হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম, বইটা পড়েছি আজ থেকে প্রায় দু বছর আগে। টিনএজার ছিলাম বলেই কিনা জানি না, হিমুর প্রতি একটা অসম্ভব রকম ঝোঁক তৈরী হয়েছিল সে সময়। লেখক হুমায়ূন আহমেদের তারিফ করতেই হয়। কেন না, তিনি টিনএজারদের সাইকোলজিক্যাল ক্যামিস্ট্রিটা ভালোই জানেন। হিমুর বই তরুণদেরকে কেন আকর্ষণ করে এ ব্যাপারটা নিয়ে আমি যখন একটু চিন্তাভাবনা করা শুরু করলাম তখন দেখলাম যে, তরুণরা তাদের বয়সে পাগলামো এবং উদ্ভট আচরণ করতে সবচে বেশি পছন্দ করে। হিমুর বইগুলো হটকেকের মতো চলার পেছনে মূল কারণ সম্ভবত এটিই। তবে হিমুর বই যে একেবারেই ফাইজলামি দিয়ে পরিপূর্ণ তা কিন্তু নয়। হিমুর সবগুলো বই পড়েছি, তার মধ্যে সবচে ভালো লেগেছে যে বই দুটি সেগুলো হলো- হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম এবং হিমুর রূপালী রাত্রি।
সেদিন আমাদের বাংলা টিচার কলেজের ক্লাসে বললেন- হুমায়ূন আহমেদ আসলে তরুণদের সাথে এক ধরনের ব্ল্যাকমেইল করছেন। ব্ল্যাকমেইলটা সাইকোলজিক্যাল। অর্থাৎ, শুধুমাত্র তরুণদের সাইকোলজিকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করা মাত্র, অন্য কিছু নয়।
উপরের মন্তব্যটি আমার নয়। আমাদের বাংলা টিচারের। এ ব্যাপারে আমার মতামতটা অনেকটা এরকম- সাইকোলজিক্যাল ব্ল্যাকমেইল বললে আসলে যে ভুল হবে তাও নয়, আবার ভুলও বটে। লেখক হুমায়ূন আহমেদ হয়তো শুধুমাত্র নিজের মনোরঞ্জনের জন্যই গহমু লেখা শুরু করেন। পরবর্তীতে তার লেখা হিমুর গল্পগুলো পাঠকদের মন কেরে নিতে সক্ষম হয়। ফলাফল স্বরূপ আজও সেগুলো কমবেশি জনপ্রিয়। যে লেখক বাকের ভাইয়ের মতো চরিত্র সৃষ্টি করে সমস্ত দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করতে পারেন তিনি কীভাবে একজন সাইকোলজিক্যাল ব্ল্যাকমেইলার হতে পারেন ? প্রশ্নটা আমর সেখানেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


