কিন্তু অবস্থান যদি এমন হয় যে আমরা যাদের জন্য এই আন্দোলনে নেমেছি তারাই এর সমাধান চায় না। মানে তারা চায় যে ছেলেরা ইভটিজিং করুক।
কলেজে ম্যাথ স্যারের বাসায় পড়তে যেতাম একদল বন্ধু। এদের মধ্যে কলেজের সবচে বেয়াদব দুইডা ছেলে আছিলো। ওদের নামে প্রতিদিনই স্যারের কাছে রিপোর্ট আসতো। তো একদিন স্যার তাদের নসিয়ত করলো, অনেক বুঝালো। ওরা স্যারের কাছে প্রতিজ্ঞা করলো যে, ওরা আর কোন প্রকারের বিয়াদবী, ফাজলামী করবে না। মানে এক্কেরে ভ্রদ্র ছেলে হয়ে যাবে। খুবই ভালো কথা
ওরা প্রতিদিন বিকালে আড্ডা মারতো একটা মোড়ে(অনাথের মোড়)। যথারীতি ঐদিন বিকালে আড্ডা দেয়ার সময় একদল(৩/৪) ঝাক্কাস মেয়ে ওদের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছিল
কিন্তু মেয়েগুলো এক্টু দুরে যাওয়ায় একটা মধুরকন্ঠে আওযাজ ভেসে আসল-"ছেলে না অন্যকিছু এক্টু তাকায়ও না!"
পরেরদিন স্যারের বাসায় এসে স্যারকে ঘটনা বলার পর স্যারতো হতভম্ব হয়ে গেল। এরপর থেকে স্যার তেমন কিছু বলার জো পেতো না। আমাদের সাথে ৪/৫ জন মেয়ে পড়ত, ওদেরকে আমরা আন্টি বলতাম(কারণ ওদের কলেজড্রেস সাদা ছিল)। ওরাতো রেগেমেগে আগ্নিশর্মা। পরে স্যারের কাছে নালিশ করলো যে, "স্যার বেয়াদব ছেলেগুলা আমাদের আন্টি বলে, স্যার আমরা কি ওদের আন্টিদের মত"
আমাদের কাছে ইভটিজিং এতটুকুই। কিন্ত এখন পত্রপত্রিকায় শুনি ইভ-টিজিং এর ঘটনায় প্রাণ দিতে হচ্ছে অসংখ্য ছাত্রীদেরকে, গণধর্ষন করা হচ্ছে ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায়। হায়রে স্মার্টনেস, হায়রে মানবতা
যদি ইভ-টিজিং মেয়েদের আন্টি বলার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকতো কতই না ভালো হতো!
সবাইকে-হ্যাপি নিই ইয়ার
পোষ্ট শেষ
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
.......................
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


