আমার প্রিয় পোস্ট
- অর্থপূর্ণ কৌতুক কালেকশন -২ - ফাহাদ চৌধুরী
- রুবাবা দৌলা মতিনের (অ)অনুরাগীদের প্রতি - মাহবুব মোর্শেদ
- টাই নটের পদ্ধতি সমূহ।। - সবুজ পোকা
- অভ্র-বিজয়ের টানাটানিতে, বিজয়ের আসল লোক কে চিনুন! - মুকুট
- ডাউনলোড করুন: ইংরেজি Vocabulary-র ওপর দুটি ঝাক্কাস বই - ইমন জুবায়ের
- ছবিতে ওবামা............. - তানহা তাবাসসুম
- আমার N73 তে একই জায়গায়,একই সময়ে আমার দোস্তের 5800 থেকে নেটের পীক স্পীড কম - কারণ কি??টেকনিক্যাল ব্যাখা.. - ধূসর মানচিত্র
- হলুদ সাংবাদিকতার একটি জলন্ত নমুনা ও সেই পুরনো কার্টুনঃ ড. হোসেন খিলজী - কাপাসিয়া
- উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করুন - মাহমুদ সিএসই
- মোবাইলে বাংলা সাইট ব্রাউজ করুন - মাহমুদ সিএসই
- চৈত্র সংক্রান্তি বাঁচলেই কেবল শুভ হবে পহেলা বৈশাখ । এবং পান্তার মঞ্চওয়ালারা চৈত্র সংক্রান্তি বাঁচাবে না। - মোহাম্মদ আরজু
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- ইউটিউবের দুটো পুরনো ট্রিক্স - তর্পন
- নষ্ট মাথার সিনেমাখোর বালিকা... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা: ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ বাড়ান ২০% - বিডি আইডল
- ধিক্কার এই সভ্যতা !!! - অনীয়ম
- ডিম থেকে মুরগী............. (সবগুলি ছবি দেখতে ভুলবেন না ) - সিক্স স্ট্রিং
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- বোনের ডাক্তার হওয়া দেখা হল না আহমেদ আল ফয়সালের........ - অদ্ভুত আঁধার এক
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- চমৎকার কিছু 'ডেফিনেশন' - বেরসিক
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- বুয়েট গাইড...(!!!) - হিমালয়৭৭৭
- রম্যঃ ভোকাল টোন
- ঝুমী
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- অশ্লীল ব্যববস্থা : আমাদের কী কোনই দায়িত্ব নেই ? - রহমান হেনরী
- শিক্ষিত (!) ভদ্রলোক দেখুন | কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ - আওরঙ্গজেব
- আজ "মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই" এর জন্মদিন - মিলটন
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের ৩৪ বিখ্যাত খাবার - আমজাদ সুজন
- টিপস এন্ড ট্রিকস: মজিলা ফায়াফক্সে ব্রাউজিং স্পিড বাড়াতে (১) - ত্রিভুজ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- ইনবাউন্ড ও আউটবাউন্ড কলসেন্টারের টেকনিক্যাল টুকিটাকি। - বিডিট্রন
বোকা বাঘ
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৮
এক রাজার বাড়ির কাছে এক শিয়াল থাকত। রাজার ছাগলের ঘরের পিছনে তার গর্ত ছিল। রাজার ছাগলগুলি খুব সুন্দর আর মোটা-সোটা ছিল।
তাদের দেখলেই শিয়ালের ভারি খেতে ইচ্ছে হত। কিন্ত রাজার রাখালগুলির ভয়ে তাদের কাছে আসতে পারত না।
তখন শিয়াল তার গর্তের ভিতর থেকে খুঁড়তে আরম্ভ করল। খুঁড়ে-খুঁড়ে সে তো ছাগলের ঘরে এসে উপস্থিত হল, কিন্ত তবু ছাগল খেতে পেল না।
রাখালের দল তখন সেখানে বসেছিল। তারা শিয়ালকে দেখতে পেয়েই ধরে বেঁধে ফেলল। তারপর তাকে খোঁটায় বেঁধে রেখে তারা চলে গেল। যাবার সময় বলে গেল, ‘কাল এটাকে নিয়ে সকলকে তামাশা দেখাব, তারপর মারব। আজ রাত হয়ে গেছে।’
রাখালেরা চলে গেছে, শিয়াল মাথা হেঁট করে বসে আছে, এমন সময় এক বাঘ সেইখান দিয়ে যাচ্ছে। শিয়ালকে দেখে বাঘ ভারি আশ্চর্য হয়ে বললে, ‘কি ভাগ্নে, এখানে বসে কি করছ?’
শিয়াল বললে, ‘বিয়ে করছি।’
বাঘ বললে, ‘তবে কনে কোথায়? লোকজন কোথায়?’
শিয়াল বললে, কনে তো রাজার মেয়ে! লোকজন তাকে আনতে গেছে।’
বাঘ বললে, তুমি বাঁধা কেন?’
শিয়াল বললে, আমি কিনা বিয়ে করতে চাইনি, তাই আমাকে বেঁধে রেখে চলে গেছে, পাছে আমি পালাই।’
বাঘ বললে, ‘সত্যি নাকি। তুমি বিয়ে করতে চাচ্ছ না?’
শিয়াল বললে, ‘সত্যি মামা। আমার বিয়ে করতে একটুও ইচ্ছে হচ্ছে না।’
তা শুনে বাঘ ভারি ব্যস্ত হয়ে বললে, ‘তবে তোমার জায়গায় আমাকে বেঁধে রেখে তুমি চলে যাও না।’
শিয়াল বললে, ‘এক্ষুণি। তুমি আমার বাঁধন খুলে দাও, তারপর আমি তোমাকে বেঁধে রেখে যাচ্ছি।’
তখন বাঘের আনন্দ আর দেখে কে। সে অমনি এসে শিয়ালের বাঁধন খুলে দিল। শিয়ালও আর দেরি না করে, তাকে ভালো মতো খোঁটায় বেঁধে বললে, ‘এক কথা, মামা। তোমার শালারা এসে তোমার সঙ্গে হাসি-তামাশা করবে। তাতে তুমি চটো না যেন?’
বাঘ বললে, ‘আরে না। আমি তাতে চটি? আমি বুঝি এতই বোকা।’ এ কথায় শিয়াল হাসতে-হাসতে চলে গেল। বাঘ ভাবতে লাগল, কখন কনে নিয়ে আসবে।
সকাল বেলায় রাখালের দল এসে উপস্থিত হল। বাঘ তাদের দেখে ভাবল, ‘ঐ আমার শালারা এসেছে। এক্ষুণি হয়তো ঠাট্টা করবে। আর তাহলে আমাকেও খুব হাসতে হবে।’
রাখালেরা এসেছিল শিয়াল মারতে। এসে দেখলে, বাঘ বসে আছে। অমনি তো ভারি একটা হৈ-চৈ পড়ে গেল। কেউ-কেউ পালাতে চায়, কেউ-কেউ তাদের থামিয়ে বললে, ‘আরে, বাঁধা রয়েছে দেখছিস না? ভয় কি? কুড়ুল, খন্তা, বল্লম নিয়ে আয়।’
তখন একজন একটা মস্ত ইট এনে বাঘের গায়ে ছুঁড়ে মারল।
তাতে বাঘ বললে, ‘হীঃ, হীঃ, হিহি, হিহি।’
আর একজন একটা বাঁশ দিয়ে গুঁতো মারলে।’
তাতে বাঘ বললে, ‘হীঃ, হীঃ, হিহি, হিহি।’
আর একজন একটা বল্লম দিয়ে খোঁচা মারলে।
তাতে বাঘ বললে, ‘উঃ হূ, হুঃ। হোহো হোহো হোহো।-বুঝেছি তোমরা আমার শালা।’
আবার তারা বল্লমের খোঁচা মারলে।
তাতে বাঘ বেজায় রেগে বললে, ‘দুত্তোর! এমন ছাই বিয়ে আমি করব না।’ বলে সে দড়ি ছিঁড়ে বনে চলে গেল।
বনের ভিতরে এক জায়গায় করাতীরা করাত দিয়ে কাঠ চিরত। একটা মস্ত কাঠ আধখানা চিরে রেখে, সেইখানে গোঁজ মেরে করাতীরা চলে গিয়েছে। একই সময় বাঘ বনের ভিতর এসে দেখে, শিয়াল সেই আধচেরা কাঠখানার উপর বিশ্রাম করছে।
শিয়াল তাকে দেখেই বললে, ‘কি মামা, বিয়ে কেমন হল?’
বাঘ বললে, ‘না ভাগ্নে, ওরা বড্ড বেশী ঠাট্রা করে। তাই আমি চলে এসেছি।’
শিয়াল বললে, ‘তা বেশ করেছ। এখন এস, দুজনে বসে গল্প-সল্প করি।’
বলতেই বাঘ লাফিয়ে কাঠের উপর উঠেছে, আর বসেছে ঠিক যেখানটায় কাঠটা খুব হাঁ করে আছে, সেইখানে। তার লেজটা সেই ফাঁকের ভিতরে ঢুকে ঝুলে রয়েছে।
শিয়াল দেখলে যে, এবার কাঠ থেকে গোঁজটি খুলে নিলেই বেশ তামাশা হবে। সে বাঘকে নানান ভাষায় ভোলাচ্ছে, আর একটু-আধটু করে গোঁজটিকে নাড়ছে। নাড়তে-নাড়তে এমন করছে যে, এখন টানলেই সেটা খুলে যাবে, আর কাঠ বাঘের লেজ কামড়ে ধরবে। তখন সে ‘মামা, গেলুম!’ বলে সেই গোঁজসুদ্ধ মাটিতে পড়ে গড়াগড়ি দিতে লাগল।
আর বাঘের যে কি হল, সে আর বলে কি হবে? কাঠ লেজ কামড়ে ধরতেই তো সে বেজায় চেঁচিয়ে এক লাফ দিল। সেই লাফে ফটাং করে লেজ ছিঁড়ে একেবারে দুইখান। তখন বাঘও শিয়ালের সঙ্গে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে লাগল।
বাঘ বললে, ‘ভাগ্নে গেলুম! আমার লেজ ছিঁড়ে গিয়েছে।’
শিয়াল বললে, ‘মামা গেলুম! আমার কোমড় ভেঙ্গে গিয়েছে!’
এমনি করে দুজনে গড়াগড়ি দিয়ে এক কচুবনে ঢুকে শুয়ে রইল। বাঘ আর নড়তে-চড়তে পারে না। কিন্ত শিয়াল বেটার কিচ্ছু হয় নি, সে আগাগোড়াই বাঘকে ফাঁকি দিচ্ছে।
সেই কচুবনের ভিতর ঢের ব্যঙ ছিল, শিয়াল শুয়ে শুয়ে তাই ধরে পেট ভরে খেল। বাঘ বেদনায় অস্থির, সে ব্যঙ দেখতেই পেল না-খাবে কি! কিন্ত তার এমনি খিদে পেয়েছে যে, কিছু না খেলে সে মরেই যাবে! তখন সে শিয়ালকে জিগগেস করলে, ‘ভাগ্নে, তুমি কিছু খেয়েছ নাকি?’
শিয়াল বললে, ‘আর কি খাব? একটু কচুই খেয়েছি। খেয়ে আমার পেট বড্ড ফেপেছে।’
বাঘ আর কি করে। সে কচুই চিবিয়ে খেতে লাগল। তারপর গলা ফুলে, মুখ ফুলে, সে যায় আর কি!
তা দেখে শিয়াল বললে, ‘কি মামা, কিছু খেলে?’
বাঘ বললে, ‘খেয়েছি তো ভাগ্নে, কিন্ত বড্ড গলা ফুলেছে। তোমার তো পেট ফেঁপেছে, আমার কেন গলা ফুলল?’
শিয়াল বললে, আমি কিনা শিয়াল, আর তুমি কিনা বাঘ, তাই।’
লেজের ব্যথায় আর গলার ব্যথায় বাঘ ষোল দিন উঠতে পারলে না। এই ষোল দিন কিছু না খেয়ে সে আধমরা হয়ে গিয়েছে।
এমন সময় সে দেখলে যে, শিয়াল গা ঝাড়া দিয়ে দিব্যি চলে যাচ্ছে। তাতে সে আশ্চর্য হয়ে জিগগেস করলে, ‘কি ভাগ্নে, তোমার অসুখ কি করে সারল?’
শিয়াল বললে, ‘মামা, একটি ভারি চমৎকার ওষুধ পেয়েছি। আমি আমার হাত-পা চিবিয়ে খেলুম আর তক্ষুণি আমার অসুখ সেরে গেল। তারপর দেখতে-দেখতে নতুন হাত-পা হল।”
বাঘ বললে, ‘তাই নাকি? তবে আমাকে বলনি কেন?’
শিয়াল বললে, ‘তুমি কি আর তোমার হাত-পা চিবিয়ে খেতে পারবে? তাই বলিনি।’
এ কথায় বাঘ ভীষণ রেগে বললে, ‘তুই শিয়াল হয়ে পারলি, আর আমি বাঘ হয়ে পারব না।’
শিয়াল বললে, ‘তুমি দুটো ঠাট্রার ভয়ে অমন বিয়েটা ছেড়ে এলে! এখন যে হাত-পা চিবিয়ে খেতে পারবে, তা আমি কি করে জানব? তখন বাঘ বললে, ‘পারি কি না এই দেখ!’ বলে সে নিজের হাত-পা চিবিয়ে খেল। তারপর তিন-চার দিনের মধ্যেই ভয়ানক ঘাঁ হয়ে সে মারা গেল।
================================
আমরাও বাঘের মত জাতি। তবে কেন যেন মনে হয় এখন এরকম বোকা বাঘ হয়ে গেছি। আমরা শিয়ালদের খুব বিশ্বাস করি।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিডি আইডল বলেছেন:
মাথার উর্পে দিয়া গেল
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না জনাব কি বললেন। ![]()
একজন ব্লগার বলেছেন:
এইসব রুপকথা এত কষ্ট করে টাইপ করে পোস্টানোর মানে কি জনাব? তাও আবার ভোর রাইতে!
লেখক বলেছেন:
জনাব কি কারন ছাড়াই মাইনাচ দিতেই এসেছেন এতো রাতে?
আমি আপাতত বেকারতো তাই পোস্টাইলাম। তা জনাব করেন কি?
বিডি আইডল বলেছেন:
কিছু বুছি নাই
লেখক বলেছেন: যদি চান একটু কষ্ট করে পুরোটুকু পড়ুন আশা করি আমার চেয়ে ভালোই বুঝবেন।
সেকেতুরে বলেছেন:
অনেক মজার!
একজন ব্লগার বলেছেন:
আমি ব্লগাই।
লেখক বলেছেন: গুড।
উল্কা বলেছেন:
???
লেখক বলেছেন: ??? মানে কি?
বিডি আইডল বলেছেন:
পুরোটা পড়েই কমেন্ট করলাম...গল্পের রুপক টা কি নিয়ে তা বুঝি নাই
লেখক বলেছেন: রুপক বলে দিলে তো আর রূপক থাকলো না।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো
মিলটন বলেছেন:
পুরোটাই পড়লাম।
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
ধন্যবাদ মিলটন ভাই।
লেখক বলেছেন: শুধু শিক্ষামূলক গল্প বলেই +?
হাসি পায়নি? ![]()
ব্লগে দেখিনা কেন?
ঝুমী বলেছেন:
হাসি!!! হাসি পাবে কেন? আমার তো বরং বাঘ মামার জন্য খারাপ লেগেছে! আহারে মামা...!!!ব্লগে আসি না কেন! খুবই সোজা উত্তর...আসি না, তাই দেখা যায় না!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















