আমার প্রিয় পোস্ট

যে কুড়ায় কাঁচের গুড়ো,পথের ধারে ঘিরে ফেলে,আঁচলে চন্দ্র ঢেকে!সে হয় খুশি, পিদিম জ্বেলে!

ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !!

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

(ইজরায়েলের জবানীতে)
৭ জানুয়ারি ২০০৯ পিতৃভূমির মাটিকে রক্ষার্থে নিয়োজিত ইসরায়েল সেনাবাহিনীর একদল যোদ্ধা আর্টিলারি , ট্যাংক আর হেলিকপ্টার সমন্বয়ে চালানো সাঁড়াশি আক্রমণে যখন গাজা ভূ-খন্ডের জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলটি গুড়িয়ে দেয় , বিশ্ববাসীর তীব্র প্রতিক্রিয়া সত্যিই হতাশ করে আমাদের । গাজার ঘরে ঘরে হামলা করে একজন দু'জনকে হত্যা করা সময়সাপেক্ষ আর ব্যায়বহুল , অথচ প্রাণভয়ে জাতিসংঘ স্কুলে আশ্রয় নেয়া শিশু , নারীদের উপর ১০ মিনিটের কম্ব্যাট অপারেশন মুক্তি দেয় ৪০ টি প্রাণকে , রক্ষা হয় অমুল্য সময় আর শ্রমের ।

বিশ্ববাসীর নির্বুদ্ধিতা সত্যিই ইজরায়েলকে হতাশ করে , ৪০ নারী শিশুর দলা পাকিয়ে যাওয়া দেহ , দেয়ালে ছিটকে যাওয়া মস্তিস্ক আর রক্তের ছোপ আর সাত শতাধিক প্রাণীর নিথর দেহ দেখে মানবতার নামে যে বিশ্ববাসী ডুকরে কেঁদে উঠে , তাদের আমরা মানসিক বিকাশ আমরা কামনা করি। যারা আমাদের অভিযুক্ত করে হিংস্রতা আর মানসিক বিকারগ্রস্থতার দায়ে , সেইসব অর্ধ উন্মাদদের আমরা অ্যাডাম স্যান্ডলারের সাম্প্রতিক সময়ের মুভি You Don’t Mess with the Zohan দেখতে পরামর্শ দেই। নির্মমতা আর নৃশংসতার মাঝেও কি করে হাস্যরসের অফুরন্ত ভান্ডার খুঁজে পাওয়া যেতে পারে সে শিক্ষা হয়ত কমেডিয়ান অ্যাডাম স্যান্ডলারই কেবল তাদের দিতে পারবেন ।

তারপরও যারা গোঁয়ার সেজে থাকেন , তাদেরকে আমরা দৃঢ় ভাষায় জানিয়ে দিই ......."স্কুল থেকে ইসরায়েলের উপর একটানা মর্টার নিক্ষেপ করা হচ্ছিল , আমরা জীবন রক্ষার্থেই কেবল একটা সতর্কতা অবলম্বন করেছি " । শব্দের গতি, এমনকি আলোর গতির সূত্রকেও অস্বীকার করে কয়েক মুহুর্তের মাঝেই আমাদের বিবৃতির প্রতিধ্বনি শোনা যায় প্রেসিডেন্ট বুশ আর প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের কন্ঠে । অথচ , কিছু মানবপ্রেমী নির্বোধ তারপরও বিশ্বাস করতে চায় না ।

এতকিছুর পরও বিশ্ববাসী যদি গণহত্যার মাঝে কৌতুকপ্রদ কিছু খুঁজে পেতে সত্যি ব্যর্থ হয় ,তখন তারা জানতে চায় ১৯০০ সাল থেকে আজ অব্ধি কেন ফিলিস্তিনি জনগণ অপরিসীম ভীতি নিয়ে কেন আজও লড়ে যাচ্ছে ? হলোকস্টের চাইতেও নৃশংস গণহত্যা নিশ্চিত জেনেও কেন তারা ট্যাংকের গোলার সামনে বুক পেতে দিচ্ছে ?১৯১৭ থেকে শুরু হওয়া ইহুদী অভিবাসন ঠেকাতে ১৯২০ সালে কেন তারা মরিয়া হয়ে নিজ ভূমের অধিকার রক্ষায় দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়ে ? প্রবল ক্ষতির শিকার হয়েও ১৯২৯ সালে কেন আরবদের মাঝে ইহুদী বিদ্বেষী দাঙ্গা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে? ১৯৩৬ থেকে ১৯৩৯ সালে ফিলিস্তিনিরা কেন আবার বিদ্রোহ সংগঠিত করে?

সেসব জিজ্ঞাসু ইসরায়েল দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাতে চায়..............."ইজরায়েল তার লক্ষ্য অর্জনে কখনও লুকোছাপা করে না ।ইজরায়েল আজ তার জন্মের পর প্রথমবারের মত সত্য কথাগুলো প্রকাশ করবে ।"

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্বরুপে আত্মপ্রকাশ করতে খুব বেশি সময় লাগেনি আমাদের । ইতিহাসের পাতায় একবার চোখ বোলান , ২২ জুলাই , ১৯৪৬ এর কথা মনে পড়ে কি ? আমাদের মহান ইহুদী সন্ত্রাসীরা সেদিন আরবদের বেশ ধরে কিং ডেভিড হোটেলের বেজমেন্টে রাখা ছটি বোমার আঘাতে হোটেলটি ধুলোর সাথে মিশিয়ে দেয় ।৯১ টি ঝরে যাওয়া প্রাণ আর আহত ৪৬ জনের দায় এসে পড়ে নির্মোহ আরবদের উপর , অতঃপর এই অজুহাতে ফিলিস্তিনি আরবদের সমূলে কচুকাটা করার অঙ্গীকার করা হয় । সূচনা নাটকের এমন মধুর পরিসমাপ্তিও কি জিজ্ঞাসুদের স্বস্তি দেয় না ?


১৯৪৬ সালের মঞ্চায়িত নাটকের কথা যাদের অনেক পুরনো মনে হয় , তারা না হয় ২০০১ সালের ৯/১১ এর দিকেই চোখ ফেরান । আল-কায়েদার সেদিনের সন্ত্রাসী আক্রমন কি আমাদের হাতে মুসলিম সভ্যতা হত্যা আর দখলদারিত্বের অমোঘ অধিকার দেয়নি ? তারপরও কি স্কুলে আশ্রয় নেয়া সন্ত্রাসী শিশু আর নারী হত্যা আপনার কাছে অযৌক্তিক মনে হয় ?

মার্কিন , ব্রিটিশ আর পশ্চিমা রাষ্ট্রযন্ত্রের ইজরায়েলের কাছে নতজানু হতে দেখে যারা ভ্রু কুচকান , তাদেরকে আশ্বস্ত করে বলি ....... ইজরায়েল আপনাদের থেকে ভিন্ন কিছু ভাবে না । ইজরায়েল মার্কিন আর ব্রিটিশদের এহেন আচরণ দেখে ঠিক ততটাই করুণা করে , ঠিক যতটা সারা বিশ্বের বাকি মানুষগুলো দেখে ।

১৯১৭ সালের ব্রিটিশ লর্ড বেলফোরের ঘোষণায় ফিলিস্তিনে জড়ো হতে থাকে ইহূদীরা যে প্রবল বিশৃংখলার জন্ম দেয় , সেটার শিক্ষা ব্রিটেনকে পেতে ২২ বছর অপেক্ষা করতে হয় । ১৯৩৯ সালে নিজের স্বার্থেই ব্রিটেন বাধ্য হয় , ফিলিস্তিনে অবিভাসন নিষিদ্ধ করতে । ব্রিটেনের এই হঠকারিতার দাঁত ভাঙা জওয়াব দিতে ইহুদীরা প্রস্তুত হয় , কিন্তু মাঝের ৫ টি বছর তাদের সইতে হয় নাজি জার্মান আক্রোশের ধকল ।

ইজরায়েলকে অমান্য করার আস্পর্ধা দেখানো কতটা ভয়াবহ হতে পারে সে শিক্ষা ব্রিটেন পেয়ে যায় , ১৯৪৬ সালে ।জেরুজালেমের ব্রিটিশ প্রশাসনিক সেক্রেটারি জন শ' কে যখন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা ইহুদি সূত্রগুলো থেকে সম্ভাব্য বোমাহামলার কথা জানালে , শ' ঔদ্ধত্মের সাথে জানান "আমি ইহূদীদের কাছে থেকে নির্দেশ পেতে আসিনি , আমি এখানকার প্রশাসক , আমি নির্দেশ দিতে এসেছি"।জন শ' এর এমন দাম্ভিক উচ্চারণের মূল্য সাথে সাথে ইজরায়েল পরিশোধ করে । ৯ মিনিটের ব্যবধানে ৩ টি ফোনকল অসংখ্য ব্রিটিশ নাগরিকসহ কিং ডেভিড হোটেলকে পরিণত করে মৃত্যু পুরীতে ।ইসরায়েলি প্রধামন্ত্রী মেনহাম বেগিনও কোন লুকোছাপার ভেতরে না গিয়ে যখন ঘোষণা করেন "ব্রিটেনকে ২৫ থেকে ২৭ মিনিট সময় দেয়া হয়েছিল", তারপরও ব্রিটেন একটি বারও প্রতিবাদের সাহস করে উঠে না , স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে ,সুর মেলায় জায়োনিস্ট সংগীতের তালে ।পুরো দোষটি ফেলা হয় আরবদের ঘাড়ে । একদিকে সদ্য বিশ্বযুদ্ধ জয়ী প্রবল প্রতাপশালী ব্রিটেন , অন্যদিকে জার্মান শিবিরগুলোতে জনসংখ্যার অর্ধেক হারিয়ে ফেলা ইহূদী । এরপরও কি আপনার সন্দেহ থাকে , কে কার দাস ?


ইসরায়েলের সামনে মার্কিনীদের ন্যূজ মেরুদন্ড দেখে যারা অবাক হয়ে যান , তার ইন্টারনেটে খুঁজে বের করুন ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলি যুদ্ধ বিমানের বোমা আর টর্পেডোর আঘাতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মার্কিন বেসামরিক জাহাজ USS Liberty এর কথা । কোন আনুগত্য আর ভীতিতে মার্কিন নেভি এই শত বেসামরিক মার্কিন নাগরিকের ভূমধ্যসাগরের বুকে হারিয়ে যাবার ঘটনাকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলে সেটা বোধ করে বুঝতে কারও দেরী হবে না । এরপরও কি নির্লজ্জ মার্কিন পক্ষপাত আপনাদেরকে অবাক করে ?



জাতিসংঘের নির্বিকার ভূমিকায় যারা অবাক হয় , তাদেরকে ইজরায়েল জানাতে চায় , বিগত ৫০ বছরে কমপক্ষে ১০১ বার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ইসরায়েলের তীব্র নিন্দা করেছে । যারা এসব নিন্দা প্রস্তাবের পক্ষ বিপক্ষের শক্তি যাচাই করতে , তারা জানুক দু'একটি ব্যতিক্রম ছাড়া ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র সব রাষ্ট্রও বিবেকের তাড়নায় ইসরায়েলের বিপক্ষে ভোট দিয়ে বসে , ব্যতিক্রম ছাড়াই ১০১ টি প্রস্তাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অকৃত্রিম ভালবাসায় ইসরায়েলকে সঙ্গ দিয়ে যায় । সাধারণ পরিষদে ১৮৫-২ ভোটের অসংখ্য প্রস্তাবও সমূলে উৎপাটিত হয়ে যায় । মার্কিন ভেটোর জোরে মার্কিন ইসরাইলি ২ টি ভোট , ১৮৫ টি দেশের সুশীল বিবেককে কুপিয়ে হত্যা করতে পিছপা হয় না ।

ইরাক ইরানে আগ্রাসনের ভিত্তি খুঁজে যারা অহেতুক সময় অপচয় করে চলেন , ইসরায়েল তাদেরকে পারমাণবিক বোমামুক্ত মধ্যপ্রাচ্যের বদ্ধ সংকল্পের কথা বলে ।ইরাকের পারমাণবিক বোমার সম্ভাবনাকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করতে ১৯৮১ সালে ইরাকের নিউক্লিয়র রিয়ক্টরগুলোর উপর ইসরায়েলি বিমান হামলার কথা কি বিশ্ববাসী ভুলে গেছে ? সন্দেহযুক্ত কোন দেশের পেছনে পোষা মার্কিনীদের লেলিয়ে দিয়ে কি করতে পারে ইসরায়েল , ২০০৩ থেকে ধ্বংসপ্রাপ্ত ইরাকীদের কে দেখেও কি কেউ শিক্ষা নেয় না ? ইরান তারপরও কোন সাহসে পারমানবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হয়ে উঠার সাহস দেখায় ? ইরান জেনে রাখুক , পোষা মার্কিন সরকারের শরীরের জেঁকে বসা ইরাকী ক্ষতই কেবল তাদের এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে , কিন্তু পোষা প্রাণীর উপর কেরল আস্থা রেখে ইসরায়েল বসে থাকে না ।

ইজরায়েল মনে করে , মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কাছেই কেবল থাকবে পারমাণবিক বোমার অফুরন্ত ভান্ডার ।যারা ইসরায়েলের ক্ষমতা নিয়ে ,আর পারমাণবিক বোমামুক্ত মধ্যপ্রাচ্যের স্বপ্ন সত্যি সত্যি ধারণ করেন , সেই মানসিক প্রতিবন্ধীদের ইসরায়েল জানাতে চায় , ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের সহযোগিতায় ডিমোনায় ইসরায়েলের পারমাণবিক কার্যক্রমের সূচনা হয় । আর হ্যাঁ পারমাণবিক বোমার ভয় দেখিয়ে পৃথিবীকে কি করে সন্ত্রস্ত করতে হয় , প্রয়াত প্রধানমন্ত্রি বেন-গুরিয়ন আর গোল্ডামায়ারকে সে শিক্ষা শিখিয়ে যান ইসরায়েলের একান্ত অনুগত মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনেডী , নিক্সন আর লিন্ডন বি জনসন ।

ইসরায়েলের পারমাণবিক শক্তির ব্যাপ্তি নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলতে চান , তাদেরকে ইসরায়েল পরামর্শ দেয় সাবেক ইসরায়েলি পারমাণবিক কর্মকর্তা মোর্দেশাই ভানুনুর দিকে দৃষ্টি ফেরাতে । বিশ্বাসঘাতক এই কর্মকর্তা ৩০০ পারমাণবিক বোমা , নিক্ষেপণযোগ্য মিসাইলের ছবি তুলে ১৯৮৬ সালে লন্ডন টাইমসে ছাপিয়ে দেন । এহেন গুরুতর অপরাধে ভানুনুর জন্য কি দুর্বিপাক বয়ে এনেছিল সে প্রসংগটি ইসরায়েল খানিক পরেই তুলে ধরার ইচ্ছা রাখে ।

বিশ্বের যেসব দেশে ফিলিস্তিনের সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে নিজের সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার আনন্দে বিভোর , ইসরায়েল তাদেরকে জানাতে চায় , বিশ্ব মানচিত্রে কোন দেশের সার্বভৌমত্বের তোয়াক্কা ইসরায়েল করেনা ।

৬০ এর দশকের শুরুর কয়েকটি বছর নাজি জেনারেলদের খোঁজে আর্জেন্টিনা , ব্রাজিলে মোসাদের স্পেশাল ফোর্স যে অসংখ্য অভিযান পরিচালনা করেছিল , তার কোনটি সম্পর্কে কি ঐ দেশগুলোর সরকার অবগত ছিল ? ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর অজান্তেই তাদের বিমানবন্দরগুলোতে বিমান নামিয়ে জার্মান জেনারেলদের অপহরণ করে নিয়ে আসার জন্য কারও অনুমতি ইসরায়েলের প্রয়োজন হয়নি । ১৯৭৬ সালে উগান্ডার কাম্পালায় হাইজ্যাক করে নিয়ে যাওয়া বিমানের ইসরায়েলি যাত্রীদের উদ্ধারে কাম্পালা বিমানবন্দরে রাতভর কমান্ডো অভিযানে কারও অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন ইসরায়েল বোধ করেনি । দেশদ্রোহী মার্দেশাই ভানুনুকে ব্রিটেন থেকে অপহরণ করে ইসরায়েলি বিমানে উড়িয়ে নেয়ার পরও ব্রিটেন সামান্যতম টেরও পায়নি । উল্টো আর্জেন্টিনা , ব্রাজিল , উগান্ডা আর ব্রিটেনের সার্বভৌমত্ব লংঘনের নালিশ আর কান্নায় ইজরায়েল অট্টহাসিই হেসেছে ।


যারা ইসরায়েলের দিকে ঢিল ছুঁড়ে মারে , সেইসব কসাই ফিলিস্তিনি জেনে রাখুক , বিপুল পশ্চিমা আর্থিক সহযোগিতা দূরে থাক , শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উপঢৌকন হিসেবে বার্ষিক ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্রই পেয়ে থাকে ইসরায়েল । অংকটা বুঝতে অসুবিধা হলে তারা , পুরো আফ্রিকার ৫৫ টি দেশে সর্বমোট বার্ষিক মার্কিন সাহায্যের দিকে একবার চোখ বুলাক , তারপর দৃষ্টি নিবদ্ধ হোক আফ্রিকার মানচিত্রের দিকে , মহাদেশটির বিশালত্বে দিকে , আর ঠিক উপরে ডান কোণে খুঁজে বের করা হোক ক্ষুদ্রাকৃতি ইসরায়েলকে ।

যারা ৩০০০ বছরের পিতৃভূমির দাবীকে সত্যি ভেবে বিশ্বাস করে সেইসব লোকও জেনে রাখুক , এমন হাস্যকর যুক্তি কোন ইসরায়েলিও বিশ্বাস করে না । যদি তাই হত , তাহলে প্রাথমিক অবস্থায় ইহুদীদের আবাসস্থল হিসেবে উগান্ডা বা আর্জেন্টনার কথা বিবেচনা করা হত না । যদি তাই হত , ব্রিটেন নিউজিল্যান্ড ফিরিয়ে দিত মাওরি দের কাছে , যুক্তরাষ্ট্রে থাকত কেবল রেড ইন্ডিয়ান আর মাচুপিচু হত পেরুর রাজধানী ।

মানবতাবাদী বিশ্ববাসী ,

ইজরায়েল তোমাকে ভাবতে বলে .... বিশ্বের বুকে অসংখ্য মিডিয়া সাংবাদিক প্রাণ হারানোর পরেও কেন শুধু একজন ডানিয়েল পার্লের জন্য কান্না ঝরে , তার স্মৃতির উদ্দেশ্যেই কেন শুধু নির্মিত হয় হলিউডের "অ্যা মাইটি হার্ট" মুভি । গানস অব নাভারন , নাইট অব দ্যা জেনারেলস বা ব্রিজ অন দ্যা রিভার কাউয়াই এর মত মুভির বদলে কেনই বা এখন শুধু নির্মিত হয় শিন্ডলার্স লিস্ট , লাইফ ইজ বিউটিফুল , দ্যা পিয়ানিস্ট বা মিউনিখ? ফিলিস্তিনিদের মত নোংরা শ্বাপদের স্মৃতিতে নিবেদিত একটি সিনেমার নামও কি তোমরা বলতে পারবে ?


প্রতিটি ঢিলের আঘাতে ঝরে যাওয়া এক ফোটা ইসরায়েলি রক্তের বিনিময়ে মার্কিন মিডিয়ায় শুরু হওয়া মাতমের দিকে তাকাও , বিলিয়ন ডলারের সাহায্যের দিকে তাকাও । আরেকবার তাকাও তোমাদের ঔষধপত্রবিহীন হাসাপাতাল, খাদ্যবিহীন বিরান জনপদ , বিদ্যুতবিহীন লাশঘরের পচে গলে যাওয়া সন্ত্রাসীর লাশের দিকে ।

ভাবো , ভাবো , সম্ভবত এ ভাবনার পরিধি তোমার কাছে মহাবিশ্বের সৃষ্ট রহস্য থেকেও বেশি জটিল । কিন্তু ইসরায়েল জানে ........"মাইট ইজ রাইট" , তারপরও কি তোমরা আমাদের ইসরাইলীদের আত্মরক্ষার অধিকারকে অস্বীকার করবে ?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৩

 

  • ১২১ টি মন্তব্য
  • ১৭২১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭৩ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৩
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অসহায় হয়ে বসে আছি।

পৃথিবীর যেখানেই যুদ্ধাপরাধ হোক তা মানবতার বিরোদ্ধে অপরাধ , তা শান্তির বিরোদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে হবে, মানবতার বিরোদ্ধে অপরাধের বিচার করতে হবে......

হায় বড় বড় আইন পড়ি! আবার ফিলিস্তিনীর মাটিতে ইজরাইল এর তান্ডব দেখি......হায় কোথায় সেই এতোসব বড় বড় আইন! কেন তবে আইন করে বলে দেওয়া.......কেন তবে বিশ্বশান্তির জন্য এতো এতো কুটনৈতিক মিশন............

সত্যিই আইন পড়ে বড্ড অসহায় হয়ে বসে আছি.....অসহায় সময়ের অসহায় আইনগুলোই পড়তে হচ্ছে......
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: আইন যখন কেউ পুরোপুরি অস্বীকার করে , তার প্রতিকার জানেন ? পারমাণবিক শক্তিধর একটা দেশ কোন আইনই মানে না , অসহায় হয়ে থাকা ছাড়া আর উপায় মেলে না ......

২. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৩
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: লেখাটি অসম্ভব ভাল লেগেছে। অনেক কিছু জানা হল। এরকম লেখা আরো চাই।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ মাহমুদ

৩. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৩
comment by: জোবাইর বলেছেন:
এই পোষ্টটি উগ্র মৌলবাদী ইহুদী ধর্মান্ধদের একতরফা যুক্তি ছাড়া আর কিছু নয। যারা ধর্মীয গোরামীতে অন্ধ তাদের সাথে যুক্তি হয় না। উদাহরন, জামায়াতে ইসলামী ধর্মের দোহাই দিয়ে এখনো বলে তারা একাত্তরে ভুল করে নি। ঠিক তেমনি উগ্র মৌলবাদী ইহুদীরাও ধর্মের দোহাই দিয়ে তাদের সব হত্যা-সন্ত্রাসকে সঠিক বলে যুক্তি দেয়। এখন শুধু প্রত্যাশা আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩২

লেখক বলেছেন: অনুগ্রহ করে পোস্টটি আরেকবার পড়ে দেখবেন কি ?

৪. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: এরকম একটা লেখার খুব দরকার ছিলো। থ্যাংকস মেহরাব।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও থ্যাংকস

৫. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯
comment by: রাজর্ষী বলেছেন: ভালো লাগলো। মাইট ইজ রাইট দ্যাটস ট্রু। সুতরাং অন্যভবে চিন্তা করা উচিৎ।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: শান্তির পথটাও রুদ্ধ । অসলো চুক্তির পর কত সময়ই তো কেটে গেল , সামান্য একটু ভূ-খন্ড ছাড়তেও কোন ইজরায়েলি উদ্যোগের আভাস মিলল না

৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১৩
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন:

অসাধারন একটা পোষ্ট.....
খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম....

ইয়াহুদীরা অন্য সব জাতীর মানুষদের তাদের মতো মানুষ মনে করে না। তারা সে
অভিস্পত জাতি ।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: কি বলব খুঁজে পাই না ।

একটা জিনিস অবাক লাগে । ফিলিস্তিনের জন্য প্রতিশ্রুত ক্ষুদ্র গাজা আর পশ্চিম তীরও এমনকি মূল ফিলিস্তিনের অংশ না । আরব-ইজরায়েল যুদ্ধে মিশরের কাছ থেকে গাজা আর জর্ডানের কাছে পশ্চিম তীর দখল করে নেয় ইজরায়েল । এখন সেই দখলীকৃত ভূমিটুকুও ফিলিস্তিনিদের বাসস্থানের জন্য দেয়ার বেলায় ইজরায়েলের এত অনীহা , এত আক্রোশ

৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
comment by: রিসাত বলেছেন: হুমমম
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: হুমম

৮. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪২
comment by: মইন বলেছেন: কিছুই বলতে পারছিনা। এযে চরম সত্য।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: শুধু যেন সবকিছুকেই একটা স্বাভাবিক বলে দায় না এড়াই , সেটার চেষ্টা

৯. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:১৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: নিউজগুলো দেখে যাই খালি। :(
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: রাশেদ ভাই , বিবিসি আর স্কাই নিউজে দেখি আসল ঘটনার অনেকাংশই চেপে যায় :( , আমি তো ইন্টারনেটে অন্য কিছু সাইট

আসলেও এখন হয়ত কিছু করতে পারছি না , কিন্তু ভবিষ্যতের দিনগুলোতেও যেন ঠিক একইভাবে ভাবতে পারি , সেটাই কামনা ।

১০. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৮
comment by: কণা বলেছেন: এত কিছু জানা ছিল না... +
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১১. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: কিছু করতে পারতেছিনা। এখন নিউজ ও না দেখার চেষ্টা করি যাতে এটা চোখে না পড়ে। মানবতা হারিয়ে গেছে। আমরা যতই টুয়েন্টি ফার্ষ্ট সেন্চুরীর কথা বলি না কেন আজকের পৃথিবীটা আগের চেয়ে ও অনেক নোংরা হয়ে গেছে।
অনেক ভালো লিখেছো।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: না না , নিউজ দেখ । ইন্টারনেটে আল-জাজিরা , আল-আরাবিয়া সাইটগুলোতে কিছু কিছু ছবি দেয় । হয়ত কোন লাভ নেই এখন , কিন্তু অনুভূতি ভোঁতা হতে হতে একসময় যেন বিবেককে বিসর্জন না দিয়ে বসি ।

সত্যি কথা বলতে কি পৃথিবীটা এখন হিপোক্রাইট দের দখলে , অবাক হয়ে যেতে হয় তাদের শেমলেস সব আচরণ আর বর্বরতা দেখে , অথচ মুখ খুললেই অপরাধী হতে হয় ।

১২. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:০৪
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: দারুন লেখা। মন দিয়ে পড়লাম, ভাবলাম।
আজ কাল শুধু চেয়ে চেয়ে খবর গুলো দেখি, কিছুই বলার পাই না।
হিংসার জবাব হিংসা দিয়েই হয়, ইজরায়েল তার কবর নিজেই খুরছে যদিও তার কবরও হবে না।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: আমিও সেটাই বিশ্বাস করি । গাজা নিয়ে ব্লগে প্রথম পোস্টটা আপনিই সম্ভবত দিয়েছিলেন , সেজন্য শ্রদ্ধা ।

মানবতাকে যারা বুট আর বুলেট দিয়ে পদদলিত করে তাদের পরিণতিটাও যেন নৃশংস হয় ..... হোক সেটা ফিলিস্তিন , বসনিয়া বা ৭১ এর বাংলাদেশ । যে দেশের জন্মই রক্তের সাগর পেরিয়ে সে দেশের মানুষগুলোর কি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠাটা অবশ্য কর্তব্যের পর্যায়ে পড়ে না ?


আপনার পরের মন্তব্যটা তাৎপর্যপূর্ণ , বড় করে উত্তর দেব । সবই দেখছি , ভন্ডামি দেখতে এখন আর ইজরায়েল আমেরিকার দিকে তাকাতে হয় না , ব্লগেই তাদের চাইতে বড় ভন্ডদের দেখা মেলে

১৩. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫০
comment by: অচেনা সৈকত বলেছেন: ভাল লেখার জন্য ধন্যবাদ।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

১৪. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ধন্যবাদ।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৫. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: ছাগুচীফ বলেছেন: এরকম একটা লেখার খুব দরকার ছিলো। থ্যাংকস মেহরাব।
১৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: Click This Link
১৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: Click This Link
১৮. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: আরব জাতীয়তাবাদ বকাশের মূল সমস্যাগুলো থেকে দূরে থেকে "মুসলমান"রা বিষয়গুলোকে এভাবে দেখুক-এটাই সাম্রাজ্যবাদ চায়...
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়সেন বলে তো মনে হয় না , পোস্ট বিষয়ে কিছু বলেন ।ম্যাসাকার বিষয়ে কিছু বলেন , নাকি এসব দেখতে বেশ লাগে ?

আপনার লিংকগুলো পড়লাম , নতুন কিছুই পেলাম না । শিশু হত্যাকে বৈধতা দেবার জন্য পোস্টগুলো যথেষ্ট না

১৯. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
comment by: পারভেজ বলেছেন: অসহায় ক্ষোভ আর নেটে প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আর কি ই বা করার আছে। খুব ভালো লাগলো লেখাটা। অনেক কিছুই জানা ছিল না।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আসলেই ভাইয়া কিছু করার নেই । এসব ঘটনা এতই বেশি যে সংক্ষেপে লিখতে গেলেও ৬/৭ টা পোস্ট হত । এতো গেল শুধু ফ্লাশ আউট হওয়া ঘটনা , গোপন রয়ে গেছে তার চাইতেও অনেক বেশি ।

দুঃখের ব্যাপার হল , ব্লগিস্ফিয়ারেই লিভনি, বারাক দের চাইতে বড় জায়োনিস্ট দেখি , সামান্য কথাতেই যাদের গায়ে জ্বালা উঠে যায় । কনক্রিটের নিচে চাপা পড়া শিশুদের দেহ দেখে তারা যৌক্তিকতা খুঁজে , আর কুরবানীর ছাগলের রক্ত বন্ধে পোস্টের পর পোস্ট দিয়ে ভাসিয়ে ফেলে ।

সান্ত্বনা এতটুকু যে এখনও এত পাশবিক স্তরের ভন্ড হতে পারিনি

২০. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
comment by: মুনিয়া বলেছেন: ভাইয়া লেখাটা ইংলিশ করে ব্লগস্পট আর ওয়ার্ডপ্রেসে দেন।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: আমার যে ব্লগস্পট অথবা ওয়ার্ডপ্রেসে অ্যাকাউন্ট নাই :(

২১. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১১
comment by: সাইফুর বলেছেন: কিছুই বলার নাই..অবাক হবার ক্ষমতা কমে গেছে :(
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: :(

২২. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৯
comment by: সাইফুর বলেছেন: এই পোষ্টে মাইনাস দেওয়ার কি ছিলো? আজব???
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: অবাক হইনাই সাইফুর ভাই । ইজরায়েলের কথা বললে চরম নাখোশ হওয়া লোক ব্লগে বেশ কয়েকজন ই আছে । ইজরায়েলও এদের দেখলে অবাক হত

২৩. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: কি আর বলবো :(
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: :( , আসলেই

২৪. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১২
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ব্লগের সুশীলরা কিন্তু ইজরালের এই ম্যাসাকার ও যুদ্ধাপোরাধে চুপ ;) খেয়াল করেছো ?
২৫. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
comment by: রবিনহুড বলেছেন: মাহবুব সুমন বলেছেন: ব্লগের সুশীলরা কিন্তু ইজরালের এই ম্যাসাকার ও যুদ্ধাপোরাধে চুপ ;) খেয়াল করেছো ?
২৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
comment by: অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: লেখাটি অসম্ভব ভাল লেগেছে। অনেক কিছু জানা হল। অসহায় ক্ষোভ আর নেটে প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আর কি ই বা করার আছে।
২৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
comment by: সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: নির্বাক।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: আমিও আসলে কি বলব শিওর না , কি লিখলাম , কেন লিখলাম সেটাও অনিশ্চিত

২৮. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪
comment by: নাখ লুমিশ নিমা বলেছেন: ব্লগে আমার প্রথম কমেন্ট।
পোস্ট টি পড়ে ভালো লাগলো।
কিন্তু এরকম তুচ্ছ ভালো লাগার কোন মূল্য নেই গাজায় ছেলেহারা মায়ের
অশ্রু রুদ্ধ চোখে।
তারপরেও শুভকামনা সুন্দর ভাবনার জন্য।
২৯. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: সহেলী বলেছেন: ইজরাইল নামটা আমার কাছে আজরাইল আজরাইল মনে হয় । কিছু বলার নেই । বোবা বধির এবং অন্ধ হয়ে আছি ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: ইজরায়েল নামটা শুনলে সত্যিকার অর্থেই অন্যরকম একটা অনুভূতি হয় । স্বেচ্ছায় হোক , বাধ্য হয়ে হোক , সবাই আমরা এমনটাই হয়ে আছি

৩০. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৬
comment by: শিট সুজি বলেছেন: অনুভুতিগুলো আপনার মত এত চমৎকার ভাবে কেউ প্রকাশ করতে পারে না । চমৎকার হয়েছে ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজী । এক্সাম কবে ? প্রিপারেশন কেমন ?

৩১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০১
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ইহুদি জাতিটার সমস্যা কি আমি কিছু বুঝতে পারি না । ৯১% ইসরালি জনগন তাদের শ্বাপদ সেনাবাহিনীর নৃশংস আগ্রাসনের পক্ষে । তাদের দাবী হামাসের নিশ্চিন্নতা, নিশ্চিত নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা না দেয়া পর্যন্ত আগ্রাসন চালিয়ে যেতে হবে । এক ইসরায়েলি মহিলাকে আলযাযিরার এক সাংবাদিক জিজ্ঞ্যেস করেছিলেন - গাজায়, ৪০% নারী ও শিশু হত্যাকে তিনি কিভাবে দেখেন ? সাগরের পারে বসে খুব সুস্বাদু খাবার খেতে খেতে মহিলা বিক্ষুব্ধ ভংগিতে উত্তর দিলেন - "আমাদের যে সিভিলিয়ান মরছে, তা কি কেউ দেখছে না? আমরা আরাব মহিলাদের মত আহাজারী করিনা, আমদের মৃত্যু নিয়ে কোন মুভি হয়না । আমরাও মরছি সন্ত্রাসে । সেনাবাহিনীর আগ্রাসন যুক্তিযুক্ত ।"

হামাসের হোম মেড গোলা গুলো দিয়ে সাউর্থান ইসরায়েলে কতজন ইসরায়েলি মরেছে তার কোন যথার্থ পরিসংখ্যান না দিয়ে এভাবেই মাইট ইজ রাইটের জোরে ইসরেয়েল গনহত্যার দায় জাতিসংহে ইসরায়েলের বিশেষ দূত চাপিয়ে দিয়েছেন হামাসের উপর - "ফিলিস্তিনের নিহত নিরিহ মানুষের জীবনের দায় হামাসের ।"

বাকরূদ্ধ হয়ে গেলাম । আগুন পোষ্ট । হ্যাটস অফ ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: জিউয়িশ আর মুসলিম রা একটা দিক দিয়ে ঠিক বিপরীত মেরুতে দাঁড়িয়ে , একটা গ্রুপ যে কোন ইস্যুতে ইউনাইটেড , আরেকটা গ্রুপ সারাক্ষণ নিজেদের মধ্যে বিভেদে ব্যস্ত ।

মোটাদাগে যেভাবে বলে দিলাম , তাতে মনে হবে জিউয়িশদের ইউনাইটেড স্ট্যান্ড প্রশংসার দাবীদার । প্রকৃত ঘটনা মোটেও সেরকম না । জিউয়িশ দের বর্বরতা , নির্মম , নৃশংস , পাশবিক সব আচরণের পেছনেই ইহূদীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে যায় ,তাদের ঐক্যে রচিত বলয়কে শয়তানের বলয় বললেই বেশি মানাবে । অন্য দিকে মুসলিমরা একদিকে কোন কিছুতেই একমত্ হতে পারে না , তাদের একটা দল কোন সমালোচনাই সহ্য করতে পারে না , আরেকটা দল প্রতিটা মুহুর্তই আত্মসমালোচনা করে কাটায় , মুসলিম পারস্পেকটিভের বদলে সবকিছুই তারা এভিল এক্সিসের পারস্পেকটিভে বিচার করে

তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

৩২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: লেখাটা অসাধারণ, অনেক তথ্যবহুল। ইজরাইলের সাম্প্রতিক অবস্থান সম্পর্কে খানিক অবগত থাকলেও পেছনের ঘটনাগুলো অত স্বচ্ছ ছিলনা,
পোষ্টের জন্য আবারও অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভানুনু সম্ভবত বছরচারেক আগে মুক্তি পেয়েছেন। তবে অভিমানে তিনি নাকি আর 'হিব্রু' বলেন না, কেবলই 'ইংরেজি' আওড়ান। যদিও আমাদের সালাউদ্দিন শোয়েব ভাই 'হিব্রু' নিকে আমাদের এই ব্লগে নীরবে বিচরন করে বেড়ান:D
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: মোর্দেশাই ভানুনু ইহুদী ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহন করেছেন

এত বড় পোস্ট কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ

৩৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৭
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: আচ্ছা, একটা জিনিস বুঝছি না, যায়নিস্টদের এই বিপুল প্রতাপের উৎস কি? কেনইবা মার্কিন-ব্রিটিশদের মত পরাশক্তিরা এদের হাতএ জিম্মি??
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: ব্যবসা বাণিজ্যে ইহুদীদের আধিপত্যটা দেখলে বুঝতে পারবেন । ১৪০০ বছর আগের আরবের ইতিহাস দেখলে দেখবেন সেসময় ইহুদীরা ছিল শীর্ষ ব্যবসায়ী । মধ্যযুগের ইউরোপের ইতিহাসে পাবেন , সে সময়টাতেও বাণিজ্য ছিল জিউয়িশ দের অধিকারে । যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার শতকরা ১ ভাগেরও কম হয়ে ইহুদিরা পেট্রোলিয়াম , স্টিল , মিডিয়া সহ অন্যান্য সেক্টের বিরাট আধিপত্য বিস্তার করে আছে , তার কিছুটা এখানে Click This Link

ডেমোক্রেটিক আর রিপাবলিকান পার্টি ইলেকশনের আগে চাঁদা তোলে । পার্টিগুলো চলবার জন্য , নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য এ টাকা আসে ইহুদী টাইকুনদের পক্ষ থেকেই । এদের নুন খেয়ে মার্কিন প্রশাসনকে তাই এদের গুণ গাইতেই হয়

৩৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: @ আম্যাটার কেন ইহুদী লবির কথা শোনেন নি? মার্কিন রাজনীতির কর্পোরেট মেরুকরন নতুন কিছু নয়।১৯০৭ সাল থেকে যখন রকাফেলার এন্ড গং রা সেন্ট্রাল বাংকিং আ্যাডপ্টেশনের দাবী তুলেছিল তখন থেকেই।শালাদের কোন মরাল নেই। রকাফেলার রা সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের সময় দুই পক্ষকেই ক্লায়েন্ট করেছে। হিটলারের বিমানের জ্বালানী এসেছে মার্কিন কোম্পানীর কাছ থেকে, সেলুকাস আর কাকে বলে।আর যুদ্ধের পরে এই অনৈতিক ব্যাবাসার কারনে বর্তমান বুশের দাদা প্রেসকট বুশ শোকজড হয়েছিলেন। মানুষের জীবনের চেয়ে ব্যাবসা অনেক জরুরী। এই যায়গায় ইহুদীরা যোজন যোজন এগিয়ে।


আগুন পোস্ট
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তুহিন

৩৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
comment by: কন্টক বলেছেন:
হুমমমমম
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: হুমমমম

৩৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
comment by: সাইফুর বলেছেন: হু
৩৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
comment by: তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অসম্ভব ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ।
৩৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: উন্মোচক বলেছেন: Click This Link
৩৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
comment by: মাইনাস এইটিন_পন্ডিত বলেছেন: এড়িয়ে চলি। দেখতে ইচ্ছে করেনা। আর কত দেখবো? আর কত শুনবো? তাও চোখের নিচে পড়ে যায়।রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত মানুষের লাশ দেখি। আতংকিত শিশুর মুখ। অনুভূতি অবশ হয়ে আসতে চায়। অক্ষম প্রতিবাদ ছাড়া আর কি করতে পারি আমরা?
===================================

এর জবাব শোনো বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...
এর জবাব বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...

কত পথ পাড়ি দিলে একটি মানুষ
মানুষ বলে ডাকবে তাকে?
কত সাগর পাড়ি দিবে একটি শ্বেতকপোত
সাগর তীরে ঘুমানোর আগে?
কামানগুলো কতবার গোলা ছোঁড়ার পর
চিরতরে স্তব্ধ হবে?

এর জবাব শোনো বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...
এর জবাব বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...

সাগরে মেশার আগে কত যুগ ধরে
দাড়িয়ে থাকে পাহাড় চুড়াটি?
আর স্বাধীনতা পাওয়ার জন্য কত যুগ ধরে
টিকে থাকে একটি জাতি?
আর কতবার একটি মানুষ মুখ ফেরাতে পারে
যেন সে কিছুই দেখেনি?

এর জবাব শোনো বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...
এর জবাব বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...

আকাশ দেখতে একজনের বলো কতবার
উপর দিকে তাকাতে হয়?
আর মানুষের কান্না শুনতে বলো একজনার
কতগুলো কান থাকতে হয়?
আর কত মানুষ মারা গেছে বুঝবে সে কবে,
আরো কত জীবন হলে ক্ষয়?

এর জবাব শোনো বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...
এর জবাব বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...

এর জবাব শোনো বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে...
এর জবাব বন্ধু হাওয়ায় আসে ভেসে....।।


[ লিরিকটি "পেপার রাইম" ব্যান্ডের এলবাম "পেপার রাইম" থেকে নেয়া। ]
৪০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৪
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখাটা ফাভারিটে নিলাম,গোল্ডফিশ মেমোরির মানুষকে আরেকবার বারবার মনে করিয়ে দেবার জন্য বিশ্বের মানবাধিকারের ধ্বজাধারীদের প্রহসনের কথা।
বিগব্যাংয়ের লাগলো ক্যান? এইটা কি আইজুদ্দি নাকি নাজিমুদ্দি? কত পয়সা পায় মোসাদের কাছ থেকে এই লোক?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: বিনা পয়সায় দালালী করার লোকেরও অভাব নাই , এরা দিলের মাঝে ভালবাসা থেকেই এমন করছে

৪১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন:


comment by: রবিনহুড বলেছেন: মাহবুব সুমন বলেছেন: ব্লগের সুশীলরা কিন্তু ইজরালের এই ম্যাসাকার ও যুদ্ধাপোরাধে চুপ ;) খেয়াল করেছো ?
৪২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৫
comment by: সাইফুর বলেছেন: হ :)
৪৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৯
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: পশ্চিমাদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের ভিতুরাও কিন্তু চুপ হয়ে বসে আছে এই মানবতা বিবর্জিত হামলা দেখার পরেও।

শুধু মসজিদে মসজিদে দোআ আর কিছু ঔষধ পাঠাতেই দেখতেছি তাদের।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: নাজিরুল ভাই ,

সৌদি আরবে কি সাধারণ নাগরিকদের এসব বিষয়ে মত প্রকাশ বা বিক্ষোভ করার সুযোগ আছে ? মিশর আর সৌদি আরবের মার্কিন পদলেহন সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে

৪৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৮
comment by: মুনিয়া বলেছেন: অ্যাকাউন্ট খুলতে কত্ক্ষণই বা লাগে...
প্লিজ ভাইয়া।
অনেকেই অনেক লেখা দিচ্ছে। কিন্তু আপনার এই লেখাটা পেলাম ইনফরমেটিভ। কষ্ট করে এত বড় লেখা লিখেছেন। বাকিটুকুও করে ফেলেন। হয়তো কয়েকজনের টনক নড়বে। এটাই কম কি। আমাদের বোধ হওয়া দরকার।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা , অ্যাকাউন্ট তাহলে করি একটা । ঘটনাগুলোর লিংক দিতে হবে । সেগুলো এখন একসাথে করি আগে ।

অনেক ধন্যবাদ সচেতন করে দেয়ার জন্য

৪৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৩
comment by: মুনিয়া বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
৪৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
comment by: শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রিয়তে ........

এমন একটা লেখার দরকার ছিলো .......
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৪৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫
comment by: রাতুল" বলেছেন: নিরুপায় আমরা। কিছুই করতে পারছি না। গতকালকে যখন অনেক গুলো ছবি দেখলাম আরও একবার মনে হল কতটা অসহায় আমরা। ইরাক কুয়েতে এক দিনের জন্য আগ্রাসন চালানোতে ২০ বছর ধরে ওদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে, শাস্তি দেয়া হচ্ছে, আর ইসরাঈল বছরের পর বছর ধরে এই নিরীহ বাচ্চা, মহিলা, অসহায় লোকগুলোকে মেরে ফেলছে এতে কোন সক্রিয় প্রতিবাদই জানানো হচ্ছে না। মানুষ মারার কত বড় লাইসেন্স এরা পেয়ে গেছে। আবার এরাই নাকি মুক্তবুদ্ধির দেশ। ধিক উন্নত বিশ্ব।
৪৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
comment by: সামিউল জাহান বলেছেন: মাইনাস কে দিলো?
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৭

লেখক বলেছেন: ফিলিস্তিনি জনগণের ধর্মীয় পরিচয়ের সাথে মুসলিম শব্দটি থাকায় ভার্চুয়াল জায়োনিজমের বিস্তার ব্লগেও আছে । ভাবিত না হয়ে সত্যের জন্য প্রার্থনা করি ।

৪৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
comment by: রাজনীতি বলেছেন: কি হবে মুসলমানদের? ভাগ্য কি প্রসন্ন করবে?
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: ভাগ্য বদলানোর চেষ্টা নেই , তাই ভাগ্যও কখনো সুপ্রসন্ন হয় না ....এটা নির্মম বাস্তবতা

৫০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২
comment by: স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: "ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইনে শান্তি আসুক"

এই আপ্তবাক্যটি আওড়ানো ছাড়া আমাদের কিছুই করার নাই
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: তাই যেন হয় স্বাক্ষর ভাই

৫১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
comment by: নরাধম বলেছেন: মেহরাব, স্যালুট তোমাকে। প্রিয় পোস্ট।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: মাহফুজ ভাই , আপনার কথাতেই বলি । যুক্তি দিয়ে , শ্রম দিয়ে কিছুই করতে পারছি না । নরখাদক পশুগুলো যুক্তি বোঝেও না ।

অন্তত এই সময়টায় আমি আবেগী হতে চাই ।

৫২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৩
comment by: রুকনুজ্জামান বলেছেন: অসাধআরন পোষ্ট।আমি যদি অন্য কোন ফোরামে লেখাটা কপি পেষ্ট কোরে দেই(তোমার কারেটসি তে) তাহলে মাইন্ড করবে?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন: দোস্ত রুকন , ব্যবহার করতে পারো ইচ্ছামতন । ফিলিস্তিনিদের জন্য একটা ফোটাও তো কিছু করতে পারি না , সামান্য একটু লিখেই বিবেকের কাছে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা ।

৫৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১০
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

এরকম অসাধারণ একটা লেখা অনেক দেরীতে পড়ার জন্য দুঃখিত ।

হিটলারের একটা উক্তি আজ দেখলাম, যার অর্থ দাঁড়ায়-হিটলার বলছেন,-
"অবশিষ্ট যে ইহুদিদের আমি বাঁচিয়ে রেখেছি, তাদের দেখে আপনারা চিনবেন, ইহুদি কি জিনিস !"


এই উক্তির পর মনে হচ্ছে আর কিছু বলার দরকার নাই ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: শিপন ভাই , কিছুক্ষণ আগেই এক বন্ধু উক্তিটা দেখাচ্ছিল । মনে মনে বললাম , অন্ততঃ এই একটা উক্তির জন্য একবার "হাইল হিটলার" বলতাম

৫৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: প্রিয়তে
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সবই বানিজ্য। শতশত হাজার হাজার নিরীহ জনমানুষের জীবন আজ বানিজ্যের কোটরে বন্দী। ইজরায়েল না থাকলে আমেরিকার বানিজ্যে ভাটা পড়বে যে? আমেরিকার অর্থনীতি অনেকটা ইহুদীদের হাতে জিন্মি।

অসাধারণ একটা লেখা পড়লাম ঘুম থেকে উঠেই। শামীমের মন্তব্যের উত্তরে বলি, ক্ষমতাই আইনের রক্ষক এবং ভক্ষক। ক্ষমতাই আইন সৃষ্টি করে, ক্ষমতাই আইন বদলায়, ক্ষমতাই আইন ভাঙে। নিপীড়িতের চেয়ে চেয়ে মার খাওয়া ছাড়া কিছুই করার নেই এই অসম পৃথিবীতে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: ক্ষমতাই আইন সৃষ্টি করে, ক্ষমতাই আইন বদলায়, ক্ষমতাই আইন ভাঙে। নিপীড়িতের চেয়ে চেয়ে মার খাওয়া ছাড়া কিছুই করার নেই এই অসম পৃথিবীত..........

এর চাইতে বড় সত্যিটা নেই

৫৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ব পয়েন্ট............

ইজরায়েল তোমাকে ভাবতে বলে .... বিশ্বের বুকে অসংখ্য মিডিয়া সাংবাদিক প্রাণ হারানোর পরেও কেন শুধু একজন ডানিয়েল পার্লের জন্য কান্না ঝরে , তার স্মৃতির উদ্দেশ্যেই কেন শুধু নির্মিত হয় হলিউডের "অ্যা মাইটি হার্ট" মুভি । গানস অব নাভারন , নাইট অব দ্যা জেনারেলস বা ব্রিজ অন দ্যা রিভার কাউয়াই এর মত মুভির বদলে কেনই বা এখন শুধু নির্মিত হয় শিন্ডলার্স লিস্ট , লাইফ ইজ বিউটিফুল , দ্যা পিয়ানিস্ট বা মিউনিখ? ফিলিস্তিনিদের মত নোংরা শ্বাপদের স্মৃতিতে নিবেদিত একটি সিনেমার নামও কি তোমরা বলতে পারবে ?
%%%

ব্যাপারটা হল স্টিভেন স্পিলবার্গ আর জেমস ক্যামেরন দুজনেই ইয়াহুদ। কাজেই চলচিত্রে সেই পুরনো ইহুদী নিধনের ইস্যু তুলে ধরে তারা "হলোকাস্ট সারভাইভর" হিসেবে বিশ্ব বাসীর কাছে করুণা পাবার ব্যবস্থা করে ও করছে। এত দিন ভাবতাম মার্কিন প্রশাসনই শুধু ইয়াহুদের বশংবদ। এখন দেখি আম জনতার মগজ ওরা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মারফতে ধোলাই করে রেখেছে। তাদের কথা হল একটাই,

"অস্ত্র থাকবে মিলিটারীর হাতে, যেমনটা বৈধ ভাবে আছে ইজরায়েলী সৈন্যদের হাতে। কিন্তু সিভিলের হাতে অস্ত্র মানেই ওরা সন্ত্রাসী, ফিলিস্তিনি হোক আর যাই হোক সাধারণ মানুষ অস্ত্র ধরার অধিকার রাখেনা। কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে মিলিটারীর অধিকার ও বৈধতা আছে বেসামরিক স্থাপনায় বোমা ফেলার, কিন্তু অস্ত্র হাতে সাধারণ মানুষ যদি সৈন্য (ইজরায়েলী) মারে, সেটা হবে সন্ত্রাসী কাজ।"

তর্কের খাতিরে বলার প্রবল ইচ্ছাটা দমন করলাম।

"তাহলে হিটলারের তো বৈধ সেনাবাহিনী ছিল। সেই সেনাবাহিনী তো তোমাদের তত্ব মতে সিভিল হত্যার অধিকার রাখে।"


দেশে ফিরে গিয়ে রাতে তারা গুণেও অনেক কাজ হবে, শান্তি পাব মনে হয়।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: সাইফ ভাই , বিবেক সত্যি অপরাধী করে রাখে আমাদের । খুবই যৌক্তিক প্রশ্ন ........ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তানিম হুমায়ুনের কথাটাই মনে আসে ........"নরখাদক নরাধমকে আমরা শোনাই বিবেকের কথা"

৫৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সম্ভবতঃ এটাই ব্লগে আমার পড়া সেরা প্রবন্ধ ... তথ্যবহুল আর ভীষন তীক্ষ্ণ ... এটার ইংরেজী অনুবাদ হওয়াটা জরুরী ... প্রিয় পোস্টে
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশাহ ।
এই উক্তিটি কি শুনেছিলেন ?

"EVERY TIME WE DO SOMETHING, YOU TELL ME AMERICANS WILL DO THIS AND WILL DO THAT. I WANT TO TELL YOU SOMETHING VERY CLEAR: DON'T WORRY ABOUT AMERICAN PRESSURE ON ISRAEL;

WE, THE JEWISH PEOPLE, CONTROL AMERICA. AND THE AMERICANS KNOW IT."

-- Israeli Prime Minister Ariel Sharon
October 3, 2001

৫৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: কি বলব।
শুধু একটা কথাই বলি আজ।
"দাড়াতে শিখতে হবে নিজেকেই" এছাড়া তো এমনকি 'নিন্দা প্রকাশ'এর ও সাহস হয়না। :(

সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: তানভীর , সামহোয়ার থেকে হারায় গেলা ?

৫৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৮
comment by: কোলাহল বলেছেন: পড়তে পড়তে লেখকের প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা চলে আসল।

একটি জাতি, যাদের জন্মই ছিলো অবৈধ, রক্তের সৌধের উপর যাদের বসবাস, তাদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখেছে , খুব দাপটের সাথেই টিকিয়ে রেখেছে কতগুলি সুনিপুন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে। জাগতিক সকল কৌশলের প্রয়োগ ঘটিয়েছে চরমভাবে, ওদের বিরুদ্ধে বলব কি বরং ওদের গৃহিত প্রতিটি পদক্ষেপ দেখে আরো শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছে হয়।

সেদিন একটা লেখায় দেখলাম ইসরাইল রাস্ট্রের যখন জন্ম হয়নি, সেই তখন থেকে ইহুদিরা মুল্যহীন আরব ভুমি চড়া দামে কিনে নিয়েছিলো, (আর শেখের দল ইহুদীদের নির্বুদ্ধিতা !! দেখে মনে মনে হয়তো হেসেছিলো। ) আসলেই আরবরাই তাদের পায়ের তলার মাটিকে প্রথম ওদের হাতে তুলে দিয়েছিলো।

আজকে সেই একটুকরো মাটির জন্য হাহাকার। আত্নপর্যালোচনা করতে গেলে নিজেদের অনেক কিছুই চলে আসে। কস্ট এটাই যে এর শিকার হচ্ছে নিরাপরাধ মানুষ।

তথ্য সমৃদ্ধ লেখার জন্য ধন্যবাদ ভালো লাগলো কয়েকজনের মন্তব্য পড়েও। প্রিয় পোস্টে রাখলাম।
৬০. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট। এই ধরনের লেখা শুধু ব্লগের পাতায় থাকবে কেন, দৈনিকের পাতায়ও প্রকাশিত হোক। সব গুণই আছে এই লেখাটির।

হ্যাটস অফ টু ইউ...
৬১. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
comment by: সুরভিছায়া বলেছেন: এখনো আশা করতে ভাল লাগে খুব শীঘ্রই কিছু একটা ভাল হবে ।
৬২. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০
comment by: সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আর যে লিখছেননা ?
৬৩. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
comment by: মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: এত দেরীতে পড়লাম, +
৬৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০২
comment by: মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: চমৎকার +++
৬৫. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
comment by: মুক্তিযুদ্ধ০০৭ বলেছেন: সময়োপযোগী, শিক্ষণীয় ও বিশ্লেষণধর্মী.............. ধন্যবাদ।

...কোনদিন হবে আমাদের হুঁশ..???
৬৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১২
comment by: ভীতু বলেছেন: ++++++++++++++++++
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৬
comment by: কার্ল মার্কস বলেছেন: ভালো পোষ্ট। সচেতন হতে হবে...

দ্রত আংরেজী কইরা আংরেজী ব্লগে পুষ্টান, দরকার আচে...
৬৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস । এবার সত্যিই সত্যিই ইংরেজি করব , কালকেই হয়ত
৬৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
comment by: রুদমী বলেছেন: এই ইহুদি জাতি মনে হ্য় জীবনেও ঠিক হবেনা। আর আমেরিকা তো আছেই ওদের তাল দেয়ার জন্য!

লেখাটা আসলেই অসাধারণ হয়েছে। এতটা detail জানতাম না। লেখাটা পড়ে অনেক জানা গেল। translate কি করেছো? না করলে করে ফেল তাড়াতড়ি।
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: না , করিনি ।

আমার মত অলস করলে তো .....

অনেক ধন্যবাদ

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: শুরু করেছিলাম , মোটামুটি ৬০ ভাগ করে তারপর স্তিমিত ...

৭০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
comment by: নির্বাসন বলেছেন: আমার পড়া অন্যতম সেরা লেখা...আপনার হাত দিয়ে বেরিয়ে আসুক আরো অনেক এমন লেখা।
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা ...

৭১. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪০
comment by: সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: এটা সেই লেখাটা ...............
৭২. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
comment by: আমি এবং আঁধার বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে।
৭৩. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭
comment by: রুদমী বলেছেন: ৬০% তো লিখেই ফেলেছো, আর বাকি ৪০% লিখতে তোমার বেশী সময় লাগবেনা। অলসতাকে একটু ছুটি হিয়ে বাকিটা তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেল :)
৭৪. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
comment by: গোয়েবলস বলেছেন: প্রিয়তে__________++++++++++++++++

 

 


হিজল বন ফুলের আখরে লিখিয়া রঙিন চিঠি /
নিরালা বাদলে ভাসায়ে দিয়েছে না জানি কোন দিঠি //
চিঠির উপর চিঠি ভেসে যায়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ