মৎস্য রাত্রে মৃতরা উঠে আসে সাদা শার্ট গায়ে
কুয়াশার ভেলায় ভেসে ধাক্কা দেয় আমাদের ঘুমন্ত দরজায়
ওরা বিছানার পাশে বসে
বক্রধনু শরীরে আলতো করে হাত বোলাতে থাকে
গভীর অচেতন ঘুম হতে আমাদের জাগবার প্রত্যাশা করে
ভোর হলে ছড়িয়ে পড়ে শিউলি বোটায়।
পরিচিত মুখ দেখে যাওয়ায় ক্ষান্ত দিয়ে ডাকে,
বলে, এক সাথে যাই, সিগ্রেট ফুঁকে আসি
ওপাড়ের রাস্তায় ভাল চা হয়
চা খাবার ফুসরতে গল্প করা যাবে
আমাদের সময় হয় না বলে দেরী হয় যেতে
ওরা কাগজের ঠোঙা হয়ে দোকানের সামনে পড়ে থাকে।
মৃতেরা শুন্যে বাস করে
মৃতদের ভাবনায় নিষ্ক্রিয় থেকে আমরা মহাশুন্যে বাস করি
ওরা কখনও চুপচাপ থাকে
কথনও ওদের ডাক মসজিদের মাইকে শোনা যায়
কখনও ওরা দেয়ালে ফেস্টুনে সেঁটে থাকে
কণনও বাড়ি গড়ে নিউজ পত্রিকায়।
ওদের ঘর বুঝে নিয়েছি বলে ওরা মুখ গোমড়া করে না
মেঘের গুহা দিয়ে বৃষ্টির ফুল ছাড়ে
ওদের বহু দূর করে রেখেছি বলে অন্য মেরু হতে
বালিহাঁস হয়ে আসে
নরম পাখনা পড়ে থাকে আকাশ দেখা পুকুরে
আমরা হাত দিয়ে সরিয়ে দেই
ভেজা গন্ধরাজের সুগন্ধ নিয়ে ছায়াসঙ্গীরা
আমাদের বুকে মুখ গুজে থাকে।
প্রতিটা মৃত্যুবার্ষিকীতে ওরা শ্মশানের দীপালী নিয়ে আসে
রৌপ্যশুভ্র ছুরিকায় বুক চিরে দেয়
তাদের পদধুলি দেয়া রক্ত নামে
ওদের দেখবার আশায় সারা রাত প্রতীক্ষা করি
ক্লান্ত মৃতরা সে রাতে ঘুমিয়ে পড়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

