ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শিব শঙ্কর মেনন ২৪ ঘন্টার এক ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন কোনো পূব ঘোষণা ছাড়াই তার এ সফর কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহলের সষ্টি করেছে। সফরের কারণ ও বিস্তারিত আলোচ্য সূচি সম্পর্কে কোনো দেশের পক্ষ থেকেই বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। যদিও বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র সচিব এ নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে কিছু মন্তব্য করেছেন। রহস্যে ঘেরা এ সফর সম্পর্কে তাদের বক্তব্য সাংবাদিকদের কৌতূহল মেটাতে পারেনি।
কারণ সফর নিয়ে দুই পররাষ্ট্র সচিবের মূল বক্তব্য ছিল সিলেট সীমান্তে বরাক নদীর উজানে ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ এলাকা পরিদশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে ভারত স্বাগত জানাতে প্রস্তুত বলে জানানো হয়েছে। অথচ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব স্বীকার করেছেন ট্রাননজিটের আড়ালে কানেকটিভিটি ইস্যু, বাংলাদেশের জেলে আটক ভারতীয় ও ভারতের জেলে আটক বাংলাদেশী বন্দীদের মুক্তি, হস্তান্তর এবং নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো দুদেশের মধ্যে আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব রোববার ঢাকা পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেন। ২৪ ঘন্টার সফরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মণি, পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেনের সাথে বৈঠক করেন বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে। সেনাপ্রধানের সাথে তার বৈঠকের কিছুই জানা যায়নি। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে শিব শঙ্কর মেনন পূর্ব ঘোষণা ছাড়া তার আকসিক সফরের বিষয়টি অনেকটা এড়িয়ে গিয়েই বলেন, আমরা নিয়মিতই বৈঠকে বসে থাকি। আমাদের কোনো পূর্ব নিধারিত সময়সূচি থাকে না। যখনই দরকার মনে করি, তখনই আমরা আলোচনায় বসি ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তার সফর ও আলোচনার সুনিদিষ্ট কোনো এজেন্ডা ছিল না , তবে তিনি নিরাপত্তা ইসুটি নিয়ে বাংলাদেশী কতৃপক্ষের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের জন্য বিষয়টি কতটা গুরুতপূণ তার ওপর আলোচনায় আলোকপাত করা হয়েছে। এ অঞ্চল থেকে সন্ত্রাসবাদ নিমূলে একত্রে কাজ করাটা উভয় দেশের জন্য অভিন্ন স্বার্থ বলে অভিহিত করে মেনন বলেন, এ কাজটি আমরা একসাথে করব। তাই এ লক্ষ্যে আমরা যৌথভাবে কাজ করে যাব বতমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর। ভারতে নির্বাচনের আগ মুহূতে তিনি কেন, কি বাতা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের কতাব্যক্তিদের সাথে বৈঠক করলেন সে সম্পকে বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের সাথে ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব প্রায় দুঘন্টারর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, উভয় দেশের মধ্যে পানি, অর্থ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে আলোচনায় তিনি খুবই সন্তুষ্ট বলে মন্তব্য করেন।
বিডিআর পুনগঠনে ভারত বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায় কিনা-এ প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, সম্প্রতি দিল্লিতে ডিজি পযায়ের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয় দেশ একটি শান্তিপূণ সীমান্ত দেখতে চায়। বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদুৎ কেন্দ্র নিমাণ সম্পকে ভারতের কোনো আপত্তি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে পেলে ভারত খুশি হবে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি আলোচনায় আসেনি।---আমার দেশ।
এখন কথা হচ্ছে ঃ
১. দাদারা কেন এত ঘনঘন বাংলাদেশ সফর করেন ?
২. এত গোপনীয়তা কেন ?
৩. বিডিআর তথাকথিত বিদ্রোহের আগেও এমন হয়েছিল , তাই নতুন কিছু কি ঘটতে যাচ্ছে ?
৪. গরিবের বাড়ি হাতির পাড়া কিন্তু তাতে তো গরীবের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে চুরমার তাই গরীবের কথাও চিন্তা করতে হবে দাদাদের ?
৫.আমাদের নিয়ে দাদাদের এত চিন্তা কেন আমরা ত তাদের জন্য থেট নয় বরং তারাই আমাদের জন্য থেট নয়কি?
তাই আসুন দাদাদের কুটচাল থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

