somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিশ্বাস করেন আমার একটুকুও মন খারাপ হত না যদি ভারতের কোন নাগরিক এই কথাগুলো বলতো * বরাক নদীর ওপর টিপাইমুখে বাঁধ হলেও তাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে না
* চাইলে বাংলাদেশও এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারবে।
এসব কথা এক জন ভারতীয় নাগরিকের মুখে শুনলে একটুকুও মন খারাপ হত না। তারা তাদের ভালই চাইবে। কিন্তু যখন আমাদেরই ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি এইরকম উলটাপালটা কথা বলেন তখন কেমন লাগে?
আমাদের স্ট্রং ইকোনমি এবং মিলিটারী ফোর্স নেই তাই হয়ত আমরা ভারতের উপর জোড় খাটাতে পারি না। কিন্তু তাই বলে কি সরকার প্রতিবাদও করবে না? এখন তো দেখতেছি সরকার নিজেই সব দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে।
এই গওহর রিজভী লোকটাকে আমি যখনই দুই দেশের ব্যাপারে কথা বলতে দেখছি সব সময়ই ভারতের পক্ষে উকালতি করতে দেখেছি।
Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29497246 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29497246 2011-12-06 01:18:08
চেঞ্জ ইন আওয়ার সোশাল লাইফ (১৮+) - না দোস্ত এখন না।
- কেন?
- বিয়া করলেই তো সব শেষ। বিয়া করলে বুঝবি বৌ তরে গলায় দড়ি দিয়া ঘুরাইব।
- তাইলে কি বিয়া করবিনা? মজা লইতাসস?
- আরে করমু দোস্ত কিছুদিন পর। রিমিরেই (আসল নাম নয়) বিয়া করুম। ওরে সত্যিই ভালবাসি। সংসার তো এখনি করতাসি সপ্তাহে এক দুইদিন কইরা। পরে ফাইনালি করুম।
- মানে?
প্রথমে কাহিনি কি বুজলাম না। পরে রাত্রে বিড়ি ধরাইয়া বন্ধু নিজেই বলা শুরু করলো। যা বুঝলাম তা হল। সে রিমিকে সত্যিই ভালবাসে এবং বিয়ে করবে। এখন তারা একটু আক্টু সংসার সংসার খেলে। রিমি বৃহস্পতিবার ক্লাস শেষে বন্ধুর বাসায় আসে। দুইজন ঘুরে ফিরে বাজার করে। রাতে রিমি নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ায়। খুব নাকি মজা। শুক্রবার অনেক বেলা করে উঠে। আজ সারাদিন তাদের। সারাদিন ঘুরে বেরায় রাতে রিমি রান্না করে দিয়ে যায় অথবা বাইরে খায় দুজনে। এই তাদের সপ্তাহের ২-১ দিনের সুখের সংসার।
বললাম দোস্ত রাতে যে থাকে বাড়িওয়ালা কিছু বলেনা? বন্ধু আমার দিকে চরম বিরক্তির ভংগিতে তাকিয়ে বল্ল আরে বেটা এসব ব*ল নিয়া বাড়িওয়ালা ভাববো কেন? আমার ফ্লাটে চাইরটা রূম প্রতি রুমেই পুলাপানের গার্লফ্রেন্ডরা আসে, থাকে। এইসব নিয়া এই যুগে ভাবলে বাড়ি আর ভাড়া দেয়া লাগব না উত্তরাতে।
বন্ধুকে আর কিছু বলি নাই। ইট ইজ হিজ লাইফ। তবে তার মতে এটা নাকি খুবি কমন এবং নরমাল।
ভাবি, কতই না পরিবর্তন হয়ে গেছে দেশে। গত এক বছরে ১২ ঘন্টা করে কামলা খেটে অনেক কিছুই মিস করলাম দুনিয়ার। যে ঘটনার কথা বললাম তাতো একরকম লিভ টুগেদারই। দেশে এখন এভাবে লিভ টুগেদার চালু হয়ে গেছে ভাবতেই অবাক লাগে। আমাদের ছিল কতই না সুন্দর সমাজ। অনন্য জিনিসের মত এটাও এই দেশে এসে গেল। আর আমি বুঝিনা মেয়েরা কেন এত বোকা। ঝামেলা হলে ছেলেদের না হয় কোন প্রব্লেম হয়না কিন্তু প্রেগনেন্সি, এবরশন এই সব ধকল তো মেয়ের উপর দিয়েই যায়। কিসের লোভে তারা বিয়ের আগেই আরেক ছেলের সাথে থাকে? প্রেম করা আমি মানি কিন্তু একসাথে থাকা কিভাবে মানা যায়? এই কথা বলার নিশ্চয় অপেক্ষা রাখেনা যে ছেলে মেয়ে একসাথে থাকা মানেই শারিরীক সম্পর্ক।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29490053 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29490053 2011-11-25 10:25:52
বিমানবাহিনীর আপত্তিতে ঘুরছে মেট্রোরেল, তা সত্য নয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন নিয়ে লুই কানের মূল নকশার বড় ক্ষতি আগেই করা হয়েছে। এখানে ক্রিসেন্ট লেকের ওপর সেতু তৈরি ও মাজার করা হয়েছে। মসজিদ ও মিউজিয়ামও নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো লুই কানের নকশায় কখনোই ছিল না।
জাতীয় সংসদে গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর-পর্বে বেনজীর আহমেদের লিখিত প্রশ্ন এবং ফজলে রাব্বী মিয়ার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই টেলিভিশনে টক শোতে বলেন, মেট্রো রেলপথ হলে সংসদ ভবন এলাকার কয়েকটা খেজুরগাছ কাটা যাবে। কেউ কেউ খেজুরগাছ বাঁচাতে বিমানবন্দর ধ্বংস করতে চান। বিমানবন্দর বড়, না খেজুর গাছ বড়? জিয়াউর রহমানকে কবর দেওয়ার সময় হাজার খানেক গাছ কাটা হয়। তখন কেউ টুঁ শব্দও করেনি।
সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘টক শোতে যাঁরা আলোচনার তুফান তুলে দেন, তাঁদের অনুরোধ করব, লুই কানের মূল নকশাটা দেখেন। সত্যিকার অর্থে কারা নকশা নষ্ট করেছে, তাদের কথাটা একটু মুখ ফুটে বলেন।’
অধিবেশনকক্ষে উপস্থিত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এরশাদ সাহেব এখানেই আছেন। তিনিই একটি বাক্স এনে বললেন, এখানে জিয়াউর রহমানের লাশ রাখা হবে। আমাকেও ওই সময় বঙ্গবন্ধুর লাশ টুঙ্গিপাড়া থেকে এনে ওখানে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আমি তাতে রাজি হইনি।’ তিনি বলেন, লুই কানের নকশায় স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারের বাড়ির কথা থাকলেও অনেকেই তা নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। এ নিয়ে মামলাও হয়। কিন্তু যেখানটায় ক্ষতি হলো, তা নিয়ে কেউ কথা বলেন না। তিনি আরও বলেন, মূল নকশায় ক্রিসেন্ট লেক আছে, তারপর সংসদ। কিন্তু লেকের মাঝামাঝি সেতু নির্মাণ করায় তা তীর-ধনুকের মতো হয়ে গেছে। এটা যুদ্ধের প্রতীক। আর ক্রিসেন্ট শান্তির প্রতীক।
শেখ হাসিনা বলেন, তেজগাঁও বিমানবন্দর সম্পূর্ণ সচল বিমান ঘাঁটি। সামরিক ঘাঁটি ও ত্রাণ তৎপরতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এটি ব্যবহূত হয়ে আসছে। এমআরটি লাইন-৬ (মেট্রোরেল) পথ বিজয় সরণি দিয়ে নির্মিত হলে তা বিমানের অ্যাপ্রোচ পথে আড়াআড়িভাবে একটি প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। এমআরটি লাইন-৬-এর উচ্চতার কারণে বিমান অবতরণকালে ল্যান্ডিং অ্যাপ্রোচের উচ্চতা বাড়াতে হবে। সে ক্ষেত্রে বিমানকে রানওয়ের প্রথম ভাগের একটি বড় অংশ বাদ দিয়ে অবতরণ করতে হবে। ফলে ব্যবহার্য রানওয়ের দৈর্ঘ্য আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাবে। যা বিমানবন্দরটিকে বিমানবাহিনীর বিভিন্ন বিমানের অবতরণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে। এ ছাড়া মেট্রোরেল বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারের কাছ দিয়ে গেলে শব্দদূষণ বাড়বে, ভবনটির কাঠামোয় প্রভাব পড়বে এবং যন্ত্রপাতি ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এমআরপি-৬ বিজয় সরণি দিয়ে নির্মিত হলে নভোথিয়েটার ভবন আড়ালে পড়ে যাবে। ফলে ভবনটি সৌন্দর্য হারাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাইকার সমীক্ষা অনুযায়ী, এমআরটি-৬ পথটি বিজয় সরণির মধ্যবর্তী সড়কদ্বীপ দিয়ে গেলে ফার্মগেটে মোড় নেওয়ার সময় ব্যক্তিমালিকানার দুটি ছয়তলা ভবন ভাঙতে হবে। বিজয় সরণির দক্ষিণ পাশের ফুটপাত দিয়ে গেলে ব্যক্তিমালিকানার ছয় থেকে আটটি বাড়ি ভাঙতে হবে। কিন্তু খামারবাড়ি হয়ে গেলে একটি মাত্র সরকারি ভবনের আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে অথবা নাও হতে পারে। এ ছাড়া এমআরটি-৬ লাইনটি সংসদ ভবনের পূর্ব পাশের রাস্তা অতিক্রম করার আগে ও পরে বিভিন্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা অতিক্রম করবে। এর ৩০-৪০ ফুটের মধ্যে বহু ভবন ও স্থাপনা রয়েছে। সংসদ ভবনের মূল স্থাপনা পূর্ব পাশের রাস্তা হতে এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০০ ফুট দূরে থাকায় তা শব্দদূষণ বা কম্পনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই।
বিকল্প অর্থায়নের প্রয়োজন হবে না: এস কে আবু বাকেরের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতা সাময়িক। এটি নিরসনের উদ্যোগ চলছে। আশা করা যায়, শিগগির এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বিকল্প অর্থায়নের প্রয়োজন হবে না।
সামসুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকার যানজট নিরসনে বর্তমান সরকার মিরপুর-বিমানবন্দর সড়কে ফ্লাইওভার, বনানী ও জুরাইন রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস নির্মাণ, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা-তারাব-কাঁচপুর সড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণ, যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর পোল্ডার রোডকে আট লেনে উন্নীতকরণ, গাবতলী-সোয়ারীঘাট সড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বাইপাস সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, টঙ্গী-কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, মিরপুর-ধউর-কড্ডা সড়ক নির্মাণ এবং সোয়ারীঘাট-সদরঘাট-পোস্তগোলা সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নিকট ভবিষ্যতে তিস্তা চুক্তির আশাবাদ: মজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করা যায়, ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি নিকট ভবিষ্যতে স্বাক্ষরিত হবে। ভারতের সঙ্গে ২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি প্রকাশিত যৌথ ইশতেহার অনুযায়ী আশুগঞ্জ-সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-সুলতানপুর-চিনাইর-আখাউড়া-সেনারবাদি (আগরতলা) সড়কপথে ওভার ডাইমেনশনাল কার্গো পরিবহনের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং ত্রিপুরা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক হয়। গত ২৮ মার্চ থেকে এই পথে ওভার ডাইমেনশনাল কার্গো পরিবহন শুরু হয়েছে। এ ছাড়া সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে এ পথে ভারতীয় পণ্য সীমিত আকারে পরিবহন করা হচ্ছে।


-- ভাই আমরা সাধারন মানুষ কোনদিকে যাব???]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29473088 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29473088 2011-10-27 12:20:36
বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্তে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়নি: দীপু মন এইখানে দেখুন
মনে প্রাণে একজন ভারতীয়ের মুখে কথাটা ঠিকি আছে। বিশ্বব্যাংকের ঘটনায় তো বাংলাদেশের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ণ হয়ছে ভারতের নয়।
আরেক সাচ্চা ভারতীয় আছে গওহর রিজভী। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29467297 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/29467297 2011-10-16 17:35:55
কেউ কি ক্যস্পারাস্কি জেনুইন এন্টিভাইরাস ইউজ করেন? http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28932943 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28932943 2009-04-03 02:30:43 একটু বুদ্ধি দেননা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> নাকি মোবিডাটা কিনবো?

কোনটা ভালো?

সেকেন্ডহ্যান্ড এজ মডেম কিনতেও যথেষ্ট আগ্রহী। কেউ বিক্রি করলে আওয়াজ দেন প্লীজ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28921178 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28921178 2009-03-07 22:56:49
বাংলার তাজমহল
দেখতে নাকি খুবই মনোরম যদিও অভিযোগ আছে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবার আগেই খুলে দেয়া হয়েছে।
আপনারা সময় পেলে পরিবার পরিজন, গার্লফ্রেন্ড (লেডি ব্লগাররা বয়ফ্রেন্ড) নিয়ে ঘুরতে যাবেন।

তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো ওখানে কিভাবে যেতে হয় ঢাকা থেকে আমি সঠিক জানিনা। আমারও যাওয়ার খুব ইচ্ছা।
কেউ যদি বলেন কিভাবে যেতে হয় খুব ভালো হয়। আমার মনে হয় বেশিরভাগ ব্লগারই যেতে চান। কেউ গিয়ে থাকলে আওয়াজ প্লিজ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28885932 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28885932 2008-12-21 23:24:51
ঢাকার কিছু পুরনো ছবি
কারও ভাল লাগলে এখানে অথবা পিকাসাতে কম্মেন্ট দিয়েন।

ছবিগুলোর লিঙ্ক
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28867008 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28867008 2008-11-10 02:27:11
সরকারের কি একটু মস্করা করারও অধিকার নেই। <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
পুলিশের চোখে পলাতক জামায়াত নেতা মুজাহিদের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মঙ্গলবারের এই বৈঠক নিয়ে পুলিশ প্রধান নূর মোহাম্মদকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,"এগুলো নিয়ে আমি আর কথা বলতে চাই না।" --'সরি'-বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

বড়পুকুরিয়া খয়লা খনি দুর্নীতি মামলার অন্যতম আসামী মুজাহিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে তাকে মামলাটিতে পলাতক দেখিয়ে পুলিশ রোববার আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।

এরপর পুলিশ কমিশনার নাইম আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের উত্তরে জানান, সামাজিক মর্যাদার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার সংলাপ শেষে সাংবাদিকরা একই প্রশ্ন করেন উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমানের কাছে। জবাব এড়িয়ে উপদেষ্টা বলেন, "তার আইনজীবী এখানে উপস্থিত আছেন, এ বিষয়ে তিনি কথা বলবেন।"

মুজাহিদের আইনজীবী ও সংলাপে অংশ নেওয়া জামায়াত নেতা ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, "অনেক রাজনীতিবীদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও মামলা আছে। আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।"

তিনি আরও বলেন, "উচ্চ আদালতে তার জামিনের আবেদন করা হয়েছে। এমাসের ১৬ তারিখে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আমি মনেকরি, বৈঠকে তার উপস্থিত হতে আইনগত বাধা নেই।"

ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আজিজুল হক ৬ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদসহ এ মামলার ৯ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ তাকে বাড়িতে না পেয়ে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। রোববার আদালতে জমা দেয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তা এমনই দাবি করেছেন।

হুলিয়া মাথায় নিয়ে মুজাহিদ বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বক্তৃতা করেছেন এবং প্রকাশ্যে চারদলের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। সোমবার বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে সরকার এই বলে হুশিয়ার করে দেন যে, এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘœ হতে পারে।

বিচারক মো. আজিজুল হক জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আলী আহসান মুজাহিদসহ অন্যান্যদের আদালতে হাজির হওয়ার নিদের্শ দেন এবং এই নির্দেশ অমান্য করা হলে কেন তাদের সম্পত্তি জব্দ করা হবে না তা জানতে চেয়ে আগামী ১৬ অক্টোবরের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের নির্দেশ দেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/ইএইচবি/এডি/জিএনএ/২০০০ ঘ.


এগুলা কিন্তু সত্য না। ফখ্রু সরকার একটু দেশবাসীর সাথে মস্করা করতেছে আর কি।
(কিন্তু গুনিজন বলেন মস্করার একটু লিমিট থাকা দরকার<img src=(" style="border:0;" />)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28854808 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28854808 2008-10-15 02:02:15
প্রসংগ: হল ভ্যাকেন্ট এই সরকার যদিও জরুরী অবস্থা জারি করে দেশ চালাচ্ছে আশা করা যাচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো কম বন্ধ থাকবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা যাচ্ছে যে এই সরকারের আমলেই সবচেয়ে বেশি বন্ধ থাকছে। ২১শে আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাবিসহ অন্যন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো বন্ধ ছিলো দুই মাসেরও বেশি।

আজ আবার বন্ধ হলো রাজশাহী মেডিকেল কলেজ। বন্ধ মানে একেবারে হল ভ্যাকেন্ট।
হল ভ্যকেন্ট করা হলে ছাত্রছাত্রীদের খুবই অল্প সময়ের মধ্যে সকল মালামাল নিয়ে হল ছেড়ে দিতে হয়। ছাত্রীরা যে কি অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে পড়ে তা তো নীতিনির্ধারকরা একদম বুঝেন না। তাদের সন্তানরা তো আর এসবে পড়েনা।

সঙ্ঘর্ষ করে কতিপয় ছাত্র। এজন্য সবার শাস্তি হওয়াটা খুবই অমানবিক।
অপরাধীকে শাস্তি না দেয়া অপরাধ, কিন্তু নিরপরধীকে শাস্তি দেয়া আরও বেশি অপরাধ।

শোনা যাচ্ছে নির্বাচন উপলক্ষে সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। এমনিতেই যা সেশনজট তখনতো অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াবে। এ কেমন নির্বাচন যে হল ভ্যাকেন্ট করে করতে হবে। গনতান্ত্রিক দেশে এভাবে নির্বাচন বরদাশত করা যায় না।

সম্প্রতি হল ভ্যাকেন্ট হয়ে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,
বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ,
বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ,
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ।

মনে হয় নির্বাচন উপলক্ষে এই লিস্ট আরও বাড়বে। বাড়লে কেউ এড করে দিয়েন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28842293 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28842293 2008-09-12 22:58:49
বোকা বাঘ
তাদের দেখলেই শিয়ালের ভারি খেতে ইচ্ছে হত। কিন্ত রাজার রাখালগুলির ভয়ে তাদের কাছে আসতে পারত না।

তখন শিয়াল তার গর্তের ভিতর থেকে খুঁড়তে আরম্ভ করল। খুঁড়ে-খুঁড়ে সে তো ছাগলের ঘরে এসে উপস্থিত হল, কিন্ত তবু ছাগল খেতে পেল না।

রাখালের দল তখন সেখানে বসেছিল। তারা শিয়ালকে দেখতে পেয়েই ধরে বেঁধে ফেলল। তারপর তাকে খোঁটায় বেঁধে রেখে তারা চলে গেল। যাবার সময় বলে গেল, ‘কাল এটাকে নিয়ে সকলকে তামাশা দেখাব, তারপর মারব। আজ রাত হয়ে গেছে।’

রাখালেরা চলে গেছে, শিয়াল মাথা হেঁট করে বসে আছে, এমন সময় এক বাঘ সেইখান দিয়ে যাচ্ছে। শিয়ালকে দেখে বাঘ ভারি আশ্চর্য হয়ে বললে, ‘কি ভাগ্নে, এখানে বসে কি করছ?’

শিয়াল বললে, ‘বিয়ে করছি।’

বাঘ বললে, ‘তবে কনে কোথায়? লোকজন কোথায়?’

শিয়াল বললে, কনে তো রাজার মেয়ে! লোকজন তাকে আনতে গেছে।’

বাঘ বললে, তুমি বাঁধা কেন?’

শিয়াল বললে, আমি কিনা বিয়ে করতে চাইনি, তাই আমাকে বেঁধে রেখে চলে গেছে, পাছে আমি পালাই।’

বাঘ বললে, ‘সত্যি নাকি। তুমি বিয়ে করতে চাচ্ছ না?’

শিয়াল বললে, ‘সত্যি মামা। আমার বিয়ে করতে একটুও ইচ্ছে হচ্ছে না।’

তা শুনে বাঘ ভারি ব্যস্ত হয়ে বললে, ‘তবে তোমার জায়গায় আমাকে বেঁধে রেখে তুমি চলে যাও না।’

শিয়াল বললে, ‘এক্ষুণি। তুমি আমার বাঁধন খুলে দাও, তারপর আমি তোমাকে বেঁধে রেখে যাচ্ছি।’

তখন বাঘের আনন্দ আর দেখে কে। সে অমনি এসে শিয়ালের বাঁধন খুলে দিল। শিয়ালও আর দেরি না করে, তাকে ভালো মতো খোঁটায় বেঁধে বললে, ‘এক কথা, মামা। তোমার শালারা এসে তোমার সঙ্গে হাসি-তামাশা করবে। তাতে তুমি চটো না যেন?’

বাঘ বললে, ‘আরে না। আমি তাতে চটি? আমি বুঝি এতই বোকা।’ এ কথায় শিয়াল হাসতে-হাসতে চলে গেল। বাঘ ভাবতে লাগল, কখন কনে নিয়ে আসবে।

সকাল বেলায় রাখালের দল এসে উপস্থিত হল। বাঘ তাদের দেখে ভাবল, ‘ঐ আমার শালারা এসেছে। এক্ষুণি হয়তো ঠাট্টা করবে। আর তাহলে আমাকেও খুব হাসতে হবে।’

রাখালেরা এসেছিল শিয়াল মারতে। এসে দেখলে, বাঘ বসে আছে। অমনি তো ভারি একটা হৈ-চৈ পড়ে গেল। কেউ-কেউ পালাতে চায়, কেউ-কেউ তাদের থামিয়ে বললে, ‘আরে, বাঁধা রয়েছে দেখছিস না? ভয় কি? কুড়ুল, খন্তা, বল্লম নিয়ে আয়।’

তখন একজন একটা মস্ত ইট এনে বাঘের গায়ে ছুঁড়ে মারল।

তাতে বাঘ বললে, ‘হীঃ, হীঃ, হিহি, হিহি।’

আর একজন একটা বাঁশ দিয়ে গুঁতো মারলে।’

তাতে বাঘ বললে, ‘হীঃ, হীঃ, হিহি, হিহি।’

আর একজন একটা বল্লম দিয়ে খোঁচা মারলে।

তাতে বাঘ বললে, ‘উঃ হূ, হুঃ। হোহো হোহো হোহো।-বুঝেছি তোমরা আমার শালা।’

আবার তারা বল্লমের খোঁচা মারলে।

তাতে বাঘ বেজায় রেগে বললে, ‘দুত্তোর! এমন ছাই বিয়ে আমি করব না।’ বলে সে দড়ি ছিঁড়ে বনে চলে গেল।

বনের ভিতরে এক জায়গায় করাতীরা করাত দিয়ে কাঠ চিরত। একটা মস্ত কাঠ আধখানা চিরে রেখে, সেইখানে গোঁজ মেরে করাতীরা চলে গিয়েছে। একই সময় বাঘ বনের ভিতর এসে দেখে, শিয়াল সেই আধচেরা কাঠখানার উপর বিশ্রাম করছে।

শিয়াল তাকে দেখেই বললে, ‘কি মামা, বিয়ে কেমন হল?’

বাঘ বললে, ‘না ভাগ্নে, ওরা বড্ড বেশী ঠাট্রা করে। তাই আমি চলে এসেছি।’

শিয়াল বললে, ‘তা বেশ করেছ। এখন এস, দুজনে বসে গল্প-সল্প করি।’

বলতেই বাঘ লাফিয়ে কাঠের উপর উঠেছে, আর বসেছে ঠিক যেখানটায় কাঠটা খুব হাঁ করে আছে, সেইখানে। তার লেজটা সেই ফাঁকের ভিতরে ঢুকে ঝুলে রয়েছে।

শিয়াল দেখলে যে, এবার কাঠ থেকে গোঁজটি খুলে নিলেই বেশ তামাশা হবে। সে বাঘকে নানান ভাষায় ভোলাচ্ছে, আর একটু-আধটু করে গোঁজটিকে নাড়ছে। নাড়তে-নাড়তে এমন করছে যে, এখন টানলেই সেটা খুলে যাবে, আর কাঠ বাঘের লেজ কামড়ে ধরবে। তখন সে ‘মামা, গেলুম!’ বলে সেই গোঁজসুদ্ধ মাটিতে পড়ে গড়াগড়ি দিতে লাগল।

আর বাঘের যে কি হল, সে আর বলে কি হবে? কাঠ লেজ কামড়ে ধরতেই তো সে বেজায় চেঁচিয়ে এক লাফ দিল। সেই লাফে ফটাং করে লেজ ছিঁড়ে একেবারে দুইখান। তখন বাঘও শিয়ালের সঙ্গে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে লাগল।

বাঘ বললে, ‘ভাগ্নে গেলুম! আমার লেজ ছিঁড়ে গিয়েছে।’

শিয়াল বললে, ‘মামা গেলুম! আমার কোমড় ভেঙ্গে গিয়েছে!’

এমনি করে দুজনে গড়াগড়ি দিয়ে এক কচুবনে ঢুকে শুয়ে রইল। বাঘ আর নড়তে-চড়তে পারে না। কিন্ত শিয়াল বেটার কিচ্ছু হয় নি, সে আগাগোড়াই বাঘকে ফাঁকি দিচ্ছে।

সেই কচুবনের ভিতর ঢের ব্যঙ ছিল, শিয়াল শুয়ে শুয়ে তাই ধরে পেট ভরে খেল। বাঘ বেদনায় অস্থির, সে ব্যঙ দেখতেই পেল না-খাবে কি! কিন্ত তার এমনি খিদে পেয়েছে যে, কিছু না খেলে সে মরেই যাবে! তখন সে শিয়ালকে জিগগেস করলে, ‘ভাগ্নে, তুমি কিছু খেয়েছ নাকি?’

শিয়াল বললে, ‘আর কি খাব? একটু কচুই খেয়েছি। খেয়ে আমার পেট বড্ড ফেপেছে।’

বাঘ আর কি করে। সে কচুই চিবিয়ে খেতে লাগল। তারপর গলা ফুলে, মুখ ফুলে, সে যায় আর কি!

তা দেখে শিয়াল বললে, ‘কি মামা, কিছু খেলে?’

বাঘ বললে, ‘খেয়েছি তো ভাগ্নে, কিন্ত বড্ড গলা ফুলেছে। তোমার তো পেট ফেঁপেছে, আমার কেন গলা ফুলল?’

শিয়াল বললে, আমি কিনা শিয়াল, আর তুমি কিনা বাঘ, তাই।’

লেজের ব্যথায় আর গলার ব্যথায় বাঘ ষোল দিন উঠতে পারলে না। এই ষোল দিন কিছু না খেয়ে সে আধমরা হয়ে গিয়েছে।

এমন সময় সে দেখলে যে, শিয়াল গা ঝাড়া দিয়ে দিব্যি চলে যাচ্ছে। তাতে সে আশ্চর্য হয়ে জিগগেস করলে, ‘কি ভাগ্নে, তোমার অসুখ কি করে সারল?’

শিয়াল বললে, ‘মামা, একটি ভারি চমৎকার ওষুধ পেয়েছি। আমি আমার হাত-পা চিবিয়ে খেলুম আর তক্ষুণি আমার অসুখ সেরে গেল। তারপর দেখতে-দেখতে নতুন হাত-পা হল।”

বাঘ বললে, ‘তাই নাকি? তবে আমাকে বলনি কেন?’

শিয়াল বললে, ‘তুমি কি আর তোমার হাত-পা চিবিয়ে খেতে পারবে? তাই বলিনি।’

এ কথায় বাঘ ভীষণ রেগে বললে, ‘তুই শিয়াল হয়ে পারলি, আর আমি বাঘ হয়ে পারব না।’

শিয়াল বললে, ‘তুমি দুটো ঠাট্রার ভয়ে অমন বিয়েটা ছেড়ে এলে! এখন যে হাত-পা চিবিয়ে খেতে পারবে, তা আমি কি করে জানব? তখন বাঘ বললে, ‘পারি কি না এই দেখ!’ বলে সে নিজের হাত-পা চিবিয়ে খেল। তারপর তিন-চার দিনের মধ্যেই ভয়ানক ঘাঁ হয়ে সে মারা গেল।


================================

আমরাও বাঘের মত জাতি। তবে কেন যেন মনে হয় এখন এরকম বোকা বাঘ হয়ে গেছি। আমরা শিয়ালদের খুব বিশ্বাস করি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28839760 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28839760 2008-09-07 02:38:14
বাংলাদেশ থেকে সচলায়তন পড়তে চাইলে আমার কথা শুনুন <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
আমি একটু চেষ্টা করলাম সচলায়তন পরার। সফল হলাম সহজেই। কেউ পরতে চাইলে ফলো করুন...

১। reader.google.com এ যেয়ে Add subscription এ http://www.sachalayatan.com/rss.xml পেস্ট করুন। তারপর Add. (Firefox ইউজ করুন প্লিজ)। তারপর দেখবেন ফিডলিস্টে সচলায়তনের সব ফিডগুলি চলে এসেছে। যেটা পরতে চান সেটার উপর রাইট ক্লিক করে লিঙ্কটা কপি করুন।তারপর


২। http://www.google.com/m?source=mobileproducts এ যান এখানে উপরোক্ত কপি করা লিঙ্কটি পেষ্ট করে সার্চ দিন। তারপর প্রথম সার্চ রেজাল্টে ক্লিক করুন এবং পড়া শুরু করুন।

আমার বলতে সময় লাগলেও ব্যাপারটি খুবই সহজ। চেষ্টা করুন আপনিও পারবেন।

আর যারা এই কষ্টটুকুও করতে চান না মানে চুড়ান্ত আইলসা তারা এই লিঙ্ক এ যান সরাসরি Click This Link এখানে যান আর ব্লগ পড়তে থাকুন। এনজয় <img src=" style="border:0;" />




বি. দ্র. ইহা কোন কপি পেস্ট পোস্ট নয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28821761 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28821761 2008-07-19 03:41:00
রক্ত দিন জীবন বাঁচান
এটা অন্যগুলির চেয়ে আলাদা।
কারন


১। এর আগের কাজগুলি করা হয়েছিল এক রকম মুখে মুখে। কাজেই সার্চিং ও আপডেট করাটা এত সহজ ছিলোনা। এটা অনেক মর্ডান ও effective ভাবে করা হচ্ছে যা ফরমটা পূরণ করলেই বুঝতে পারবেন।

২। সবার ফর্ম পুরন শেষে আমি একটা লিঙ্ক দিবো যেখানে যেয়ে সবাই দেখতে পারবেন আরেকজনের ব্লাডগ্রুপ এবং সর্বশেষ ব্লাড প্রদানের তারিখ (এটা আপডেট হবে আমাকে মেইল করলে অথবা আপনি নিজেই করতে পারবেন)। এটা Google Docs এর একটা পেজ হবে যা আপডেট করা খুবই সহজ।

৩। আমার দেয় লিঙ্ক থেকে যে কেউ রক্তের প্রয়োজনে ফোনে যোগাযোগ করে আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। কেউ যদি চান তার মোবাইল নাম্বার দিবেন শুধু জরুরী প্রয়োজনের জন্য কিন্তু পাব্লিক ভিউ তে তা থাকবেনা তাও করতে পারেন। তাহলে আমাকে সেটা ইমেইল করে জানাতে হবে।

৪। ব্লাডগ্রুপের পাশাপাশি জন্মদিনও থাকবে। ফলে আপনি আপনার জন্মদিনে অবাক হয়ে যেতে পারেন অপরিচিত কারো উইশ পেয়ে। (যেমন কাল আমার জন্মদিন ছিল, মিল্টন ভাইএর কল্যানে অনেক অপরিচিতজনের উইশ পেয়েছি)।


ফরমটি পূরণ করতে Click This Link

যেকোন সমস্যায় আমাকে সরাসরি ই-মেইল করুন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28820022 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28820022 2008-07-14 01:14:21
দেখেন তো কেউ পারেন কিনা Google desktop, Google Docs, Googlepages, Google reader, Google এর ইমেজ সার্ভিস Picassa চলেনা ঠিকমত।
এমনকি জিমেইলের নতুন ভার্সনও (যেটাতে কালার্ড লেবেল আছে )।

Mask as firefox অপশনটি use করেও কোন লাভ হয়না।
ব্লগের বিজ্ঞ টেকি বন্ধুরা
কেউ কি এই সমস্যাটির সমাধান দিতে পারবেন?


বি. দ্র.: আমি অপেরার লেটেস্ট ভার্সন ৯.৫১ ই ব্যবহার করি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28818461 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28818461 2008-07-09 12:43:23
জানলে হেল্প মি http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28812656 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28812656 2008-06-23 01:28:05 কোন আক্কেলে শাহবাগে ভিডিও স্ক্রীন দেয়া হলো? কিন্তু এগুলো স্থাপনের ক্ষেত্রে যথেস্ট কৌশলী হয়া প্রয়োজন।


এই মোড়েই বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বারডেম হাসপাতাল, পাবলিক লাইব্রেরী রয়েছে। এইসব স্থানে উচ্চমাত্রার নিরবতা কাম্য। আর এখানেই দেয়া হচ্ছে সারাদিন এড! সারাদিন ঘ্যান ঘ্যান শব্দ। সুস্থ্য দোকানদারেরই মাথা ধরে যায় আর সাধারন রোগী এবং ছাত্রদের কি অবস্থা হয় নিরেট বুদ্ধির সরকারি আমলারা কি তা ভেবে দেখেছে?

শাহবাগ হচ্ছে ঢাকা শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং দুর্ঘটনা পুর্ণ মোড়। প্রতি বছরই এই মোড়ে সাধারন পথচারী ও ঢাবির মেধাবী ছাত্রছাত্রী প্রান হারায়।
আর এখানে ভিডিও স্ক্রীন দিলে অবশ্যই গাড়ি চালকরা ও পথচারিরা সেদিকে তাকাবে (নিদেনপক্ষে না তাকালেও মনোযোগ বিঘ্নিত হবে, যেহেতু ভিডিও স্ক্রীন দেয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো পথচারীর দৃষ্টি আকর্ষন)। আর এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে চালকের দোষ নাকি সরকারের দোষ?

এটা দেখে যার পর নাই বিস্মিত হলাম যে এর উদ্বোধন করেছেন নির্বাচন কমিশনার। জনগনের প্রতি কতটা উদাসীনতা থাকলে সামান্য কয়েকটি টাকার বিনিময়ে এটা করার অনুমতি দেয়া হয়?
দেশে ইমার্জেন্সী না থাকলে এর বিরুদ্ধে হয়তো আন্দোলন হতো।

বিজ্ঞাপনকারীরা চাইবেই তাদের বিজ্ঞাপন প্রচারিত হোক যেকোনো ভাবে। কিন্তু সেটা যদি সাধারন জনগনের ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায় তখন তা বন্ধ করার দায়িত্ব সরকারের। আর কিনা এখানে সরকারের আমলা নিজেই সহযোগিতা করছে উদ্বোধন করে।

অবিলম্বে এই ভিডিও স্ক্রীন তুলে নেয়ার দাবি জানাচ্ছি বড় কোন দুর্ঘটনা (নাকি পরিকল্পিত হত্যা?) ঘটার আগেই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28812538 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28812538 2008-06-22 18:39:02
মোবাইল টেলিফোন কোম্পানিগুলোর গ্রাহকসংখ্যার একটি হিসাব আমি একটা পরিসংখ্যান দিচ্ছি যা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র বিটিটিবি থেকে নেয়া।


Nnumber of Mobile Phone Subscribers at the end of March 2008.


Grameen Phone Ltd. (GP) 17.81 মিলিয়ন

Aktel 7.45 মিলিয়ন

Banglalink 8.31 মিলিয়ন

Citycell 1.56 মিলিয়ন

Teletalk 1.01 মিলিয়ন

Warid 2.79 মিলিয়ন

Total 38.93 মিলিয়ন


* ১ মিলিয়ন = ১০ লক্ষ



লিঙ্কঃ Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28806253 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28806253 2008-06-04 19:02:19
[গল্প] বাঘের পালকি চড়া
শিয়াল একদিন বাঘকে নিমন্ত্রণ করল, কিন্ত তার জন্যে খাবার কিছু তয়ের করল না! বাঘ যখন খেতে এল, তখন তাকে বললে, ‘মামা, একটু বস। আর দু-চারজনকে নিমন্ত্রণ করেছি, তাদের ডেকে নিয়ে আসি।’

এই বলে শিয়াল চলে গেল, আর সে রাত্রে ফিরল না। বাঘ সারারাত বসে থেকে, সকালবেলা শিয়ালকে বকতে-বকতে বাড়ি চলে গেল।

তারপর একদিন বাঘ শিয়ালকে নিমন্ত্রণ করল। শিয়াল এলে তাকে খেতে দিল মস্ত-মস্ত মোটা-মোটা হাড়। তার এক-একটা লোহার মত শক্ত। শিয়াল বেচারার চারটে দাঁত ভেঙ্গে গেল, তবু সেই হাড়ের একটুও সে চিবিয়ে ভাঙ্গতে পারল না। বাঘ ঐরকম হাড় খেতেই খুব ভালবাসে। সে মনের সুখে পেট ভরে হাড় চিবিয়ে খেলে, আর বললে, ‘কি ভাগ্নে, পেট ভরল তো?’

শিয়াল হাসতে হাসতে বললে, ‘হ্যাঁ মামা, আমার বাড়িতে তোমার যেমন পেট ভরেছিল, তোমার বাড়িতেও আমার তেমনি পেট ভরেছে।’ মনে-মনে কিন্ত তার ভয়ানক রাগ হল, আর সে বললে, ‘যদি বাঘমামাকে জব্দ করতে পারি, তবে দেশে ফিরব, নইলে আর দেশে ফিরব না।’

এই মনে করে শিয়াল সে-দেশ ছেড়ে আর এক দেশে চলে গেল। সে নতুন দেশে অনেক আখের তে ছিল। শিয়াল সেই আখের ক্ষেতে থাকত আর খুব করে আখ খেত। যা খেতে পারত না, ভেঙ্গে রেখে দিত।

চাষীরা বললে, ‘ভালো রে ভালো, এমন করে আমাদের আখ কোন দুষ্টু শিয়াল ভেঙ্গে রেখে দেয়? বেটাকে এর সাজা দিতে হবে।’

বলে তারা ক্ষেতের পাশে এক খোঁয়ার তয়ের করল।

কাঠ দিয়ে ছোট্ট ঘরের মতন খোঁয়ার তয়ের করতে হয়। তার ভিতরে কোন জন্ত ঢুকলে তার দরজা আপনি বন্ধ হয়ে যায়। তাতেই সে জন্ত খোঁয়াড়ের ভিতর আটকা পড়ে।

চাষীরা যখন খোঁয়াড় তয়ের করছে, শিয়াল তখন হাসছে আর বলছে ‘আমার জন্যে, না মামার জন্যে? এমন সুন্দর ঘরে মামা থাকলেই ভালো হয়।’

তার পরদিনই সে বাঘকে গিয়ে বললে, ‘মামা, একটি বড় নিমন্ত্রণ তো এসেছে। রাজার ছেলের বিয়ে, সেখানে আমি গান গাইব, আর তুমি বাজাবে। আর খাব যা, তার তো কথাই নেই! তারা পালকি পাঠিয়েছে, যাবে মামা?’

বাঘ বললে, ‘তা আর যাব না! এমন নিমন্ত্রণটা কি ছাড়তে আছে! আবার তারা পালকিও পাঠিয়েছে!’

শিয়াল বললে, ‘সে কি যে-সে পালকি? এমন পালকিতে আর চড়নি মামা।’ এমনি কথাবার্তা বলে দুজনে সেই আখের ক্ষেতের ধারে এল, যেখানে সেই খোঁয়াড় রয়েছে। খোঁয়াড় দেখে বাঘ বললে, ‘খালি পালকি পাঠিয়েছে, বেয়ারা পাঠায়নি যে?’

শিয়াল বললে, ‘আমরা উঠে বসলেই বেয়ারা আসবে এখন।’

বাঘ বললে, ‘পালকির যে ডাণ্ডা নেই, বেয়ারারা কি করে বইবে?’

শিয়াল বললে, ‘ডাণ্ডা তারা সঙ্গে আনবে।’

একথা শুনে বাঘ যেই খোঁয়াড়ের ভিতর ঢুকেছে, অমনি ধরাস করে তার দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তখন শিয়াল বললে, ‘মামা, দরজাটা বন্ধ করে দিলে আমি ঢুকব কি করে?’

বাঘ বললে, ‘তোমার ঢুকে কাজ নেই এবারের নিমন্ত্রণটা আমিই খাইগে।’

শিয়াল বললে, ‘বেশ কথা মামা! খুব ভালো করে পেট ভরে নিমন্ত্রণ খেও। কম খেও না যেন!’ এই বলে শিয়াল হাসতে-হাসতে তার দেশে চলে গেল।

তারপর চাষীরা এসে দেখল যে বাঘমশাই খোঁয়াড়ের ভিতর বসে আছেন। তখন তারা কি খুশি যে হল, কি বলব!

তারা সকলকে ডেকে বললে, ‘আন খন্তা, আন বল্লম,আন যে যা পারিস! খোঁয়াড়ে বাঘ পড়েছে। আয় তোরা কে কোথায় আছিস।’

অমনি সকলে ছুটে এসে বাঘকে মেরে শেষ কর।

--------------
বেশি চালাক ও ধুরন্ধর লোককে বিশ্বাস করার আগে দুবার ভাবতে হয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28806251 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28806251 2008-06-04 18:51:41
মজন্তালী সরকার
শেষে একদিন সে গোয়ালাদের বিড়ালকে বললে, ‘ভাই, আজ আমার বাড়িতে তোমার নিমন্ত্রণ।’

সব কিন্তু মিছে কথা। নিজেই খেতে পায় না, সে আবার নিমন্ত্রণ খাওয়াবে কোথা থেকে? সে ভেবেছে, ‘গোয়ালাদের বিড়াল আমাদের বাড়ি এলেই আমার মত ঠেঙ্গা খাবে আর মরে যাবে, তারপর আমি গোয়ালাদের বাড়িতে গিয়ে থাকব।’

যে কথা সেই কাজ। গোয়ালাদের বিড়াল জেলেদের বাড়িতে আসতেই জেলেরা বললে, ঐ রে। গোয়ালাদের সেই দই-দুধ-খেকো চোর বিড়ালটা এসেছে, আমাদের মাছ খেয়ে শেষ করবে। মার বেটাকে!’

বলে তারা তাকে এমনি ঠেঙান ঠেঙালে যে, বেচারা তো মরেই গেল। রোগা বিড়াল তো জানতই যে, এমনি হবে। সে তার আগেই গোয়ালাদের বাড়ি গিয়ে উপস্থিত হয়েছে! সেখানে খুব করে ক্ষীর-সর খেয়ে, দেখতে-দেখতে সে মোটা হয়ে গেল। তখন আর সে অন্য বিড়ালদের সঙ্গে কথা কয় না, আর নাম জিজ্ঞেস করলে বলে, ‘মজন্তালী সরকার।’

একদিন মজন্তালী সরকার কাগজ কলম নিয়ে বেড়াতে বেরুল। বেড়াতে-বেড়াতে সে বনের ভিতরে গিয়ে দেখল যে, তিনটি বাঘের ছানা খেলা করছে। সে তাদের তিন তাড়া লাগিয়ে বলল, ‘এই-য়ো! খাজনা দে!’ বাঘের ছানাগুলো তার কাগজ কলম দেখে আর ধমক খেয়ে বড্ড ভয় পেল। তাই তারা তাড়াতাড়ি তাদের মায়ের কাছে গিয়ে বললে, ‘ও মা, শিগগির এস! দেখ এটা কি এসেছে, আর কি বলছে!’

বাঘিনী তাদের কথা শুনে এসে বললে, ‘তুমি কে বাছা? কোত্থেকে এলে? কি চাও?’

মজন্তালী বললে, ‘আমি রাজার বাড়ির সরকার, আমার নাম মজন্তালী। তোরা যে আমাদের রাজার জায়গায় থাকিস, তার খাজনা কই? খাজনা দে!’

বাঘিনী বললে, ‘খাজনা কাকে বলে তা তো জানিনে! আমরা খালি বনে থাকি, আর কেউ এলে তাকে ধরে খাই। তুমি না হয় একটু বস, বাঘ আসুক।’

তখনই মজন্তালী একটা উঁচু গাছের তলায় বসে, চারদিকে উঁকি মেরে দেখতে লাগল। খানিক বাদেই সে দেখল-ঐ বাঘ আসছে। তখন সে তাড়াতাড়ি কাগজ কলম রেখে, একেবারে গাছের আগায় গিয়ে উঠল।

বাঘ আসতেই তো বাঘিনী তার কাছে সব কথা বলে দিয়েছে, আর বাঘের যে কি রাগ হয়েছে কি বলব! সে ভয়ানক গর্জন করে বললে, ‘কোথায় সে হতভাগা? এখুনি তার ঘাড় ভাঙছি!’

মজন্তালী গাছের আগা থেকে বললে, ‘কি রে বাঘা, খাজনা দিবি না? আয়, আয়!’

শুনেই তো বাঘ দাঁত মুখ খিঁচিয়ে বললে, ‘হাল্লুম!’ বলে দুই লাফে সেই গাছে গিয়ে উঠেছে। কিন্ত খালি উঠলে কি হয়? মজন্তালীকে ধরতে পারলে তো! সে একটুখানি হালকা জন্তু, সেই কোন সরু ডালে উঠে বসেছে, অত বড় ভারি বাঘ সেখানে যেতে পারছে না। না পেরে রেগে-মেগে বেটা দিয়েছে এক লাফ, অমনি পা হড়কে গিয়েছে পড়ে! পড়তে গিয়ে দুই ডালের মাঝখানে মাথা আটকে, তার ভেঙে প্রান বেরিয়ে গিয়েছে।

তা দেখে মজন্তালী ছুটে এসে তার নাকে তিন চারটে আঁচড় দিয়ে, বাঘিনীকে ডেকে বললে, এই দেখ, কি করেছি। আমার সামনে বেয়াদবি!’

এ সব দেখে শুনে তো ভয়ে বাঘিনী বেচারীর প্রাণ উড়ে গেল! সে হাত জোড় করে বললে, ‘দোহাই মজন্তালী মশাই, আমাদের প্রাণে মারবেন না! আমরা আপনার চাকর হয়ে থাকব!’

তাতে মজন্তালী বললে, ‘আচ্ছা তবে থাক্‌, দোহাই ভালো করে কাজকর্ম করিস, আর আমাকে খুব ভালো খেতে দিস।’

সেই থেকে মজন্তালী বাঘিনীদের বাড়িতেই থাকে। খুব করে খায় আর বাঘিনীর ছানাগুলির ঘাড়ে চড়ে বেড়ায়। সে বেচারারা তার ভয়ে একেবারে জড়-সড় হয়ে থাকে, আর তাকে মনে করে, না জানি কত বড় লোক!

একদিন বাঘিনী তাকে হাতজোড় করে বললে, মজন্তালী মশাই, এ বনে খালি ছোট-ছোট জানোয়ার, এতে কিছু আপনার পেট ভরে না। নদীর ওপারে খুব ভারি বন আছে, তাতে খুব বড় বড় জানোয়ার থাকে। চলুন সেখানে যাই।’

শুনে মজন্তালী বললে, ‘ঠিক কথা! চল ওপারে যাই।’ তখন বাঘিনী তার ছানাদের নিয়ে, দেখতে-দেখতে নদীর ওপারে চলে গেল। কিন্ত মজন্তালী কই? বাঘিনী আর তার ছানারা অনেক খুঁজে দেখল- ঐ মজন্তালী সরকার নদীর মাঝখানে পড়ে হাবু-ডুবু খাচ্ছে! স্রোতে তাকে ভাসিয়ে সেই কোথায় নিয়ে গিয়েছে, আর ঢেউয়ের তাড়ায় তার প্রাণ যায়-যায় হয়েছে!

মজন্তালী তো ঠিক বুঝতে পেরেছে যে, আর দুটো ঢেউ এলেই সে মারা যাবে। এমন সময় ভাগ্যিস বাঘিনীর একটা ছানা তাকে তাড়াতাড়ি ডাঙ্গায় তুলে এনে বাচাল, নইলে সে মরেই যেত, তাতে আর ভুল কি?

কিন্ত মজন্তালী সরকার তাদের সে কথা জানতেই দিল না। সে ডাঙায় উঠে ভয়ানক চোখ রাঙিয়ে বাঘের ছানাকে চড় মারতে গেল, আর গাল যে কত দিল, তার তো লেখাজোখাই নেই। শেষে বললে, ‘হতভাগা মূর্খ, দেখ্‌ দেখি কি করলি! আমি অমন চমৎকার হিসাবটা করছিলুম, সেটা শেষ না হতেই তুই আমাকে টেনে তুলে আনলি-আর আমার সব হিসাব গুলিয়ে গেল! আমি সব গুণছিলুম, নদীর কটা ঢেউ, কতকগুলো মাছ আর কতখানি জল আছে। মূর্খ বেটা, তুই এর মধ্যে গিয়ে সব গোলমাল করে দিলি! এখন যদি আমি রাজামশাইয়ের কাছে গিয়ে এর হিসাব দিতে না পারি, তবে মজাটা টের পাবি!’

এসব কথা শুনে বাঘিনী তাড়াতাড়ি এসে হাত জোড় করে বললে, ‘মজন্তালী মশাই, ঘাট হয়েছে, এবারে মাপ করুন। ওটা মূর্খ, লেখাপড়া জানে না, তাই কি করতে কি করে ফেলেছে!’

মজন্তালী বললে, ‘আচ্ছা এবারে মাপ করলুম! খবরদার! আর যেন কখনো এমন হয় না!’ এই বলে মজন্তালী তার ভিজে গা শুকোবার জন্য রোঁদ খুঁজতে লাগল।

গভীর বনের ভিতরে সহজে রোদ ঢুকতে পায় না। সেখানে রোদ খুঁজতে গেলে উঁচু গাছের আগায় গিয়ে উঠতে হয়। মজন্তালী একটা গাছের আগায় উঠে দেখলে যে, খুব বড় একটা মরা মহিষ মাঠের মাঝখানে পড়ে আছে। তখন সে তাড়াতাড়ি গিয়ে সেই মহিষটার গায়ে কয়েকটা আঁচর কামড় দিয়ে এসে বাঘিনীকে বললে, ‘শিগগির যা আমি একটা মোষ মেরে রেখে এসেছি।’ বাঘিনী আর তার ছানাগুলো ছুটে গিয়ে দেখল, সত্যি মস্ত এক মোষ পড়ে আছে। তারা চারজনে মিলে অনেক কষ্টে সেটাকে টেনে আনলে, আর ভাবলে, ‘ঈস! মজন্তালী মশায়ের গায়ে কি ভয়ানক জোর!’

আর একদিন তারা মজন্তালীকে বললে, ‘মজন্তালী মশাই, এ বনে বড়বড় হাতি আর গণ্ডার আছে। চলুন একদিন সেইগুলো মারতে যাই।’

একথা শুনে মজন্তালী বললে, ‘তাই তো, হাতি গণ্ডার মারব না তো মারব কি? চল আজই যাই।’

বলে সে তখুনি সকলকে নিয়ে হাতি আর গণ্ডার মারতে চলল। যেতে-যেতে বাঘিনী তাকে জিগগেস করলে, ‘মজন্তালী মশাই, আপনি খাপে থাকবেন, না ঝাঁপে থাকবেন? খাপে থাকবার মানে কি? না-জন্তু এলে তাকে ধরে মারবার জন্য চুপ করে গুঁড়ি মেরে বসে থাকা। আর ঝাঁপে থাকার মানে হচ্ছে, বনের ভিতরে গিয়ে ঝাঁপাঝাঁপি করে জন্তু তাড়িয়ে আনা।’

মজন্তালী ভাবলে, ‘আমার তাড়ায় আর কোন জন্তু ভয় পাবে!’ তাই সে বললে, ‘আমি ঝাঁপিয়ে যে সব জন্তু পাঠাব, তা কি তোরা মারতে পারবি? তোরা ঝাঁপে যা, আমি খাপে থাকি।’

বাঘিনী বললে, ‘তাই তো, সে সব ভয়ানক জন্তু কি আমরা মারতে পারব? চল বাছারা, আমরা ঝাঁপে যাই।’

এই বলে বাঘিনী তার ছানাগুলোকে নিয়ে বনের অন্য ধারে গিয়ে ভয়ানক ‘হাল্লুম-হাল্লুম’ করে জানোয়ারদের তাড়াতে লাগল। মজন্তালী জানোয়ারদের ডাক শুনে, একটা গাছের তলায় বসে ভয়ে কাঁপতে লাগল।

খানিক বাদে একটা সজারু সড়-সড় করে সেই দিক পানে ছুটে এসেছে, আর মজন্তালী তাকে দেখে ‘মাগো’ বলে সেই গাছের একটা শিকড়ের তলায় গিয়ে লুকিয়েছে, এমন সময় একটা হাতি সেইখান দিয়ে চলে গেল। সেই হাতির একটা পায়ের এক পাশ সেই শিকড়ের উপরে পড়েছিল, তাতেই বেচারা মজন্তালীর পেট ফেটে গিয়ে, বেচারার প্রাণ যায় আর কি!

অনেকক্ষন ঝাঁপাঝঁপি করে বাঘেরা ভাবল, ‘মজন্তালী মশাই না জানি এতক্ষনে কত জন্তু মেরেছেন, চল একবার দেখে আসি।’ তারা এসে মজন্তালীর দশা দেখে বললে, ‘হায়-হায়! মজন্তালী মশায়ের এ কি হল?’

মজন্তালী বললে, ‘আর কি হবে? তোরা যে সব ছোট-ছোট জানোয়ার পাঠিয়েছিলি, দেখে হাসতে-হাসতে আমার পেটই ফেটে গিয়েছে!’

এই বলে মজন্তালী মরে গেল।

-------------------------
শিক্ষাঃ অভিনয় করে হয়তো ভালো থাকা যায় কিন্তু সুখ পাওয়া যায়না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28803503 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28803503 2008-05-27 20:54:44
বাঘখেকো শিয়ালের ছানা
তারা ভাবলে, ‘ছানাগুলোকে এখন কোথায় রাখি? একটা গর্ত না হলে তো এরা বৃষ্টিতে ভিজে মারা যাবে।’ তখন তারা অনেক খুঁজে একটা গর্ত বার করলে, কিন্ত গর্তের চারধারে দেখলে, খালি বাঘের পায়ের দাগ! তা দেখে শিয়ালিনী বললে, ‘ওগো এটা যে বাঘের গর্ত। এর ভিতরে কি করে থাকবে।?’

শিয়াল বলল, ‘এত খুঁজেও তো আর গর্ত পাওয়া গেল না। এখানেই থাকতে হবে।’

শিয়ালিনী বললে, ‘বাঘ যদি আসে, তখন কি হবে?’

শিয়াল বললে, ‘তখন তুমি খুব করে ছানাগুলির গায়ে চিমটি কাটবে। তাতে তারা চেঁচাবে, আর আমি জিজ্ঞেস করব-ওরা কাঁদছে কেন? তখন তুমি বলবে-‘ওরা বাঘ খেতে চায়।’

তা শুনে শিয়ালিনী বললে, ‘বুঝেছি। আচ্ছা, বেশ!’ বলেই সে খুব খুশি হয়ে গর্তের ভিতরে ঢুকল। তখন থেকে তারা সেই গর্তের ভিতরেই থাকে।

এমনি করে দিন কতক যায়, শেষে একদিন তারা দেখলে যে, ঐ বাঘ আসছে। অমনি শিয়ালিনী তার ছানাগুলোকে ধরে খুব চিমটি কাটতে লাগল। তখন ছানাগুলি যে চেঁচাল, তা কি বলব!

শিয়াল তখন খুব মোটা আর বিশ্রী গলার সুর করে জিগগেস করলে, ‘খোকারা কাঁদছে কেন?’

শিয়ালিনী তেমনি বিশ্রী সুরে বললে, ‘ওরা বাঘ খেতে চায়, তাই কাঁদছে।’

বাঘ তার গর্তের দিকে আসছিল। এর মধ্যে ‘ওরা বাঘ খেতে চায়’ শুনে সে থমকে দাঁড়াল। সে ভাবলে, ‘বাবা! আমার গর্তের ভিতর না জানি ওগুলো কি ঢুকে রয়েছে। নিশ্চয়ই ভয়ানক রাক্ষস হবে, নইলে কি ওদের খোকারা বাঘ খেতে চায়!’

তখুনি শিয়াল বললে, ‘আরে বাঘ কোথায় পাব? যা ছিল, সবই তো ধরে এনে ওদের খাইয়েছি!’

তাতে শিয়ালিনী বললে, ‘তা বললে কি হবে? যেমন করে পার একটা ধরে আনো, নইলে খোকারা থামছে না।’ বলে সে ছানাগুলোকে আরো বেশী করে চিমটি কাটতে লাগল।

তখন শিয়াল বললে, ‘আচ্ছা, রোস রোস। ঐ যে একটা বাঘ আসছে। আমার ঝপাংটা দাও, এখুনি ওকে ভতাং করছি।’

ঝপাং বলেও কিচ্ছু নেই, ভতাং বলেও কিচ্ছু নেই-সবই শিয়ালের চালাকি। বাঘের কিন্ত সেই ঝপাং ও ভাতাং শুনেই প্রান উড়ে গেল। সে ভাবলে, ‘মাগো, এই বেলা পালাই, নইলে না জানি কি দিয়ে কি করবে এসে! বলে সে আর সেখানে একটুও দাঁড়াল না। শিয়াল চেয়ে দেখল যে, লম্বা লম্বা লাফ দিয়ে ঝোপ জঙ্গল ডিঙ্গিয়ে ছুটে পালাচ্ছে! তখন শিয়াল আর শিয়ালিনী লম্বা নিঃশ্বাস ছেড়ে বললে, যাক, ‘আপদ কেটে গেছে!’

বাঘ তখনো এমনি ছুটছে যে তেমন আর সে কখনো ছোটেনি।

একটা বানর গাছের উপর থেকে তাকে ছুটতে দেখে ভারি আশ্চর্য হয়ে ভাবলে, ‘তাই তো, বাঘ এমনি ছুটছে, এ তো সহজ কথা নয়! নিশ্চয় একটা ভয়ানক কিছু হয়েছে!’ এই ভেবে সে বাঘকে ডেকে জিগগেস করলে, ‘বাঘ ভাই, বাঘ ভাই, কি হয়েছে? তুমি যে অমন করে ছুটে পালাচ্ছ?’

বাঘ হাঁপাতে হাঁপাতে বললে, ‘সাধে কি পালাচ্ছি? নইলে এক্ষুনি আমাকে ধরে খেত!’

বানর বললে, ‘তোমাকে ধরে খায়, এমন কোনো জানোয়ারের কথা তো আমি জানিনে। ও কথা আমার বিশ্বাস হচ্ছে না!’

বাঘ বললে, ‘যদি সেখানে থাকতে বাপু, তবে দেখতুম! দূর থেকে অমনি করে সকলেই বলতে পারে!’

বানর বললে, ‘আমি যদি সেখানে থাকতুম, তবে তোমাকে বুঝিয়ে দিতুম যে সেখানে কিছু নেই। তুমি বোকা, তাই মিছামিছি অত ভয় পেয়েছ!’ এ কথায় বাঘের ভারি রাগ হল।

সে বললে, ‘বটে! আমি বোকা? আর তোমার বুছি ঢের বুদ্ধি! চল তো একবার সেখানে যাই!’

বানর বললে, ‘যাব বইকি, যদি আমাকে পিঠে করে নিয়ে যাও।’

বাঘ বললে, ‘তাই সই! আমার পিঠে বসেই চল।’ এই বলে সে বানরকে পিঠে করে আবার গর্তের দিকে ফিরে চলল।

শিয়াল আর শিয়ালিনী সবে ছানাদের শান্ত করে একটু বসেছে, আর অমনি দেখে, বানরকে পিঠে করে বাঘ আবার আসছে। তখন শিয়ালনী তাড়াতাড়ি ছুটে গিয়ে আবার ছানাগুলোকে চিমটি কাটতে লাগল, ছানাগুলিও ভূতের মতো চ্যাঁচাতে শুরু করল।

তখন শিয়াল আবার সেই রকম সুর করে বললে, ‘আরে থামো, থামো! অত চেঁচিও না-অসুখ করবে।’ শিয়ালনী বললে, ‘আমি বলছি, যতক্ষণ না একটা বাঘ এনে ওদের খেতে দেবে, ততক্ষণ এরা কিছুতেই থামবে না।’

শিয়াল বললে, ‘আমি যে ওদের মামাকে বাঘ আনতে পাঠিয়েছি। এখুনি সে বাঘ নিয়ে আসবে, তোমরা থামো!’

তারপর একটু চুপ করেই সে আবার বললে, ‘ঐ,ঐ! ঐ যে তোদের বাঁদর মামা একটা বাঘ ধরে এনেছে! আর কাঁদিসনে; শিগগির ঝপাংটা দে, ভতাং করি!’

বানরের এতক্ষণ খুব সাহস ছিল। কিন্ত ঝপাং আর ভতাঙের কথা শুনে আর সে বসে থাকতে পারল না। সে এক লাফে একটা গাছে উঠে, দেখতে দেখতে কোথায় পালিয়ে গেল।

আর বাঘের কথা কি আর বলব! সে যে সেইখান থেকে ছুট দিলে, দুদিনের মধ্যে আর দাঁড়ালই না।

তারপর থেকে আর শিয়ালদের কোন কষ্ট হয়নি। তারা মনের সুখে সেই গর্তে থেকে দিন কাটাতে লাগল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28803202 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28803202 2008-05-27 02:41:06
<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" />আমেরিকার আসন্ন নির্বাচনে কোন রকম তালবাহানা বাংলাদেশ 'বরদাশত' করবে না <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> এই কলিকালে যখন মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক ক্রমশ খারাপের দিকে, সেখানে আমাদের দুঃখে সমব্যথী হয়ে আপনারা আপনাদের দেশের জনপ্রতিনিধিদের পাঠিয়েছেন আমাদেরকে সাহস যোগানর জন্য । এমন নিঃস্বার্থ মনোভাব এই যুগে সত্যিই বিরল । অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদেরকে ।

এক দুঃখী মানুষের দুঃখ বুঝতে পারে শুধু আরেক জন দুঃখী মানুষ । শুনেছি আপনাদেরো নাকি সামনে নির্বাচন আছে । আরো শুনেছি ইদানিং নাকি আপনাদের ওদিকেও গনতন্ত্রের গুষ্ঠি উদ্ধার করা শুরু হয়েছে । আপনাদের বিশিষ্ট চলচিত্র নির্মাতা মাইকেল মুরের কাছ থেকে জানতে পারলাম

"Most candidates run unopposed in their primaries and 95% are re-elected every time in the general election. What we get from these Congressmen-for-life is a lot of hot air, a bunch of promises that are never kept, problems like health care and education that are never addressed, more taxes for a bigger military when there are no wars, and a bigger paycheck for Congress when they don't deserve it."

Click This Link

দুই-একটা ব্যাপার বাদ দিলে আমাদের দেশের শয়তানের-বাচ্চা রাজনীতিবিদদের সাথে কোন পার্থক্য নেই । চিন্তা করবেন না বন্ধুরা, অন্ধকার এই যুগে গনতন্ত্র মুক্তির পথে আসন্ন নির্বাচনে আমরাও আপনাদের পাশে আছি যেমন আপনারা আছেন আমাদের পাশে আমাদের আসন্ন নির্বাচনে । আপনাদের নির্বাচনে এইবার যদি কোন টাল্টু-বাল্টু হয়, আমরাও 'বরদাশ্‌ত' করব না বলে দিলাম । সাহস হারাবেন না, আপনার ভোট আপনার অধিকার । আপনার যাকে ইচ্ছা ভোট তাকেই দিবেন । দরকার হয় তো জনাব মাইকেল মুরের বন্ধু টবের ফাইকাস গাছের চারাকেই ভোট দিবেন । তবু ঐসব আজেবাজে লোককে কোন সুযোগ দিবেন
না । আর তার পরেও যদি ব্যাটারা পার পেয়ে যায় প্রতিবারের মত তাহলেও চিন্তার কিছু নাই । আমরা তো আছি । আমরাও আপনাদের নির্বাচনকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখছি । BBC, CNN আর ইন্টারনেটের কোন খবর miss হবে না । খারাপ কিছু যদি ঘটেই যায়, আমাদের জন্য VISA পাওয়ার ব্যাপারটা একটু সহজ করে দিয়েন । আমরা সবাই এসে পড়ব আপনাদের সাহায্যে । আপনাদের পাশে পাশে রাজপথে, দোকান-রেস্তোরাঁ-বারে, স্কুল-কলেজে, কল-কারখানায় সকল পেশায় সকল শ্রেনীর লোকের সাথে মিলে-মিশে ঐসব ইতর বদমায়েশ রাজনীতিবিদদের হাত থেকে আপনাদের কে রক্ষা করব । এরকম আজেবাজে লোকজনের সাথে খেলাধুলার অনেক অভিজ্ঞতা আমাদের আছে ।

আজকের মত এখানেই শেষ করছি, আশা করি ভবিষ্যতে আবার কথা হবে আপনাদের সাথে । বিদায়, শুভেচ্ছা রইল ।

- আপনাদের ভ্রাতৃপ্রতীম বাংলাদেশের জনগন

পূনশ্চঃ VISA দেয়ার ব্যাপারটা একটু দেখবেন কিন্তু ।








( এক বন্ধুর থেকে কপি করা। আর কতিপয় বিশিষ্ট আঁতেল ব্লগারবৃন্দদের বলিতেছি ইহা থেকে গবেষনা করিয়া কিছু বাহির করিবার চেষ্টা করিবেন না। যা লিখা হইয়াছে JUST FOR FUN. ) )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28802340 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28802340 2008-05-24 23:26:16
মজা দেখতে চাইলে এটা করুন<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />

সামহয়্যারের প্রথম পাতায় যান তারপর এড্রেসবারে উপরের লিখাটুকু পেস্ট করুন (কোটেশন চিহ্ন বাদে) এবং এন্টার চাপুন।

এটা অন্য সাইটেও কাজ করবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28790622 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28790622 2008-04-23 23:44:05
জানতে চাই
শুনছি মধ্যপ্রাচ্যে অপটিক্যাল ফাইবারের সমস্যার কারনে স্পীড কম। সেই সমস্যা কি কেটে গেছে? যারা জিপি এর নেট ছাড়া অন্য নেট ইউজ করেন তারা কতো স্পীড পান? কে এখন সবচেয়ে ভালো স্পীড দেয়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28777351 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28777351 2008-03-08 03:30:16
পড়ুন মজার ইন্টারভিউ Interviewer: Tell me about yourself.
Candidate: I am Abul Ahmed. I did my Tele Communication engineering from Up-Down University of Technology.

Interviewer: Up-Down l University of Technology? I had never heard of this university before!
Candidate: Great! Even I had not heard of it before getting an admission into it. What happened is - due to cricket world cup I scored badly in 12th. I was

getting a paid seat in a good university. But my father said (I prefer to call him 'baap') - "I cannot invest so much of money". (The baap actually said - "I will

never waste so much of money on you"). So I had to join this university. Frankly speaking this name Up-Down, can at the most be related to the Left-Right

University. You know the name of the directions like South-North-East-West has already filled up.

Interviewer: ok, ok. It seems you have taken 6 years to complete your engineering.
Candidate : Actually I tried my best to finish it in 4 years. But you know , these cricket matches and football world cup, and tennis tournaments..It is difficult

to concentrate. So I flunked in 2nd and 3rd year. So in all I took 4 + 2 = 7 years.

Interviewer: But 4+2 is 6.
Candidate: Oh, is it? You know I always had KT in maths. But I will try to keep this in mind. 4+2 is 6, good, thanks. These cricket matches really affect exams

a lot. I think they should ban it.

Interviewer : Good to know that you want cricket matches to be banned.
Candidate: No, no.. I am talking about Exams!!

Interviewer: Ok, What is your biggest achievement in life?
Candidate: Obviously, completing my Engineering. My mom never thought I would complete it. In fact, when I flunked in 3rd year, she was looking for a job

for me in police service through some relative ..

Interviewer: Do you have any plans of higher study?
Candidate: He he he.. Are you kidding? Completing 'lower' education itself was so much of pain!!

Interviewer: Let's talk about technical stuff. On which platforms have you worked?
Candidate: Well, I work at SEEPZ, so you can say Dhakai is my current platform. Earlier I was at Chittagong. So Chittagong was my platform then. As you can

see I have experience of different platforms!

Interviewer: And which languages have you used?
Candidate: Bangla, Hindi, English. By the way, I can keep quiet in German, French, Russian and many other languages.

Interviewer: Why VC is better than VB?
Candidate: It is a common sense - C comes after B. So VC is a higher version than VB. I heard very soon they are coming up with a new language VD!

Interviewer : Do you know anything about Assembly Language?
Candidate : Well, I have not heard of it. But I guess, this is the language our ministers and MPs use in assembly.

Interviewer: What is your general project experience?
Candidate: My general experience about projects is - most of the times they are in pipeline!

Interviewer: Can you tell me about your current job?
Candidate: Sure, Currently I am working for Bata InfoTech ltd. Since joining BIL, I am on Bench. Before joining BIL, I used to think that Bench was another

software like Windows.

Interviewer: Do you have any project management experience?
Candidate: No, but I guess it shouldn't be difficult. I know Word and Excel. I can talk a lot. I know how to dial for International phone call and use speaker

facility. And very important - I know few words like - 'Showstoppers', 'hotfixes', 'SEI-CMM', 'quality', 'versioncontrol', 'deadlines', 'Customer Satisfaction' etc.

Also I can blame others for my mistakes!

Interviewer: What are your expectations from our company?
Candidate: Not much.
1. I should at least get 40,000 in hand.
2. I would like to work on a live EJB project. But it should not have deadlines. I personally feel that pressure affects natural talent.
3. I believe in flexi-timings.
4. Dress code is against basic freedom, so I would like to wear t-shirt and jeans.
5. We must have sat-sun off. I will suggest wednesday off also, so as to avoid breakdown due to overwork.
6. I would like to go abroad 3 times a year on short term preferably 1-2 months) assignments. Personally I prefer US, Australia and Europe . But considering

the fact that there is Olympic Games in Beijing in 2008, I don't mind going there in that period . As you can see I am modest and don't have many

expectations. So can I assume my selection?

Interviewer: He he he ha ha ha. Thanks for your interest in our organization. In fact I was never entertained so much before. :-)) We look forward to working

with you .. welcome :-)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28765103 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28765103 2008-01-28 23:14:14
দুর্ভিক্ষ!
বিডিআর যখন অপারেশন ডালভাত শুরু করে তখন তারা বিক্রি করতো চাল ১৬ টাকা কেজি এখন তারা ২৫ টাকা (৫৬.২৫% বৃদ্ধি) কেজিও বিক্রি করতে পারতেছেনা ঠিকমতো। মাথাপিছু মাত্র ৩ কেজি চাল দেয়া হয় অনেক্ষন লাইন এ দাড়ানোর কষ্ট করতে পারলে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28764170 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28764170 2008-01-25 15:20:09
প্রফেসর আনোয়ার এর পূর্ণ জবানবন্দী link ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28761743 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28761743 2008-01-17 13:55:55 অনুকরনীয় [wjsK=http://www.buet.ac.bd/?page_id=428]

Prof. Dr. A.M.M. Safiullah, Vice-Chancellor, BUET handed over a cheque of Tk. 7,55,100/= to the Chief Adviser, Dr. Fakhruddin Ahmed for his relief fund for SIDR victims recently at a simple ceremony at the office of the Chief Adviser. The said amount was collected from the students of the BUET Residential Halls. Prof. Dr. Maglub Al Nur, Director, Directorate of Students’ Welfare and Mr. Md. Shahjahan, Registrar, BUET were also present on the occasion.

পোস্টটা করলাম এই অনুকরনীয় ব্যাপারটা সবাইকে জানাতে। জাগরন ক্যাম্পেইন থেকে এখন পর্যন্ত টাকা পাওয়া গেছে ১,৪৭,৮৮০ টাকা। আমাদের এসএমএস সেন্ডার এতো কম কেনো? আমি আমার অনেককে পাঠাতে উৎসাহিত করেছি। আপনিও করুন। আমরা চেষ্টা করলে সব পারি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28750731 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28750731 2007-12-10 21:02:51
আমরা কি ভালো আছি নাকি খারাপ আছি?
যাই হোক, আমরা কি এখন সাংবিধানিক সরকার অপেক্ষা ভালো আছি নাকি খারাপ?
পাঠকরা মতামত ব্যাক্ত করুন + রেটিং করুন। আশা করি পক্ষে বিপক্ষের মতামত এবং রেটিং থেকে অনেক কিছু জানা যাবে।

সরকার যদি খুবই ভালো চালায় এবং এই সরকার গদি না ছাড়লেও আপনার আপত্তি নাই তাহলে দিন ৫

সরকার যদি দেশ ভালই চালায় তাহলে দিন ৪

আপনি নিরপেক্ষ হলে দিন ৩

যদি মনে করেন সরকার দেশ খারাপ চালাচ্ছে রাজনৈতিক সরকার থেকে তাহলে দিন ২

যদি মনে করেন সরকার দেশ খুবই খারাপ চালাচ্ছে এবং সরকারের মতলব খারাপ গদি নাও ছাড়তে পারে এরশাদ সরকারের মত তাহলে দিন ১।


পড়েই চলে যাবেন না প্লীজ। মতামত না হলেও অন্তত রেটিং করে যান। আপনার মতামত গুরুত্বপূর্ণ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28749461 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28749461 2007-12-05 03:01:26
ফখরুদ্দীনের অমোঘ বাণী

আচ্ছা, এদেশের কত পার্সেন্ট মানুষ resilience মানে বুঝে?
কাকে উদ্দেশ্য করে ভাষন দিলেন বুঝলাম না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28731209 http://www.somewhereinblog.net/blog/masuddhakablog/28731209 2007-09-14 20:52:44