আজ একটা পোষ্টে এই লেখাটা দেখে আমি কিছু শেয়ার করলাম সবার সঙ্গে।
তদবির এবং ঘুষ ছাড়া সরকারী চাকরী কয়জনার হচ্ছে তা হাত গুনে বের করা সম্ভব.......এই সরকারী চাকরীতে আবেদন করে আমি নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতায় এমুন বিরুপ পরিস্থিতিতে পড়েছিলাম....এবং জেদের বশেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম......সরকারী চাকরীকরাতো ভালো কথা আর কোথাও এ্যপ্লাই ই করবোন।
১৯৯৯ সালে ডিপ্লেমা ইন্জিনিয়ার পদে এক সরকারী চাকুরীর সুযোগ পাই, যেখানে মাত্র ৩টি পোষ্টের বিপরীতে আবেদনকারী ছিল ১৯০০ এর বেশি। লিখিত শেষে আমি টপ টেনের মধ্যে থাকার সুবাদে ভাইভা দেই এবং ভালোই করি, পরে শুনি আমার বাবা, মা সেই সরকারী প্রতিষ্ঠানেরই চাকুরীজিবি হওয়ার সুবাদে বেশ জানাশোনা থাকার জন্য্ আমার জন্য রেট বরাদ্দ হলো ১লাখ.......যেখানে অন্যান্যরা ৫-৬টা মন্ত্রীর সুপারীশ সহ ৪-৫লাখ নিয়ে ঘুরছে। আমার ফ্যামিলী টাকাটা দেওয়ার যখন আয়োজন করছিল, তখই আমি এই বলে গো ধরেছি যে আমি এত্তো অল্পবয়সে চাকরী করবনা।
পরে আমি আবার একটা প্রাইভেট ইউনিভাসিটি থেকে সিএসসি করে চাকরীর সন্ধানে বেরুনোর পরে.......চাকরীর বাজারের আসল অবস্থা দৃশ্যমান হলো, যেখানে আমি পড়াশোনার সময়ই বাসা থেকে ১০,০০০টাকা থাকাখাওয়া, পড়াশোনার জন্য পেতাম, পড়ে চাকরী করে সেই মাসিক ১০,০০০ এর উপরে বেতন পেতে আমার ২বছর লেগেছে। এখন যদিও পাই মোটামুটি কিন্তু দেখি আরেক সমস্যা........
বাসা থেকে আমাকে বিয়ে করাতে মেয়ে যেখানেই খুজতে যায়.....সবাই আগে চায় আর্মি/ডাক্তার, তা নাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট......আর তাও না হলে সরকারী চাকরীজীবি .......। আমারা তাদের লিষ্টেই নাই........উপরের মর্যাদার লোকজন বিয়ের বাজার থেকে কেনাকাটা করার পরে অবশিষ্ট যা থাকবে, আমারা যেন জন্য সেটারই যোগ্য। আমরা প্রাইভেট চাকরীজীবিরা দেখছি এই বিয়ের বাজারে ৪শ্রেনীর মর্যাদা পাচ্ছি..........। এখন মাঝে মাঝে চিন্তা করি.....আসলেই কি আমি সেই ১লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরীটা না করে ভুল করেছিলাম..........।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


