আমার প্রিয় পোস্ট

আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছো বসি আমার ব্লগখানি কৌতুহল ভরে

ডায়াসে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ প্যাচালের ইতিহাস :: ক্লিওন থেকে মুয়াম্মার গাদ্দাফী

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১১

শেয়ারঃ
0 2

বারাক ওবামার ভাষণের পর ১৫ মিনিট বরাদ্দ ছিল লিবীয় প্রেসিডেন্ট কর্ণেল মুয়াম্মার গাদ্দাফীর জন্য । এরপর পালা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের । কিন্তু গর্ডন ব্রাউনের অপেক্ষার পালা যেন ফুরোতেই চায় না । ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ঘটল এই ঘটনা।

অবশেষে যখন গর্ডন ব্রাউনের সুযোগ মিলল , ততক্ষণে পেরিয়ে গেছে ৯৬ টি মিনিট। পুরো সময়টা জুড়ে কিছুই যেন বাদ রাখেননি গাদ্দাফি । আবেগাপ্লুত হয়ে সোমালী জলদস্যুদের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে
কারা সেটা থেকে শুরু করে জন এফ কেনেডির মৃত্যু নিয়ে আলোচনা
করে ফেলেছেন । তাঁর কথার তীক্ষন বাণে রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত করেছেন বিশ্বের জাঁদরেল সব নেতৃবৃন্দকে , নিরাপত্তা পরিষদকে অকার্যকর দাবী করে একে তুলোধুনো করেছেন , সোয়াইন ফ্লুকে আখ্যা দিয়েছেন
পশ্চিমা সামরিক স্বার্থে উৎপাদিত গুজব এবং ভাইরাস হিসেবে।


(সবেমাত্র জাতিসংঘ সনদ ছিঁড়ছেন গাদ্দাফী , বক্তৃতা তখনও অনেএএক বাকি)

মার্কিন মুল্লুকে উড়ে আসতে জেট ল্যাগে আক্রান্ত হয়ে কি ভীষণ ঝক্কি গেছে তার সে কথাও বাদ থাকেনি । সারা বিশ্বে সময়ের পার্থক্য নিয়ে তাই অভিযোগ করে বসেছেন । জাতিসংঘ সনদ ছিঁড়ে টুকরো
করেছেন , ছুঁড়ে ফেলেছেন। শেষমেশ নিজের ওয়েবসাইটের প্রচারণাতেও
কাজে লাগিয়েছেন সাধারণ পরিষদের ডায়াস।


লম্বা কথার লম্বা ইতিহাস :
এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় গর্ডন ব্রাউন যদি হতাশ হয়ে পড়েন , তবে বলতেই হবে ব্রাউন যথেষ্টই ভাগ্যবান । অন্য অনেকের তুলনায় গাদ্দাফী যে নিতান্তই শিশু ।


(কাস্ট্রোর কথা শুরু হত , কিন্তু শেষ হত না)

১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই ডায়াস থেকে বক্তৃতা শেষ করে কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিডেল ক্যাস্ট্রোর সময় লেগেছিল পুরো ৪ ঘন্টা ২৯ মিনিট। তবে , ইতিহাস বলে , ক্যাস্ট্রো সেদিন কথা অনেক কমই বলেছিলেন । টানা ঘন্টার পর ঘন্টা বক্তৃতা দিয়ে যাওয়ায় তার জুড়ি মেলা
ভার। ১৯৮৬ সালে কিউবান কমিউনিস্ট পার্টি কংগ্রেসে ক্যাস্ট্রো
একনাগাড়ে ৭ ঘন্টা ১০ মিনিট উচ্চকন্ঠে বক্তব্য দিয়েছিলেন। এত বেশি
উত্তেজিত ছিলেন যে , মাঝে খাবার বিরতিও দেয়া হয়নি ।


ভারতীয় রাজনীতিবিদ ভিকে কৃষ্ঞমেনন তো আরেক কাঠি বাড়া । কাশ্মীরের উপর ভারতের কর্তৃত্বকে বৈধ প্রমাণ করতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটানা আট ঘন্টা গলা চড়িয়েছিলেন তিনি।


লম্বা কথার একাল/সেকাল :
গণতান্ত্রিক দেশে লম্বা ভাষণের ঘটনা আজকাল তুলনামূলকভাবে কমই ঘটে থাকে । আগে যেখানে লম্বা চওড়া বক্তৃতাকে বক্তার বিচক্ষণতা মনে
করা হত , এখনকার দিনে আজকাল বক্তার রাজনৈতিক দূর্বলতা হিসেবেই চিহ্নিত করা হয় ।

উদাহরণস্বরুপ , গর্ডন ব্রাউনের নামেই অভিযোগ আছে , তিনি অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করে জগাখিচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন। অথচ তার হ্যারল্ড ম্যাকমিলান পর্যন্ত পূর্বতন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীরা যখন ঘন্টার ঘন্টার পর ঘন্টা বলে যেতেন , তখন লোকে তাদের আরও বেশি সমীহ করত ।


বাঘে ধরলে ১৮ ঘা , ঠিকমত বক্তৃতা না শুনলে , তালি না দিলে ৩৬ ঘা :
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রুশ বিভাগের অধ্যাপক এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন যে , শ্রোতারা উঠে চলে যাবে না , এমন নিশ্চয়তা পেলেই অনেকে লম্বা বক্তৃতা দেয়ার অভ্যাস গড়ে তোলেন । গাদ্দাফির বেলায় নিঃসন্দেহে তাঁর বাগ্মীতা শ্রোতাদের ধরে রাখে না , জাতিসংঘ সাধারণ
পরিষদে কূটনৈতিক রীতি আর ভদ্রতার কারণেই সবাই নিঃশব্দে তার ভাষণ শুনে গেছে , তবে দেশে তার অনুসারীদের সামনে বক্তৃতা শুরু করেন , তখন নিজেদের গা বাঁচানোর স্বার্থেই সবাইকে বক্তৃতা শুনে
যেতে হয় ।


(বক্তৃতাকালে দাঁড়িয়ে সম্মান বা তালি সব বক্তাই পছন্দ করেন ... তবে ...)

লম্বা বক্তব্য দেয়ার পর সবাই যদি তালি দিতে কার্পন্য করে , সেটা বক্তার জন্য বিরাট অপমানজনক । সাবেক সোভিয়েত নেতারা এই ব্যাপারটি
ভালভাবেই মাথায় রাখতেন বলে , তাদের বক্তৃতার পর অনুসারীদের
দীর্ঘ সময় ধরে ছন্দ মিলিয়ে তালি দিয়ে যেতে হত । কেউ যদি তালি
দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে যেত , তবে তার কপালে বিরাট দুর্ভোগ নেমে
আসত ।

বিখ্যাত রুশ লেখক আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিনের সাথে সাইবেরিয়ার বন্দীশিবিরে দেখা হয়েছিল এমনই এক হতভাগার। রাশিয়ার স্থানীয় এক কমিউনিস্ট পার্টি কনফারেন্সে কেউ একজন স্ট্যালিনের সুস্বাস্থ্য কামনা
করে বসতেই শ্রোতারা দাঁড়িয়ে তুমুল করতালি শুরু করে । স্ট্যালিন যদিও অনুপস্থিত , তারপরও কেউ তালি থামাতে , বা তালির তীব্রতা থামানোর সাহস পেল না । ১১ মিনিট একটানা ঝড়ের বেগে তালি দিয়ে সেই হতভাগার হাতের তালু লাল হয়ে যায় , কাঁধ যেন খুলে আসতে থাকে । বাধ্য হয়ে সেই হতভাগা পার্টি নেতা বসে পড়েন তার আসনে , পরের দিন তাকে গ্রেফতার করে সাইবেরিয়ার বন্দী শিবিরে চালান করে দেয়া হয় ।


(স্ট্যালিনের বক্তৃতা , বা বক্তৃতায় স্ট্যালিনের নাম ...... মানেই ভীষণ বিভীষিকা)

স্ট্যালিনের লম্বা ভাষণের এক চতুর্থাংশ শুধু তালিময় হয়ে থাকত । সেসব ভাষণ এমনিতেও ভয়াবহ রকমের লম্বা হত । সামাজিক , অর্থনৈতিক , সামরিক , পররাষ্ট্র সবকিছু নিয়ে বিস্তারিত ভাবে বলতে ভালবাসতেন স্টালিন। শুধু বর্তমানের কথা বলেই তিনি ক্ষান্ত হতেন না , আগামী ১০ থেকে ২০ বছরে কোন ক্ষেত্রে কি ঘটতে যাচ্ছে সেসবও বলতে গিয়ে শুরু
হত আরেক ভাষণ ।

পরবর্তী সময়ের সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট ব্রেজনেভও কম যাননি । এমনিতেই তার বক্তৃতার কপিগুলো হত পুস্তিকার মত , তার উপর ভীষণ উত্তেজিত হয়ে তিনি বহু পৃষ্ঠা দু'বার করে পড়তেন ।

লম্বা বক্তৃতা দিয়ে ধমক খাওয়া :
তবে , লম্বা বক্তারা জায়গা মত গিয়ে ধাতানিও খেয়েছেন ,সবচেয়ে
উল্লেখযোগ্যটা ঘটেছিল চিলিতে ।


(এত কথা বলে কাস্ট্রো ডোবাবে নাকি , ভীত হয়ে গেলেন সালভাদর আয়েন্দে)

১৯৭০ এর চিলিয়ান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সমাজতন্ত্রী সালভাদর আলেন্দের সমর্থনে প্রচারণা চালাতে চিলি গিয়েছিলেন কিউবান প্রেসিডেন্ট ফিডেল ক্যাস্ট্রো । আলেন্দের সমর্থনে চিলির বিভিন্ন জায়গায় যখন কাস্ট্রো লম্বা
লম্বা বক্তৃতা ।দিতে শুরু করেন , তখন স্বয়ং আলেন্দে শংকিত হয়ে
পড়েন । তার ধারণা হয় , কাস্ট্রোর এত লম্বা বক্তৃতায় অধৈর্য হয়ে চিলির জনগণ উল্টো আলেন্দের বিপক্ষে ভোট দিয়ে বসতে পারে । কাস্ট্রোকে
তাই কঠোরভাবে তিনি সতর্ক করে দেন কম কথায় কাজ সারতে ।

দীর্ঘ বক্তব্যের জনক কে ?
গাদ্দাফি বা কাস্ট্রো হয়ত আধুনিক কালে ঘন্টার পর ঘন্টা বক্তৃতা দিয়ে
বেড়াচ্ছেন , তবে প্রাচীনকালের দিকে যদি তাকানো হয় ,তবে তাঁদের
গুরু ছিলেন গ্রীক শিক্ষক ক্লিওন , যিনি মনে করতেন লম্বা চওড়া বক্তৃতা
দিয়েই কেবল জনগণের মন জয় করা সম্ভব।

পেলোপনিশিয়ান যুদ্ধে যেসব এথেন্সবাসী নিহত হয়েছিলেন , তাদের শৌর্য বীর্যের প্রশংসা করতে গিয়ে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানকে অসম্ভব রকমের প্রলম্বিত করে ফেলেছিলেন ক্লিওন , যে মৃতদেহ নিয়ে অনেকেই শঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন ।


শেষের গল্প :

(আতাতুর্ক ......কাল আবার বাকিটুকু ..... )

এখানেই শেষ করা যেত , তবে কামাল আতাতুর্কের গল্প না বললে
বক্তৃতাবাজীর গল্পটা মনে হয় অসমাপ্তই রয়ে যায় । ১৯২৭ সালে তার একটা বক্তৃতার দৈর্ঘ্য ছিল ৩৬ ঘন্টা ৩১ মিনিট । প্রতিদিন বক্তব্য শুরু করতেন কামাল পাশা , এভাবে পুরো বক্তব্য শেষ হতে সময়
লেগে গেল ৬ টা দিন !!


বিবিসি অবলম্বনে

 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: আমাদের দেশের কথা বলা হল না ......

আমাদের দেশে বক্তৃতা মানেই লম্বা , আর সেটার সবচেয়ে বড় ইন্ডিকেটর হল ......

"ভাইসব , আমি আমার বক্তৃতা আর দীর্ঘায়িত করতে চাই না"

এটা শুনলেই লোকে প্রমাদ গোনে

২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: পরিশেষে, লম্বা হৈলেও লেখা মারাত্নক হৈছে :)
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

লম্বা প্যাচাল পড়ার জন্য , আরও লম্বা হয়ে যাচ্ছিল , কেটে ছেঁটে অন্য জায়গা থেকে পাওয়া ইনফো গুলো বাদ দিলাম , নয়ত আপনারা শূলে চড়াতেন

৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ওয়াও -- দারুন সব জিনিস জানলাম ।:)

সাথে কিছু লিংক মিংক থাকলে ভালো লাগতো ।

গাদ্দাফির বক্তৃমাটা তো দেখতেই হয় দেখা যাচ্ছে ।

ওবামার বক্তৃতার ষ্টাইলটা বেশ ভালো লাগে আমার --
যে কোন বিষয় সহজ করে বলে সে -- সত্য মিথ্যা যাই হোক ।

বক্তৃতা দেনে ওলা রা সুঅভিনেতা হয় । আমরা যদিও জানি যে বক্তৃতা দিচ্ছে মিথ্যে কথা বলছে -- তারপরও সে মিথ্যায় ধরা পড়ি আমরা -- দোষ তো আমাদেরই :(
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: গাদ্দাফি স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড , ছাড়ে না কাউকে ....

আরব লীগ সম্মেলনে তো মাঝে মাঝেই এই আরব নেতা , সেই আরব নেতার সাথে হ্যান্ডশেকও করে না , কারও চামচামি ভাল না লাগলে সোজা বলে দেয় । সে কারণে ভালই লাগে ।

তবে , লোকটা খেপাটে , তাই মাঝে মাঝে সে যা বিশ্বাস করে বলে ফেলে , যার অনেকগুলোই অদ্ভূত শোনায় ।

শুনে দেখেন , খারাপ লাগবে না

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: হু , ম্যালা প্যাচাল

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২
আমি পালোয়ান বলেছেন: আপনার আলুতে দেয়া মেগা শক এট চকবাজার পোস্ট টা সম্পর্কে কিছু জানেন???
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক দুঃখিত , অনেক দিন পর আলু-ব্লগে গেলাম ।

আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী । আমার ধারণা ছিল , ঐ ব্লগে কেউ আমার লেখা পড়ে না , আপনি সহ কয়েকজনের কমেন্ট পড়ে ভাল লাগল ।


(অফটপিক: ঐ লেখার শুরুতে প্রথম আলো শব্দটা ছিল , তাই শুরুতে ভেবেছিলাম আলুরা আমার সেই চুনোপুঁটি পোস্ট ব্যান মারলো কিনা )

৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: "আমগো দেশে বক্তৃতা মানেই লম্বা",... ক্ষেত্র বিশেষে এইটার হেরফের হৈলেও বক্তাদিগের তালিকা যে লম্বা ইহার কোনো ব্যাতিক্রম নাই
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক কথা ,

ডায়াসের পেছনে ব্যানার ভর্তি নামের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে । এক ব্যানারে এত নাম আঁটতেই চায় না ।

বক্তিমা শুনতে হবে ... এমনটা ভাবলেই গায়ে জ্বর আসে

৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
কামালআবু বলেছেন: আমাদের নেতা/নাত্রীরা কম কিসে। উনারাও তো ঘন্টার পর ঘন্টা ভাষণ দিতে পারেন। সেই যে ভরদুপুরে শুরু হয়, পার্কের পশ্চিমের ময়দানে, শেষ হতে হতে তো রাত হয়। ইদানোং টিভিগুলো সরাসরি দেখায়।
ব্যাপারটা এমন ভাবে বলা যেতো, উনারাও ভালো ও লম্বা ভাষণ দিতে পারেন, ওমুকে এত ঘন্টা.......। ইনাদের ব্যাপারে আপনার লেখায় ডাটাবেজ থাকলে ভালো হতো। চমতকার পোস্ট। ধন্যবাদ
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: স্টেজে একবার উঠলে কেউই মনে হয় কারও চেয়ে কম যান না । রাজনৈতিক মিটিংয়ে তো যাই নাই ,কিন্তু সুশীলদের সেমিনার সিম্পোজিয়ামে দেখেছি , কথা বলতে বলতে সময় নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে গেছে

৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমি বক্তৃতা শোনা থেকে ১০০ হাত দূরে থাকি। কারন শুনতে গেলেই ঘুম আসে। আর সেমিনার গুলোতো আমার কাছে অত্যাচার মনে হয়। একের পর এক লোক এসে বক্তৃতা দেয়, কঠিন কঠিন কথা। কেউ কিছু না বুঝলেও শুনে যেতে হয়। আমার এক বারেই শিক্ষা হয়ে গেছে। সেমিনার শুনলেই আমি নাই। বাসায় এসে সব কাজ বাদ দিয়ে ঘুমাতে হয় এত কথা মাথায় নিয়ে আর কোন কাজ হয়না আমাকে দিয়ে!!! শুধু ক্লাসে অনেক কষ্টে টিচারদের কথা শুনতে হয়। না শুনে উপায় নেই। আমি নিজেও মনে হয় অনেক বক বক করে ফেললাম :P খিক!

কিন্তু ভাইয়া এটা কেমন হয়!!! ১ টা লেখা অর্ধেক রেখেই আরেকটা লেখাও অর্ধেক!!!!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার বকবক কিন্তু মোটেও খারাপ লাগে নাই :)

সেমিনার শুনি না অনেকদিন , আল্লাহর অশেষ রহমত । কাজের কথা শুনতে , কোন ডেমনেস্ট্রেশন শুনতে , গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা টিউটোরিয়ালে সেভাবে আপত্তি নেই । কিন্তু ফাঁকা স্টেজে বুলি শুনলে ঘাড়ের রগগুলো টানটান হয়ে যায় ।

ঐ লেখাটা ? :(
শেষ করব , আসলে মন ভাল নেই । আর কিছু করতে পারছি না একদমই , তাই এই লেখাটা জোর করেই নিজেকে দিয়ে লেখালাম

১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫
জনৈক আরাফাত বলেছেন: নেতানেত্রীগণ মাইকের প্রতি অমায়িক হয়ে পড়েন!
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন

মায়িকের প্রতি অমাইক
মাইকে কথা বলতে কেমন লাগে আরাফাত ভাই ?

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: আমার নিজের কাছে চরম বিব্রত লাগে , কারণ মাইকে যে শব্দটা শুনি , সেই গলা আমার খুব অচেনা লাগে , আমার গলা থেকে এমন শব্দ বের হচ্ছে কেন , সেটা ভেবে শঙ্কিত হয়ে পড়ি

১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: হাহা! প্যাচাল নিয়ে বেশ বড় প্যাচাল!!!
মজা পাইছি :D
ক্যাস্ট্রোর টা আগেই জানতাম অবশ্য :D
এর পরের পার্টে আমাদের দেশের নেতাদের ও আইনেন ।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: পরের পার্ট আসলে নাই :(
কিন্তু আমার শিরোনাম বুঝতে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে অনেকের , তাই ভাবছি ডেইলি সোপের মত লম্বা করে পরের আরেকটা পার্ট দিয়ে দিব

১২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
আমি পালোয়ান বলেছেন: আপনার ঔ পোস্ট টা প্রথম আলো ব্লগ ঈদ ম্যাগাজিনে প্রকাশ হয়েছে।
কিন্তু লেখকের নাম ভুল ছিল এখন ঠিক করা হয়েছে। ধন্যবাদ
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: ওখানে গিয়ে সব দেখে বুঝলাম ,

অনেক কৃতজ্ঞতা আপনাকে :)

১৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: হুম। বুঝতে পারছি। মন ভাল না থাকলে জোর করাও ঠিক হবেনা। মন ভাল হয়ে যাক তাই দোয়া করি।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

১৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
পল্লী বাউল বলেছেন: আমি তো মনে করতাম শুধু বাঙালীরাই বেশী বকে, এখনতো দেখিছি উল্টো...
খুবই ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: অভিনন্দন...প্রথম আলো ব্লগ ঈদ সংখ্যাটা ভালোই করেছে। লেখাটা পড়লাম মাত্র। আমি পালোয়ানকেও ধন্যবাদ বিষয়টি নজরে দেয়ার জন্য,,...এইখানে Click This Link
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

১৬. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: @ হাসান বায়েজীদ


অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া লিঙ্ক টা দেয়ার জন্য।
১৭. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: দারুণ একটা বিষয় নিয়ে লিখলেন, ভালো লাগলো।

অনেক অনুষ্ঠানে দেখবেন, উপস্থিত সভাপতি-অতিথিবৃন্দ-দর্শকশ্রোতাদেরকে নাম ধরে ধরে অভিবাদন-শুভেচ্ছা জানাতেই আধাঘণ্টা খেয়ে ফেলেন বক্তা, তারপর শুরু হয় আসল বক্তৃতা! এই লোকগুলোর নূন্যতম পরিমিতিবোধও নেই!

তবে সৌভাগ্যক্রমে আমি এমন মানুষের বক্তৃতাও শুনেছি, যাদের কথা ঘণ্টাখানেক ধরে শুনেও এতটুকু ক্লান্তি আসেনি, বরং মনে হয়েছে সময়টা এত তাড়াতাড়ি পার হয়ে গেল কিভাবে?
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: একটা ব্যাপার লক্ষ্য করবেন , উপস্থিত অন্যান্য বক্তাদের টাইটেল সমৃদ্ধ তৈলাক্ত নাম উচ্চারণ করতে যেমন এরা সামান্যতম লজ্জাবোধ করেন না , ঠিক যার নামে করছেন , তারও বিকার থাকে না ।

মাঝে মাঝে মনে হয় , মঞ্চে ওঠার সাথে সাথে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা তাদের লজ্জাটুকু বিসর্জন দিয়ে আসেন ।

দু'একটা চমৎকার বক্তৃতা আমিও শুনেছি , অপেক্ষায় রইলাম আরও হয়ত শুনতে পাব ।

অনেক ধন্যবাদ আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য

১৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪১
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ বলেছেন: ভালো লিখেছেন। ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

১৯. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২২
নিরক্ষর বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২০. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
সুবিদ্ বলেছেন: পুরাটা শেষ হলে প্রিয়তে নিব........
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২১. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: বাবারে, বিশাল ব্যাপারস্যাপার। লেখাটা জোশ হইসে। এত এনার্জি পায় কই ব্যাটারা?
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: মানুষের সামনে কথা বলার চান্স মিললে এনার্কি অটোমেটিক চলে আসে , তোমার নিজের বেলাতেও মিথ্যা হবে না

২২. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৫
নুশেরা বলেছেন: কটঠিন!

যুদ্ধস্মৃতির ধারাবাহিক থামালে চলবে না!
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: খুশি হলাম আপু ।

যুদ্ধটা চলবে ইনশাআল্লাহ , কারণটা বলব ঐ সিরিজ শেষ করার পর । কিন্তু ভয় কি জানেন ? মনে হচ্ছে , হয়ত সাদামাটা হয়ে যাবে , অনেক ভাবনা জমে আছে , যেগুলো বিচ্ছিন্নভাবে মাথায় আসে ।

২৩. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
ম্যাভেরিক বলেছেন: "ভাইসব , আমি আমার বক্তৃতা আর দীর্ঘায়িত করতে চাই না", ওরে, হা হা প গে। কট্টিন। :)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেকদিন মনে হয় বক্তৃতা শোনেননি :)
দোয়া করি, শীঘ্রই যেন বক্তৃতা শোনার ইচ্ছাটা পূরণ হয় :)

২৪. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
কাঠগোলাপ বলেছেন: লেখাটাতো কঠিন হইসেই, তবে ১ নং কমেন্টের উত্তরটাও সেইরকম আনন্দদানকারী :) +
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: হাহা :)

ধন্যবাদ

২৫. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: সেদিন অফলাইনে পড়ে গিয়েছিলাম। আজ আসলাম প্রিয়তে নিতে ও + দিতে। চমৎকার একটা লেখা হইছে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ,

সৌভাগ্য মনে করছি

২৬. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: বেশ জটিল ব্যাপার দেখি
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন আপু ?
আপনার শেষ পোস্টের শান্ত সৌম্য ছবিগুলো মনে দাগ কেটে আছে

২৭. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: " আমি আর বেশী কথা বলে আপনাদের সময় নষ্ট করবোনা , কারন আপনাদের সময়ের মূল্য অনেক , এই মূল্যবান সময় অপচয় করবার কোন অধিকার আমার নেই , আমাদের সমস্যা হলো আমরা সময়ের মূল্য বুঝিনা , যে সময় চলে যায় তাতো ফিরে আসবেনা কখনো ,কিন্তু সময় থাকতে সময়ের মূল্য আমরা দেইনা , পরে অনেক আফসোস করতে হবে সময়ের অপচয় কেন করলাম , কেন সময় থাকতে সময়ের মূল্য দেইনি আমরা , কেন ............ ব্লা ব্লা ব্লা ......"

" আর কথা না বাড়িয়ে শেষ দুটো ব্যাপার বলে বিদায় নিতে চাই আজকে , সেই দুটো কথা বলার আগে আরেকটা ব্যাপার যা না বললেই না , সেটা হলো ...... এ প্রসঙ্গে একটা গল্প মনে পড়ে গেল, একবার হয়েছিল কি ......"

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: কথাগুলো যখন বক্তার মুখে শুনি , তখন কতই না আতঙ্ক ভর করে .....
আর কথাগুলো যখন সোহায়লা বলল , ঘরে বসে আমি প্রাণভরে হাসলাম ।

অনেক বক্তৃতা দাও নাকি ? কি করে এত জান ?
সামথিং ফিশি ..

২৮. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: :P আপু !!!! খিক খিক!!!!!!!!! হা হা প গে !!!!!!! @ সোহায়লা রিদওয়ান
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব ভাই

৩০. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭
রুবেল শাহ বলেছেন: গাদ্দাফীর যা করছেন তার দরকার ছিল ..............

===== অনেক ভাল পোষ্ট

শুভেচ্ছা
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: সহমত

শুভেচ্ছা আপনাকেও

৩১. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১১
অ্যামাটার বলেছেন: মজারঃ)
ক্যাস্ত্রো'র বক্তৃতার ইতিহাস জানতাম অবশ্য, হিস্ট্রি চ্যানেলে একবার দেখাচ্ছিল, বাকিদের কাহিনি এখন জানলাম,
আমার তো মনে হয় ফিদেল ক্যাস্ত্রোর বিপ্লবী কথামালা শুনতে খুবএকটা খারাপ লাগার কথা না, ঝাঁঝালো বাক্য ঝিমিয়েপড়া মানুষকে চাঙ্গা করতে টনিকের মত কাজ করার কথা,
বরং গর্ডন ব্রাউনদের মাপা মাপা 'অতি ভদ্র' সুশীল কথা বেশি শুনতে বিরক্ত লাগে।
ওবামা অবশ্য বাগ্মী, ভাষন শুনতে খারাপ লাগে না, সবসময় আশার বাণী শোনায়, ওবামার ভয়েসে হতাশা, অক্ষমতা; এগুলো একেবারেই অনুপস্থিৎ, (অবশ্য রাষ্ট্রনায়কের কৃতিত্ব শুধু বক্তৃতায় নয়, কাজে)!
মজার ব্যাপার, আহমেদিনাজাদের ভাষনের সময় যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ওয়াকআউট করে নিজেদের হীনমন্যতা দারুন সুন্দরভাবে প্রকাশ করে স্বেচ্ছা উলঙ্গ হয়েছে:)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ওবামার ভাষণ সত্যিকার অর্থেই অণুপ্রেরণাদায়ক ।

কথার জোরে হলেও , আপাদমস্তক একজন স্মার্ট প্রেসিডেন্ট ওবামা ।
আহমাদিনেজাদের বক্তৃতা শোনার হিম্মত মার্কিনীদের নেই , ওয়াকআউট চরম হাস্যকর

৩২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
সহেলী বলেছেন: বক্তৃতার বক্তৃতা !
গাদ্দাফীর কথাগুলো শুনে প্রান জুড়ালো ।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে আমারও , হোক না হয় পাগলামি , কিন্তু পাগল অনেক সত্য কথা বলে ফেলে

৩৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
মুনশিয়ানা বলেছেন: সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর...
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন :)

৩৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩০
অপরিচিত_আবির বলেছেন: গাদ্দাফীর সামনে থেকে ঘড়ি উঠিয়ে ক্যালেন্ডার রাখলেই হতো!
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: গাদ্দাফীর বক্তৃতা অনুবাদ করতে গিয়ে ৯০তম মিনিটের মাথায় অনুবাদক সাবেক লিবীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী তেরকি কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেন । পরের ৬ মিনিট , অন্য একজন আরবী তর্জমাকারী বক্তৃতা অনুবাদ করেন ।



Ali Treki, former Libyan Foreign Minister, shows the strain as Colonel Gaddafi gets into the swing of things

৩৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এই লেখাটা আগেই অফলাইনে পড়েছিলাম। দারুন লেখা :)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ,
ব্যস্ত্ অনেক ? সিরিজটা আসবে না ?

৩৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
রোবোট বলেছেন: লেখা ভালো লাগলো। সোহায়লা রিদোয়ানের কমেন্টও।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: খুশি হলাম রোবোট ভাই , আমার ব্লগে আপনাকে পেয়ে ।

শুভকামনা রইল

৩৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: একসাথে তিনটা গল্প নিয়ে বসছিলাম ঈদের ছুটিতে। একটাও শেষ হলো না :(
প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের কাজ নিয়ে কিছুটা ব্যস্ত। সিরিজটা অবশ্যই শেষ করবো। ধন্যবাদ মেহরাব ভাই খবর নেওয়ার জন্য।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ,শামীম । ঐ কাজটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ , সফলতার জন্য শুভকামনা থাকল ।

৩৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬
কোলাহল বলেছেন: এত বড় বড় বক্তার ভিড়ে আপনার বক্তুতা যে বেশি ছোট হয়ে গেলো।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

লেখক বলেছেন: আমার ছোট্ট বক্তৃতায় , এত যুগের এত গুলো বক্তাকে একই ডায়াসে দাঁড় করিয়ে দিলাম , সেটাই বা কম কিসে ? :)

৩৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
আকাশনীল বলেছেন: লেখা দারুন রসময় লেগেছে।:)
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: কি খবর ?

ইয়ে .... রস+আলো :)

৪০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২
শ।মসীর বলেছেন: চমৎকার। ধন্যবাদ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও

৪১. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৬
নুভান বলেছেন: হা হা হা সেইরকম অবস্থা। প্রিয়তে রাখলাম। মাঝে মাঝে আমারও বক্তৃতা দিতে মুঞ্চায় :P :P
১৩ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: বক্তৃতা দিতে এখনও পা কাঁপে :(

৪২. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৪১
ই য়া দ বলেছেন: গাদ্দাফীর ছবি দেখেই হাসি পাচ্ছে! :P :P :P

ভাগ্যভালো এমন ভাষণ এর সামনে পড়তে হয়নি।

+

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭৮০২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নেই তবু যা আছের মতো দেখায়
আমরা তাকে আকাশ বলে ডাকি,
সেই আকাশে যাহারা নাম লেখায়
তাদের ভাগ্যে অনিবার্য ফাঁকি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ