somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফরয নামাযের পর করণীয় আমল সমূহ

০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সালামের পর একবার الله أكبر ‘আল্লাহু আকবার’ বলে তিন বার أستغفر الله ‘আস্তাগ্ফিরুল্লাহ’ বলবে। অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
ফায়েদাঃ এর দ্বারা নামাযের ত্র“টি-বিচ্ছুতি ক্ষমা হয়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ।
দলীলঃ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ  এর ছলাত শেষ হওয়া বুঝতে পারতাম তাকবীর তথা আল্লাহু আকবার বলার মাধ্যমে।
ছাউবান (রাঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ  যখন ছলাত থেকে ফিরতেন তখন তিনবার ‘আস্তাগ্ফিরুল্লাহ’ বলতেন। - মুসলিম, আবুদাউদ।
একবার এই যিকির বলবে-
اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الجْلَاَلِ وَالْإِكْرَامِ .
উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মা আন্তাস্সালাম, ওয়া মিনকাস্ সালাম, তাবারাকতা ইয়া যালজালালি ওয়াল ইকরাম।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমিই শান্তি, তোমার থেকেই শান্তি বর্ষিত হয়। তুমিই বরকতপূর্ণ হে মহান মর্যাদ ও সম্মানের অধিকারী।
দলীলঃ ছাউবান (রাঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ  যখন ছলাত থেকে মুখ ফিরাতেন তখন তিনবার ‘আস্তাগ্ফিরুল্লাহ’ বলতেন। তারপর বলতেন ‘আল্লাহুম্মা আন্তাস্সালাম, ওয়া মিনকা---।
একবার এই যিকির বলবে-
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَشَرِيْكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَي كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٍ، أَللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ ، وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ ، وَلاَيَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ .
উচ্চারণঃ- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু, লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। আল্লাহুম্মা লা মানেয়া লিমা আ’তাইতা, ওয়ালা মু’তিয়া লিমা মানা’তা, ওয়ালা ইয়ান্ফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
দলীলঃ মুগীরাহ ইবনু শু’বা (রাঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ  প্রত্যেক ফরয নামাযের সালামের পর -“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু, লা --’ বলতেন। -বুখারী, মুসলিম।
একবার এই যিকির বলবে-
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَشَرِيْكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَي كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٍ، وَلاَحَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ ، لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الحْسَنُ ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْكَرِهَ الْكَافِرُوْنَ .
উচ্চারণঃ- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু, লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়ালা না’বুদু ইল্লা ইয়্যাহু, লাহুন নি’মাতু, ওয়া লাহুল ফজলু, ওয়া লাহুচ ছানাউল হাসানু, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিছীনা লাহুদ্দীনা, ওয়া লাও কারিহাল কাফিরূন।
দলীলঃ আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ  নামাযের সালামের পর বলতেন- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু, ---। -মুসলিম।
৩৩ বার سُبْحَانَ اللهِ ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার الْحَمْدُ لِلَّهِ ‘আলহামদু লিল্লাহ’ ৩৩ বার اللهُ أَكْبَر ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং শত পূর্ণ করার জন্য একবার বলবে-
لاَإِلهَ إِلاَّاللهُ وَحْدَهُ لاَشَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَي كُلِّ شَيٍّ قَدِيْرٍ
উচ্চারণঃ- ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর’ ।
ফায়েদাঃ যে ব্যক্তি নামাযের পর এই যিকির করবে, তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনার মত হলেও আল্লাহ তাঅ’ালা ক্ষমা করে দিবেন।
দলীলঃ আবুহুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম  বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক ছলাতের পর ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আলহামদু লিল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এহ’ল ৯৯। আর শত পূর্ণ করার জন্য বলবে- ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু, ---। তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে, যদিও তা হয় সমুদ্রের ফেনার ন্যায়।
৩৩ বার سُبْحَانَ اللهِ ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার الْحَمْدُ لِلَّهِ ‘আলহামদু লিল্লাহ’ এবং ৩৪ বার اللهُ أَكْبَر ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে।
ফায়েদাঃ যে ব্যক্তি নামাযের পর এই যিকির করবে, সে কখনো বঞ্চিত হবেনা।
দলীলঃ কাঅ’াব ইবনে উজরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ  বলেছেনঃ নামাযের পর এমন কিছু যিকর আছে, যা পাঠকারী কখনো বঞ্চিত হবেনা। ৩৩ বার ‘সুব্হানাল্লাহ’, ৩৩ বার ‘আল্হাম্দুলিল্লাহ’ ও ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবর’। -মুসলিম।
একবার সূরা ইখলাছ, সূরা ফালাক, সূরা নাস পাঠ করবে। (সূরাগুলির জন্য ৬ নং আমল দেখুন।)
দলীলঃ উকবা ইবনে আমির (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ আমাকে প্রত্যেক নামাযের পর মুআ’উয়েযাত অর্থাৎ সূরা ইখলাছ, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করার আদেশ দিয়েছেন।”
মাগরিব ও ফজরের ছলাতের পর উক্ত তিনটি সূরা তিন বার পড়বে।
দলীলঃ উকবা ইবনে আমের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ  আমাকে প্রত্যেক নামাযের পর ‘মুআওয়েযাত’ (তথা কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক ও কুল আউযু বিরাব্বিন্নাস) পড়ার আদেশ দিয়েছেন।”
একবার আয়াতুল কুরসী পাঠ করা। আয়াতুল কুরসীর জন্য আমল নং -১৩ দ্রষ্টব্য।
ফায়েদাঃ যে ব্যক্তি এই যিকির করবে, তার জান্নাতের রাস্তা সহজ হয়ে যাবে।
দলীলঃ আবু উমামা (রাঃ) বলেনঃ “রাসূলুল্লাহ  বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর ‘আয়াতুল কুরছি’ পড়বে তাকে মৃত্য ব্যতীত অন্য কোন বস্তু বেহেশতে যাওয়া থেকে বাধা দিতে পারবেনা।”
মাগরিব ও ফজরের পর ১০ বার এই যিকির পড়বে-
لاَإِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ ، لاَشَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِ وَيُمِيْتُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلَي كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْر .
উচ্চারণঃ- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ইয়ুহয়ী ওয়া য়ুমীতু বিয়াদিহিল খায়রু, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।”
ফায়েদাঃ যে ব্যক্তি ফজরের পর এই দুঅ’া পড়বে, সে সবচেয়ে উত্তম আমলকারী হবে।
দলীলঃ আবু উমামা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ  বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফজরের নামাযের পর উভয় পা ফিরানোর পূর্বে একশতবার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা --।” পড়বে, সে সেদিন পৃথিবীবাসীর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ আমলকারী হবে। তবে যে ব্যক্তি তার মত বলবে কিংবা তার চেয়ে বেশী বলবে তার কথা ভিন্ন।
একবার এই দুঅ’া পড়বে-
أَللَّهُمَّ أَعِنِّى عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আইন্নী আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে তোমার যিকির, শুকর এবং উত্তমরূপে ইবাদত করার জন্য সাহায্য কর।
ফায়েদাঃ এই দুআ পড়া কত উপকারী তা রাসূলুল্লাহ  এর কথা থেকেই বুঝা যায়।
দলীলঃ মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ  আমার হাত ধরে বললেন, হে মুআয! আমি তোমাকে ভালবাসি। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমিও আপনাকে অতি ভালবাসি। তখন তিনি বললেনঃ তাহ’লে প্রত্যেক ফরয নামাযের পর এই বাক্যগুলো অবশ্যই বলবে- ‘রাব্বি আইন্নী আলা যিকরিকা ---- ’। -নাসায়ী।
দশবার ‘সুবহানাল্লাহ’ দশবার ‘আলহামদু লিল্লাহ’ এবং দশবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলা।
ফায়েদাঃ যে ব্যক্তি এই যিকির করবে, সে জান্নাতে যাবে।
দলীলঃ আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ  বলেছেনঃ দুটি কাজ যে করতে পারবে, সে জান্নাতে যাবে। (১) প্রত্যেক নামাযের পর দশবার ‘সুবহানাল্লাহ’ দশবার ‘আলহামদু লিল্লাহ’ এবং দশবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। ইবনু উমর বলেনঃ আমি দেখলাম রাসূলুল্লাহ  হাতে গণে বললেন, এহল মুখে ১৫০, কিন্তু মীযানে দেড় হাজার। (২) আর যখন ঘুমাতে যাবে তখন ১০০ বার এই তিনটি যিকির করবে, তাহবে মুখে ১০০, কিন্তু মীযানে এক হাযার। -মুসলিম, আবুদাঊদ, তিরমিযী।
প্রত্যেক ফরয নামাযের সালামের পর তিন বার এই দুআ পড়বে।
سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوْنَ وَسَلاَمٌ عَلَي الْمُرْسَلِيْنَ وَالْحَمْدُ لِله رَبَّ الْعَالَمِيْنَ
উচ্চারণঃ ‘সুব্হানা রাব্বিকা রাব্বিল ইযযাতি আম্মা ইয়াছিফুন ওয়া সালামুন আলাল মুসসালীন ওয়াল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।”
দলীলঃ আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, নবী  যখন নামায শেষ করতেন তখন তিনবার বলতেন ‘সুব্হানা রাব্বিকা রাব্বিল ইযযাতি আম্মা ইয়াছিফুন ওয়া সালামুন আলাল মুরসালীন ওয়াল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।” -আবু ইয়’ালা, সুয়ূতী।
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×