'' তারা পারবেন তো ? অভিজ্ঞতা, বয়স - সব মিলিয়ে তারা পারবেন তো ?নানা জনের নানা শঙ্কা। কেন ? পারা না পারার দ্বিধাদ্বন্দ্ব? মন্ত্রনালয় পরিচালনা করার ক্ষেত্রে নারী বা পুরুষের প্রশ্ন আসে কেন ?''
Click This Link
আজকের প্রথম আলো নারীমঞ্চ ফিচারের শিরোনাম " নারী বলেই এত কথা ?'' শিরোনামে লেখাটায় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে, শুধুমাত্র নারী বলেই তারা নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন। কিন্তু লেখক ভুলে যাচ্ছেন দেশের আপামর জনসাধারণের দৃষ্টিভঙ্গীর সামান্য হলেও পরিবর্তন ঘটেছে। সবাই দিনবদলের প্রত্যাশী। যারা দিনবদলের নেতৃত্ব দেবেন জাতি তাদের যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে চায়। অশিক্ষিত দূর্নীতিপরায়ন নেতৃত্বের করালগ্রাস হতে দেশ ও জাতির অগ্রসরতায় নেতৃত্ব সঠিক লোককে দেয়া হল কিনা- জনগণের মনে এ প্রশ্ন জাগা একটি দেশের জন্য অত্যন্ত পজেটিভ। 'আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব' কথাটি না বলে এখন আমরা 'আমার ভোট আমি দেব, দেখে শুনে জেনে দেব' কথাটি বলছি। নাগরিকদের জানবার, প্রশ্ন করবার অধিকার রয়েছে। আঠার জন নতুন মুখের মধ্যে দু জন নারী স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্রর মত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় তাদেরকে চেনার আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক।
মূল লেখায় নারী ও পুরুষের বিভেদকে উজ্জ্বল করে দেখানোই যেন তার উদ্দেশ্য। এ সব গতানুগতিক, সস্তা লেখার জন্য নারীমঞ্চকে বেছে নিয়ে মূলত তিনি নারীদের হেয় করেছেন। লেখাটি নারীমঞ্চে ছাপা না হয়ে যদি পত্রিকার অন্য পাতায় ছাপা হত তাহলে 'স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র বিষয়ক জনগণের ভাবনা' শিরোনাম দেয়া যেত। নারীদের নিয়ে হেয়মূলক উদাহরণ দিলে সমাজ সেদিকে ঝোঁকবার সুযোগ পায়। দৃষ্টান্তমূলক যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের আলোচনায় মানুষের দৃষ্টি আলোকিত হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


