বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের পড়ন্ত আপেলের মধ্য দিয়ে মাধ্যাকর্ষণ বলের সূত্রটি আবিষ্কারের ঘটনা সর্বপ্রথম যে পান্ডুলিপিতে লেখা হয়েছিলো, সম্প্রতি সেই পান্ডুলিপিটির আসল কপিটি ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান। এর ফলে তৃতীয় পরে বই বা গবেষণাগ্রন্থ ছাড়া সরাসরি সেদিন কী ঘটেছিলো এবং নিউটন কীভাবে কী বলেছিলেন যে কেউ তা ইন্টারনেটেই পড়তে পারবেন। খবর বিবিসি সায়েন্স-এর।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গাছ থেকে আপেল পড়ার ঘটনা থেকে শুরু করে নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সিদ্ধান্তে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো সময়টিতে তিনি কথা বলেছিলেন আরেক গবেষক উইলিয়াম স্টুকলি’র সঙ্গে। তিনিই নিউটনের সেই বিখ্যাত ঘটনা প্রথমবারের মতো কাগজে লিপিবদ্ধ করেছিলেন যা থেকে আধুনিক বিজ্ঞান বা বর্তমান যুগের বিজ্ঞানীরা মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকেন।
বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি প্রথমবারের মতো উইলিয়াম স্টুকলি’র লেখা সেই পান্ডুলিপি ‘মেমোয়্যার্স অফ স্যার আইজ্যাক নিউটনস লাইফ’ ইলেকট্রনিক বইয়ে রূপান্তর করেছে এবং তা বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের জন্য ইন্টারনেটে উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্র আবিস্কৃত হয় উইলিয়াম এবং নিউটনের মধ্যে কথোপকথনের মধ্য দিয়েই। ‘মেমোয়ার্স অফ স্যার আইজ্যাক নিউটনস লাইফ’ শীর্ষক পান্ডুলিপিটি সেই কথোপকথনেরই লিখিত রূপ। লেখাটি পড়লে দেখা যায়, বিজ্ঞানী নিউটন দাবি করেছিলেন যে, তার বাগানের আপেল গাছ থেকে মাটিতে আপেল পড়ার দৃশট্যিই তাকে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্র আবিস্কারে উদ্বুদ্ধ করেছিলো।
জানা গেছে, রয়্যাল সোসাইটির উদ্যোগে এখন যে কেউই ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে পুরো ঘটনার প্রথম লিখিত পাণ্ডুলিপিটি পড়তে পারবেন। বিভিন্ন কনফিগারেশনের কম্পিউটারের জন্য রয়্যাল সোসাইটি এই পাণ্ডুলিপিটি বিভিন্ন আঙ্গিকে প্রকাশ করেছে। নিচের ঠিকানা থেকে ‘মেমোয়্যার্স অফ স্যার আইজ্যাক নিউটন’স লাইফ’ লেখায় কিক করে যে কেউ অনলাইনে লেখাগুলো পড়তে পারবেন। ঠিকানা : http://rs.onlineculture.co.uk/accessible/
(সূত্রঃ বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

