somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আবার ১৮+++ জোকস রিপোষ্ট হইলে মাফ কইরা দিয়েন

১৩ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

:):):)

ধরা যাক, ইন্ডিয়ান চ্যানেলগুলোর মত বাংলাদেশেও কমেডি ট্যালেন্ট হান্ট শো চালু হয়ে গেছে। এমনই একটা শো তে বিশেষ গেস্ট হিসেবে এসেছেন চার রাজনীতিবিদ- শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, এরশাদ এবং নিজামী। তারা চারজন পাশাপাশি বসেছেন।
অনুষ্ঠান শুরু হল।
একজন প্রতিযোগী এসে একটা জোকস বলল। জোকস এরকম.....
" পুলিশের ইমারজেন্সি বিভাগে একজন মহিলা কল করলেন। দায়িত্বরত পুলিশ ফোন রিসিভ করে সমস্যা জানতে চাইলেন-
মহিলা: আমি আমার বেডরুম থেকে বলছি। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যে কোন মুহূর্তে আমি খুন হতে পারি।
পুলিশ: কে আপনাকে খুন করবে?
মহিলা: আমার বাসার বাইরে দাড়ান লোকটি আমাকে খুন করতে পারে।
পুলিশ: এ মুহুর্তে আপনি কি বাসাই সম্পূর্ন একা ?নাকি পরিবারের অন্য কোন লোক আছে?
মহিলা: আমার রুমে আর এক জন লোক আছে।
পুলিশ: বাসার বাইরে দাড়ান এবং ভিতরে বসা লোক দুইটির পরিচয় জানতে পারি?
মহিলা: বাসার বাইরে দাড়ান লোকটি আমার স্বামী এবং ভিতরে বসা লোকটি আমার বন্ধু। "
চলুন জোক্সটি শোনার পর আমাদের প্রিয় রাজনীতিবিদদের মাঝে কেমন প্রতিক্রিয়া হল দেখে আসি...
জোক্সটি শেষ হওয়ার সাথে সাথে এরশাদ সাহেব উচ্চকন্ঠে হেসে উঠলেন। দেখেই বোঝা গেল উনি খুব মজা পেয়েছেন। আর মনে মনে বললেন," এমন অবস্থায় যে কত বার পরেছি। মজাই লেগেছে সে সময়। প্রতিবারই আমাকে ঘরে বসা লোকটির রোল প্লে করতে হয়েছে।"
শেখ হাসিনা কোন প্রতিক্রিয়া দেখালেন না। তিনি চুপচাপ বসে থাকলেন। মনে মনে ভাবতে থাকলেন এ ধরনের পরিস্থিতি স্বাধীনতা পরিপন্থী কি না।
নিজামী একটু বক্র হাসি হাসলেন। মনে মনে বললেন, " ফালতু জোক্স। এর চেয়ে ভাল জো্ক্স মুজাহিদ বলতে পারে। এই তো ঐ দিন সাংবাদিকদের সাথে রসিকতা করে বলল" দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নাই।"
খালেদা জিয়া জোক্সটা এখনও বুঝে উঠতে পারেন নি। তাই ডানে বামে তাকালেন। সাধারন দর্শকদের হাসতে দেখে তিনিও হেসে উঠলেন। দশ মিনিট পর তিনি জোক্সটা বুঝতে পারলেন। এবার তিনি একা একা খুব জোরে আওয়াজ করে হাসলেন।
:):):)
=============================================
:):):)
কেজি স্কুল বনাম ইউনিভার্সিটি
১.কেজি স্কুল = পেন্সিল, ইরেজার, শার্পনার, স্কেল, জ্যামিতিবক্স, পেন্সিলবক্স
১.ইউনিভার্সিটি = ১টা মাত্র বলপেন তাও আবার ক্লাসমেট এর থেকে চেয়ে নেয়া
২.কেজি স্কুল = ক্লাস এ ঢোকার আগে “স্যার/ম্যাম, আসতে পারি?”
২.ইউনিভার্সিটি = কানে মোবাইল লাগিয়ে চুপচাপ ক্লাস থেকে বের হয়ে যাওয়া
৩.কেজি স্কুল = ব্যাগে প্রত্যেক বিষয়ের বই, আলাদা খাতা আর নোট
৩.ইউনিভার্সিটি = “দোস্ত, তোর খাতা থেকে ১টা পৃষ্ঠা ছিঁড়ে দে না। ”
৪.কেজি স্কুল = ক্লাস টেস্ট এ মার্ক্স থাকে ৯০ এর উপরে তাও ১০০ না পাওয়াতে মায়ের বকুনি
৪.ইউনিভার্সিটি = full mOOn আর রসগোল্লা ই খালি কপালে জোটে
৫.কেজি স্কুল = সাথে আনা টিফিনবক্স এ মায়ের হাতে বানানো সুস্বাদু খাবার
৫.ইউনিভার্সিটি = ক্যাফে তে ঢুকেই, “দোস্ত, আজকের বিলটা না হয় তুই ই দিয়ে দিলি, কেমন??”
৬.কেজি স্কুল = ২ দিন পরই ফাইনাল পরীক্ষা তাই রাত জেগে পড়ার সময় মাও সাথে জেগে থাকে
৬.ইউনিভার্সিটি = সারারাত জেগে থেকে তুমুল হইচই করে সবাই মিলে কার্ড খেলা
৭.কেজি স্কুল = রেজাল্ট ভাল হলে ভিডিওগেম এর জন্য বাবার কাছে আবদার
৭.ইউনিভার্সিটি = রেজাল্ট ভাল হলে দামি মোবাইল এর জন্য বাবার কাছে আবদার
৮.কেজি স্কুল = বিকেল বেলা স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়া
৮.ইউনিভার্সিটি = ফ্রেন্ড সার্কেল এ সবাই মিলে জমপেশ আড্ডা
৯.কেজি স্কুল = “ইশ!! মেয়েটা দেখতে কি কিউট। যাই ওর সাথে বন্ধুত্ব করি।”
৯.ইউনিভার্সিটি = “দোস্ত, আজকে ক্যাম্পাসে ১টা মাল দেখলাম। ওরে কালকেই প্রপোজ করব ভাবছি।”
১০.কেজি স্কুল = বড়দের কড়া শাসনে অতিষ্ঠ হয়ে , “ধুর ছাই। কবে যে ইউনিভার্সিটি তে উঠবো??”
১০.ইউনিভার্সিটি = পরবর্তী জীবনের কথা ভেবে, “আহা রে, আর কয়েক দিন পরেই সবাইকে ছেড়ে চলে যেতে হবে।”
:):):)
=============================================
:):):)

ছাত্রীঃ স্যার, দরজা জানালা বন্ধ করে দিন!
স্যারঃ কেন?
ছাত্রীঃ আপনাকে একটা চমৎকার জিনিস দেখাব!!!
…স্যারঃ সত্যি??? (অবাক হয়ে)
ছাত্রীঃ হ্যাঁ, আগে দরজা জানালা সব কিছু বন্ধ করে দিন, যাতে আলো না আসে!!
স্যারঃ তারপর?? আর কিছু??
ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন।
স্যারঃ ওহ!! তারপর? আর কি করবো বলো?
ছাত্রীঃ স্যার, এবার দেখেন। আমার নতুন ঘড়িতে লাইট জ্বলে!

:):):)
=============================================
:):):)
ম্যাডামঃ “transparent”(স্বচ্ছ) শব্দ টার একটা উদাহরণ দাও।


ছাত্রঃ ম্যাডাম্, এর উদাহরণ হচ্ছে , আপনার শাড়ির ভিতর দিয়ে “bra” দেখা যাচ্ছে।
ম্যাডাম রাগ হয়েঃ একটু তো লজ্জা শরম রাখো। :@

… ⇓















ছাত্রঃ ম্যাডাম লজ্জা শরম আছে বলেই তো বলি নাই যে “bra” নিচের জিনিস টাও দেখা যাচ্ছে।
:):):)
=============================================
:):):)
স্ত্রীঃ বল তো, সবচেয়ে ক্ষুদ্র ও ক্ষনস্থায়ী পোশাক কোনটি ?


স্বামীঃ কনডম !!
:):):)
=============================================
:):):)

দীর্ঘদিন চিকিৎসা করার পর তিন পাগলকে নিয়ে বসেছেন চিকিৎসক।
চিকিৎসক : বলো তো, ৩ কে ৩ দিয়ে গুণ করলে কত হয়?
প্রথম পাগল: ৩৯৮
হতাশ চিকিৎসক দ্বিতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন।
দ্বিতীয় পাগল: মঙ্গলবার
হতাশ হয়ে চিকিৎসক তৃতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন।
তৃতীয় পাগল: ৯
‘ভেরি গুড! এবার বলো তো, তুমি এটা কীভাবে বের করলে।’ খুশি হয়ে বললেন চিকিৎসক।
তৃতীয় পাগল: খুবই সহজ! ৩৯৮ থেকে মঙ্গলবার বিয়োগ করেছি!

:):):)
=============================================
:):):)
মনা পাগলা ভোরবেলায় রিকশায় চড়ে যাচ্ছে দেখে অন্য এক লোক তাকে ডেকে বলল, কি ভাই, ভোরবেলায় রিকশায় চড়ে কোথায় যাচ্ছেন?
মনা পাগলা : মর্নিং ওয়াকে।
লোক : তাহলে রিকশায় চড়ে যাচ্ছেন কেন?
মনা পাগলা : ভাই, ঘুম থেকে উঠতে লেট হয়ে গেছে, তাই রিকশায় চড়ে যাচ্ছি।
:):):)
=============================================
:):):)
দয়াল বাবাকে তার এক শিষ্য প্রশ্ন করল,
শিষ্য : বাবা, হাসি নাকি অমূল্য হয়? বুঝায় বলেন….


দয়াল বাবা : ধর তুই তোর প্রেমিকারে নিয়া লং ড্রাইভে গিয়া ১০০০টাকা খরচ করলি, সিনেমা দেইখা ৫০০টাকা উড়ালি, পাঁচতারা হোটেলে খাইয়া ৩০০০টাকা বিল দিলি, ওই হোটেলে ১০০০০টাকা দিয়া রুম ভাড়া নিয়া প্রেমিকারে নিয়া ঢুকলি। তারপর যখন করতে (!) গেলি তখন সে কয়, “সরি জান। আজ আমার ২য় দিন চলছে।” তখন তারে খুশি করতে যে হাসি দিবি ওইটাই অমূল্য হাসি…..
:):):)
=============================================
:):):)
একটি কারখানার বিজ্ঞপ্তি। মহিলা করমচারীদের জন্যঃ আপনারা যদি ঢিলে ঢালা শাড়ি পরে আসেন তাহলে মেশিন থেকে সাবধান থাকবেন।
আর যদি আঁটো শাড়ি পরেন তবে মেকানিক থেকে সাবধান থাকবেন।
:):):)
=============================================
:):):)
বড় বোনঃ মিনু আজ তোমাকে তোমার দুলাভাইয়ের ঠোটে চুমু খেতে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন এসব আর না দেখি বুঝেছ।
মিনুঃ তুমি রাবারের স্যান্ডেল পরা বন্ধ কর তাহলে আর দেখবে না। তোমার আসার শব্দ আমরা দুজনের কেও টের পাইনি...।
:):):)
=============================================
:):):)
এক শিক্ষক ক্লাস এ ছাত্র দের জিজ্ঞাসা করেন – এমন একটি জিনিসের নাম বল তো, যা স্থান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন নাম হয়।
এক ছাত্র বলল, চুল।
শিক্ষক বলল, কিভাবে?
ছাত্রঃ মাথায় আমরা বলি চুল, চোখের উপর হলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপর হলে বলি গোঁফ, গালে ও চিবুকে হলে বলি দাড়ি, বুকে হলে বলি লোম এবং.........
শিক্ষকঃ সাবধান, আর নিচে নামিস না......।
:):):)
=============================================
:):):)
একটি বাচ্চা ছেলে তার যুবক গৃহ শিক্ষকের উপর রেগে আগুন হয়ে বলল, কাল রাতে যাবার সময় গেটের কাছে আপনি আমার বোনকে চুমো খেয়েছিলেন, আমি দেখেছি। যুবক কাচু মাচু খেয়ে বলল, তাই বুঝি তুমি দেখে ফেলেছ। আচ্ছা এই তিরিশ টাকা নাও আর কাওকে বলবে না কিন্তু।

ছেলেটা তিরিশ টাকা পকেটে ঢুকিয়ে অপর পকেট থেকে পাঁচ টাকার নোট বের করে তার গৃহ শিক্ষকের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, এই নিন বাকী টাকা। সবার কাছ থেকে যা নেই – আপনার কাছ থেকে বেশী নেব কেন।
:):):)
=============================================
:):):)
সুরাইয়ার মাকে জন্ম নিয়ন্ত্রনের বড়ি দিয়ে নিয়মিত খেতে বলেছে ফ্যামিলি প্লানিং অফিসার। ছয় মাস পর পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে দেখে মহিলা গর্ভবতী। কি ব্যাপার! জিজ্ঞাসা করলেন অফিসার। আপনি পিল খাননি?

-হ, আপনাগোর যা ওসুধ-সখদে বলল সুরাইয়ার মা , প্রতি মাসে সুরাইয়ার বাপেরে খাওয়াছি বারটা, আমি খাইছি বারটা আর সুরাইয়ারে খাওয়াইছি ৪টা তাও অহন পোলা আইছে।
:):):)
=============================================
:):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):) :):):)
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×