শুনতে হয় এই কথাটি!একবিংশ শতাব্দিতে দাঁড়িয়ে আর ডিজিটাল যুগে প্রবেশের বর্তমান সরকারের দেয়া শ্লোগানে সরব উচ্চারন যখন সব জায়গায়,তারপরও শুনতে হবে-আমলাতান্ত্রীক জটিলতা!
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক অবকাঠামোর সর্বোচ্চ জায়গাগুলো যাদের কার্যক্রমে বেগবান হয় তারাই তো আমলা সাধারন অর্থে যা আমার মতো একজন আমজনতা বুঝে।কিন্তু সে জায়গাগুলোতে নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতা কাজ করে!এইটা কি অবাক করার ব্যাপার না?অবশ্যই চিন্তারও বিষয় বলে আর কেউ না বলুক আমার কাছে মনে হয়।
সহজ অর্থে এই সরকারী প্রশাসনিক অবকাঠামোর পদ এবং কার্যক্রমে যিনি নিয়োজিত থাকেন,তিনি যদি শ্লথ হন তাহলে তো পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রই শ্লথ বা গতিহীন।তা সাধারন মাত্রই বুঝে।আর আমাদের অসাধারন একেকজন আমলা মানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কামলা’রা তা বুঝেন না!
আমি ছা-পোষা মানুষ।নিজের কর্মপরিধি আমি নিজেই ঠিক করি প্রতিদিন,মাঝে মাঝে সেই কর্মপরিধির যখন সঠিক এবং সময়পযোগী প্রকাশ না ঘটে।সেদিন আমার কাজগুলো আটকে থাকে নতুবা ব্যার্থ হতে হয়।এই ব্যার্থতার দায়ভার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয় আমার হবে কারন আমি পরিচালনা করি,সাথে দায়ভার আমার অধিনস্থদের।আমার বেশি দায়ভার এই জন্য যে আমি পরিচালনা করি।আমার অধিনস্থদের দায়ভার যে তারা আমার কথা মতো হয় কাজ করে নাই নতুবা তার কাছে অর্পিত দায়িত্ব পালনে সে গাফিলতি করেছে।প্রশাসন আর সরকার তো এই রকমই সাধারন অর্থে।আমি যা বললাম তা একান্তই আমার মতো সাধারন বুঝা লোকের কথাই ধরতে পারেন।গঠনমুলকভাবে বলতে পারবেন অভিজ্ঞ লোক জানি।
রাষ্ট্র যদি প্লাটফর্ম হয়-সরকার তার পরিচালক আর আমলারা সরকারের অধীনস্থ।এতো সহজ গ্রাফিক্স।কিন্তু এই সহজ কথায় কেন জানি বিশ্বাস হয় না।যার প্রমান আমাদের মানণীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি উক্তি যা আমি দেখেছিলাম টিভি নিউজে-মাননীয় স্পিকার আমলাতান্ত্রীক জটিলতা।বলছিলেন মন্ত্রী পুলিশের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর সংসদে জবাবদিহিতায়।
জানি না কে কিভাবে নিবেন,আমার মনে হয় কোন সরকার বা সরকার পরিচালিত দল যারা এ দেশেরই জনগন দ্বারা নির্বাচিত মাত্রই চাইবে না যে রাষ্ট্রযন্ত্র কম গতিতে চলুক।এ ক্ষেত্রে কেন আমলাতান্ত্রীক জটিলতা থাকবে,তার মানে হয় সরকার সেই আমলাদের পরিচালিত করার ক্ষমতা রাখে না নতুবা আমলারা তাদের স্থায়ীত্ব চিন্তা করে গা ভেসে দেন তাদের নিজের মতো করে।হয়ত তারা জানেন যে একটি সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদকাল ৫বছর।দলীয়বাজির কথা নাই বা বললাম,তা তো দুষ্ট ক্ষতের মতো ছড়িয়ে আছে সবজায়গায়।তার মানে কি এই জায়গায়ও তা ছড়িয়ে আছে?
দেশের প্রয়োজনে অথবা রাষ্ট্রের প্রয়োজনে যারা কার্যপদ্ধতি ঠিক করবেন সেই আমলারা যদি সরকারকে ও সরকারী কার্যক্রমে তুমুল গতিতে ঝাপিয়ে না পড়েন সাথে সাথে সরকারও যদি তাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ কাজগুলো আদায় না করতে পারেন।তাহলে যে কোন সরকারই মুখে ঠিক থাকবেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না।আর এতে সর্বোচ্চ সর্বনাশ হবে আমাদের মানে সাধারন জনগনের।কারন আমরাই তো তার কুফল ভোগ করবো।সরকারের নেয়া পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন না হলে তো তার প্রভাব পরোক্ষভাবে খেটে খাওয়া সাধারন জনগনের উপরই পরবে,কতবার বলতে পারি সে কথা!
তাই সরকারের উচিৎ যে সবসময়ই তার নিজস্ব গতিতে চলা।এ ক্ষেত্রে তার অধীনস্থ কেউ যদি তার কাজে ব্যাঘাৎ ঘটায় তবে তাকে সে তিরস্কার করতেই পারে সাথে সাথে সে কাজটির যোগ্য যদি সে অধীনস্থরা না হন তাহলে তাকে সরিয়ে যোগ্য লোককে সেই প্রশাসনিক জায়গায় দায়িত্ব দেয়ার ক্ষমতা সরকার রাখে।পাশাপাশি কেউ যদি ভাল করে তাকে পুরস্কৃত করতেও সরকারের কার্পন্য করা উচিৎ না তাই বা কে বারন করে।প্রয়োজন হলে সেই সব আমলাদের সবার সামনে প্রকাশ করলে জনগনের অকুন্ঠ সমর্থন পাবে বৈ কোন ক্ষতি হবে না বলেই কেন জানি মনে হয়।
আমাদের মতো আমজনতা তো কিছুটা বলতে পারি,সেই ভাবনা থেকেই সব বলা।সাধারনের সমর্থন যে আর সবার চেয়ে সেরা এই কথাটি তো আর অজানা থাকবার কথা না এই বর্তমান সময়ে এসে,তা তো সব শ্রেনীর মানুষ মাত্রই জানা।
তবে সেই দিনের অপেক্ষায় থাকলাম আমরা আমজনতা,যেদিন শুনবো না আর এই কথাটি-
আমলাতান্ত্রীক জটিলতা।
দেশ এগিয়ে যাক দুর্বার গতিতে,সঠিক পরিকল্পনায়,সময়োপযোগি ব্যাবস্থাপনায় এই শুভ কামনা জানি সবার।
আলোচিত ব্লগ
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।