আপনারা সবাই মেটামুটি জানেন যে দেশে প্রজন্মের মুঠোফোন সেবা চালু করার লাইসেন্স দেয়া হবে। (কবে হবে তা উপরওয়ালা ভাল জানেন, আমি জানি না।) একটি ভেন্ডর কম্পানি এর উদাহরণ দেখিয়েছে এবং বেশ প্রচারও শুরু করে দিয়েছে।
এবার তৃতীয় প্রজন্মের মুঠোফোনের বাজার সম্পর্কে কিছু বলি। আপনাদের অনেকে হয়ত ভাবছেন কথা বলার সময় চেহারা দেখা গেলে বেশ ভালই তো হবে। অনেক দেশে দেখা গিয়েছে যে প্রথম প্রথম ভিডিও কল বেশ জনপ্রিয় হলেও মানুষ খুব কম ক্ষেত্রেই তার চেহারা দেখাতে চায়। একারণে অনেক দেশেই অনেক অপারেটর অনেক (এবং অযৌক্তিক রকম বেশি) দাম দিয়ে তৃতীয় প্রজন্মের মুঠোফোন সেবা প্রদানের লাইসেন্স নিয়ে লোকসান গুনেছে। আবার জাপানে দেখা গেছে মানুষ তৃতীয় প্রজন্মের মুঠোফোনে সেবাগুলোর মধ্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবাকে লুফে নিয়েছে। তারা গান, ভিডিও ডাউনলোড করতে আর অনলাইন গেমস খেলতে বেশ পছন্দ করছে।
দেশে নতুন প্রযুক্তি আসা সবসময়ই সুখবর। আমাদের দেশের ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইডথ বাড়াতে পারলে, এর মাধ্যমে সবাই উপকৃত হব সন্দেহ নেই। কিছু আকর্ষণীয় সেবার মাধ্যমে জীবনকে সহজ করা সম্ভব হবে। অন্তত: একবার ভিডিও কল করে দেখতে ইচ্ছা করে না এমন কেউ কি আছেন? বহুদিন না দেখা প্রিয়জনের মুখ দেখতে পেলে কেমন লাগবে?
যদিও আমাদের দেশে সবার তৃতীয় প্রজন্মের সেবা নেবার মত ফোনসেট নেই (আমার নিজেরও নেই
পুনশ্চ: বসকে ফাঁকি দেবার জন্য এই লোকটি তৃতীয় প্রজন্মের সেবা ব্যাবহার করছে। দেখে রাখুন। (বসেরা দয়া করে দেখবেন না)
http://www.youtube.com/watch?v=3Oo2gVde8gE

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


