অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
ফেসবুক: www.facebook.com/masshood

অনুমতি ব্যতীত এই ব্লগের কোন লেখা অন্যকোথাও দেয়া যাবে না (c)

shondhitsu@জিমেইল.কম
আর এস এস ফিড

আমার প্রিয় পোস্ট

মেঘমুক্ত নীলাভ দিঘীর কবোষ্ণতা খুঁজছে মন!

মানুষের উৎপত্তি

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০ |

শেয়ারঃ
1 0

পৃথিবীতে মানুষের উৎপত্তি কীভাবে হল সে সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বেশ প্রাচীন। এ সম্পর্কে বিভিন্ন তত্ত্ব আছে ,অপেরনের থিওরী, বিবর্তনবাদ আরও নানা ধরনের।
তবে মতবাদ যাই থাকুক না কেন, অনেকই বিশ্বাস করে পৃথিবীতে মানুষ তথা জীব জগতের উৎপত্তির পেছনে অজানা কোন ব্যাপার আছে, আছে ব্যাখ্যার অতীত কিছু।

সেধরনের কিছু তথ্য সংকলনের চেষ্টা করলাম পোষ্টে...

১. জীব কোষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান প্রোটিন অনু। প্রোটিন হল অসংখ্য অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত বৃহৎ যৌগিক জৈব অনু। গড়পড়তা একটি সাধারণ প্রোটিন অনু প্রকৃতি হতে বাছাইকৃত প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদান সমন্বয়ে সঠিক পরিমানে ও অনুপাতে রাসায়নিক বিন্যাসের মাধ্যমে গঠিত হয় তার সম্ভাবনা হিসাব করেছেন অনেক বিজ্ঞানী। এটা হিসাব করেছেন বায়োলজিস্ট ফ্র্যাংক স্যলিসবরী ,তুরস্কের বিবর্তনবিদ আলী ডেমিসেরী, বায়োলজিস্ট প্রফেসর হাবার্ট ইয়োকিসহ আরও অনেকে।

হিসাব মতে এ সম্ভাবনা হল মোটামুটি ১ বাই ১০ টু দি পাওয়ার ৯৫০। এর মানে এ সম্ভাবনা ০.০০০...এরকম ৯৪৯ টি শূন্য তারপর ১। ১ বাই ১০ টু দি পাওয়ার ৫০ হলেই তা শূন্য হিসেবে ধরা যায়।
আর তার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন তা হিসাব মতে, ১০ টু দি পাওয়ার ২৬৩ বছর। অর্থাৎ ১ এর পর ২৬৩ টি ০ বসালে যে সংখ্যা হয় তা । তার মানে, বিশ্বজগৎ সৃষ্টি হওয়ার সময়ের চেয়েও অনেক অনেক বেশি সময়। আর এ সবই একটি মাত্র মলিকুল তৈরির জন্য। আর ভাবার বিষয় একটা কোষে কত ধরনের প্রোটিন অনু থাকে আর প্রোটিন অনু ছাড়াও কত অন্যান্য অনু থাকে একটি কোষে, আর কতটি কোষ মিলে তৈরি হয় মানবদেহ।
একটি মানবশিশু যখন জন্মায় তখন তার দেহে থাকে প্রায় ৬ বিলিয়ন বা ৬০০ কোটি মলিকুল থাকে। এসব ঘটনা আকস্মিকভাবে ঘটার সম্ভাবনা হিসেবাতীত ভাবে শূন্য...। তাই বিজ্ঞান একথা স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে জীব জগত তথা মানব সৃষ্টিতে কোন ব্যাখ্যাতীত ব্যাপার আছে,কারও প্রোগামিং,কোন কিছুর নির্দেশনা আছে নিশ্চয়ই। ( ১,২,৩,৪ ও অন্যান্য)

২.
জার্মান বিজ্ঞানী রেইনহার্ড জাঙ্কার ও সিগফ্রিড স্কিরার ১৯৮৬ সালে জীব উৎপত্তিতে রাসায়নিক বিবর্তনের বিষয় ব্যাখ্যা করেন। তারা ব্যাখ্যা করেন প্রানের উদ্ভবের জন্য যে প্রয়োজনীয় উপাদান বাছাই হয়ে সমন্বয় হয়েছে এবং ক্ষতিকর উপাদান হতে রক্ষা পেয়েছে তা -অসম্ভব,অকল্পনীয়। ( ৫)

৩. বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিক , যিনি জেমস ওয়াটসনের সাথে ডিএনএ এর ডাবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কার করার জন্য ১৯৬৩ সালে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, উপলব্ধি করেছেন এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এটা আশা করা যে, পৃথিবীতে জীবন আকস্মিক ভাবে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তিনি সহ আরও অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী এটা ব্যাখ্যার জন্য নতুন এক থিওরীর কথা ভাবেন-এক্সট্রাটিরেসট্রিয়াল ইন্টিলিজেন্ট পাওয়ার অর্থাৎ অন্য কোথাও হতে সৃষ্ট প্রাণ পৃথিবীতে এসেছে।


৪. ব্রিটানিকা সায়েন্স এনসাইক্লোপিডিয়াতে বলা হয়েছে জীব কোষে অ্যামিনো এসিড ও প্রোটিনের বিন্যাস আকস্মিক হওয়ার সম্ভাবন কে মিলানো যায়- একটি কয়েনকে দশ লক্ষ বার টস করা হল আর প্রত্যেকবারই হেড পাওয়ার সম্ভাবনার সমান । একই জায়গায় বলা হয়, এটা বোঝা একদমই অসম্ভব যে, কেন অনু গুলো ডানবর্তী বা বামবর্তী হয়ে সঠিক বিন্যাসে থাকে। ( ৬)





তথ্যসূত্র:
1.Encarta reference library –Microsoft Corporation
2. H.P. Yockey, "A Calculation of the Probability of Spontaneous Biogenesis by Information Theory," J. Theoretical Biology, (1977), 67, pp.337-398.
3. H.J. Morowitz, Energy Flow in Biology (Academic Press, New York, 1968), p. 99.
4. Inheritance and Evolution, Ali Demirsoy , Meteksan Yayinlari 1984
5.Reinhard Junker & Siegfried Scherer, "Entstehung Gesiche Der Lebewesen", Weyel, 1986

6.Fabbri Britannica Science Encyclopaedia, Vol. 2 ,No. 22,




পরের পোষ্ট: বিবর্তনবাদ : কতটা বিবর্তিত


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নাস্তিকতাধর্মনাস্তিক ;
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ রাত ২:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


২৭টি মন্তব্য

১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

নািহদ আহ্‌েমদ বলেছেন: informative... i must say

২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭

দিপক কুমার বলেছেন:
ঈশ্বর যদি থাকেন তিনি তার সৃষ্টির ভিতরই রয়েছেন। সৃষ্টিকর্তাকে খুজে পাওয়া যায় তার সৃষ্টির ভিতরই। তবে ধর্ম যে মানুষের তৈরি কিছু বিষয় এতে আমার কোন সন্দেহ নেই। আদিম জীবনে মানুষের জীবনে হয়তো ধর্মের প্রয়োজন ছিল কিন্তু বর্তমানে দরকার বিবেকবোধ। তাছাড়া ধর্মের সাথে সৃষ্টিকর্তার কোন সম্পর্ক আছে বলে আমার মনে হয়না। তাই সৃষ্টিকে ভালবাসলেই সৃষ্টিকর্তাকে ভালবাসা হয়ে যায়।

৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

জলপাই দেশি বলেছেন: দিপক কুমারকে ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য। অবশ্য কিছু ব্যাপারে আমি তার সাথে একমত নই। আমি বিশ্বাস করি, জীবে দয়া কের যেই জন সেই জন সেবিছে ইশ্বর। সৃস্টিকে যারা গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তারা ইশ্বরের উপস্থিতি উপলব্ধ করে।

৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: পরিসংখান কিন্তু এও বলে না .. ঈশ্বরের হাত এর ছোয়ায় প্রাণ সৃষ্টি হয়েছে .... । প্রচলিত মডেল বিলুপ্ত করে এই ধারনাটা ঠিক .....
আর বিশ্বাস যদি করতে হয় ... ঈশ্বরে বিশ্বাস করা/ সায়েন্সে বিশ্বাস করার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নাই ..... E.T. এসে পৃথিবীতে প্রাণ দিয়ে গেছে এটা মনে করা কঠিন .. সৃষ্টির সময়ে পরিবেশ যদি এতই প্রতিকুল হয় .. পরে এত প্রাণী প্রজাতি সৃষ্টি হল কিভাবে / টিকে রইলই বা কিভাবে ?

৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

জেমসবন্ড বলেছেন:

নাস্তিকদের অস্ত্র কিন্তু বিজ্ঞান, সুতরাং তাদের অস্ত্র দিয়েই তাদেরকে ঘায়েল করা উচিত ।


ভালো লেখা । সাধুবাদ জানাই । আমার পোষ্টে স্বাগতম !

প্লাস দিলাম ।

চলুক......



৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৭

শামীম দ্যা রক্ বলেছেন: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: পরিসংখান কিন্তু এও বলে না .. ঈশ্বরের হাত এর ছোয়ায় প্রাণ সৃষ্টি হয়েছে .... । প্রচলিত মডেল বিলুপ্ত করে এই ধারনাটা ঠিক .....
আর বিশ্বাস যদি করতে হয় ... ঈশ্বরে বিশ্বাস করা/ সায়েন্সে বিশ্বাস করার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নাই ..... E.T. এসে পৃথিবীতে প্রাণ দিয়ে গেছে এটা মনে করা কঠিন .. সৃষ্টির সময়ে পরিবেশ যদি এতই প্রতিকুল হয় .. পরে এত প্রাণী প্রজাতি সৃষ্টি হল কিভাবে / টিকে রইলই বা কিভাবে ?

হুমম!! পরিবেশ পরিবর্তনের বিষয়টি আপনি ভূলে গেছেন।

৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২২

শামীম দ্যা রক্ বলেছেন: @মাসুদুল [লেখক]
ভাই অনুমতি দেন ত এটা আমি আমার ব্লগে কপি পেষ্ট করতে চাই।

৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯

মনজুরুল হক বলেছেন: প্রলাপ।

৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৬

মনজু মজুমদার বলেছেন: মনজুরুল হক কে বলছি "আপনি সবাই কে নিজের মত ভাবেন কেন ভাইয়া?তাড়াতাড়ি মনোজগতে দেখা করুন"

১০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৬

মাহফুজশান্ত বলেছেন: ভাই, আসসালামু আলাইকুম। আপনার লেখাটা পড়ে বুঝতে পারলাম যে আপনি বেশ পড়াশুনা করছেন। আশাকরি চালিয়ে যাবেন। আমি আপনার সাথে কিছু মত বিনিময় করতে চাই.......
*হেদায়েত প্রাপ্তি অর্থাৎ কে ঈমান গ্রহণ করবে আর কে করবেনা তা একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছাতেই ফায়ছালা হয়ে থাকে। অনেক জ্ঞানী মানুষ সারাটা জীবন জ্ঞান সাধনা করেও ঈমানদার অর্থাৎ বিশ্বাসী হতে পারেনা। আবার দেখবেন অনেক সাধারন খেঁটে খাওয়া মানুষের ঈমানও যেমন শক্ত, তেমনি পাপ থেকেও থাকে মুক্ত। তবে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবার জন্য 'আল-কোরআন ও হাদিছ' চর্চার পাশাপাশি সব ধরনের জ্ঞান সাধনা করা প্রত্যেক ঈমানদারের জন্য ফরজ।

১১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: অসাধারন।

কিপ অন।

১২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

পাপী বলেছেন: জোশিলা!!

১৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২২

আট আনা বলেছেন: যুক্তির সুন্দর উপস্থাপনা। প্লাস এবং প্রিয়তে। মজা লাগল পুরা পোষ্টের কোথাও 'ইসলাম' নেই দেখে।

১৪. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
ছাগুরামের নয়া নিক ভালো হইছে।

১৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৩

মনজু মজুমদার বলেছেন: ওমর সোলাইমান তো সত্যই হারায়ে ফেলিছে দিশা

১৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৭

আমিই রূপক বলেছেন: ভালো হইছে।

১৭. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:০৩

মামুন মোর্শেদ খান বলেছেন: বুঝছি...আর ফালাইয়েন না...আপনে বিবর্তনের কচুটা জানেন।
স্বঘোষিত বিগ্গানী(যাহার বিশেষ জ্ঞানের দৌড় মসজিদ পর্যন্ত) হারুন ইয়াহিয়ার মহাকাব্য থেইকা কপি-পেস্ট মারছেন সব কয়টা।

১৮. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫

এস. এম. রায়হান বলেছেন: ভাল পোস্ট। +

১৯. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬

তরু বলেছেন: প্রিয়।

২০. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

ধ্রুব তারা বলেছেন: বাহ বেশ তো। কিন্তু এক জায়গায় একটা প্রশ্ন রয়েছে। আমরা জানি যে Infinity আমাদের হিসাবের বাইরে। আমরা তা হিসাব করতে পারি না। কিন্তু এটা সত্য যে আমাদের হিসাবের বাইরে বলেই যে তার হিসাব নেই তা কিন্তু নয়। Infinity এর একটা পর্যায়ে শেষ অবশ্যই রয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে, স্রষ্ট যদি Infinite সময় হতে থেকে থাকে, তবে সে সময়-এর আগে কী ছিল। আর যদি স্রষ্টা এমনিতে নিজে নিজে সৃষ্ট হতে পারে সেটাও কিন্তু প্রকৃতির সেই আকস্মিকতার তত্ত্ব থেকে খুব একটা আলাদা নয়। তবে যারা স্রষ্টা বিশ্বাস না করে বলে যে ই.টি. হতে আমরা এসেছি, সে প্রসঙ্গে বলবো, এই বিশ্বাস প্রকৃতপক্ষে স্রষ্টাতে বিশ্বাস করাই। কারণ তাতে আমরা মেনে নিচ্ছি যে, আমরা আমাদের তুলনায় উৎকৃষ্ট কারো দ্বারা সৃষ্ট।

২১. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
মামুন মোর্শেদ খান বলেছেন: বুঝছি...আর ফালাইয়েন না...আপনে বিবর্তনের কচুটা জানেন।
স্বঘোষিত বিগ্গানী(যাহার বিশেষ জ্ঞানের দৌড় মসজিদ পর্যন্ত) হারুন ইয়াহিয়ার মহাকাব্য থেইকা কপি-পেস্ট মারছেন সব কয়টা।

৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: মামুন মোর্শেদের ক্ষনিকের উৎসাহের কমেন্টে কোন মন্তব্য করার ইচ্ছা বা প্রয়োজন কোনটাই বোধ করি নি, কিন্তু রিপিট হওয়ায় বলছি,
প্রথমত, আমার মতে ভদ্র ভাষায় কমেন্ট না হলে উত্তর দেয়াটা মোটেও প্রয়োজনীয় নয়।
দ্বিতীয়ত, কারও লেখার সাথে কোন টপিক মিলে গেলে সেটাকে কপি পেস্টের অভিযোগ দেয়াটা নিচু শ্রেনীর কাজ। কারন যেসব রেফারেন্স ব্যবহার করেছি এ ধরনের যেকোন লেখায় বা সাইটে সেসব থাকাটাই স্বাভাবিক, তারমানে এই নয় কেউ কারও থেকে নিয়েছে।
তৃতীয়ত,কারও মহাকাব্য থেকে কপি পেস্ট করা নিয়ে আগেও একবার বলেছি। ধরুন, আমি আপনার কোন লেখা থেকে কোন তথ্য নিলাম যা আপনি নিয়েছেন মূল কোন উৎস থেকে, এখন আমি যদি মূল উৎস যাচাই করে সেই তথ্য ব্যবহার করি এবং তথ্যসূত্রে মূল উৎস ব্যবহার করি তবে মধ্যবর্তী আপনার লেখার সূত্র দেয়াটা বাড়াবাড়ি ছাড়া আর কিছু নয়।

২২. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৮

আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
কমেন্টের জবাব পইড়া ঈমান ফিরায়া আনছি

২৩. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৬

ধ্রুব তারা বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি না আস্তিক না নাস্তিক। আমার কাছে যে মানুষ যুক্তির সাথে তার আস্তিক্য বা নাস্তিক্য কে বর্ণনা করতে পারে সে-ই গ্রহনীয়। এবং আপনি ব্যখ্যা যুক্তির সাথেই করছেন। আমি জানি, যুক্তি দিয়ে যদি বিশ্লষণ করতে চাই নাস্তিক্যবাদ-ও কোনো শেষ উত্তর দিতে অপারগ, কারণ Infinity পর্যায়টা আমাদের জানার বাইরে।একটা পর্যায়ে আমাদের বিশ্বাস বা অবিশ্বাসগুলি সমর্পণ করতেই হয়।

২৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৬

তীব্র রঙিন বলেছেন: আসলে আস্তিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে আত্মসমর্পন। সে আত্মসমর্পন যেমন স্রষ্টার ক্ষমতার কাছে, যে জ্ঞান আমাদের নাগালের বাইরে তার কাছেও। দেয়ালের ওপাশে কি আছে তা শত চেষ্টা করেও জানতে না পারার পর যারা মনে করে ওপাশটায় কিছু আছে কিন্তু কী আছে তা নিশ্চিত নই, সে ব্যাপারে তারা আত্মসমর্পিত, তারাই আস্তিক,আর বিরান ভাবে যারা তারা নাস্তিক।[/sb

জি, আপনার বিশ্বাস নিয়ে আপনি থাকলেই পারে; কেন খামাখা হাস্যাস্পদ হওয়ার মতো লেখালেখি করেন?

কী আছে সেটা বিজ্ঞানীরা জানার চেষ্টা করেন বলেই তাঁরা শ্রদ্ধেয়, আর আপনার মতো যাঁরা বুঝি না, তাই নাই, এই ধারণায় আস্থাশীল, তাঁরাই ধার্মিক এবং...

থাক, আর ভালো লাগছে না...God in gaps-এর আরেকটা উদাহরণ পেলাম।
ধন্যবাদ।

২৫. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ২:৩৩

শয়তান বলেছেন: Infinity কি সময়ের পরিক্রমায় সব সময়ই Infinity থাকবে ?


তখন ? কোথায় যাবে বর্তমানের এই ঈশ্বরতত্তের আত্মসমর্পন ? নতুন কিছুর উদ্ভব হবে কি :#)

২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: ঈশ্বরতত্ত্বের ব্যাপারটা সময়ের পরিক্রমায় কি হবে সময়ই বলে দেবে...তবে একটা ব্যাপার লক্ষ করেন, কয়েক শতক ধরে যেভাবে ধর্মবিরোধী প্রচারণা ব্যাপক ভাবে হয়েছে তাতে রাশিয়ার মত অনেক জায়গাতেই এতদিনে ধর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কথা,সেখানে ৭০ বছরের মত রাষ্ট্রধর্ম ছিল নাস্তিকতা...সেরকম জায়গাতে আবার মানুষজন ধর্ম পালনে সোচ্চার হয়ে উঠেছে...স্পিরিচুয়াল অ্যাসপেক্ট মানুষের জীবনে অতি প্রয়োজনীয় টার্ম হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে...হেলথ এর চারটা ধাপের একটা হিসেবেস্পিরিচুয়াল হেলথকে ধরা হয়...ঈশ্বরতত্ত্ব ক্রমে দুর্বল হওয়ার বদলে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে...সময়ই বলে দেবে নতুন কিছু উদ্ভব হবে কিনা...আর Infinity এর ব্যাপারে আমরা সবাই অসহায়...

আপনাকে ধন্যবাদ।


 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন