আমার প্রিয় পোস্ট

"বাঙ্গালী জাতির গৌরবময় ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় সংস্কৃতির জন্য অপমানজনক কোনকিছু এই ব্লগে লেখা যাবে না। "শিহরণে সত্তায় তুমি, হে আমার জন্মভূমি"

আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা

১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

শেয়ারঃ
0 3 0

বয়ান করি আমরা "আমি খুব সাধারণ মানুষ, একজন সাধারণ মানুষ, হিসেবে বলতে চাই" - সাধারণ মানুষরা কি করে আর অসাধারণ মানুষরা কি করে?? আমার এই বিভেদ পুরোপুরি পরিষ্কার না অপরাপর অনেক বিষয়ের মতোই। তাই নিজেকে "মানুষ" এর বাইরে আর কিছু বলিও না। ঘাড়ের রগ বরারবরই ত্যাড়া। অন্যের মুখে ঝাল খাই না। নিজের বিবেচনা এবং বিবেকবোধ সবকিছুর উপর প্রাধান্য পায়।
সারাদেশে বিডিআর সন্ত্রাস নিয়ে অনেক আলোচনা, জল্পনা কল্পনা, ব্লগে অসংখ্য পোস্ট। কিছু আলাদা করে বলিনি, কারও কারও পোস্টে গিয়ে ২-৪টা মন্তব্য করেছি মাত্র। নিজের কান্না নিজের মাঝেই রেখেছি, এ আমার আরেক সীমাবদ্ধতা, প্রকাশ করতে পারি না নিজের অর্ধেকটাও।
বিডিআর সন্ত্রাস নিয়ে আমার শুধু একটা প্রস্তাবনা আছে
আমরা অনেক ঘটনা স্মরণে স্তম্ভ বানাই। সৌধ হয়। হজ্বের সময় জামারাতে শয়তানের উদ্দেশ্যে যেমন পাথর নিক্ষেপ করা হয়, তেমন একটা স্তম্ভ বানালে কেমন হয়? সেখানে সবাই বিডিআর সন্ত্রাসের সাথে জড়িতদের উদ্দেশ্য থুতু ফেলবে। ধর্মান্ধ উগ্র সন্ত্রাসীদের কে দুয়ো দিবে। রাজাকার জামাত শিবিরকে ঘৃণা করতে শিখবে
ঘৃণার যথাযথ প্রকাশ যেমন মানুষকে নতুন করে আবার সুপথে হাঁটার শক্তি যোগায় (হজ্বযাত্রীরা জামারার পাথর নিক্ষেপকে তেমনভাবেই বর্ণনা করেন) তেমনি আমাদের ঘৃণার এমন আনুষ্ঠানিক প্রকাশ আমাদের কে প্রকৃত মানবতা ও ভালোবাসার পথে হাঁটতে সাহায্য করতে পারে, করতে পারে উদ্বুদ্ধ।
আমি সাধারণ ব্লগার নই। কোন সাধারণ সুশীল ব্লগার একবুক ঘৃণা নিয়ে রাতের ঘুম হারাম করে জামাত শিবির রাজাকারকে গালি দেয় না। কোন সাধারণ ব্লগার অশেষ বৈরীতার মাঝেও তিনের অধিক বছর টিকে থাকে না। আমার একটাই উদ্দেশ্য নব প্রজন্ম জানুক দেশকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়।
আমি কান্নার পক্ষে নই, আমি আগুনের পক্ষে। কারণ সম্পূর্ণ ধ্বংস ছাড়া বিনির্মাণ হয় না।
চোখের জল তাই মুছে ফেলেছি। একজন জামাতীর মৃত্যু আমাকে সাময়িক আনন্দ দেয়। তাদের সবার মৃত্যু আমাকে নির্ভেজাল আনন্দ দেবে।
ব্লগ কর্তৃপক্ষ মত প্রকাশের স্বাধীনতার হাত ধরে যেভাবে জামাতীদের জায়গা করে দেয় সেটা দেখলে আমার শরীরের রক্ত টগবগ ফুটে। আমি সাধারণ মানুষ অথবা অসাধারণ ব্লগার তোমাদের বাংলা ভাষায় একটি ব্লগ চালানেরা পথে নিয়ামক হিসেবে কাজ করছি আমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হও, জামাতের তোষণ পুরো বাংলাদেশের জন্য কোন সুফল বয়ে আনেনি, সামু'র জন্য ও আনবেনা।
জামাত শিবির রাজাকার তথা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা যেখানে ততপর আছে তাদের জন্য আমি মেঘ, একজন অসাধারণ ব্লগার সবাইকে ভারচুয়াল ঘৃণা প্রকাশের আহ্বান জানাই।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
জইন বলেছেন: আমার লাস্ট পোষ্টা প্লিজ .... সবাই দেখবেন .... আমাকে প্রথম পাতায় দিবে না ... তাই বলছি আমার উপর যে অন্যায় করা হয়েছে ... আপনারা একটু জানুন।
২. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আপু,
নতুন পোস্ট দিছি। উহাদের তরফ থেইকা মাইনাসের বন্যা!!
৩. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
মেঘ বলেছেন: ভাই ও বোনেরা, প্লাস মাইনাসের থোড়াই কেয়ার করেন.......জামাত শিবির রাজাকার ঠেকান
৪. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
মুসান্না গালিব বলেছেন: কখনো কখনো অতি ভালবাসা থেকেও কিন্তু ঘৃণার জন্ম নেয়। যা হউক আহবান গৃহীত হইলো।
৫. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
মেঘ বলেছেন: সাহস থাকে তো প্রকাশ্যে মাইনাস দে সব জামাতীর বাচ্চারা.........
৬. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: তাদের সবার মৃত্যু আমাকে নির্ভেজাল আনন্দ দেবে।
সহমত+
৭. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
মেঘ বলেছেন: জামাত শিবির রাজাকার /মরে হোক ছারখার
৮. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: মেঘ বলেছেন: ভাই ও বোনেরা, প্লাস মাইনাসের থোড়াই কেয়ার করেন.......জামাত শিবির রাজাকার ঠেকান
১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: মেরুদন্ডী মানুষ হই আসুন সবাই

৯. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ব্লগে হৈ-চৈ করে অনেক কিছুই বলতে পারি আমরা ...বলিও ...

জামাত/শিবির ঠেকান এই প্রেক্ষাপটাকে মূলত বাস্তবধর্মী রাখতে হবে সব সময়..

দেশ, স্বাধীনতা, ১৯৭১ এগুলো চূড়ান্ত বাস্তব ...

রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী - এগুলো নির্মম বাস্তব ...

১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: বন্ধু গতকাল যেভাবে নোমানীর জন্য মাতম চলছিলো তা অসহনীয় ছিল।
তুমি একটু একটু আমাকে জানো, অকারণ হৈ চৈ গেদারিং আমি সব এড়িয়ে চলি।
বাট গতকাল.......এনি ওয়ে

১০. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
শাহীন শিবির বলেছেন: সারা দেশে চলছে জামায়াত-শিবির নিধন কর্মসূচি; আপনিও এগিয়ে আসুন।

বিকৃত মন-মানসিকতার মেঘ' আপনার জন্য দু:খ।

সোনার ছেলেরা ধর্ষণ করে আপনার মাকে রক্তাক্ত করলে বৃষ্টি দিয়ে ধুয়ে দিয়েন;
সোনার ছেলেরা আপনার ভাইকে রক্তাক্ত করে আনন্দ উল্লাস করলে এক পশলা বৃষ্টি দিয়েন;
........
১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: দূরে গিয়া মর

১১. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
কালপুরুষ বলেছেন: আমার একটাই দুর্বলতা, আমি তোমার মতো করে লিখতে পারিনা। আমার কলমে তেমন ধার নেই, মগজে তেমন বারুদ নেই, বুকে তেমন ছাইচাপা আগুন নেই- আমি নিতান্তই মৃত এক আগ্নেয়গিরি যার গলিত লাভা এখন জমাট ম্যাগমায় রূপান্তরিত। বৈরী আবহাওয়া শুধু ক্ষয় হতে শিখেছি- ঢিল বা পাথরের টুকরো হয়ে কোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারিনা। অপেক্ষায় আছি আরেকটি আগ্নেয়গিরির।
১২. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
মেঘ বলেছেন: অপেক্ষা না করে নিজের যা আছে তা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।
দেশকে ভালোবাসতে না জানলে কখনো প্রকৃত প্রেমের সন্ধান পাওয়া যায় না।
১৩. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: তীয়নাম বলেছেন: তাদের সবার মৃত্যু আমাকে নির্ভেজাল আনন্দ দেবে।
সহমত+
১৪. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: জামাতী শুয়ারের বাচ্চাগুলির জন্য শুধু ঘৃনা। ওই যাউরা গুলি মরলে শোকপ্রকাশের কি আছে ?

আমরা ব্লগে মত প্রকাশ করলেই ব্যান , আর যাউরা জামাত-শিবিরের পোস্ট দিয়া যে প্রথম পাতা ভইরা গেসে তা কর্তৃপক্ষ দেখে না !!

আপা-দুলাভাই আরেক যাউরা , এ দুইটারে জামাতের সাথে একসাথে পুড়াইয়া মারা উচিৎ।
১৫. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: Click This Link

এই পোস্টটা একটু পড়েন , আপনেরে ওইখানে খুব দরকার
১৬. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৭
মেঘ বলেছেন: আমার ঘৃণাস্তম্ভের ব্যাপারে কেউ কিছু বললো না। কেউ কি আসলে পোস্ট পড়ে মন্তব্য করে??
১৭. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৮
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: অামি তো পোস্ট পইড়াই মন্তব্য করলাম :(

১৪ নং কমেন্টটা দেখেন নাই ?? :( :(
১৮. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪০
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: পোস্ট পড়ে মন্তব্য করছি।

আমার কাছে প্রস্তাবটি প্রচন্ড প্রতিক্র্রিয়াশীল।আপত্তিকর মনে হচ্ছে।

১৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩১
মেঘ বলেছেন: ঘৃণা প্রকাশ করা কর্তব্য যারা জামাত শিবির রাজাকার বিডিআর সন্ত্রাসের সাথে জড়িত
২০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫১
কালপুরুষ বলেছেন: আজ থেকে ৫/৬ বছর আগে পহেলা বৈশাখের এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে বাংলা একাডেমীর এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানে কোন এক বীর মুক্তিযোদ্ধা বক্তৃতায় বলেছিল আমাদের দেশে রাজাকার বা যুদ্ধাপরাধীদের জন্য একটা স্মৃতি স্তম্ভ করা হোক যেখানে বছরে একটা দিন হলেও আমরা সেখানে ঘৃণা সহকারে জুতা বা সেন্ডেল নিক্ষেপ করতে পারবো। কিন্তু সেই স্তম্ভ আজো তৈরী হয়নি। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গুলিস্তান সিনেমা হল ভেঙ্গে মার্কেট করে, ক্লাব ভবন নির্মাণ করে কিন্তু একটা স্মৃতি স্তম্ভ তৈরী করতে পারেনা। এটাতো তাদেরই আগে তৈরী করার কথা আর আমরা যারা সাধারণ মানুষ, শিশু-কিশোর, স্বাধীন দেশের নাগরিক তারা সত্যিকারের ইতিহাস স্মরণ করে সেই "ঘৃণা স্তম্ভ"-এ জুতা-সেন্ডেল নিক্ষেপ করে আসবো। জানিনা কবে এবং কারা তা নির্মাণ করবে।
২১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
কালপুরুষ বলেছেন: "স্মৃতি স্তম্ভ" না বলে সেটা "ঘৃণা স্তম্ভ" বলাই সমীচীন।
২২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
একরামুল হক শামীম বলেছেন: একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রয়োজনীয়তা খুব উপলব্ধি করছি।
২৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
মেঘ বলেছেন: ঘৃণা স্তম্ভ করা হোক
২৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১০
কালপুরুষ বলেছেন: সামনে ২৬ শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। সেদিন বর্তমান সরকার অথবা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ ঘোষনা দিক '৭১এর সেই ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণস্থলের সন্নিকটে অচিরেই একটা "ঘৃণা স্তম্ভ" নির্মাণ করা হোক।
২৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৯
মেঘ বলেছেন: তাড়াহুড়ার কোন কিছু ভালো না। ধীরে সুস্থে হোক, তবে হোক।
২৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১১
অচেনা সৈকত বলেছেন: জামাত-শিবিরের জন্য ঘৃণাস্তম্ভ বানানোর প্রস্তাবে সহমত। কিন্তু এটার সাথে বিডিআর হত্যাকান্ডের যোগাযোগ কতটুকু? ইন ফ্যাক্ট, জামাতের সাথে যোগাযোগটা গুজব পর্যায়ে, কিছু প্রমাণ হয় নি। বরং তাদের ৭১ এর ভূমিকার কারণে ঘৃণাস্তম্ভ বানানোটা ঠিক আছে। জামাত-শিবিরের নেতাদের ক্রসফায়ারে দিলেও কিন্তু অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
২৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: শাহীন শিবির বলেছেন: সারা দেশে চলছে জামায়াত-শিবির নিধন কর্মসূচি; আপনিও এগিয়ে আসুন।

বিকৃত মন-মানসিকতার মেঘ' আপনার জন্য দু:খ।

সোনার ছেলেরা ধর্ষণ করে আপনার মাকে রক্তাক্ত করলে বৃষ্টি দিয়ে ধুয়ে দিয়েন;
সোনার ছেলেরা আপনার ভাইকে রক্তাক্ত করে আনন্দ উল্লাস করলে এক পশলা বৃষ্টি দিয়েন;
........



==========

ছাত্র রাজনীতি এমন একটা পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে এখন আলাদা করে কোন পক্ষ-বিপক্ষ করতে আমি নারাজ । কারণ এতে বলি হচ্ছে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী আর তাদের পরিবারের স্বপ্ন ...

আজকে শিবিরের কারো ক্ষতি হয়েছে...কালকে বদলা স্বরূপ লীগের কারো ক্ষতি হবে...পরেরদিন আবার জাতীয়তাবাদীর ঝাণ্ডা উঁচিয়ে অস্তিত্ব জানান দিতে আরেকদল আসবে ...তার লাভ টা কার হচ্ছে ???


পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, ওই মুহূর্তে যে একটি কমজোরি হয়ে যাবে কোন কারণে তার দলের কাউকে মাশুল গুণতে হবে ...তাই বলে কিন্তু আসল দোষের দায়ভার এড়ানো যাবে না...

টেলিভীষণের খবরের বদৌলতে দেখা যাচ্ছে, ছাত্রনামধারী অরাজকাতা সৃষ্টির পাঁয়তারা দিয়ে কারো হাতে বিশাল রাম দা, কেউ ঢিল ছুঁড়ছে ...


এখানে এই পক্ষ, ওই পক্ষের সাফাই গেয়ে আমাদের নিজেদের সংকীর্ণ মনের দৃষ্টান্ত তুলে না ধরলেই ভাল হয় ...


যা হচ্ছে, এর চেয়ে বেশী কিছু এইরকম ঘূণে ধরা ছাত্র রাজনীতি থেকে আশা করা যায় না...যারা (তা সে যে দলেরই হোক না কেন) এমন স্বার্থান্বেষী ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত...যাদের হাতে প্রতিবাদের ভাষায় এমন অস্ত্র উঠে আসে, যাদের কর্মকাণ্ডে একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ হয়ে যেতে হয়...এমন জঘণ্য ছাত্র রাজনীতিতে জড়িতদের পরিণতি আজ হোক কাল হোক এমনই তো হবে ...

তাই এর-ওর দোষ ধরতে গিয়ে আমরা কেবল একটা ভয়াবহ পরিণতিকে ঠাণ্ডা মাথায় উসকে দিচ্ছি...

ঘৃণা আমাদের মানসিক দলীয়করণ মনোবৃত্তির

ঘৃণা এমন ছাত্র রাজনীতিকে ...
২৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: লেখক বলেছেন: বন্ধু গতকাল যেভাবে নোমানীর জন্য মাতম চলছিলো তা অসহনীয় ছিল।
তুমি একটু একটু আমাকে জানো, অকারণ হৈ চৈ গেদারিং আমি সব এড়িয়ে চলি।
বাট গতকাল.......এনি ওয়ে

===

বন্ধু, আমি ব্যক্তিগত ভাবে বরাবরই ছাত্র রাজনীতির বিপক্ষে....এখানে ছাত্র লীগ, শিবির বা জাতীয়তাবাদি দলের কারো মৃত্যু আমাকে কম বিচলিত করে...

আমি বরং চিন্তিত হয়, কি করে সম্ভব একটা বিশ্ববিদ্যালয় এভাবে যখন-তখন বন্ধ হয়ে যায় !!! কারো কি একটি টনক নড়ে না একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে এভাবে ছাত্র রাজনীতির কাছে জিম্মি হয়ে আছে বছরের পর বছর ...

আজকে এই দলেই কেউ মারা যাবে, কালকে ওই দলেই...স্বভাবতই যার যার দলের কর্মীরা মাতম করবে ...এ আর নতুন কি ..

কিন্তু এখানে পক্ষে-বিপক্ষে বলতে গেলে ক্ষতি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার হচ্ছে...

৩০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
বাফড়া বলেছেন: লেখাটা পইড়া আগা মাথা কিছুই বুঝতে পারলাম না!!!!

৩নং প্যারার শুরুতে কইলেন বিডিআর সন্ত্রাস লয়া আপনার প্রস্তাবনা আছে , যেইখানে কইলেন যে স্তম্ভ বানায়া সবাই থুতু নিক্ষেপ করবে ''বিডিআর সন্ত্রাসের সাথে জড়িত দের উদ্দেশ্যে''...

একই প্যারায় কইলেন- ''ধর্মান্ধ উগ্র সন্ত্রাসীদের কে দুয়ো দিবে। রাজাকার জামাত শিবিরকে ঘৃণা করতে শিখবে'' - তো রাজাকার, জামাত শিবিরের সাথে বিডিআরের কানেকশান টা কেমনে পাইলেন, বা কেমনে কানেকশান টা বাইর করলেন, উল্লেখ করলেন না!!! নাকি কইতে চাইছেন বিডিআর , রাজাকার, জামাত-শিবির একই চীঝ???

ইমোশনাল অর্থাত ইমোশনরে পুজি কইরা লিখেন ভালো কথা কিন্তু সেইটা করতে গিয়া আও-ফাও প্যাচ খাওয়ায়েন না..!!! কই বিডিআর, কই রাজাকার আড় জামাত-শিবির... কিসের সাথে কি মিলাইলেন?

লেখার শুরুর দিকে আছে বিডিআরের কথা , আর শেষ করছেন জামাত রে দিয়া... এই দুই মেরুর জিনিস রে একই পোস্টে তুইলা ধইরা তেলে জলে মিশ খাওয়ানোটা কি আপনার তরফ থেকে একটা প্রচেষ্টা নাকি স্রেফ ভুল??


সবশেষে আপনার অতুলনীয় মিক্শ্চারের স্মরতিস্বরুপ পোস্ট থেকে কোটেশান মারলাম..।

'''আমরা অনেক ঘটনা স্মরণে স্তম্ভ বানাই। সৌধ হয়। হজ্বের সময় জামারাতে শয়তানের উদ্দেশ্যে যেমন পাথর নিক্ষেপ করা হয়, তেমন একটা স্তম্ভ বানালে কেমন হয়? সেখানে সবাই বিডিআর সন্ত্রাসের সাথে জড়িতদের উদ্দেশ্য থুতু ফেলবে। ধর্মান্ধ উগ্র সন্ত্রাসীদের কে দুয়ো দিবে। রাজাকার জামাত শিবিরকে ঘৃণা করতে শিখবে'''''''
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ঘৃণার যোগ্য প্রতিটি ঘটনাকে ঘৃণা করার জন্য একটি সিম্বল দাঁড় করানোর প্রস্তাব।
বিডিআর সন্ত্রাস, জামাত শিবির রাজাকার প্রতিটি জিনিসই ঘৃণার। প্রাথমিক অবস্থায় এটা অমুক ঘৃণাস্তম্ভ, সেটা তমুক ঘৃণা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট এটা তো সম্ভব না। তাই একটি গণঘৃণা প্রকাশের জায়গা থাকা।
আশা করি আপনার বিভ্রান্তি কেটে গেছে।

৩১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: জামাত শিবির রাজাকার /মরে হোক ছারখার
৩৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: অবশেষে আমাকে ছেপ করা হইসে ;)
৩৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
মুগ্ধতা বলেছেন: আপু, আমি আপনার সাথে একমত.....কিন্তু শুধু ঘৃণা প্রকাশে কি কোনো পরিবর্তন আসবে???
৩৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪২
রোহান বলেছেন: সহমত। আপাতত ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের জন্য একটা ঘৃণা স্তম্ভ বানানো যায়। কিন্তু শুধু ঘৃণা প্রকাশে যুদ্ধাপরাধীদের কিছু যাবে আসবে বলে মনে হয় না। এগুলা ওদের গা সওয়া হয়ে গেছে। ওদের দরকার কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি।
৩৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১২
অরণ্য আনাম বলেছেন:
============================================

আপু কেমন আছেন? আমাকে মনে আছে তো?
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: কেন মনে থাকবে না?? আমার ফটোজেনিক মেমোরি, ঘাবড়াও মাত ভাই :)

৩৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৫
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: নতুন পুস্ট যে দিসি , কোনো খবর আছে ?? ;)

ছোটভাইয়ের পোস্ট , এডভারটাইসমেন্ট না দিলে ও যে গিয়া দেইখা আসতে হয় তা কি কারোর ই মনে থাকে না :(
৩৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩২
মেঘ বলেছেন: লৌড়াইয়া আইবার লাগছি............
৩৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৬
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
জামাত শিবির রাজাকার
খাসিকৃতকরণ আর
কাতারে পেঁদানো দরকার
৪০. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৮
আকাশনীল বলেছেন: জামাত শিবির রাজাকার /মরে হোক ছারখার
৪১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪৮
মেঘ বলেছেন: আর মরছে............পলিটিশিয়ানরা বলে "জামাত শিবির রাজাকার/তোদের অনেক দরকার"
৪২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০১
তামিম ইরফান বলেছেন: জামাত শিবির রাজাকারগুলিরে রাস্তার মধ্যে উবদা করায়া শুয়াইয়া আইক্যাঅলা বাঁশ ঢুকায় দেওনের কাম।ঐটা ব্লগের ছাগু হোক আর বাস্তবের
৪৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০৪
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: জামাতীদের শুধু গালাগালি করা খুব অন্যায়। ওনাদের নিমন্ত্রণ দিয়া শুয়োরের বিষ্ঠা খাওয়ানো উচিত।
৪৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: আপনেরে নিয়া ব্যাপক গবেষনা চলতেসে

Click This Link

৬৭ নম্বর কমেন্টটা আমার করা ;)
৪৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
মেঘ বলেছেন: কি যে হইছে দুনিয়ার......আমারে নিয়ে কারা গবেষণা করে??
দেখছি ঐটা কাল রাতেই।
না পেরে শেষ পর্যন্ত আমাকে হিজড়া ডাকে জামাতীরা, আমি "হিজড়া" হলে খুশি-তার মানে আমি জেন্ডার জিনিসটাকে অতিক্রম করতে পেরেছি........বিরাট সাফল্য এটা আমার মানবিক চেতনার
৪৮. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৬
রুমানা বৈশাখী বলেছেন: সহমত.. .. ..সহমত.. ....সহমত.....সম্পূর্ণ পোস্টের সাথে সহমত।

আমিও কান্নার পক্ষে নই, আমি আগুনের পক্ষে। কারণ সম্পূর্ণ ধ্বংস ছাড়া বিনির্মাণ হয় না।
৪৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১০
মেঘ বলেছেন: যাক তুই কোন এক ব্যাপারে আমার সাথে সহমত হইলি
৫০. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: রুমানার মন্তব্যে ঝাজা, পুস্টে বিপ্লব। প্রিয়তে নিলাম

আপনার উপর মনোয় বিজলী চমকাইতেছে, খুউব খিয়াল কইরা....
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, সাবধানে থাকব

৫১. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:

এরম একটা ঘৃণাস্তম্ভ বড় আকারে আসলেই জরুরী
৫৩. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০০
সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন: তোমার কি দরকার, সোনা / ধন?
মাগী মেঘের উদ্দেশ্যে কবতে
তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল। তোর মা হাসিনারে জিগা মাগি, খানকির জি হাসিনা আইলেই বাংলাদেশের এই অবস্থ্যা হয় কেন?

মাগী, তোর গুড়া কৃমি বাড়লে তোর মার কাছে যা, তোর হাসিনা মা তোরে যৌবনজ্বালা সাইটে লইয়া যাইবনে।

আমার কাছে বল্গাইতে মজা লাগে, তোর কাছে কি চুদা দিতে মজা লাগে।

মাগীর বাচ্চা মাগী।

অত খাওজানি হইলে আমার দেশের সম্পাদকরে জিগাইতে ক?
সুনিতা পাল কেডা তোর মারে জিগা।
দেশ টারে বেশ্যা পাড়া না বানাইতে পারলে তোর মার শান্তি নাই।

বেশ্যার দল।
৫৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০২
মেঘ বলেছেন: কুষ্টিয়াতে রাজাকারদের ঘৃণা জানানোর জন্য একটি স্তম্ভ তৈরী করা হয়েছে........সবাই জেনে আনন্দিত হবেন।
৫৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২০
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: লেখকের অনুভূতির সাথে সহমত, বাস্তবায়নের পদ্ধতির সাথে নয়। ঘৃণা খুব কার্যকর অনুভূতি কিন্তু যুক্তিবর্জিত, আমাদের দশটা ঘৃণাস্তম্ভের বদলে একটা মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর দরকার - সবাইকে জানানো দরকার কী ঘটেছিলো, কারা তা করেছিলো। সবাইকে শিক্ষিত করা দরকার, যাতে লোকজন শেখে। পিটিয়ে মারলে শহিদ তৈরি হবে - এদের যথোপযুক্ত শাস্তির দরকার, শাহাদাত নয়।

মাঝে মাঝে মনে হয়, যদি অশভিৎজের মতো একটা জাদুঘর থাকতো, এই অন্ধ বর্বরেরা পালানোর পথ পেতো না। তিরিশ মিটার লম্বা একটা শোপিস মানুষের চুল দিয়ে ভর্তি, নাৎজিরা মানুষ মারার আগে চুল কাটতো, গদি বানানোর জন্য। আমাদের এইরকম কিছু একটা দরকার... ঘৃণার জন্য ঘৃণা নয়, জেনেশুনে, বোধের ভেতর থেকে ঘৃণা।
৫৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২২
মেঘ বলেছেন: আমার কথা অনেকের মনেই একই সুরে বাজছে..........তাই ২৪শে এপ্রিল প্রথম আলোতে বের হওয়া খবরটির স্ক্যানকপি যুক্ত করে দিলাম।:)
৫৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
জনাবা,
আদ্যোপান্ত পাঠ করিলাম। জনস্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলিয়া ধরিয়া একটি ধন্যবাদযোগ্য কাজ করিয়াছেন।
রচনার পরতে পরতে আপনার মেধা, উন্নত রুচি ও মননশীলতার দ্যুতি বিচ্ছুরিত হইতেছে। কালোত্তীর্ণ রচনা হিসাবে ইহা নিশ্চিতই বিদগ্ধজনের হৃদয়ে স্থায়ী হইবে। সন্দেহ নাই এইরূপ রচনাই হইবে অনাগত প্রজন্মের নিকট সকল অনুপ্রেরণার উৎস।
আপনার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করিতেছি।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: ঘটনা কি??

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভালোবাসা এত সহজ নয়, তা যদি অদৃশ্য কারো সাথে হয়.......
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ