র সরকার তার আইনপ্রয়োগ বাহিনীকে আজ কিছুই বলা যাবে না। এটাই এ পোড়ার দেশের বর্তমান সংস্কৃতি।
বারবার ম্যাকিয়াভেলীর ডিসকোর্সেসে ফিরে যেতে হয় এই জন্য। তিনি বলেন, একটা রাষ্ট্রে ততক্ষণ পর্যন্তু কোনো সন্ত্রাস হইতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্তু না রাষ্ট্র পরিস্থিতি তৈরি না করে।’
আমরাতো চোখের কাছেই দেখলাম লিমন নামের একটা কিশোরকে পায়ে গুলি করে পা কেটে তাকে সন্ত্রাসী সাজিয়ে মামলার পর মামলা দিয়ে সন্ত্রাসী প্রমাণ করতে। এদেশেই অপ্রশিক্ষিত ট্রাক ড্রাইভার শত শিশুদের নিয়ে খাদের ভেতর ট্রাক চালিয়ে হত্যা করে পঞ্চাশজন শিশুকে। বারবার বলছি পঙ্গু লিমনকে মেনে নেয়া মানে এইসব ছাত্রদের লাশ আমাদের মেনে নিতে হবে। এই ছয়জন ছাত্র হত্যার কী তদন্ত হবে তাও দেখবে রাষ্ট্র ও জাতি। তিনদিন পরই এটা সরকারের কাজ বলে ভুলে যাবে পুরা জাতি। কিছুদিন পর এরচেয়ে আরো ভয়াবহ কোনো ঘটনা ঘটবে। এভাবেই আমরা শুনতে শুনতে অভ্যস্থ হতে হতে পাথরে পরিণত হচ্ছি নিয়ত।
লাইসেন্স ছাড়া কেউ ট্রাক চালাতে পারবেনা। অপরিপক্ষ চালকদের লাইসেন্স প্রদান করা হবে না। এটা নিশ্চিত না করে। বি আর টি একে আগাগোড়া দুর্নীতিগ্রস্থ রেখে। মিরসরাই গিয়ে বর্তমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী টাকায় টাকায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন কেন? ভোট কিনছেন। এভাবেই টাকা নিয়ে আমরা আর মাথা ঘামাব না অপরিপক্ষ চালকদের কেন লাইসেন্স দেয়া হয়? লাইসেন্স বিহীন হেলপারদের কেন গাড়ী চালাতে দেয় ট্রাফিকপুলিশ ভুলে যাব তাও। বরদেশি গ্রামের অজ¯্র ডাকাতির ঘটনা কেন সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। সাভার থানায় কারা চাকরি করে। তাদের কাজ কি। কেন গণমানুষের মনে ডাকাত আতঙ্ক। কেন তারা যেকোনো অচেনা মানুষকে ডাকাত ভাবে। এরজন্য দায়ী কে? ওই ছয়জন ছাত্র, ওই ছাত্রদের মত নিরহ দেশের জনগণ? দেশের প্রত্যেক মানুষ কেন প্রত্যেক মানুষকে আজ ডাকাত ভাবছে। মুল ডাকাত কারা সরকার না জনগণ? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আজ সম্পূর্ণ দানবের মতো চেপে বসেছে জনগণের ঘাড়ে। ওরা অপরাধীদের বন্ধু জনগণের শত্রু। জনগণই যদি জনগণের আতঙ্ক। জনগণই যদি আজ অপরাধের বিচারক। জনগণের হাতেই যদি আইন। পুলিশের সামনে যদি জনগণ নিরাপরাধ ছাত্রদের হত্যা করতে পারে। তাহলে দেশের আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বিলুপ্ত করা হোক।

দ্র: এই লেখা লিখতে লিখতে ভাবছি আমিও গ্রেপ্তার হতে পারি। সরকার ও তথাকথিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে কলম ধরার জন্য। এখানে সুবোধ বাংলাদেশের নাগরীকরা কোনো মন্তব্য কইরেন না আপনিও গ্রেপ্তার হতে পারেন।পরে কোনো যৌন সুড়সুড়ি মার্কা লেখা লেখলে মন্তব্য কইরেন।ঘুমান।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29416553 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29416553 2011-07-20 16:46:08
মোবাইলে কি বাংলালেখার কোনো সফটওয়ার আছে? টেকি ভাইরা... http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29413090 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29413090 2011-07-14 23:02:30 ল্যাপটপ ও কী-বোর্ড সংক্রান্ত জটিলতা http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29392034 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29392034 2011-06-05 20:03:17 সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর আগে যা ভাবতে হবে বিভিন্ন ধরনের ভয়ে নারীদের ঘরে বেধে রাখার সময় আর নাই। নারীদেরও জনসম্পদ মনে করার সময় এখন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নারীরাও পুরুষের সঙ্গে তালমিলিয়ে সবধরনের পেশাতেই নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে আমাদের দেশের নারীরা কেন পিছিয়ে থাকবে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয়টি হল দলে দলে তৃতীয় বিশ্বের গরিব দেশগুলো থেকে আধাশিক্ষিত, অশিক্ষিত যুবতী গৃহপরিচারিকা নেয় আরবের কয়েকটি দেশ। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া, ফিলিপিন, শ্রীলংকা এই দলে দলে যুবতী গৃহকর্মী পাঠানোর যথেষ্ট তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তারা মধ্যপ্রাচ্যে নারী রপ্তানি বন্ধ করেছে প্রায়।
যাইহোক উদ্বেগের বিষয়টা অন্য জায়গায়। জীন পি স্যাসন নামের দক্ষিণ আফ্রিকার এক ডাক্তার কিং ফয়সাল স্পেশালিস্ট হসপিটাল ও রিসার্স সেন্টারে কাজ করতে গিয়েছিলেন। তিনি প্রায় একযুগ সৌদি আরবে অবস্থান করেন। ইতিমধ্যে সৌদি রাজপরিবারের এক প্রিন্সেস সুলতানার সঙ্গে চিকিৎসাসূত্রে তার পরিচয় হয়। সুলতানা শিক্ষিত মহিলা। তার ভেতরে প্রচলিত সৌদি রীতিনীতি সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন দেখা দিলেও শেষ পর্যন্তু তিনি নিজে না লিখে বন্ধু জীন পি স্যাসনকে অনুরোধ করেন তার কথামালা নিয়ে একটা বই লিখতে। যেন সৌদি আরবের সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে অবহিত করা যায়। জীন পি স্যাসন তাতে সায় দেন।
সুলতানার কথামালা একটা বইতে সংকুলান না হয়ে তিনটা বইয়ে পরিণত হয়। এই ট্রিলজি ইতিমধ্যে বিশ্বের ব্যাপকসংখ্যক পাঠকের বুকশেলফে স্থান করে নিয়েছে। যথাক্রমে বই তিনটির নামÑ প্রিন্সেস, ডটার অব এরাবিয়া, ডেজার্ট রয়েল। এই বইগুলোর ভেতর মোটামুটি আরবের অভিজাত শ্রেণী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, আরবে নারীদের স্থান, নারী-পুরুষের সম্পর্ক, বিদেশি নারী শ্রমিকদের পরিস্থিতি ইত্যাদি এসেছে সাবলীলভাবে।
‘প্রিন্সেস’ নামের বইটায় ‘সৌদিয়ায় বিদেশি নারী’ নামের একটা অধ্যায় আছে। সেটাই আমাদের আলোচ্য বিষয়। সুলতানা প্রথম বিদেশি নারী গৃহকর্মীদের সম্পর্কে জানেন ফিলিপিনি যুবতী মারকির কাছে। কারণ মারকি সরাসরি সুলতানার গৃহপরিচারিকা। সৌদিয়ায় গৃহপরিচারিকাদের মধ্যে ১৫ থেকে ৩০ বছরের নারীদের কদর বেশি। আবার শুধু বয়স ঠিক থাকলেও হবে না। স্বাস্থ্য ভালো থাকতে হবে। যেসব নারীর স্বাস্থ্য ভালো তারা পুরুষদের ভাগে আর যাদের স্বাস্থ্য খারাপ তারা মেয়েদের ভাগে।
জীন পি স্যাসন লিখিত সুলতানার ভাষ্যমতেÑ ‘আরো কয়েক সপ্তাহ পর মারকির সাহস কিছু বাড়লে সে তার বান্ধবী মেডেলিনের কথা আমাকে বলল। মেডেলিন সম্পর্কে বলতে গিয়ে সে আমার দেশের নৈতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে প্রশ্ন তুললো। তার মাধ্যমেই আমি প্রথম জানলাম তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো থেকে আমার দেশ সৌদি আরবে যেসব মহিলা কাজ করতে আসে তাদের যৌনদাসী হিসাবে ব্যবহার করা হয়।’
শুধু পুরুষদের হাতে নয়, সৌদি নারীদের হাতে কীভাবে বিদেশি নারী পরিচারিকারা নির্যাতিত হয় তার একটা উদাহরণÑ ‘পাকিস্তান থেকে আগত এক কম বয়েসি পরিচারিকাকে সিঁড়িতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ায় সে মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগÑ সে দ্রুত কাজ করে না। ময়লা চাদর ও তোয়ালে ধোয়ার জন্য নিচে নামতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বাবার দ্বিতীয় স্ত্রীর গায়ে ধাক্কা লাগে। এতে তিনি রেগে গিয়ে মেয়েটার পেটে লাথি মারেন। সে সামলাতে না পেরে সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে পড়ে যায়। বাবার স্ত্রী মেয়েটার কাছে গিয়ে আবার পেটে লাথি দেয় আর গোঙানি বন্ধ করতে বলে। মেয়েটা নিথর হয়ে গেলে বাবার স্ত্রী বলে, সে ভান করছে। মূলত মেয়েটা তখন আর বেঁচে নেই।’
আরেক মালয়েশিয়ান নারী গৃহপরিচারিকা মেডেলিন প্রথম কাজে যোগ দিয়ে ‘পরিবারের মায়ের মাধ্যমে শিগগিরই জানতে পারলো যে, তার উঠতি বয়সের দুই ছেলের যৌন তাড়না নিবারণের জন্যই তাকে আনা হয়েছে। তাকে বলা হলোÑ একদিন পরপর তার পুত্র রাসেল ও দ্বিতীয় পুত্র ফরিসের সঙ্গে শুতে হবে। কোনো আবেগ ছাড়াই মেডেলিনকে এ কথা বলার পর সে বিচলিত হয়ে পড়লো।’
মেডেলিন যেদিন কাজে যোগদান করে সেদিন গৃহকর্তা হজে মক্কা ছিলেন। কয়েকদিন পর ফিরে আসার প্রথম রাতেই তিনি মেডেলিনকে ধর্ষণ করেন। সে কাঁদছিল। ‘এ সবে সূচনা। কারণ তাকে তার পছন্দ হয়েছিল এবং তাকে ধর্ষণ করে যাচ্ছিল নিয়মিত।’
যাইহোক এই বলে এ অধ্যায়ের শেষ হয় ‘প্রাথমিক প্রচেষ্টাতেই আমার পক্ষে যা জানা সম্ভব হলো তা ছিল বহির্বিশ্ব থেকে আমার দেশে আগত মহিলাদের বিরুদ্ধে আমাদের পুরুষদের নির্মম, ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য পাপাচারের কাহিনী। কারণ, সৌদি মহিলারাও মনে করে তাদের পবিত্রতা রক্ষার জন্যই নারী গৃহকর্মীদের ব্যবস্থা করতে হয়। প্রাচ্যের মেয়েরা কার সঙ্গে বিছনায় গেল তা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কেননা সৌদি মায়েদের চোখে তাদের পুত্রেরা বাদশাহ।’
বইটিতে সৌদি আরবে বিদেশি নারী শ্রমিকদের অনেক দুর্দশা লিপিবদ্ধ আছে। যদিও আমাদের দেশের নারীরা এর চেয়ে ভালো অবস্থানে নেই। চারদিকে এসিড নিক্ষেপ, অনবরত শিশু ও নারী হত্যা, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, শিশু ধর্ষণ, ইভটিজিংয়ের নামে যৌন নিপীড়ন যেন এখন মামুলি ব্যাপার। তবু অন্তত সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের এ বিষয়গুলো আমলে নেয়া দরকার বলে মনে হয়। কেননা, সৌদিতে যেসব গরিব দেশ দলে দলে নারী গৃহকর্মী পাঠিয়েছিল বিশ্বে তাদের মর্যাদা ইতিমধ্যে যথেষ্ট নিচের দিকে। হারানো মর্যাদা পুনরুদ্ধারের যুদ্ধে নেমে রেমিটেন্সের লোভে আরো গভীর কোনো খাদে পড়ছি কিনা তাও আমাদের ভেবে দেখতে হবে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29379013 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29379013 2011-05-11 08:51:30
লিবিয়া যুদ্ধ: ইতিহাসের ফিরে ফিরে আসা মহাত্মা বয়ান করিলেন ‘আমার ইতিহাস জানিবার ফসল এই বহিখানার লক্ষ্য দুইটি, প্রথমত আমার স্বজাতি ও এশিয় জাতিগুলির সাফল্য লিপিবদ্ধ করে অতীত স্মৃতি বাঁচাইয়া রাখা। দ্বীতিয়ত আমি দেখাইতে চাই কি করিয়া এদুই মানবগোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধের সূত্রপাত হইল।
অয়ো, ইউরোপা, মিডিয়া নামের শাহজাদীদের সওদাগরেরা জাহাজে করিয়া অপহরণ করিবার নিমিত্তে প্রথমে এই বিরোধের সূত্রপাত হয়। সে অনেক কাহিনি। একেকটা নারী বাগাইবার জন্য কত রাজ্য ও সাম্রাজ্য ধ্বংশ হইয়া গিয়াছে। পরে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পুরুষতান্ত্রিক দাপটে নারী যখন মূল্যহীন ও টাকায় বিনিময়যোগ্য পণ্য হইয়া উঠিল তখন সেই টাকা বা মুদ্রার জন্যই আবার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘঠিল।
পশ্চিমারা সবসময় ধড়িবাজ, দুর্ধর্ষ, ঐক্যবদ্ধ। প্রয়োজনে ওরা যেকোনো রকম ভোল পাল্টাতে পারে। যৌনতা আর যুদ্ধাস্ত্র তাহাদের প্রধান ব্যবসায়। আর তাহারা নৈতিকতার কথা কহিয়া দুনিয়ারে রক্ষা করিবার ভেক ধরিয়া জগতধর্ষণ করিতেছে। সবসময় এই দুর্ধর্ষরাই জগতে জয়ী হইয়াছে। হয়তো একেই ডারউইন মশায় বলিবেন সারভাইবেল ফিটেস্ট। সাদ্দামের খুত ধরিয়া ইরাকের নিয়ন্ত্রন নেয়া বা লাদেন নামের তেলাপোকা মারিবার জন্য আফগানিস্তানে বোমাবৃষ্টি ঢালা। এই বোমাবৃষ্টি উপেক্ষা করিয়া আলজাজিরায় পশ্চিমকে ধ্বংশ করিবার বক্তৃতা দিয়া মাঝে মাঝে ভিডিও ফুটেজ দিবার জন্য লাদেনের বাঁচিয়া থাকা। বা বিদ্রোহীদের উস্কাইয়া দিয়া লিবিয়ার নিয়ন্ত্রন নিবার জন্য যুদ্ধ শুরু করা ইহা পুরানা কিচ্ছা। কিন্তু নতুন করিয়া ঘঠিতেছে। এশিয়ানরাও কম ঐক্যবদ্ধ ছিল তাহা নহে। সেনাপতি আজিজের নেতৃত্বে যখন আরবীয়রা স্পেন দখল করে তখন কি কম নিষ্টুরতা ঘঠিয়াছে? রাজা রডরিক ও তাহার দুইসন্তানের পোড়া লাশের পাশে সেনাপতি আজিজ রাণী ইজিলোনার লগে সংসার পাতিয়াছিলেন। তাহা কি কম নিষ্ঠুরতা ছিল?
যাহা হউক আরবীয় অলস ভোগপরায়ণ ঘুমন্ত শেখদের দিন বুঝি শেষ হইয়া আসিল। মধ্যপ্রাচ্যে কোনো রাজতন্ত্র আর টিকিবে না। পশ্চিম ইহাতে মদদ দিবে। দীর্ঘদিন পরিবার তান্ত্রিকতার ভেতর আরব জনগণের নাভিশ্বাস উঠিতেছে। হোসনি মোবারক তাবেদার হইয়াও ক্ষমতা ধরিয়া রাখিতে পারিলেন না। আরবীয় বীর সাদ্দাম গত। গাদ্দাফিও যায় যায়। মধ্যএশিয়ায় আপাতত আর কোনো বীর নাই আছে ইঁদুর। ক্ষমতা দখলের জন্য জনগণকে উন্মত্ত দেখিলে ইহারা লক্ষণসেনের মত বাটির পেছন দিয়া পলাইয়া যাইবে। পশ্চিমের মদদতো আছেই আরবীয় জনগণের স্বাধীনতার তীব্রজোয়ারে সব রাজতন্ত্র ভাসিয়া যাইবে। স্বাধীনতা আজ বড় প্রয়োজন হইয়া দেখা দিয়াছে আরব জাহানে। আজ এক অদৃশ্য ঐক্য কাজ করিতেছে তাহাদের মধ্যে। এই রাজাদের সূত্র ধরিয়া অনেক বোমা ঢালিয়াছে পশ্চিম আরবের মাটিতে। কিন্তু ট্রাজেডি এখানেই যে আরবীয়দের আজ স্বজাতীয় একনায়কদের হাত হইতে রাজ্য ও স্বাধীনতা রক্ষা করিতে হইতেছে সাম্রাজ্যিক একনায়কদের হাত ধরিয়া। যদিও স্বাধীনতা অর্জনের একশ বছরও যাইবে না এই জনগণই পশ্চিমকে দাঁড় করাইবে শত প্রশ্নের সম্মুখে। ইতিহাস তাহাই বলে। লাদেনের নেতৃত্বে আলকায়দাকেতো আমেরিকাই সৃষ্টি করিয়াছিল সোভিয়েতদের পরাজিত করিবার জন্য কিন্তু একশ বছরও গত হয় নাই সেই আলকায়েদা আজ আমেরিকার প্রধান শত্রু। ইহাকেই বলে ইতিহাসের মাইর।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29360911 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29360911 2011-04-11 16:43:52
বিকালের দাসবাজার লেখকের নাম: জাহেদ সরওয়ার
বিষয়: কবিতা
অন্বেষার স্টলে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29329957 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29329957 2011-02-19 15:11:40
পিতাকে জবাইয়ের চেষ্টাকালে চীৎকার করায় সন্তানকে পানির ড্রামে ডুবিয়ে হত্যা বিভূতি দাসের ভায়রা শ্যামল বিভূতি বলেন, গেন্ডারিয়া থানার কেবি রোডের ৩৪ নম্বর বাড়ির ৫ তলায় ভাড়া থাকেন বিভূতি দাসের পরিবার। তার স্ত্রী শিউলি দাস। তিনি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদী খান উপজেলার কুচিয়ামারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিকিা। গতকাল সকালে শিউলি দাস তার স্বামী ও ছেলেকে বাসায় রেখে স্কুলে যান। দুপুরের দিকে অজ্ঞাত ৪ সন্ত্রাসী বাসায় ঢুকে বিভূতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। এ ঘটনা দেখে শুভ চিৎকার করলে সন্ত্রাসীরা শুভকে হাত-পা বেঁধে বাথরুমের পানিভর্তি ড্রামে ডুবিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় বিভূতি রঞ্জন দাস সন্ত্রাসীদের একজনকে ঝাঁপটে ধরলে অন্য সন্ত্রাসীরা বাসার সামনের রুমে তাকে জবাই করে পালিয়ে যায়। দুপুর আড়াইটার দিকে বিভূতি দাসের গোঙ্গানীর শব্দ শুনে পাশের বাসার লোকজন ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষাণা করেন।
শ্যামল বিভূতি আরো বলেন, বিভূত দাসের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের মধুখালী। তিনি মধুখালীতেই ব্যবসা করেন। মাঝে মধ্যে ঢাকায় আসেন। তার ঢাকায় কোনো শত্র“ থাকার কথা নয়। কী কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে তারা কিছু বুঝতে পারছেন না বলে জানান।
গেন্ডারিয়া থানার এসআই মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিক তদন্তে পরকীয়া প্রেমের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29304618 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29304618 2011-01-09 21:29:22
শিশুদের বিকলাঙ্গ করে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্যকারীদের আশ্রয় দাতা পুলিশ! কোরবান স্বীকার করেছে, পুলিশের ৫ জন এসআই কামরাঙ্গীরচর এলাকায় জমি কিনে বাড়ি তৈরির সময় পরিচয় হয় শিশুচোর চক্রের প্রধান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুকের সঙ্গে। ওই এসআইদের নানাভাবে সহযোগিতা করত ওমর ফারুক। বিনিময়ে ওমর ফারুক গংদের যে কোনো অপরাধে গ্রেপ্তারের হাত থেকে রা করতেন তারা। ওমর ফারুকের চক্রের সঙ্গে রয়েছে নাহিদ, সালাউদ্দিন, নাজমা, রনি, রমজান, সাদ্দাম, সাইফুল, ইমরান ও রাসেল। প্রতি মাসে ওই এসআইদের মাসোহারাও দিত এই ওমর ফারুক।
এক প্রশ্নের জবাবে কোরবান জানায়, ওই পুলিশ সদস্যরা শিশুদের দিয়ে ভিা করানোর কথা জানত। কিন্তু শিশুদের যে বিকলাঙ্গ করে ভিা করতে বাধ্য করা হয় তা তারা জানত কিনা তা তার জানা নেই। কোরবান জানিয়েছে, গোয়েন্দা পুলিশের এক এসআই প্রতিনিয়ত ফারুকের কাছ থেকে টাকা নিত। কামরাঙ্গীরচর থেকেই এই চক্রটিকে নিয়ন্ত্রণ করে ওমর ফারুক। তার অধীনে বর্তমানে রাজধানীতে অর্ধশত শিশু ও যুবক ভিা করছে। এ থেকে প্রতিদিন আয় হয় কমপে ১৫ হাজার টাকা। এই টাকার ভাগ ওই এসআইরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশও পায়।
র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লে.কর্নেল জিয়াউল আহসান জানান, কোরবানের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য প্রথমে বিশ্বাস করিনি। পরে যখন যাচাই করে দেখি, তখন বিস্মিত হই যে, এদের কারা শেল্টার দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, রাস্তার প্রতিটি সিগন্যালে যেসব মহিলারা শিশুদের নিয়ে ভিা করে তাদের চলার পথে রাজধানীবাসীর জিজ্ঞাসা করা উচিতÑ আসলে বাচ্চাটি কার? তাহলে দেখবেন ওই মহিলার বাচ্চা না হলে দ্বিতীয় দিন আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিা করবে না। কারণ তখন ওর মনেও ভয় জাগবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29299011 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29299011 2010-12-30 20:44:51
হাত পা ও পুরুষাঙ্গ কেটে বিকলাঙ্গ করে শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। ৬ মাস অ্যালুমিনিয়াম পাতিলে আটকে রেখে... সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের গণমাধ্যম ও আইন শাখার পরিচালক কমান্ডার এম সোহায়েল জানান, এ চক্র বাচ্চাদের হাত-পা কেটে, বিকৃত করে ও নানা নির্যাতন চালিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য করে। এ চক্রকে খুঁজে পেতে র‌্যাবকে সহায়তা করেছেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট এলিনা খান এবং ব্লাক ট্র–থ প্রোডাকশন্স সেন্টারের পরিচালক অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী। এক টেলিভিশন অনুষ্ঠান থেকে তারা এ ব্যাপারে তথ্য পায় যে, কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা রিকশাচালক উমেদ আলীর ৭ বছরের শিশু নিয়ামুলকে ৬ সেপ্টেম্বর বেলা ২টার দিকে শিশু চোর দলের সদস্য, ইমরান, রাসেল, কোরবান, রমজান এবং রাসেল ভিা করানোর জন্য কামরাঙ্গীরচরের পাকাপুল রোডস্থ পরিত্যক্ত একটি বিল্ডিংয়ে নিয়ে গলা, বুক ও পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছে। বর্তমানে সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। ওই খবরে তারা হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির কাছ থেকে ভয়ানক তথ্য পায়। তথ্যে তারা জানতে পারে, এই এলাকার একটি শিশু চোর চক্র প্রায় ৬ বছর ধরে শিশুদের চুরি করে নিয়ে হাত-পা বিকলাঙ্গ করে ভিাবৃত্তিতে বাধ্য করায়। শিশু নিয়ামুলকেও এ কাজে বাধ্য করার জন্য তারা এ পথ বেছে নিয়েছে। এ ঘটনা জানতে পেরে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের হস্তপে কামনা করলে তারা কোনো সহযোগিতা না করায় র‌্যাবকে গঠনাটি জানালে র‌্যাব সার্বিক সহযোগিতা করে কোরবানকে গ্রেপ্তার করে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিয়ামুল এবং তার মা।
শরিফুল জানান, তাদের দলের প্রধান ওমর ফারুক। কামরাঙ্গীরচর ভেড়িবাঁধ এলাকায় তাদের আস্তানা। তার নির্দেশে ২০০৪ সালে খুলনা জেলার শরীফ নামে ১৫ বছরের একটি ছেলেকে ভেড়িবাঁধ এলাকায় ধরে নিয়ে বাঁ হাতের কব্জি কেটে ভিা করতে বাধ্য করে। ২০০৬ সালে যশোরের রাহাত নামের ১৪ বছরের একটি ছেলেকে একই স্থানে পায়ের রগ কেটে পঙ্গু করে ভিা করায়। ২০০৮ সালে ৮ বছরের এক অজ্ঞাত ছেলেকে ভেড়িবাঁধ এলাকা থেকে ধরে নিয়ে প্রায় ৬ মাস একটি অ্যালুমিনিয়াম পাতিলে আটকে রেখে বিকলাঙ্গ করে ভিা করায়। কামরাঙ্গীরচর ভেড়িবাঁধ এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত ছিনতাই করত বলে স্বীকার করে শরীফুল। এছাড়া ভেড়িবাঁধ এলাকায় রাতের বেলায় কোনো নারীকে একা পেলে ধরে নিয়ে পাশবিক নির্যাতনের পর যৌন ব্যবসায় বাধ্য করত এই দলের সদস্যরা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29298396 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29298396 2010-12-29 21:24:39
রাত একটায় বন্ধ হয় শহরের দরজা
মধ্যরাতের নৈশব্দ অসহ্য ; দরকার কোলাহল
মনে পড়ে মৃত মাতাল বন্ধুদের,
নৈশব্দের ছলে দুনিয়া চায় জীবনের হিসাব
জীবন চায় দুনিয়াদারির
সংসার, প্রেম, অফিস, রাষ্ট্র
সবাই পায়ে পায়ে মাথার কাছে এসে দাঁড়ায়

তাহলে কী হবে এই সন্ন্যাস জীবনের!
অরবতা আর আবছা আলো নিয়ে আসে
নীতি, অপরাধবোধ আর আত্মহনন;
দরকার হনন প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়েপড়ার,
প্রয়োজন লালন আর মাতাল বন্ধুদের

ঘুম ভাঙ্গে রাত একটার পর-
আমার মতই শহরের মানুষগুলো
বেরিয়ে পড়ার স্বপ্ন নিয়ে আটকা পড়ে আছে বন্ধ নরকের ভিতর।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29265929 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29265929 2010-11-03 00:28:14
রিক্সাওয়ালার আত্মহত্যা বনাম ক্রিকেটারদের প্রতিপত্তি লাভ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29260691 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29260691 2010-10-24 20:43:03 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ঢাকা ছাড়ার পরামর্শ দিচ্ছি ... মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা জানি আপনি জন্মেছেন ঢাকায়, আপনার বেড়ে ওঠা ঢাকায়, আপনার পরিবারের ওপর যে মহাবিপর্যয় নেমে এসেছিল সেটাও ঢাকায়। ঢাকা আপনার স্মৃতি আর রক্তে বিচরণ করে। আপনাকে ঢাকা ছাড়তে বলা রীতিমত অপরাধ হিসাবে গণ্য হতে পারে। তবু একটি জাতির কর্ণধার বা সর্বোচ্চ সেবক হিসাবে আপনাকে অনেক চ্যালেঞ্জই গ্রহণ করতে হয়েছে জীবনে। শাসনকার্যে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা না থাকলেও সেটা আমাদের বুঝতে তেমন অসুবিধা হয় না। তারই অংশ হিসাবে অজস্র স্তব্দ বোবা মানুষের পক্ষ থেকে ততোধিক একজন নগণ্য মানুষ হয়েও আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে চাই সেটা হচ্ছে আপনি ঢাকা ছাড়–ন।
চারশ বছরের শাসনকার্যে ভিত্তি হিসাবে মজবুত শহর ঢাকা থেকে আপনি আপনার শাসনকার্য সরিয়ে ফেলুন অন্য কোনো বিভাগীয় শহরে। হতে পারে সেটা চট্টগ্রাম হতে পারে সেটা রাজশাহী হতে পারে সেটা বরিশাল অথবা রংপুর। কারণ আপনি জানেন, ঢাকা এখন সম্পূর্ণ বাসের অযোগ্য তবে বাংলাদেশী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সবচাইতে নির্ভরযোগ্য শহর। এ শহরে আপনি বা আপনার সহকর্মীরা যখন রাস্তায় ডজনখানেক গাড়ী নিয়ে চলাচল করেন তখন শহরের পুলিশেরা ব্যস্ত হয়ে পড়ে আপনাদের চলাচলের জায়গা জটমুক্ত করতে। জনগণের অসুবিধা বা অসহিষ্ণুতাকে পরোয়া না করেই। সেটার পেছনে যুক্তি আছে আপনারা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত আছেন। মানে এই জনগণকে রক্ষা করবার কাজেই আপনারা নিযুক্ত। সে ক্ষেত্রে জনগণ সামান্য বিরক্ত হলেও কিছু আসে যায় না। কিন্তু এই জনগণ যারা ঢাকায় থাকে তারা কীভাবে বেঁচে আছে সেটা আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন। এদের জীবন যাপনের মান কোন অর্থেই ইদুঁরদের চেয়ে আরাম দায়ক নয়। এটাকে মনুষ্য জীবন বলে না। হয়তো মনুষ্য জীবন বলতো যদি না আমাদের ছেলেমেয়েরা অন্যান্য দেশ সর্ম্পকে অবগত না থাকত। ইতোমধ্যে তারা জেনে গেছে যে পৃথিবীতে এর চাইতেও ভাল শহর আছে। রাজধানী হওয়া সত্বেও সে সব দেশে চমৎকার জীবন যাপন করছে জনগণ এমনকি আমাদের চাইতে অনুন্নত দেশ হওয়া স্বত্বেও।
আপনি অবগত আছেন এই ঢাকাবাসীর পানি নাই, এরা ঠিকমতো গোসল করতে পারেন না। এমন কি সারতে পারে না বাথরুমে অন্যান্য কাজও এমনকি খাওয়ার পানিরও প্রচুর সঙ্কট দেখা দিয়েছে। গ্যাস বিদ্যুৎ সঙ্কট বাসাভাড়া বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি মোট কথা এমন কোনো সমস্যা নাই যা ঢাকায় নাই। অন্যদিকে রাজধানী হবার কল্যাণে সব বিভাগের কেন্দ্র এখন ঢাকা। পনের কোটি মানুষের শীর্ষ কাজটি পুর্ণ করতে তারা প্রতিদিন ঢাকায় ছুটে আসছে। আর রাজধানী হওয়ার কারণে সমস্ত শ্রেণীর মানুষেরা তাদের কাজের খোঁজে ঢাকায় চলে আসছে। প্রতিদিনই বাড়ছে ঢাকায় লোকের সংখ্যা। সেটা সংখ্যাগুনে বলা যায় না। ফলে দুর্লভ হয়ে উঠছে ভাড়া বাসা পাওয়া। বাসা বাড়ির অশিক্ষিত আত্মাহীন মালিকেরা নিয়ত বাড়াচ্ছে তাদের খামখেয়ালিপূর্ণ ভাড়া। কোর্ট-কাচারি থেকে শুরু করে সমস্ত টিভি অফিস, সমস্ত পত্রিকার অফিস, সমস্ত কর্পোরেট অফিস, সমস্ত সরকারি অফিস এমনকি একটা ছেলে গান গাইতে স্বপ্ন দেখলে বা কবিতা লেখার স্বপ্ন দেখলেও ঢাকা আসা ছাড়া তার জীবনের স্বপ্ন পূর্ণ হবার নয়। ঢাকা সবকিছুকে কুক্ষিগত করে রেখেছে এ কথা এখন দিবালোকের মত সত্য।
এদিকে গবেষকরা বলছে ভুমিকম্পে বিশ্বের দ্বিতীয় ঝুকিপূর্ণ শহর ঢাকা। ঢাকা শহরের বেশির ভাগ দালানের ভুমিকম্প বা অন্যান্য বিপর্যয় সামলানোর ক্ষমতাই নাই। আর ঢাকা শহরের রাস্তার অবস্থা আপনি অবগত আছেন। এই যানজট এখন প্রধান সমস্যা বললেও চলে। অফিসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে শত শত মানুষ কখন অফিসে পৌছাতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তার কোনো গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের রাস্তায় কেটে যাচ্ছে। দোযখের যে ধরণের শাস্তির কথা পাক- কোরাণে বর্ণিত আছে তারও চেয়ে কঠিন জীবন এখন যাপন করছে ঢাকা বাসী। টেনশন খুব ভেতর থেকে তাদের ধ্বংশ করে দিচ্ছে।
মাননীয় প্রধান, বেঁচে থাকার বিনিময়ে জীবনের সমস্ত নৈতিকতা বিসর্জন দেয়া ও পাপবোধে ধ্বংশন্মুখ মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে ঢাকা ছাড়তে বলে লাভ নাই। বাংলাদেশে এমন কোনো শহর নাই যেখানে এই সংখ্যাহীন মধ্যবিত্তের কর্মস্থান আছে। ভুমিকম্পে যদি শহরটা উজাড় হয়েও যায় মহামারিতে যদি সকল মানুষের দেহ গলেও যায় তবুও সেই আধগলা দেহ তারা শার্টপ্যান্টে ঢুকাবে অফিসে যাবার আশায়, কারণ তাদের আর কোনো উপায় নাই। সুতরাং কোনো ভয় ওদের উৎসাহিত করতে পারবে না ঢাকা ছাড়তে।

এই মায়া আপনাকেই ছাড়তে হবে মাননীয় প্রধান। সমস্ত প্রশাসনিক ভবন নিয়ে একযোগে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া যদি সম্ভব না হয় তাহলে ইউরোপের দেশ গুলোকে ফলো করা যেতে পারে। রাশিয়ার রাজধানী যেমন সিজন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। মস্কো রাশিয়ার রাজধানী হলেও ওরা শীতের সময় পিটার্সবুর্গকেই প্রশাসনিক কর্মস্থল বানায়। এমনকি মি.প্রেসিডেন্টও সেখানেই তার দপ্তর স্থানান্তর করেন। এরকম আরো অনেক দেশ আছে পৃথিবীতে যেখানে গুরুত্বপূর্ণ অফিসগুলো সারা দেশে ছড়ানো রয়েছে। এতে করে প্রশাসনিক কাজে যেমন গতি আসে তেমনি এলাকাটাও ব্যাপক উন্নতির দেখা পায়। মানুষের নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এই শত শত ছেলে যারা পাশ করে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হচ্ছে তাদের কাজ দেবেন কোথায়? কোন কাজের সুযোগ না পেয়ে তারা হতাশায় ধুকে ধুকে মরতে মরতে হাতে তুলে নিক অস্ত্র অথবা করুক আত্মহত্যা তা আপনি চান না আমরা জানি। আপনি তা চাইতে পারেন না। কারন এদেশের সব চাইতে বড় জনগণের সেবকের চাকরিটা আপনার। আপনি আপনার রাজধানী দেশের অন্য কোথাও স্থানান্তর করুন হোক সেটা ঋতুভিত্তিক। ঢাকা একেবারে ছেড়ে দেবার দরকার নাই। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দপ্তর আপনি স্থানান্তর করুন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। যেমন শিল্পের শহর হিসাবে চট্টগ্রামের প্রসিদ্ধি আছে। শিল্প সংক্রান্ত সমস্ত দপ্তর, মন্ত্রনালয় ইত্যাদি আপনি চট্টগ্রাম স্থানান্তর করতে পারেন। আইন সম্পর্কিত সব প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর করুন রাজশাহীতে। টিভি চ্যানেল পত্রিকা তথা মিড়িয়াজগত পাঠিয়ে দেন কক্সবাজার। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ অফিসগুলো দেশের একেক জায়গায় পাঠিয়ে দিলে মধ্যবিত্তরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ঢাকা ছেড়ে চলে যাবে তাদের কাজ অথবা স্বপ্নকে নিয়ে। সৃষ্টি হবে প্রচুর মানুষের নতুন কর্মসংস্থান। যদি চারশ বছরের পুরানো এই শহরকে বাঁচাতে চান। যদি ঘুমের ভেতর ভুমিকম্পে এই লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু না চান এমনকি আপনি নিজে বাঁচতে চাইলেও মাননীয় প্রধান, আপনাকে ঢাকা ছাড়তে হবে । এর কোনো বিকল্প নাই। আপনিই পারেন আসন্ন বিপর্যয় থেকে এ শহরকে রক্ষা করতে। একটি শহরের জন্য মৃত্যুরত একটি দেশকে। অযাচিত পরামর্শের জন্য ক্ষমা করবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29194512 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29194512 2010-07-07 17:59:47
গণ আত্মহত্যার প্ররোচনা যখন গণহত্যার চাইতেও ন্যাক্কারজনক মানুষের অন্তস্থলে বিভিন্নভাবে চিত্তকম্পন হতে পারে। নিজের ভেতরে প্রথম এই কম্পন অনুভব করেছিলাম ২০০৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে। সেটা ছিল ময়মনসিংহের একটা গণ আত্মহত্যার ঘঠনা। একই পরিবারের নয়জন মানুষ পায়ে পা মিলিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে হাটতে শুরু করেছে রেললাইনের দিকে। একই পরিবারের এই সদস্যরা চলন্ত ট্রেনের নীচে ঝাপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে। এই সংবাদটা বিহ্বল করেছিল আমাকে। শরীরের সমস্ত যন্ত্রপাতি কেঁপে উঠেছিল, অসার মনে হয়েছিল মানবজীবনকে। কী এমন অব্যক্ত শক্তিমান বেদনা তারা লালন করেছিল। পুরা পরিবার! দিনের পর দিন একটি পরিবারের সব মানুষ আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। যে সমস্যা নিয়ে তারা আতংকিত,অপমানিত, জীবনের সমস্ত চাহিদা বিসর্জন দিয়ে যার সমাধান করতে হয়। তা নিশ্চয়ই একদিনে হয়নি। তারা দিনের পর দিন সমস্যাটার মুখোমুখি হয়েছে। সমাধানের চেষ্টা করেছে। মানষিকভাবে বিভ্রান্ত হয়েছে। নিকটজনদের কাছে সমাধান চেয়েছে। এলাকাবাসির কাছে সমাধান চেয়েছে। রাষ্ট্রের কাছে সমাধান চেয়েছে। অবশেষে সব জায়গায় ব্যর্থ হবার পর তারা বুঝেছে তাদের জীবনই পারে এই সমস্যার সমাধান করতে। তাই বলে একই পরিবারের নয়জন মানুষ! বড় বেদনাদায়ক এই ঘঠনা। দূর্ভাগ্যবশত খুব বেশি কিছু জানতে পারিনি এই ঘঠনার। সংবাদ মাধ্যমগুলোর খুব বেশি আগ্রহ নাই এসব ব্যাপারে। দয়া করে একদিন যে এই ঘঠনা ছেপেছিল তাতেই আমাদের ধন্য হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। আত্মহত্যা অথবা হত্যাকা- এখন আমাদের দেশে ডালভাতের মত সহজ। চারিদিকে এত অপমৃত্যু জীবনের এত অপচয়, আত্মহত্যা, হত্যা, অগ্নিদাহ, ভবন হেলে পড়ে মৃত্যু যেন দেশে এখন মৃত্যুর উৎসব চলছে।
সারাজীবন আত্মহননকারী কবি সাহিত্যিকদের শ্রদ্ধা করে এসেছি। কেননা আত্মহত্যা করতে যে মানষিক শক্তির দরকার তা গণমানুষের থাকে না। একজন মানুষ তার সমস্ত শক্তিকে স্বনিয়ন্ত্রনে এনে চুড়ান্তভাবে ব্যবহার করে। তাকে সহযোগীতা করে তার সততা, আবেগ আর অবিচলতা। সক্রাতেস, এসেনিন, মায়াকোভস্কি, সিলভিয়া প্লাথ, হেমিংওয়ে অনেকের নাম করা যায় যারা আত্মহত্যাকে গ্রহণ করেছিলেন।

কিছুদিন আগে বাংলাদেশের প্রায় সব পত্রিকায় একটা খবর ছাপা হয় মা ও দুইসন্তান একত্রে আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যার আগে দুই সন্তান আর মা মিলে ঘরের দেয়ালে দেয়ালে লিখে গেছে তাদের অভিযোগ। সকালে তাদের একত্রে একই বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদের এই অন্তিম শয়নের ছবি প্রায় সব পত্রিকাতেই ছাপা হয়। খবরটি পড়ে আমার ভেতর দ্বীতিয়বার চিত্তকম্পন অনুভুত হয়। জীবন যাপন রাষ্ট্র সমাজ মানুষ সবকিছু অর্থহীন, অমানবিক মনে হতে থাকে। বেঁচে থাকাটা অসার মনে হয়। নিজেকে মনে হয় পৃথিবীর চাইতে ভারি।
মৃতরা হলেন ইত্তেফাকের বিশেষ সংবাদদাতা জনাব শফিকুল কবিরের পুত্র জনাব রাশেদুল কবিরের স্ত্রী ফারজানা কবির রীতা (৩৭) ও তার দুই শিশুসন্তান পাবন(১৩) ও রাইসা রাশমীন পায়েল (১০)।
রীতা আর তার দুই ছেলেমেয়ে পাবনও পায়েল মিলে দেয়ালে দেয়ালে যা লিখেছে পত্রিকা মারফত যা জানা গেছে তা হল।
*‘আব্বু তুমি বলছিলা যে, ৫০ বছরেও তুমি স্মৃতিকে বিয়ে করবে। মাকে তুমি এটাও বলছিলা যে পাবন ও পায়েল তোমার পেটে আসছে বলে ঘৃণা হয়। আসলেই ঘৃণা লাগে যে তোমার মত বাবা আমরা পাইছি। আর তুমি তো তোমার কমিটমেন্ট রাখছো। তুমি ৪৪ বছরেই স্মৃতিকে বিয়ে করে দেখাইছো। ... *তোমার জন্য একটা মেয়ে এত ইমপরটেন্ট যে তুমি তোমার ছেলেমেয়ের দিকে একবার তাকাইয়া দেখ নাই। তোমরা সবাই স্বার্থপর যে তিন জীবন নষ্ট করে ফেলছো।’
*আব্বু তোমার বাবা তোমার অপরাধ থেকে বাঁচানোর জন্য যা করছে তাতে আমরা মরে যাচ্ছি। কারণ ৬মে তোমরা সবাই মিলে যা করছ... আমি তোমাকে ঘৃণা করি।
*আমাদের জীবনের কিছু মানুষ আছে যারা আমাদের জীবন নষ্ট করেছে, তারা হচ্ছে শফিকুল কবির (দাদা),রাশেদুল কবির(বাবা),সুখন কবির (ফুফু), নুর বানু কবির (দাদি)। লেখার নীচে পায়েলের নাম।
আমি হয়তো বলতাম যদি আমার চেহারা ও রক্ত বলতে পারতাম। মানুষ যেমন বলে রক্ত কথা বলে, তাইতো আমি তোমাদের মত কারো সাথে বেঈমানি বা মিথ্যা বলতে চাইনি। মরতে মরতে একটা আফসোস হচ্ছে যে আমি তোমাদের বংশে জন্মেছি। আর তোদের রক্ত নিয়ে মরতেছি।
*সুখন কবির তোর আর তোর মেয়ের মেঘনার বাড়ী দরকার তো? বাচিয়ে দিয়ে গেলাম। আমাদের দুই ভাইবোনের রক্ত খাইয়ে বড় করে দেখ শান্তি নাকি। তুই বলেছিস না তুই মরলে তোর মেয়ে আমাদের খাওন শেখাবে। তোর বাড়ী দরকার তোকে বাড়ী দিয়ে গেলাম।
*এই দাদু তুমি না সাংবাদিক। নেও তোমার বাসায় পত্রিকা ছাপাই দিয়ে গেলাম।... তুমি কেন ভাল শ্বশুর হতে পারলা না। তুমি কেন ভাল দাদা হতে পারলা না। ১৮ বছর আগের কথা নিয়ে তোমরা কেন কথা বলছ। বর্তমান আমার বাপ যা বলছে তা নিয়ে কেন কথা বলস নাই। আমার ভাবতেই খারাপ লাগে। তোকে খুন করতে ইচ্ছে করে।
*মাথা নীচু করে বাঁচার চেয়ে মরে যাওয়া ভাল।
এই লেখাগুলো যদি সত্যি সত্যি আত্মহত্যাকারিদের হয়ে থাকে। তাহলে এই সামান্য লেখাগুলো থেকেই বুঝা যায় আত্মহত্যার কারণ। সম্প্রতি সব ভিকটিমকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ড্রাইভারকে গ্রেফতার করেছে। ড্রাইভারের কথাবার্তা অসংলগ্ন। তবে সাংবাদিক শফিকুল কবির নিজের মুখে স্বীকার করেছে যে তিনি তাদের বাসা ছাড়তে বলেছেন। কিন্তু কেন? কেন তারা বাসা ছাড়বে? রীতা না হোক তার সন্তানাদি কি জনাব শফিকুল সাহেবের বংশধর নয়? তার একমাত্র ছেলের লাম্পট্যের দায় কেন বহন করতে হবে দুটি শিশুকে? এটা স্পষ্ট যে তার মেয়ে সুখন কবির ও ছেলের নতুন বউ স্মৃতিকে দেয়ার জন্যই রীতাকে সন্তানাদি সহ বাড়ী ছাড়ার তাগাদা দেন তিনি। হায় স্বার্থের সাথে বিবেকের এত দূরত্ব!
পাপি পথভ্রষ্ট লম্পট লোলুপ রাশিদুল কবির স্বীকার করেছে সে রীতার ওপর নির্যাতন করেছে। শারিরিক ও মানষিক উভয়ভাবেই। স্মৃতিও তার লালসার শিকার। এই বদমাশ রাশিদুল একটা দানব। রীতা যে কারো কাছে আশ্রয় বা শালিস বিচার চায়নি তাতো না। কিন্তু বাংলাদেশের মত দূর্ণীতি পরায়ণ একটা দেশে শালিস বিচার সবইতো টাকাওয়ালা পুরুষতন্ত্রের। স্বার্থপর সামন্ত শফিকুল আর তার লম্পট সন্তান রাশিদুলের পক্ষ হয়ে শালিসবিচার ওল্টা রীতার কাছ থেকে স্ট্যাম্প নেয়। কি ছিল সেই স্ট্যাম্পে? বাড়ী ছাড়ার স্বীকারোক্তি? তার ব্যাপারে কোন অভিযোগ না করবার বা কোন টাকা পয়সা দাবি না করবার মুচলেকা? ব্যাংকে রীতার সন্তানদের জন্য রাখা বিশ লক্ষ টাকা ও দেড়শ ভরি স্বর্ণের হস্তান্তর করার দাবি?
পত্রপত্রিকাগুলো যে ভাবে স্মৃতি নাম্নি মেয়েটার পেছনে লেগেছে তা মনে হয় তারা স্মৃতিকে দিয়ে এই হত্যাকা- ঘটিয়েই ছাড়বে। মূলত স্মৃতিও একটা শিকার বৈ তো নয়।
রীতা না হয় কোনো উপায় না দেখে আত্মহত্যা করল কিন্তু শিশুদুটি যারা আত্মহত্যা কি বুঝে কিনা সন্দেহ। তারা কিভাবে কি বুঝে আত্মহত্যা করবে? এই কারণেই ধুয়াশাটা বাড়ে বৈ কমে না। হত্যাকা- হলে দোষিরা সাজা পাবে। ভিসেরা রিপোর্টসহ সঠিক তথ্যউপাত্তের ভিত্তিতে তা হবে। কিন্তু যদি আত্মহত্যা হয় তাহলে শুধু শফিকুলের পরিবার এজন্য দায়ি নয়। পুরা ঘুমন্ত জাতি দূর্ণীতি পরায়ণ ক্ষমতাবানরা জনগণের দায়িত্ব নিয়ে তা ডিমেতালে পালনকারি সরকার এমনকি পুরা রাষ্ট্রই দায়ি এই গণ আত্মহত্যার। এদের সবাইকে এ দায় বহন করতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29192973 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29192973 2010-07-05 14:41:24
বইপাগল মানুষদের নতুন ঠিকানা : শুক্রবারের ‘বইয়ের হাট’ কেননা সবার একটাই লক্ষ্য বাংলা একাডেমী বইমেলা। যেন বাংলাদেশে শুধু বই ছাপা হয় বইমেলায় বিক্রি করার জন্য। অথচ সারাবছর সারাদেশে সার্বক্ষণিক বইমেলা করার উদ্যোগ নেয়াটা কত জরুরি ছিল। ব্যাক্তিগতভাবে যেমন প্রকাশকরা এটা করতে পারতেন তেমনি করতে পারতেন সরকার। যেহেতু বাংলাদেশে কোনো শিক্ষিত বইপত্র পড়া সরকার ইতোমধ্যে আসেনি সেহেতু তাদেরকে দোষ দেয়া যায় কিনা ভাবার বিষয়। পুরাতন প্রকশনা প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট কয়েক জায়গায় বই বিক্রি করে তৃপ্ত। কারণ তাদের অন্য ব্যবসা আছে।

আবার সরকারি ভাবে গণগ্রন্থাগারের জন্য বই কেনার নিয়ম থাকলেও সেখানে দেখা যায় দূর্ণীতি। আমলা অথবা রাজনীতিকদের অপাঠ্য বইগুলোই লাইব্রেরীতে বিক্রি হয়ে চলে যায়। অন্যদিকে অনেক তরুণ লেখক ও প্রকাশক এই ব্যবসায় নেমে ইতোমধ্যে হতাশায় স্তদ্ধ হয়ে আছে। কারণ তাদের তৈরী করা বা ছাপানো বই বিক্রি করবার সুনির্দিষ্ঠ কোনো ব্যবস্থা এই ব্যবসায় নাই। কিন্তু এমন হবার কথা ছিল না। স্বাধীনতা উত্তর একটা দেশে, যে দেশের মানুষরা আবার ভাবুক শ্রেণীর, প্রকাশনা ব্যবসাটা দাঁড়াতেই পারলোনা এখনও! কিন্তু সরকার সহ বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে দেশব্যাপী একটা বিপণন ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারতো। স্কুলে, কলেজে, জেলায়-জেলায়, বা উপজেলা অথবা মহল্লায়-পাড়া পর্র্যায়ে বিভিন্ন মেলার আয়োজন করে অথবা একটা নতুন ছবি রিলিজ হলে অথবা একটা গানের ক্যাসেট রিলিজ হলে যে ধরণের দৃষ্ঠিরোচক বিজ্ঞাপন দেয়া হয় একটা বই বের হলে একই ধরণের বিজ্ঞাপন দেয়ার মাধ্যমে পণ্যটাকে আকর্ষণীয় করে তোলার কোনো উদ্যোগ নেয়া যেত। কিন্তু এই উদ্যোগ সরকার অথবা প্রকাশক সমিতি কারো দিক থেকেই নেয়া হয় নি। ফলে এখন এমন একটা জট তৈরী হয়েছে যে প্রকাশকরা ঢাকায় বসে যতটা বই বিক্রি করতে পারছেন তা তে তাদের দোকান ভাড়া বইয়ের খরচ উঠে আসে কিনা সন্দেহ। ওদিকে জেলা পর্যায়ের পাঠকরা অভিযোগ করছে তারা বই পায় না। তাই শোনা যায়, অনেক তরুণ প্রকাশকরাও জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন দূর্ণীতিতে। যেমন লেখকের টাকা দিয়ে বই ছেপে সেটা লেখককেই বিক্রি করার মত ভয়াবহ অপরাধে মেতে উঠছে একশ্রেণীর তরুণ প্রকাশক।
যাইহোক এটা যখন হলোনা ব্যবস্থাটা একেবারে নিজের নিজের ধরণে গড়ে তুলতে হবে সন্দেহ নাই।

ঢাকাতে শাহবাগস্থ আজিজ মার্কেট একটি বইয়ের মার্কেট হিসাবে বেশ পরিচিতি পেয়েছিল। বইপ্রেমীদের একমাত্র ঠিকানা ছিল সেটা। সম্ভবত টি শার্টের ব্যবসার কল্যাণে সেটা হারাতে বসেছে বইয়ের ব্যবসায়ীরা। আজিজ মার্কেটে বইয়ের দোকানগুলো ক্রমে ফ্যাশানেবল টিশার্টের দোকানে পরিণত হওয়া শুরু হয়েছে।


আজিজ মার্কেট কেন্দ্রিক একটা বই ব্যবসায়ী গ্রুপ প্রচেষ্টা করছে নীলক্ষেতের কাটাবনস্থ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং সেন্টারের বেজমেন্টটাকে বইয়ের নতুন ঠিকানা হিসাবে পরিচিত করতে। নি:সন্দেহে এটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এরই প্রক্রিয়া হিসাবে কনকর্ড এম্পোরিয়ামের সামনের বিশাল উঠোন জুড়ে শুরু হয়েছে প্রতি শুক্রবারে ‘বইয়ের হাট’। ব্যাপারটা এ দেশের জন্য অভিনব ও প্রশংসণীয় । গ্রামীণ হাটবাজারের আদলে টুকলিতে বই সাজিয়ে বসে পড়েছে সব প্রকাশক বা দোকানদাররা। এই উদ্যোগের একজন উদ্যোক্তা পড়–য়া প্রকাশনীর সত্তাধিকারী কবির আহমদ। তিনি বলেন বেচাকেনা প্রধান উদ্দেশ্য নয়, প্রচারটাই আসলে লক্ষ্য, লোকজন জানুক যে এখানেই এখন বইয়ের নতুন ঠিকানা। হয়তো জমে উঠতে আরো সময় লাগবে।
তাদের এই প্রক্রিয়াকে সাধুবাদ জানাই। সম্প্রতি এটার উদ্বোধন করলেন আরেক বই পাগল মানুষ পলান সরকার। প্রতি শুক্রবারে বিকাল ৩টা থেকে ৯/১০ পর্যন্ত এই হাট চলতে থাকে। উদ্যেক্তারা জানান মানুষের আসাযাওয়া বা বইকেনাও মোটামুটি সন্তোষজনক। গত শুক্রবারে মেলায় গিয়ে দেখা যায় তরুণরা যেমন এসেছে, এসেছে বাচ্চাদের হাত ধরে বয়স্করাও। মহিলাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মত। অনেক লেখক, কবিদেরকেও চোখে পড়ল। আবার বইয়ের হাটের পক্ষ থেকে বাতাসা চকলেট ও বিভিন্ন ধরণের মিষ্টান্নও ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে ক্রেতাদের। মিষ্টি যোগ করতে করতে বই হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে দেখা, ভাল লাগলে একটা দুইটা কিনে ফেলা সত্যই ব্যাপারটা আনন্দদায়ক।
বইয়ের হাটের আয়োজকদের মত আমরাও বাসনা করি একদিন চিত্তরঞ্জনদার মত এই জায়গা থেকেই শুরু হবে নিত্যবইমেলার।
এবং পাঠকদের প্রতিও অনুরোধ শুক্রবারে বিকালে যেন ঘুরতে ঘুরতে একবার দেখে আসেন সত্যিকার অর্থে ‘বইয়ের হাট’ দেখতে কেমন। যেহেতু এটা কোনো গতানুগতিক পণ্যের হাট নয়। বইয়ের হাট।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29156115 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29156115 2010-05-16 16:59:41
ব্ল্যাক কমেদিয়া কাকে দিয়ে যাবে এই শব্দগুচ্ছের ভার
যখন সব আত্মা বিক্রি হয়ে গেছে
সুইমিংপুলের নীল জলে

কবি, সে কি অবতার কোনো? যে আলুর রাজনীতি করে
আর সবজি খায়। নাকি কোনো মহিলা কবি
যে কিনা মধ্যরাতের ওমের চাইতে ভালবাসে কবিতাকে
নাকি সেই আধপাগল কেরানি
বউ বাচ্চার ভারে যে দিয়েছে টাইয়ের ফাঁস

তোমার এই রাতজাগা সংলাপ
এই সুপরিবাহী ছলনার গান
এই আত্মগ্লানির বিদ্যুৎ, যার বিস্ফোরক
ব্যবহার করেছ আত্মমৃত্যুর বিদঘুটে রসদ

কাকে দিয়ে যাবে এই সংক্রামী যাতনা
দৈনিকের কোনো হাস্যকর সাহিত্য সম্পাদক!
যে ছেপে চলে দৈত্যর মত, মৃত্যুর প্রতীক্ষারত
হাবড়া কবিদের বাজারের ফর্দ?
সেই সব হতে চেয়েছিলাম লেখকদের তড়পানি
সাহিত্যে রাজনীতিটাই যাদের একমাত্র আগ্রহের এলাকা

সেই সব আধা দেউলে প্রকাশক
মধ্যরাতে যাদের বেড়ে যায় পেচ্ছাপের বেগ
আর সেই অবস্থায় যে দরখাস্ত পাঠায়
ইশ্বরের কাছে কোনো জনপ্রিয় কবির মৃত্যু কামনা করে!

তুমি বরং এসব বেচে দিও ঝালমুড়িওয়ালার কাছে
উড়িয়ে দিও বসন্তের বিকৃত বাগানে
এমন কি মুচতে পারো গু_
নিদেন পক্ষে মৃত্যুর আগে করে যেয়ো উইল
এক ধুরন্ধর উকিলের কাছে
তারা যেন তোমার লগে যায় শশ্মানে কিংবা কবরের তলায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29099781 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29099781 2010-02-17 17:02:38
'ইল পোস্তিনো' অথবা 'নেরুদা'স পোস্টম্যান' অথবা 'দ্য পোস্টম্যান' এ উপন্যাসটা এমন একজন মানুষকে নিয়ে যিনি পোষ্টম্যান। তাও মাত্র একজন মানুষের চিঠি তাকে বহন করতে হয়। প্রথম যখন উনি চাকরিটা পান, মনে মনে ভাবেন কী এমন কাজ মাত্র একজন মানুষের ডাক সদর থেকে সামান্য দূরে এই পাহাড়ী টিলাটায় নিয়ে আসা। কিন্তু কাজে নেমে বুঝতে পারেন তিনি এমন একজন মানুষের কাজ করেন যিনি নিজেই আস্ত এক জগত। নাম তার পাবলো নেরুদা। এই সেই কবি যার লেখা কবিতা চিলির মানুষদের মুখে মুখে। যে কোন অজুহাতে মানুষ তার কবিতা সুর করে পড়তে পারে চিলিতে। আমাদের যেমন রবীন্দ্রনাথ। সুখে দুখে অভিমানে বিদ্রোহে সব অবস্থাকে যিনি ধরে রাখেন নিজের কবিতায়।
কাছেই একটা সরাইখানার এক ওয়েটার মহিলার প্রেমে পড়ে পোষ্টম্যান। কিন্তু তিনি যে অযোগ্য। কীভাবে পৌছাবেন এই সুন্দরীর কাছে। একদিন নেরুদাকে ভয়ে ভয়ে বলেন এ কথা। নেরুদা সহ একদিন খেতে আসেন এই সরাইখানায়। নেরুদাকে কেন্দ্র করেই মুলত গড়ে উঠে এই প্রেম কাহিনী। মেয়েটার মা মেয়ের তোরঙ্গে একদিন আবিস্কার করেন পোষ্টম্যানের দেয়া নেরুদার কিছু কবিতা। মহিলা আর্তনাদ করে উঠল কেননা তারও সর্বনাশ করেছিল এক মিনশে নেরুদার কবিতা উপহার দিয়ে। কি যেন আছে এই কবিতা গুলোতে, নেশা ধরায়। তার একই অসুখে তার মেয়ে কুপোকাত । মেয়েকে ডেকে তিনি উপদেশ দেন। নেরুদার কবিতা যেন না পড়ে কেননা এই হতচ্ছাড়া কবিতা গুলোইতো তারও সর্বনাশ করেছিল একদা। কিন্তু ততক্ষনে মেয়ের মুখে মুখে গাওয়া হচ্ছে নেরুদা কবিতা। এবং যা একটি সফল প্রেমে এসে শেষ হয়। অদ্ভুদ ভালালাগা এ উপন্যাসটিতে এর পাশাপাশি উঠে এসেছে নেরুদার নির্বাসনকাল থেকে শুরু করে চিলির এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমকাল । এ উপন্যাসটি একটি চমৎকার চলচ্চিত্র হয়েছে তার নাম দি পোষ্টম্যান। পড়ার সাথে সাথেই প্রিয় বইয়ের তালিকায় স্থান করে নেবার চমৎকার ক্ষমতা আছে স্কারমেতার লেখায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29090408 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29090408 2010-02-03 01:50:41
অজানা শয়তানের রাজনীতি পয়দা করেছি প্রেমের স্যঁতস্যঁতে বাণী
এখন জানি-এসব আত্মপ্রতারণা ছাড়া কিছু না
নিয়তির কথা বলে তুমিও চালাক মাঝি
কপালে আঙ্গুল টেকিয়ে নিয়ে গেলে গোলার সকল ধান
হাসপাতাল আর পাকা রাস্তা আর সমবায়ের কথা
বলে বলে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর
আমাদের করেছো মনোবিশারদের দারস্থ।

এখন আমি জানি- তোমার মতোই
এ জীবন অজানা শয়তানের রাজনীতি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29066340 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29066340 2009-12-27 08:31:16
আলেকজান্দার কুপরিনের অন্যরকম উপন্যাস'ইয়ামা দ্য হেল হোল' যার কোনো ওষুধই আবিস্কার হয়নি। বইটি পড়তে পড়তে আপনি তাকে সমর্থন করবেন। এবং মারাত্মক এক ভয়ে কুকড়ে যাবেন। এর পর ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রের সাথে তার মন বিনিময়। ভাল লাগবে আশা করি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29064549 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29064549 2009-12-24 00:18:04
কোয়েতজির অসাধারণ নিরিক্ষাধর্মী বই ফো http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29063158 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29063158 2009-12-21 19:18:46 শোভা দের রগরগে উপন্যাস 'স্টারি নাইটস' http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29061784 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29061784 2009-12-19 18:18:11 নিকোলাও মানুচির মোঘল ভারত সিংহাসন নিয়ে দারা আর আওরঙ্গেজেবের ভেতর যুদ্ধ লাগে। মানুচি দারার সৈন্য হিসাবে যোগদান করেন। কাজে সফল হয়ে অতিদ্রুত সে দারার প্রিয়পাত্রে পরিণত হয়। কিন্তু দুরদর্শিতার অভাবে দারা পরাজিত হলে মানুচি সৈনিকবৃত্তি ছেড়ে দিয়ে চিকিৎসক হিসাবে জীবন শুরু করেন। আর বাংলাসহ সমগ্র ভু-ভারত তিনি পরিভ্রমন করেন। আওরঙ্গেজেবের সেনাবাহিণীতে প্রচুর সংখ্যক ফরাসী, বৃটিশ ও পর্তুগীজ সৈন্য কাজ করত। কিন্তু শাহজাদা শাহ আলম মানুচিকে হারাতে চাননি। ফলে শুরু হয় মানুচির পলাতক জীবন। পুরা বইটা জোস। পড়ে মজা পেলাম।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29058673 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29058673 2009-12-14 15:02:50 দি এসাইনম্যান্ট অন্যজন এনাবল। মার্কিন নৌ এডমিরাল। জেরুজালেমে ভ্রমণ কালে তার সাথে দেখা অন্যতম প্রশাসনিক কর্মকর্তা বেনস কিংসলের। রিমান্ডে সে বুঝতে পারে এ কার্লোস না। তয় এ রে দিয়া কার্লোসরে ধরা যাবে। তারপর মার্কিন গোয়েন্দা হোমড়া সাউদারল্যান্ড আর সে মিল্লা বহুত কাঠখড় পোড়াইয়া এনাবলরে হাত করে।
এইভাবে এনাবল পরিণত হতে থাকে একজন কার্লোসে। শেষ পর্যন্ত দর্শক দ্বিধায় থাকবো কে কারে মারছে। কারণ দুজনই দেখতে একরকম। ছবিটার মেকিং ভালা।
কার্লোস আর এনাবলের চরিত্র দিছে আইদা কুইন। তারে পাশ দেয়ান যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29058155 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29058155 2009-12-13 17:22:58
তাহমিনা দুররাণির পাকিস্তান মাই ফিউডাল লর্ড পড়তে শুরু করে মনে হলো হয়তো আরেকটা দক্ষিণ এশিয়ার রগরগে কাহিণী পড়বো। কারণ কিছুদিন আগে শোভা দে আর রাধিকা ঝার দুটি বই পড়ে সেই অভিজ্ঞতা হয়েছিল।

পুরা কাহিনীটা পড়লে বুঝা যায় পাকিস্তানের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নিজের বঞ্চনার প্রতিকারহীন প্রতিবাদের জন্য তার এই কলম ধরা। কারণ তাহমিনা নিজেও ইতোমধ্যে রাজণীতিবিদ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। তবুও মুস্তফা খারের মতো সামন্তীয় রাজনীতিকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি রাজনীতীতে কেবলমাত্র একজন নারীর হওয়ার কারণে তার কিছু করার থাকেনা। কারণ পাকিস্তানের গণ মানুষও নারীদের কোনো সম্মান দেয়না বা তাদের কথা বিশ্বাস করেনা যতক্ষণ পর্যন্ত না সে অন্য এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিকের ফেলাচ হিসাবে কাজ না করছে। যেমন বেনজীর ভুট্টো। বেনজীর ভুট্টো ছিল ভুট্টোর
ফেলাচ। যেমন আমাদের দেশে খালেদা জিয়ার আর হাসিনা মুজিবের।
মুস্তফা খার যতদিন জেলে ছিল পাকিস্তানি জনগণ রাজনীতিতে তাহমিনাকে মেনে নিয়েছে যখন খার জেল থেকে বের হলো। জনগণে চিন্তা ঘরের মেয়ে ঘরে ফিরে যাও।
মাই ফিউডাল লর্ড মূলত পাকিস্তানের সামন্তীয় রাজনীতিবিদ মুস্তফা খার কাহিনী।

যদিও তাহমিনার আত্মজীবনীমুলক লেখা। কারণ তার জীবনের বেশিরভাগ সময় মুস্তফার মতো একজন সামন্তীয় প্রভুর স্ত্রী হিসাবে কাটে।
তাহমিনার মতে মুস্তফা নেহায়েত উচ্ছাবিলাসী এক নেতা। আবার স্বভাবের দিক দিয়ে যে পেয়েছে আফগান উত্তরাধিকার। যাদের জীবনে মেয়েমানুষ হচ্ছে স্রেফ অত্যাচার আর ভোগ করবার যন্ত্র। এতে অন্যকোনো ধারণা নাই। ধর্মীয় বা ঐতিহাসিক। ক্ষমতার বলে তাহমিনা সহ প্রায় সাতজন মহিলাকে সে বিয়ে করেছে। সবাই পাকিস্তানের উচ্চবংশীয়। নারী শিকারের নেশা আর কৌশল দুটোই তার আয়ত্তে। প্রায় প্রত্যেকের কপালে ছিল সন্তান হয়ে যাবার পর মোল্লাতান্ত্রিক গ্রামে নির্বাসন। এবং কোনো ধরণের যোগাযোগ হীন তিল তিল মৃত্যু। তাহমিনাই একমাত্র স্ত্রী যে কিনা অনেক শারীরিক নির্যাতন সহ্য করেও তাণ্ডবের মুখে নিজেকে রক্ষা করবার ক্ষমতা দেখিয়েছে।
তাহমিনার কথা হচ্ছে অধিকাংশ পাকিস্তানি নেতাদের মানসিকতা মুস্তফা খার মতোই সামন্তীয়। যাদের কোনো আদর্শ নাই। ক্ষমতায় যাবার জন্য তারা সবকিছু ত্যাগ করতে পারে। তাদের মুল আগ্রহ হচ্ছে স্বচ্ছল ভোগী জীবন যাপনে। ধম তাদের ব্যবহারের অস্ত্রমাত্র।
মুস্তফা খার যে চরিত্র তাহমিনা রূপায়ণ করেছেন। তাকে বিশ্বাস করবার যতেস্ট অবকাশ আছে। কিন্তু তাহমিনার প্রথম স্বামী নীরিহ আনিসকে ধোকা দিয়ে তাহমিনা যেভাবে উচ্ছাবিলাসী হয়ে মুস্তফা খার দৃষ্টি আকর্ষণ করার প্রয়াস পেয়েছে তাতে পাকিস্তানি উচ্চবংশীয় নারীদের জীবনদর্শণ নিয়েও প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ, ইসলামী বিশ্বের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক ও আফগান নিয়ে সোভিয়েত আমেরিকা পাকিস্তানের ত্রিমুখী সম্পর্ক ও তার পরিণতির কারণে লেখাটা শুধু মুস্তাফা খার জীবনী বা তাহমিনার আত্মজীবনী হয়ে থাকেনি। হয়ে উঠেছে দক্ষিণ এশিয়ার একখণ্ড ইতিহাস। যা ইচ্ছা করলে বিনির্মাণ করা যায়।
তার গদ্য সরল-স্বাবলিল তরতরিয়ে পড়া যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29056781 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29056781 2009-12-10 22:38:31
চেঙ্গিজ খান : ভাসিলি ইয়ানের ঐতিহাসিক ফিকশন http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29055704 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29055704 2009-12-08 23:06:24 কনফেসনস অব সেন্ট অগাস্তিন http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29054639 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29054639 2009-12-06 22:58:40 জেটি ইজারাদারদের হাতে জিম্মি পর্যটক ও মহেশখালীর মানুষ দেশে সবকিছুতেই এখন কৃত্রিম সংকট সৃস্টির কালচার তৈরী করা হচ্ছে। এখানেও তাই। আগে দেখতাম পর্যাপ্ত স্পীডবোট ও ট্রলার পাওয়া যেত। এখন ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন ধরে জেটিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। পর্যটক আর যাত্রীর তুলনায় নিতান্ত অল্প যান। খোঁজ নিয়ে জানা যায় শুধু মাত্র ইজারাদারদের স্পীডবোটই যাত্রী বহন করতে পারে। অন্যকারো নয়। বোটসংকট কেন জানতে চাইলে জানা যায় শুধুমাত্র শীতের সিজনে লোকজন বেশী যাতায়াত করে। অন্য সময় তেমন যাতায়াত থাকেনা। বেশী বোট নামালে পরে দেয়া যায় না।
এছাড়াও মহেশখালী জেটিটা দেখার যেন কেউ নেই। জেটির দুইপাশে দীর্ঘ রেলিং দিনের পর দিন উদাও হয়ে যাচ্ছে। গাছের জেটিটা ভাঙ্গা। ফলে নৌকা নিয়ে অনেক কষ্ট করে যাত্রীদের ঘাঠ পর্যন্ত পৌছতে হয়। ইজারাদারদের বক্তব্য হিরোইন সেবীরা রাতের আঁধারে এসব কেটে নিয়ে যায়। ইজারাদাররা নিজেরা বিক্রি করে হিরোইন সেবীদের নাম বলছে বলে বিশ্বাস করার যতেষ্ট অবকাশ রয়েছে।
মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে লাখ লাখ টাকা ইজারাদাররা ইনকাম করছে। আবার ইজারাদাররাও সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়েছে।
যাত্রী সেবার নামে প্রতারণা, রক্ষণাবেক্ষণহীন জেটি, বোটের স্বল্পতা, পর্যটক আর মহেশখালীর মানুষের দুর্দশা দেখার যেন কেউ নেই। রক্ষণাবেক্ষণহীন জেটিটির ফ্লোরে খাবলা খাবলা গর্ত হয়ে আছে। ক্ষয়ে যেতে যেতে যে কোনো সময় সেটা বিধ্বস্ত হতে পারে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29054077 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29054077 2009-12-05 21:55:12
আমার গ্রামঃ এ কীসের আলামত যাইহোক যা বলতে চেয়েছিলাম। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মটাকে দেখে আমি আহত হলাম। না আমি খুব প্রাচীন পন্থী লোক নই। কোন পরিবর্তনকে আমি ফেরাই না বা আতংকিত হইনা। মানি সবকিছু বয়ে চলে। দ্বীপাঞ্চলের মানুষরা যোদ্ধার মতো। তাতো আজন্ম দেখেছি। কিন্তু এবার এসে দেখলাম মানুষের মধ্যে হিংসার চরমতম রূপ। আমার প্রতিবেশী যারা আমাকে অতি আদরে বড় করেছে। তারা যেন আমাকে চেনেনা। সালাম করলে সালামের জবাব দেয়না। মানে তারা এখন আর পরস্পরের শান্তি কামনা করেনা। প্রত্যেকের দৃষ্টি প্রত্যেকের জমিজমা দখলের দিকে। বেঈমানী আর প্রতারণা এখন এখানকার নিত্য সত্য। আমার গ্রামের বন্ধুদের দেখছি থানার সামনে রাতদিন বসে থাকতে। থানাসাধনাই এখন তাদের জীবন। এখানে এখন মেয়ের বর হিসাবে লোকজন থানার দালালদেরকেই পসন্দ করে। এ ওর বিরুদ্ধে প্রতিদিন জিড়ি করছে থানায়। এক ভয়াবহ দখলদারি মানসিকতায় মেতে উঠেছে তারা।
মহেশখালীবাসীরা এমন দুর্ভাগা অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্বেও নিজেদের বোকামীর কারণে তারা সবসময় অবহেলিতই থেকে যায়। যেমন এবার আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করেছে কিন্তু মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে এমপি হয়েছে চারদলীয় জোটের। কুতুবজুমে গভীর সমুদ্র বন্দর হবার গুজব কখন সত্য হবে তা জানা অসাধ্য।
যাইহোক মানুষের চোখে মুখে আতংক, দখলদারি মানসিকতা জনপ্রতিনিধিদের গণপ্রতারণা এসবের অনেক আর্তসামাজিক কারণ আছে জানি। আছে বিশ্বায়নের প্রভাব। তবুও কবি আবুল হাসানের মতো বলতে হয় আমার গ্রামটাকে আমি আর কোথাও দেখিনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29053356 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29053356 2009-12-04 14:30:25
নিশব্দের উল্লাস এই গহীন গ্রামে আজ সেই নৈশব্দ আছে
বিদ্যুৎহীন, শব্দযানহীন, জোৎস্নাহীন এ গ্রামে
আজ মিটে আমার নৈশব্দের স্বাধ

দাওয়ায় একা বসে আছি
শীতের অন্ধকারে
কারো কান্না শোনা যায়না এখানে
কোনো শীৎকারের শব্দ নাই

তবুও তোমার স্মৃতি আসে
নিশব্দে, চিকন সরিসৃপের মতো
এলোমেলো করে দেয় পরকীয়া মন
বিবস্ত্র করে শীতের অন্ধকারে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29052682 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29052682 2009-12-02 23:50:04
এ আমাদের যৌনসভ্যতা নির্ঘুম রাতের শেষে কেউ দেবেনা সান্তনা তোমাকে
তোমার আত্মহনন হাস্যকর।
কিছুরই সমাধান করতে পারবেনা তুমি
সবকিছু ঘুরছে গোলকায়নে

তোমার আদর্শ মৃত মধ্যবিত্তদের
তোমার নৈতিকতা মধ্যযুগীয়

তারছেয়ে গেয়ে যাও যৌনতার গান
মাদকতার ছদ্মবেশে
এ আধুনিকতার অভিশাপ, এ আমাদের যৌনসভ্যতা।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29051312 http://www.somewhereinblog.net/blog/mashablog/29051312 2009-11-30 00:18:33