আমার প্রিয় পোস্ট

আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছো বসি আমার ব্লগখানি কৌতুহল ভরে

ইফতার পোস্ট:: মেগা শক অ্যাট চকবাজার ::

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৮

শেয়ারঃ
0 35 0

রমজান আসলেই মিডিয়া জুড়ে চকবাজার ফিভারের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে। সবার প্রথমে আক্রান্ত হয় প্রথম আলোর শেষপাতার বাঁদিকের ডেডিকেটেড ডাবল কলাম , দ্রুত তা ছড়ায় চ্যানেল আই বাংলাভিশনের স্পেশাল ইফতার বুলেটিনে ,এবং সবশেষে রেডিও টুডের হটস্পটে । এ রোগের লক্ষণগুলো মাঝে অন্যতম হল চকবাজারকে মোঘল সম্রাটদের ভোজনশালা-জ্ঞান করে , উচ্চস্বরে চকবাজারী ইফতারের গুণকীর্তন করা ।

কে যেন সেদিন বলছিল :
ওহে বৎস , বৃথা তোমার ১৭ আনা জীবন রমজান বিগত , চকবাজারে যে করিলো না পদার্পন

বুয়েট জীবনের সূচনাপর্বে হিজরি ১৪২১ এর রমজান মাসে ১৭ আনা ব্যর্থ জীবনকে স্বার্থক করার সুযোগ মিলে গেল । মানসপটে চকবাজারের যে ছবি আঁকা ছিল তা স্বর্গের ছোটখাটো বালাখানার মতন । আম্রকাননে ঝুলন্ত থোকা থোকা আম আমাদের যেন হাতছানি দিয়া ডাকছে ।কিন্তু ইফতার পর্বে বিধি হলো বাম , চকবাজারের আম্রকানন , হয়ে গেল জ্বলজ্যান্ত বেল-বন । মুষলধারে বেল বর্ষণে শেষ কেশটিও হারিয়ে প্রতিজ্ঞা করলাম আর কোনদিন ওমুখো হব না ।

চক তওবার পর ৩ টি বছর ঘুরিয়া আবার রমজান আসিল , হিজরি ১৪২৫ মোতাবেক ইংরেজি ২০০৭ সাল । মেঘলা কোন একদিনে ভার্সিটির কুইজ পরীক্ষা শেষে এক বন্ধু প্রস্তাব করল , চকবাজারে হানা দেবো ।বলাবাহুল্য ,বাঙালী জাতির অন্তর্ভূক্ত হওয়ার কারণে আমার স্মৃতিও গোল্ড ফিশের মতন , তথাপি রমজান আসার পর থেকেই প্রথম আলো , চ্যানেল আই চকবাজার নিয়া যে মায়াকান্নার হিড়িক ছুটিয়ে দিলো , তাতে আমার শক্ত মন গলে জল হয়ে গেল।এক জোড়া রিকশায় এক হালি বন্ধু উপবিষ্ট হয়ে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মাঝে রওনা হলাম মোঘল ইফতারীর ঢাকাইয়া কিংডম চকবাজার প্রান্তরের দিকে।

চকবাজারে পৌঁছে ৪ জনা রীতিমত সংহারমূর্তি ধারণ করলাম ।রেগুলার ইফতারি আইটেমগুলো লিস্ট হইতে ছাঁটিয়া ফেলা হইলো । "খাইয়া ফালামু " স্টাইলে শুরু হলো কেনাকাটা । থলেতে প্রথম ভরলাম প্রমাণ সাইজের চারটি শাহী টানা পরোটা । একে একে কিনলাম কলিজা সিংগারা , মাটন সমুচা , চিজ সমুচা , সুতি কাবাব , জালি কাবাব , ফিরনি , ফালুদা আর সবশেষে "বড় বাপের পোলায় খায়" ।খাসির বিশাল রানের কাবাব আমার কু-দৃষ্টি তখনও এড়াইতে পারে নাই , কিন্তু বাধা দিল বন্ধুবর আদিব । রানের ভেতরকার দুর্গম অংশে মসলার অনুপস্থিতিতে কি রকম আদিম যুগীয় কাঁচা মাংসালো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সে কথা বলিয়া আমাকে নিবৃত্ত করিলো। তার বদলে হৃষ্টপুষ্ট চারপিস চিকেন ফ্রাইয়ের ভাগ্য খুলিয়া গেল ।

ইফতারির ১০/১৫ মিনিট আগে বুয়েটে ফিরে তীতুমীর হলের একটা টেবিলের দখল নিলাম । থরে বিথরে সাজানো ইফতার সামগ্রীতে টেবিল বেশ রাজসিক একটা চেহারা নিয়ে নিল। পাশের আপাত শূন্য, জীর্ণ ইফতার সাজানো টেবিল গুলোকে রীতিমত মলিন লাগছিল ।

হাজারিবাগের চামড়া/শাহী পরোটা
খেজুর মুখে দেয়ার পরপরই ঝোলা থেকে বের করিলাম শাহী পরোটা। রেক্সিনের দাপটে বাজারে চামড়া সামগ্রী পাওয়া দায় , শাহী পরোটা মুখে নিয়া মনে হইলো কত যুগ পর প্রকৃত চর্মের সন্ধান পাইয়াছি । চর্মে নির্মিত পরোটা নামক যে দস্তরখানের কদর হইত ইফতারীর প্লেটের নিচে , আমাদের মুখগহ্বরে তার প্রবিষ্ট হওয়া কতই না বেমানান।

বুড়িগঙ্গার মাটি/সুতি কাবাব
চর্মের দস্তরখানের সহযাত্রী হয়ে উঠা বিখ্যাত 'সুতি কাবাবের' কথা না বললেই নয় । ম্যাগাজিনে পড়িয়াছিলাম , অনেক মাটি খাইয়া বাঁচে , মাটি খাওয়ার শখ এবার মনে হয় মিটিল । এঁটেল , দোআঁশ মাটির চাইতে বেলে মাটির সাথে এ কাবাবের বিশাল সাযুজ্য খুঁজিয়া পাইলাম । নিকষ কালো রঙের নোনতা বালু বালু সে কাবাবের জন্ম কি করিয়া হইয়াছে তাহাই ভাবিয়া দিশেহারা হইতেছিলাম । শেষ পর্যন্ত সোয়ারিঘাটস্থ বুড়িগঙ্গার নিকষ কালো পানির তলদেশের গন্ধময় বেলে মাটিই ইহার উৎস বলিয়া মন সায় দিলো ।

হাজারিবাগের চামড়ার সহিত বুড়িগঙ্গা তলের কালচে সুতি কাবাব অভিসারে যে অপরিসীম তৃপ্তি অর্জন করছি সেটা বুঝাতে মুখে কৃত্রিম হাসি ফোটালাম ।

বন্ধু আদিব আমার মত ভালো অভিনয় জানে না , হঠাৎ করেই রাশেদের ছোট বোনের জন্য তার দরদ উপচাইয়া পড়িতে লাগিলো । সে প্রস্তাব করিল , রাশেদ তাহার ছোট বোনের জন্য সবটুকু কাবাব লইয়া যাইবে ।আমরাও এমন ভাব করিলাম যে ছোট বোনকে না দিয়া সুতি কাবাব খাওয়ার মত মহাঅন্যায় কিছুতেই বরদাশত করা হইবে না। রাশেদ মৃদু স্বরে একটু প্রতিবাদের চেষ্টা করিলো , কিন্তু আমাদের স্বরের নিচে চাপা পড়িয়া তা গোঙানির মতই শোনালো ।

নতুন সূত্র/ কলিজা সিংগারা
পাঠকরা ইতোমধ্যেই জানেন , এক বালতি দুধে এক চিমটি গোবর পড়িলেই দুধ তার কুমারিত্ব হারায় । কিন্তু এক বালতি গোবরের মাঝে এক ফোঁটা দুধ ফেলিলে, পুরো বালতি যে দুধে রুপান্তর ঘটে সে কথা প্রথম জানিলাম কলিজা সিংগারা খাইতে গিয়া। সিংগারার পেট চিরিয়া আলুর প্লাবনে ক্ষুদ্র এক টুকরো কলিজার দেখা মিললো । ক্ষুদ্রাকায় কলিজার একটি টুকরো কি করে আলুর বিশাল সম্ভারকে কলিজার মর্যাদা আনিয়া দেয় , তা আর অস্পষ্ট থাকিলো না ।

অনুভবে সমুচা :
ধাক্কার রেশ কাটাইতে বের করিলাম মাটন সমুচা । ঠান্ডা মাটন সমুচাতে দাঁতের দাগ পড়তেই পড়তেই শুরু হলো ঝুরঝুরে পাউরুটি গুঁড়ার পতন। শেষমেশ দেখা মিললো সবেধন নীলমনি অভেদনযোগ্য এবং অছেদনযোগ্য ছোট্ট এক টুকরো নাড়ির । ভাবলাম , এই সেই অখাদ্য এক টুকরো নাড়ি যা পাউরুটি সমুচাকে দানিয়াছে মাটনের সম্মান ।

অশিক্ষিত চক্ষু যেখানে ধুলি কর্দম দেখে , শিক্ষার আলোয় সেথায় মেলে হীরার সন্ধান ।ঠিক একই ভাবে চিজ সমুচার মহিমা বুঝিতে হইলে আপনাকে সপ্রতিভ হইতে হইবে , নতুবা আপনি চিজ সমুচাকে নিমকি বলিয়া অসম্মান করিয়া বসিতে পারেন । চিজ হচ্ছে মাখনের ন্যায় সাতিশয় মোলায়েম এক ধরণের চিজ যাহা গরম তেলে গলিয়া , সমুচার অঙ্গে মিশিয়া যায় ।কাজেই সমুচার মাঝে চিজের খোজ করা বাতুলতা মাত্র , শুন্য সমুচার মাঝে তাহাকে অনুভব করিয়া লইতে হয় ।

ব্র্যান্ড নেইম/জালি কাবাব
ব্র্যান্ড নেমের মূল্য বুঝিলাম জালি কাবাব খাইবার কালে ।জালি কাবাবের জালের ফাঁকে পেঁয়াজ , বাঁধাকপি আর সবজির দেখা মিললো । ভেজিটেবল ভাজিয়া যদি আপনি জালি কাবাব ব্র্যান্ডটি লাগাইয়া দিতে পারেন , একলাফে আপনার কাবাব চড়া মূল্যের জাতে উঠিয়া যাইবে।

মুড়ির,পেয়াজু বেগুনি , আর অনেক শত ধরণে মসলা সহযোগে প্রস্তুত করা "বড় বাপের পোলায় খায়" , মুখে নিয়া দাঁতের ফাকে চাপ দিতেই মুড়ি মুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়ার বদলে বায়ু নির্গমন করে চ্যাপ্টা হইয়া গেল ।

আইসক্রিমের কাঠি/ মুরগীর হাড্ডি
চিকেন ফ্রাই বুকের মাঝে রেখে গেল না পাওয়ার এক গভীর ক্ষত । হাড্ডি ধরে হৃষ্টপুষ্ট দেহটা বিদীর্ণ করে কেবল ডালের দেখা মিললো । সত্যিই যদি মুর্গি এমন ডাল নির্মিত হত , নির্ঘাত পৃথিবীর সব মুরগী অপমানের জ্বালায় আত্মহননের পথ বেছে নিতো । খালি পড়ে থাকা চারটি হাড্ডি , ফেরত দিয়ে আসতে ইচ্ছে করছিল , কে জানে আগামী দিন হয়তো এই চারটি হাড্ডি নতুন চার টুকরো মুরগী দেহের জন্ম দিতো ।

কর্নফ্লেক্স/ময়দা দিয়ে বানানো দুধ ...অতঃপর ফিরনি
দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে তারপর সে দুধে বানানো হয় ফিরনি .........প্রথম আলোর এমনতর ভাষ্যই তখন শেষ ভরসা । ফিরনি তে মুখ দিয়ে বুঝা গেল , দুধের ছোঁয়া সেখানে লাগেনি । সাদা সাদা তরলগুলো ভাতের ফেনের অবদান। ফিরনিতে আটা/কর্নফ্লাওয়ার পরিমাণমত হওয়ায় বেশ আঠালো আকার ধারণ করেছে । দুধ ঘন হয়ে লাল হয়ে গেছে , এমন অনুভূতি আনার তাগিদে ব্যবহার করা হলুদ আর অন্যান্য রংয়ের ব্যবহার রী্তিমত অশ্লীল দেখাচ্ছে ।

বিবমিষা/ফালুদা
ফালুদার প্যাকেট খুলে নাকের কাছে নিতেই মাথা চক্কর দিলো। দুধের মালাইয়ের বদলে এখানে যেন টলটলে চুনের পানি , তার সাথে সেদ্ধ অসেদ্ধ কিছু নুডলস , সাগুদানা । বাদামের কোন দেখা তো মিললোই না , আপেল , আনার , কলা ৩/৪ রকমের ফল মেশানোকে এর হয়তো অহেতুক ভজঘট পাকানো ভেবে কলা কেটে দিয়েছে , সে কলার দুধ মালাইয়ের মাঝে হাবুডুবু খেয়ে খেয়ে ভেসে উঠার কথা , নির্লজ্জ ভাবে তা পানিতে ডুবে আছে ।


ফেরা :
আমার তখন তাড়া , বাসায় ফিরতে হবে । সাথে ইফতারের ব্যাপারটা চেপে যেতে হবে । মাথায় হাত দিয়ে দেখি দ্বিতীয় দফা বেলের আঘাতে আমার সব কেশ আবার ঝরে পড়েছে । অগত্যা পরচুলার আশ্রয় নিয়ে বাসার দিকে পা বাড়ালাম ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চকবাজারইফতারিপুরনো ঢাকারমজান ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫০
ভাঙা চাঁদ বলেছেন: হাহা , হাসতেই আছি...
আপনের আর আমার অভিগ্গতা একরকম। কানে ধরছি আর জীবনেও ইফতার করতে অইদিকে যামু না
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৮

লেখক বলেছেন: আচ্ছা , ঘটনা কি তাহলে ?
সবাই দেখি একই কথা বলে , আর উল্টা কথা বলে পেপার আর টিভিগুলো ।
সাংবাদিকদের চাঁদা তুলে ওয়েস্টিনে বুফে খাওয়ায় দেয় নাকি ?

২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫২
অ্যামাটার বলেছেন: ভাষার প্রয়োগটা বরাবরের মত জোশ!
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অ্যামেটার :)
চরম তাড়াহুড়া করে লেখা ।
এখন দেখছি সাধু চলিত মিক্স হয়ে গেছে , থাকুক এইভাবেই , চকবাজারের ইফতারের মত :)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১০

লেখক বলেছেন: সহমত নাকি দ্বিমত ?
গিয়েছিলেন নাকি যাবেন না ঠিক করলেন ?

:|

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১১

লেখক বলেছেন: শামীম ভাই , পোস্ট পড়েন নাই :)
শিগগির পড়ে তারপর আরেকবার আওয়াজ দিয়ে যান

৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০২
একজন ব্লগার বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। সময় করে পড়বো।+++:)

সেহরীর সময় তো ঘনিয়ে এল । এখন এই পোস্ট?:|
৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: হা হা....... দারুণ অভিজ্ঞতা....... (আমি হাসতেই আছি...... ) :)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন:
দুঃখজনক ব্যাপার :) :)
এখন ভাবলে আমিও মজা পাই

৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: প্রিয় মেহরাব, পোস্ট পড়ে নিজেকে বঞ্চিত , অসহায় মনে হচ্ছে ভীষণ। আতলামি করার সুবাদে দীর্ঘ ৫ বছরেও যাব যাব করে যাওয়া হয়নি ওখানে। অর্থ সংকটও একটা বড় কারণ ছিল। আর এখন আটলান্টিকের ওপাশে, শত দৌড়ালেও নাগাল পাবনা। কত দিন ডাল ভাত, কচুর লতি, শুটকি মাছ খাওয়া হবেনা, ভাবতেই মন খারাপ হয়ে যায়। তার উপর আবার হালাল-হারাম খোজার ঝামেলা। :(
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: :) , আপনি তো দেখি বিশাল পড়াশোনা করতেন ।
যাই হোক , ব্যাপার না , বড় বাঁচা বেঁচে গেছেন :)

পারলে আমাকে অ্যাড করবেন

৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৭
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: তখন লেভেল টু এর শুরুর দিকের কথা মনে হয়, চকবাজার এর বিখ্যাত ইফতার কিনে মহা আয়েশে হ্ল এর দিকে পা বাড়ালাম, কিন্তু হলে এসে খেতে গিয়ে দেখি.... :( ....... আপনি যা যা বললেন আরকি... চমৎকার লিখেছেন। :)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৭

লেখক বলেছেন: ভুক্তভোগীর লাইন ক্রমশ দীর্ঘতর হচ্ছে :)

৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৯
একজন ব্লগার বলেছেন: সরি। কমেন্টা করারাগে প্রোফাইলে চোখ যায় নাই। গেলে করতাম না।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: এখন কান্দেন

১০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
ফারহান দাউদ বলেছেন: মেহরাবের হিউমারের আমি একটা নাম দিসি--"ইভিল হিউমার"। এমন জায়গায় এমন সব উপমা যেটা হওয়ার কথা না কিন্তু মনে হয় এটাই সবচেয়ে লাগসই।
হাসতেই আছি এইটা আর বলা লাগে না,সবাই বইলা দিসে,তবে চকবাজারে ইফতারি খাওয়ার শখ গেসেগা।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: আমার মাথায় খালি উল্টা পাল্টা কম্প্যারিজন আসে । এসব বলে অফিসেও আমি হিট , হাহা । বেশ গম্ভীরভাবে হয়তো কিছু একটা বললাম , সবাই পেট চেপে ধরে ।

সাবধান হতে হবে , কি বলো ?
খাওয়া লাগবে না , বাসায় খাও , এটার উপরে নাই

১১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
অচেনা সৈকত বলেছেন: আমিও বুয়েটে থাকাকালীন চকবাজারের ইফতারি খেয়েছি শখ করে মাঝে মাঝে। কিন্তু আপনার সাথে যে অভিজ্ঞতা মিলল না ভাইয়া। অবশ্য আমি কিনতাম 'সুতি কাবাব' আর 'বড় বাপের পোলায় খায়'। আনন্দর সুতি কাবাবটাই খাওয়ার মত, আরগুলা জঘন্য।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে একটা স্পেশাল থ্যাংকস ।
চকবাজারের ইফতার অনেকেরই ভালো লেগে থাকবে , এমনটা আমারও মনে হয়েছিল , কিন্তু ভয় লাগছিল তাদের কেউ এখানে কমেন্ট করবে না । আপনি করেছেন দেখে ভালো লাগলো ।

আনন্দ বেকারীর কথা বলছেন ? হতে পারে , আমি মনে হয়না আনন্দ বেকারীর টা কিনেছিলাম , ওখানে সব একইরকম লাগছিল বলে রেন্ডমলি একটা চুজ করেছি ।আর অনেক বেশি পরিমাণে কিনে ফেলেছিলাম, বড় ধরণের বিড়ম্বনা ছিল সেটা ।

"বড় বাপের পোলায় খায়" .....জিনিসটা বানানোর পরপর খুব ভাল হবে আমারও মনে হয়েছে । অনেক্ষণ আগে বানানো বলে মুড়ির অবস্থা করুণ হয়ে গিয়েছিল , নরম মুড়ি সহ্য হয় না বলে ঝাল ঝাড়লাম :)

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

১২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩২
মু্ক্ত মানব বলেছেন: হাসতেই আছি।

'নির্ঝরের স্বপ্নভন্গের' বহুদিন পরে, বাংগালি/বাংলাদেশী পাঠককে 'মেহরাবের স্বপ্নভংগ' পাঠের উপকরণগত সহায়তা প্রদানের জন্য চকবাজারের সেই দোকানীদেরকে ধন্যবাদান্তে ম্যাজিস্ট্রেট রোকনউদ্দৌলার ভেজাল বিরোধী ভ্রাম্যমান আদালতের খাদ্য মান পরীক্ষায় অংশ নিতে বলা হো'ক।

খারাপ খাবার রাশেদের বোনকে খাওয়ানোর বুদ্ধিটাও খুব ভালো না কিন্তু! তবে যে লোকে বলে, ইউনিসেফ বাংলাদেশের 'মিনা সিরিজ' নারী-পুরুষের সামাজিক বৈযম্য / ব্যবধান কমিয়েছে?

হিউমার খুব ভালো হয়েছে। শুভেচ্ছা।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: মুক্তমানব , অনেক দেরী হয়ে গেল বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত । সবচাইতে সুপাঠ্য কমেন্টগুলোর একটি আপনি করে গেলেন , সবসময়কার মত প্রাণবন্ত কমেন্ট ।

"স্বপ্নভঙ্গ" এর চাইতে উপযুক্ত শব্দ মনে হয় হতে পারে না । অনেক রেগে মেগে লিখেছি লেখাটা :)

অভিযান চালালে কিন্তু খাবার নামের জিনিসটাই উচ্ছেদ হয়ে যাবে ।
রাশেদের বোনের ব্যাপারটায় বেশ লজ্জা পেলাম , হু কাজটা ঠিক হয়নি , পরে পারলে সবাই ভালো মিস্টি কিনে পাঠিয়ে দিতাম , সেটাও আবার কেমন কেমন হতো ,,,,,,,,,,,,,,,,,, হাহাহা

অনেক অনেক ধন্যবাদ
অনেক অনেক ভালো থাকবেন

১৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪
নুশেরা বলেছেন: লেখাটা দারুণ লাগল। ধন্যবাদ।
পুরান ঢাকায় ইফতার করে ত্যক্তবিরক্ত একজনকে বলতে শুনেছিলাম, "দুইটা চপ খাইলাম, মানে এককেজি আলু খাইলাম"
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: "দুইটা চপ খাইলাম, মানে এককেজি আলু খাইলাম" ,

হাহাহাহা ,অনেক মজা পেলাম ,:)

আমার কথার সাথে মিলে গেল একদম ।এমন চপ খেলে আমি মাঝেই বলি "কি দরকার বাপু , এত কষ্ট করে আলু ছেঁচে চপ বানানোর , উপরের চামড়াটা ছিলে বিস্কিট গুড়া , বেসনে ডুবিয়ে আলুটাই না হয় ভেজে ফেল "

কেমন আছে আপনার মেয়ে ?
ভালো থাকবেন আপনারা

১৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৮
তুষ।র বলেছেন: এটা মন দিয়ে সময় করে পরতে হবে। আমার বেস রুল হলো খাবার নিয়ে কোন পোস্ট হলে চোখ বন্ধ করে প্লাস। তাই না পড়েই দেশি ভাইকে প্লাস দিয়ে গেলাম
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: :) , যাক বেঁচে গেলাম ।
খাওয়া দাওয়ার এমন দুর্নাম গাইতে দেখলে তুষার ভাই হয়তো মাইনাস দিতেন

পড়ার পর আওয়াজ দেবেন

১৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:০০
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হা হা হা.......প্রাণবন্ত লেখা।
বেশ ভালো লাগল।
আহারে কোনদিন ইফতারী কেনা হলো না।:(
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: কি বল ইমন ?
কোনদিন ইফতার কিনো নাই ?
তুমি তো পাকা রাঁধুনি , নিজেই বানাও নাকি ?

১৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১১
েব।তলভূত বলেছেন: ধুর..নিজের ছোট একটা অভিজ্ঞতা কমেন্ট আকারে পোস্ট করতে গিয়ে দেখি আমি নাকি লগইন করি নাই। :O
যাউকগা..চকরে মাইনাচ...
তয় রয়্যাল রেস্টুরান্টের খাসির ঠ্যাং এর রোস্ট আর বাদাম শরবত অইত্যান্ত সুস্বাদু..রয়্যাল রে পিলাচ..
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: :) , রয়েলের বাদামের শরবতকে অবশ্যই ডাবল প্লাস ,
সাথে ঠাঠারি বাজার স্টারের ফালুদা
আর সোহাগের ভোর বেলার খিচুরি আর সন্ধ্যার কালা ভুনা (যদিও এটা বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া ভালো , ডাইজেশন ডিজঅর্ডার হতে পারে :) ) ।

আপনার অভিজ্ঞতাটা মিস করলাম :)

১৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯
মাহবুব সুমন বলেছেন: দূর্দান্ত লেখা।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাহবুব সুমন ভাই

১৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
হাসতে হাসতে পেটে খিল ধইরা গেল ... কখনো যাওয়া হয় নাই, এইটা আপনার পোষ্ট পড়ে মনে হইতেসে এইটা একটা সুঘটনা । ;)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: হেহে , অবশ্যই ।
ভালো ইফতারের সন্ধান কি আছে ? বেইলি রোডে বেশ ভালো লেগেছে , গুলশানেও ভালো(দামটাও আছে অবশ্য)

১৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
কিন্তু এইটা বলেন, এই হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন ই কিনতেসে, তাতে তাদের জিব কি পেট কোন্টারই তো নেতি সমাচার দেখতেসিনা !
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আমার ধারণা ৩/৪ টা কেস হতে পারে :
** ঢাকায় এত লোক , প্রতিদিন কিছু লোক বিলা হতে থাকলেও ওখানেও নতুন পাবলিকের আনাগোনার অভাব হবে না ।
** কিছু লোক ঐটাই কেবল খেয়েছে , পোলাও কেউ না খেলে তার কাছে নাজিরশাইলই মোটা চালের তুলনায় পোলাও মনে হবে
** আর বড় একটা অংশ আছে , যারা হয়তো ভাবে , "ভালো লাগে নাই :( :( , এটা নিশ্চয়ই আমার নিজের দোষেই , এমন রাজকীয় খানাদানা কিভাবে খারাপ বলবো , ধুর ,আমার রুচি নাই " তারপর বলে , "চকবাজারের ইফতারি জটিলললল" :) :) :)

হেহে , সবগুলো কল্পনা থেকে বলা , সত্যি হলেও হতে পারে

২০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭
েব।তলভূত বলেছেন: @মেহরাব
হল লাইফের শেষ ১ বছর পুরাটা গেসে মিতালী-সোহাগ এর কালাভূনা খেয়ে :D
মামুনের তেহারীটাও জোশ। আরেকটার কথা না বললেই না... ডি.এম.সি এর সামনে গভীর রাতে পরটা আর লটপটি..লটপটি জিনিসটা মিতালীর পাশের মিস্টির দোকানটাও ফাটাফাটি বানায়, তবে রাত ২ টার দিকে দোকান বন্ধ হওয়ার আগে আগে যেতে হয়..
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: মামুনের কথা অবশ্যই বলতে হয় । ২০০৪ এর শেষের দিকেও ওদের তেহারির দাম ছিল ১৪ টাকা , কিন্তু স্বাদটা ছিল অসাধারণ । সে সময়টা ওদের খাসি-পোলাওয়ের দাম ছিল মাত্র ২৫ টাকা । ছাত্রদেরকে মামুনের খাসি-পোলাওয়ের সন্ধান দিয়ে বেশ বাহবা পেয়েছিলাম ।

মিতালী থেকে শুরু করে ঐ লাইনের সবগুলো দোকানেই বলতে গেলে খেয়েছি । ডিএমসির সামনের দোকানগুলো তো বুয়েটের জাতীয় খাদ্য ভান্ডার , সারা রাত চলে । অবশ্য ২০০৭ এর ডিসেম্বরে দেখেছি রাতে খেতে যাওয়া অনেক কমে গেছে , ছিনতাই আশংকাজনক ভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে এই হাল

২১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
কৌশিক বলেছেন: চমৎকার লেখা, গ্রেট গ্রেট গ্রেট
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ

২২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: চকের ফালুদা আইনা বেশ কয়েক বছর আগে আমি গ্রেট ধরা খাইছিলাম। তবে চক ইফতারী বাজারে আমার পছন্দের আইটেম হলো - লাবাং, জায়েন্ট জিলাপী :)

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: হুমম , জিলাপীটা খাওয়া হয়নি , তবে শুনেছি এটাই নাকি চকবাজারের শেষ মুঘল সম্রাট :)

কমেন্টের জন্য কৃ্তজ্ঞতা

২৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০০
সৌপ্তিক বলেছেন: অতিরিক্ত ভালো লাগছে
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: স্পেশাল থ্যাংকস আপনার জন্য

২৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: জটিল লেখা। হাসতে হাসতে মারা গেলাম। চকবাজারের ইফতারি নিয়া আমারও এরকম অভিজ্ঞতা আছে, তবে এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জঘন্য হলো "বাপের বড় পোলা", আরেকটা দই বড়া না কি জানি খাইছিলাম, ঐটার কথা মনে পড়লে এখনো আৎকে উঠি।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: দই বড়া না কি জানি খাইছিলাম, ঐটার কথা মনে পড়লে এখনো আৎকে উঠি।.....................

হাসতে হাসতে আমি শেষ ।

কি ভয়াবহ সবার অভিজ্ঞতা

২৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১
আরিফ জেবতিক বলেছেন: আমি দিনে দিনে আপনার লেখার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি । :)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: লজ্জিত হলাম :``>> :``>> :``>>

২৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: চকবাজারের ইফতারি নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা আপনার কাছাকাছি ।
তবে ব্লগে বলতে চাইছি না , কারন কয়েকজন শত্রু ব্লগারকে এবার পটিয়েছি যে চকবাজারে ইফতারি খেতে যাব একদিন । :)


মামুন , মিতালী , রয়েল এইগুলা কোথায় ? যাইবার আগ্রহ বোধ করিতেছি ।রয়েলের শরবতের নাম এতো শুনছি যে বলার নেই ।
ওয়ারির ঐদিকে কোথায় নাকি আস্তখাশীর রোস্ট বিক্রী করে , ভাবছি একদিন কিনে আনব একটা ।

কালাভুনা কী জিনিষ ?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: হেহেহে , শত্রুকে জব্দ করার ভালো পদ্ধতি :)

মামুন , মিতালি , সোহাগ এগুলো চানখাঁরপুলে । নাজিমুদ্দিন রোডে ঢুকতেই সারি সারি চোখে পড়বে । খুব বেশি আভিজাত্য হয়তো নেই , তবে অল্প খরচে ভালো খাওয়ার জন্য ভার্সিটির ছাত্রদের কাছে তুলনাহীন । মামুনে যেমন , খুব কম দামে সুস্বাদু পোলাও বিরিয়ানির দেখা মেলে । সোহাগের সকালের খিচুরী খাবার জন্য হলে অনেক রাত জেগেছি । সকালে খিচুরী খেয়ে এসে তারপর ঘুমিয়েছি । সোহাগ , মিতালীর নেহারীও বেশ ভালো ।

সবচেয়ে ভালো লাগবে কালি ভুনা । গরুর মাংস খুব কড়া করে ভুনা করা হয় । রংটা কালচে হয়ে যায় বলেই সম্ভবত এর নাম কালি ভুনা ।

রয়েল রেস্টুরেন্ট লালবাগে । বাদামের শরবত যে খেয়েছে, স্বাদটা মুখে লেগে থাকবে তার অনেকদিন । বাদাম , ঘন দুধ আর অন্য মসলা মিশিয়ে এটা তৈরি করা হয় । দু'ভাবে খাওয়া যায় , ফুল গ্লাস শরবত , অথবা হাফ গ্লাসের সাথে বরফ । দামের কথা মাথায় না রেখে ফুল গ্লাসই খেয়েছি । ইচ্ছা করলে বোতলে বাসায় নিয়ে আসা যায় । রয়েলের লাবাং ও ভালো ।

২০০৭ এর ডিসেম্বরে পুরনো ঢাকার খাবার জায়গা গুলোতে অনেক বার গিয়েছি ।গুলশান অরিয়েন্টেড হয়ে যাওয়ায় অনেকদিন যাওয়া হয় না ।

২৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
নুশেরা বলেছেন: আরিফ জেবতিক বলেছেন: "আমি দিনে দিনে আপনার লেখার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি।" :)

হেহ্ এতোদিনে! আমি তো এক মাসেই :)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: লজ্জার অনুভূতিটুকু তীব্রভাবে চাপা দিলাম :`>

ভালোলাগার অনুভূতি হলো :)

২৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: চকবাজারের ইফতারি বড়ই মিস করছিলাম .... লেখাটি পড়ে দু:খ মিটে গেল :)

বিদেশবিভূইয়ে দেশীয় ইফতারি না পাওয়ার কষ্ট আর থাকলো না ।

ধন্যবাদ আপনাকে ।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: কফি খাইয়ে ক্ষুধা মেরে ফেলার মত হলো :)

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

২৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮
দূরন্ত বলেছেন: বুঝছি আপনি অতোটা ভোজনরসিক না। খাবার দাবার ভালোটা না কিনলে অমন তো হবেই X(

(অফটপিক- আমিও দুই বছর আগে একবার ট্রাই করেছিলাম। কিন্তু সুবিধা করতে পারি নাই :) )

লেখাটা অসাধারণ হয়েছে।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: দুরন্ত ভাই ,

আধা আধি ঠিক বলেছেন ।
কেনাকাটায় আমি বেশ আনাড়ি , তবে ভোজন রসিক

হেহে , সবাইকে ধরা খেতে দেখে বেশ আনন্দ হচ্ছে
জানিয়ে রাখি , আপনাকে দেখলেই আমার চিকেন খেতে ইচ্ছা করে :)

৩০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮
আরিফ জেবতিক বলেছেন: নুশেরা বলেছেন: আরিফ জেবতিক বলেছেন: "আমি দিনে দিনে আপনার লেখার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি।" :)

হেহ্ এতোদিনে! আমি তো এক মাসেই :

** লেডিস ফার্স্ট বলে একটা কথা আছে না ?
৩১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
পারভেজ বলেছেন: বুয়েটে থাকতে প্রতি রমজানেই চকে যেতাম। হয়তো স্পেশাল আইটেমের দিকে নজর কম থাকো বলে অভিজ্ঞতা এতো খারাপ হয়নি! সুতলি কাবাব এর মজেজা এখনো বুঝিনা! বড় বাপের পোলাও তথৈবচ। ফালুদা, ফিরনীর চেহারা পছন্দ হতোনা। একটা জিনিষ টের পেয়েছিলাম, একটু দাম দিয়ে নামকরা দোকান গুলি থেকে কেনা উচিত!
খাদ্য তালিকায় যোগ করতে চাই-
আজিমপুরের ছাপড়া মসজিদের লাল মিয়ার মোরগ পোলাও
ঠাঠারী বাজারের স্টার এর কাচ্চি আর ফালুদা
মাদ্রাসা হোস্টেলের পাশের আশা হোটেলের ৫ টাকার শিক কাবাব/আলু পুরি।
হাজীর বিরানীর নাম তো সবাই জানে!

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: আজিমপুরের মোরগ পোলাওটা তাহলে মিস করে গেলাম ।
নান্নার মোরগ পোলাওয়ের বিশাল ফ্যান আমি ।

হু ঠিকই বলেছেন সম্ভবত । এ বছর অনেকবার চকবাজার যেতে হয়েছে , খাবার দোকানগুলোতে খাবার ভালো লেগেছে মোটামুটি , রমজান আসলেই ভজঘট পাকিয়ে ফেলে অনেকে

লালবাগের ভেতরে এক দোকানে বাখরখানি খেয়েছিলাম একবার , এখনও ভাবলে জিভে জল চলে আসে
বাকিগুলোও খেয়েছি :)

কোন ব্যাচ আপনি ?

অনেক ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য

৩২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০০
েজবীন বলেছেন: সুতি কাবাব ভালো লাগে নাই, " বড় বাপের পোলায় খায়" কিযে পচাঁ লাগছে কি আর বলি, ....

লাবাং খাই নাই, খেতে কেমন?

লেখা হইছে মাশাল্লাহ.....:)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: :)

লাবাং খেতে ভালো লাগবে , তবে মিষ্টি কিন্তু নাই , টক

আলহামদুলিল্লাহ :)
জেবীন আপনাকে ধন্যবাদ

৩৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৩
পাপী বলেছেন: কখনও যাই নাই! এবার যাবো ভাবসিলাম। এখন তো ভয় লাগতেসে, আবার আপনার লেখার স্টাইল দেখে খেয়ে টেস্ট করতেও মন চাচ্ছে!! লেখায় প্লাস!
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: টেস্ট করে ফেলেন , তারপর একটা পোস্ট দিয়ে দিন ।
খারাপ হবে না :)

আপনাকেও প্লাস

৩৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৬
বিহংগ বলেছেন: ইফতার,খাবার এসব কেমন যেন নিজেকে টানেনা।
তবে লিখার উপস্থাপনা আর স্টাইলে বরাবরের মতো আটকে ছিলাম।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: বিহংগদা ,
আপনার বহুল প্রতিক্ষিত কমেন্ট পেলাম
সবসময় আপনি সামহোয়্যারে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন ।

নিরন্তর শুভেচ্ছা

৩৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৭
মখআলমগীর বলেছেন: চকের ইফতারির বদনাম করার জন্য মাইনাস
আপনে মনে হয় বেশিরভাগ রাস্তার উপরে থিকা কিনছিলেন
আসল দোকানে যান নাই, তাই ঐরকম ধরা খাইছেন

টিপস:
১) অভিজ্ঞ কাউরে সাথে নিয়া যাইতে হইব রোজার সময় (যেমন আমার মত :) )

২) আর নাইলে রোজার আগে কিছুদিন রেকি করতে হইব কোন দোকানে কি পাওন যায়

নাইলে এইরকম ধরা বারবারই খাইবেন

আজিমপুরের লালমিয়ার বিরানি না খাইয়া মরলেও আফসোস থাকব। তাই দেরি না কইরা জলদি খাইয়া ফেলান

@আরিফ জেবতিক, আস্তা খাসি কিনলে হোটেল আল রাজ্জাকের টা ভাল হইব
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: হমম , খারাপ বলেন নাই । আরেকবার রিস্ক নিবো নাকি ভাবছি ।

তবে , সমুচা , জালি কাবাব কিন্তু দোকান থেকে কেনা হয়েছিল মনে আছে ।

ধন্যবাদ

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: =p~

৩৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
মেন্টাল বলেছেন: ঢাকায় বালের ফালুদা বানায়। ফালুদা কি জিনিস জানতে হইলে চিটাগাং নিউমার্কেটের লিবার্টিতে যান।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: চিটাগাং গেলে লিবার্টির ফালুদা মিস করিনা , ৪/৫ বার খেয়েছি ।
ঢাকার ফালুদা অন্য রকম , তবে স্টারের টা আমার ফেভারিট , কস্তুরির টা চলনসই , বাকিগুলো ভালো লাগে নাই

৩৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: পুরানো ঢাকায় ইফতারী নিয়া গত রমজান মাসে কয়েকটা ডেলিভারী দিছিলাম ...

০১। ইফতারী : বড় বাপের পোলায় খায়
Click This Link

০২। ইফতারী : হাজীর বিরিয়ানী Click This Link

০৩। জায়েন্ট জিলাপী (ছবি সহ)
Click This Link
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস , চেক করলাম সবগুলো ।
রাতে খাই নাই , ইফতার বেশি করেছিলাম । হাজির বিরিয়ানির কথা শুনে ক্ষিধা তো লাগলোই , সাথে নান্নার কথাও মনে পড়লো :(

এখন সিরিয়াস ক্ষুধা লেগে গেছে

৩৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
হোসেইন বলেছেন: আমারে কেউ খাওয়ায় না রে ।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: আমাকেও সুদূর অতীতে কেউ ইফতার খাওয়াইসে , এমন স্মৃতি নাই :(

৪০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন:


আফসুস এখনো পুরান ঢাকার ''বড় বাপের পোলায় খায়'' জিনিষটা খাইতে পারলাম না। :(
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: আরে এটা তো গুডলাক , দেখছেন না পোলাকে অলরেডি সবাই বাপ তুলে গালি দিচ্ছে ?

৪১. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১০
তুষ।র বলেছেন: আমার পেজে কোন লিংক সেভ করার দরকার পরে নাই। এইডা মনে হয় করতে হবে রে।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: :)

৪২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৬
তুষ।র বলেছেন: আপনি মিয়া এত সুন্দর লিখেন তা তো জানতাম না। এদেহি পুরা সাহিত্যরে ভাই। এই লিখা সবার ভিতর হইতে বাহির হওয়া মনে হয়না সম্ভব হইবে।

আর খাবাররে যে বর্ননা পড়িলাম - সত্য বলিবার জন্য আপনার সাংবাদিকতার ওস্কার পুলিৎজার পাওয়া উচিৎ।

অবশেষে একটি ব্লগিয় সুতি কাবাব - প্লাস।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: কঠিন বললেন ,
ব্লগের খাদ্যমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কিন্তু এখন আপনার কাঁধে :)

প্লাসের সুতি কাবাব টা চেইন্জ করা যায় না ? চিন্তা করলেই কেমন যেন লাগে ..........।

৪৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৮
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: "বড় বাপের পোলায় খায়" একটা ফাউল জিনিস। @ শামীম

আরেক টা ফাউল হইলো "দই বড়া"
সুপার ইস্পেশাল হইলো (১) লাবাং (২) জায়েন্ট জিলাপী (৩) শাহী হালিম।


৪৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২১
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: আমার মতে লালবাগের সেরা খাবার দোকান ... (১) রয়েল হোটেল (২) হৃদয় কনফেকশনারী ...
৪৫. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ঝড়ো ভাই যেহেতু কইছে তাইলে আর খাওয়ার কথা মুখে আনুম না।

মেহরাব ভাই কর্পোরেট ইফতারী নিয়া একটা কিছু লিখেন। গুলশান, বনানী এলাকার ইফতারী। :)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: হু , এইবার ছেলে বুঝতে পেরেছে ।

শামীম গুলশানে ইফতার অভিজ্ঞতা মাত্র ৩ বার , গত বছর করলেও তখনও পুরা দস্তুর ছাত্র ছিলাম , কর্পোরেট হই নাই ।

কর্পোরেট পোস্ট লিখতে তাহলে আগামী বছর লিখতে হবে । অবশ্য আমি তো গ্রামীণ , এরিকসনের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি । এখন মনে হয় কর্পোরেট আর নাই ।

আপনি বরং মিডিয়া জগতের ইফতারি নিয়ে কিছু লেখেন ;)

৪৬. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: মেহরাব,প্রিয়তে রখালাম।দারুন মজা পাইলাম লেখাটা পইড়া।
মজা হইতাছে প্রতিবারই চকের ইফতার একাধিকবার খাই গাইলাই আবার পরের রমজান এলে ভুলে যাই।
লেখাটা বিরাট হাসির হইছে।
প্রিয়তে রাখলাম।


অফটপিক:তোমার খবর কী?
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: :) , এবার যাচ্ছো কবে ??

খবর হলো যে কোন খবর নাই , রেজিস্ট্রেশন যে করেছিলাম সেটাও ক্যানসেল করবো বলে ঠিক করেছি । নেক্সট ইয়ারে সুযোগ দেখছি না । ঢিলে ঢালা রমজান । তোমার খবর টবর কি ? এরপর কি হলো ? কিছুই তো জানি না

৪৭. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি এই জাতীয় একটা পোস্ট দিতে চাইচ্ছিলাম। সুতিকাবারের খেলা (নাউজুবিল্লাহ)। চকের ইফতারির শখ মিটছে প্রথম বারেই। আর ঐ পাড়া মুখি হই নাই।

লেখাটা ভাল লাগল।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: মিছিলে লোক বাড়ছে :)

থ্যাংকস

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৪৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: একবার ঠিক করছিলাম বড় বাপের পোলা হমু ,, আমার মিয়া ভাই তার অভিজ্ঞতার কথা শুনায় দিছিলো তখন । কাহিনী শুনে আর কোনদিন খাইবার ইচ্ছা করে নাই ।
লেখা ভালো হইছে ।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: হায় আল্লাহ , চকবিরোধি আন্দোলন দেখি ঘরে ঘরে :)

থ্যাংকু

৫০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯
বিবেক সত্যি বলেছেন: কে কে যেন কমেন্টে বলে ফেলছে, হাসতেই আছি... আমি নতুন শব্দ খুঁজে ফিরছি.. পাচ্ছিনা... আমিও হাসতেই আছি....
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: =p~

৫১. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: গতবার অফিস-কলিগ খাদক তুষার ভাইইয়ের পেছনে আমরা জোট বান্ধলাম;
'চক ইফতারী খাদক সমিতি' বানাইলাম। পুর্বপ্রস্তাবনা হিসাবে একজন
বড় বাপের পোলায় খায় / দইবড়া আর কি কি জানি আনলো-- আল্লারে, খাইয়া এমুন ক্যাঊ ক্যাঊ করলাম-
ঊদয় টাওয়ার থেইকা আর-এম সেন্টার সব কলিগে খবর পাইয়া গেলো।

সে থেইকা চকেরে সেলাম!

গতবার প্রথম আলোতে রিপোর্ট করছিলো আমার এক কাজিন, আমি জিগাইলাম ,
খাইয়া রিপোর্ট করছেন নাকি না খাইয়া। ভাইয়া একটা মারফতি হাসি দিলেন!!

(আপ্নে ঠিকই কইছেন , মনে হয় সাংবাদিক ভাইদের চান্দা তুইল্যা রেডিসন/শেরাটনে খাওয়ায়া দেয়!!)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: এবার আমি বলি ...........

আপনার ক্যাউ ক্যাউ শুনে হাসতেই আছি .......হাহাহা

আমি চক কে নিয়ে ৩/৪ টা ব্লগে গুণগান করতে চাই , আমাকে ওয়েস্টিনে না হোক , টপকাপিতে খাওয়ানো হোক

৫২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আমার মত খাবার প্রিয় প্রানী অবশ্য চকবাজারের ইফতারকে অপছন্দ করবে না।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: নিশ্চিত হলাম যে এই ইফতারি আপনার ভালো লাগবে না :)
যারা ভোজনরসিক , তারাই বুঝবে শুভঙ্করের ফাঁকিটা কোথায়

ধন্যবাদ রইলো

৫৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
শিট সুজি বলেছেন: বেশি joss পোষ্ট ।
অসাধারণ ।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: হুমমমমমমমমমমমম

৫৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১০
শিট সুজি বলেছেন: @বোতলভুত : "মামুনের তেহারীটাও জোশ। " মামুনের তেহারীটাও যতটা জোশ ঠিক ততটাই অসাস্থ্যকর মনে হয়েছে আমার কাছে ।

আর ঠাঠারী বাজারের স্টার এর কাচ্চির যৌবনকাল শেষে এখন বার্ধক্য চলিতেছে । মেহরাব ভাই, সুতি কাবাব আপনার টা ঠান্ডা হওয়ায় বোধহয় বেশি খারাপ লেগেছিল । গরম অবস্থায় জিনিসটা আমার কাছে ভালই লেগেছিল ।

অতিশীঘ্র চকে যাওয়ার নিয়ত করিলাম । আশা করি আপনার এই পোষ্টে অভিগ্গতা বিনিময় করার সুযোগ হবে ।
আর আপনার comlinkএ চাকরি কেমন চলছে? CSE এর সাথে allinged হয়ে কেমন লাগছে?
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: মামুন ২০০৫ পর্যন্ত ছিল বোরাহানুদ্দিন কলেজের উল্টো দিকে । তখন এত ভীড় হতো যে , ওরা একটু সামনে এগিয়ে দোতালা টা নিলো । এরপর থেকেই মনে হয় ধ্বস নেমে গেছে , এখনকার পরিবেশ আসলেই অনেক খারাপ ।

গরমটা কই পাবো ? সব তো ৩ টার সময় থেকে সাজিয়ে রাখে :(
তবে , সুতি কাবাবে দুই বার ধরা খেলাম ,তুমি খেয়ে রিপোর্ট করো , আমার তো শখ মিটে গেছে :)

চলছে ভালোই , লাইনে আসতে সময় লাগবে

৫৫. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৭
ত্রিভুজ বলেছেন: ওরে বাব্বা........ আসলেই বেশী জোস! স্টার প্লাস

(তোমার আর ফারহানের পোস্ট দিয়ে আমার প্রিয় তালিকার উচ্চতা অনেকটুকু বেড়ে গিয়েছে... তালগাছ বেশী লম্বা হওয়ার আগে গ্রুপ করে ফেলতে হবে.. ভাবছি একটা গ্রুপের নাম দেব "মেহরাব শাহরিয়ার"... কেমন হবে? ;))
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ;)

না , না , গ্রুপের কথা শুনলে ভয় লাগে
:):)

৫৬. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
অক্ষর বলেছেন: হাজারীবাগেই থাকতাম আমি
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা শোনার অপেক্ষায় ...

৫৭. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
অক্ষর বলেছেন: চক বাজার বা তার আশেপাশের ইফতার খাইতাম সবসময়

তাই আলাদা ভাবে কোনদিন কিছু ভাবি নাই
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: হুমমম

৫৮. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৪
অচেনা সৈকত বলেছেন: আমেরিকায় এসে সবচেয়ে যেটা বেশী মিস করি সেটা হচ্ছে 'সোহাগের চাপ'। এরা স্টেক বানাক আর যাই করুক, সোহাগের চাপের কাছে এইগুলা কিচ্ছু না।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: চাপটাও ভালো লাগে , শেষবার খেয়েছি মাসখানেক আগে

৫৯. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩১
কোলাহল বলেছেন: নাসারন্ধ্রে প্রবেশ সূত্রে অর্ধভোজন হয়ে গেল। বাকীটা সেহরীতে ..
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: হায় হায় , বলেন কি ?

আল্লাহ না করুক , সেহরীতেও আবার কষ্ট যেন না করতে হয়

৬০. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
তানজু রাহমান বলেছেন: খাসা খাসা(বানান ভুল হইতে পারে :|)

:)
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: বানান পারফেক্ট :)
থ্যাংক ইউ

৬১. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭
নামহীনা বলেছেন: তাইলে যে আমি চকবাজার এ যাইতে চাইছিলাম, সেইটার কি হবে? অবশ্য একবার চকবাজার এর এক বাসায় ইফতার খাওয়ার সুযোগ হইছিল, সেইটা কিন্তু অসাধারন হইছিল....
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: গিয়ে দেখে আসবেন :)
কষ্ট আমি একা পাবো কেন ?
আর ভাল হলে তো পোয়া বারো ।

পুরনো ঢাকার কোন বাড়িতে ইফতার খাওয়ার শখ অবশ্য আমারও ছিল , নিজেদের জন্য সেরাটাই হয়ত তারা করবে , কিন্তু আশায় গুড়ে বালি , কে দাওয়াত করবে ? :(

অনেক ধন্যবাদ

৬২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৮
ভুডুল বলেছেন: প্যাচালীতে পড়লাম, খুব ভালো হয়েছে।+
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: কৃ্তজ্ঞতা জানবেন @ ভুডুল

৬৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
প্রচেত্য বলেছেন: রসালো বর্ণনা
বেশ ভাল লাগল এই দিনদুপুরে
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনার দুপুরের ভাল লাগাটা , আমাকে সন্ধ্যায় স্পর্শ করল ।

ধন্যবাদ

৬৪. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
নিহন বলেছেন: জাক্কাচ ।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২২

লেখক বলেছেন: জাক্কাচ .............

নিহনের এই কমেন্ট টি আমার ব্লগে অনেকবার পেয়েছি , আজও ভাল্লাগলো

ভালো থাকবেন

৬৫. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: মেহরাব এত বুইঝাও আমি কালকে চকের ইফতারি কইরা ফালাইলাম।
ঐ সুতি কাবাব না কি ঐটা তো আসলেই বুড়িগঙ্গার মাটি।
হে হে।এই না হলে বাঙালি তোমাদের দুর্ভোগের কথা শোনার পরও আগ্রহে চকের ইফতার করলাম।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: এই না হলে বাঙালি , হাসিনা খালেদার ছেচা খাওয়ার পরও তাদের জন্য জান দেই :)

৬৬. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১১
মুনিয়া বলেছেন: হুমম... আপনারাই খাওয়াদাওয়া করেন।
একটা জুরি না হতেই নতুন রিপোর্ট সাবমিশনের ডেট:(
পুরান ঢাকায় তো যাই, তবে খেতে না। লোহা-লক্কড় আর অ্যাক্রিলিক, ক্লোরোফর্ম এইসব হাবিজাবি কিনতে। মাঝে- সাঝে খিদের জ্বালায় খাওয়া হয় যখন, ঐটা বুড়িগঙ্গার মাটি না পানি. সেটা আর যাচাই করা হয় না।
স্যাটারডে একটা ইফতার পার্টি আছে। যেতে পারব কিনা আল্লাহ জানে।
আজকে জোর করে একটা রেস্ট নিচ্ছি।
এঞ্জিনিয়ারিং এর পোলাপান অলওয়েজ মাস্তি করে:(
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: সমব্যথী ,:(
তবে চরমভাবে দ্বিমত পোষণ করছি , বাসায় গিয়ে রিপ্লাই দিবো :)

৬৭. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৭
অরুনাভ বলেছেন: জোস পোষ্ট......
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৬৮. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
রিফাত হাসান বলেছেন: চকবাজার থেকে ইফতার কিনে নিয়ে চট্টগ্রাম ফিরতে ফিরতে আর একটি দিন শুরু হবে, তাই চকবাজারে যাবার কোন চান্স নেই, এমনিতেই।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে চিটাগাংয়ের ইফতারির ব্যাপারে জানতে পারলে মন্দ হত না :)

ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য

৬৯. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: মনে পইড়া গেল, বুয়েটের আর্কিটেচার বিল্ডিং-এর ক্যাণ্টিনে 'আলু চপ' খাইছিলাম একদিন। আলু নির্মিত, আলুময়, আলুলায়িত তেলেভাজা সিদ্ধ আলু আমি জীবনে একবারই খাইছিলাম। তাও আবার ইফতারীতে!

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: হুমমম , আর্কির ক্যান্টিনে খাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি , তবে চপের অবস্থা বেশির ভাগ জায়গাতেই বড়ই করুণ । ইদানিং বাইরের চপগুলো অস্বাভাবিক রকম পাতলা হয় , উপরে আটার বিশাল আস্তরণ দিয়ে ফুলিয়ে তোলা হয় । স্টুডেন্ট লাইফের ইফতারের কোন স্মৃতি মনে পড়ে ?

৭০. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৬
অজানা অচেনা বলেছেন: হাহা! উচিত শিক্ষা হৈসে।

তাই তো আমি সবসময় কেনা খাবার এড়িয়ে চলি ।
আপনার লেখার দারুন ভাষাশৈলী নতুন করে কিছু নাই বা বললাম।

চট্টগ্রামের ইফতারী নিয়ে জানতে চেয়েছেন, তাই বলি।
চট্টগ্রামেও একটা চকবাজার আছে, তবে ঐখানের স্পেশাল কোনও ইফতারী আছে বলে আমার মনে হয়না।

অফিস থেকে ফেরার পথে দেখি "ধাবা"র সামনে দীর্ঘ লাইন। ফোন করে ২০ মিনিট আগে বুকিং দিতে হয়!! এখানের দই ফুচকা টা খুব বিখ্যাত। হয়তো এটার জন্যই। কখনো চট্টগ্রামে আসলে এখানের দই ফুচকাটা ট্রাই করে দেখতে পারেন। দামপাড়ায়, বাসস্ট্যান্ড থেকে খুব কাছে।

চট্টগ্রামের ইফতারীর ব্যাপারে আমি এতটুকুই জানি। বাইরের ইফতার আমার কখনই ভাল লাগেনা।

আমার মায়ের মমতাময় হাতের মাখা চিড়া আর বুট - এই দুই এর কাছে দুনিয়ার আর সব ইফতার ফেইল।
এ দিয়েই এতোদিন চলেছে। দেখি বাকী দিনগুলোও চালিয়ে দেয়া যায় কিনা।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: হু , ইফতারি খাওয়ার শখ মিটিয়ে দিয়েছে :(

অন্য সময় কি পাবো দই ফুচকা ? নেক্সট টাইম চিটাগাং বলে মিস হবে না কোনভাবেই । নতুন করে কয়েক জায়গায় ইফতারের প্ল্যান করা হয়ে গেছে । ভাল হলে চেপে যাব(আমি প্রশংসা মনে হয় ভাল করে করতে পারি না) :)

"আমার মায়ের মমতাময় হাতের মাখা চিড়া আর বুট - এই দুই এর কাছে দুনিয়ার আর সব ইফতার ফেইল" ............আমার মনের কথাটা কি করে জানলেন ?
বাইরে ইফতার করার কথা থাকলেও বাসায় করতে পারব না ভেবে মায়া লাগে , বাসাতেও ব্যাপারটা কি করে যেন বুঝে যায় , পছন্দের জিনিসগুলো রেখে দেয় ।এমন কোনদিন আসবে যেদিন হয়ত এমন সুযোগ টা আর পাব না , ভাবতেই পারি না ।

প্রার্থনা রইল , আপনার ইচ্ছা পূরণ হোক

৭১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
হাহাহাহহাহা... একজোড়া রিকশায় একহালি বন্ধু!! মজা করে বলতে পারেন আপনি!

অজানা, ধাবার ইফতারী কিন্তু সেইরকম! আর ধাবার পাশে হ্যান্ডির নীচেও তো ইফতারী দেয়। ওরে আমার জিহবায় পানি চলে আসছে :(
গতবার কত মজা মজা ইফতারী খাইছি দেশে, আর এখন... আআআআআ দীর্ঘ একটা নিঃশ্বাস বের হল! :(
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: আমি আজ মহাক্লান্ত , গুলশানের প্রচন্ড প্রচন্ড জ্যাম । এর মাঝে গুলশান -১ থেকে ২ এ যাওয়া আসা করতে গিয়ে আমি অর্ধেক শেষ । এখন ধাবার ইফতারির কথা বলছেন দু'জন মিলে :( । স হ্য করতে কষ্ট হচ্ছে

আপনার দুঃখের কথা ভেবে ,আমার দুঃখটা মাটিচাপা দিলাম

৭২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০০
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: মেহরাব,
হোটেল আল রাজ্জাক (বংশাল)..........খাসির রেজালা
হোটেল সুপার (ওয়ারী)............মুরগীর রোস্ট, বিরিয়ানী

হোটেল রয়েল (লাল বাগ).........নেহারী, চাইনিজ ডিশ (এত সস্তায় এত ভাল পরিবেশে এত ভাল খাবার আমি দেখিনি।)

হোটেল ছায়ানীড় (সায়েন্স ল্যাব)........মুরগীর গ্রিল (আমি বাজি ধরতে পারি, এদের থেকে ভাল গ্রিল আর কেউ বানাতে পারবেনা।)

হোটেল স্টার.(ধানমন্ডি)..............মাটন লেগ রোস্ট (বিশাল একটা মাটন লেগ মাত্র ১৮০ টাকায় কিভাবে দিত ইফতারের সময়, সেটা আমি এখনও বুঝতে পারিনা।)

হোটেল নান্না মিঞা (বেচারাম দেউরী).........কালো কালো ঝোল দিয়ে করা অসম্ভব অসাধারণ স্বাদের মোরগ পোলাউ এর কথা ভুলা যায়না।

চিংড়ি রোস্তোরা (কাটাবন)...........আমাদের ব্যাচ এর ছেলে পেলে এটাতে খিচুরি খেতে যেত বার বার.....শুনেছি অমৃত নাকি।

মালঞ্চ...........(সায়েন্স ল্যাব-এলিফ্যান্ট রোড).....সব গুলো আইটেমই ভাল লাগে, দাম ও নাগালের মাঝে।


প্রবাসে এসে পাউরুটি কলা, মার্জারিন দিয়ে ইফতার করি। হা আমার কপাল। :(
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: রীতিমত খাওয়া দাওয়ার এনসাইক্লোপেডিয়া
অধিকাংশ জায়গায় টেস্ট করেছি অলরেডি ।আপনার কমেন্টটা আমার আগে আমার অফিসের কলিগ/বন্ধুরা দেখেছে । সবদিক থেকে একটু পর পর প্রোপজাল আসছে , চল আজকে ওখান থেকে ..................।

শুধু গুলশান টু নিউমার্কেট , এটা কল্পনা করে চুপ চাপ থাকছি । তবে যাবোই , কাল বা পরশু ।

ধন্যবাদ অসংখ্য

৭৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৯
অচেনা সৈকত বলেছেন: সাঈফ শেরিফ@ আমার সব ফেভারিট খাবারের ঠেকগুলার নাম দেখি দিয়ে দিলেন। উফ, কতদিন যে ছায়ানীড়ের গ্রিল খাই না। স্টার এর ফালুদা আর মুরগী মোসাল্লামের কথা বললেন না?
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: ছায়ানীড় !!!!!!
বিশাল দীর্ঘশ্বাস ।

৭৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
-কিংবদন্তী বলেছেন: পোস্ট পড়ুম না মন্তব্য?? কিংবদন্তী
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: না পোস্ট তো একবার পড়ে কমেন্ট করে গেছেন , কমেন্টগুলো আরও বেশি মজার :)

৭৫. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭
অরণ্যচারী বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৭৬. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৭
আতিকুল হক বলেছেন: পইড়া বুয়েট লাইফের কথা মনে হইলো। চকবাজারের ইফতারি নিয়া অনেকেরই এইরকম এক্সপিরিয়েন্স। কিন্তু এমন কইরা লিখতে পারতো না সবাই। দারুন হইছে।

চকবাজারে ইফতার কইরা যেই গালাগালি করছি, এখন তওবা করতে ইচ্ছা করে। মায়ের হাতের ইফতার দুরে থাক, এইরকম মাটির মত কাবাব, চামড়ার মত পরোটাও কতদিন খাইনা। এখন মনে হয় ওগুলারেও অমৃত লাগবো।

ভাইজান মাঝে মাঝে দেশী খাবাররে একটু ঝাইরেন। আঙ্গুর ফল টকেও মনে হয় কিছু শান্তি আছে।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ।

সত্যি কথাটা বলি , আপনার কমেন্ট পড়ে কেন যেন খুব খারাপ লাগতে শুরু করল , কোথায় আছেন এখন ?

চেষ্টা করব দেবার , কষ্ট যাতে না পেয়ে যান , তেমন করেই দেবো

৭৭. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
কিরে ভাই স্বপ্ন খুঁজতে গিয়া ব্যাস্ত শহরে এইরকম খামখেয়ালী হয়া গেলেন ক্যান, আমরার কতা মনেত নাই?
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩

লেখক বলেছেন: পুরোপুরি ঠিক ধরেছেন , খুব বেশি খামখেয়ালি হয়ে গেছি গত কিছুদিন । অনেক পোস্ট পড়ি , কিন্তু আঙ্গুল অবশ হয়ে থাকে ।

আপনার শেষ পোস্টটা অসম্ভব সুন্দর হয়েছে

৭৮. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আঙ্গুল গুলো একটু সচল করলে হয় না ? :(
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন: ইনশাআল্লাহ নেক্সট উইক , :)
মন খুব বিক্ষিপ্ত , নিজের উপর বিরক্ত আর ক্ষিপ্ত :(

৭৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৭
লাল দরজা বলেছেন: আগে পড়ি নাই। এই কুখাদ্য মাইনষে খায়!
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৮

লেখক বলেছেন: অ্যাগোরা , ফখরুদ্দিন থেকে কিনেও ধরা খেলাম , কোথায় যে যাবো

৮০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪
মদন বলেছেন: ওরে আমারে ধর :)
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৮

লেখক বলেছেন: :)

৮১. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩
এই আমি বলেছেন: ভাইয়া, কেমন আছেন?

আমি ভেবেছিলাম যাব। ভলোই হয়েছে জেনে আর যাব না

ভাইয়া,তাহলে মানুষ চকবাজার থেকে ইফতার করে এসে এত ভাব নেয় কেনো?
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: এইতো ভাল আছি :)
একদিন যেও , ওখানে না পেলেও অন্য অনেকগুলো ভাল জায়গা আছে , কমেন্টে দেখো লিস্ট করা আছে ।

ভাব নেয় কেন বলি ।তুমি যদি ধরা খেতে , তোমার বন্ধু-বান্ধবীর কাছে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা না করে উল্টা ভাব নিয়ে নিতে পারতে , সুযোগ পেলে কে ছাড়ে বলো :)

ভাল থেকো

৮২. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: মেহরাব ভাই নতুন পোস্ট দিবেন না? :)
৮৩. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মাসের বেশির ভাগ দিন একটানা ৩০ মিনিট কনসেনট্রেশন রাখতে পারি না :( । মাসে তাই ১০ টা লেখার প্ল্যান থাকলেও ২ টা দিই

নেক্সট উইকে ফাঁকিবাজি কিছুমিছু দিতে হবে
৮৪. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩২
রাশেদ বলেছেন: হা হা! জট্টিল মজা পাইছি।

চকবাজারে নিজে যাই নাই, বন্ধুরা গেছিলো, আমি হলে ঘুমাইয়া ছিলাম। কি কি জানি খাইছিলাম, এইটুকু মনে আছে চরম অখাদ্য। জীবনে ঐ একবার একটু খাইছিলাম, বাকিটা সময় বিড়ি ফুকে গপ্পগুজব করে বাসায় এসে আরামে পেট পুড়ে ইফতারি খাইছিলাম। এই জিনিস মানুষ কিভাবে খায় আল্লাহ মালুম!
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: :) :)
জামাতবদ্ধভাবে কাতারবন্দী হয়ে সবার চকবাজার ছ্যাঁকার ব্যাপারটা নিশ্চিত হওয়া গেল

৮৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
মাহবুবা আখতার বলেছেন: আমার চকবাজারের ইফতার যেটুকু সাধ মিডিয়ার কল্যাণে গড়ে উঠেছিল তা মাঠে মারিয়া দিলেন:|...এত নাম শুনি কাহিনী যে এত খারাপ হবে সেটা ভাবি নাই!!!!
বাসার ইফতারই ভালো (কি আর করা!)
(পোস্ট দেওয়ামাত্রই পড়েছিলাম কমেন্ট কেন করা হয় নাই জানি না। )
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: তবুও ......
শখ করে একদিন যেতে পারেন

৮৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
লাল সবুজের চিঠি বলেছেন: ভাইয়া লেখাটা খুব ভালো লাগলো তবে ভাইয়া চকের ইফতার ভালো না হলেও পুরান ঢাকার ইফতার কিন্তু মজা।আমি চকে একবার ইফতার করেছিলাম অভিজ্ঞতা আপনার মত।
কিন্তু আমি দুইবার পুরান ঢাকার দুই বাসায় ইফতার করেছিলাম।এত মজা ভাষায় প্রকাশ করার মত না।
০৮ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

লেখক বলেছেন: পুরান ঢাকার কেউ কি নাই আমাকে বাসায় ইফতার করাবে ?

৮৭. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭
পুষ্প বলেছেন: এক বৈঠকে এত আইটেম খেলেন কেমন করে!

এ খানার অভিজ্ঞতা হয় নাই,মনে সন্দেহ পোষণ করছি একটা খাবারও কী ভাল ছিলনা?

আর লেখাতো যথারীতি অনবদ্য,হাসতেই আছি।:)
সাধু আর চলিতর মিশ্রনে আপনার লেখাগুলো দারুন উপভোগ্য হয় ।
রমজান মাসের সংযম কেন পালন করছেন?গতরোজায় আপনার একটা কমেন্টে পড়ছেলাম,আপনি নাকি সবগুলি নামাজ পড়েন।(তখন অবশ্য আনার নিক ছিল না)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: হারিয়ে গেলেন একেবার

০৮ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে পেরে ভাল লাগল :)

০৮ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯০. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
জনৈক আরাফাত বলেছেন: রোজা আসছে, তাই এই সময়ে পোস্টটা পড়ে নিলাম। আহ হা হা!
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: সময়মত আরেকটা কাস্টমার ছুটে গেল :)

৯১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪১
টুমটি বলেছেন: ভালো লাগলো পোষ্টটা পড়ে। ++++


৯২. ২৩ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৭
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: মজা পাইলাম । :D :D

আফসুস ছিল , এতদিন ধরে ঢাকায় আছি অথচ চকবাজারের ইফতারী খাওয়া হইল না । :(
এখন বুঝতেসি , আফসুসের কিছু নাই । :#)
৯৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১১
সুবিদ্ বলেছেন: চকে ইফতার করিনাই কখনো, কিন্তু মনে পুষে রাখা ইচ্ছায় তো ঘুণ ধরে গেলো:(:(
৯৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:১৮
তানভীরএফওয়ান বলেছেন: আফসুস ছিল , এতদিন ধরে ঢাকায় আছি অথচ চকবাজারের ইফতারী খাওয়া হইল না । :(
এখন বুঝতেসি , আফসুসের কিছু নাই ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৪৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নেই তবু যা আছের মতো দেখায়
আমরা তাকে আকাশ বলে ডাকি,
সেই আকাশে যাহারা নাম লেখায়
তাদের ভাগ্যে অনিবার্য ফাঁকি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ