somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মিডিয়া গছিপঃ গুঞ্জনের কবলে তিন্নি হিল্লোল

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মাঝখানে বছর দুই নির্ঝঞ্ঝাট জীবন পার করে ফের গুঞ্জনের কবলে পড়েছেন ছোটপর্দার প্রিয়মুখ তথা প্রেমিক-দাম্পত্য জুটি তিন্নি-হিল্লোল। নতুন বছরের শুরু থেকে মিডিয়ার এ কান হয়ে ও কান পর্যন্ত ফিসফাসফিস করে ঘুরে বেড়াচ্ছে এ দম্পতির বিচ্ছেদের খবর। গুঞ্জনে উঠে এসেছে, দুজনার মতের অমিল, ব্যক্তিগত জীবনে একে অপরের প্রতি সন্দেহ, বাচ্চা হওয়ার এক বছরের মাথায় তিন্নি আবার ফিরে গিয়েছেন বিয়ের আগের চনমনে চলনে, শান্ত হিল্লোল কোনোভাবেই বশ করতে পারছেন না চঞ্চলা স্ত্রীকে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন নির্মাতা আর কুশলীর পৰ থেকে তিন্নির প্রতি নতুন করে পুরনো অভিযোগের আঙুল উঠছে সিডিউল ঘাপলার বিষয়টি নিয়ে, কেউ তিন্নিকে নতুন করে প্রেমে জড়াচ্ছেন একজন ব্যান্ড তারকার সঙ্গেও। তবে এর সবকিছু ছাপিয়ে তিন্নি যখন নাট্যাভিনয়ের পুরনো জমকালো অধ্যায়ের দিকে আবারও এগিয়ে যাচ্ছেন ক্রমশ, ঠিক তখনই জোরালো হয়ে উঠছে তিন্নি-হিল্লোলের বিচ্ছেদের গুঞ্জনটি।

নাটকপাড়ার একাধিক সূত্র, যারা তিন্নি-হিল্লোলেরই কাছের মানুষ বলে অভিহিত, সেই তাদের অনেকে বলছেন, ওরা আর একসঙ্গে থাকছে না। এরই মধ্যে তিন্নির কাছে হিল্লোল পাঠিয়েছেন বিচ্ছেদপত্র। তাও মাসখানেক হবে। যা কার্যকর হতে সময় লাগবে আরও মাস দুই, যদি এর মধ্যে হিল্লোলের চাওয়া মতে তিন্নি ফিরে না আসে। এমন নানাবিধ শক্তিশালী গুঞ্জনের বিপরীতে অভিযুক্তদের যুক্তি অথবা এর বাস্তবতা নিরীক্ষার লক্ষে প্রথমে আলাপ হয় হিল্লোলের সঙ্গে।

তিনি বলেন, এ খবর আমার কাছেও এসেছে, আমার কলিগদের মাধ্যমে কানে কানে। বড় বাস্তবতা হচ্ছে আজ (প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের দিন) সকালেও আমি ওকে মানিকগঞ্জে অরুন দার (অরুন চৌধুরী) শুটিং স্পটে নামিয়ে এসেছি। ওই স্পটে অরুন দাসহ আরও অনেক শিল্পী আছেন। প্রয়োজনে তাদেরকেও ফোন করে জানতে পারেন। এর বাইরে আর কি বলবো! মৃদুভাষী আদনান হিল্লোল এর বেশি কিছু বললেন না। যেমনটি বলেননি বছর তিনেক আগে তিন্নিকে কেন্দ্র করে বিয়ের আগে ও পরের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়গুলোতে।

এর পরপরই তিন্নির সঙ্গে আলাপ। জানান, তিনি তখন অরুন চৌধুরীর নির্মাণ চলতি ধারাবাহিক লীলাবতীর শুটিংয়ে আছেন। স্থান মানিকগঞ্জ। সাম্প্রতিক দিনকালের আলাপ শেষে প্রসঙ্গ এলো বাজারে প্রচলিত গুঞ্জনের। এমন জিজ্ঞাসায় তিনি বললেন, হ্যাঁ, বেশ কদিন ধরে আমার কানেও বিষয়টি এসেছে। মজার বিষয় হচ্ছে আজ সকালেও হিল্লোল আমাকে শুটিং স্পটে লিফট দিয়ে গেছে। তবে প্রেসের পক্ষ থেকে এমন জিজ্ঞাসা এই প্রথম।

এতে আমি খুব একটা ক্ষুব্ধ কিংবা শঙ্কিত নই। কারণ, আমি জানি এসব কারা বলে বেড়াচ্ছে। দুএকজন নির্মাতা, যারা অতি সম্প্রতি আমার সিডিউল চেয়েও পাননি, তারা এ গুঞ্জনটি ছড়াচ্ছে। সঙ্গে যোগ হচ্ছে এন্টি তিন্নি গ্রুপ। যারা আমার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ দিনগুলোতে প্রতিনিয়ত আমাকে ঠেকানোর চেষ্টা করেছে। তারাই আমার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

তিন্নির প্রতি প্রশ্ন ছিল মিডিয়ায় এত মানুষ থাকতে আপনার বিপরীতে বার বার কেন গুঞ্জন উঠবে? জবাবে তিন্নি বলেন, আমি আসলে জানি না। হয়তো আমার ঠোঁট কাটা স্বভাবের জন্যই অনেকে আমার ভালটা মেনে নিতে পারে না। আমি আবার আগের মতো জ্বলে উঠবো, এই ভেবে আমার শত্রুরা জেগে উঠছে আবার। বিশ্বাস করবেন না, আমি আগের চেয়ে অনেক শুকিয়েছি। ফিরে যাচ্ছি আগের গঠনে। নিয়মিত কাজ শুরু করেছি।

এটাই অনেকের চোখের কাঁটা হয়ে গেছে। আমাদের ঘরে একটা ফুটফুটে বাচ্চা আছে। আমরা নিজেদের মতো করে জীবন চালাচ্ছি। বাচ্চাটার একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশার মধ্যে আছি। জানামতে আমরা কারো কোনো ক্ষতি করিনি। তবুও মানুষ আমার পেছনে লেগে কি মজা পায় সেটাই বুঝি না। তিন্নি আরও বলেন, সেপারেশন হলে সেটা ঢেকেতো লাভ নেই। এসব রাখঢাক আমার মধ্যে নেই।

তবে এন্টি-তিন্নী বাহিনীর এই প্রচার-প্রপাগান্ডা যদি সামনেও অব্যাহত থাকে, তাহলে আমিও তাদের ছেড়ে কথা বলবো না। অবশ্য তার আগে তিন্নি নিজের ক্যারিয়ার পুনঃস্থাপন নিয়ে শতভাগ মন বসাতে চান। শত্রুদের মোকাবিলা করতে চান অভিনয় সফলতার মধ্য দিয়ে।


সূত্রঃ বাংলাদেশ ইনফু










১৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×