আমার প্রিয় পোস্ট

আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছো বসি আমার ব্লগখানি কৌতুহল ভরে

একজন স্পোর্টস ,পলিটিক্স এন্ড নিউজপেপার অবসেসড বালকের ডায়েরি (১৯৮৯ সাল)

১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪২

শেয়ারঃ
0 0 0

সিকি শতাব্দী না পেড়ুনো এ জীবনে ১৯৮৯ সাল এসেছিল অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ।৮৯ আমাকে খাতা ভরে অ,আ,ক,খ লিখতে শিখিয়েছিল, বছর শেষে ২ এর সাথে ২ যোগ করতে শিখিয়েছিল । ৮৯ এ আমার বিশ্ব চেনার হাতেখড়ি,ইচ্ছামত কার্টুন না দেখতে পারার তীব্র কষ্টে বড় হওয়ার তীব্র আকুতি। বাবার সাথে ৮৯ তেই আমার ভার্চুয়াল বিশ্বভ্রমণ , তীব্র ফুটবল প্রেমের হালখাতা ।

৮৯ সালে আমাদের এলাকায় প্রথম ইরান টেলিভিশনের সম্প্রচারের সূচনা । সবে মাত্র বছর খানেক আগে ইরাক ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি হয়েছে । তার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে সিগনাল পৌছে দেবার জন্য টেলিভিশন ট্রান্সমিশনের সুউচ্চ টাওয়ার বসানো শুরু হলো । ইরাক সীমান্তের খুব কাছাকাছি হওয়ায় এতদিন ইরাক টেলিভিশন ছাড়া অন্য কোন সিগনাল পাওয়া যেত না ।

যতটা মনে আছে ইরাক টেলিভিশনের অনুষ্ঠানগুলোর সিংহভাগ জুড়েই থাকতো সাদ্দাম বন্দনা । খবরে দেখতাম ,সাদ্দাম সারাদেশ সফর করছেন , আর শিশুরা , নারীরা রাস্তার দু'পাশে তালি দিয়ে গান গাইছে । সঙ্গীতানুষ্ঠানগুলো জুড়ে থাকতো সাদ্দাম স্তুতি করে গাওয়া গান । প্রতি সপ্তাহে দেখানো হতো ২/৩ টি করে বলিউডের হিন্দি সিনেমা । বিকালের দিকে কার্টুন দেখানো হতো , কিন্তু আরবি ভাষার কারণে সেসবের কিছুই বুঝতাম না । টেলিভিশন দেখবার সময়টা আমার জন্য ছিল নির্দিষ্ট , মিনি স্কার্ট পড়া শিল্পীদের যেন না দেখি সে জন্যই কিনা , বাবা মা অনেক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাখতেন ।

ইরান টেলিভিশন আমার সামনে যেন দিগন্ত খুলে দিল । হিন্দী সিনেমার বিপরীতে প্রতি সপ্তাহে প্রচারিত হতে লাগলো ফারসি ভাষায় ডাব করা জাপানি , ইতালিয়ান বা হলিউডের মুভি , ডাব করা জাপানি কার্টুন।


জাপানী মুভিগুলো ছিল মূলত সামাজিক আর পারিবারিক বন্ধনের উপর নির্মিত,ইরানী মুভিগুলোর সাথে খুব মিল রেখেই সম্ভবত মুভিগুলো সিলেকশন করা হতো । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন একটি স্কুলের ছাত্রদের আর তাদের মমতাময়ী ম্যাডামের ছিন্ন বিচ্ছিন্ন জীবন কাহিনী নিয়ে একটা মুভির কথা আবছা মনে আছে । শিশু বয়সেই সেটার প্রভাব এত বেশি ছিল বলে , এখনও মুভির কিছু কিছু দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠার সাথে সাথে মনটা দুঃখভারাক্রান্ত হয়ে উঠে ।

ফরাসী , ইতালিয়ান আর জার্মান মুভিগুলো সিলেকশনে মূলত রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা খেয়াল রাখা হত । সোভিয়েত বা মার্কিন দুই পরাশক্তির সাথে সম্পর্ক প্রচন্ড খারাপ হওয়ার কারণে খুব সুচারুভাবে দুই দেশের খারাপ দিকগুলো তুলে ধরা হতো ।

ফরাসী একটি মুভিতে দেখেছিলাম চেকোস্লাভাকিয়াতে সোভিয়েত আগ্রাসনের ইতিহাস । একটি দৃশ্যের কথা মনে আছে যেখানে প্রেসিডেন্ট ডুপচেক(নামটা ভালো করে মনে নেই) কে সোভিয়েত সেনারা গ্রেফতার করে নিয়ে যায় ।

পশ্চিম জার্মান একটি মুভিতে প্রথম চিনেছিলাম বার্লিন প্রাচীর কে । প্রাচীর পার হওয়ার প্রচেষ্টায় পূর্ব জার্মান এক তরুণের সুদীর্ঘ সাধনা , আর শেষ দৃশ্যে পূর্ব জার্মান সীমানা প্রহরীদের গুলিতে ছেলেটির খুলি ফেটে রক্ত বের হওয়া আজ এতগুলো বছর পরেও আমাকে আলোড়িত করে ।

হলিউডের মুভিগুলো সিলেকশনে রাজনৈতিক মুভির পাশাপাশি সায়েন্স ফিকশন মুভিগুলোকে রাখা হত । সোভিয়েত মার্কিন শীতল যুদ্ধের সাথে প্রথম পরিচয় এমনই এক মুভিতে । ১৯৮০ সালে মস্কো অলিম্পিকস কাভার করতে যাওয়া ৩ ব্রিটিশ , আর ১ এক সুইডিশ সাংবাদিক কে বিনা কারণেই আটক করে সোভিয়েত কেজিবি । প্রহসনমূলক বিচার শেষে তাদের পাঠিয়ে দেয়া হয় সাইবেরিয়ার বন্দী শিবিরে । তারপর বরফের প্রান্তর দিয়ে ট্রেনের সুদীর্ঘ যাত্রা , ৪ সাংবাদিকের ট্রেন থেকে পালিয়ে হাজার মাইলের যাত্রা । পথে প্রাণ হারায় দু'জন । তাদের মাংস খেয়েই বেঁচে যায় অন্য দু'জন । শেষ দৃশ্যে মৃতপ্রায় দু'জন নরওয়ে সীমান্তে এসে পৌছে যখন চিৎকার করে হেসে ফেলে , প্রবল উৎকন্ঠার মাঝেও আমার শিশুমন সাড়া দেয় , সম্ভবত আমিও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে হেসে উঠি।

একই সাথে দেখানো হতো কমিউনিস্ট দেশগুলোতে নির্মিত মুভি , সেসব ব্যবহার হত এন্টি-মার্কিন এজেন্ডা হিসেবে । এমন একটি মুভিতে দেখেছিলাম চিলির বামপন্থী সংগ্রামী প্রেসিডেন্ট সালভাদোর আয়েন্দেকে । মার্কিন বাহিনীর সমর্থন নিয়ে ১৯৭৩ সালে জেনারেল পিনোশের মিলিটারি ক্যু এর মাধ্যমে আয়েন্দেকে উৎখাত , বিশ্বস্ত সঙ্গীদের অনুরোধ সত্ত্বেও দেশ ছাড়তে আয়েন্দের অস্বীকৃতি , জাতির উদ্দেশ্যে শেষ ভাষণ , সান্টিয়গোর রাস্তায় অসংখ্য বিপ্লবীকে চোখ বেঁধে হত্যা , আয়েন্দের প্রয়াণ পরে আমাকে এতটাই ভাবিয়েছিল বলে শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে আয়েন্দে আমার জীবনের নায়কের স্থানটি দখল করে রেখেছিলেন।

ইরানি মুভি প্রচার হত যেদিন , কান্না লুকোনোর প্রস্তুতি নিয়ে বসতাম , আমার ধারণা ছিল ৩/৪ বছরের বেশি বয়সের কারও কান্না করা রীতিমত লজ্জার ব্যাপার , কান্না ঠেকানোর সংগ্রামটা সত্যি খুব কঠিন লাগতো।

বিশ্ব নিয়ে আমার এ আগ্রহের জন্মদাতা আমার বাবা । খাওয়া দাওয়া করতে চাইতাম না বাবা নতুন এক কৌশল আবিষ্কার করলেন । টোনা আর টুনি নামের দু'টো ছোট্ট পাখিকে জাপানের ওসাকা বন্দর থেকে যাত্রীবাহী জাহাজে চড়ালেন । তারপর কাহিনী স্ফীত থেকে স্ফীততর হয়ে সৃষ্টি হলো বিপদসঙ্কুল যাত্রাপথ । বছরকালের বেশি সময়ের দীর্ঘ এ যাত্রাপথে টোনাটুনি পার হলো সাংহাই , জাকার্তা , চট্টগ্রাম , কলম্বো , এডেন হয়ে আফ্রিকার পূর্ব উপকূলের দার-আস-সালাম , দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন , ফ্রিটাউন , আবিদজান সহ সমগ্র আফ্রিকার পূর্ব উপকূল । গল্পের লোভে রুদ্ধশ্বাসে আমি বাবার হাত থেকে প্রতিটি খাবারের লোকমা বিনা বাক্য ব্যয়ে মুখে তুলে নিতাম । বছর শেষে পৃথিবীর অনেকটা অংশের নাম আমার চেনা জানার মাঝে এসে গেলো ।

বড় হতে চাইতাম প্রতিনিয়ত । ছোট ছিলাম বলে মনে হতো আমি তীব্র অবহেলার শিকার , সব ব্যথার উৎস ছিল কার্টুন দেখাকে কেন্দ্র করে । দিনে দু'ঘন্টা সময় বরাদ্দ ছিল কার্টুন দেখার জন্য , কিন্তু আমার মন চাইতো সারাটা দিন কার্টুন দেখতে । এ সময়টা বরাদ্দ করতো আমার মা , দু'ঘন্টা যখন শেষ হওয়ার পথে তখন কেবলই মনে হত , কবে বড় হয়ে সকাল সন্ধ্যা দু'বেলা কার্টুন দেখতে পারবো ।

কার্টুনগুলোর অধিকাংশ ছিল জাপানি । অসংখ্য শিক্ষামূলক অ্যানিমেশন কার্টুনের মাঝে আমার প্রিয় ছিল "একিয়ো সান"।ছোট্ট বালক "একিয়ো সান" , সামুরাইদের মোকাবেলার জন্য বেছে নিয়েছিল গণিত আর ধাধা ।
জার্মান একটি কার্টুন ছিল "উরুজ্যাক" । এ ফিল্মের সবগুলো চরিত্র ছিল বাস্তব , কেবল উরুজ্যাক ছিল কাগজে আঁকা অ্যানিমেশন । অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ক্ষমতার অধিকারী উরুজ্যাক তার কাঠমিস্ত্রী মনিবকে সাহায্য করতে গিয়ে অনেক মজার দৃশ্যের জন্মদিত ।

জাপানিজ আরেকটি কার্টুন খুব প্রিয় ছিল আমার , "ডক্টর সিমসন" । ব্রিটেন থেকে অস্ট্রেলিয়া যাবার পথে জাহাজডুবির পর বেঁচে যায় কেবল ড্ক্টর সিমসন এবং তার পরিবার । নির্জন দ্বীপে উদ্ধারের আশায় কেটে যায় অনেকগুলো বছর , চলতে থাকে কঠিন জীবন সংগ্রাম ।

সেবছরই প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল দেখা , কাকতালীয়ভাবে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিল আর্জেন্টিনার ম্যাচ । চোখ বন্ধ করে যখন ম্যাচটির কমেন্ট্রির শুনার চেষ্টা করি , উত্তেজিত কন্ঠের এক অচেনা ভাষা শুনি , বুঝতে বাকি থাকে না , সেদিনের ধারাভাষ্য ছিল স্প্যানিশে । ম্যাচটি ১-১ এ শেষ হয় । চারিদিকে তখন আর্জেন্টিনা জোয়ার , সেসবের ঢেউ এসে লেগেছিল আমাদের শিশুদের মাঝেও । আমার মাঝে একটা প্রবল ধরণের রিপালসিভ ফোর্স মাঝে মাঝে দানা বাধে , স্রোতের বিপরীতে আমি ব্রাজিলকে ভালোবেসে ফেললাম , আমার আরেক বন্ধুকেও ব্রাজিল সমর্থক বানিয়ে ফেললাম । ৯১ সালে যখন একটু খেলা বুঝতে শিখে গেছি , তখন বুঝতে বাকি রইলো না , ব্রাজিলই নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সেরা ফুটবলটি খেলে । একদিন আব্বু ম্যারাডোনা লেখা একটি আর্জেন্টিনার জার্সি এনে দিলেন । নানা অজুহাতে সে জার্সিটি কখনো গায়ে দিতাম না ।


৮৯ জন্ম দিলো খেলাধুলা আর রাজনীতি সচেতন এক জ্যাক অব সাম ট্রেডস , বাট মাস্টার অব নান এর ।

চলবে ...........................

পরবর্তী পর্ব (১৯৯০-১৯৯২)

 

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
বিহংগ বলেছেন: আপনার নতুন লিখাটি কই গেলো?
আত্মিক দুটি ছোট ভাই বোনের সম্পর্কের একটি অসাধারন ইরানী ছবি ১৯৯০ সালের দিকে পুরো হলিউড পর্যন্ত স্পর্শ করেছিল ,মনে হয় অস্কারের জন্য নমিনেশনও পেয়েছিলো। এক জুড়ো জুতো দুই ভাই বোন শেয়ার করতো।তারপর ,একদিন স্কুলে ঘোষণা করা হলো-প্রতিযোগিতায় যে ৩য় হবে তাকে এক জুড়া জুতা পুরস্কার দেয়া হবে। দারিদ্র‌্য পরিবারের সেই দুই ভাই-বোনের সে কি প্রানান্তকর প্রচেস্টা কবে পূর্ন হবে নতুন জুতা পাওয়ার স্বপ্ন।
ওয়েস্টার্ন সিরিজের "হারবেনি"বইয়ের মতো ভাইবোনের স্বর্গীয় সম্পর্কের এই অসাধারন ছবিটির নাম "চিলড্রেন অফ হেভেন"।
আপনার শৈশবের ইরানি ছবির প্রসংগ আসায় অনেকদিন পর ছবিটির কথা মনে পড়লো।
পুরা পরিবার নিয়ে দেখার মতো ছবি, দেখে থাকলে ভালো। আর না দেখে থাকলে আশাকরি দেখবেন এবং অবশ্যই আমাকে ধন্যবাদ না জানিয়ে পারবেন না।
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: বিহংগদা , ছবিটা দেখেছি তিনবার । এখনও চোখ ভিজে উঠে । ইদানীং বেছে বেছে আবার মুভি দেখা শুরু করেছি , বড় একটা প্রোবলেম হলো মুভির নাম কিছুতেই মনে রাখতে পারিনা । নাহলে , খুব ভালো আরো দু'টো ইরানী মুভি আপনাকে সাজেস্ট করতাম ।

আপনাকে সবচেয়ে বড় ধন্যবাদটা রইলো , আমার ব্লগে যার উৎসাহমূলক উপস্থিতি সবসময় অমলিন

২. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
ইফতেখার ইনান বলেছেন: তোমার এতো কিছু মনে আছ?
লেখাটা খুব ভাল লাগল... ১৯৮৯-এর পর আরো চলুক.. কি বল... :)
+
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ইনান , ঐ ছোট্ট বয়সের যত কথা মনে আছে , এখন তার সিকিভাগও মনে থাকে না । আড়াই বছর বয়সের কিছু কথাও মনে আছে । ক্লাশ ফোরে থাকতে যে বিশ্বকাপ ফুটবলটা হয়েছিল সেটার কোন গ্রুপে কোন টিম ছিল , কোন ম্যাচে কি রেজাল্ট সব বলে দিতে পারবো , কিন্তু ২০০৬ সালের টা পারবো না ।

আরও অনেক কথা মনে আছে , যুদ্ধ , শরণার্থী , আরও অনেক কিছু ।

শুধু স্পোর্টস আর নিউজ পেপার নিয়ে লেখার চেষ্টা করবো

অনেক ধন্যবাদ তোমাকে

৩. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
মু্ক্ত মানব বলেছেন: ভালো লাগলো। চিলির কবি নেরুদার ইতালিতে স্বেচ্ছানির্বাসনকালীন সময় এবং ইতালীর এক ছোট্ট ডাকঘরের পোস্টম্যানকে নিয়ে এক সুন্দর ইটালিয়ান মুভি আছে, El Postino (The Postman). সময় সুযোগ পেলে দেখে নেবেন। আলেন্দের মৃত্যুতে আমারো খারাপ লেগেছিলো। যেমন লেগেছিলো লোরকা এবং চে'র মৃত্যুতে।
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: ইতালিয়ান মুভিগুলো কি ইউরোপের অন্য অঞ্চলের চাইতে এগিয়ে ? এ কথাটা জিজ্ঞেস করছি , কারণ যেসব ভালো মুভির কথা স্মরণ করছি , তার বেশির ভাগ ই ইটালিয়ান ।

অবশ্যই চেষ্টা করবো , যত তাড়াতাড়ি পারি মুভিটা জোগাড় করে দেখে নিতে ,

শুভেচ্ছা আপনাকে

৪. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
মুকুল বলেছেন: অনেক বড় লেখা! ভালো লাগলো...
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুকুল ভাই ।
বড় লেখা পড়তে গেলে আপনার ডাটা ট্রান্সফার বন্ধ হয়ে যায় বলেছিলেন , তারপরও কষ্ট করে পড়েছেন

৫. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:০২
বিহংগ বলেছেন: আমিতো ভালোলাগা সব ছবির নাম তারিখ দিয়ে লিখে রাখি।
পাশে নিজস্ব রেটিং বসিয়ে দেই।
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ভীষণ অলস আমি ,
লিখে রাখতে হবে এখন থেকে
নয়তো নাম দেখে যেমন গানি চিনিনা , ঠিক একইভাবে মুভি চিনতেও ভুল হয়

৬. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:২৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

স্মৃতির সেলুলয়েডে স্মৃতিদের জাগিয়ে তোলার এই প্রয়াসকে স্বাগত জানাই । ভালো লেগেছে । চলুক ।
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিপন ভাই ,
সবাই নিজ নিজ সেলুলয়েডগুলো সচল করুক এই প্রতাশা

১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ মৃদুল ভাই

৮. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন: দারুন। পরের পর্বগুলোর অপেক্ষায় থাকলাম মেহরাব ভাই।
১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আমি যে কি জিনিস , এই দিয়ে তিনটা ধারাবাহিক শুরু করলাম , আগের দুইটা এক পর্বেই আটকে আছে ।

তবে এবার সিরিয়াস , ইনশাআল্লাহ

৯. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫২
সারাদিন বলেছেন: "চিলড্রেন অফ হেভেন" খুব ভাল লাগা ছবি। আর ইদানীং মজিদ মাজিদীর ক্যামেরা।
১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: বস , অন্ধ একটা ছেলে গ্রামের বাইরে পড়তে যায় , ছেলেটির মা নেই । বাবা নতুন বিয়ে করে ,

শেষ দৃশ্যে ছেলেটি পানিতে ডুবে মারা যায়

দেখেছেন ছবিটা ?

জানা থাকলে বলবেন ।

১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাকা

১২. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৯
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
অসাধারন স্মৃতিকথাকে ছাপিয়ে গেল অসাধারন স্মৃতিশক্তি ।
আমার মেমরী বেশ ডাল, নার্সারী স্কুলের সব টিচারের নাম ই মনে নাই ... অনেকের চেহারা দেখলেও চিনতে পারবো না ... :(
আপনার ছেলেবেলাটা অনেক বর্ণময় ছিল । ঈর্ষা নিয়েন । :)
অসম্ভব ভালো লিখেছেন, চলুক ...
১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: Inan ke ans ta diechi . amio naam bolte parbo na , idaning to frnd der oneker naam i mone thake na.

১৩. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩১
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আপানার সবগুলো লেখাই আমার প্রিয়পোষ্টে যাবার মতো ... যেহেতু আপনি আমার লিঙ্কে আছেন, সেহেতু প্রিয় পোষ্ট নিলাম না । :)
১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: হাহা :)

মানতে পারলাম না , ফেরদৌসের কমেন্ট টা দেখো , প্রিয়তে যাবার মত অনেক লেখা আছে অন্যদের , সেগুলোর সাথে পারবে না কোনভাবেই ।

হুমমম , ঐ যে ছুপা রুস্তম , আচ্ছা ছুপা রুস্তমের ব্যখ্যাটা কি ? জানতে পারলাম না

১৪. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৫৫
খারাপ লোক মাগার হাচা কতা কই বলেছেন: জয় বাংলা, আমি ৮৯ তে দুনিয়ায় আইছি। মিয়া অি বয়সে আপনে কতকিছু কইরা ফালাইছেন। আর আমি মাত্র দুনিয়ায় আইছি, এর লাইগাও ৮৯ অনেক কিছু। তয় মিয়া ভাই, ফুটবল খেলতে চাইলে পরতি শুক্রবার আমাদের বনশ্রী আইডিয়ালের মাঠে বিকাল ৪.৩০ থাইকা ৫.০০ টার মধ্যে আইসা পইরেন।
চরম ফুটবল খেলা অয়।
জয় বাংলা।
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: ৮৯ এর আরেকটা গুণ পাওয়া গেলো :)

ফুটবল !!! স্মৃতি তুমি বেদনা ।

আপাতত জেনে রাখো , কিংবদন্তী ডাচ ফুটবলার মার্কো ভ্যান বাস্তনের কেইসে আমার ফুটবল খেলার ক্যারিয়ারের ইতি ঘটেছে :)

১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: ওই , ৮৯ এ দুনিয়ায় আসছো ? সার্টিফিকেট এইজ ? আমার হিসাবে আরও আগে আসার কথা :)

১৫. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১:৩২
খারাপ লোক মাগার হাচা কতা কই বলেছেন: বস, কারটুন সবটি কইথাইকা পামু। আমার এডি খুব দেখতে মন চায়।
আওয়াজ দিয়েন। আর ওয়ারিদ নমবর টা খোলা আচে নি?
১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: নাই , ঐসব কার্টুন আর খুঁজে পাইনাই কোথাও । কার্টুন নেটওয়ার্কের কার্টুনগুলোর মতন না ঐগুলি । পাইলে জানাবো

১৬. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ২:১০
ফেরারী ফেরদৌস বলেছেন: মেহরাব, আমার ব্লগে আসা তোমার উৎসাহেই। আর এসে মুগ্ধ হচ্ছি তোমার একের পর এক গুণ আবিষ্কার করে। ঝরঝরে লেখা সে তো বলাই বাহুল্য। অনেক কিছু জানতে পারলাম তোমার লেখা পড়ে। মুভিগুলোর নাম জানতে পারলে ভালো হতো।

সবচেয়ে অবাক লাগল যে ব্যাপারটা সেটা হল, এত্তো অল্প বয়সের এত্তো কিছু তোমার মনে আছে কি করে!!!

তুমি prolific writer না। কিন্তু যাই লিখো, সেটাই মার মার কাট কাট! এইটাই ভাল।
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: "তুমি prolific writer না" .......এই সত্যি কথাটার জন্য ৫ দিলাম :)

যাই বলো মিয়া , দিনকাল বদলাইছে , হপ্তায় হপ্তায় স্টার উইকেন্ড ম্যাগাজিনে কার লেখা ছাপা হয় ? গুণটা কার শুনি ?

১৭. ১১ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৫
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: বস ফাটাফাটি লেখা।
আমি ইরানের ছবি দেখতাম বিটিভিতে।
তখন সামাজিক ছবিগুলো অনেক ভালো লাগত।
তবে আমি গত ছয় বছরে মনে হয় না হলিউডের একটা ছবিও বাদ দিয়েছি।
অনেক মুভি দেখতে পারি।:)
আপনার লেখাটি ভালো লাগছে। চলুক।
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: বস , আপনিতো দেখি মেগাবস ।

প্রিয় মুভির একটা বড়সড় লিস্ট দিয়ে দেন , সিরিয়াল করে দেখবো

১৮. ১১ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:১১
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ফুটবলের কেমন পাগল সেটা তো জানেন।
তারপরও বলি...আমার শুরুটা হয়েছিল মূলত ৯৪ বিশ্বকাপে। আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক তবে আমি কেন জানি রোমারিও ও ব্যাজ্জিওর পাগল ছিলাম। ম্যারাডোনার জন্য অনেক খারাপ লেগেছিল সেবার।
ফাইনালে কোন দলই সাপোর্ট করিনি তবে ইতালী যখন হেরে গিয়েছিল মন খারাপ হয়েছিল। এখনও মনে আছে ব্যাজ্জিওর মিস করা ট্রাইব্রেকারের কথা। অবশ্য সে অনেক অসুস্থ ছিল।
আজকে মনে হয় চেলসির খেলা দেখতে যাবো টিকেট আছে কিন্তু লন্ডনে আজকে বৈশাখি মেলা।
কোনটা রেখে কোনটাতে যায়???:(
সকালে উঠে ডিসিশন নিব।
ভালো থাকুন।
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: ৯৪ এর বিশ্বকাপ নিয়ে পুরো একটা লেখা দিতে হবে আমার :)

আজ বৈশাখি মেলায় গিয়েছিলেন আশা করি । চেলসি তো ডুবালো , আমি ম্যান ইউ এর ফার্স্ট হাফ পর্যন্ত দেখে হতাশ হয়ে , বাইরে চলে গিয়েছিলাম :(

১৯. ১১ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪০
বাফড়া বলেছেন: এহ.... আমার ছোটবেলায় কিছুই ঘটে নাই...... একদম পান্তাভাত ছিল।
+
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: জীবনের পান্তভাতের বরাদ্দ মনে হয় সবারই কিছু না কিছু থাকে , যেমন ইদানীং আমার বড়বেলা একদমই পান্তাভাত

ধন্যবাদ রইলো

১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান

২১. ১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: আপনার সেই ছয় সাত বছরের বয়সী জীবন নিয়ে কত কিছু লিখে ফেললেন.....আপনি আসলেই চমৎকার লেখেন! আপনার লেখা পড়ে মনে করার চেষ্টা করলাম আমার ছোট বেলার কথা....নাহ! যাই ঘটুক, এমন করে কি কখনই লিখতে পারব?

............আপনি যে সময়ের কথা বললেন, তখন আমার জন্মই হয়নি...:) এর পরের পরের কাহিনীগুলো পড়ে সে সময়কার কথা মনে করতে পারব কিছুটা:)
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: শুরু কর , মজার কিছু না কিছু পাবেই । বয়স হয়ে যাচ্ছে আমাদের , ব্রেন সেল আর কাজ করে না :(

অথচ সেই সময়ের কত কি মনে আছে , তোমার বয়সে লিখলে আরও নিখুঁত হত লেখাটা ।

সবাইকে ধন্যবাদ দিয়েছি , তোমাকে আর দিলাম না । পরে যেদিন লেখা খুব খারাপ হবে , কেউ পড়বে না , সেদিনও আমার লেখাটা তুমি পড়বে , এমন আশায় আছি । সেদিন অনেক ধন্যবাদ দিবো

২২. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
হ্যারি সেলডন বলেছেন: মেহরাব, তোমার পোস্টটা খুব ভাল লেগেছে। পরের পর্ব পড়ার অপেক্ষায়।
১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহফুজ ভাই , আশা করি পরের গুলোও ভালো লাগবে

২৩. ১২ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:২১
মিরাজ বলেছেন: পড়ছি...

মেহরাব এর স্মৃতিকথাগুলি চমৎকার । বর্তমান সময়ের কথাগুলিও ভবিষ্যতে কোন একদিন শোনার প্রতীক্ষায় রইলাম ।
১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর মিরাজ ভাই । কেমন আছেন ? খুব ব্যস্ত আছেন সম্ভবত । ভালো থাকবেন ।

শুভকামনা রইলো

১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: লেখার ইচ্ছা আছে , যতটা মনে করতে পারি

২৪. ১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন:
স্মৃতিচারনও যে এমন সুন্দর হতে পারে জানা ছিল না!
লেখার ভঙ্গি অসাধারন লাগলো।

চলুক... বাকিটুকু পড়ার অপেক্ষায়..
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: :) , অনুপ্রাণিত হলাম

কৃতজ্ঞ আমি

২৫. ১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
ত্রিভুজ বলেছেন: হুমমম... বাকিটুকুর অপেক্ষায় আছি... গুডিশ
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

২৬. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:২২
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: এটা হলো অনন্য-স্বতস্ফুর্ত-অসাধারণ ...

আসলেই ছোটবেলার স্মৃতিগুলি চমৎকারভাবে এসেছে...আমি মুগ্ধ। প্রিয় পোষ্ট
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টগুলো সবসময়ই স্পেশাল কিছু ।

আর কারও প্রিয়পোস্ট জায়গা করে নেয়ার সৌভাগ্য আমার বেলায় বিরল ঘটনা, কৃতজ্ঞ আমি :)

২৭. ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ১:৩৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: ঘটনা কি? নির্বাসনে যাও নাকি? এই বয়সেই স্মৃতিকথা?:( তবে তোমার মেমরি দেইখা আমার মাথা ঘুরতাসে,ঐ বয়সের অত কিসু মনে রাখ কেমনে?
১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: হু , সেরকমই । ঝিম মেরে থাকি ।
এখন লিখে রাখাই ভালো , যেই হারে মিলন বা প্রিন্স ভাইদের নাম ভুলতেছি , কবে তোমার নামটাও ভুলে যাবো । দুইটা ভাষা , দুই পারা কোরআন ভুলে গেছি , অবস্থা খারাপ

১৩ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২৯. ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০৪
যূঁথী বলেছেন: মাগো। রীতিমত আত্মজীবনী (আতঁলামি!!!)। ভাল লাগল।

তবে কাজটা মোটেই ঠিক করেননি। মাঝ দিয়ে আমাকে বেশ বকা খাইয়েছেন আজ।
১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: এই রে , আঁতলামি করে ফেললাম নাকি ? ভবিষ্যতে সাবধান হতে হবে ?

:( , এমন করলো ? কত রয়ে সয়ে বললাম তাকে , পচানিটা তো পুরোই পেন্ডিং রেখে দিয়েছি , তার আগেই বকা দিলো ? আচ্ছা , লিখে যান আপনি , তাকে আর কিছু বলা হবে না :)

৩০. ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৩১
যূঁথী বলেছেন: উঁহু আপনার বাড়া ভাতে ছাই দিব এতটা হৃদয়হীনা আমি নই। তারচেয়ে বরং এক কাজ করা যেতে পারে। পঁচানি যদি দিতেই হয় একসাথেই দিব নে। একদিন সময় করে চলে আসুন ডিপার্টমেন্টে। আর আমাকে আগেই জানাতে ভুলবেন না। তারপর মু হা হা হা। ভাল থাকবেন।
১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: জানে পানি পেলাম , চমৎকার প্রস্তাবনা । রিস্ক একটাই , নিজেই পচে না যাই

৩১. ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৩৭
রাশেদ বলেছেন: এতো কিছু মনে রাখেন কিভাবে! :)
১৪ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: রাশেদ ভাই , অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মনে থাকে খুব ।

তবে , সেই স্মৃতি কেবলই স্মৃতি , এখন তার ভগ্নাংশও নাই । আপনারা এত লিরিকস দেন , এর মাঝে অনেক গান শতবার শুনার পরও লিরিকস দেখে চিনতে পারি না :(

কষ্ট করে পড়েছেন দেখে আপনাকে +

৩২. ১৪ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
ধূসরিত স্বপ্ন গুলো বলেছেন: "খুব বেশি খামখেয়ালি" .....হে হে হে...আপনার খেয়াল অনেক ভালো আছে!
১৪ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: :)

১৪ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: নাহ বস , আমি শঙ্কিত আমাকে নিয়ে , আমার খামখেয়াল অপ্রতিদ্বন্দ্বী

৩৪. ১৪ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
মুনিয়া বলেছেন: বেশি বেশি ........(অ্যাডজেক্টিভটা কি হবে ভেবে পাচ্ছি না!!!)
+ দিয়ে রেহাই।
১৪ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: বেশি বেশি "ইঁচড়েপাকা"

:)

৩৫. ১৪ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
র‌্যাভেন বলেছেন:
পুরাই চাপাবাজি আর ফিকটিটিয়াস লেখা। মাইনাস।

এত কম বয়সে কেউ টিভিতে দেখানো মুভি কোন দেশের তার বিষয়বস্তু এন্টি এমেরিকান না এন্টি রাশিয়ান, মুভির বিষয়বস্তু সোশ্যাল না পলিটিক্যাল এসব বুঝার বা মনে থাকার কথা না।

চাপবাজি কইরা আমি ছোটোবেলা থাইকাই ইনতেলেকচুয়াল আতেল এইটা প্রমানের স্বার্থকতা কি?
১৪ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: ধারণা ছিল , হালকা পাতলা বুদ্ধি গন্ডারেরও থাকে । এখন দেখি , মাথা ভর্তি কেবল বাতাস । ছোট্ট একটা ছেলে এত প্যাচ ঘোচ বুঝে , এমন মনে করলো কেমনে ? পরে বুঝছি ।

তবে এটা ঠিক যে , তখন যতটা বুঝতাম , এখনও ঐটা বুঝার বয়স তোমার হয়নাই

৩৬. ১৪ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আরাম পেলাম পড়ে ... আপনার বাবার ছেলেভুলানো খাওয়ানোর পদ্ধতিটা পড়ে মজা পেলাম ... আমিও আর্জেন্টাইন স্রোটের ভীরে কিভাবে যেন ব্রাজিল সমর্থক হয়ে গেলাম :)
১৬ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: বস ,
আমার ব্রাজিল সমর্থন সময়কালটা বলতে পারেন স্বর্ণযুগ ।
৯০ এর বিশ্বকাপের স্মৃতিটা কোন একটা অজানা কারণে ঝাপসা হয়ে গেছে , কেবল সেবারই আর্জেন্টিনা বাজে খেলেও ফাইনালে গিয়েছিল ।১৯৯৩ থেকে পুরোদমে খেলার পোকা হয়ে গেলাম । ১৯৯৪ সালে ব্রাজিল ২৪ বছর পর ফাইনালে খেলে চ্যাম্পিয়ন , ১৯৯৮ তে রানার্সআপ , ২০০২ এ আবার চ্যাম্পিয়ন ।

আবার কোপা আমেরিকায় ৭৫ বছরে ব্রাজিলের শিরোপো ছিল মাত্র ৪ টি , আমার খেলা দেখা শুরু করার পর ৬ টি আসরের ৪ টিতেই ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন , ১ টি তে রানার্স আপ ।

কনফেডারেশন্স কাপেও দু'বার চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ।

বিপরীতে বিগত ১৫ বছরে আর্জেন্টিনার একটিও সাফল্য নেই ।

:) :) :)

নিজ দলের সাপোর্টার পেয়ে অনেক খুশির কথা বলে ফেললাম

১৬ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালবেলা

৩৮. ১৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:২৫
র‌্যাভেন বলেছেন: র‌্যাভেন বলেছেন:
পুরাই চাপাবাজি আর ফিকটিটিয়াস লেখা। মাইনাস।

এত কম বয়সে কেউ টিভিতে দেখানো মুভি কোন দেশের তার বিষয়বস্তু এন্টি এমেরিকান না এন্টি রাশিয়ান, মুভির বিষয়বস্তু সোশ্যাল না পলিটিক্যাল এসব বুঝার বা মনে থাকার কথা না।

চাপবাজি কইরা আমি ছোটোবেলা থাইকাই ইনতেলেকচুয়াল আতেল এইটা প্রমানের স্বার্থকতা কি?


৪-৫ বসরের এক বালক ঐ বয়সে কি মুভি দেখিলো তার বিষয়বস্তু মনে রাখিয়া বয়প্রাপ্ত হবার পর তা স্মরন করিতে পারিতেছে ইহা একটা বড় ধরনের চাপা
১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: তোমার সাথে এসব নিয়ে কথা বলা পুরাই বৃথা , তোমার টার্গেটই হলো গ্যাঞ্জাম করা , ব্লগে ১৬ মাস তোমাকে শুধু সেটাই করতে দেখেছি।

যাই হোক , এসব চাপা পড়ে তোমার মাথা খারাপ করার দরকার নাই ।

১৬ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

৪০. ১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
(অ)গাণিতিক বলেছেন: অসাধারণ!!

তোমার ছেলেবেলাটা দারুণ কেটেছে দেখা যাচ্ছে! আমার অবশ্য নিজের কথা তেমন কিছু মনে আসছেনা এখন। দেখি একদিন আয়োজন করে বসতে হবে স্মৃতি চারণ করতে।

কার্টুন দেখার ব্যপার টা আমারো ছিল। মজার ব্যপার হল এখনো আছে। এখনো আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কার্টূন দেখি। আর এখন তো পাশ করে গেছি মা তাই কিছু বলতে পারেনা। মাঝে মাঝে বলে বসে "ঐ পড়তে যা!" তার পর নিজের ভুল বুঝতে পেরে চুপ করে যায়! :D
১৬ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন: তোমার কমেন্টগুলোও দারুণ হয় , ছোটবেলার স্মৃতি নাই , এটা মনে হলো কেন? তোমার একটা লেখার বিভাগের নামই তো ছেলেবেলা ।
হম , আরেকটু মনে করে শুরু করে দাও ।

কলেজে উঠার পর থেকে কার্টুন দেখিনা তেমন , তবে টম এন্ড জেরি অথবা উডি উডপেকার হচ্ছে দেখলে বসে পড়ি মাঝেমাঝেই ।

হম , ঠিকই বলছো , বাবা মায়ের কাছে সন্তানরা সবসময়ই ছোট । আমার নিজের কাছেও নিজেকে তো বেশি বড় লাগে না , হাহাহাহা ।
মনে হয় , আরও অনেকদিন ভার্সিটিতে পড়ার ছিল

৪১. ১৫ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
কোলাহল বলেছেন: চমৎতার একটি শৈশবের ছবি দেখে হিংসে হলো মনে মনে।
৮৯ বড়ই মধুময় হয়ে উঠলো আপনার হাতের ছোয়ায়।

৮৯ আমায় প্রথম জানিয়েছে যে ছোটদের জন্য পত্রিকা আছে। আমি আশ্চর্য হয়ে একটি সংখ্যা তুলে নিলাম। পড়লাম। নাওয়া খাওয়া ভুলে পড়তে থাকলাম, পড়তেই থাকলাম। আমি একে একে চিনে নিলাম, বৃস্টির রিমঝিম শব্দ, ঘাস, নদী, বনফুল, বৈশাখের আম, বকুল তলায় রোদের ঝিলিক, খাচায় বন্দী ময়না পাখির সুখদুখ, মায়ের মমতা, পাহাড়ী ঝরনার কলকল সুর, পাপড়ি মেলা শাপলা শালুক আরো কত কি!

স্বাগত হে ৮৯।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: তখন কি বগুড়ায় ?
পত্রিকার নাম কি ছিল ? এখনও কি প্রকাশিত হচ্ছে ?
সবচেয়ে সুন্দর কমেন্টটা আপনার কাছ থেকে পেলাম । এত ভালো লেখেন , কিন্তু এত কম কেন ?

৪২. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৫
শাশ্বত শুভ্র বলেছেন: এতো কিছু মনে রাখলি কিভাবে? তোর প্রথম presentation এর কথা মনে পরে গেলো। লেখা তো অতি চমৎকার.।+
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: ওই , প্রথম প্রেজেন্টেশন মানে কি ? ব্রিটিশ কাউন্সিল ?
আজ দেখা হবে ?
লেখা চমৎকার বলার জন্য মুড়ি খাওয়াবো

১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সারওয়ার ভাই

৪৪. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
তানজিলা হক বলেছেন: ইয়া বড় পোস্ট!!!!!!!

ভয় পাইছি.........।পরে সময় করে পড়ব:)
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: আরে অনেকেই আমাকে এই কথা বলছিল ,
স্ট্যাম্পের ছবিটা দেখেই অনেকে আর পড়তে চায়নাই , পরে দেখে একদম ইজি কথাবার্তা লেখা :)

পড়ার পর ভয় কেটেছে কিনা জানিও

৪৫. ১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
মহাকাল বলেছেন:
টেলিভিশন দেখবার সময়টা আমার জন্য ছিল নির্দিষ্ট , মিনি স্কার্ট পড়া শিল্পীদের যেন না দেখি সে জন্যই কিনা , বাবা মা অনেক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাখতেন ।
================================

এই নিষেধাগ্গা কি এখনো আছে ???????????????
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: হেহে , এখন বলতে পারেন সেটা অঘোষিতভাবে ।

একসাথে ড্রেইং রুমে বসে টিভি দেখলে ঐসব ব্যাপার যেসব অনুষ্ঠানে দেখানোর চান্স বেশি , সেগুলো অ্যাভয়েড করার চেষ্টা করি।

তবে , আসল ঘটনা বলি । মুভি টুভি দেখতে গেলে তো এসব থাকবেই , সেটা সবারই জানা । জাস্ট একটা রুলস মানা আরকি

৪৬. ১৬ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮
মো. তারিক মাহমুদ বলেছেন: গুরু, আপনি যে পথে হেটেছেন, সে পথেই হাটছি আমি; মানে বুয়েট-CSE 07batch; তবে আপনাকে আমি চিনি না..... শুধু "বুয়েট" পর্যন্তই জানি... ধন্যবাদ

আপনার বিস্তারিত জানাইয়েন.......... ভাই, আপনি এখন টিচার না তো? তাইলেতো স্যার ডাকতে হবে... ...
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আরে না না , অত ভালো না :)
আমি ০২ , তোমরা জানুয়ারিতে ঢুকলে আর আমি ১৫ জানুয়ারি বের হলাম ।

তবে আজ আবার বুয়েটে ক্লাশ করেছি :-)

কোন হল ? দেখে চেনা চেনা লাগছে বারবার

৪৭. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৮
যূঁথী বলেছেন: বিশাল ঘটনা। এখন বলতে পারছি না। একটু সময় করে আপনাকে জানাব। তবে আপনি বুদ্ধিমান তাই আশা করি ইশারাই কাফি। "শিশিরবিন্দু" নিকটা খুঁজে দেখবেন দয়া করে। হে হে হে।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: শিশিরবিন্দুর খোঁজ পেয়ে গেছি একদম ভোরবেলাতেই । আমার ব্লগে শিশিরবিন্দু দেখে সন্দেহ হলো , শিশিরবিন্দু=ডিউ ড্রপস=মুজতবা আলীর ........

গিয়ে দেখি সবে ১ ঘন্টা আগে শিশির বিন্দুর জন্ম :-)

সিগনেচার করে এসেছি , তবে ভীষণ ভয় পাচ্ছে , পচানি দিই কিনা , আশ্বস্ত করেছি :-)

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কতদূর বিকশিত হলো ?

৪৮. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
ফেল্টুস বলেছেন: র‌্যাভেন তোমার সমস্যা কি??? নিজে লিখতে পারো না দেখে অন্যের লেখা দেখে ঈর্ষা হয় তাইনা??
সবাই তোমার মত গোবর নিয়া জন্মাই নাই তাই উনি ছেলেবেলার কথা মনে রাখতে পেরেছেন।
পুরা ফাউল পোলাটা।

স্যরি মেহরাব ভাই, এই পোলার কমেন্ট দেখে মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে।
২৩ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: মাথায় গোবর না , এরা আসলে নিজেদের অতি জ্ঞানী ভাবে । থাকে অস্ট্রেলিয়া , জার্মানি , কানাডা তে , সেই গর্বেই তারা অস্থির । একেকটা আস্ত ভন্ড

৪৯. ১৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪০
মাহবুব সুমন বলেছেন: ২য় বারের মতো পড়লাম।

অনেক ভালো লেগেছে.........

পুনশ্চঃ আজব নাম অলা বিরক্তিকর ট্রলারদের ব্লক করে রাখো।
২৩ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: মাহবুব ভাই , অনেক ধন্যবাদ।

এদের তো অনেক নিক , থাকুক সবাই , লোকজন চিনুক ভন্ডদের

৫০. ২৩ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
ভুতের আড্ডা বলেছেন: দারুন ঝরঝরে লেখা। খুব ভালো লাগলো, আগে কেন পড়া হয়নি বুঝলাম না।
২৩ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: এখনতো পড়লেন

অনেক ধন্যবাদ

৫১. ২৩ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
জামাল ভাস্কর বলেছেন: ভালো লাগলো স্মৃতিচারণ...
২৩ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , রুমে জায়গা আছে ?
ইউরো দেখতে আসবো একদিন

৫৩. ২৯ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:০৯
শিট সুজি বলেছেন: আমিন ভাই এর সাথে contact করে আসেন। এবং dynamic হফিজ ভাই কে ও খবর দিয়েন।
২৯ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: হুম , তাই করবো ।
হায় হাফিজ খেলা টেলা দেখে না , ওকে ডিস্টার্ব করে লাভ নাই

৩০ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: তোমাদের পরীক্ষা শেষ কবে ?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৪০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নেই তবু যা আছের মতো দেখায়
আমরা তাকে আকাশ বলে ডাকি,
সেই আকাশে যাহারা নাম লেখায়
তাদের ভাগ্যে অনিবার্য ফাঁকি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ