১.
জনৈক: বান্টা সিং, কাজ করার আগে চিন্তা কর।
বান্টা : আমার চিন্তা করা লাগে না ম্যান!!!
আমি হইলাম সর্দার
২.
বান্টায় চন্ডীগড় থাইকা পুনে যাইতেসিল বাই এয়ার ইন্ডিয়া। তিন সীটের মাঝখানেরটা ওর পড়সে। মাগার অয় প্লেনে উইঠা জানালার ধারে বইসা পড়সে। ঐ সীটটা ছিল এক বৃদ্ধার। উনি প্লেনে উইঠা তার সীট চাইলে বান্টায় তো আর সীট দেয় না। এয়ার হোস্টেস আইসা রিকোয়েস্ট করল, কাম হইল না। এসিস্টেন্ট ক্যাপ্টেন আসলো, বান্টা সিংয়ের নড়ন চড়ন নাই
শ্যাষতক ক্যাপ্টেন আইসা ব্যাপার দেইখা বান্টার কানে কানে কি একটা কইতেই সর্দারজী লগে লগে ভালা মাইষের লাহান উইঠা গিয়া নিজের সীটে বইসা পড়ল। সব ঠান্ডা।
এয়ার হোস্টেস, এসিস্টেন্ট ক্যাপ্টেনে তো অবাক। ক্যাপ্টেনরে জিগায়,স্যার কি কাহিনী, হালার কানে কি কইলেন?
ক্যাপ্টেন: তেমন কিছু না, শুঢু বললাম যে শুধু মাঝখানের সীট চন্ডীগড় যাবে, বাকীগুলো জলন্ধরে
৩.
সর্দার তার ফ্রীজে খালি বীয়ারের বোতল রাখে কেন?
যারা মদ খায়না তাদের জন্য
৪.
বান্টা সিং আর বুটা সিং বোম্বে আইসে বেড়াইতে। শহরে আইসা দুজনে একটা ডাবল ডেকার বাসে উঠসে, মেলা ভীড়। বুটা সিং নিচতলায় সীট পাইয়া গেলেও বান্টা মাইনষের ঠেলা গুতা খাইয়া উপরের তলায় উইঠা গেসে। খানিক পর ভীড় একটু কমলে বুটায় উপরে উইঠা দেখে বান্টায় শক্ত হইয়া সীটে বইসা সামনের সীট আকড়াইয়া ধইরা ভগবানরে ডাকতাসে, বাহে গুরু...বাহে গুরু...
বুটায় অবাক হইয়া জিগায় , আরে বান্টা সিং কি হইসে তুমার, এত ঘাবরাইস কিয়েল্লাইগা, আমি তো নিচে মজাতেই আছি।
বান্টা: তা তো থাকবাই, তুমার তো ড্রাইভার আছে
৫.
এক সর্দার মরার পর স্বর্গে গেল। স্বর্গের দরজায় আসার পর দ্বাররক্ষী সর্দারজীরে জানাইলো যে স্বর্গে প্রবেশের জন্যে কিছু নতুন নিয়ম পাস হইছে। সব আত্মাকেই দুইটা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
১ম প্রশ্ন: সপ্তাহের দুই দিনের নাম বল যেইগুলা ইংরেজী 'T' দিয়ে শুরু হয়।
২য় প্রশ্ন: এক বছরে কত second আছে?
সর্দারজী খানিকক্ষণ চিন্তা কইরা বলে,
সপ্তাহের দুই দিন যেইগুলা 'T' দিয়া শুরু হয়, হইতাসে Today আর Tomorrow.
আর এক বছরে ১২ সেকেন্ড আছে।
দ্বাররক্ষী অবাক হইয়া বলে, ওকে, তোমার পয়লা উত্তর টা নিলাম, যদিও এইটা আশা করি নাই, মাগার ২য় টা তো ভুল হইসে।
সর্দারজী বললো, কি কন মিয়া, জানুয়ারী 2nd, ফেব্রুয়ারী 2nd, মার্চ 2nd......
দ্বাররক্ষী কোন কথা না বলে দরজা খুলে দিল।
সূত্র: আন্ত:জাল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



