আমার প্রিয় পোস্ট
- বারবার windows install করার ঝামেলা থেকে মুক্তি চান?
- সপ্নচারী_
- আমার শোকেজে সাজানো ব্লগ গুলো... - আকাশদেখি
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- ব্লগের ESET NOD32 Antivirus ও ESET Smart Security ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে....... - নাফিস ইফতেখার
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- রেসকোর্স, ৭ মার্চ ও একটি ইসলামী জলসার গল্প - অমি রহমান পিয়াল
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- জন স্টোনহাউজ : মুক্তিযুদ্ধের এক প্রতারক বন্ধু - অমি রহমান পিয়াল
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- WTF!!! আসুন সহজে খুঁজে বের করি ফন্ট!
- নাফিস ইফতেখার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- আসুন নিজের ঘরের জন্য একটা ছোট আইপিএস বানাই (টেকিদের জন্য) - রাব্বি !
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- শিবিরের জন্মদিনে সামী'র ব্লগীয় অনুভুতি - সামী মিয়াদাদ
- বসনিয়ার ধর্ষণ ও বাংলাদেশ ৭১ - অপ বাক
- যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত) - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগারদের পছন্দের সেরা কিছু রোমান্টিক বাংলা গান। - নিঃসঙ্গ
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- ১৯৭১ সালে সংঘটিত যেসব অপরাধের বিচার হওয়া জরুরী - একরামুল হক শামীম
- ঘোমটার খসে যাওয়া আর জুজুর ভয় , কাউয়ার লগে মেঘ দেখি - রাগ ইমন
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- রেপিড শেয়ার থেকে ফাইল ডাউনলোড করুন বিকল্প/পেইনলেস উপায়ে: as smooth as silk (প্রিমিয়াম ইউজারদের জন্য নয়) - ক্যানন কার্ণেগী
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- সাহায্য চাই - লাবু শামস
- Online - এ বাংলা বই - মশিউর রহমান মেহেদী
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
"বাঙ্গালী জাতির গৌরবময় ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় সংস্কৃতির জন্য অপমানজনক কোনকিছু এই ব্লগে লেখা যাবে না। "শিহরণে সত্তায় তুমি, হে আমার জন্মভূমি"

যেই কোয়াল (কপাল), হেই মাথা, ঘুরি ঘুরি কোয়াল হাতা [যে কপাল সেই মাথা ঘুরে ঘুরে কপাল খুঁজো, লাভ নেই]
১১ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫
দাবী, দাওয়া, চাহিদা ইত্যাদি ইত্যাদি শব্দ মাথার ভেতর জট পাকিয়ে ”না-অনুভবের” চাতালে আছড়ে ফেলে। তুচ্ছ, অতি মানবদেও কাছে যেসব জিনিস অতি তুচ্ছ সেই অনুভূতিগুলো পেয়ে বসে সারাক্ষণ। নিজের অজান্তে অভিযোগের ঝাঁপি খুলে পুরো পৃথিবীকে প্রতিপক্ষ ভেবে আক্রমণ শানাতে থাকি।
২০০৭ এর জানুয়ারির ১১ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকার + আর্মির ক্ষমতা অধিগ্রহণ, তার আগের ৫বছর বিএনপি জামায়াত এর অশৈলী-অসুর দাপানো দেখতে দেখতে মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়েছি কতবার!
অনেক স্বপ্ন নিয়ে ২০০৮ এর নির্বাচনে ভোট দিয়েছি, অন্তত ১০০ ভোট আয়ামী লীগের জন্যে চেয়ে এনেছি।
কি অসহনীয় বিদ্যুত বিভ্রাটে কেটেছে তারেক আমলে। আমাদের কষ্টকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারেক-মামুন খাম্বা বানিয়েছে, কিনেছে। অন্তরের গভীর থেকে যতটুকু অভিশাপ দেয়া যায়, দিয়েছি। এখন আমরা আবার ৫১হাজার খুঁটি কিনেছি। একটা পাওয়ারপ্ল্যান্ট তৈরী করার উদ্যোগ নেই। কোন অফিস, আদালত, নতুন ভবন দিনের আলো ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলার আইনী বাধ্যবাধকতা নেই। চব্বিশ-পঁচিশ তলা এক এক অফিস, এক এক ফ্লোরে ২০০-৩০০ বাতি জ্বলে, দশ বিশটা এসি প্রতি ফ্লোরে। ভেন্টিলেশন নেই। সব বন্ধ। প্রজ্ঞাপন জারি করে হাফ হাতা শার্ট পরার বিধান, টাই না পরার স্যুট না পরার পরামর্শ। নারীরা কি করবে? নাঙ্গা থাকবে বিদ্যুত বাঁচাতে! যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ। শেষ পর্যন্ত ভারত থেকেই বিদ্যুত আনা, তাহলে পরিত্রাণ দিতে এত দেরী কেন?
পাঁচ সাতটা পাম্প ঘুরলেও গাড়ির গ্যাস পাওয়া যায় না। প্রেসার নেই অথবা পাওয়ার কাট্ । আমরা বাসায় গ্যাসের চুলায় বাচ্চার কাঁথা শুকাচ্ছি কিংবা কারখানায় ঘ্যাসের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ চালু রাখতে আরেক এলাকার হেঁশেলই বন্ধ করে রাখাচ্ছি। বাসায় বাসায় সিলিন্ডার গ্যাস দেয়া যায় না? চালু করা যায় না প্রিপেইড মিটার?
প্রতিদিন ৩০, ৩০- ৬০ কিলো রাস্তা পাড়ি দিতে রাস্তায় ৬ ঘণ্টা। লেইন, স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল কতকিছু! গাড়ির রেজিস্ট্রেশন দেয়া বন্ধ করা যাবে না। প্রতি সপ্তাহে, না প্রতিদিন যেন ২০০ গাড়ি নামছে রাস্তায়। কি অসহনীয়, অসহ্য অবস্থা! সারবিশ্বে মন্দার কারণে যেখানে গাড়ির ব্যবসা পড়তির দিকে সেখানে আমার দেশে রমরমা। যেদিকে তাকানো যাবে কেবল মানুষ। প্রাইভেট অর্গানাইজেশনগুলো স্টাফ বাস দেয় না। কি দুর্ভোগ মানুষের, আহ! পরিবহন খাতের ব্যবস্থাপনা হাত বদল হয় ক্ষমতা বদলের সাথে সাথে। আমরা জিম্মি। ৩৯ বছর স্বাধীনতার। ব্যবসায়ীদের (সড়ক পরিবহন) মন রাখতে রেলখাতের কোন উন্নতি করা হলো না। উড়াল সেতু, পাতাল রেল হবে কারণ এখানে টাকা খাওয়া যাবে। নরমাল ট্রেন দিলে আর কয়টাকা খাওয়া যাবে! নিজের মাথার চুল নিজের ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। কেন এসব ভাবি?
কোন ফল পঁচে না। কেমিক্যাল।
কোন নদীর পানি শোধনযোগ্য না । সেগুলোই আমরা খাই। ব্যবসায়ীদের ছাড় দিয়ে ফ্যাক্টরীগুলোতে ইটিপি করা আমরা বাধ্যতামূলক করি না।
পুরো ঢাকা অবরুদ্ধ জ্যামে। ক্যান্টনমেন্ট এর রাস্তা রেস্ট্রিকটেড, বারিধারার রাস্তা রেস্ট্রিকটেড। ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিদ্যুত যায় না। ওরা কি আমাদের চাইতে কর বেশি দেয়?
কবে হবে ক্ষমতা, প্রশাসনেরর বিকেন্দ্রীকরণ? কবে ঢাকামুখী স্রোত, মানুষের ঢল কমবে কাজের খোঁজে? কবে ক্রসফায়ার থামবে? কবে কৃষকলীগের নেতার ছেলে কাউকে ধর্ষণ করবে না? কবে বিএনপি জামায়াত এথনিক ক্লিনসিং এর মতো পূর্ণিমাকে ধর্ষণ করবে না?বেনিয়ার হাতে আমাদের সব গেছে আমরা আর স্বপ্ন দেখি না। বন্ধুর ১৬বছরের সংসারে সব ডাকতি হতে দেখেছি, কিচ্ছু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ্, বন্ধু গভীর বেদনা নিয়ে দেশ ছেড়েছে। নিজের গাড়িতে বসে, নিজের মোবাইলখানা তুলে দিয়েছি হিরোঞ্চি ছিনতাইকারীর হাতে বাধ্য হয়ে। তুলির নাচে আর রং ছোটে না। অর্থহীন স্বাধীনতার বুলি পৌঁছয় না ভেদ করে খুলি। রাতে ঘুমাতে চাই, দিনে কোন শয়তানের বাচ্চার বখাটেপনা না দেখে রাস্তায় চলতে চাই। মূর্খ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কলুষিত আমলা, কুলাঙ্গার ছাত্রলীগ যুবলীগ এদের মৃত্যু চাই। জামায়াতীদের মেরে তাদের গণকবর এর উপর হিসু করতে চাই। একটা আকাক্সক্ষাও কি পূর্ণ হবে যদি সুস্থভাবে বাঁচতে না পারি?
ভালোবাসাতে ও গ্রীষ্মের খান্ডবদাহন বৈরী আবহাওয়া আমদানী করে বসে থাকে। এবাসা ওবাসা সবই এক।
মানুষ, মানুষ আর মানুষ।
কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি - দে না ভাই তোদের শত কোটি প্রফিট থেকে এলাকাভিত্তিক ছোট ছোট পাওয়ার প্ল্যান্ট করে। দে না কোটি মানুষকে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করে। শীতে ২টা সোয়োটার দিয়ে আর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দুর্যোগ শেষে টাকা দিয়ে দাঁত কেলায়ে ছবি দিবি পেপারে, টিভিতে। তোদের স্টাফদের স্টাফ বাস দে, দুপুরের খাবার দে। কোটি মানুষকে শুষে তোদের হাজার কোটি টাকা মুনাফা। কিছু পাবলিক বাস নামা। ট্রেনের ৫টা বগি কিনে দে। কিছুই দিবি না। কারণ এসবে নাম ফাটবে না। তোড়া ঘোড়ার ডিমের গলফ খেলার জন্য টাকা দিবি। গলফ খেলে জাতে উঠবি। উদভ্রান্তের মতো লাগে অব্যবস্থাপনা দেখতে দেখতে! কিভাবে পালানো যায় এসব ভাবনা থেকে?
মুক্তি খুঁজি অহরহ...
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নতুনছেলে বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আমি তো ভাবছি এগুলা সবার দুঃখ!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: কি আনন্দ তাই না!
সাইফুর বলেছেন:
বন্ধু গভীর বেদনা নিয়ে দেশ ছেড়েছে। ঘন্টার পর ঘন্টা যখন কারেন্ট থাকেনা.. মাঝ রাতেও কারেন্ট নাই ঘন্টার পর ঘন্টা..সাথে পানিও নাই।
হতাশ লাগে অনেক। এভাবে মানুষ বাচবে কিভাবে?
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
প্রথমত আমি বিশ্বাস করি না যে আমাদের রাজনীতিকরা দেশের মানুষের কল্যানের কথা চিন্তা করে এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে তারা আন্তরিক। দ্বিতীয়ত তাদের শিক্ষা, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতা শোচনীয় পর্যায়ের। আর সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো বাঙ্গলীর খাসলত খুবই খারাপ। উচ্ছিষ্ট কুড়াতেই তাদের আনন্দ। তা না হলে দুটো বর্বর রাজনৈতিক দলের কাছে যুগ যুগ ধরে সমগ্র জাতিকে নিষ্পেষনের লাইসেন্স দিত না। এরা বারবার সরকারী দলকে গালী দেয় এবং বারবার আরেকটি বর্বর দলকে বিরোধী দর থেকে সরকারে পাঠায়।
বাঙ্গালীর রাজনীতির ইতিহাস খুব সমৃদ্ধ নয়। আন্দোলন, সংগ্রাম, বিপ্লব এদের ধাতে নেই। এরা নিরবিচ্ছিন্নভাবে ধর্ষিত হতে ভালোবাসে।
নইলে আজ বিএনপি-আওয়ামী লীগ এত উদ্ধত, বেপরোয়া হত না।
বিদ্যুতের উন্নত অবস্থা আপনার জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারবেন না।
জানযটের সমস্যা ক্রমাগত বাড়বে। একমাত্র যে সমাধান ছিল বিকেন্দ্রীকরণ, ঢাকার বিকল্প একাধিক শহর গড়ে তোলা সেদিকে সরকারের কোন পরিকল্পনা নেই। কারণ এটা করতে দীর্ঘ সময় লাগে অথচ সরকারের মেয়াদ মাত্র পাঁচ বছর। এই পাঁচ বছরের মোটা বাজেট এই ধরণের প্রকল্পে বিনিয়োগ করার কথা কোন সরকারই ভাববে না।
রেল ব্যবস্থা ভারতের সবচেয়ে বড় রাজস্বের উৎস। আর আমাদের লস ফান্ড। এটা হয় বেসরকারী করে দেয়া উচিৎ নইলে সরকারী উদ্যোগে লাভজনক করে গড়ে তোলা উচিৎ। কিন্তু আধুনিক একটা রেল ব্যবস্থা আমার জীবনে দেখে যাব এতটা স্বপ্নচারী আমি হতে পারি না।
লেখক বলেছেন: টাকা না লুটতে পারলে কেউ কোন নতুন উদ্যোগ নেবে না![]()
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
এদেশের যে আমলাতান্ত্রিক কালচার তাতে এটা আশা করা যায় না যে একপাল বিসিএস ক্যাডার মিলে একটা সেক্টরকে লাবজনক করে তুলবে। বরং একটা লাভজনক খাতকে তাদের হাতে ছেড়ে দিলে তারা শীঘ্রই ব্যবসা লাটে তুলবে। আমি মনে করি না যে আমাদের রেলওয়ে বিসিএস ক্যাডারদের দিয়ে কেয়ামত পর্যন্ত লাভজনক করা সম্ভব। আজ সোনালী ব্যাঙ্কে গিয়েছিলাম একটা পে-অর্ডার করতে। এই টেবিল সেই টেবিলে যেয়ে ধর্না দিলাম একটা পে-অর্ডার ফরমের জন্য। কেউ স্বীকার করে না যে জিনিসটা তার টেবিলে আছে। সবাই অন্য টেবিরে যেতে বলে। এক পিয়নের কাছে চাইতেই সে ঝাড়ি দিল। তুমুল ঝগড়াই ছিল ঘটনার শেষ গন্তব্য। ওখান থেকে বেড়িয়ে এসে রাস্তার উল্টা দিকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে গেলাম। একজনের ডেস্কের সামনে বসে কথা শুরু করার আগেই এক কাপ আদা চা চলে এলো।
আমাদের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্টানগুলোর নামের শেষে 'লিমিটেড' যোগ করেছি কিন্তু কর্মচারী নিয়োগ না দিয়ে 'অফিসার' বসিয়ে রেখেছি।
আমাদের যে গ্যাস আছে তা দিয়ে বড়জোড় আর ৮ বছর চলবে। তারপর জ্বালানী চাহিদা কিভাবে মিটবে কেউ জানে না। এমন হতভাগা জাতির সন্তান হওয়াও পাপ।
আমার জন্মভূমি আজ এক পতিতা রাষ্ট্র। যার যেমন খুশি ধর্ষন করে চলেছে। ভারত যখন যেভাবে চাইছে নাঙ্গা করছে। নাঙ্গা করে এমনকি মায়ানমারও। যে যা চাইছে বিনা প্রতিবাদে বেশ্যার মত দিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ, তার কোন কিছুতে 'না' নেই।
আছে পালে পালে মানুষ। এদের ভবিষ্যত কি তা কেউ জানে না।
লেখক বলেছেন: ভবিষ্যত রাস্তায় বসে ডান্ডি (প্লাস্টিকের প্যাকেটে নেশা) খাওয়া।
লেখক বলেছেন: পতিতা জিনিসটা কি খুব খারাপ? পতিতার কনজিউমার তো আরো খারাপ। দেশ কেন পতিতা হবে? পতিত, পতিতা তুমি আমি, আমরা। ধর্ষণ তুমি করো, আমি করি। দেশ তো একটা ভৌগলিক ভাবনা মাত্র। দেশ হয় মানুষ দিয়ে। আমার দেশে মানুষ নাই, আছে সব দু'পেয়ে জীব।
সাইফুর বলেছেন:
দুরন্ত স্বপ্নচারী সব বলে দিলো
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আমার কোন রাগ নেই সরকারের উপরে। কেউ যখন বলে সন্ত্রাসের কথা তখন আমার মনে পড়ে শিশু নওশীনের কথা, সাবেকুন নাহার সনি'র কথা, মুহুর কথা। আমার মনে পড়ে অপারেশন ক্লিন হার্ট আবির্ভূত হয়েছিল বিএনপি সরকার গঠনের মাত্র ১ বছরের মাথায়। আমার মনে পড়ে ২০০১ সালের দূর্গা পূজোয় ৬০ ফুট ব্যানার নিয়ে মৌণ মিছিল করেছিল সংখ্যা লঘুরা। বাক্যটা আমার পরিষ্কার মনে আছে 'নিপিড়িতা মা ও ধর্ষিতা বোনকে ঘরে রেখে তোমার আরাধনা সম্ভব নয়'। কেউ যখন দূর্নীতির কথা বলে তখন আমার মনে পড়ে নৌ মন্ত্রীর দূর্নীতি নিয়ে ড্যানিশ রাষ্ট্রদূতের সংবাদ সম্মেলেনর কথা। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্টের কথা। নাজমূল হুদা'র সিএনজি আমদানীর কথা। তারেকের ঈশ্বর হয়ে উঠার কথা।
খালেদা, সাইফুর পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর ইনকাম ট্যাক্স দেয়নি। তারা ভুলে গিয়েছিল।
বিএনপি যা করে তাই করে আওয়ামী লীগ। আমি এদের কোন পার্থক্য দেখি না। মন-মানসিকতা, শিক্ষা-দীক্ষা, আচার-আচরণ এবং কথা-কর্মে কোন পার্থক্য নেই এই দুই দলের।
আমাদের কেউ শান্তি দেয়নি। কেউ স্বস্তি দেয়নি। কেউ নিরাপত্তা দেয়নি।
মাসের পচিশ দিন কামলা খেটে ট্যাক্স দিয়েছি; একটাকা কম দেইনি। আমার ট্যাক্সের টাকায় শুয়োরের বাচ্চাগুলো পাজেরো কিনে আমাকে আমার নাগরিক অধিকার বঞ্চিত করে রাস্তা বন্ধ করে দাপিয়ে চলেছে আমারই সামনে দিয়ে।
ওরা এখন একেকজন মুঘল সম্রাট হয়েছে। সব ভন্ড আর প্রতারকের দল। এমন বাটপাঁড়দের ঘৃনা করতেও ঘৃনা হয়।
লেখক বলেছেন: বাটপারির দেখছ কি?? ডিজিটাল বাটপারি দেখবা, এরপর আসবেন আবার তারেক, ফুলের মালা রেডি করো
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
একদিন আমিও চোর হবো।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
দেশ তো একটা ভূ-রাজনৈতিক ধারণা। কিন্তু এরা তো দেশটারেই ফাতানাতা করে ফেলতাছে। দেশটারে ধর্ষন করতেছে, যেমন খুশি বিক্রি করতেছে; তাই বললাম দেশটাই এখন পতিতা।
পতিতা খারাপ হবে কেন? তার তো রুটি-রুজির প্রয়োজন। দেশও তো খারাপ হয় না। সেটা কি আর বুঝিনে! কিন্তু এইটাও তো সত্যি যে বাংলাদেশে জন্ম নেয়াই একটা পাপ। এই দেশটাই নষ্ট হয়ে গেছে।
আজ একটা পৃষ্টা প্রিন্ট নেয়ার জন্য আমি চার ঘন্টা বসে ছিলাম। মাঝখানে ২/৩ বার বিদ্যুত এসেছে। কিন্তু কম্পুটার স্টার্ট নেয়ার আগেই বিদ্যুত আবার চলে গেছে। পিসি অন করার সুযোগ পর্যন্ত পেলাম না। অথচ জিনিসটা প্রিন্ট নেয়া ভীষন দরকার ছিল।
বিদ্যুত মিসকল দিয়ে চলে যায়। আমার ল্যাপটপ এক ঘন্টা বিদ্যুতে চালালে আরো এক ঘন্টা ব্যাকআপ পাওয়া যায়। ২ ঘন্টায় ব্যাকআপ তৈরী হয় ২ ঘন্টা। সেই ল্যাপটপও বন্ধ হয়ে গেছে।
মোবাইলে চার্জ নেই।
ওহ হ্যাঁ, আমি কিন্তু রজধানী ঢাকায় থাকি।
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
শাবাশ কবিরাজ! অনেকদিন পর আপনার একটি ঝাঁঝালো লেখা পড়লাম। সরাসরি প্রিয়তে + ---
অ/ট: মুক্তমনা ডটকম-এ আমার[link|http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=7065|[আছিয়া...]] এই লেখাটা পড়বেন? মাঝে মাঝে আমি ওখানে লিখি।
লেখক বলেছেন: ওকে বস
আরিয়ানা বলেছেন:
ভাল লাগলো লেখাটা! ভাল লেগেছে গত কালে আড্ডা। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: তুমিও ভালো থেকো দূর দ্বীপবাসিনী
সুরঞ্জনা বলেছেন:
আমি বিগত ১৫ বছর ধরে ভোট দেইনা। কাকে দেব? সবাই তো মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।বছর দুয়েক ধরে সিলেটে আমাদের এলাকায় কারেন্টের প্রিপেইড মিটার ব্যাবহার করছি, এতে অনেক হিসেব করেই ব্যাবহার করতে হচ্ছে। সারা দেশেই এটা চালু করা উচিত।
লেখক বলেছেন: ভোট না দেয়া কি সমাধান?
লুৎফুরমুকুল বলেছেন:
জব্বর লিখেছেন। আমার ব্লগ বাড়িতে আমন্ত্রণ। আর আপনার স্টেটাস দেখে মুগ্ধ হলাম। এগিয়ে যান। মেকন্যা বৃষ্টি হয়ে সরিয়ে দেন সমাজের কালো ছায়া...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি ও ভালো থাকবেন।
নিলাচল বলেছেন:
খালি হতাশা আর হতাশা। ভালো লাগেনা আর। আজকে সকালে উত্তরা যাওয়ার সময় দেখলাম, ওপর পারের রাস্তার জেম ক্যন্টনমেন্ট স্টাফ রোডের রেল লাইন থেকে শুরু হয়ে বিশ্ব রোডের মোড় ফেলে আরো অনেক দুর পর্যন্ত।
লেখক বলেছেন: প্রতিদিন ২২৮ গাড়ি রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে বিআরটিএ। জ্যাম তো হবেই....
আরিয়ানা বলেছেন:
এই কেমন আছ? অনেক দিন শুনিনা তোমাকে।
লেখক বলেছেন: দৈনন্দিন ঝামেলায় আর নেটে আসা হয় না। আমি আছি কুশলেই। তুমি কি চলে গেলে অন্য দেশে??
মেডিসিনের কোন সিউরিটি নেই, এমনকি বিষ খেয়ে মারা যা যাবে তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না।
যতগুলি ক্রুটিপূর্ণ বহুতল ভবন আছে এই দেশে গণহারে সেগুলি ধ্বসে পড়ার কথা কিন্তু কয়টাই বা পড়ছে...
ডাক্তারদের ধর্মঘট, পরিষোধিত পানি থেকে শুরু করে প্রাকৃ্তিক পানি ডাবের ... সবখানে ভেজাল।
গাড়িগুলিকে সি.এন.জি তে রুপান্তরের ক্ষেত্রে মানা হয় না অনেক কিছুই, দক্ষ হাতে সম্পন্ন হচ্ছে না কাজ... তারপরেও তেমন বড় অঘটন তো ঘটছে না।
এমন অনিয়মগুলি লিখতে হলে তালিকা করে সারাদিন রাত পার হয়ে যাবে... আমরা দেখি আর ভাবি ...
বেগুনবাড়ির মত ঘটনা কয়টা ঘটে বছরে... মানুষ ভুলেও তো যায়।
কার এত গরজ পড়েছে পরিবর্তনের ? ইলেকশন আসুক, ক্ষমতায় যাবে সেই যে কোন একজন... হয় লাউ নয় কদু !!
সো ... যেই কোয়াল (কপাল), হেই মাথা, ঘুরি ঘুরি কোয়াল হাতা [যে কপাল সেই মাথা ঘুরে ঘুরে কপাল খুঁজো, লাভ নেই]
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
অরাজকতা, অনিয়ন্ত্রণ, অব্যবস্থাপনা ......অস্থিরতা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















