আহ! ভাবতেই ভাল লাগছে যে কবিত্রয় যা দেখিয়ে দিলেন। প্রয়োজন না হলে আর সবাই যদি বিবেচনাপুর্বক এই রাষ্ট্রীয় কোষাগার এর অর্থ অপচয় করা থেকে বিরত থাকতেন। কি যে হতো আমাদের এই দেশটা! আশা করি সব রাষ্ট্রীয় অর্থ খরচ করার লোকজন মানে যারাই এই বরাদ্দ থেকে অর্থ খরচ করবেন এইরকম দৃষ্টান্ত মাথায় রেখেই যদি চলেন,আর কি দেশ পিছাবে? প্রশ্নই আসে না।
দৃষ্টান্ত সামনে রেখেই তো একজন মানুষের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি অর্জিত হয় অনেকাংশে,তা একটি জাতির বেলায়ও প্রযোজ্য। আর তা আমরা পেলাম একটি হলেও এই কবিত্রয় এর কাছ থেকে। দারুন এবং দারুন কবিত্রয় আপনাদের মহানুভবতা।
সশ্রদ্ধ সালাম হে কবিত্রয় আপনাদের। বিনম্র শ্রদ্ধা আপনাদের জন্য সাথে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে দোয়া এবং শুভ কামনা সবসময়ের। যেখানেই থাকবেন আর যেভাবেই থাকেন ভাল থাকবেন সবসময়।
এই দৃষ্টান্তের হাত ধরে কবিত্রয় দেশ কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবেন সব দিক দিয়ে এই আশা এখন মনে হয় করাই যায়। আর সবাই এই দৃষ্টান্ত মাথায় রেখে দেশ কে সামনে রেখে কিছুটা হলেও দেশের সন্মান উজ্জ্বল করবেন সবজায়গায় তা যে আপনাদের মতো আমারও আশা।
যেখানে বেশিরভাগ সময় সরকারী কোষাগার থেকে অর্থের অপচয় আর লুটপাট হয়েছে সেখানে এই ধরনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উনারা আমাদেরকেই শিখিয়েছেন একটু হলেও।
মানুষ ভোগ-বিলাস পছন্দ করে,এইটা মানুষের সহজাত স্বভাব। আর যারা এই ধরনের নজির মানে অসাধারন হয়েও,একটি বিমানের অসাধারন শ্রেনী থেকে সাধারন এর কাতারে নামিয়ে রাষ্ট্রের টাকা মানে অর্থ বাচিয়ে দেন।
এই তিন শ্রদ্ধেয় কবিত্রয় কে –
কবি নির্মলেন্দু গুন
কবি মহাদেব সাহা
কবি মুহাম্মদ সামাদ
কি বিশেষনে সমাদৃত করা যায় আপনারা একটু বলবেন আশা রাখি।
বাংলাদেশ কে পৃথিবীর বুকে সন্মানীয় স্থানে রাখার জন্য এই ধরনের মানূষই তো প্রয়োজন আমাদের,তাই না?
তিন কবির উদারতা শির্ষক প্রথম আলো পত্রিকার নিউজ
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



