ব্লগে নানা আড্ডায় অনেকের ছবি দেখা হয়। বিখ্যাত বেশীরভাগ ব্লগারদেরই দেখা আছে তবে আমার কিছু ব্লগার সম্পর্কে কৌতুহল ছিল তাদের দেখার কিন্তু কোনো আড্ডায় বা অন্য কোথাও তাদের কখনই দেখা হয় নি।
এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন
ফিউশন ফাইভ
আমার মতে সামুর সবচেয়ে সেরা ব্লগার হলেন ফিউশন ফাইভ। যখন প্রথম ব্লগে আসি তখন তাকে নিয়ে ছিল অনেক রহস্য মাঝখানে রহস্য কাটলেও ইদানিং আবার আগের মতই রহস্যময় মনে হয় এই নিকটাকে।আমার কেন জানি ধারনা গত একবছরে কয়েকজন এই নিকটাকে ব্যবহার করতে পারে। ফিফাকে এইসব নানা কারনে দেখার খুবই ইচ্ছা ছিল আমার।
শায়মা
সবার মাঝে থেকেও নিজেকে আড়াল করে রাখার গুন কিভাবে পেলেন উনি তা চিন্তার বিষয়। উনি নাকি সুন্দর নাচেন আবার গানও গান। ঐভাবে কখনই তার পোস্টে আনাগোনা হয়নি আমার তবু পড়া হয় তার অনেক লেখা। তাকেও একবার ছবিতে বা বাস্তবে দেখার ইচ্ছা ছিল।
হাসান মাহবুব
গদ্যের এই রাজার একটি গান শুনলাম ঐদিন। একটি মানুষের মাঝে এত প্রতিভা থাকা খুবই অন্যায়।ফেসবুকে একবার রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম কিন্তু গ্রহন করেন নি তিনি। উনাকে দেখারও ইচ্ছা ছিল আমার।
শূন্য উপত্যকা
এখন অবশ্য ব্লগে দেখিনা উনাকে কিন্তু গতবছর দুর্দান্ত সব পোস্ট দিয়েছিলেন।ফেসবুকে উনার ছবি দেখতে চাইলে লজ্জার হাসি ছাড়া আর কিছু পাইনি। এড়িয়ে চলার এই ঝোক থাকার পরও উনাকে একদিন দেখার ইচ্ছা ছিল।
রাশেদ হাসান
উনাকে একটি ভিন্ন কারনে দেখতে চাচ্চিলাম। আমার স্পষ্ট ধারনা ছিল কে এই নিক চালান কিন্তু পরে জানতে পেরেছিলাম ব্যাপারটা অন্যরকম। এটি ছিল একটি মাল্টিনিক এরকম কয়েকজনের কাছে শুনতে পেয়েছি। তবে আমার আগ্রহটা মূলত এই নিকের পিছনে বেশ কয়েকজন ব্লগারের মধ্যে একজন খুবই জনপ্রিয় ব্লগার নাকি আছেন তাই তাকে দেখার।
লিচুগাছ
এই ছেলেটাকে আমি ফেসবুকে চিনি। সে যে দলের তাদের প্রায় সবাইকে ব্লগে আগে থেকেই চিনা। কিন্তু আগ্রহটা হল ব্লগে সে যেমন মারমুখো বাস্তবে সে দেখতে তেমন কিনা এই নিয়ে।
এটি কোনো তেল চকচকে পোস্ট নয়। উনাদের ছবি যদি কারো কাছে থাকে তবে শেয়ার করবেন এই আশাতে বা তারা কেউ হয়ত আমার আগ্রহটাকে মূল্য দিবে তাই এই পোস্টটি দেওয়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

