আমার প্রিয় পোস্ট
- মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায় : বিনয় মজুমদারের প্রতি অর্ঘ্য - নাবিক হ্যাডক
- কবিতা থেকে গান: অপলাপ - ইমন জুবায়ের
- গান: ঘুমন্ত শহরে ছোট্ট নদী ডাকে না - স্বদেশ হাসনাইন
- উগড়ে দিলাম কিছু কবিতা - মিরাশদার১০
- কেউ এসে চলে গেছে - আন্দালীব
- স্বপ্নবিষয়ক দুঃখবিলাস - নৈশচারী
- দৃষ্টি বিষয়ক - নৈশচারী
- এ কোন নগর - প্রণব আচার্য্য
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- গল্পঃ মুখোমুখি, বেড়ালের পাশে বসে - মোস্তাফিজ রিপন
- চিলের ছায়া - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- আন্তঃনগর ট্রেন, শাহীনের বাপ এবং ইউক্যালিপ্টাস কিংবা তুঁতগাছ - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- ছোটগল্প : আমি , ছেলেটা এবং বিচ্ছিন্নতার যোগজীকরণ - অন্ধ আগন্তুক
- প্রাত্যহিক পংক্তি - অন্ধ আগন্তুক
মেটালিকার একটি গানের অনুবাদ এবং কিছু কথা
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
মেটালিকা নিয়ে নতুন কিছু বলার মত অপদার্থতা এখনো আমার মধ্যে হয়নি।হেভী মেটাল ফ্যান মাত্রই মেটালিকার অন্ধভক্ত।লস এঞ্জেলেস,ক্যালিফোর্নিয়ার এই ব্যান্ডটি হেভী মেটাল মিউজিকের জীবন্ত কিংবদন্তি হিসেবেই পরিচিত।
আজ মেটালিকার যে গানটির অনুবাদ করতে চাই সেটা হচ্ছে অনেক আলোচিত একটি গান “ওয়ান” ।ওয়ান গান টা অরিজিনাল রেকর্ডিং হয়েছিল সলো হিসাবে কিন্তু পরে এটি মেটালিকার ১৯৮৮ সালে রিলিজ হওয়া এলবাম “এন্ড জাস্টিস ফর অল” এর ভিতর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।এই এলবামটির তাৎপর্য হচ্ছে এটা তাদের বেজিষ্ট ক্লিফ বার্টনের মৃত্যুর পর করা প্রথম এলবাম।ওয়ান গানটি আমি প্রথম শুনি ক্লাস নাইনে।তখন সদ্য মেটালিকার তুখোড় ফ্যান হয়ে উঠছি।ড্রামস বাজানো শিখতাম।ডাবল বেজ ড্রামসে তখনো খুব একটা সাবলীল না থাকায় গানটার ফুল কভার করতে পারলাম না।বিরক্ত হয়ে গানটা শোনাই বাদ দিয়ে দিলাম (আমার একটা বদভ্যাস যে গান নিজে তুলতে পারিনা সেই গান শুনতেও ভালো লাগে না)।তারপর অনেকদিন গানটা হারিয়েই গেল।
ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে আর্টসেলের একটি কনসার্টে আবার ওয়ান গানটা শুনলাম।লিংকন ভাই আবার সে ভালো লাগাটা যেন ফিরিয়ে আনল।ততদিনে ড্রামস টা মোটামুটি আয়ত্ত্বে চলে এসেছে।ব্যান্ডমেটদের বললাম, “চল ওয়ান টা করি।”তুমুল সাধনায় ৫ দিনে রেডী করলাম ওয়ান।পরীক্ষার পর(এইচ এস সি)কোনদিন এমন যায় নাই যে প্যাড করসি কিন্তু ওয়ান বাদ গেসে।যাই হোক এসব করে করে বুয়েটে চান্স না পাওয়ার পর তীব্র হতাশায় সব বাদ দিলাম।ব্যান্ড ভাঙ্গতে এক মাসও লাগল না।
তারপর কুয়েট এ ভর্তি হওয়ার পর ড্রামস বাজানো ছেড়ে দিলাম।তখন সব মনোযোগ আবার গীটারে দিলাম।ওয়ান বিস্মৃতই হয়ে রইল তিন বছর।গত বছর আবারো সেই আর্টসেলের একটা টিভি শো তে ওয়ান শুনে মাথার ভিতর গানটা ঢুকে গেল।তিন দিন বসে রইলাম ওয়ান আর গীটার নিয়ে।অবশেষে কমপ্লিট করে ফেললাম।লিরিক টা নিয়া গবেষনা শুরু করলাম।ভিডিও টা বার বার দেখলাম।অনেক কাহিনীর পর মোটামুটি একটা অনুবাদ দাড় করালাম।
আমার প্যাচাঁল শুইন্যা মনে হয় আপনাদের মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে এতোক্ষনে।তাইলে এবার ডাইরেক্ট গানে চলে যাই।
One
I Can't Remember Anything
Can't Tell If this Is True or Dream
Deep down Inside I Feel to Scream
this Terrible Silence Stops Me
Now That the War Is Through with Me
I'm Waking up I Can Not See
That There's Not Much Left of Me
Nothing Is Real but Pain Now
Hold My Breath as I Wish for Death
Oh Please God,wake Me
Back in the Womb its Much Too Real
in Pumps Life That I must Feel
but Can't Look Forward to Reveal
Look to the Time When I'll Live
Fed Through the Tube That Sticks in Me
Just like a Wartime Novelty
Tied to Machines That Make Me Be
Cut this Life off from Me
Hold My Breath as I Wish for Death
Oh Please God,wake Me
Now the World Is Gone I'm Just One
Oh God,help Me Hold My Breath as I Wish for Death
Oh Please God Help Me
Darkness
Imprisoning Me
All That I See
Absolute Horror
I Cannot Live
I Cannot Die
Trapped in Myself
Body My Holding Cell
Landmine
Has Taken My Sight
Taken My Speech
Taken My Hearing
Taken My Arms
Taken My Legs
Taken My Soul
Left Me with Life in Hell
অনুবাদঃ
মানুষিক কারাদন্ডে একটি একক মৃত্যুপ্রার্থনা
পূর্ব অথবা এই জন্মের কথা বিস্মৃতির মোজাইকে আবৃত
আমি জানি না সত্য ও স্বপ্নের পার্থক্য
ভিতরের আর্তনাদ বেরিয়ে পড়তে চায়
কিন্তু আমি হার মানি এই ভয়ংকর নৈঃশব্দের কাছে ।।
আমার ভেতর দিয়ে যখন যুদ্ধপ্রবাহ শেষ হয়
আমার জাগড়ন হয় অন্ধত্বের অবচেতনে
এখন আমার স্বত্তার অবশিষ্ট আর কিছু নেই
শুধু বাস্তবায়িত দুঃখের অনুকম্পনগুলো বেঁচে আছে ।।
নিঃশ্বাস আটকে আমি মগ্ন থাকি
আমার একক মৃত্যুপ্রার্থনায়
ঈশ্বর আমাকে জাগাও।।
আবার জরায়ুতে ফিরে আসলে চক্র পূর্ণ হয়
সে আমার ভেতর জীবন সঞ্চালন করে
কিন্তু অনুভূতিশুন্যতার অভিশাপ পথ ছাড়ে না
আমি তাকাই আমার সামনের নির্জীব সময়ে।।
ঘৃণার টিউবে চড়ে আসে দুর্ভাগ্যের দংশন
যুদ্ধবন্দীদের শোকেসে সাজানো অন্ধকারের মত
আমার চেতনা সক্রিয় রাখে যন্ত্রের চোখ
প্রয়োজন নেই এই মিথ্যে উৎসব উদযাপনের।।
নিঃশ্বাস আটকে আমি মগ্ন থাকি
আমার একক মৃত্যুপ্রার্থনায়
ঈশ্বর আমাকে জাগাও।।
পৃথিবীর শব্দহীন নিঃসরনে
আমার মানুষিক কারাদন্ডের প্যারালাইসিসে
আমার একক মৃত্যুপ্রার্থনায় ।।
অন্ধকার আমাকে গোগ্রাসে গিলে
এই বন্দীত্ব- আতংকের কাছে আমার পরাজয়
আমি পাব না জীবনের গন্ধ
পাব না মৃত্যুর শীতল স্পর্শ
অবচেতনার ফাঁদে
নিজেরই রক্ত মাংসে বন্দি এক অশ্রুভূক।।
বিতৃষ্ণার সাথে লড়াইয়ের শেষে
আমার দৃষ্টি হারায়
স্তব্ধতা আরো গাঢ় হয়
জড়তার অনড় বিষাদে
নরকের লাশঘর দৃশ্যমান হয়।।
মেটালিকা নিয়ে কিছু তথ্যঃ
ব্যান্ড ইতিহাসঃ
মেটালিকা ব্যান্ডের একত্রিত হয়ার কাহিনীটা বেশ মজার।১৯৮১ সালে ড্রামার লার্স উল্রিচ লস এঞ্জেলেসের রিসাইক্লার নামক একটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেন।“প্র্যাকটিস করার জন্য মেটাল মিউজিশিয়ান চাই”।এই বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়ে জেমস হিটফিল্ড এসে লার্সের সাথে জয়েন করেন।তারপর আবার রিসাইক্লার এ বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।“লিড গিটারিষ্ট দরকার।ঘরানা-হেভী মেটাল যেমন-আয়রন মেইডেন,ডায়মন্ড হেড ইত্যাদি”।এবার ডেভ মাসটেইন রিপ্লাই দেন।মাসটেইন এর ব্যায়বহুল গিটার ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি দেখে লার্স ও হিটফিল্ড তাকে নিয়োগ করেন।
ব্যান্ডের প্রথম বেজ গিটারিষ্ট ক্লিফ বার্টনের অন্তর্ভূক্তিটাও মজার।হিটফিল্ড ও লার্স একবার একটি নাইটক্লাবে যান যেখানে বার্টনের ব্যান্ড “ট্রমা” পারফর্ম করছিল।ওইখানে বার্টনের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে লার্স ও হিটফিল্ড তাকে বেজ গিটারীষ্ট হওয়ার অফার করেন।প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে বার্টন ব্যান্ডে যোগদান করেন।
১৯৮২ সালে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনের কারনে মাসটেইনকে ব্যান্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়।তখন কার্ক হেমেট মেটালিকায় যোগদান করেন।
১৯৮৬ সালে মেটালিকার ড্যামেজ ইংক ইউরোপ ট্যুরে বাস দূর্ঘটনায় বার্টন মারা যান।প্রায় ৪০ জনের অডিশনের পর পরবর্তী বেজ গিটারিষ্ট হিসাবে জ্যাসন নিউস্ট্যাড কে নিয়োগ করা হয়।
২০০১ সালে যখন মেটালিকা সেইন্ট এংগার এলবাম রেকর্ডিং এর জন্য স্টুডিও ওয়ার্ক শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন নিউস্ট্যাড ব্যাক্তিগত কারনে ব্যান্ড ছাড়ার ঘোষনা দেন।পরবর্তীতে রব ট্রুহিও কে বেজ গিটারীষ্ট হিসাবে দলে নেওয়া হয়।
বর্তমান ব্যান্ড মেম্বাররাঃ
#জেমস হিটফিল্ড (ভোকাল এন্ড গিটার)
#কার্ক হেমেট (গিটার)
#লার্স উল্রিচ (ড্রামস)
#রবার্ট ট্রুহিও (বেজ গিটার)
ডিস্কোগ্রাফিঃ
• কিল’য়েম অল(১৯৮৩)
• রাইড দ্য লাইটনিং(১৯৮৪)
• মাস্টার অব পাপেটস(১৯৮৬)
• এন্ড জাস্টিস ফর অল(১৯৮৮)
• মেটালিকা(১৯৯১)
• লোড(১৯৯৬)
• রিলোড(১৯৯৭)
• সেইন্ট এংগার(২০০৩)
• ডেথ ম্যাগনেটিক(২০০৮)
পরিশেষঃ
আশা করি এই প্রয়াস আপনাদের ভালো লেগেছে।মেটালিকা গত আটাশ বছর ধরে আমাদের মত মেটাল পিয়াসীদের মন মাতিয়েছে।উপহার দিয়েছে “ওয়ান”, “নাথিং এলস মেটারস”, “আনফরগিভেন-২”, “মাষ্টার অব পাপেটস” এর মত অসাধারন কিছু গানের।এই উন্মাদনা চলুক আগামী সময়েও।মেটালিকার প্রতি হেভী মেটাল ফ্যানদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থাকবে আজীবন।
প্রকাশ করা হয়েছে: বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধৈন্যা।এইবার মিচ কর নাই দেইখ্যা।
পারভেজ আলম বলেছেন:
অনুবাদ ভালোই হইছে, তবে কিছু যায়গায় বাক্য গঠনে একটু পূনর্বিবেচনা করলে ভালো হয়, ধরিয়ে দিতে চাইনা, নিজে আরেকবার পড়লেই বুঝবেন।মাস্টার অব পাপেটস(১৯৮৬) থেকে মেটালিকা (১৯৯১), মেটালিকা বলতে আমি এই পর্যন্তই বুঝি। এর পরে মেটালিকার হাতে গোনা দুই একটা ছাড়া কোন ভালো গান নাই। এখনতো এইটা একটা চরম কমার্সিয়াল ব্যান্ড।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু।আসলে মুল লিরিকের খুব কাছাকাছি থাকতে চাইছি তো তাই কিছু যায়গায় বাক্য গঠনে একটু পূনর্বিবেচনা করলে ভালো হয়
এই ব্যাপারটা আসছে।কষ্ট কইরা পড়সেন দেইখ্যা ধন্যবাদ।
৮৬ থেকে ৯১ আসলেই মেটালিকার স্বর্ণযুগ তবে লোড এবং রিলোড এলবাম গুলাতেও পুরনো মেটালিকারে পাওয়া যায়।একটু এই এলবাম দুটি আরেকবার শুনে দেখতে পারেন।আমার মনে হয় ভালোই লাগবে।
নীল বেদনা বলেছেন:
বাই সা, আফনে তো মাতা গুরাইয়া দিলেন।গীটার বাজান, মেটালিকা শুনেন আবার নেরুদা, বদলেয়ার, সুকান্তরে বালা পান! বাপরে!
যাউক, আপনের লগে কাম অইবো মনে লয়। আমারে নাথিং এলস ম্যাটারের কডর্গুলা দিতে ফারবেন নি?
বিদ্র: পেলাস দিলাম
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু থ্যাংকু
আন্নের লাইগ্যা
Intro:
Em...
Em - Em - D - C
Em D C
So close no matter how far
Em D C
couldnt be much more from the heart
Em D C
forever trusting who we are
G B7 Em
and nothing else matters
never opened myself this way
life is ours, we live it our way
all these words I dont just say
and nothing else matters
trust I seek and I find in you
every day for us something new
Em D C
open mind for a different view
G B7 Em C A
and nothing else matters
chorus:
D C A
never cared for what they do
D C A
never cared for what they know
D Em
but I know
so close no matter how far
couldnt be much more from the heart
forever trusting who we are
and nothing else matters
chorus (see above)
never opened myself this way
life is ours, we live it our way
all these words I dont just say
trust I seek and I find in you
every day for us something new
open mind for a different view
and nothing else matters
Chorus:
never cared for what they say
never cared for games they play
never cared for what they do
never cared for what they know
and I know
so close no matter how far
couldnt be much more from the heart
forever trusting who we are
no nothing else matters
হা...হা...হা... বলেছেন:
ওহ!! জোস!! মেটালিকার উপর কিছু নাই.... লেখক বলেছেন: থ্যাংকু থ্যাংকু।মাইলাচ খাইলে কেম্নে লেখুম।
হা...হা...হা... বলেছেন:
মাইনাচ দিল কোন হারামি???
লেখক বলেছেন: ব্যাপার না।আমি মাইলাচ ভালা পাই।তবে কইলে হইত কেল্লাই মাইলাচ দিচে
নীল বেদনা বলেছেন:
হা...হা...হা... বলেছেন: মাইনাচ দিল কোন হারামি???
ইয়া....... খাউজাইতে খাউজাইতে মাইনাচে হাত পইরা গেছে। নাইলে তো অন্তত কইত কিল্লাই মাইনাচ দিছে।
লেখক বলেছেন: বেপার না।আন্নেরা ত পেলাচ দিছেন।১ টা পেলাচ ২০ টা মাইনাচের সমান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনি আমার মনের কথা টা বলেছেন।
লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্ট টা দেখলাম।কঠিন হইসে।ধন্যবাদ।
অনুবাদ তো ভালোই করেছো।এবভাবেই সুন্দর হয়েছে।ভাবের কাছাকাছি থেকে নিজের মত করে সৃষ্টি।তোমার মৌলিকত্বের একটা চাপ আছে।
ইতিহাস টা জানা ছিলো না।ধন্যবাদ রে।
মাইলাচ পরে দিমু নে।
লেখক বলেছেন: দুরু মিয়া।কত মিনতি কল্লাম মাইলাচ দিতে।
তোমারে মাইলাচ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আমি জানি না সত্য ও স্বপ্নের পার্থক্যআমি জানি না সত্য ও স্বপ্নের পার্থক্য
আমি জানি না সত্য ও স্বপ্নের পার্থক্য
আমি জানি না সত্য ও স্বপ্নের পার্থক্য
লেখক বলেছেন: ভাইজানের কি বালা লাগচে না খারাপ লাগচে কপি পেষ্ট করলে ক্যাম্নে বুঝুম।জীবনে পরথম অনুবাদ করলাম ভুল টুল না ধরলে তো মন খারাপ হইয়া যায়।চাইর জন তো দোষ না ধরাইয়া দিয়াই কপালে টিকা পড়াইয়া ভাগছে।আপ্নে ও যদি না কন তাইলে কেমুন্ডা লাগে কন দেহি।
তবে আমি যতোবার পড়তেসি মনে হচ্ছে বাহ খুব জঘন্য তো।আযাইরা শব্দ ঢুকাইয়া অনুবাদ তো অনুবাদ, মুল লিরিকের ও চাচা চাচীরে নাখোশ কইরা লাইস।বাবা অমিত অনুবাদ মিশু ভাইরা করুক।তুমি এই তালে নাঁচা বাদ দাও ভাইডি।
লেখক বলেছেন:
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
"আমি পাব না জীবনের গন্ধপাব না মৃত্যুর শীতল স্পর্শ
অবচেতনার ফাঁদে
নিজেরই রক্ত মাংসে বন্দি এক অশ্রুভূক।।"
কোন আতেলেরা মাইনাশ দিসে, অরা শিওর বাল-আম, আর টাল-সানের ভোক্ত ।
দেখ তো ভাই ডি কেমন হয় লাষ্ট প্যারার নিচের অনুবাদঃ
"বারুদ দিয়েছে আমায় অন্ধত্ব
কেড়ে নিয়েছে বাকশক্তি
দিয়েছে আমায় বধিরত্ব
মননকে করেছে বায়ুগর্ভ
ছুড়ে দিয়েছে আমায় নরকাভিমুখে"
ডেভ মাসটেইন কিন্তুক বস আসিলো । একটি প্যারানয়েড টাইপ ।
লেখক বলেছেন: চরম হইছে বৃক্ষ।
আমি এই প্যারাতে গিয়া গ্যাজাইয়া গেসিলাম।তোমার অনুবাদ সেন্স অসাধারন ,আমারটা পুরাই ক্রেপ।
চেষ্টা করুম চেঞ্জ করতে।
লাষ্টের প্যারাটা অসহ্য লাগতেছে।কিছু একটা করতাসি দাড়াও।
মাস্টেইন থাকলে মেটালিকা যে কই যাইত খোদাই জানে।হালায় পরে মেগাডেথ দিয়া কাপাইছে।
আর তোমারেতো কইছি নিন্দুকেরে আমি সবচেয়ে বেশী বালা পাই।
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
তোরটাই ভালো হইছে । তয় অনুবাদে শব্দ ব্যব হার ইক্টু খেয়াল কইরা । "ঘৃনার টিউবে"-টা চেঞ্জ করলে মনে হয় ভাল হয় ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু।
লাষ্টের প্যারাটা চেঞ্জ করলাম।দেখি টিউব্রে কি ক্রা যায়।
লেখক বলেছেন: হা হা।আমি টাসানের গান গাইতাম এক সময়।
দুরে তুমি দাঁড়িয়ে
প্রেমিকাকে হারিয়ে।
এখন আর পপ বাল্লাগেনা।
মেটাল ম্যান মেটাল।হুহাহা।
যাযাবর শফিক বলেছেন:
......................\m/
লেখক বলেছেন: মেটালিকা জিন্দাবাদ।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
ভালৈচে । পিচাল।
লেখক বলেছেন: পিচালের জন্য কই মাছের ঝাল তরকারির সাথে সবুজ সবুজ ধইন্যা পাতা।
টেকি মামুন বলেছেন:
ভাই ভালা কাম করছেন বহুত কিছু জানলাম।এই ধরনের পোস্টে কারা মাইনাস দেয় আমি তাদের চেহারা দেখতে খুব ইচ্ছা করে।এদের কে ৭ দিন ৭ রাত টানা মেটালিকার গান শুনানো দরকার সব ঠিক হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: বহুত ধন্যবাদ।
আর ওদের জন্যঃ
never cared for what they say
never cared for games they play
never cared for what they do
never cared for what they know
and nothing else matters
প্রিয়তমেষু বলেছেন:
চমতকার-এক কথায় 'চ-ম-ত-কা-র'!!!!
আমার মেটালিকা'র গান মারাত্মক ভালো লাগে না;তথা মেটালিকা'র মারাত্মক ফ্যান আমি নই,কিন্তু এদের এই একটা গান যতবার শুনি,আমার মন ছুয়ে যায় - 'ওয়ান' - জাস্ট আনবিলিভেবাল পারফরমেন্স![মেটালিকার প্রিয় গান আমার কাছে}বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না,আমি দুঃসাহস দেখিয়েছিলাম এইটার বাংলা করবো-পরে আর করা হয়নি!!তবে আপনার অনুবাদ টা দেখে মনে হচ্ছে-এটাই যথেষ্ঠ!সামান্য পরিমার্জন করুন,আরো ভালো হবে আশা করি!
মেটালিকা কে প্লাস,আর্টসেল কে প্লাস [কাভার করার জন্যে]---এবং আপনাকে প্লাস!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপানার সুন্দর কমেন্ট এর জন্য।
মেটালিকার কাছে আমি অনেক দিক দিয়েই অনেক ঋনী।
পরিমার্জনের চেষ্টা থাকবে।
+ আপনাকেও !!!!!!!!!!
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
বস, অনুবাদ ভাল হয়েছে। কিছু টাইপো আছে মনে হয়। দেখে নিয়েন। আপনার কাছে গিটারের টিপস্ নিবোনে..
লেখক বলেছেন: ও কে বস।টাইপো চেক করব।
লেখক বলেছেন: আন্নে মনে অয় মেটালিকার ফ্যান না।তাও পড়ছেন থ্যাংকু।
নতুন কবিতা লেখেন পড়ি।
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
ঠিক ধইচ্চেন।গান যত সফট আমার তত ভালু লাগে। একদিন ভার্সিটির হুস্টেলে ঘুমাইতেসিলাম। সকালে গানের আওয়াজে ঘুম ভাংগি গেল। খুব ভালা লাগতেসিল গান শুন্তে। পরে হুনি মেটালিকার গান। পরে হুনার টেরায় করসি। ভালু লাগেনা।
আমি কবিতা লেখবার পারিনা। একটা লেখা দিসি ভালবাসার গল্প সংকলনে, সুপ্তি আপুরে। শর্ত হইল সংকলন বাইর হবার পর ব্লগে দেওন যাইব না। ১৪ তারিখের পরে পোস্টামু। পইড়েন।
লেখক বলেছেন: ওকে।অফেক্ষায় থাকলাম।
ভ্যালেন্টাইন দিবসে আমার পুরনো একটা ভালোবাসার সিরিজ ছিল অইটা থেকে কয়েকটা মিলিয়ে একটা পোষ্টামু।
ঘাস্ফুল বলেছেন:
অমিত তুই যদি ভেবে থাকিস গানটাকে কবিতার আদলেই অনুবাদেরকথা, তবে বলবো অসাধারন ভাব ফোটাতে সক্ষম হয়েছিস।
যদি চেয়ে থাকিস গানের ভাবটুকু প্রাণে জাগাতে .....
সেক্ষেত্রে আরেকটু প্রান্জল হলে মন্দ হতো না।
তুই যে বেশ সাহসী সৈনিক তা ভাবতে বেশ ভাল লাগেরে ...।
অনুবাদ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।
মেটালিকা ইতিহাসটুকু দিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করে নিলাম।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: মেটালিকার ইতিহাস টাই এই পোষ্টে চেষ্টা করেছি জানাতে।
অনুবাদটাতে আসলে লিরিকের চেয়ে কবিতা ঢং টাই ধরতে চেয়েছি।
তোমাকেও শুভকামনা।
কুতুব্ বলেছেন:
ওরে ভাইরে পলাস। এরকম অনুবাদ আরো চাই .....
লেখক বলেছেন: ধইন্যা।
দেহি সামনে কি হয় কেইবা জানে?
লেখক বলেছেন: কবিতা লিখতে লিখতে মাঝে মাঝে বোর হয়ে যাই।
ভাব্লাম সাকিরা'পু কে একটু চমকাইয়া দেওয়া যাক।
![]()
পারভেজ আলম বলেছেন:
৮৬ থেকে ৯১ আসলেই মেটালিকার স্বর্ণযুগ তবে লোড এবং রিলোড এলবাম গুলাতেও পুরনো মেটালিকারে পাওয়া যায়।একটু এই এলবাম দুটি আরেকবার শুনে দেখতে পারেন।আমার মনে হয় ভালোই লাগবে।ইস্কুল জীবনে এই দুইটা এলবাম বহুবার শুনছি। মেটালিকা আমার শোনা শুরুই হইছে "লোড" দিয়া। কিন্তু আগের মন্তব্যেই বলবত থাকলাম। লোড আর রিলোডে হাতে গোনা কয়েকটা ভালো গান আছে, এই মূহুর্তে "হিরো অফ দ্যা ডে" আর "মেমরি রিমেইন্স" এর কথা মনে আসতাছে। কিন্তু আসল মেটালিকা আসলে শেষ ঐ ৯১ সালেই।
লেখক বলেছেন: ভাই আনফরগিভেন ২???
প্রিয়তমেষু বলেছেন:
ভাইয়া, এবার 'নাথিং এলস ম্যাটারস' কিংবা 'স্যাড বাট ট্রু' অনুবাদ করেন!একটা চ্যালেঞ্জ দেই [আপনার জন্য চ্যালেঞ্জ আর আমার জন্য প্রয়োজন..হাহাহ]~ স্লিপ্নটের 'স্নাফ' গান টার শৈল্পিক ভাবানুবাদ করে দেন~~~~
আপনি কুএটে?? আমরা দেখি একি এলাকার লোক[খুলনা তথা দক্ষিনবঙ্গের]!!
লেখক বলেছেন: স্নাফ আমারো খুব প্রিয় গান।স্লিপ্নটের ভোকাল এই কাজ করতে পারে আমি বুঝিই নাই।
দেখি কি হয়।
আপনার ২০০৯ এর গান কালেকশন জোশ হইসে।হ্যাটস অফ।
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
তুমি এই তালে নাঁচা বাদ দাও ভাইডি।৯ ক মেন্টের জের ধরে তুমি টা আমি হমু । এইরাম অনুবাদ সচরাচর হয় না । ভাবানুবাদ এক্সট্রিম্লি টাফ যা তুই দেখাইলি । আমার গুলায় ভাব আর অক্ষর মিক্স খাইয়া যায় ।
লেখক বলেছেন: তোমার প্রশংসা ও বিনয়ে লজ্জ-আ পেয়ে গেলুম।
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
অনুবাদ ভালো হয়েছে, কবিতা পড়তে ইচ্ছা করছে না আজ আর,
লেখক বলেছেন: কুনুই পরব্লেম নাই।পরবর্তীতে পড়া যাইবেক।আপ্নি আসিয়াছিলেন এতেই আমি যারপরনাই খুশ।
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
মেটালিকা নিয়ে এত বেশি কিছু বলার আছে যে কিছুই বলা হবে না হয়তো। পারভেজ ভাই ঠিকই বলেছেন সম্ভবত, ৮৬ থেকে ৯১ এদের সেরা সময়ের ব্যাপারে।
আমার পারসোনাল টপ ফেভারিট গান হবে "memory remains", "one"।
সৌভাগ্যক্রমে ভার্সিটিতে "ফর হুম দ্য বেল টোলস" পার্ফরম করবার সুযোগ মিলেছিল। আমি অবশ্য ভোকাল দেই, নিজের ইলেকট্রিক নাই তাই। নর্মাল স্টাইলে কুলাইতে না পাইরা ঐ গানটা পুরা স্ক্রিম করে গাইছিলাম।
আর ক্যাডেট কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীতে বহুদিন প্র্যাকটীস করেও "unforgiven(II)" পার্ফরম করা হয় নাই; লাষ্টে বাজাইছিলাম পাকিস্তানী ব্যান্ডের একটা গান, হা হা।
মেটালিকা, আহ্!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















পুত্তুম পিলাচ