আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) প্রতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রদ্ধা-ভক্তি
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৭
রাসুল (সাঃ) এর প্রতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রদ্ধা-ভক্তি আজ দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত হয়েছে। আপনাদের সবাইকে পড়ার জন্যে অনুরোধ রইলো।
লেখক বলেছেন: নয়া দিগন্তে প্রকাশ হতে হবে এমন কোনো কথা আছে বলে মনে হয় না।
লেখক বলেছেন: ![]()
ত্রিভুজ বলেছেন:
না থাকার কি কোন কারণ আছে? বিশ্বের কোন জ্ঞানীগুনী লোকই আজ পর্যন্ত হযরত মুহাম্মদ (সাযাই হোক, লিংক শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।
সজল বলছি বলেছেন:
শ্রদ্ধা করতেই হবে। যারা শ্রদ্ধা করেনা তারা মুহাম্মদ (সাঃ) সর্ম্পকে অজ্ঞ।
লেখক বলেছেন: জি ভাইয়া। আর জ্ঞান না থাকলে জ্ঞানী চেনা যায় না।
ত্রিভুজ বলেছেন: না থাকার কি কোন কারণ আছে? বিশ্বের কোন জ্ঞানীগুনী লোকই আজ পর্যন্ত হযরত মুহাম্মদ (সা কে শ্রদ্ধা না করে পারেনি।
@ত্রিভূজ
রবিন্দ্রনাথ মোহাম্মদকে শ্রদ্ধা করলেই কি ইসলামের জয় জয় হয়ে যায়? ইসলাম কি এতই দেওলিয়া হয়ে পড়েছে যে এক মুশরিকের শ্রদ্ধা ভক্তিতেই ইসলামে জয় জয়কার হয়ে যায়? সুরা কাফেরুনে কি এই লেখা আছে? আপনাদের এই উল্লাস শুনে মনে হয় ইসলাম সত্যি সত্যিই দেওলিয়া হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: সেই রকম কিছুই না। আমাদের প্রিয় নবীর প্রতি একজন অমুসলিমের শ্রদ্ধার কথাই বলা হয়েছে। এর থেকে আমাদের শিক্ষা নেবার অনেক কিছুই আছে। আমাদের প্রতিটি মুসলিম ভাইদের এমন হতে হবে, আমাদের চরিত্র দেখে যেনো অমুসলিম ভাইদের আমাদের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ে।
বন্ধনহীন বলেছেন:
@মাসুদ রানা:অবশ্যই নবীর জন্য কারোই সার্টিফিকেট লাগে না।
তবে এ কথা ঠিক - শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিই সবাইকেই শ্রদ্ধা করতে জানে।
রবীন্দ্রনাথ কি মুসরিক, কি একেশ্বরবাদী এসব কোন প্রশ্নই নয়। বড় কথা হলো তিনি একজন অনুসরণযোগ্য মহান ব্যক্তিত্ব।
লেখক বলেছেন: সহমত। ধন্যবাদ ভাই্য়া।
ত্রিভুজ বলেছেন:
@স্বাধীনতা তুমি
জয় জয় হয়ে গিয়েছে এমনটা বলেছি? বা জয় জয় হয়ে যাওয়ার মত কিছু কি হয়েছে? হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে তাঁর সময়কার মুশরিকরাও শ্রদ্ধা করতো। তাতে কি ইসলাম দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলো? আসলে আপনি যা ভাবছেন বিষয়টা সেরকম নয়। এখানে কেউ উল্লাসিত হয়নি... যেটা সত্য সেটাই বলেছে।
রাজর্ষী বলেছেন:
এখানে আমাদের সবারই বোঝার অনেক কিছু আছে। স্বিকৃতি, শ্রদ্ধা হল মানবিক গুন। সহনশীলতা কাকে বলে।
এই প্রকাশ দেওলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছই না। যে রবিন্দ্রনাথের শ্রদ্ধায় আপনি পুলকিত হয়েছেন তাঁরই গানের দুটি লাইন শুনুন
শুন্য করিয়া রাখ তোর বাঁশি,
বাজার যিনি বাজাবেন আসি-
ভিক্ষা না নিবি, তখনি জানিবি
ভরা আছে তোর ধন।
উপরে এই উক্তি বুঝার যদি জ্ঞান থাকে তাহলে বুঝে নিয়েন।
লেখক বলেছেন: পুরো বিষয়টাই আপনি উল্টা বুঝছেন। আমরা এক রকম বুঝাতে চাইতেছি আর আপনি বিষয়টাকে নিয়ে যাচ্ছেন ভিন্ন দিকে।
বন্ধনহীন বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ কি মুসরিক, কি একেশ্বরবাদী এসব কোন প্রশ্নই নয়। বড় কথা হলো তিনি একজন অনুসরণযোগ্য মহান ব্যক্তিত্ব।
মুশরিক বা কাফের যত বড়ই জ্ঞানী হোক না কেন, যতক্ষন না সে মুসলিম ততক্ষন তার জ্ঞানের মূল্য নেই একজন মুসলিমের কাছে। কারণ তার কোন জ্ঞানই মুসলমানের জন্যে কাজে দিবে না, এই কারনে যে একজন মুসলমান তার আদর্শের সাথে একমত হতে পারবে।
রাজর্ষী বলেছেন:
@ত্রিভুজ: আমরা বাংগালী মুসলিমরাও যেন তেমনিভাবে রবি ঠাকুরকে শ্রদ্ধা করি। আমরা যেন সংকির্ন সাম্প্রদায়িকতার কারনে নিজেদেরকে ক্ষুদ্র করে না ফেলি।ওহে ব্লগার সকল দেখে যান:
একজন লোক আরেকজনকে শ্রদ্ধা করছে এই ব্যাপারটাকেও কি আমরা বিতর্কিত করতে ছাড়ছিনা?
@ত্রিভূজ
আপনি আপনার পূর্বের মন্তব্যে ফিরে যান এবং এর উপরে আমার মন্তব্যটা পড়ুন। এখন বলুন, একজন মুশরিক বা কাফের যত বড়ই জ্ঞানী হোক না কেন, তা কি একজন মুসলিমের জন্যে কোন অর্থবহ হতে পারে?
রাজর্ষী বলেছেন:
সা তু ভাই, আমি মুসলিম আমি রবি ঠাকুরকে শ্রদ্ধা করি। তিনি বাংগালী জাতিস্বত্তাকে সংগায়িত করেছেন।
লেখক বলেছেন: পুরো বিষয়টাই আপনি উল্টা বুঝছেন। আমরা এক রকম বুঝাতে চাইতেছি আর আপনি বিষয়টাকে নিয়ে যাচ্ছেন ভিন্ন দিকে।
একজন মুসলমানের জন্যে উল্টা পাল্টা বুঝার কোন স্কপ নাই ভাইজান। আপনি তখনই উল্লোসিত হতে পারেন যখন আপনার একজন মুসলিম ভাই মহাজ্ঞানীর মত কাজ করে।
লেখক বলেছেন: সংক্ষেপে যেটা বলতে চাই, ভালো মানুষের প্রশংসা যে কোনো মানুষই করতে পারে। অমুসলিম হলেই যে মহানবী (সঃ) এর প্রশংসা করতে পারবে না সেই রকম স্কপওতো দেখি না ভাইজান।
রাজর্ষী বলেছেন: ওহে ব্লগার সকল দেখে যান:
একজন লোক আরেকজনকে শ্রদ্ধা করছে এই ব্যাপারটাকেও কি আমরা বিতর্কিত করতে ছাড়ছিনা?
মাইক লাগান। নাকি ভাড়া করে পাঠাবো।
রাজর্ষী বলেছেন: সা তু ভাই, আমি মুসলিম আমি রবি ঠাকুরকে শ্রদ্ধা করি। তিনি বাংগালী জাতিস্বত্তাকে সংগায়িত করেছেন।
আপনার কাছে তিনি মহাজ্ঞানী হতে পারে, কিন্তু তিনি আমার কাছে একজন হিন্দু কবি মাত্র।
আমি প্রথমে মুসলমান তারপরে বাঙ্গালী। রবিন্দ্রনাথ বাঙ্গালী জাতি সত্তাকে সংজ্ঞায়িত করেছে এটা কোথায় পেলেন? বাঙ্গালী হাজার বছরের জাতি সত্তা, রবিন্দ্রনাথ তো সেদিনের শিশু একজন বাঙ্গালী।
বন্ধনহীন বলেছেন:
""স্বাতু বলেছেন: মুশরিক বা কাফের যত বড়ই জ্ঞানী হোক না কেন, যতক্ষন না সে মুসলিম ততক্ষন তার জ্ঞানের মূল্য নেই একজন মুসলিমের কাছে। ""এটা কোরানের কোন কোনায় আছে? কোন হাদীসে আছে? নাকি শুধু "আল-স্বাতু"তে আছে?
রাসুলল্লাহ যুদ্ধবন্ধী শিক্ষিত ইহুদীদের যুদ্ধপণ হিসেবে "মুসলিম বালকদের জন্য শিক্ষকতা"ই নির্ধারণ করেছিলেন।
জ্ঞানের জন্য তিনি যখন মুসলিমদের সুদুর চীন যেতে বলেছিলেন। তিনি তো জানতেন সুদুর দেশগুলোতে মুসলিম নেই।
ইসলাম বা রাসুলল্লাহর ব্যপারে ভুল ধারণা দেয়া অন্যায়, পাপ।
লেখক বলেছেন: অমুসলিম হলেই যে মহানবী (সঃ) এর প্রশংসা করতে পারবে না সেই রকম স্কপওতো দেখি না ভাইজান।
তার প্রশংসায় মুসলমানের বা ইসলামের কিছুই যায় আসে না। আপনাকে বলি একজন কাফের যদি ইসলাম নিয়ে অপপ্রচার করে তাতে কি ইসলাম ধ্বংস হয়ে যাবার মত কিছু কি আপনি দেখেন? কারণ ইসলামকে আল্লাহ নিজেই রক্ষা করবেন বলে প্রতিশ্রতি দিয়েছেন। অতএব একজন কাফেরের অপপ্রচার বা একজন কাফের বা মুশরিকের প্রশংসায় ইসলামের কোন ক্ষতি বা উপকারের কিছুই নেই।
লেখক বলেছেন: বেপার কি আজকে কোন হাত দিয়ে লিখছেন? যতদূর মনে হয় ডান হাতই হবে।
মজা করলাম। পুরোপুরি পরিবর্তন লক্ষ করছি। মাঝে মাঝে মনে হ্য় একদম বামপন্থি, আবার মাঝে মাঝে মনে হ্য় ডানপন্থি।
বন্ধনহীন বলেছেন:
আমি যখন জন্মেছিলাম, তখন অনুভুতি আর আমার মা-বাবাকে দেখে বুঝেছিলাম, আমি মানবশিশু। যখন কথা বলতে শিখলাম। মাকে মা ডাকলাম, তখন বুঝলাম - আমি বাঙ্গালী। যখন আমার বাবা আমাকে মসজিদে নিয়ে গেল, হাতে কোরান দিল, তখন বুঝলাম আমি মুসলিম। বুঝাদার মানুষের জন্য ইশারাই কাফি।
বন্ধনহীন বলেছেন:
তাহলে "আল-স্বাতু" মোতাবেক রাসুলল্লাহ কোরানবিরোধী। কারণ রাসুলল্লাহ ইহুদীদের মুসলিম শিশুদের জন্য শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছিলেন। সুদুর দেশের অমুসলিম মানুষদের কাছ থেকে জ্ঞান আহরণ করতে বলেছিলেন।
লেখক বলেছেন: সুন্দর জবাব।
বন্ধনহীন বলেছেন: তখন বুঝলাম আমি মুসলিম।
বুঝাদার মানুষের জন্য ইশারাই কাফি।
যখন আপনি বুঝলেন আপনি মুসলিম, তখন আর আপনি পূর্বের কিছুই নন। সমঝদার আদমীকে লিয়ে ইশারই কাফি হ্যায়।
বন্ধনহীন বলেছেন: তাহলে "আল-স্বাতু" মোতাবেক রাসুলল্লাহ কোরানবিরোধী। কারণ রাসুলল্লাহ ইহুদীদের মুসলিম শিশুদের জন্য শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছিলেন। সুদুর দেশের অমুসলিম মানুষদের কাছ থেকে জ্ঞান আহরণ করতে বলেছিলেন।
যে হাদিস কোরআনের সাথে সমপৃক্ত নয় সে হাদিস নিয়ে আমি ইসলামের কোন আলোচনা করি না।
বন্ধনহীন বলেছেন:
কিছু কিছু বুঝদার মানুষ এতই বুঝে যে, কোন এক আপাত বিশেষ জ্ঞানের জন্য অতীতের অভিজ্ঞতা আর জ্ঞান সব বাতিল করে দেয়। এরা জ্ঞান যোগ করেন না, আগের গুলো ডিলিট মেরে দেন। যার কারনে এদের মেমোরীতে প্রচুর স্পেস খালী থাকে।
হরিসূধন বলেছেন:
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৬
লেখক বলেছেন: বেপার কি আজকে কোন হাত দিয়ে লিখছেন? যতদূর মনে হয় ডান হাতই হবে। মজা করলাম। পুরোপুরি পরিবর্তন লক্ষ করছি। মাঝে মাঝে মনে হ্য় একদম বামপন্থি, আবার মাঝে মাঝে মনে হ্য় ডানপন্থি।
>> স্বাতু ডানপন্হি না ! সে ভন্ডমী করিতেছে..... পুরা বামপন্হি নাস্তিক সে।
বিডি আইডল বলেছেন:
মস্তিস্ক বিকৃত ছাতুর জন্য একটি পদ্য:কিবা হইলো গুরুর মোর, হঠাৎ কেন চেতা
স্বাতু আমায় দিছে ব্লক, পুড়ি তার ক্ষেতা।
গুরু মোরে স্মরণ করায়, মোর অজ্ঞতা
বুইড়া স্বাতু অজ্ঞ নয় আছে শঠতা।
গুরু যদি হয় কোন দোষ, তোমার এই শিষ্যের
ভারতীয় খেয়ে স্বাতু বাল ফালায় বিশ্বের।
মাফ করিয়েন নাদন ভেবে এই অধমরে
গলায় দড়ি দাও স্বাতু এই শরমে।...
কাঙাল বলেছেন:
কতিপয় জামায়াতি ছাগু এখানে আচে দেকতাছি। তাদেরকে আমার সর্বশেষ লেখাটি পড়ার রিকুস্ট রইল


















