somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... টাইমলাইন: ফেসবুকের প্রোফাইলে নতুন মাত্রা ধাপ১) প্রথমে ফেসুবকে লগইন করে নতুন ট্যাবে https://developers.facebook.com/apps পেজে যেতে হবে।
ধাপ২) এখন Request for Permission এ Allow বাটনে ক্লিক করুন তাহলে এ্যাপস পেজ আসবে। আগে করা থাকলে সরাসরি ডেভেলপার পেজে চলে আসবে।
ধাপ৩) নতুন এ্যাপস তৈরী করার জন্য পেজের ডানে +Create a New App বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৪) এখন এ্যাপ এর নাম, নেমস্পেস লিখে নিচের I agree to the Platform Privacy Policy. চেকবক্স নির্বাচিত রেখে Continue বাটনে ক্লিক করুন এবং পরবর্তী পেজে ক্যাপচা লিখে Submit বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৫) এখন বাম পাশের Open Graph লিংকে ক্লিক করুন এবং Get Started using open graph এর অ্যাকশন এবং অবজেক্ট দিতে হবে। এখানে People can এ read লিখে a এর পরে book লিখে (ইচ্ছামত) Get Started বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৬) এখন ফেসবুকের হোম পেজে বা প্রোফাইল পেজে রিফ্রেশ করে দেখুন Introducing Timeline – a new Kind of profile এসেছে। এখানে Get It Now বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৭) ব্যাস টাইমলাইন চলে এসেছে। এখন Publish Now বাটনে ক্লিক করুন। কাভারের ছবি যুক্ত করতে Add a Cover বাটনে ক্লিক করে করতে পারেন।
এখন ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে পারেন কি টাইমলাইনে দেখাবে আর কি দেখাবে না।

স্ক্রিনশটসহ প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2893]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29453939 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29453939 2011-09-24 00:29:29
‘উইন্ডোজ লাইভ’ দ্বারা নিজের ডোমেইনে ৫০০ ইমেইল ঠিকানা ধাপ১) এজন্য http://www.domains.live.com সাইটে গিয়ে Custom Domains এর নিচে Get started লিংকে ক্লিক করুন।
ধাপ২) এবার Provide your domain name অংশে ডোমেইন ঠিকানা লিখুন এবং Choose mail service for your domain অংশে Set up Windows Live Hotmail for my domain নির্বাচিত রেখে Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৩) নিজের উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট থাকলে Sign in with an existing Windows Live ID. নির্বাচিত রেখে Continue বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৪) এখন উইন্ডোজের লাইভ আইডি (হটমেইল, লাইভ ইত্যাদি) দ্বারা লগইন করুন।
ধাপ৫) এরপরে Review settings and accept agreement এ I Accept বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ৬) এবার ডোমেইনের মালিকানা প্রমাণ করতে হবে। এজন্য MX server: থাকা অংশটুক কপি করুন।
ধাপ৭) এজন্য নতুন ট্যাবে সিপ্যানেলে লগইন করে Mail অংশে MX Entry এ ক্লিক করুন।
ধাপ৮) এখন Add New Record অংশের Priority: এ ১০ লিখুন এবং Destination: অংশে MX records দিয়ে (MX server কপি করা অংশ) Add New Record বাটনে ক্লিক করুন এবং সিপ্যানেল বন্ধ করুন।
ধাপ৯) এখন Refresh বাটনে ক্লিক করলে Updating... হবে।
ধাপ১০) আপডেটিং শেষ হলে ডোমেইন পেজে ফিরে আসবে এবং Status এ Active দেখাবে।
ধাপ১১) এরপরে মেইল ঠিকানা যুক্ত করতে বাম পাশ থেকে Mail accounts এ ক্লিক করে Add বাটনে ক্লিক করে যুক্ত করা যাবে।
ব্যাস এখন আপনি ইচ্ছামত (৫০০টি পর্যন্ত) ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে পারবেন। মেইল চেক করতে হলে http://mail.live.com ঠিকানাতে গিয়ে মেইল চেক করা যাবে।

প্রথম প্রকাশ (স্ক্রিনশটসহ) : http://www.shamokaldarpon.com/?p=2822]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29435954 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29435954 2011-08-21 12:58:10
গুগল+ নিয়ে আমরা লেখাটি প্রথম আলোতে কপি পেষ্ট -------------------------------------------------------------------------------------
ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে এলো গুগল প্লাস
গুগল+ এর ঠিকানা হচ্ছে https://plus.google.com। অনেকটাই ফেসবুকের আদলে তৈরি এই গুগল প্লাস। এখানে ফেসবুকের মতো সার্কেল তৈরি করা যাবে আর ছবি ও ভিডিও আপলোড করা যাবে। এতে রয়েছে ফটো ট্যাব, ভিডিও ট্যাব, +১ ট্যাব, বাজ ট্যাব। যাদের গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট নেই তারাও অন্যের গুগল প্লাস প্রোফাইল দেখতে পাবেন যেমনটি হয় না ফেসবুকে। আর এসবই গুগল সার্চে দেখাবে কিনা তা নির্ধারণ করা যাবে প্রোফাইলে। তবে গুগল প্লাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটা জিমেইল থেকে ব্যবহার করা যায়, ফলে নতুন করে লগইন করতে হবে না।

ব্রাউজার
গুগল প্লাস বর্তমানে মজিলা ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম এবং সাফারিতে সমর্থন করে।

গুগল প্রোফাইল
এখন থেকে গুগল প্রোফাইল বলে আলাদা কোনো পেজ আর থাকছে না। গুগল প্রোফাইল লিঙ্ক গুগল প্লাসের প্রোফাইল হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং গুগল প্রোফাইল লিঙ্কে (যেমন, https://profiles.google.com/ mehdiakram) ঢুকলে তা ফরওয়ার্ড হয়ে গুগল প্লাসের প্রোফাইলে চলে আসবে।

পোস্ট শেয়ার করা
কোনো পোস্ট শেয়ার করতে চাইলে তা পাবলিক না নির্দিষ্ট সার্কেলের জন্য করা যাবে। এজন্য Share বাটনের উপরে Add more people এ ক্লিক করে তা নির্ধারণ করা যাবে।

গুগল +১ বাটন
বেশ কিছুদিন আগে গুগল +১ বাটন এনেছে গুগল। এটা অনেকটা ফেসবুক লাইক বাটনের মতো। গুগল প্রোফাইলে +১ বাটন থাকলে তাতে Show this tab on my profile এ ক্লিক করে +১ বাটন সক্রিয় করুন। আর যদি +১ বাটন না থাকে তাহলে গুগলে সার্চ করুন এবং দেখুন ফলাফলের ডানে +১ বাটনে রয়েছে। এই ১ বাটনে ক্লিক করুন এবং নতুন উইন্ডো থেকে ঈড়হভরত্স ধহফ +১ বাটনে ক্লিক করুন। এবার দেখুন +১্থং বাটন এসেছে।

সার্কেল তৈরি করা এবং বন্ধুদের সার্কেলে যুক্ত করা
সার্কেলকে আমরা ক্যাটাগরি বা ফেসুবকের লিস্টের মতো করতে পারি। সার্কেল তৈরি করতে Circles-এ ক্লিক করে দেখা যাবে নিচে কতগুলো সার্কেল রয়েছে। এখানে বামে Drop here to create a new circle-এ ক্লিক করে সার্কেল তৈরি করা যাবে। এখন বন্ধুদের সার্কেলের উপরে ড্রাগ করে আনলেই হবে। এছাড়াও কোনো বন্ধু বা প্রোফাইল সার্কেলে যুক্ত করা না থাকলে অফফ ঃড় পরত্পষবং এ ক্লিক করে পছন্দের সার্কেলে যুক্ত করা যাবে।

জিমেইল থেকে শেয়ার করা
জিমেইল থেকে গুগল প্লাসে পোস্ট করতে চাইলে জিমেইলের উপরে ডানে Share-এ ক্লিক করে লিখে ঝযধত্ব বাটনে ক্লিক করলেই হবে।

জিমেইল নোটিফিকেশন পাওয়া
গুগল প্লাসে কোনো আপডেট এলে তা জিমেইলের উপরে ডানে Notifications বাটনে সংখ্যা দেখা যাবে, যেখানে ক্লিক করে নোটিফিকেশনগুলো পাওয়া যাবে এবং নোটিফিকেশনটিতে ক্লিক করলে গুগল প্লাস পেজ খুলবে। এছাড়াও উপরে বাম পাশে গুগল প্লাসের একটি ট্যাবও পাওয়া যাবে, যেখানে ক্লিক করে গুগল প্লাসে যাওয়া যাবে।

জিমেইলে গুগল প্লাসের মেইল
গুগল প্লাসে কোনো আপডেট এলে বা মন্তব্য করলে তা জিমেইলে মেইল হিসেবে আসবে, যেমনটা গুগল বাজের ক্ষেত্রে আসে। তবে চাইলে গুগল প্লাসের সেটিংস থেকে মেইল আসা বন্ধ করা যাবে।
গুগল পিকাসা
গুগল পিকাসাতে থাকা পাবলিক ছবি অ্যালবামগুলো গুগল প্লাসের ফটো ট্যাবে দেখা যাবে। আর গুগল প্লাস থেকে কোনো ছবি যুক্ত করলে তা গুগল পিকাসার ঝপত্ধঢ়নড়ড়শ চযড়ঃড়ং অ্যালবামে যুক্ত হবে।

গুগল প্লাস থেকে মেইল করা
গুগল প্লাস থেকে কোনো বন্ধুকে সরাসরি মেইল করা যাবে যা তার জিমেইলে পৌঁছে যাবে। এজন্য বন্ধুর প্রোফাইলে বাম পাশে থাকা ছবির নিচে ঝবহফ ধহ গধরষ বাটনে ক্লিক করে মেইলের বিষয় এবং মেইল লিখে ঝবহফ গধরষ বাটনে ক্লিক করলেই হবে। কোনো বন্ধুকে মেইল সেন্ড করলে তা জিমেইলের ইনবক্সে এবং সেন্টে চলে আসবে।

মোবাইলে গুগল প্লাস
মোবাইলে গুগল প্লাস ব্যবহার করা যাবে m.google.com/plus লিঙ্ক থেকে।

চ্যাট করা
গুগল প্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করতে বাম পাশের প্যানেল Chat-এ ক্লিক করে চ্যাট করা যাবে।
হ্যাঙ্গআউটস
হ্যাঙ্গআউটস হচ্ছে বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও এবং ভয়েস চ্যাট করার ব্যবস্থা। ডানের প্যানেলে Start a Hangout-এ ক্লিক করলে নতুন একটি উইন্ডোতে হ্যাঙ্গআউটস চালু হবে। এজন্য এবশ্য গুগল ভয়েস প্লাগইন ইনস্টল থাকতে হবে।

স্পার্কস
স্পার্কস হচ্ছে কোনো ওয়েবসাইটে ফেড থেকে তথ্য দেখার ব্যবস্থা। বাম পাশের Sparks-এ ক্লিক করলে কিছু ডিফল্ট স্পার্কস আসবে, এখানে কোনোটির ওপর ক্লিক করলে বা সার্চ বক্সে কোনো বিষয় বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে সার্চ করলে ফলাফল আসবে। স্পার্কটিকে সেভ করে রাখতে চাইলে Add interest বাটনে ক্লিক করলে বাম পাশের প্যানেলে তা যুক্ত হবে।

সাজেশন
ফেসবুকের মতো Suggestions দেখা যাবে ডানের প্যানেলে।

গুগল প্লাস সেটিংস
গুগল প্লাস সেটিংস থেকে দরকারী কিছু পরিবর্তন করা যাবে, এজন্য উপরের ডানে ঙঢ়ঃরড়হং বাটনে ক্লিক করে Google+ Settings এ ক্লিক করে বিভিন্ন সেটিং পরিবর্তন করা যাবে। যেমন মেইল হিসেবে আসা নোটিফিকেশন বন্ধ করা, প্রাইভেসি পরিবর্তন করা, ভাষা সেট করা, ডাটা ডাউনলোড করা, অন্য অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা এবং গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা ইত্যাদি।

ফেসবুক বনাম গুগল প্লাস
ফেসবুক এবং গুগল প্লাসের মধ্যে বেশকিছু সাদৃশ্য (অনেক শুধু নামের পার্থক্য) এবং কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে বা কিছু সুবিধা অপেক্ষমাণ।

গুগল+ এবং ফেসুবকের সাদৃশ্য
গুগল+ এ রয়েছে Stream যা ফেসবুকে Status লেখার পাশাপাশি ছবি, ভিডিও, লিঙ্ক শেয়ার করা যায়। গুগল+ এবং ফেসবুকের উভয়েরই রয়েছে তিনটি কলাম,
উভয়েরই মন্তব্য করা এবং তা শেয়ার, রি-শেয়ার করা যায়। ছবিতে ট্যাগ করা এবং মন্তব্য করা যায়।
নোটিফিকেশন ব্যবস্থায় উভয়েরই চ্যাটিং ব্যবস্থা রয়েছে, উভয়েরই সার্চের ব্যবস্থা রয়েছে। ফেসবুকে লাইক আর গুগল প্লাসে +১ গুগল প্লাসে সার্কেল আর ফেসবুকে লিস্ট ছাড়াও বেশকিছু মিল রয়েছে।

গুগল প্লাসের বাড়তি সুবিধা
গুগল+ এ লোকেশন শেয়ার করা যায় গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং (হ্যাঙ্গআউটস) করা যায়।

গুগল প্লাসে যেগুলো নেই
ফেসবুকে প্রশ্ন করার ব্যবস্থা আছে যা গুগল+ এ নেই (সম্প্রতি এটি যুক্ত হয়েছে)। ফেসবুকে গ্রুপ, নোটসহ প্রচুর অ্যাপলিকেশন রয়েছে যা গুগল+ এ নেই।
সূত্র: Click This Link
--------------------------------------------------------------------------------



উক্ত লেখাটি দৈনিক প্রথম আলোতে কপি পেষ্ট করে প্রকাশ করে ২২শে জুলাই ২০১১
--------------------------------------------------------------------------------
এসেছে গুগল+
খন্দকার মারছুছ | তারিখ: ২২-০৭-২০১১
নেটিজেনদের মধ্যে এখন একটাই আলোচনা, ফেসবুকের একক আধিপত্যে ভাগ বসাতে যাচ্ছে গুগল + (প্লাস)। গুগলের সামাজিক যোগাযোগের নতুন এ সেবা কী সুবিধা দিচ্ছে? অনেকে তো রীতিমতো ব্যবহার করাই শুরু করে দিয়েছেন, বিশেষ করে অনেক অফিসেই ফেসবুকের ব্যবহার বন্ধ। সেসব অফিসের কর্মীরা যেন বিকল্প খুঁজে পেলেন গুগল প্লাসে।
৭ জুলাই থেকে গুগল প্লাস সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এটা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। ফেসবুকের নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই আবির্ভূত হতে চাচ্ছে গুগল ইনকরপোরেটেডের গুগল +। গুগলের আরও দুটি সামাজিক সাইট অরকুট এবং গুগল বাজ হালে তেমন পানি না পেলেও গুগল প্লাস সামাজিক নেটওয়ার্ক হিসেবেই এসেছে। গুগল প্লাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটা জিমেইল থেকে সরাসরি ব্যবহার করা যায়, ফলে নতুন করে নাম, পাসওয়ার্ড দিয়ে এটায় ঢুকতে (লগ-ইন) হয় না।
ফেসবুকের সঙ্গে জনপ্রিয়তায় গুগল প্লাস পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এরই মধ্যে গুগল প্লাসের সদস্য সংখ্যা সারা বিশ্বে ২ কোটির মতো। বাংলাদেশেও অনেকে এটি ব্যবহার করছেন। জেন্ড সনদপ্রাপ্ত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হাসিন হায়দার বলেন, ‘গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ছবি শেয়ারিং। ছবির মান এবং স্টাইল অনেক দিক দিয়েই ফেসবুকের চেয়ে ব্যতিক্রম। এ ছাড়া তেমন কোনো পার্থক্য চোখে পড়েনি।
টেকনো ভিলা সলিউশনের পরিচালক মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক আমার দৃষ্টিতে ‘সার্কেল’, যার মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের বন্ধুদের খুব সহজেই আলাদা করা যায়।’ হলিক্রস কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী নিশাত সালসাবিল জানায়, নতুন যেকোনো কিছুই সবার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। এ ছাড়া গুগল প্লাস আসায় একটা নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। যেটা হয়তো ফেসবুককে আরও এগিয়ে নেবে।
কলেজশিক্ষক কে এম হুসনুজ্জাহিদ বলেন, ফেসবুকের স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করা হলে বন্ধু, ছাত্র সবাই দেখতে পারে। কিন্তু গুগল প্লাসের সার্কেল এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে। বিডিঅলইনফোর তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গুগল প্লাস অনেক ভারী, খুলতে সময় নেয় অনেক বেশি। বাংলাদেশে জনপ্রিয় হতে হলে একে আরও হালকা করতে হবে।
https://plus.google.com হচ্ছে গুগল প্লাসের ঠিকানা। অনেকটাই ফেসবুকের আদলে তৈরি এ গুগল প্লাস। এখানে ফেসবুকের মতো নিজেদের মধ্যে নানা রকম চক্র (সার্কেল) তৈরি করা যাবে। ছবি ও ভিডিও রাখা যাবে। এতে রয়েছে ফটো ট্যাব, ভিডিও ট্যাব, +১ ট্যাব, বাজ ট্যাব। যাঁদের গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট নেই, তাঁরাও অন্যের গুগল প্লাস প্রোফাইল দেখতে পারবেন, যেটা ফেসবুকে সম্ভব নয়। আর এ সবই গুগল সার্চে দেখাবে কি না, তাও নির্ধারণ করা যাবে প্রোফাইলে।

কেমন এই গুগল+
গুগল প্লাস এখন মজিলা ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম এবং সাফারি দিয়ে খোলা যায়। এতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো যায়। বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানাতে গুগল প্লাসের ডানের প্যানেলে (সদ্য যুক্ত হওয়া) Send invite -এর Invite people to join Google+-এ ক্লিক করতে হয়। যে উইন্ডো আসবে সেখানে +Add people to invite অংশে যাঁকে আমন্ত্রণ জানাতে চান, তাঁর ই-মেইল ঠিকানা লিখে Invite বাটনে ক্লিক করলে তাহলেই আপনার বন্ধুর ই-মেইলে গুগল+ ইনভাইটেশন চলে যাবে।
গুগল প্রোফাইল: এখন থেকে গুগল প্রোফাইল বলে আলাদা কোনো পেজ আর থাকছে না। গুগল প্রোফাইল গুগল প্লাসের প্রোফাইল হিসেবে ব্যবহূত হবে এবং গুগল প্রোফাইল লিংকে (যেমন, https://profiles.google.com/kmarsus) ঢুকলে তা চলে যাবে (ফরওয়ার্ড) গুগল প্লাসের প্রোফাইলে।
লেখা দেখানো: কোনো লেখা বা পোস্ট অন্যদের দেখাতে চান কি না, তা বলে দেওয়া যাবে এতে। এটা সবার জন্য (পাবলিক) নয়, নির্দিষ্ট সার্কেলের জন্য তা-ও ঠিক করে দেওয়া যাবে। এ জন্য Share বাটনের ওপর Add more people-এ ক্লিক করতে হবে।
গুগল +১: বেশ কিছুদিন আগে গুগল +১ বাটন এনেছে গুগল। এটা অনেকটা ফেসবুক লাইক বাটনের মতো। গুগল প্রোফাইলে +১ বাটন থাকলে তাতে Show this tab on my profile-এ ক্লিক করে +১ বাটন সক্রিয় করুন। আর যদি +১ বাটন না থাকে, তাহলে গুগলে সার্চ করুন এবং দেখুন ফলাফলের ডানে +১ বাটনে রয়েছে। এই ১ বাটনে ক্লিক করুন এবং নতুন উইন্ডো থেকে Confirm and +1 বাটনে ক্লিক করুন।
সার্কেল তৈরি এবং বন্ধুদের যুক্ত করা: সার্কেলকে বিভাগ বা ফেসবুকের তালিকার মতো বলা যায়। সার্কেল তৈরি করতে Circles-এ ক্লিক করে দেখা যাবে নিচে কতগুলো সার্কেল রয়েছে। এখানে বাঁয়ে Drop here to create a new circle-এ ক্লিক করে সার্কেল তৈরি করা যাবে। এখন বন্ধুদের সার্কেলের ওপর টেনে আনলেই হবে। এ ছাড়া কোনো বন্ধু বা প্রোফাইল সার্কেলে যুক্ত করা না থাকলে Add to circles-এ ক্লিক করে পছন্দের সার্কেলে যুক্ত করা যাবে।
জিমেইল থেকে: জিমেইল থেকে গুগল প্লাসে পোস্ট করতে চাইলে জিমেইলের ওপর ডানে Share-এ ক্লিক করে লিখে Share বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইল নোটিফিকেশন: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ (আপডেট) এলে তা জিমেইলের ওপর ডানে Notifications-এ সংখ্যা দেখা যাবে। এখানে ক্লিক করে নোটিফিকেশনগুলো পাওয়া যাবে এবং নোটিফিকেশনটিতে ক্লিক করলে গুগল প্লাস পেজ খুলবে। এ ছাড়া ওপরে বাঁ পাশে গুগল প্লাসের একটি ট্যাবও থাকবে। এখানে ক্লিক করে গুগল প্লাসে যাওয়া যাবে।
জিমেইলে গুগল প্লাসের মেইল: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ এলে বা মন্তব্য করলে তা জিমেইলে ই-মেইল হিসেবে আসবে, যেমনটা গুগল বাজের ক্ষেত্রে আসে। তবে চাইলে গুগল প্লাসের সেটিংস থেকে এই মেইল আসা বন্ধ করা যাবে।
গুগল পিকাসা: গুগল পিকাসাতে থাকা ‘পাবলিক’ ছবির অ্যালবামগুলো গুগল প্লাসের ফটো ট্যাবে দেখা যাবে। আর গুগল প্লাস থেকে কোনো ছবি যুক্ত করলে তা গুগল পিকাসার স্ক্র্যাপবুক ফটোস অ্যালবামে যুক্ত হবে।
গুগল প্লাস থেকে মেইল করা: গুগল প্লাস থেকে কোনো বন্ধুকে সরাসরি মেইল করা যাবে, যা তার জিমেইলে পৌঁছে যাবে। এ জন্য বন্ধুর প্রোফাইলে বাঁ পাশে থাকা ছবির নিচে Send an Mail বাটনে ক্লিক করে মেইলের বিষয় এবং মেইল লিখে Send Mail বাটনে ক্লিক করলেই হবে। কোনো বন্ধুকে মেইল পাঠালে তা জিমেইলের ইনবক্সে এবং সেন্টে চলে আসবে।
মুঠোফোনে গুগল প্লাস: মুঠোফোনে গুগল প্লাস ব্যবহার করা যাবে m.google.com/plus ঠিকানার সাইট থেকে।
চ্যাট করা: গুগল প্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইন চ্যাট করা যাবে বাঁ পাশের Chat-এ ক্লিক করে।
হ্যাংআউটস: হ্যাংআউটস হচ্ছে বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও এবং ভয়েস চ্যাট করার ব্যবস্থা। ডানের প্যানেলে Start a Hangout-এ ক্লিক করলে নতুন একটি উইন্ডোতে হ্যাংআউটস চালু হবে। এ জন্য অবশ্য গুগল ভয়েস প্লাগইন ইনস্টল থাকতে হবে।
স্পার্কস: স্পার্কস হচ্ছে কোনো ওয়েবসাইটে ফিড থেকে তথ্য দেখার ব্যবস্থা। বাঁ পাশের Sparks-এ ক্লিক করলে কিছু ডিফল্ট স্পার্কস আসবে, এখানে কোনোটির ওপর ক্লিক করলে বা সার্চ বক্সে কোনো বিষয় বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে সার্চ করলে ফলাফল আসবে। স্পার্কটিকে সেভ করে রাখতে চাইলে অফ interest বাটনে ক্লিক করলে বাঁ পাশের প্যানেলে তা যুক্ত হবে।
সাজেশন: ফেসবুকের মতো Suggestions দেখা যাবে ডানের প্যানেলে।
গুগল প্লাস সেটিংস: গুগল প্লাস সেটিংস থেকে দরকারি কিছু পরিবর্তন করা যাবে, এ জন্য ওপরের ডানে Options বাটনে ক্লিক করে Google+ Settings-এ ক্লিক করে বিভিন্ন সেটিং পরিবর্তন করা যাবে। যেমন, মেইল হিসেবে আসা নোটিফিকেশন বন্ধ করা, প্রাইভেসি পরিবর্তন করা, ভাষা সেট করা, ডাটা ডাউনলোড করা, অন্য অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা এবং গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা ইত্যাদি।
ফেসবুক বনাম গুগল+
ফেসবুক এবং গুগল প্লাসের মধ্যে মিল অনেক। তবে কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে দুই সাইটেই।
গুগল+ এবং ফেসবুকের সাদৃশ্য
গুগল+ এ রয়েছে Stream, যা ফেসবুকে Status. যাতে লেখার পাশাপাশি ছবি, ভিডিও, ওয়েব ঠিকানা ভাগাভাগি করা যায়।
ছবিতে ট্যাগ এবং মন্তব্য করা যায় দুটিতেই।
নোটিফিকেশন ব্যবস্থা।
চ্যাট করার ব্যবস্থা।
দুটি সাইটেই বন্ধু খোঁজার ব্যবস্থা রয়েছে
ফেসবুকে লাইক আর গুগল প্লাসে +১
গুগল প্লাসে সার্কেল আর ফেসবুকে লিস্ট
গুগল প্লাসের বাড়তি সুবিধা
গুগল+ এ লোকেশন শেয়ার করা যায়।
গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং (হ্যাংআউটস) করা যায়।
গোপনীয়তার বিষয়টি যেভাবে গুগল প্লাসে দেখা হয়েছে, ততটা হয়নি ফেসবুকে।
গুগল প্লাস এখনো ফেসবুকের মতো অসংখ্য প্রোগ্রাম থেকে মুক্ত।
গুগল প্লাসে যা নেই
ফেসবুকে গ্রুপ, নোট, প্রচুর প্রোগ্রাম রয়েছে, যা গুগল+ এ নেই।

সূত্র:
Click This Link
Click This Link
-------------------------------------------------------------------------------
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29419486 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29419486 2011-07-25 10:21:41
গুগল+ এর নোটিফিকেশন মোবাইলে পাওয়া গুগলে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন সক্রিয় করলে (পরে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন নিস্ক্রিয় করলেও সমস্যা নেই) গুগল প্লাসে মোবাইল নম্বর চলে আসবে। এবার গুগল প্লাসের Options এ ক্লিক করে Google+ Settings এ ক্লিক করার পরে বাম পাশের Google+ ট্যাবে থাকা Set delivery preferences এর SMS অপশনে নির্বাচন করুন। এবার Receive notifications এর Phone এ যে যে নোটিফিকেশন পেতে চান সেগুলো নির্বাচন করলেই হবে। ব্যাস এবার নোটিফিকেশনগুলো আপনার মোবাইলে এসএমএস হিসাবে আসবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2791 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29411236 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29411236 2011-07-11 21:08:38
ফেসবুক চালু করলো টু-ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন সুবিধা টু-ফ্যাক্টর চালূ করার জন্য ফেসবুকে লগইন করে Account > Account Settings > Settings > Account Security থেকে Login Approvals এর Require me to enter a security code sent to my phone চেক করতে হবে। এবার Next বাটনে ক্লিক করে মোবাইলে প্রাপ্ত কোড লিখে Next করতে হবে এবং Save বাটনে ক্লিক করে করতে হবে। যদি কোন মোবাইল যুক্ত করা না থাকে তাহলে যুক্ত করতে হবে।
এরপর থেকে ফেসবুকে নতুন কোন ডিভাইস (কম্পিউটার) লগইন করতে গেলে মেবাইলে একটি এসএমএস (কোড) আসবে। উক্ত কোড দিয়ে লগইন সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় ফেসবুকে লগইন করা যাবে না।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2717]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29381504 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29381504 2011-05-15 13:52:50
অনলাইনে ক্রিকেট খেলা দেখুন http://goo.gl/aoL8M এ।
শিগগিরই আরো চ্যানেল যোগ করা হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29332955 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29332955 2011-02-24 08:41:55
‘বিডি আইপিও’ থেকে আইপিও ফরম পূরণ করা এজন্য http://www.bdipo.com সাইটে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে লগইন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন ছাড়াও গুগল, ফেসবুক, ইয়াহু এবং উইন্ডোজ লাইভ একাউন্ট দ্বারাও লগইন করা যাবে। লগইন করার পরে ডানের প্যানেল থেকে Create BO Account এ ক্লিক করে বিও একাউন্টে সকল তথ্য দিন। মূলত আইপিও ফরম পূরণ করতে যা যা তথ্য দিতে হয় এখানে সেই তথ্যগুলো লাগবে। ফরম পূরণ শেষে Create বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে আরো বিও একাউন্ট যুক্ত (তৈরী) করতে পারেন। বিও পূরণ করার সময় কোন ভুল হলে বা অন্য কোন কারনে পরিবর্তন বা মুছে ফেলতে চাইলে BO Account List এ ক্লিক করে করতে পারেন। এছাড়াও Import BO Account এ ক্লিক করে স্যামপল ডাউনলোড করে পূরণ করে একসাথে একাধিক বিও একাউন্ট যুক্ত করতে পারেন।
আইপিও ফরম পূরন করার জন্য ডানের প্যানেল থেকে Generate General Form (NRB হলে Generate NRB Form) এ ক্লিক করুন। এখানে চলতি সকল কোম্পানীর তালিকা এবং নিচে আপনার সকল বিও এর তালিকা রয়েছে। এখান থেকে প্রোসপেকটাস ডাউনলোড করা যাবে। যে যে কোম্পানীর আইপিও পূরন করতে চান সেগুলো নির্বাচন করে বিও একাউন্টগুলো নির্বাচন করে (চেক জমা দিতে চাইলে Add Check Details এ ক্লিক করে তথ্য দিতে হবে) Generate Form বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে আইপিও ফরম পূরন হয়ে তা পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড হবে।
চলতি কোম্পানীর আইপিও এর তথ্য পেতে Open IPO এ ক্লিক করে পেতে পারেন। আর Results এ ক্লিক করে পূববর্তী আইপিও এর ফলাফল দেখা যাবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2568 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29303553 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29303553 2011-01-07 23:11:52
অন্যকে জিমেইল ব্যবহারের দায়িক্ত দেওয়া অন্যকে জিমেইল ডেলিগেট করতে যে জিমেইল একাউন্টটি অন্যকে ব্যবহার করতে দিতে চান সেটিতে লগইন করে Settings এ যান। এখানে Accounts and Import ট্যাবে গিয়ে Grant access to your account: এর Add another account লিংকে ক্লিক করুন। পপআপ মেনুতে যাকে ডেলিগেট করতে চান সেই ইমেইল ঠিকানা লিখে Next Step> বাটনে ক্লিক করুন এবং Send email to grant access বাটনে ক্লিক করুন। এবার উক্ত দায়িক্তপ্রাপ্ত ব্যাক্তি তার জিমেইলে Gmail Team থেকে প্রাপ্ত মেইলের To accept this request, please click the link below এর নিচের লিংকে ক্লিক করলে ডেলিগেটিং প্রক্রিয়া সমাপ্ত হবে এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে সক্রিয় হবে।
ডেলিগেটিং সমাপ্ত হবার পরে জিমেইলের উপরের ডানে জিমেইলের লেখাটি লিংকযুক্ত হবে এবং ক্লিক করলে ড্রপ-ডাউনে Delegated Accounts এর নিচে দায়িক্ত প্রাপ্ত ইমেইলটি দেখাবে। এখন উক্ত একাউন্টে ক্লিক করলে আরেকটি ট্যাবে মেইলটি খুলবে যেখান থেকে মেইল চেক করা, পাঠানো যাবে।
জিমেইলের ডেলিগেটিং কিছু শর্ত হচ্ছে ১) একটি একাউন্ট থেকে ১০টির বেশী একাউন্টকে ডেলিগেটিং একাউন্ট হিসাবে যুক্ত করা যাবে না। ২) ডেলিগেট করা একাউন্ট (ব্যবহারকারী) উক্ত একাউন্টের কোন সেটিংস, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবে না। ৩) জিমেইল ব্যবহারকারীরা জিমেইল ডোমেইন, গুগলের এ্যাপস ব্যবহারকারীরা উক্ত নিজস্ব ডোমেইন ছাড়া ডেলিগেট করতে পারবে না। এছাড়াও লক্ষ্যনীয় যে সেন্ট করা মেইলের ডিটেলসে গেলে From এ মূল একাউন্টের নাম ও ইমেইল ঠিকানা দেখালেও এবং Sent by এ যে মেইল থেকে মেইল এসেছে সেই একাউন্টের (যাকে ডেলিগেট করা হয়েছে) নাম ও ইমেইল ঠিকানা দেখা যাবে।
ডেলিগেটিং সুবিধা বন্ধ করতে জিমেইলে লগইন করে Settings থেকে Accounts and Import ট্যাবে গিয়ে Grant access to your account: এর delete লিংকে ক্লিক করলেই হবে।



প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2535 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29292162 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29292162 2010-12-19 02:09:31
টাইটেলবারে বাড়তি কিছু বাটন যুক্ত করা এমনই সুবিধা দিচ্ছে এক্সট্রাবাটন সফটওয়্যার। মাত্র ১ মেগাবাইটের মত ফ্রি এই সফটওয়্যারটি http://www.xtrabuttons.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পরে টাইটেলবারে নয়টি বাটন আসবে। এগুলো হচ্ছে Minimize to Tray, Minimize to Common Tray, Minimize to Box, Roll-up/Unroll, Always on top, Push to Background, Transparency Present, Tune Transparency এবং Run Application to copy| এছাড়াও কোন বাটন বাদ দিতে চাইলে সিস্টেম ট্রেতে থাকা এক্সট্রা বাটনের প্রোপার্টিসে গিয়ে করা যাবে। আর টাস্কবারের চলতি প্রোগ্রামের উপরে মাউসের ডান বাটন চাপলে সকল বাটনের অপশনই আসবে। সফটওয়্যারটির ফলে সহজেই চলতি প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2532
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29291603 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29291603 2010-12-18 00:10:10
কথা বলবে গুগল ট্র্যান্সলেট http://translate.google.com থেকে টেক্সট, সম্পুর্ণ ওয়েব সাইট বা ডকুমেন্ট অনুবাদ করা যায়। এছাড়াও প্লাগইন দ্বারাও ওয়েবসাইট অনুবাদ করা যায়। সম্প্রতি গুগল ট্র্যান্সলেট দ্বারা অনুবাদকৃত লেখাকে পড়ে শোনানোর ব্যবস্থা করেছে গুগল। এছাড়াও অনুবাদকৃত লেখার ফনেটিকও রয়েছে। অনুবাদকৃত ভাষা শুনতে গুগল ট্র্যান্সলেট থেকে অনুবাদ করার পরে Listen বাটনে ক্লিক করলেই হবে।

পূর্বে প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2502]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29284299 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29284299 2010-12-05 21:38:07
ফেসবুকের দুই ব্যবহারকারীর মিল খুঁজে পাওয়া ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা যদি তার আরেক বন্ধুৃর সাথে নিজের অথবা অন্য দুটি বন্ধুর মধ্যে অথবা অন্য যেকোন দুই ফেসবুক ব্যবহারকারীর মধ্যে কি কি মিল আছে তা জানতে পারতো তাহলে কেমন হবে! একটি একটি করে মিল না খুঁজে সহজেই দুই ফেসবুক ব্যবহারকারীর মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যাবে http://www.facebook.com/mehdiakram?and=akabul এমন একটি লিংক থেকে। ফেসুবকে লগইন অবস্থায় ওয়েব ব্রাউজারের এড্রেসবারে উপরোক্ত লিংকটি লিখে এন্টার করলে mehdiakram এবং akabul ব্যবহারকারীর মধ্যে মিল আছে এমন বিষয়গুলো চলে আসবে। ব্যবহারকারীর নামের (ইউজার নেম) পরিবর্তে প্রোফাইল আইডি দিয়েও মিল বের করা যাবে। দুই ফেসবুক ব্যবহারকারীর মধ্যে মিল হিসাবে কমন বন্ধু, মন্তব্য করা পোস্ট, ছবি, ওয়াল পোস্ট, পছন্দের পেজ ইত্যাদি রয়েছে। এছাড়াও ডানে Browse Friendships এ এরকম কিছু বন্ধুর তুলনামূলক লিংক সাজেশন রয়েছে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2466]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29265328 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29265328 2010-11-02 00:27:37
এখন থেকে অভ্রতে অ্যানসিতে (ANSI) বাংলা লেখা যাবে ইউনিকোড এবং অ্যানসিতে পরিবর্তন করতে চাইলে অপশনস মেনু থেকে Output as ANSI (Are you sure?) এ ক্লিক করলেই হবে। আর ইউনিকোড আসতে Output as Unicode (Recommended) এ ক্লিক করতে হবে। অভ্র সফটওয়্যাটি পাওয়া যাবে http://www.omicronlab.com থেকে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2415 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29254628 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29254628 2010-10-14 08:57:06
ফেসবুক বন্ধ হলেও টেনশন নাই, টর আছ না http://www.shamokaldarpon.com/?p=2360
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29243727 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29243727 2010-09-23 01:18:36
টর ব্রাউজার দ্বারা বন্ধ বা ব্লক থাকা ওয়েবসাইট দেখা ফ্রি, বহনযোগ্য টর ব্রাউজার http://www.torproject.org থেকে ডাউনলোড করা যাবে। টর ব্রাউজারটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে Start Tor Browser চালু করলে Vidalia Control Panel টর সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করবে এবং বহনযোগ্য মজিলা ফায়ারফক্সটি টর সক্রিয় অবস্থায় চালু হবে। এবং Congratulations. You are using Tor. ম্যাসজে সম্বলিত টর প্রজেক্টের চেক পেজ আসবে। এমতবস্থায় এই বহনযোগ্য মজিলা ফায়ারফক্সের মাধ্যমে যেকোন বন্ধ বা ব্লক থাকা ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যাবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2360 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29243705 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29243705 2010-09-23 00:53:39
ক্যান্ড রিস্পন্স: জিমেইলে সয়ংক্রিয়ভাবে মেইলের উত্তর দেওয়া ক্যান্ড রিস্পন্স সক্রিয় করা: এজন্য Settings থেকে Labs ট্যাবে গিয়ে Canned Responses এর Enable রেডিও বাটন ক্লিক করে সেভ করুন। এবার কম্পোজ মেইলে গেলে Canned Response দেখা যাবে।
ক্যান্ড রিস্পন্স তৈরী করা: কম্পোজ মেইলে Canned Response এর ড্রপ-ডাউন থেকে New canned response এ ক্লিক করে পছন্দের নাম দিয়ে Ok করে সেভ করুন। এবার কম্পোজ মেইলের বডিতে দরকারী কিছু লিখে Canned Response এর ড্রপ-ডাউন থেকে Save এর নিচের সেভ থাকা ক্যান্ডে ক্লিক করলে উক্ত ক্যান্ডে ম্যাসেজ সেভ হবে।
ফিল্টার তৈরী করে ক্যান্ড রিস্পন্স সেট করা: এখন Search the Web বাটনের ডানে Create a filter এ ক্লিক করে বা Settings থেকে Filters ট্যাবে গিয়ে Create a new filter এ ক্লিক করে অথবা মেইলের উপরের ডানের ড্রপডাউনের Filter massages like this এ ক্লিক করে Create a Filter আনতে হবে। এখানে ফিল্টার তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে Next Step বাটনে ক্লিক করুন। এবার Send canned response: এ সেভ থাকা ক্যান্ড নির্বাচন করে অনান্য চেকবক্স প্রয়োজনে চেক করে Create Filter বাটনে ক্লিক করে ফিল্টার তৈরী সমাপ্ত করুন। এখন থেকে ফিল্টার করা মেইল ঠিকানা থেকে মেইল আসলে সয়ংক্রিয়ভাবে ক্যান্ডের মেইল রিপ্লে হবে।
এভাবে ইচ্ছামত আরো Canned Response এবং ফিল্টার তৈরী করা যাবে।

পূর্বে প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2350]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29242138 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29242138 2010-09-20 00:27:18
মোবাইলে শুনুন অনলাইন রেডিও এসব বাধা পেরিয়ে রেডিও ঢাকা মোবাইলের জন্য প্লেয়ার (ডেমো সংস্করণ) অবমুক্ত করেছে। ফলে প্লেয়ারটি মোবাইলে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে খুব সহজে রেডিও শোনা যাবে। রেডিও ঢাকার ওয়েবসাইটের ঠিকানা হচ্ছে http://www.radiodhaka.net। রেডিও ঢাকাতে একটি জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলের সংবাদ সরাসরি সমপ্রচার করা হয়।
এছাড়াও http://m.lemon24.com থেকে লেমন রেডিও প্লেয়ার মোবাইলে ইনস্টল করে লেমন রেডিও শুনতে পারবেন।

পূর্বে প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2346]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29241802 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29241802 2010-09-19 10:46:00
‘লগমিইন’ দ্বারা কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা টিমভিউয়ার অন্যতম। তবে লগমিইন দ্বারা আরো সহজেই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। লগমিইন এর আসল সুবিধা হচ্ছে যিনি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ কররেন তার কম্পিউটারে সফটওয়্যার থাকার দরকার নেই, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজটি করা যায়। শুধুমাত্র ক্লাইন্ট (রিমোট ) কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল থাকলেই হয়। আর প্রতিবার পাসওয়ার্ডের ঝামেলাই নেই।
এজন্য www.logmein.com সাইটে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। এবার ক্লাইন্ট (রিমোট) কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। ইনস্টল করার সময় LogMeIn Free অপশনটি নির্বাচন করে ইনস্টল করুন আর যে ইমেইল দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করেছেন সেই ইমেইল এবং লগইন পাওসয়ার্ড লগবে। ইনস্টল করার সময় ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। কম্পিউটারের চলতি ইউজারে কোন পাসওয়ার্ড সেট করা না থাকলে ইনস্টল কারর সময় উক্ত কম্পিউটারের জন্য একসেস কোড দিতে হবে যার দ্বারা ভবিষ্যতে কম্পিউটারটিতে প্রবেশ কারর সময় লাগবে। লগমিইন সফটওয়্যারটি অপারেটিং সিস্টেম চালুর সাথে সাথে চালু হবে এবং সিস্টেমট্রেতে এর আইকন থাকবে। এভাবে একাধিক কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ ছাড়াও ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম সমর্থণ করে।
এবার www.logmein.com লগইন করে My Computers এ ক্লিক করলে ইন্টারনেট যুক্ত থাকা কম্পিউটারগুলো অনলাইন অবস্থায় দেখাবে, ইন্টারনেট যুক্ত না থাকলে অফলাইন অবস্থায় থাকবে। এখন যে কম্পিউটারে প্রবেশ করতে চাই সেই কম্পিউটারের উপরে ক্লিক করুন এবং উক্ত কম্পিউটারের লোকাল ইউজার এবং পাসওয়ার্ড অথবা কম্পিউটার একসেস কোড দিয়ে কম্পিউটারে প্রবেশ করুন। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের পাশাপশি উক্ত কম্পিউটারের ব্যবহারকারীর সাথে চ্যাটিং করা যাবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2269 http://www.shamokaldarpon.com/?p=2269 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29218442 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29218442 2010-08-09 13:05:29
রমজানে এসএমএস এলার্ট Click This Link সাইট থেকে। এসএমএস এলার্ট সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে Get Free SMS Alert বাটনে ক্লিক করলে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2258]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29216470 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29216470 2010-08-06 19:41:09
কম্পিউটার নিরাপদ রাখুন ইমারজেন্সি কিট দ্বারা http://www.emsisoft.com থেকে নামানো যাবে। তবে এই Click This Link সাইটে ৯৩ টি মিরর ডাউনলোড লিংক আছে। ফলে মূল সাইট থেকে ডাউনলোডে সমস্যা হলেও মিরর ডাউনলোড লিংক থেকে তা নামানো যাবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2238]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29205409 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29205409 2010-07-22 22:41:44
সয়ংক্রিয়ভাবে সেভ হবে ফাইল http://www.door2windows.com থেকে ৭৬৮ কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার, বহনযোগ্য সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করলে সিস্টেমট্রেতে একটি ফ্লপির আইকন আসবে। এই আইকনে ক্লিক করে কত সময় অন্তর অন্তর সেভ করবেন তা নির্ধারণ করে Hide বাটনে ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি লুকাবে এবং নির্বাচিত সময় পরপর চলতি (এ্যকটিভ) প্রোগ্রাম সেভ হবে। যদি চলতি (এ্যকটিভ) প্রোগ্রামটি পূর্বে সেভ করা না থাকে তাহলে সেভ ডায়ালগ বক্স আসবে। আর অটোসেভ প্রোপার্টিস থেকে Run When Windows Start চেক করলে কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অটোসেভ সফটওয়্যারটি চালু হয়ে সিস্টেমট্রেতে থাকবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2233]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29203902 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29203902 2010-07-20 12:21:31
মজিলা সফটওয়্যারগুলোর প্রোফাইল ব্যাকআপ রাখা http://mozbackup.jasnapaka.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে। মজব্যাকআপ উপরোক্ত সফটওয়্যারগুলোর বহনযোগ্য সংস্করণেও ব্যবহার করা যাবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2230]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29199788 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29199788 2010-07-14 22:31:44
জিমেইলের স্বাক্ষরে ছবি যুক্ত করা এজন্য Settings এ‌ গিয়ে General ট্যাবে Signature: অংশে ইচ্ছামত স্বাক্ষর বানান। আর ছবি যুক্ত করতে চাইলে Insert Image বাটনে ক্লিক করে যুক্ত করতে পারেন। সেক্ষেত্রে ছবিটি ওয়েব লিংক ব্যবহার করতে হবে। ছবিটি পিকাসা বা অন্য কোন সাইটে আপলোড করে ব্যবহার করা যাবে। একাধিক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা থাকলে No signature এর নিচে ড্রপডাউন আসবে সেখান থেকে অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন করে আলাদা আলাদা স্বাক্ষর তৈরী করে সেভ করলেই হবে। এই সুবিধা গুগল এ্যাপসের মেইলেও পাওয়া যাবে।

প্রথম প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2223]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29197011 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29197011 2010-07-11 13:26:38
বাংলাদেশের টেষ্ট স্ট্যাটাস থাকা উচিত কি না? http://www.cricinfo.com। এখানে প্রশ্নটি হচ্ছে After two more heavy defeats in their series against England, are Bangladesh worthy of Test status?
আশা করি সবাই Yes, the results mask the clear signs of improvement ভোট দিবেন দেশের ক্রিকেটের জন্য।

http://www.shamokaldarpon.com/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29180393 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29180393 2010-06-19 15:08:24
এসএমএস এর মাধ্যমে গুগল বাজে পোস্ট করা http://www.buzzviasms.appspot.com সাইটে যেতে হবে Connect to Buzz এ ক্লিক করুন। এবার গুগলের অথেনটিকেশনের জন্য Ok, continue বাটনে ক্লিক করে গুগলে লগইন করা থাকলে Grant access বাটনে ক্লিক করুন। এবার Welcome পেজ থেকে add a phone এ বাম পাশের ড্রপ ডাউন থেকে দেশের কোড ৮৮০ নির্বাচন করে ডানে মোবাইল নম্বর লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন তাহলে একটি Activation Code আসবে। এবার উক্ত মোবাইল থেকে এ্যাকটিভিশন কোডটি +19252899767 নম্বরে (২ ঘন্টার মধ্যে) সেন্ড করলে মোবাইল নম্বরটি সক্রিয় হবে এবং pending activation টি active numbers হবে। এভাবে একাধিক নম্বর যুক্ত করা যাবে। পরবর্তিতে চাইলে নম্বরটি মুছে ফেলা যাবে। এরপর থেকে যুক্ত করা মোবাইল নম্বর থেকে +19252899767 নম্বরে কোন এসএমএস করলে তা গুগল বাজে পোস্ট হবে।

পূর্বে প্রকাশ: সমকাল দর্পণে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29171608 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29171608 2010-06-06 17:53:10
বিনামূল্যে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১০ এর এসএমএস এলার্ট এজন্য http://www.bdcalendar.blogspot.com সাইটে FIFA World cup 2010 ক্যালেন্ডারের নিচের +Google Calendar আইকনে ক্লিক করে ক্যালেন্ডারটি জিমেইলের ক্যালেন্ডারে যুক্ত করে নোটিফিকেশন সেট করুন। বিনামূল্যে এসএমএস বা মেইল বা পপআপ সেট করার পদ্ধতির বিস্তারিত পাবেন http://www.shamokaldarpon.com/?p=1527 এই সাইটে। এবার থেকে আপনার মোবাইলে বা মেইলে খেলা শুরু হবার নির্দিষ্ট সময় আগেই এসএমএস বা মেইল পৌছে যাবে। এছাড়াও খেলার ফলাফলও আসবে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29167176 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29167176 2010-06-01 01:02:50 বিজয় বনাম অভ্র বিতর্ক এসএম মেহেদী আকরাম, সাদ আবদুল ওয়ালী

বাংলা কম্পিউটিংয়ের শুরুটা যেভাবে
কম্পিউটারে বাংলা লেখার সূচনা হয় ১৯৮৬ সালে। আর শুরুটা হয় ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের হাত ধরে। সে সময় শহীদ লিপির মাধ্যমে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে বাংলা লেখা শুরু হয়। প্রথম বাংলা সফটওয়্যারের উদ্ভাবক ছিলেন ড. সাইফ উদ দোহা শহীদ। তবে বেশি দূর এগুতে পারেনি শহীদ লিপি নামে বাংলা সফটওয়্যার। তার অবস্থান দখল করে বিজয়।

বিজয় বাংলা
বিজয় বাংলা সফটওয়্যারের শুরু হয় ১৯৮৭ সালের ১৬ মে এবং কীবোর্ড আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনন্দ কম্পিউটার্সের মাধ্যমে। আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বত্বাধিকারী মোস্তফা জব্বার। বিজয় বাংলা কম্পিউটিং প্রকাশনা শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। ১৯৯৩ সালের আগ পর্যন্ত ডস ও উইন্ডোজভিত্তিক প্লাটফরমের জন্য আলাদা সফটওয়্যার চালু ছিল। ১৯৯৩ সালের ২৬ মার্চ পারসোনাল কম্পিউটারের জন্য বিজয় সফটওয়্যারের উন্নয়ন করা হয়। আর এ সময় থেকে উইন্ডোজ ও ম্যাকিনটোশে সমানভাবে বাংলা ব্যবহার চলতে থাকে।
অভ্র
কম্পিউটারে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে আরেকটি বাংলা সফটওয়্যার অভ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এটির উন্নয়ন করা হয় ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ এবং এটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওমিক্রনল্যাব। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মেহেদী হাসান খান। বাংলা কম্পিউটিং এ তাদের অবদান অগ্রগামী। এটির মূল বৈশিষ্ট্য এটি ইউনিকোড সাপোর্ট করে। ‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’ এই চিন্তাধারায় সামনে এগিয়ে চলেছে ওমিক্রনল্যাব। খুব তাড়াতাড়ি এই সফট্ওয়্যার জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কারণ, কম্পিউটারের সব ধরনের ব্যবহারকারী খুব সহজে বাংলা লিখতে পারছে। কমিউনিটি ওয়েবসাইটগুলোতে অভ্র রীতিমত আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বাংলা লেখার মাধ্যমে।

বাংলা কম্পিউটিংয়ে ইউনিকোড
বিজয় বনাম অভ্র নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের ব্যাপারে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ কিংবা আইটি বিশেষজ্ঞরা তেমন খোলামেলা কিছু না বললেও তরুণরা এ ব্যাপারে বেশ সোচ্চার হয়েছেন এবং তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। তবে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ বা বিশেষজ্ঞদের অনেককেই ইউনিকোডভিত্তিক প্রযুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে গণ্য করছেন। মূলত: গত চার দশকে বাংলা ভাষার ব্যবহার এগিয়ে গেছে অনেকটা। এ ক্ষেত্রে ইউনিকোড প্রযুক্তি সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। সে হিসেবে অভ্র একটি ইউনিকোডভিত্তিক বাংলা সফটওয়্যার। বাংলা কম্পিউটিংয়ে অভ্র একটা শক্তিশালী ভূমিকা রেখে চলেছে।

অভ্র বিনামূল্যে পাওয়া যায়, বিজয় কিনতে হয়
ইউনিকোডে বাংলা লিখতে বা ইউনিকোডে বাংলা লেখাকে রূপান্তরে বিনামূল্যের সফটওয়্যার অভ্র। সরাসরি ইউনিকোডে বাংলা লেখার জন্য অমিক্রোন ল্যাবের (http://www.omicronlab.com) এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করেন বিভিন্ন অনলাইন কমিউনিটির প্রায় সবাই। আর আসকিতে বাংলা লেখার জন্য বিজয়ও প্রায় সব কম্পিউটার ব্যবহারকারী ব্যবহার করে থাকেন। সফটওয়্যার দুটি বাংলা লেখার জন্য বহুল ব্যবহৃত হলেও মূল পার্থক্য হচ্ছে, অভ্র বিনামূল্যে পাওয়া যায় আর বিজয় টাকা দিয়ে কিনতে হয়।

যে লেখা নিয়ে এ বিতর্কের শুরু
বিজয়ের স্বত্বাধিকারী ও বিসিএস সভাপতি মোস্তফা জব্বার দৈনিক জনকণ্ঠে গত ৪ এপ্রিল ২০১০ ‘সাইবার যুদ্ধের যুগে প্রথম পা। একুশ শতক’ শিরোনামে একটি লেখা লিখেছেন, যার মূল বক্তব্য সাম্প্রতিক সরকারি অনেক ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের ঘটনা। সুকৌশলে তিনি এর সঙ্গে জড়িয়েছেন বিনামূল্যে বাংলা লেখার সফটওয়্যার অভ্র কিবোর্ড, জাতিসংঘের ইউএনডিপি এবং নির্বাচন কমিশনকে। অভ্রকে ‘পাইরেটেড সফটওয়্যার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বিজয় সফটওয়্যারের পাইরেটেড সংস্করণ ইন্টারনেটে প্রদান করার ক্ষেত্রে এই হ্যাকাররা চরম পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছে। এ হ্যাকার ও পাইরেটদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির নামও যুক্ত আছে। অভ্র নামক একটি পাইরেটেড বাংলা সফটওয়্যারকে নির্বাচন কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন সেলের ওয়েবসাইট হ্যাক হলে তার দায় থেকেও ইউএনডিপিকে ছাড় দেয়া যায় না।’

শুরু হয় প্রতিবাদের ঝড়
তার এই লেখার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অভ্র ব্যবহারকারীরা প্রতিবাদের ঝড় তোলেন। ফেসবুক, সচলায়তন, সামহোয়ার ইন ব্লগ, প্রথম আলো ব্লগ, আমার ব্লগ, রংমহল ফোরাম, প্রজন্ম ফোরাম, আমাদের প্রযুক্তি, টেকটিউনস, ব্যক্তিগত ব্লগসহ বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটে এ নিয়ে নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানানো হয়। কিছু কিছু সাইট তাদের ব্যানারও পরিবর্তন করে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে।

লিখিত অভিযোগ কপিরাইট অফিসে
এত কিছুর পরও মোস্তফা জব্বার ক্ষান্ত হননি। এরই মধ্যে তিনি কপিরাইট অফিসে লিখিত অভিযোগও করেছেন অভ্র সফটওয়্যারের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অমিক্রোন ল্যাবের প্রধান নির্বাহী মেহ্দী হাসান খানের বিরুদ্ধে। ফলে কপিরাইট অফিস থেকে মেহ্দী হাসান খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ জানা গেছে, মেহ্দী হাসান খান এ ব্যাপারে আইনজীবীর পরামর্শে প্রয়োজনীয় করণীয় বিষয়ে এগুচ্ছেন। বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটসূত্রে জানা গেছে, তারা মোস্তাফা জব্বারের বিরুদ্ধে মিছিল করাসহ ও পোস্টার প্রচারের আয়োজনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আসলে পার্থক্য কতটুকু?
মূলত বিজয় কিবোর্ড লেআউটের সঙ্গে সঙ্গে ইউনিজয় লেআউটের অনেক পার্থক্য রয়েছে। যেখানে কিবোর্ড লেআউটের একটি কির পার্থক্য থাকলে নতুন একটি কিবোর্ড লেআউটের জন্ম দেয়, সেখানে মোস্তফা জব্বারের অভিযোগ অবান্তর। কিবোর্ড লেআউটের গ্রহণযোগ্য ইতিহাস জানতে (http://en.wikipedia.org/wiki/Keyboard_layout) লিঙ্কে গেলে বিষয়টা পরিষ্কারভাবে জানা যাবে।

নির্বাচন কমিশন ও ইউএনডিপির প্রসঙ্গ
জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন খরচ কমানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেয় এরকম একটা সফটওয়্যার তারা নিজেরাই ডেভেলপ করে নেবেন। বুয়েটের একজন শিক্ষককে সে দায়িত্বও দেয়া হয়। তারা সেটাই করেন, শুধু বাংলা লেখার অংশটা ছাড়া। আবার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে তারা অভ্র ব্যবহার করেছিলেন, বিনিময়ে তারা স্বীকৃতি সনদও দিয়েছেন।

শেষ কথা হলো, অভ্রকে যদি সত্যিই বিজয়ের পাইরেটেড মোস্তফা জব্বার মনে করেন, তাহলে তার উচিত হবে আইনের আশ্রয় নেয়া। তাতে সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য উন্মোচিত হবে।



বিজয় বনাম অভ্র : কিছু প্রতিক্রিয়া
বিজয় বনাম অভ্র বিতর্কের তীব্র প্রতিক্রিয়া এখন বিভিন্ন ব্লগসাইটে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, আমারবন্ধু, সচলায়তন, সামহোয়ারইন, আমারব্লগ, মুক্তমনা, টেকটিউনস, প্রথম আলোসহ আরও অনেক ব্লগ সাইট। পাশাপাশি আমাদের কাছেও অনেকে ইমেইল ও চিঠিতে জানিয়েছেন তাদের প্রতিক্রিয়া।

এখানে কি বিজয়ের কপিরাইট (১৯৮৮?) নাকি পেটেম্লট (২০০৮) নিয়ে অভিযোগটি এসেছে? দুটি কিন্তু দু’রকমের ব্যাপার। বিজয়ের প্যাটেম্লটটি নিজেই ধোপে টিকে কিনা তা সন্দেহের ব্যাপার (যেহেতু ২০০৮ নাগাদ ঢ়ত্রড়ত্ ধত্ঃ প্রচুর আছে), কিন্তু কপিরাইটটি আইনগতভাবে পাকাপোক্ত হতেই পারে (যদি না এটা প্রমাণিত হয় বিজয়ের লেআউট অন্য কোনো জায়গা থেকে নেয়া মাত্র। মুনীর লেআউটের সঙ্গে বিজয়ের পার্থক্য কতটুকু? কয়টা কী?।
—রাগিব হাসান, প্রধান প্রশাসক, বাংলা উইকিপিডিয়া

কোটি টাকা দিয়ে নির্বাচন কমিশনে বিজয় কিবোর্ড বিক্রি করতে না পেরে মোস্তফা জব্বারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ঢালাওভাবে সবাইকে অপরাধী বানিয়ে চলেছেন। এমনকি ইউএনডিপিকেও অপরাধী বানাতে দ্বিধা করেননি। কোনো যোগ্যতা ছাড়াই তিনি প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন পদে বসে আছেন, তখন সাধারণ মানুষের হাতে কি করে প্রযুক্তি ছড়িয়ে যেতে পারে, তাতে তার কোনো মাথাব্যথা নেই। যে বিজয় করে তার এত মাথাব্যথা, সেই বিজয়ের প্রোগ্রামার পাপ্পানার কি কোনো খবর তিনি রেখেছেন?
—রিফাত, সিইসি ডিপার্টমেন্ট, নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটি

বিজয় কিবোর্ডের অংশ বিশেষ বলতে কি বোঝান হচ্ছে? বিজয় কিবোর্ডে ‘অ’ থেকে ‘ ঁ’ পর্যন্ত সবগুলো অক্ষর আছে। মোস্তফা জব্বারের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে অন্য কোন কিবোর্ডে বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করলেই সেটা পাইরেটেড সফটওয়্যার হয়ে যাবে। আসলে নির্বাচন কমিশনের পাঁচ কোটি টাকা হাতছাড়া হয়ে যাবার পর ওমিক্রনল্যাবের এবং অভ্র এর উপর উনার আক্রোশটা অতিমাত্রায় বেড়ে গেছে। উনার যদি এতটাই আত্মবিশ্বাস থাকে তাহলে উনি আদালতের শরণাপন্ন হচ্ছেন না কেন?
—আশরাফুল হক, ইমেইলে পাঠিয়েছেন

জনকন্ঠে দেয়া মোস্তফা জব্বারের বক্তব্যে এটা পরিষ্কার, নির্বাচন কমিশন আর ইউএনডিপি টাকা খরচ না করে অভ্র ব্যবহার করেছে বলেই তার গাত্রদাহ। তিনি ফেসবুকে স্বীকার করেছেন যে, অভ্র তার ৫ কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি করেছে। মেহ্দী যদি তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণের ৫ কোটি টাকা মোস্তফা জব্বারের পকেটে যাওয়া থেকে ঠেকানোর জন্য আমরা মেহ্দীকে স্যালুট দেই।
—নাবিউল, ২৩-০৪-২০১০ তারিখের ব্লগ সাইটে
বাংলাদেশের বাংলা কম্পিউটিং এ ‘বিজয়’ এর ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই, আমি শ্রদ্ধাচিত্তে তা স্মরণ করি, যদিও এর আউটপুট যথাসম্ভব আপনি ভোগ করেছেন। টাকা দিয়ে কেনা সফটওয়্যার এ আপনার এবং আপনার ছেলের ছবি দেখতে বাধ্য করছেন। এই বিজয়ের কল্যাণেই আপনি একজন আইটি মুখপাত্র হয়ে উঠেছেন। যদিও আপনার আইটি জ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে পড়া কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্রের সমতুল্য; অন্তত পত্রিকায় আপনার কলামগুলো পড়লে তাই মনে হয়। প্লিজ পড়াশোনা করে কলাম লিখুন, পাইরেসি কাকে বলে বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি শুধু মানুষকে বিভ্রান্তই করছেন না, সরকারি সেক্টরে ওপেন সোর্সকে নিরুত্সাহী করছেন। প্লিজ ব্যক্তিস্বার্থের বলয় থেকে বেরিয়ে আসুন।
—রাব্বানি, ২৩-০৪-২০১০

আপনি কি কোন দিন বিল গেটসের ছবি কোথাও আপনার কম্পিউটারে দেখেছেন? বলছি কেন, আপনি যদি বিজয় ইনস্টল করেন, যতবার কম্পিউটার চালাবেন, ততবার পর্দায় ভেসে উঠবে, বিজয়ের লেখক কথিত এক লোকের ছবি। এটা কি ইউজারকে অত্যাচার করা না? শেষকথা হল, লেআউট যদি কপিরাইট হয়, তাহলে, দুই কোম্পানির কিবোর্ডে একই ইংরেজি কেমনে লেখে?!
—শৈন দৃষ্টি, ২৩-০৪-২০১০

মূলত ইউনিকোডের কল্যাণেই বাংলায় ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। আমি নিজে বাংলা টাইপ করতে ভয় পেতাম, কিন্তু অভ্র কিবোর্ড আসার পর এখন আমি ইংরেজির চেয়েও দ্রুতগতিতে বাংলা টাইপ করতে পারছি।
—সুশান্ত দাস গুপ্ত, প্রধান সঞ্চালক, আমার ব্লগ ডটকম

আজ বাংলায় যত ই-মেইল, ওয়েবসাইট, ব্লগ, অনলাইন ফোরাম ইত্যাদি দেখি, তার সবই কিন্তু অভ্রের হাত ধরেই এসেছে।
— সৌমিত্র কুমার পাল , সামহোয়ারইনব্লগডটনেট

অভ্র একাই বাংলা কম্পিউটিংকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। বিনে পয়সায় এত ভালো সফটওয়্যার খুব কম দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গেও অভ্রের জনপ্রিয়তা কম নয়। এর বিপক্ষে যে কেউ কিছু বলতে পারেন সেটা জেনে অবাক লাগছে। বাঙালি সবসময়েই অভ্রের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে কম্পিউটারে বাংলা লেখাকে সহজ করবার জন্য।
—পিয়াল খন্দকার কুন্ডু, ২৪-০৪-২০১০

সূত্র: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29153036 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29153036 2010-05-11 13:39:25
মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে কমিউনিটি সাইটগুলোয় প্রতিবাদের ঝড় বিনামূল্যের ইউনিকোডে বাংলা লেখার সফটওয়্যার অভ্রকে (http://www.omicronlab.com) পাইরেটেড বলা নিয়ে ইন্টারনেটের বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটে প্রতিবাদ এবং নিন্দার ঝড় উঠেছে। গত ৪ এপ্রিল ২০১০ দৈনিক জনকন্ঠে ‘সাইবার যুদ্ধের যুগে প্রথম পা। একুশ শতক’ শিরোনামে মোস্তফা জব্বার তার একটি লেখাতে অভ্রকে ‘পাইরেটেড সফটওয়্যার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বিজয় সফটওয়্যারের পাইরেটেড সংস্করণ ইন্টারনেটে প্রদান করার ক্ষেত্রে এ হ্যাকাররা চরম পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছে। এ হ্যাকার ও পাইরেটদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির নামও যুক্ত আছে। অভ্র নামক একটি পাইরেটেড বাংলা সফটওয়্যারকে নির্বাচন কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন সেলের ওয়েবসাইট হ্যাক হলে তার দায় থেকেও ইউএনডিপিকে ছাড় দেয়া যায় না।’ তার লেখায় এ বক্তব্য প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিভিন্ন বাংলা কমিউনিটি সাইটে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটে অভ্রকে সমর্থন করে সাইটের ব্যানারেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাস্তবতা হচ্ছে—অভ্র সফটওয়্যার বিনামূল্যে বিতরণের ফলে নির্বাচন কমিশনে মোস্তফা জব্বার বিজয় বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেও তিনি একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং নিন্দার ঝড় উঠলে তিনি তার অবস্থান থেকে সরে এসে এখন বলতে শুরু করেছেন, অভ্র নয়, অভ্রতে ব্যবহৃত বিজয় কিবোর্ডের সাদৃশ্য ইউনিজয় লেআউট নিয়ে তার আপত্তি। কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, বিজয় কিবোর্ড লেআউটের সঙ্গে সঙ্গে ইউনিজয় লেআউটের অনেক পার্থক্য রয়েছে। যেখানে কিবোর্ড লেআউটের একটি কী’র পার্থক্য থাকলে নতুন একটি কিবোর্ড লেআউটের জন্ম দেয় সেখানে মোস্তফা জব্বারের অভিযোগ অবান্তর। কিবোর্ড লেআউটের ইতিহাস জানতে (http://en.wikipedia.org/wiki/Keyboard_layout) লিঙ্কে গেলে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে। এত কিছুর পরও তিনি ক্ষ্যান্ত হননি। এরই মধ্যে তিনি কপিরাইট অফিসে লিখিত অভিযোগও করেছেন অভ্র সফটওয়্যারের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অমিক্রোন ল্যাবের প্রধান নির্বাহী মেহদী হাসান খানের বিরুদ্ধে। ফলে কপিরাইট অফিস থেকে মেহদী হাসান খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যার স্ক্যান কপি বিভিন্ন কমিউনিটি সাইটে প্রকাশিত হয়। এরপর মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে মিছিল ও পোস্টার প্রচারের আয়োজন হচ্ছে বলে এসব কমিউনিটি সাইট সূত্রে জানা গেছে।
—এস এম মেহেদী আকরাম

সূত্র: http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/05/09/30916 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29151687 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29151687 2010-05-09 11:53:52
গুগল ক্রোমের এক্সটেনশন চলবে ফায়ারফক্সে এজন্য ফায়ারফক্সে Google Chrome extensions manager for firefox প্লাগইনটি Click This Link থেকে ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। তাহলে ফায়ারফক্সের এড্রেসাবারের ডানে গুগল ক্রোমের চিহ্ন আসবে। এই আইকনে ক্লিক করলে ব্যবহারের নির্দেশিকাও আসবে। এখন ক্রোমের এক্সটেনশনটি ডাউনলোড করে (ফাইল এক্সটেনশনটি পরিবর্তন করে zip লিখে) আনজিপ করুন। এবার C:\Documents and Settings\{username}\Application Data\Mozilla\Firefox\Profiles\ এর প্রোফাইলের ফোল্ডারে ঢুকে extensions\\extensions ফোল্ডারে ঢুকুন এবং ডাউনলোড করা এক্সটেনশনের আইডির নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করে ক্রোমের এক্সটেনশনটির আনজিপ করা ফাইলগুলো রাখুন। এবার ফায়ারফক্স চালু করে দেখুন এক্সটেনশনটি এ্যাড-অন্স হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
ইনস্টল করা গুগল ক্রোমের এক্সটেনশনগুলো নিস্ক্রিয় করতে টুলস মেনু থেকে Modules Google Chrome এ ক্লিক করে করতে পারেন।

পূর্বে প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2163]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29146332 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29146332 2010-05-01 18:45:11
নির্দিষ্ট সময়ে টুইটারে স্ট্যাটাস আপডেট করা http://www.tweetvisor.com সাইটে গিয়ে Sign in with Twitter বাটনে ক্লিক করুন। এখন টুইটারের ইউজার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করুন এবং Allow বাটনে ক্লিক করে সাইটে প্রবেশ করুন। এবার Tweet now or Schedule… এ ক্লিক করে টেক্স বক্সে স্ট্যটাস লিখে Schedule* এ ক্লিক করুন তাহলে টেক্স বক্সটির উপর থেকে তারিখ, সময় এবং সময় জোন নির্বাচন করে বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে আরো স্ট্যাটস আপডেট করা যাবে।
পূর্বে প্রকাশ: সমকাল দর্পণ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29142429 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29142429 2010-04-26 11:01:32
নেটওয়ার্কের সকল কম্পিউটার মনিটর এবং নিয়ন্ত্রণ করা লোকাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত আছে এমন অফিসে কর্মকর্তারা, সাইবার ক্যাফের ব্যবহারকারীরা, কম্পিউটার ল্যাবের ছাত্ররা তাদের কম্পিউটারে বসে কে কি করছে তা মনিটর করা বা রিমোটলি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ক্লাসরুম স্পাই সফটওয়্যার দ্বারা। মাইক্রোসফটের রিমোট ডেক্সটপ দ্বারা লোকাল নেটওয়ার্কের থাকা রিমোট কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায় কিন্তু ক্লাসরুম স্পাই এর মত এতো ভালভাবে মনিটর করা যায় না। মাত্র ১১ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি http://www.eduiq.com বা http://www.classroomspy.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

সফটওয়্যার ইনস্টল করা: সফটওয়্যারটির দুটি অংশের একটি হচ্ছে Console আর একটি হচ্ছে Agent| এই Console মুডটা হচ্ছে নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের জন্য আর Agent মুডটা হচ্ছে যাদের মনিটর করা সেই কম্পিউটারের জন্য।
সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার সময় Click here to install ″Classroom Spy Professional Console″ এবং Click here to install ″Classroom Spy Agent″ নামের দুটি বাটন আসবে। এখন Stealth Agent Install চেকবক্স চেক করে Click here to install ″Classroom Spy Agent″ বাটনে ক্লিক করে ইনস্টল করুন এবং পাসওয়ার্ড সেট করুন যা পরবর্তীতে এই কম্পিউটারটিকে রিমোট করার সময় প্রয়োজন হবে। শেষে Start Agent বাটনে ক্লিক করে সার্ভিস চালু করুন এবং ইনস্টল সমাপ্ত করুন।
নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের কম্পিউটারে Classroom Spy Professional Console মুড ইনস্টল করে চালু করুন তাহলে প্রথমবার পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে যা পরবর্তীতে Classroom Spy Professional Console চালু করতে লাগবে।
রিমোট কম্পিউটার যোগ করা: প্রথমে Classroom Spy Professional চালু করে বাম পাশের প্যানেল থেকে Add Computer বাটনে ক্লিক করুন। এবার Remote computer (host or IP) এ রিমোট কম্পিউটারের নাম বা আইপি এড্রেস লিখুন, Nikename এ কম্পিউটারটির নাম দিন (বোঝার সুবিধার্থে) এবং Agent’s password এ উক্ত রিমোট কম্পিউটারের সেট করা পাসওয়ার্ড দিন। Advanced Options ট্যাবে গিয়ে Color Level কালার 16M নির্বাচন করে Basic Options ট্যাবে এসে Remote Assistant Configure / Installation বাটনে ক্লিক করুন এবং উক্ত কম্পিউটারের এ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Connect বাটনে করে Classroom Spy Configuration এ পুনরায় রিমোট কম্পিউটারের Agent’s password দিয়ে Ok করুন এবং সবশেষে Add Computer ডায়ালগ বক্সে Ok করুন। তাহলে Classroom Spy Professional এর Remote Screens ট্যাবে কম্পিউটারটির বর্তমান অবস্থান দেখা যাবে। এভাবে আরো রিমোট কম্পিউটার যোগ করা যাবে।
রিমোট কম্পিউটার মনিটর করা: রিমোট কম্পিউটার মনিটর করতে চাইলে Remote Screens ট্যাবে প্রদর্শিত থাকা কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Zoom Remote Screen এ ক্লিক করলে বড় পর্দায় উক্ত কম্পিউটারের ডেক্সটপ দেখা যাবে। উক্ত কম্পিউটারটি কোন কাজ করতে চাইলে Enable Control চেক বক্স চেক করলে মাউস বা কীবোর্ড দ্বারা উক্ত কম্পিউটারে কাজ করা যাবে। আর প্রদর্শিত থাকা কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Remote Control এ ক্লিক করলে Enable Control সক্রিয় হয়ে বড় আকারে দেখা যাবে। উক্ত ডেক্সটপটি পূর্ণ পর্দায় দেখতে Full Screen বাটনে ক্লিক করতে হবে।
রিমোট কম্পিউটারে ম্যাসেজ পাঠানো: রিমোট কম্পিউটারের সবগুলোকে বা নির্দিষ্ট কোন কম্পিউটারে ম্যাসেজ পাঠাতে Classroom Spy Professional এর Show Massage/Block Computer ট্যাবে গিয়ে ডানপাশের প্যানেল থেকে কম্পিউটারগুলো নির্বাচন করে Mesage text এ ম্যাসেজ লিখে নিচের Show Message / Block Computer বাটনে ক্লিক করুন তাহলে নির্বাচিত কম্পিউটারগুলোতে ম্যাসেজ প্রদর্শিত হবে। ম্যাসেজ উইন্ডো রিমোট কম্পিউটারের ব্যবহারকারীরা বন্ধ করতে পারবে আর নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটর সকল কম্পিউটারে পাঠানো ম্যাসেজ বন্ধ করতে Hide Message / Block Computer বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
নিজের ডেক্সটপ শেয়ার করা: নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের নিজের ডেক্সটপটি শেয়ার দিতে চাইলে Classroom Spy Professional এর Share Desktop ট্যাবে গিয়ে ডানপাশের প্যানেল থেকে যে যে রিমোট কম্পিউটারে ডেক্সটপ শেয়ার দিতে চান সেগুলো নির্বাচন করে Start Sharing Desktop বাটনে ক্লিক করুন। রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপকে নিস্ক্রিয় করে শুধুমাত্র আপনার ডেক্সটপকে দেখাতে বাধ্য করতে চাইলে নিচের Full Screen এবং Lock Computers চেক করুন শেয়ার দিতে পারেন। এছাড়াও Color Level থেকে কালারের মান পরিবর্তন করতে পারবেন। শেয়ার বন্ধ করতে Stop Sharing Desktop বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
ডেক্সটপ রেকর্ড করা: রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপ রেকর্ড করতে Desktop Recorder ট্যাবে গিয়ে Record বাটনে ক্লিক করুন এবং যে যে রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপ রেকর্ড করতে চান সেগুলো নির্বাচন করে Ok করুন। তাহলে ডেক্সটপ মনিটর শুরু করলে উক্ত রিমোট কম্পিউটারে সেভ হবে। রেকর্ড করা ভিডিও দেখতে চাইলে Open Network Share বাটনে ক্লিক করলে সেভ হওয়া ফোল্ডার খুলবে।
কম্পিউটার বন্ধ করা রির্স্টাট করা: রিমোট কম্পিউটার বন্ধ, রিস্টার্ট, হাইবারনেট, স্ট্যান্ডবাই, লগঅফ, স্ক্রিনসেভার চালু, স্ক্রিনসেভার বন্ধ বা লক করতে চাইলে Tools ট্যাবে যান এবং নির্দিষ্ট বাটনে ক্লিক করে রিমোট কম্পিউটারগুলো নির্বাচন করে Ok করলেই হবে। এখান থেকে রিমোট কম্পিউটারের কমান্ড প্রম্পট, রান বা ওয়েবসাইট চালু করা যাবে।
প্রোসেস থাকা প্রোগ্রাম বন্ধ করা: রিমোট কম্পিউটারগুলো থেকে প্রোসেস চলতে থাকা নির্দিষ্ট কোন প্রোগ্রাম বন্ধ করতে Processes ট্যাবে গিয়ে যে প্রোসেসটি বন্ধ করতে চান সেটি নির্বাচন করে Kill all with the same name বাটনে ক্লিক করে রিমোট কম্পিউটার নির্বাচন করে Ok করলেই হবে।
পোর্ট বন্ধ করা: রিমোট কম্পিউটারের কোন পোর্ট বন্ধ করতে চাইলে Internet Control ট্যাবে গিয়ে বন্ধ করতে পারেন।
এছাড়াও Classroom Spy Professional Console এর Add Group of LAN Computers বাটনে ক্লিক করে নেটওয়ার্কে থাকা সকল (নির্বাচন করে) কম্পিউটারগুলোতে Classroom Spy Professional Agent ইনস্টল করা যাবে।

পূর্বে প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2110]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29136762 http://www.somewhereinblog.net/blog/mehdiakramblog/29136762 2010-04-17 20:44:07