একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি)
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
বিশাল ফিতনা ছড়িয়ে যেতে পারে এই প্রযুক্তির ।ফিতনায় সব দেখা যেতে পারে যে রোবট দখল করে নিয়েছে।তাই লেখা মুছে দিলাম।নাহলে আমিও খুন হতে পারি।এক জালিম পাপাচারিনী আমাকে খুন করার চেষ্টা করে, একবার এই ফিতনার উদ্রেক করে।তাই ইনফ্রাসনিক সাউন্ড কে দোষারোপ করায় ভাল। এছাড়া আমাকে কেউ খুব কষ্ট দিচ্ছে।আমাকে আবারও লাঞ্চিত ও খুন করার চেষ্টা করছে।আবারও বাহিরে পুঁতে নিও বলে চিঠি লিখাচ্ছে ও সই মারছে বলে ভিডিও দেখাচ্ছে ও পাঠাচ্ছে।আবারও নিজের ছেলেকে এক পাপাচারিনী খুন করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।বাঁচানো তো দুরের কথা।যে বড় রাজনৈতিক দলের একজনের বোন।তাই ভয়ে ভয়ে আছি ।ওদিকে ভারত তার টেকনোলজি চালু করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।তাই চিন্তায় আছি।অঅবারও সবাই খুন জিম্মি খেলায় মেতে উঠতে সাউন্ড শুনে ধিন ধিন করে নাচছে।ক্ষমতা অদলবদলের চেষ্টা করছে কেউ।এবং মৃত মাইকেল ও এতে জড়িত থাকতে পারে।সাধারন মানুষের না জানাই বোধহয় ভাল।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দারুন সত্যি ;
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শান্ত কুটির বলেছেন:
এটা কি? খুবই এলোমেলো লেখা। কোন বাক্যের অর্থ নাই। বাক্য গঠনও বিদঘুটে। এটা কি লিখলেন ভাই একটু তরজামা করে দিলে এই নাদান একটু বুঝতে সমর্থ হত।
শান্ত কুটির বলেছেন:
এইমাত্র ভাইজানের একটি পোষ্ট সরানো হয়েছে। তবে আমার পড়ার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। লেখক ভাইজান পাবনা থাইকা পালায়া আপনে মোটেও ঠিক কাজ করেন নাই।
অলস ছেলে বলেছেন:
সালাম ভাইজান।পর সমাচার এই যে, এতদিন পর আপনাকে দেখে বড়ই আহলাদিত। পোষ্টের কথা কি আর বলবো, একটানে প্রিয়তে।
নিয়মিত লেখবেন প্লিজ, মশারা চারপাশে ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে, সচেতনতা বাড়াতেই হবে, যত আত্মত্যাগ দিতে হোক না কেন, জাতি একদিন বুঝবে আপনার অবদান।
লেখক বলেছেন: আপনি তো খুনির মত কথা বলছেন।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আপ্নার ডাকে ছুটে এসে মাইনাচ দিয়ে চলে গেলুম।
সাইফুর বলেছেন:
আপনি কি সেই মহাগুরু মাইকেল মেহদী?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আসলই মহাগুরু মাইকেল?
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
মহাকবি মাইকেল মেহেদী নাকি??
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
সালাম
েমেহদী হাসান বলেছেন:
তবে এখন আর বোঝা নেই।শয়তান খুনিরা এভাবে প্রথমে বুঝিয়ে পরে চিকিৎসার নাম করে কবরে পুঁতে খুন বা ডাকাতি ধোঁকা দিয়ে দুই পরিবারকে নেংটা করে লাঞ্চিত করে খুন ধর্ষন চালিয়ে নিতে চেয়েছিল,ছেলেটার যথেষ্ট যত্ন নেয়।তাই কথাগুলো লিখিয়েছিল ইনফ্রাসনিক সাউন্ড শুনিয়ে।
েমেহদী হাসান বলেছেন:
তাই এডিট করলাম।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
আজব একটা পোষ্ট!!!!!!!!
অলস ছেলে বলেছেন:
আপনার ষ্ট্রাটেজি দেখে ভয় লাগছে, আমি ইনফ্রাসনিক সাউন্ডের মশা হয়ে আপনাকে এটাক করতে চেয়েছিলাম, দুর্গন্ধের কারণে পারলাম না।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
গুরু কই ছিলা এতদিন। এই ভক্তদের দূরে রাইখা কেমনে থাকতে পারলা গুরু? বোলতা বাহিনী মারার জন্য আল্ট্রা সাউন্ড এরোসল বানাইছি। পাঠাবো?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
জীবনে ইনফ্রাসনিক সাউন্ডের নাম পয়লা শুনলাম! আমার ইন্জ্ঞিনিয়ারিং ক্যারিয়ার টিফিন কেরিয়ারের মতো বৃথা হইয়া হইয়া গেলো!
আপনার মতো প্রতিভার বাংলাদেশ যথার্থ মূল্যায়ন করতে পারেনি -- দূর্ভাগ্য আমাদের ।
আন্দামানে মশার উপর বিশাল গবেষনা চলছে -- ওদের ওখানে আপানর পদধুলি দিয়ে ধন্য করবেন কি ?
মাছিমারা কেরানি বলেছেন:
আপনার ডাক শুনে এসে এই অতি উচু দরের আতলামিতে অতিমাত্রায় বিরক্ত হয়েছি। আমার এবং সহ ব্লগার দের সময় নষ্ট করানোর জন্য মাইনাস
েমেহদী হাসান বলেছেন:
খায়রুজ্জামান লিটন ভাই কেও বলি যে আপনি ঘুম ভেঙে উঠে দাঁড়ান।সবাই তো দেখি ইনফ্রাসনিক সাউন্ডের ভিতরে ডুবে আছেন।আমার শুধূ একটু দেরী হয়েছে।আর আপনারা দেখি কিছুই করেননি।অথচ আমি এসব মারাত্নক কিছু শুনে ভয়ে আঁতকে উঠছি ।আল্লাহই ভাল জানেন এবার পারবেন কিনা বা আমরাও।অথচ সবকিছু কেমন ঢিলামু চলছে।আর ভারতীয় প্রযুক্তি ও চুক্তির কথা সবাই ভুলে আছে।এদিকে মাইকেল সম্ভবত এদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।কারও কি কিছুই মনে নেই।আমার কাজ আগিয়ে নিতে দেরী হয়েছে।অথচ নেতৃস্থানীয় সবাই দেখি কিছুই বুঝেননি।তাই আমি সেই চুক্তির দিকে মনে করালাম।কারন আমি ভয়ঙ্কও বিপদ বুঝে কেবল যেন ঘুম থেকে উঠেছি।প্রক্টর সারকেও বলেছি।তাই সবকিছু নিয়ে দ্রুত বসুন। না হলে মানসিক রোগি বলে মার খেয়ে পরে খুন হতে হবে।এমন প্রযুক্তি যার উপর আমাদের কোন নিয়ন্ত্রন সম্ভব নয়।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















একদল গ্রুপ আছে এরা গ্রুপ তৈরী করে থাকে।এসব বোলতা বাহিনী দিয়ে নানা রকম কুকর্ম চালায়।গ্রুপের নিরাপত্তার আইন নামে আইন বানিয়ে এরা মিথ্যাচার করে।অথবা আইনের সুযোগ নিয়ে মিথ্যাচার করে।খুন খারাবি রাহাজানি করে বেড়ায়।এইভাবে পতিতারা ও বেশ্বেরা এই গ্রুপ করে বেঁচে থাকে। তারপর বাহিনী বানায়।বানিয়ে কারা ফর্ম জমা দেয়নি ,বই বাকী আছে তাদেও পরিবারকে অপহরন ,ধর্ষন করে খুন করিয়ে নেয়।বা তাদেও নামে বোলতা বাহিনী দিয়ে খুন করায়।এই ঘটনা প্রথম শুরু হয় কয়েকবছর আগে।যখন পূর্বেও প্রক্টর এনামূল চিকিৎসার নামে নিরাপত্তা সিস্টেমে ভারতের কাছ থেকে পাকিস্তানের নামে এসব নেয়।