আমার প্রিয় পোস্ট
- নিমচাঁদের সহি বিবাহ নামাঃ শেষ পর্ব
উইথ বাসর রাতের আসল ফটু - নিমচাঁদ
- হাজার বছরের পুরোনো রক্তে ভেজা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি, অমর একুশের চেতনা এবং ভিনদেশী সংস্কৃতির নগ্ন আগ্রাসন - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- এমন 'ভৃত্যসুলভ' বন্ধুত্ব নয়,শক্ত প্রতিকার ও প্রতিবাদ চাই! - দূর্যোধন
- আমাদের বন্ধু 'মুগ্ধ' - রূপকথার রাজকন্যা
- যে কবিতাগুলো আমরা সবাই পড়েছি , কিন্তু আমরা ক জানি এর লেখক কে বা কোথায় এর উৎপত্তি? নস্টালজিক পোস্ট - কল্পবিলাসী স্বপ্ন
- ডিসেম্বর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন - দূর্যোধন
- সালতামামি ২০১১ : বছর জুড়ে গল্প, কবিতা ও উপন্যাস লেখা পাঠকপ্রিয় সৃজনশীল ব্লগারেরা - রেজওয়ান মাহবুব তানিম
- ফিরে দেখা ২০১১ : সামহোয়্যারইন ব্লগে সর্বাধিক মন্তব্য পাওয়া ১০২ পোস্ট - ফিউশন ফাইভ
- বৌদ্ধধর্মের প্রকৃত স্বরূপ প্রসঙ্গে - ইমন জুবায়ের
-
ই-বুক মেলা..... আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন। একদম ফ্রী
- অন্ধকারের রাজপুএ
- বাংলার এক সংগ্রামী রাখাল ছেলের গল্প - আরিফুর রহমান বাবু
- অনুবীক্ষন যন্ত্রের মাধ্যমে তোলা আমাদের দেহের ভিতরের কলকব্জার অসাধারন সব ছবি - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- গুগলবুকের তন নামায়া লন আমনের যত দরকারী বই ত্তাতাড়ি - অপটিমাস প্রাইম
- তাজমহলঃ লুকানো সত্য?? - জর্জিস
- কম্পিউটার ব্যবহার করুন মাউস ছাড়া!! - সকাল বেলার ঝিঝি পোকা
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- আমার স্বপ্নবেলা - ২ (১৮+) - রুদ্রপ্রতাপ
- হে বাংলাদেশী তরুণ কোনটা চাও? - শুভ রহমান
- ই-বুক বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- রাগিবনামা - যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ব্লগের খাতা - রাগিব
- ক্যাথেড্রাল - প্রথম পর্ব - নিথর শ্রাবণ শিহাব
- দূর্যোধনের দৃষ্টিতে অক্টোবর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন-২ - দূর্যোধন
- ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশন এবং ওষুধের বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে করুন - রাগ ইমন
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুলাঙ্গার তালিকা - মাসরুর আহমেদ
- ফিরে পান ব্রাউজারে লেখা প্রতিটি অক্ষর (ব্রাউজার ক্র্যাশ করলে/কারেন্ট গেলে/পিসি রিস্টার্ট হলেও) (সামুর অটোড্রাফট - আমি তোমার ক্ষ্যাতা পুড়াই!)
- নাফিস ইফতেখার
- কফিশপ - (প্রথম পর্ব) - রিয়েল ডেমোন
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি গণহত্যার গল্প,রাশিয়ার ক্ষমাপ্রার্থনা এবং আমাদের পাকি প্রেম। - Neelpoddo
- মিথিলা নাটক: ব্লগের কলংকিত সময়,নতুনরা জেনে নিন। ব্লগ গবেষণা:১ - সামুর পাগল
- একজন মানুষের জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আপনার কি করণীয় ? - কবি রাজ
- ড্রাগস নিয়া ব্যাপুক গবেষনা..............
- তন্ময় ফেরদৌস
- কিভাবে Free Ebook/Thesis/Article/Journal Download - স্স্পরসের বাহিরে
- কম দামে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনতে চাই। আপনাদের পরামর্শ দরকার।

- আকাশ_পাগলা
- প্রাচীন সাতটি প্রযুক্তি :আজও যা রহস্যে ঘেরা
- মামুন হতভাগা
- VLC PLAYER দিয়ে ৭ টি কাজ করা যায় যা হয়ত আপনি জানেনই না ! - ইভা লুসি সেন
-
ব্যাগভর্তি সিডনী শেলডন!!!
- রাফি মাহমুদ
- সত্যজিতের 'ফেলুদা' সমগ্র : এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সকল সিনেমা, ইবুক,কমিকস্, অডিও নাটক এর মেগা কালেকশন - মানব সন্তান
- IDM অথবা যেকোন ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে টরেন্ট ডাউনলোড করতে চান!তাহলে আসুন একটু এ দিকে

- পুশকিন
- গুগল ক্রোমের যে এডঅন আর এক্সটেনসান গুলা দেইখা ফিদা হইয়া যাবেন - নিয়নের আলো
- ফরেক্স শিখে আয় করতে চান? কাজটা কঠিন, তবে শিখতে পারলে অনেক বেশি লাভজনক। - ইশতিয়াক মাহমুদ
- আমরা যদি আমাদের পৃথিবীর জনসংখ্যা কে ১০০ জনে পরিনত করি? কি হবে?জানুন ,দেখুন, আর একটু ভাবুন। - সিস্টেম অ্যাডমিন
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- এনার্জি সেভিং বাল্ব থেকে সাবধান - শুভ রহমান
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- “ খুব পছন্দের ৫টি ইংলিশ টিভি সিরিয়াল ” - নাফিজ মুনতাসির
- ধন্যবাদ কাজী আনোয়ার হোসেনকে,আপনার কল্যানে এত বিখ্যাত সব বই আমার পড়া হয়ে গেল

- অপার্থিব ক্রিয়েশন
- গাড়ী কিনবেন বা চড়ছেন? গাড়ী ক'ধরনের ও কি কি? এসইউ ভি (SUV), সিডান, স্পোর্টস কার - পার্থক্য কি? - ডিসকো বান্দর
- ই-প্রথম আলোতে দেখুন ব্লক করা বিজ্ঞাপন আর সব খবর পড়ুন জুম করা ছাড়াই

- টেকি মামুন
- মাইক্রোএক্সপ্রেশনসঃ মনের কথা পড়ার যে বিদ্যা!! প্রথম পর্ব- মিথ্যা শনাক্ত করবেন যেভাবে... - অনিমেষ হৃদয়
- সামহয়্যার এর বইয়েরা - আদ্রিতা
- প্রিয় সামু ব্লগ, নাস্তিকতা আস্তিকতা,ক্যাচাল, নাজনীন আপা ও আমার কথা - একলা বাঁশিওয়ালা
- মেডিকাল মিথ -১, কতটুকু পানি খাবেন? - নাকিব
- সিলেটি দশ যোগ ৪ টি প্রবাদ প্রবচনের ব্যাখ্যা



গ্যানি পোস্ট
পর্ব-৩ - মুরাদ-ইচছামানুষ
- সংখ্যাতত্ত্বে অনলাইন বাংলাদেশ : ছুটছে সোশ্যাল মিডিয়া দুরন্ত গতিতে - ফিউশন ফাইভ
- অবশেষে বাংলাতে বেদ, ডাউনলোড করুন - মহান পংকজ
- পিডিএফ নিয়ে সব সমস্যার সমাধান এক পোস্টে - টেকি মামুন
- খাবার স্যালাইন তৈরীতে অবদান রাখার জন্য হেমেন্দ্র নাথ চ্যাটার্জীকে স্বীকৃতি দেয়া হোক - সরোয়ার হোসেন
- কিভাবে আমি আস্তিক হলাম। - মেহেদী পরাগ
- আজ ছিল নুহার জন্মদিন। - শাহরিয়ার নির্জন
- "আমরা ধর্ষণ চাই না, কিন্তু ধর্ষক বানাই" - ক্যাপ্টেন০৫
- কলকাতা বেড়াতে গেলে এই হোটেল গুলোতে অবশ্যই খেয়ে আসবেন। - সাহাদাত
- ডাক্তার না কি অন্য কিছু??? - আমি রাইন
- অভ্রের নতুন ভার্সনে ইউনিবিজয় ব্যবহার করবেন যেভাবে !
(জব্বর কাগুকে গদাম দেয়ার একটি সহজ তরিকা) - রিডার ওয়ান
- প্রসঙ্গ ভিকারুননিসা : প্রকৃত ঘটনাপ্রবাহ, হলুদ মিডিয়া ও আমরা ভিকিরা - রর্ঝনি৩০
- মজিলা ফায়ারফক্সের ব্যাকআপ নেওয়ার নিয়ম - অসামাজিক শাকিল
- মেডিকেল জগতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু অবিশ্বাস্য কীর্তি!!! - অনিমেষ হৃদয়
- নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা! - নীল ভোমরা
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- Portable Softwarez [কম্পিউটার চালান কোন সফটওয়্যার ইন্সটল করা ছাড়াই] - ইভা লুসি সেন
- চোখের পলকে আপনার 2D ফটোকে রুপান্তর করুন 3D ছবিতে+জেনে নিন 3D চশমা বানানোর পদ্ধতি!

- হাসান জোবায়ের
- হাজার বছর আগের বিমান।যে রহস্যের নেই শেষ। - শূণ্য উপত্যকা
- করুণার বারিতলে - ফা হ মি
- বাংলা সাহিত্যের কিছু আলোচিত উদ্ধৃতি ও রচয়িতা - কাউসার আলম
- আসুন মেডিকেলের ভেতরের কথা জানি - কর্ণেল সামুরাই
- মেহেরজান আছে!! কিন্তু রুমিকে নিয়ে সিনেমা নেই!! (Rumi - The Legend) - জিকসেস
- ব্যোমকেশ সমগ্র- (৩০টি রহস্যগল্পের ডাউনলোড লিঙ্ক / রহস্য প্রেমিদের অবশ্য পাঠ্য) - জাহাজী পোলা
- ফিরে দেখা ২০১০ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- দ্য ওরিজিন এন্ড ডেভেলপমেন্ট অফ পিছলামি (বিস্তারিত ভার্শন : উৎসর্গ নাজনীন খালা এবং মাসুদুল হক) -২ - দুরের পাখি
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমগ্র রচনাবলী অনলাইনে - বংশী নদীর পাড়ে
- মুক্তিযুদ্ধের সেই কিংবদন্তী গুলো : ইয়াহিয়া খানের সেক্স অর্গি , বোরকা পরা গেরিলা আর রাজাকারদের দ্বিচরিত্র - দাসত্ব
- শাস্ত্রীয় মৌলবাদী এবং সেক্যুলার মৌলবাদী—উভয়েই পরিত্যাজ্য! - ম্যাভেরিক
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সুকুমার রায়ের ছড়া সমস্টি। - ব্রাইট
- গুগল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি - ফিউশন ফাইভ
- বাবরি মসজিদ বিরোধ : ধর্মীয় মিথলজির রাজনীতি - অরণ্য রাখাল
- আবদুল মান্নান সৈয়দের কিছু ধর্মীয় কবিতা - মনজু মজুমদার
- যুক্তি-তক্কো-গপ্পো -৩ (কোরআনের আলোকে মানব সৃষ্টি রহস্য) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি রাজকন্যার গল্প এবং সামুর রূপকথার গল্পের সংকলন
(আপডেট হয়েছে, হচ্ছে, হবে) - কি নাম দিব
- বিবিসি ও টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বিশ্বের সেরা ১০০ টি উপন্যাস,সেরা সাইন্স ফিকশন ও নন ফিকশন - অপার্থিব ক্রিয়েশন
- মাই পেট অ্যানিম্যাল- কল্প গল্প - পারভেজ
- ভালো লাগা প্রিয় গল্প : : রূপের ডালি খেলা - মনজু মজুমদার
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- একটি মানবিক স্বপ্ন ও ৭২ বিঘার বশিপুক সাম্রাজ্য - ডলুপূত্র
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- উনিশ তত্ত্ব বিশ্লেষণ (২য় পর্ব) : অ্যানসারিং সাবমিশন ১ - মাসুদুল হক
- পান্থজনের পথপরিক্রমা - ০১ - নরাধম
- ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন: গাণতিক ভুল বনাম ভাষার মারপ্যাঁচ (উৎসর্গঃ মাসুদুল হক ও জ্বিনের বাদশা) - নাস্তিকের ধর্মকথা
বিবর্তনবাদ : কতটা বিবর্তিত
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
বর্তমান সময়ে নাস্তিকতার প্রধান ( কিংবা শক্তিশালী) বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হয়তো বিবর্তনবাদ। কেননা প্রধান-প্রমান-ধর্মগুলোর প্রত্যেকটিতে বলা হয়েছে মানবজাতি সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি, আর বিবর্তনবাদ সরাসরি এর বিরোধী। একটা সময় ছিল যখন এর ভিত্তি ছিল বস্তুবাদ , অর্থাৎ বিশ্বজগতের শুরু নেই শেষ নেই,সে সম্পর্কে ভাবাটাই অনর্থক, কিন্তু বস্তুবাদের দুর্বলতা ছিল জীবজগৎ-মানুষ কীভাবে সৃষ্টি হল সে সর্ম্পকে কোন ধারনা দেয় না, তাই যখন এর ব্যাখ্যা নিয়ে বিবর্তনবাদ এল,সাথে সাথে ধর্মবিরোধী সমাজের ভিত্তি হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠা হয়ে যায়।
বিবর্তনবাদ মিডিয়ার কল্যানে এতটা জনপ্রিয় যে বিবর্তন নিয়ে কিছুই জানেন না তারাও বলতে পারে -‘ডারউইন বলেছিল, মানুষ তো বাঁদর ছিল’ । মিডিয়ার জন্য এটা সবসময় হট টপিক। কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হল ডারউইনের সময়ের পর অনেক দিন কেটে গেছে, এরমধ্যে ডারউইনের তত্ত্বের অসারতা প্রমান হওয়ায় বিজ্ঞানীরা নিওডারউইনিসম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে -সে তত্ত্বও এখন অস্তিত্বহীনতার সম্মুখীন,প্রাকৃতিক নির্বাচনের বদলে মিউটেশন তত্ত্ব এসেছে,ডিএনএ এর মডেল আবিষ্কার হওয়ার পর পুরো ধারনা হুমকির মুখে পড়েছে,বিবর্তন মতবাদ নিয়ে অনেকের অনেক জালিয়াতি ধরা পড়েছে কিন্তু এখনো অধিকাংশ মানুষ ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস এর ধ্যান ধারণা নিয়ে বসে আছে
বিবর্তনবাদ বর্তমানে নাস্তিকতার ভিত্তি তা কেউ না মানলেও এটা না মেনে উপায় নেই এটি এর এর শক্তিশালী সাহায্যকারী ধারনা। ডারউইন যখন তার এ তত্ত্ব প্রচার করলেন তখন সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছিল স্বভাবতই সমস্ত ধর্মবিরোধী মতবাদের অনুসারীরা। মার্কসবাদ,ফ্যাসিজম,ফ্রয়েডীতত্ত্ব অনুসারীরা যেন হাতে চাঁদ পেল। একটা উদাহরনে তা ভালো বোঝা যায়-
কার্ল মার্কস তার উপর এতই কৃতজ্ঞচিত্ত ছিল যে তার সর্বোত্তম কাজ বলে বিবেচিত-দাস কাপিটাল-উৎসর্গ করেছেন ডারউইনকে।
বিবর্তনবাদ বর্তমান সময়ে যতটা না বিজ্ঞানের তারচেয়ে বেশি মিডিয়ার সম্পত্তি। এটি অত্যন্ত চটকদার,মজারু আর এর প্রভাব অপরিসীম, এটি বিভিন্ন দেশে যত দ্রুত অনুদিত হয়ে পৌছেছে তার নজির খুব কম আছে। চীনে এর প্রভাব ছিল অসীম,ইউরোপের কথা তো বলাই বাহুল্য। পরবর্তীতে এর যে বিরূপ প্রভাব দেশে দেশে পড়েছিল তাতে ডারউইনের মত জ্ঞানপিপাসু লোক যদি আগে তা আন্দাজ করতে পারত তাহলে কখনোই এরকম কোন বই লিখে যেতেন না। যুগে যুগে কোন যথার্থ প্রমান না থাকা সত্ত্বেও কিছু বিজ্ঞানী বিবর্তনবাদকে সমর্থন দিয়ে এসেছে কারন তারা জীব জগৎ সৃষ্টিতে- হয় অলৌকিক ভাবে প্রাণ সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বাস করতে হয় নইলে বিবর্তনবাদে আস্থা রাখতে হয়, তাদের ধারনা হয়তো কোন এক সময় এর প্রমান পাওয়া যাবে। এমনকি কেউ কেউ মরিয়া হয়ে মিথ্যা প্রচারণা ও কাল্পনিক চিত্র ও ধারনা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টাও করেছে( যথা- পিল্টডাউন ম্যান-যেটি বিবর্তনবাদের প্রত্যক্ষ প্রমান হিসেবে ১৯১২ সাল থেকে ব্রিটিশ মিউজিয়মে প্রায় ৪০ বৎসর প্রদর্শিত হবার পর প্রমানিত হয় এটি একটি বিরাট জালিয়াতি,নেবারাস্কা ম্যান-প্রায় ৫ বৎসর মানুষ বিবর্তনবাদের প্রমাণ হিসেবে মাতামাতি করার পর ধরা পড়ে সেটা ধোঁকাবাজী
মাইকেল ওয়াকার যিনি ইউনিভার্সিটি অব সিডনী এর নৃতত্ত্ববিদ ছিলেন ব্যাখ্যা করেছেন কেন বিবর্তনবাদ এখনো প্রচার করা হচ্ছে, তিনি ১৯৮১ সালে তার এক লেখায় বলেছেন-অনেক বিজ্ঞানী এবং টেকনোলজিষ্ট ডারউইনের থিওরী প্রমানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন তার একমাত্র কারন এটি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে দূর করার চমৎকার মাধ্যম। (১)
তাই সত্যিকার অর্থে বলা চলে ডারউইনিসম বা বিবর্তনবাদের ধারণা ধ্বংশ হয়ে গেলে ধর্মবিরোধী মতবাদ গুলো এতটা বিপত্তিতে পড়বে যে ধারণাও করা যায় না।
মিডিয়ার প্রভাবে সাধারণ লোকজন ও আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সংশ্লিষ্টতাহীন মানুষ জানে না যে শত শত বিখ্যাত বিজ্ঞানী,গবেষক রয়েছেন যারা বিবর্তনবাদকে ইতোমধ্যে অচল ও অর্থহীন বলে ছুড়ে ফেলেছেন বহু আগে । চলুন দেখি বিভিন্ন বিজ্ঞানী ও গবেষক যারা বিবর্তনবাদ নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তাদের
মন্তব্য-
১. প্রথমে দেখি বিবর্তনবাদ নিয়ে স্বয়ং ডারউইন কী বলেছেন। যারা ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস বইটা পড়েছেন তারা জানেন এ বইয়ের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ের নাম ’ ডিফিকালটিস অন থিওরী’। অর্থাৎ বিবর্তনবাদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কী কী ব্যাখ্যাতীত সমস্যা রয়েছে তা আলোচনা করেছেন। ডারউইনের আশা ছিল ভবিষ্যতে হয়তো এসব ব্যাপারের ব্যাখ্যা মিলবে, কিন্তু যতই দিন গেল এসব সমস্যা আসলে ততই প্রকট হল,সেসব সমস্যার সমাধান আজ পর্যন্ত হয় নি। ডারউইন পরবর্তীতে নিজেই উপলব্ধি করলেন তার থিওরীতে এত বিভ্রান্তি রয়েছে যে সেসব থেকে বের হয়া যাবে না, তিনি তার বন্ধুদের কাছে বিভিন্ন চিঠিতে লেখেন তিনি দিন দিন তার থিওরীর উপর আস্থা হারাচ্ছেন। ডারউইনের ছেলে ফ্রান্সিস ডারউইন ডারউইনের চিঠিপত্র সংকলন করে বই প্রকাশ করেন -লাইফ অ্যান্ড লেটারস অব চার্লস ডারউইন- সেখানে দেখা যায় অধিকাংশ নিকট বন্ধু ও বিজ্ঞানীদের কাছে লেখা চিঠিতে ডারউইন তার থিওরী নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন । তিনি হার্ভাড ইউনিভার্সিটির বায়োলজির প্রফেসর অ্যসা গ্রে কে এক চিঠিতে লেখেন-আমি চিন্তিত যে আমার কাজ গুলো সত্যিকারের বিজ্ঞান থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে। (২,৩)
২. ফ্রেঞ্চ একাডেমী অব সায়েন্স এর একসময়কার প্রেসিডেন্ট পি পি গ্রাসে বিবর্তনবাদ নিয়ে লেখা-ইভলিউশন অব লিভিং অরগানিজমস-বইয়ের লেখক, তিনি বলেছেন- আজ আমাদের কর্তব্য বিবর্তনবাদের রূপকথাকে ধ্বংস করে ফেলা..বিবর্তনবাদের এ প্রতারণা কখনো অজান্তেই হচ্ছে আবার কিছু দল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এর অবাস্তবতা অস্বীকার করছে।( ৪)
৩. এটা তাৎপর্যপূর্ণ যে ছাত্রাবস্থায় আমি যত বিবর্তনবাদের ব্যাপারে জেনেছি..এখন তার সবই তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছি।-বলেছেন প্রফেসর ডেরেক অ্যাজের , সাবেক প্রেসিডেন্ট অব ব্রিটিশ অ্যাসেসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্চমেন্ট অব সায়েন্স এবং সোয়নসী ইউনির্ভাসিটির জিওলজি ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের প্রধান। (৫)
৪. পল লেমোনি, প্যারিসের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিষ্ট্রি এর সাবেক ডিরেক্টর বলেছেন-
ইভোলিউশন থিওরী আজ পুরো পৃথিবীতে ছাত্রদের শেখানো হচ্ছে অথচ জুলজি, বোটানি প্রভৃতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ গণ এ বিষয়ে একমত যে বিবর্তনবাদের কারও কাছে কোন সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।...এর ফলাফল বলে যে ইভোলিউশন থিওরী সম্পূর্ন অসম্ভব।( ৬)
৫. কোষ জেনেটিকসের অধ্যাপক ফ্রান্সিস জ্যাকব,১৯৬৫ সালে যিনি মেডিসিনের গবেষণার জন্য নোবেল প্রাইজ পেয়েছিলেন তিনি বলেছেন- বিবর্তনের ক্রিয়ার মাধ্যমে কোন বিশেষ বিষয়ের সিদ্ধান্তে আসতে আমরা অসমর্থ।(৭)
৫. ডা. কলিন প্যার্টাসন একজন বিবর্তনবিদ এবং প্যালিয়নটোলজিস্ট ( জীবাশ্মবিদ), তিনি লন্ডন ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের কিউরেটর এবং মিউজিয়ম জার্নালের সম্পাদক, বিবর্তন নিয়ে তার লেখা একাধিক বই আছে, তার বিখ্যাত বই -ইভলিউশন। ১৯৮১ সালে তিনি তার Evolution and Creationism: Can You Tell Me Anything About Evolution? বইতে লেখেন-গত বছর আমার হঠাৎ উপলব্ধি হল গত বিশ বছর ধরে আমি বিবর্তন নিয়ে কাজ করেছি,অথচ এ নিয়ে আমার কাছে একটাও প্রমাণ নেই। এটা আমাকে হতবিহ্বল করে দিল যে কী করে মানুষ এতটা দিন ভুল পথ ধরে এগিয়েছে। পরবর্তী কয়েকসপ্তাহ আমি বিভিন্ন সভায় এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে একটি সহজ প্রশ্ন করেছি, আপনারা কেউ কি একটা কিছু বলতে পারেন বিবর্তনবাদের পক্ষে শুধুমাত্র একটা উদাহরণ কি কেউ দিতে পারেন যা সত্য। যার একটা উত্তরই আমি পেয়েছি তা হল -নীরবতা। এ প্রশ্ন আমি করেছি ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর ইভোলিউশনারী মরফোলজি সেমিনারের মেম্বারদের কাছে-অনেকক্ষণ নীরবতার পর বিবর্তনবাদ নিয়ে উচুপর্যায়ের এক ব্যক্তি বললেন-আমি শুধু আপনাকে এটা বলতে পারি এ বিষয়টা স্কুল কলেজে পড়ানো ঠিক নয়।’(তথ্যসূত্র ৮)
তথ্যসূত্র:
1.Dr. Michael Walker-Evolved Or Not, That's the Question
2.On the Origin of Species By Charles Darwin
3.N.C. Gillespie-Charles Darwin and the Problem of Creation-University of Chicago-1979
4.Pierre Paul Grassé-Evolution of Living Organisms- New York-Academic Press
5. Derek Ager-The Nature of the Fossil Record-Proceedings of the Geological Association-Vol. 87- No. 2-
6. Introduction: De (Evolution), Encyclopedie Française
7. François Jacob, Le Jeu des Possibles-The Play of Possibilities-Paris-LGF- 1986.
8. Dr. Colin Patterson-Evolution and Creationism: Can You Tell Me Anything About Evolution?-November 1981 Presentation at the American Museum of Natural History-New York City
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অ্যান্টি নাস্তিকতা, নাস্তিকতা, ধর্ম ;
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাদা কাগজ বলেছেন:
hmm
জেমসবন্ড বলেছেন:
সুন্দর লেখা । আমারও ইচ্ছা ছিলো লেখার । আর লিখলাম না ।
এ বিষয়ে আরও পাবেন ভুরি ভুরি শুধু মাত্র একটা লিংকে ...http://www.harunyahya.com/
এবং তিনি ( আদনান ওকটার) অনেক কাজ করেছেন এবং করছেন । আমি রীতিমতো উনার ভ্ক্ত হয়ে গেছি ।
পুরো ইউরোপ এবং বিশ্ব-জুড়ে তিনি প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সফলও হচ্ছেন । কামাল এর তুরস্কে তিনি ব্যাপক চিন্তাধারার পরিবর্তন ঘটাচ্ছেন এবং সেখানে মানুষ এখন দিন দিন ধর্মের দিকে ঝুকছে ।
ধন্যবাদ ।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
মাসুদ আপনাকে ধন্যবাদ। শিবিরের ক্যাডারদের মত ইউনিভারসিটির ক্লাস বন্ধ না করি্য়ে দি্য়ে আপনি তথ্য সমৃদ্ধ ও গ্রহনযোগ্য প্রসঙ্গের অবতারনা করেছেন।
বিবিধ বলেছেন:
অসাধারণ। আপনি চালিয়ে যান। আমি এগুলো প্রিন্ট দিয়ে রেখেছি। @ তথ্যসূত্র -এর নিচের ফাকা জায়গাটুকু মুছে ফেলুন দয়া করে।
ম্যাভেরিক বলেছেন:
লেখাটি খুব ভালো লাগল, স্বচ্ছ, অতিকথন বা গোঁড়ামি নেই।বিবর্তনবাদ Eugenics (সু জন্ম বা উচ্চ জন্ম) নামের এক মতবাদের মধ্য দিয়েও মানবজাতিকে মারাত্মক অপমান করেছে, হত্যা করেছে হাজার হাজার মানবসন্তান, নিশ্চিহ্ন করেছে অনেক জনগোষ্ঠি, ধর্মীয় ব্যপারগুলি বাদ দিলেও।
H. G. Wells, Woodrow Wilson, Theodore Roosevelt, Emile Zola, George Bernard Shaw, John Maynard Keynes, William Keith Kellogg, Margaret Sanger, Winston Churchill, Sidney Webb, এবং Adolf Hitler এর মত মানবকল্যানকারীরা (!) এই মতবাদের ধারক ও বাহক ছিলেন।
http://en.wikipedia.org/wiki/Eugenics
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! তথ্যটা জানানোর জন্য
ত্রিভুজ বলেছেন:
এক কথায় চমৎকার লেখা। বেশ কয়েক বছর আগে বিবর্তনবাদ নিয়ে একটা লেখা দিয়েছিলাম। ইচ্ছে ছিলো ধারাবাহিক ভাবে লিখবো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর লেখা হয়নি...- ডারউইনবাদঃ বিভ্রান্তির বেড়াজাল
...আপনার পরবর্তী লেখাগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
দিগন্ত বলেছেন:
দুঃখিত আপনার সাথে একমত হলাম না। আমি বিভ্রান্তি কাটানোর জন্য আগে লিখেছি এ নিয়ে -Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
ম্যাভেরিক বলেছেন:
বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে বিবর্তনবাদ কর্তৃক উপস্থাপিত বিখ্যাত কিছু প্রমাণের ব্যপারে এই লিঙ্কটির প্রতি আগ্রহ বোধ করছি:http://www.askdarwinists.com/
পাপী বলেছেন:
জোশিলা!! এই একটা লেখার জন্য আপনার আগের লেখাগুলো খুঁজে নিয়ে পড়ছি। দারুণ। চালিয়া যান। প্রিয়তে গেল।
পাপী বলেছেন:
আগের লেখার লিঙ্ক এই লেখাটায় দিলে ভালো হয়।
ম্যাভেরিক বলেছেন:
ধন্যবাদ, পড়ছি, কিন্তু বিবর্তনবাদ নিয়ে আর্নেস্ট হ্যাকেলের মত বিজ্ঞানীই যখন প্রতারণা করতে পারেন, এবং আরো অনেক প্রতারণার প্রমাণ আছে, তখন আপনার লিঙ্কটিকে সত্যি ভাবার মত নিরপেক্ষ সাহস আর নেই।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
এইসব কথাবার্তা হুজুরগিরি বা পুরোহিত তন্ত্র বজায় রাখার ধান্দা , নিওডারুইসমে কী কোথায় বলা হয়েছে, ডার্যুইসম একেবারে ভুল, নামটাই প্রমান। সেখানে শুধু সেটাকে আর পাকা পোক্ত করা হয়েছে। এটা একটা লেখা ড্রাফট থেকে যেমন এডিট করে করে ঠিক করে নেয়া হয়।
অবশ্য এগুলি বলা আপনাকে মানে হয় না কারন আপনারা বস্তাপচা জিনিসের মানুষকে অন্ধ করে রাখার কারবারি।
মনজু মজুমদার বলেছেন:
ভালো হয়েছে! ভালো হয়েছে! ++++++++++++++++
হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন:
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল, হুশ হুশ....
ম্যাভেরিক বলেছেন:
বিবর্তনবাদীদের বিখ্যাত কিছু প্রতারণা/hoax1. Ernst Heinrich Haeckel's forged human embryo
2. Piltdown Man
3. Nebraska Man
4. Coelacanth
5. Archaeopteryx
6. Archaeoraptor
7. Equine series
পরে বাকিগুলি বলা যাবে।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
++
ত্রিভুজ বলেছেন:
একটা ইন্টারেস্টিং আর্টিকেল পড়লাম.. সেখানে এক জায়গায় লেখা আছে-"অন্তত এটুকু জানি যে, বিংশ শতকের প্রথমার্ধের মধ্যেই বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে এবং এ নিয়ে বর্তমানে জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে কোন সংশয় নেই।"
লিংক: Click This Link
---
হা হা হা
মজা পাইতে চাইলে পড়ে দেখতে পারেন।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনার এই প্রবন্ধটি পড়ে দারুন মজা পেলাম। নির্মল বিনোদন হিসাবেই একে নিতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু আমাদের বিজ্ঞান শিক্ষার যে অবস্থা- তাতে যেকেউই এই কৌতুককে সত্য ভেবে বিশ্বাস করে ফেলতে পারে বলে ভয় হচ্ছে- তাই এরকম একটা কৌতুককেও যুক্তি-তর্কের যাঁতাকলে পড়তে হচ্ছে!! আমি দুঃখিত।
.......
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনার লেখাটির (যেহেতু যুক্তি করছি- সেহেতু লেখা/প্রবন্ধই বলছি- আপাতত আর কৌতুক বলছি না) মধ্যে যা যা আছে:
=>প্রথমেই ভূমিকাতে আছে বিবর্তনবাদ কতখানি ভুয়া- কতখানি মিডিয়ার তৈরী ইত্যাদি নিয়ে একটি জ্বালাময়ী বিবরণ- আছে বস্তুবাদী-ফ্যাসিবাদী-মার্কসবাদী নাস্তিকেরা এর মাধ্যমে কেমন চাঁদকে হাতে পেলো... ইত্যাদি।
=> এরপরে আছে- বিবর্তনবাদ প্রমাণ করা হয়েছে জালিয়াতির মাধ্যমে- সেগুলো অলরেডিই উন্মোচিত হয়েছে,
=> এরপরে আছে বিবর্তনবাদ একটা থিউরি- এটা কোনমতেই ফ্যাক্ট না: এইরকম একটা যুক্তি
=> এরপরে বিভিন্ন বিজ্ঞানীর বক্তব্য- যারা বিবর্তনবাদকে ভুল বলেছেন।
=> সবশেষে তথ্যসূত্র।
আপনার এই প্রবন্ধটি অসমাপ্ত- কারণ আপনি অন্তত দু জায়গায় পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করার ঘোষণা দিয়েছেন। জালিয়াতি নিয়ে পরে বিস্তারিত বলবেন জানিয়েছেন এবং আধুনিক বিজ্ঞান বিবর্তনবাদ নিয়ে কি বলে- সেটাও পরের পোস্টে জানাবেন বলেছেন। সেই পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম। আপাতত- এখানে যেসগুলো এনেছেন- সেগুলো নিয়েই কিছু বলা যাক.......
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নীচ থেকেই উপরের দিকে যাই......
আপনি বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কিছু বক্তব্য তুলে ধরে বিবর্তনবাদের অসারতা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। মূলত নিচের আটটি তথ্যসূত্রও সে বিষয়েরই। ২নং ও ৩ নং এ আপনি ডারউইনকেই উদ্ধৃত করেছেন- সে বিষয়ে পরে আসছি- বাকি ছয়টিতে আপনি ছয়জন বিজ্ঞানীকে রেফারেন্স হিসাবে নিয়ে এসেছেন। গুগল ও ইয়াহু সার্চ মেশিনে সার্চ দিয়ে- ৪ নং ও ৭ নং বাদে আপনার কথিত বিজ্ঞানীদের প্রতিষ্ঠিত কোন বিজ্ঞান সাইটে পেলাম না। ৪ নং হচ্ছেন গ্রাসে- আর ৭ নং এ নোবেল বিজয়ী জন্মসূত্রে ইহুদী পরে নাস্তিক বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস জ্যাকোব। এদের ব্যাপারেও পরে আলোচনা করছি।
বাকিদের সবাইকে (সাথে ২/৩, ৪ ও ৭ নং ও) পাওয়া গেলো- হারুন ইয়াহিয়ার ওয়েব সাইটে, কয়েকজনকে পাওয়া গেলো আরো কিছু বিবর্তনবিরোধী ওয়েব সাইটের প্রবন্ধে, কয়েকজনকে পাওয়া গেল- শুধু হারুন ইয়াহিয়া ও আপনার এই পোস্টে!!!!!! বুঝাই যাচ্ছে- এনারা জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং এনাদের বক্তব্যই একেকটা সায়েন্স জর্নাল স্বরূপ- এবং হারুন ইয়াহিয়ার ওয়েব সাইটই একটি সায়েন্স জর্নাল- যেখানে ঐ সমস্ত বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণালব্ধ প্রবন্ধসমূহ প্রকাশ করেছেন। যাহোক- সার্চ রেজাল্টে কি পেলাম সেগুলো একটু শেয়ার করি:
তথ্যসূত্র এক (Dr. Michael Walker, "Evolved Or Not, That's the Question," Quadrant, October, 1981, p. 45.) একদম হুবাহু হারুন ইয়াহিয়ার The Struggle Against ( http://www.harunyahya.com/struggle2.php) আর্টিকেলের The Religion of Irreligion অধ্যায়ের তথ্যসূত্রে পাওয়া যাবে। তথ্যসূত্র মিলিয়ে মাইকেল ওয়াকার সম্পর্কিত আলোচনা যেটুকু পেলাম:
Dr. Michael Walker, an anthropologist from the University of Sydney, explains why the theory of evolution is still being promoted:
One is forced to conclude that many scientists and technologists pay lip service to Darwinian theory only because it supposedly excludes a creator.5
এই লোকের রেফারেন্স আরেক জায়গায় পাওয়া গেলো: সেটা হলো খৃস্টানদের একটি ধর্মীয় ওয়েবসাইট- নাম: Chicks publications (
http://www.chick.com/bc/1987/evolution.asp) যেটি সম্পর্কে হেডিং এ বলা হয়েছে: publishing cartoon, gospel, tracts, and equipping Christians for evangelism for over 40 years.
এই ওয়েব সাইটের একটি আর্টিকেলে ডারউইনিজমকে খারিজ করার জন্য মাইকেল ওয়াকারের রেফারেন্স দেয়া হয়েছে।
কে যে কার কাছ থেকে রেফারেন্স ধার করেছে সেটা অবশ্য বুঝতে পারিনি। (তবে আপনি যে হারুন ইয়াহিয়া থেকে ধার করেছেন তা বিলক্ষণ বুঝতে পারছি)।
তথ্যসূত্র তিন (N.C. Gillespie, Charles Darwin and the Problem of Creation, University of Chicago, 1979, p. 2.) একদম হুবাহু হারুন ইয়াহিয়ার CONFESSIONS
OF THE EVOLUTIONISTS ( Click This Link) আর্টিকেলের CHAPTER I CHARLES DARWIN'S CONFESSIONS REGARDING HIS THEORY অধ্যায়ের তথ্যসূত্র থেকে পাওয়া যাবে। হারুন ইয়াহিয়ার আর্টকেলে আছে:
From a letter to Asa Gray, a close friend and Professor of Biology at Harvard University:
I am quite conscious that my speculations run quite beyond the bounds of true science
ডারউইনের এই চিঠির এই লাইন কটি- নিয়ে পরে কথা বলছি।
তথ্যসূত্র চার (Pierre Paul Grassé, Evolution of Living Organisms, New York: Academic Press, 1977, p. 8.) একদম হুবাহু হারুন ইয়াহিয়ার CONFESSIONS
OF THE EVOLUTIONISTS ( Click This Link) আর্টিকেলের CHAPTER 3. EVOLUTIONISTS’ CONFESSIONS REGARDING THE INVALIDITY OF THE THEORY OF EVOLUTION প্রবন্ধের তথ্যসূত্রে পাওয়া যাবে। তথ্যসূত্র মিলিয়ে যে আলোচনা পেলাম তা হলো:
Pierre Paul Grassé is the former president of the French Academy of Sciences and author of the book Evolution of Living Organisms. As he writes:
Today our duty is to destroy the myth of evolution, considered as a simple, understood, and explained phenomenon which keeps rapidly unfolding before us. . . .
গ্রাসেকে নিয়ে পরে আলোচনা করছি।
তথ্যসূত্র চার (Derek Ager, “The Nature of the Fossil Record.” Proceedings of the Geological Association, Vol. 87, No. 2, 1976, p. 132.) একদম হুবাহু হারুন ইয়াহিয়ার CONFESSIONS OF THE EVOLUTIONISTS ( Click This Link) আর্টিকেলের CHAPTER 3. EVOLUTIONISTS’ CONFESSIONS REGARDING THE INVALIDITY OF THE THEORY OF EVOLUTION অধ্যায়ের তথ্যসূত্রে পাওয়া যাবে। সেখানে ইয়াহিয়া লিখেছেন:
Prof. Derek Ager, who is the former president of the British Association for the Advancement of Science (and head of the department of geology and oceanography at University College of Swansea):
It must be significant that nearly all the evolutionary stories I learned as a student . . . have now been debunked.25
কোন বিজ্ঞান জার্নালে বা বিজ্ঞানভিত্তিক সাইটে এই আলোচনা পেলাম না।
তথ্যসূত্র ছয় (Introduction: De (Evolution), Encyclopedie Française, Vol. 5 (1937) p. 6.) একদম হুবাহু হারুন ইয়াহিয়ার
CONFESSIONS OF THE EVOLUTIONISTS ( Click This Link) আর্টিকেলের
CHAPTER 3.EVOLUTIONISTS’ CONFESSIONS REGARDING THE INVALIDITY OF THE THEORY OF EVOLUTION অধ্যায়ের তথ্যসূত্রে পাওয়া যাবে। সেখানে ইাহিয়া লিখেছেন:
Norman Macbeth, a Harvard-trained lawyer, has made the study of Darwinian theory his avocation for many years:
Unfortunately, in the field of evolution most explanations are not good. As a matter of fact, they hardly qualify as explanations at all; they are suggestions, hunches, pipe dreams, hardly worthy of being called hypotheses. 38
আইনবিদও এখানে বিজ্ঞানী হয়ে গেছেন!!!
যাহোক- এনাকেও কেবল কিছু বিবর্তনবাদবিরোধী সাইটেই (ইনটেলিজেন্টডিজাইন ডট কম, ডারউইন রেফুইটেড ডট কম.... প্রভৃতি) পাওয়া যায়।
তথ্যসূত্র সাত (François Jacob, Le Jeu des Possibles [“The Play of Possibilities”], Paris: LGF, 1986) একদম হুবাহু হারুন ইয়াহিয়ার CONFESSIONS OF THE EVOLUTIONISTS ( Click This Link) আর্টিকেলের
CHAPTER 4. EVOLUTIONISTS’ CONFESSIONS THAT THEY ESPOUSE THE THEORY FOR IDEOLOGICAL REASONS অধ্যায়ের তথ্যসূত্রে পাওয়া যাবে। সেখানে ইয়াহিয়া সাহেব লিখেছেন:
François Jacob is Professor of Cell Genetics and winner of the 1965 Nobel Prize for Medicine:
All these debates raise serious questions, heading the list of which is; is it really possible to develop a concept of evolution independent of biologists’ preconceptions? 45
এই বিজ্ঞানীর এই কমেন্টখানির আগপিছের আলোচনা খুজছি। উইকিপিডিয়া ( Click This Link) সহ এখন পর্যন্ত যতখানি পড়েছি- বিবর্তনবাদবিরোধি বলে মনে হয়নি। যাহোক- পরে আলোচনা করবো....
তথ্যসূত্র আট-ও (Dr. Colin Patterson, “Evolution and Creationism: Can You Tell Me Anything About Evolution?”November 1981 Presentation at the American Museum of Natural History, New York City) একদম হুবাহু হারুন ইয়াহিয়ার CONFESSIONS OF THE EVOLUTIONISTS ( Click This Link) আর্টিকেলের CHAPTER 3. EVOLUTIONISTS’ CONFESSIONS REGARDING THE INVALIDITY OF THE THEORY OF EVOLUTION অধ্যায়ের তথ্যসূত্রেই পাওয়া যাবে। সেখানে ইয়াহিয়া বলেছেন:
Dr. Colin Patterson is an evolutionist paleontologist and curator of London’s Natural History Museum, editor of the museum’s journal and author of the book Evolution:
Now, one of the reasons I started taking this anti-evolutionary view—well, let’s callt non-evolutionary—was [that] last year I had a sudden realization. For over twenty years, I had thought that I was working on evolution in some way. One morning I woke up, and something had happened in the night, and it struck me that I had been working on this stuff for twenty years, and there was not one thing I knew about it. That was quite a shock, to learn that one can be so misled for so long. . . So for the last few weeks, I’ve tried putting a simple question to various people and groups of people.
The question is this: ‘Can you tell me anything you know about evolution, any one thing, any one thing that you think is true? Is there one thing you can tell me about evolution?’ I tried this question on the geology staff at the Field Museum of Natural History and the only answer I got was silence. I tried it on the members of the Evolutionary Morphology seminar in the University of Chicago— a very prestigious body of evolutionists—and all I got there was silence for a long time. But eventually one person said, ‘I do know one thing—it ought not to be taught in high school.’31
কলিন প্যাটারসনকে বিশাল কলেবরে কোট করেছেন জনাব ইয়াহিয়া। ফলে- এই কলিন প্যাটারসনকে নিয়েও একটু বেশী করেই বলতে হবে। তবে এটাও ঠিক যে- এই কথাগুলো ইয়াহিয়া ও বিভিন্ন বিবর্তনবাদ বিরোধী সাইটে কোটেড হতে দেখা যায়।
=============>>>>>>>>>>>>>>>
সুতরাং- এটা মোটামুটি পরিষ্কার যে- আলোচ্য পোস্টখানি পুরোটাই হারুন ইয়াহিয়ার আর্টিকেলের অনুকরণে লেখা। এবং বুঝাই যাচ্ছে- হারুন ইয়াহিয়া থেকে বিবর্তনবাদকে বুঝতে গিয়েই পোস্টলেখক ভুলের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন- অন্যদেরও বিভ্রান্ত করেছেন।
তবে- মজার বিষয় হচ্ছে- পোস্টলেখক হারুন ইয়াহিয়ার কথা পুরো পোস্টে একবারো উল্লেখ করেননি। তথ্যসূত্র হিসাবে উল্লেখ করেছেন আটজনের বই এর নাম- তবে আমি নিশ্চিত তথ্যসূত্রের রেফারেন্সগুলো লেখকের পড়া না- তিনি কেবল, ইয়াহিয়ার লেখা থেকে সেগুলো মেরে দিয়েছেন।
যাহোক- পরের অংশের আলোচনায় যাই.......
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
যেহেতু পুরো লেখাটি হারুন ইয়াহিয়ার- সেহেতু পরবর্তীতে "আপনি" উল্লেখ না করে "হারুন ইয়াহিয়া" উল্লেখ করবো....
আপনার ২ ও ৩ নং তথ্যসূত্রে দেখা যাচ্ছে হারুন ইয়াহিয়া সাহেব বিবর্তনবাদকে খারিজ করতে গিয়ে খোদ ডারউইনকেই ব্যবহার করেছেন!!!! এটা মিথ্যাচারের চরম ও জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ। চার্লস ডারউইন কখনোই বিবর্তন নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেননি। ১৮৩৯ সালেই বিগল জাহাজে করে তার সেই বিখ্যাত ভ্রমন শেষেই তিনি জীবজগতের বিবর্তন নিয়ে নিসন্দেহ হন, কিন্তু তখনই এটি প্রচার করা থেকে বিরত থাকেন কেননা তিনি জানতেন এর প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে। আর সে কারণেই যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ, নানাবিধ ফ্যাক্টস সংগ্রহ করতে থাকেন প্রায় ২০ বছর ধরে। অবশেষে ১৮৫৯ সালে এসে তিনি বিখ্যাত অরিজিন অব স্পিসিস বইটি প্রকাশ করেন। যথারীতি নানা ঝড় ঝাপটা নেমে আসে, সবকিছু তিনি তার বন্ধু হাক্সলি অবিচল মোকাবেলা করেন। বিবর্তনবাদ নিয়ে কোন প্রকার সন্দেহ থাকলে তারা এসব মোকাবেলা করতে পারতেন কি?
এখন- সেই দেড়শ বছর আগে- ডারউইনের কিছু উপাত্ত গত সীমাবদ্ধতা ছিল- সেই সাথে সে সময়ে জ্বিন আবিষ্কার হয়নি- ফলে কিছু প্রশ্নের জবাব তিনি সে সময়ে জানতেন না। সেগুলোই তিনি ঐ বইয়ের একটি অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করেন। মজার বিষয় হচ্ছে- জ্বিন আবিষ্কৃত হওয়ার পরে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। আজ তো মিসিং লিংক গুলোও প্রায় সব পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু সে সময়ে এগুলোর অভাববোধের কথাই অনুভূত হয়েছে।
আর, আসা গ্রে কে লিখা চিঠি দিয়ে ডারউইনের সন্দিহান হওয়ার যে সিদ্ধান্ত টেনেছেন সেটাও বড় মিথ্যাচার। কেননা:
=>> গিলেস্পি'র বইটিতে ২য় পৃষ্ঠায় এরকম কোন আলোচনা নেই, আছে- ৬৩ নং পৃষ্ঠায়- সেটি আসলে ৬২ নং পৃষ্ঠায় শুরু হওয়া একটি প্যারার কনটিনিউশনে।
=>> আসা গ্রে কে পত্রটি লেখা হয়েছে ১৮৫৭ সালে, অরিজিন অব স্পিসিস প্রকাশের আগেই। ফলে- হারুন ইয়াহিয়ার উল্লেখিত সিকোয়েন্সটি (ঐ বই এর একটি অধ্যায়ে ডিফিকাল্টিস অব থিউরি নিয়ে লিখেছেন- তার আশা ছিল পরে এসবের ব্যাখ্যা মিলবে- যেহেতু পরে ব্যাখ্যা মিলেনি- তিনি নিজেই সন্দিহান হয়ে পড়েন ও হতাশা জানিয়ে বন্ধুদের পত্র লিখেন!!) বানোয়াট।
গিলেস্পির আলোচনাটি এবারে দেখা যাক:
Darwin's application of these principles to particular scientific problems seems to have taken shape in the early period of his species work and to have changed little in later years. Surrounded by "inductionists," he was not always confident of the propriety of his practice. Thomas Kuhn has remarked that "all crises begin with the blurring of a paradigm and the consequent loosening of the rules for normal research." In the present case, those who drifted away from special creation also showed a tendency to abandon "induction" as normal scientific method. Darwin embodied the innovative use of "hypothesis" at its best, but he never fully accepted its philosophical implications, nor did he completely overcome the inhibitions of one who knew that he was innovating and necessarily violating the supposed Baconian methodological canons of his time: "I am quite conscious," he wrote to Asa Gray on the eve of the publication of the Origin, "that my speculations run quite beyond the bounds of true science."When [it was reported that John Stuart Mill had characterized the Origin of Species] as being "in the most exact accordance with the strict principles of logic (and that) the method of investigation (was) the only one proper to such a subject," Darwin was relieved. ... [H]e suffered much at the hands of mathematicians, who usually, like so many of his critics, approached the Origin as if it were a proof of evolution, which of course it was not. Its supporters, on the other hand, commonly viewed it correctly as a hypothesis, based on plausibly ordered evidence and heuristic in purpose.
For Darwin, then, explanatory theory was equally as important in scientific inquiry as fact-gathering, and the test of the truth of a theory was its ability to group facts under a single generalization. "I believe in the truth of the theory [of natural selection], because it collects under one point of view, and gives a rational explanation of, many apparently independent classes of facts," he wrote in 1868. It seemed incredible, he told Hugh Falconer, that "a false theory would explain, as it seems to me it does explain, so many classes of facts." ... Again, following the principles of positive science, the explanation had to be within the bounds of natural causation and had to employ causes and processes known or believed on good evidence to occur. Any hypothesis that met these two criteria could be held provisionally as work went on, and then modified if necessary. ... Natural selection, he thought, met both criteria; special creation met neither. It merely verbally accounted for species; it "explained" nothing.
-------------->>
পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে- গিলেস্পিও এখানে দাবি করেননি যে- বিবর্তনবাদ নিয়ে ডারউইনের সামান্যতম সন্দেহ আছে। এখানে তিনি ট্রাডিশনাল "ট্রু সায়েন্স" নিয়ে ডারউইনের কিছু দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আলোচনা করেছেন।
যাহোক- আসা গ্রে'র কাছ থেকে কিন্তু ডারউইন অনেক উপকৃত হন- আসা গ্রে'র পাঠানো স্যাম্পল তার ন্যাচারাল সিলেকশন থিউরির পক্ষে বেশ সাহায্য পান। ডারউইনের মূল চিঠিটি দেখি ও আসা গ্রে'র জবাবটি দেখি:
My dear Dr. Gray
I must thank you for your two very valuable letters. It is extremely kind of you to say that my letters have not bored you very much, & it is almost incredible to me, for I am quite conscious that my speculations run quite beyond the bounds of true science. [পত্রের পরবর্তী অংশ জুড়ে তিনি উদ্ভিদের "disjoined species" নিয়ে আলোচনা করেন]
I inferred that genera & Families with very few species (i.e. from Extinction) would be apt (not necessarily always) to have narrow ranges & disjoined ranges. You will not perceive, perhaps, what I am driving at & it is not worth enlarging on, but I look at Extinction as common cause of small genera & disjoined ranges & therefore they ought, if they behaved properly & as nature does not lie to go together!
জুলাই ৭, ১৮৫৭ এ আসা গ্রে'র জবাব:
I accept [extinction] as best explaining disjoined species. I see that the same cause must have reduced many species of great range to small, and that it may have reduced large genera to so small, and of families. But why is it not just as likely that there were as many small genera (nearly) at first as now, and as great a disproportion in the number of their species? . . . Is it philosophical, is it quite allowable, to assume (without evidence from fossil plants) that the family or any of the genera was once larger and wide spread? and occupied a continuous area?
সুতরাং এসবই হচ্ছে ডারউইন ও আসা গ্রে এর আলোচনার বিষয়- মোটেও ওনারা ঐ চিঠিতে বিবর্তনবাদ নিয়ে কথা বলছিলেন না। my speculations কে যদি তার বিবর্তনবাদ বা ন্যাচারাল সিলেকশন থিউরি হিসাবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়- তবে সেটার মত বড় মিথ্যাচার আর কিছুই হয় না।
বেশী কিছু বলার দরকার নেই। উৎসাহীরা নীচের লিংকটি দেখতে পারেন। (সেখানে এরকম আরো কিছু মিথ্যার জবাব দেয়া হয়েছে):
Click This Link
আর, এই টক অরিজিন নামক সাইটটি সম্পর্কেও একটু খোঁজ নিয়েন- মানে এখানে কারা লিখে এ সম্পর্কে।
লেখক বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা,ভালো লাগলো আপনি এই আলোচনায় এসেছেন।
তবে আপনার তথাকথিত যুক্তিবাদী চেহারা থেকে যে উকিল টাইপ ভাবমূর্তি দেখে কিছুটা হতাশ হয়েছি। পুরো যে আলোচনা করলেন তার মূল কথাটি কী তা পরিষ্কার না হলেও বুঝতে পারছি আপনার পয়েন্ট হল-
১.হারুন ইয়াহিয়ার কাছ থেকে তথ্য নিয়েছি তা আপনার হজম করতে কষ্ট হচ্ছে এবং এটা আবিষ্কার করে আপনি যারপরনাই আনন্দিত হয়েছেন।
আমার জবাব: বিবর্তনবাদ নিয়ে অনেক বিজ্ঞানীদের আপত্তি আছে, বিবর্তন যারা সাপোর্ট করে তারাও এটা মানতে বাধ্য। আমার যখন সেসব বিজ্ঞানীদের নাম প্রয়োজন হল তখন সার্চ করতে গেলে এর বিরোধী সাইট গুলোতে তাদের নাম পাওয়াটা সহজ মাধ্যম। হারুন
ইয়াহিয়া, মরিস বুকাইলি সহ আরও অনেকের এ সম্পর্কিত কিছু কাজ রয়েছে, যা আমার আগেই পড়া ছিল। যখন ভালো একটা লিস্টের দরকার হল তখন স্বভাবতই তাদের কাজ ঘেঁটে দেখতে হয়েছে।
আপনি মন্তব্য করেছেন কই আমি তো হারুন ইয়াহিয়ার নাম উল্লেখ করলাম না। এরকম শিশুতোষ মন্তব্য আমি আশা করিনি। আপনার কথামত আমি যদি কখনো নিউটনের সূত্র আলোচনা করি তাহলে আমাকে প্রথমে আমাকে আমার সেই স্কুল শিক্ষকের নাম উল্লেখ করতে হবে যে আমাকে সেগুলো শিখিয়েছে বা সেই মাধ্যমিক স্তরের বিজ্ঞান বইয়ের লেখকের নাম উল্লেখ করতে হবে । তাছাড়া আমি চট করে কোন সাইটের নাম বলতে পারি না যতক্ষণ না আমি পুরোপুরি ণিশ্চিত না হই যে তার প্রতিটিই সত্য। যতটুকু আমি নিশ্চিত হয়েছি ততটুকুই উল্লেখ করেছি ।
আপনার ধারনা আমি রেফারেন্স গুলো পড়িনি। এরকম মহান ধারনা পোষণ করার কারন অন্তত আপনার থাকবে তা আশাতীত নয়। কারন জ্ঞানী ভড়ং ধরা মানুষের একটা কমন সমস্যা হল আমি যেহেতু এইটা করি অন্যরাও তা করে ণিশ্চয়( আমি বলছি না আপনি সেরকম, কারন আন্দাজে আপনার মত আপনার সম্পর্কে মন্তব্য করতে পারি না) । হতে পারে আমি সুবিধার জন্য এমন একটি উৎস নিয়েছি যেখানে এর একটা ভালো কালেকশন আছে তবে আপনার অবগতির জন্য বলি যে রেফারেন্স গুলো দিয়েছি তা প্রত্যেকটা নিশ্চিত হয়েই দিয়েছি। এছাড়া আরও কিছু ভালো উৎস রয়েছে যা পরবর্তীতে দিলে আপনি তার উৎস নির্ণয় করে আবার একটু ক্রেডিট নিতে পারবেন। একটা কথা আপনাকে বলি, রেফারেন্স গুলো সার্চ ইনজিনে বসালে এসব উৎস পেতে বেগ পেতে হয়না , সেটা ভালোই জানি ।তবে এটা আবিষ্কার করে আপনি যতটা আনন্দিত হয়েছেন তা দেখে ভালই লাগছে-অন্তত কাউকে সামান্য আনন্দ দিতে পেরেছি ।
২.আপনার কমেন্টের আর একটা দিক উল্লেখযোগ্য । ছোটবেলা যখন সত্যজিতের শঙ্কু পড়তাম তখন.দেখতাম সত্যজিত কিভাবে আমাদের গল্পে টেনে রাখছে। শঙ্কুর দিনপজ্ঞির শুরুতেই এমন সব কথা থাকত যে গল্প পড়ার আগেই গল্পের প্রতি ভক্তি চলে আসত। যেমন আজকে যে ঘটনা ঘটেছে তা আমার জীবনে ঘটা সবচেয়ে অবিশ্বাস্য ঘটনা...স্বভাবতই তা পাঠক সম্মোহনকারী।
নাস্তিকের ধর্মকথার বক্তব্য পড়েও সেরকম মনে হল। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতে আমার লেখা ব্যবচ্ছেদ করে , কৌতুকের সাথে তুলনা করে যে মনোকাড়া এক ভূমিকা দিয়েছেন তাতে আমারই বেশ আগ্রহ হয়েছিল তার পরবর্তী বক্তব্যের প্রতি। পরে তিনি তার ভূমিকা প্রমানের জন্য ঘুরে ফিরে একটা কথাই বলার চেষ্টা করেছেন, আমি অমুক সাইট থেকে মারিং করেছি, হুহু বাবা এতেই প্রমাণ হয়ে গেল এটি অসার।
আরে ভাই আসল কথায় আসেন, বিবর্তনবাদ যে সর্বজন স্বীকৃত নয় সেটার জন্যই এত জনের উক্তি দেয়া,আপনি বড়জোড় দুই এক জনের ক্ষেত্রে বলতে পারবেন এরা ওয়েলনোন না, কিন্তু আপনি কখনোই প্রমাণ করতে পারবেন না তাদের কথা মূল্যহীন,এদের অনেকে বিবর্তন নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। আর এগুলো তো কিছুই নয় কারও বক্তব্য দিয়ে তো কিছু প্রমাণ হয় না, এটা শুধু একধরনের ধারনা যে ব্যাপারটা অতটা বৈজ্ঞানিক নয় যতটা ভাবা হয়।
আর কমেন্ট করার সময় ওইসব মনকাড়া ভূমিকা টুমিকা বাদ দিয়ে টু দি পয়েন্ট কথা বলবেন এই আশা।
৩. ৩৩ নং পোষ্টে নতুন কিছু কথা বলেছেন, পড়ে ভালো লাগলো। যেমন-
জ্বনি আবষ্কিৃত হওয়ার পরে অনকে কছিু পরষ্কিার হয়ে যায়। আজ তো মসিংি লংিক গুলোও প্রায় সব পাওয়া গয়িছে।ে কন্তিু সে সময়ে এগুলোর অভাববোধরে কথাই অনুভূত হয়ছে।ে
ব্যাপারটা আপনি গুলিয়ে ফেলেছেন, জিন এবং মিসিং লিঙ্কস এখন পর্যন্ত বিবর্তনবাদের একটি বড় সমস্যা। পরে এ বিষয়ে আসছি
আসা গ্রের যে চিঠির কথা বলেছি তা আমি পড়েছি, আপনি চিঠি পুরোটা দিলেন না কেন?আপনার বক্তব্য দুর্বল হবে সে জন্য,disjoined species তো বিবর্তনের মধ্যেই আলোচিত হয়,একটা বিষয় লখ্য রাখবেন,ডারউইনের চিঠি দেয়ার অর্থ হল ডারউইনের নিজে দ্বিধা দ্বন্ধে ছিল তা প্রমাণের জন্য এজন্য না যে ডারউইন যা বলেছে তাই ধ্র“ব সত্য বলে মানব। পুরো চিঠি-
Letter — Darwin, C. R. to Gray, Asa, 18 June [1857]
My dear Dr. Gray
I must thank you for your two very valuable letters. It is extremely kind of you to say that my letters have not bored you very much, & it is almost incredible to me, for I am quite conscious that my speculations run quite beyond the bounds of true science. One chief object of this note is to say that I have not received the last part of your Silliman Papers: Hooker has, & he says he will lend it me, if, as is very likely, you have not another copy. But it may come with the Watson correspondence.— Your remarks on that head will be of real use to me, when I return to the subject, for a man must be blind not to see how cautious a reasoner you are.
Thank you much for your remarks on disjoined species: I daresay I may be quite in error: I saw so much difficulty even theoretically & so much impossibility practically from my ignorance, that I had given up notion till I read your note to your Article. I had only just copied out a few striking cases out of Hooker's Him: Journal & turned to Steudel to see what the genera were. The notion was grounded on the belief that disjoined species had suffered much local extinction & therefore (conversely with the case of genera with many species having species with wide ranges.) I inferred that genera & Families with very few species (ie from Extinction) would be apt (not necessarily always) to have narrow ranges & disjoined ranges. You will not perceive, perhaps, what I am driving at & it is not worth enlarging on,—but I look at Extinction as common cause of small genera & disjoined ranges & therefore they ought, if they behaved properly & as nature does not lie to go together!—
I have not the least doubt that the proportions of British naturalised plants were due to simple chance; but I thought it was just worth mentioning to you: I had from your former Edition of Manual quite given up idea.—
It has been extremely kind of you telling me about the trees: now with your facts, & those from Britain, N. Zealand, & Tasmania, I shall have fair materials for judging I am writing this away from home, but I think your fraction of 95132 is as large as in other cases, & is at least a striking coincidence.—
I thank you much for your remarks about my crossing notions, to which I may add, I was led by exactly the same idea as yours, viz that crossing must be one means of eliminating variation, & then I wished to make out how far in animals & vegetables this was possible.— Papilionaceous flowers are almost dead floorers to me, & I cannot experimentise as castration alone often produces sterility. I am surprised at what you say about Compositæ & Gramineæ. From what I have seen of latter they seemed to me (& I have watched Wheat owing to what L. Deslongchamps has said on their fertilisation in bud) favourable for crossing; & from Cassini's observations & Kölreuters on the adhesive pollen & C. C. Sprengels', I had concluded that the Compositæ were eminently likely (I am aware of the pistil brushing out pollen.) to be crossed. If in some months time you can find time to tell me whether you have made any observations on the early fertilisation of plants in these two orders, I shd be very glad to hear, as it wd. save me from great blunder. In several published remarks on this subject in various genera it has seemed to me that the early fertilisation has been inferred from the early shedding of the pollen, which I think is clearly false inference. Another cause, I shd. think, of the belief of fertilisation in the bud, is the not-rare abnormal early maturity of the pistil, as described by Gærtner.— I have hitherto failed in meeting with detailed account of regular & normal impregnation in the bud.— Podostemon & Subularia under water (& Leguminosæ) seem & are strongest cases against me, as far as I as yet know.
I am so sorry that you are so overwhelmed with work; it makes your very great kindness to me the more striking. Believe me, Your's gratefully | C. Darwin
It is really pretty to see how effectual insects are: a short time ago I found a female Holly 60 measured yards from any other Holly & I cut off some twigs & took by chance 20 stigmas, cut off their tops & put them under microscope: there was pollen on every one & in profusion on most! Weather cloudy & stormy & unfavourable, wind in wrong direction to have brought any.
অরিজিন অব স্পিসিস প্রকাশের পর ১৮৬০ সালের ২২ মে,সে তারিখে ডারউইন আসাগ্রেকে লিখেছিলেন,
My dear Gray.
Again I have to thank you for one of your very pleasant letters (of May 7th), enclosing a very pleasant remittance......Judging from letters (& I have just seen one from Thwaites to Hooker) & from remarks, the most serious omission in my book was not explaining how it is, as I believe, that all forms do not necessarily advance,—how there can now be simple organisms still existing.— The article in Med. & Chirurg. Review is by Carpenter. I would send Pictet's, if you cannot see it, but I shd. require it back.— Sedgwick has been firing broadsides into me, but exclusively on geological grounds.— Prof. Clarke of Cambridge says publickly that the chief characteristic of such books as mine is their ``consummate impudence''. .....
লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম এগেইন।!
কলুর বলদ বলেছেন:
ভাইজান জাকির নায়েক সাহেবের সাথে কি হারুন সাহেবের কোন খাতির আছে কইতে পারেন?আফনে যেইসব বিজ্ঞানীদের নাম দিছেন একি পেচাল জাকিরও পাড়ছে আর হারুন সাহেবও পাড়ছে...
এইখানে একটু ঢুঁ মাইরা আসেন ভাইজান
সময় থাকলে এইবইটা একটু পড়েন...সহজভাবে অনেককিছু লেখা আছে....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , লিঙ্কগুলি দেয়ার জন্য।
বলেছেন, ""আফনে যেইসব বিজ্ঞানীদের নাম দিছেন একি পেচাল জাকিরও পাড়ছে আর হারুন সাহেবও পাড়ছে...""
ভাই কে কি বলেছে সেটা জেনে আর কি হবে, আমি কি বলেছি সেটাই যাচাই করে দেখুন না হয়!
বইয়ের লিঙ্কটা দেখে খুব বেশি ভরসা পেলাম না,এ ধরনের বই আগেও পড়েছি, অনেক তথ্য বিভ্রান্তি থাকে, কিছু বই আছে রীতিমত সায়েন্টিস দের লেখা,যদিও আনেক আগের বই সেগুলো, রাশিয়ান কিছু এমন বই আছে, আপনি চাইলে হয়তো কয়েকটা বইয়ের নাম (বইগুলো দেশেই পাবেন)আপনাকে যোগাড় করে দিকে পারি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে যা হয়েছে বইগুলো তথ্যগত ভুল পরে বের হওয়ায় অসার প্রমাণিত হয়েছে।
যাই হোক আর কিছু বলছি না, বইটা পড়ার পর কমেন্ট করার ইচ্ছা রইল।
মামুন মোর্শেদ খান বলেছেন:
বিজ্ঞান চিরকালই অনুসন্ধিৎসু। অনুসন্ধানের আগে বাস্তবসম্মত অনুসিদ্ধান্ত দাঁড় করানো হয়, পূর্ব-নির্ধারিত কিছু সিদ্ধান্ত নয়।আমার মনে হয় লেখক অনুসন্ধানের আগেই এই সিদ্ধান্ত আঁকড়ে ধরে বসে আছেন যে,"সাত আসমানের উপর ইয়া মোটা-তাজা বিশাল বপু কেউ একজন তারই সৃষ্ট এতো বড় মহাবিশ্ব-গ্যালাক্সি-নভোমন্ডল ফেলে ঘুম নাই খাওয়া নাই দিন-রাত ২৪ ঘন্টা বসে বসে এই ক্ষুদ্র পৃথিবীর নাফরমান-পাপী বাসিন্দা মনুষ্য প্রজাতির উপর নজরদারী করে বেড়াচ্ছেন(তদুপরি দুই কান্ধে দুইটা স্পাই বসায় রাখছেন), সময়ে সময়ে যে ব্যক্তি(?) পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আবার মাঝে মধ্যে (চেতলে) মহা পরাক্রমশালী, যখন ইচ্ছা তখন আকাশ থেকে দয়া করে তরতাজা এক-একখান কোরান-বাইবেল ফেলে দেন ইতর মনুষ্য প্রজাতির হেদায়েতের জন্যে, আবার তাতে কাজ না হইলে সমগ্র সম্প্রদায়-সমেত ভূমিখানা কড়াইয়ে ভাজা ডিমের মতো আস্তে করে উল্টায় দেন(!)"।
আশা করবো লেখক হারুন ইয়াহিয়া-জাকির নায়েকের ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে এসে আলোর পথের যাত্রী হবেন।
"হে পরম করুণাময়, ঠিক এই মুহুর্তে তোমার একখানা হেদায়েত মনুষ্য প্রজাতির জন্যে খুবই জরুরী।"
মামুন মোর্শেদ খান বলেছেন:
ও...ভুল বললাম....তিনি তো আবার ১৪০০ বছর আগে খতমে নবুয়তের সিল মাইরা হেদায়েত পাঠানো বন্ধ কইরা দিছেন।
সিংহ বলেছেন:
Ken Miller er seminer ta dekhte paren. Onek Kichu clear hoy. Second part e Muslims, Harun Yahya Ebong Muslim history niye ekta sundor kotha bolechen.Click This Link
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আচ্ছা দেখছি ।
শাকিউল রানা বলেছেন:
মাসুদুল হককে ধণ্যবাদ দারুন একটি লেখার জন্য। পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রানা!
অচেনা মন বলেছেন:
দারুন পোস্ট। মাসুদ ভাই কে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ অচেনা মন।আপনার নিকটা সুন্দর, আমাদের মনটা আসলেই মাঝেমধ্যে নিজেদের কাছেই অচেনা হয়ে উঠে।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
উফ! আপনারই খোঁজে ছিলো বাংলাদেশ। তা, দেরি করছেন কেন? একটা জার্নালে এই লেখাটাই ইংরেজি করে পাঠিয়ে দিন। বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল (!) হবে যে প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো তত্ত্বকে একজন ভুল প্রমাণ করে দিয়েছেন।ভালো কথা, ভুল প্রমাণ করলে সঠিকটা কি সেটাও বলতে হয়। তা আপনি প্রাণের উৎপত্তি বিষয়ে কোন তত্ত্বকে সত্য মানেন? ধর্মগ্রন্থেরটা? নাকি নিজেই গবেষণা করে বানিয়েছেন কিছু একটা।
তাড়াতাড়ি বলেন, তর সইছে না যে!
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রথমত, আপনার অ্যাপ্রোচ ভাল লাগলো না, কমেন্ট করার আগে আপনার ব্লগ থেকে ঘুরে আসলাম, দেখলাম সেলফিশ জিন অনুবাদ করছেন, ভাল উদ্যোগ, নিশ্চয়ই সাধুবাদ জানানোর মত। সে আত্মবিশ্বাসেই কি ব্যঙ্গ কমেন্ট করলেন???
বিবর্তনবাদ নিয়ে আমার যে কথাগুলো বলার ছিল সেটার আগ্রহ সত্যিকার অর্থে অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছি, কারন ব্লগে আস্তিক নাস্তিক দুপক্ষই যখন ভেবে বসে আছে বিবর্তনবাদ হল ধর্ম রক্ষার বা ধর্ম বিলোপের প্রধান হাতিয়ার, তাই যখন শুধুমাত্র এইটা নিয়েই দুপক্ষই ধুমায়া পোষ্ট দিতে থাকে তখন নীরব দশর্ক হওয়াটাই শ্রেয় মনে করি, মাঝে মধ্যে আজিজে গিয়ে যখন লিটলম্যাগ গুলার পাতা উল্টাই তখনও দেখি একই কাহিনী, বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার যে বিবর্তনবাদ তা প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের চোখের জল নাকের জল যে একসা হয়ে যাচ্ছে তা টের পাই...অনেককে দেখি বিবর্তন বাদ নিয়ে ভারী ভারী পোষ্ট দিচ্ছে তাদের মলিকুলার বায়োলজির সাধারণ জ্ঞানটুকু আছে কিনা তা নিয়ে আমার ঘোর সন্দেহ হয় যখন লেখা পড়ি...আমার বিশ্বাস এদের যদি জিজ্ঞেস করি সাধারণ রেপ্লিকেশন ক্যামনে হয় তাহলেও তার নেট ঘাইটা কিছু একটার অনুবাদ কইরা দিব...
আমার এই লেখার বক্তব্য ছিল বিবর্তনবাদ সেই আগরেটা নাই, ডারউইনের বিবর্তনবাদের অনেক কথার সাথে বহু বিবর্তনবাদীদেরই আপত্তি আছে সেটার কিছু উদাহরণ দিয়েছি...তারমানে এই নয় বিবর্তনবাদ আমি রিজেক্ট করেছি, আমি শুধু বলতে চেয়েছি এই যে ধর্মের বিরুদ্ধে এর অবস্থান নিয়া সবার যে বাগাড়ম্বরতা সেটা নিয়ে...
না জেনে থাকলে হয়তো ভূত দেখার মত চমকে উঠবেন যে বিবর্তনবাদ ডারউইনের বহু আগে (প্রায় ৮০০ বছর) মুসলিম বিজ্ঞানীরাই প্রথম প্রস্তাব করেন...
তাড়াতাড়ি বলেন, তর সইছে না যে - তাই সংক্ষেপে বল্লাম, ভবিষ্যতে আপনার সাথে আরো আলোচনার ইচ্ছা রইল।।
রাতমজুর বলেছেন:
আরেকজন ব্লগারকে বলা আপনার এই কথাটা আমাকেও চমকে দিচ্ছে"না জেনে থাকলে হয়তো ভূত দেখার মত চমকে উঠবেন যে বিবর্তনবাদ ডারউইনের বহু আগে (প্রায় ৮০০ বছর) মুসলিম বিজ্ঞানীরাই প্রথম প্রস্তাব করেন..."
৮০০ বছর আগের মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম, কাজের বর্ননা এসব একটু বলবেন? রেফারেন্স হিসাবে লিংক দিলেও চলবে, আমি বাকিটা খুঁজে নেব।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
এ সম্পর্কে প্রথম ধারনা দেন আল জাহিয (৭৪৬-৮৬৯) বইয়ের নাম কিতাব আল হায়ানাত
বিবর্তনবাদে বানর জাতীয় প্রানীকে মানুষের আগের স্তরের তা বর্ণনা করেন Ibn Maskawaih (৯৪২ –১০৩২ CE)
রেফারেন্স লিংক আপাতত দিতে পারছি না, আপলোড করে হয়তো পরে দিতে পারব।।
বাংলার ছেলে আমি বলেছেন:
নাস্তিক গুলার সবকটির মাথামোটা । এরা না বুজে শুনে দেখে হুদাই ফাল পারে । এদের বুঝা উচিত যে ডারউইন এর এই বান্দর থিউরি আসলে একটি সাধারন মানের থিউরি । এটি বিজ্ঞান দারা প্রতিষ্টিত কোন সত্য নয় । মাথামোটাদের মাথায় এই সাধারণ জিনিসটাই ডুকে না ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















http://strugglesforexistence.com/